আমার প্রিয় পোস্ট
- কুৎসিত সত্যঃ এক অশুভ দানবের সর্বগ্রাসী আর্তনাদ!! - অগ্রপথিক...
- কিছু জোকস



।ভাল লাগলে পাঠক দায়ী, খারাপ লাগলে লেখক দায়ী - মাতবার
- ৯০ দশকের বিটিভি পর্দার বিজ্ঞাপনো-পিডিয়া - মেহরাব শাহরিয়ার
- বড়দের জন্য বাবুরা ঘুমাইতে যাও



- চেয়ারম্যান০০৭
- সামুতে অর্ধযুগ (৬ বছর) পার করে ফেলেছেন এমন ব্লগারদের লিস্ট (আপডেট হইবেক) - সামুর পাগল
- লাইভ বাংলাদেশী টিভি দেখুন। কোনো সফটওয়্যার/ব্রাউজার ছাড়াই! - রাজুরনি
- জেমসের ব্যান্ড ও সলো সব এ্যালবাম এর কভার + - আব্দুল্লাহ-আল-মামুন শামীম
- কিছু সংগ্রহিত ১৮++ কৌতুক,কমন পড়লে দোষ দিবেন না
- মামুন হতভাগা
- গাড়ী, বাড়ী, নারী কার কোনটা দরকার বেছে নিন?
- ইন্জিনিয়ার জনি
- এ যুগের মেয়ের গল্প (ভুল বুঝা মেয়েদের গল্প) - লাভলু জাফর সাদিক চৌধুরী
- একটা কুকুরের মৃত্যু সংবাদের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি - নীল_পদ্ম
- সমকামী বিয়ের অনুমোদন !!!! - কানন শাহ
- শুধু ভালোবাসার জোরে। - চিটি (হামিদা রহমান)
ভীষণ ভালোবাসি দেশ, মা আর মাটি। আজও বিশ্বাস করি বাংলাদেশ মাথা তুলে দাঁড়াবেই।

শ্রদ্ধেয় ড. ইউনুস স্যার আর আমার কিছু কথা!
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৮:৩৬
ড. ইউনুস স্যারকে নিয়ে লিখতে গিয়ে, সবকিছু তাল-গোল পাকিয়ে ফেলেছি। গত কয়েকদিন ধরেই ভাবছি স্যারকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটা লিখা লিখবো, কিন্তু ব্যস্ততার কারণে আর সময় হয়ে ওঠেনা। নোবেল প্রাইজ পাওয়ার পর স্যারকে নিয়ে অনেকেই এই সাইটে অনেক লিখা লিখেছেন, অনেকের লিখাও আমি পড়েছি, ভালোও লেগেছে।
কোন একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে পএিকায় এরকম একটা খবর দেখবো বলেই অনেক দিন ধরেই প্রত্যাশার করছিলাম। অনেকদিন ধরে এ কারণেই বলছি যে, আমার ধারণা ছিলো স্যার 2006এর আগেই নোবেল প্রাইজ পাবেন। স্যারের মূল্যায়নটা আমার দৃষ্টিকোণ থেকে একটু দেরীতেই হয়েছে, তবুও ভালোলাগছে এই ভেবে যে, অবশেষে তিনি পেয়েছেন, জয় করেছেন কোটি কোটি মানুষের ভালোলাগা, ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা।
স্যারের ব্যাপারে আমি প্রথম জানতে পারি 1994 সালের শেষ দিকে। আমার শ্রদ্ধেয় ছোট চাচার (বর্তমানে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সেন্ট্রাল ব্যংকের ইকোনমিক কাউনসিলর হিসেবে পাকিস্তানে কর্মরত আছেন) কাছ থেকেই স্যারের ব্যাপারে জানতে পারি। স্যার কি করছেন, তার পরিকল্পনা কি, গ্রামীন ব্যাংক কি করছে, এইসব ব্যাপারে তিনি আমাকে ধারণা দিয়েছিলেন। তখনও আমি এইসব ব্যাপার বোঝার মতো ততটা সক্ষম হইনি। তবে পরে ব্যাপারগুলো ধীরে ধীরে বুঝতে পারি সত্যিকার অর্থে এই দেশের জন্যে, সমগ্র বিশ্বের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্যে স্যারের আন্দোলন কতটা জরুরী। তখন থেকেই স্যারের প্রতি অগাধ শ্রদ্ধাবোধ জন্মাতে থাকে। বেশ কয়েকবার সুযোগ হওয়ার পরেও স্যারের সাথে সরাসরি দেখা করতে পারিনি, এটা আমার নিতান্তই দুর্ভাগ্য।
দারিদ্রের বিরুদ্ধে স্যারের আন্দোলন তিন দশকেরও বেশী সময় ধরে। এতটা পথ তিনি পেরিয়েছেন, মানুষের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর বিশ্বাসের উপর ভর করে। নিজের কাজের প্রতি স্যারের অগাধ আস্থা এবং শ্রদ্ধা আমাকে অনুপ্রাণিত করে, প্রতিদিন, প্রতিটি মুহূর্তে। হয়তো অনেকেই মনে করবেন, এখন নোবেল পাওয়ার পরই এসব বলছি কেন? প্রশ্নটা অযৌক্তিক হলেও অপ্রাসঙ্গিক নয়। ঢাকায় থাকাকালীন সময় স্যারের বিভিন্ন লিখা আমি বিভিন্ন সময় সংগ্রহ করেছি। পেপার কাটিং থেকে টাইপ করে কম্পিউটারে সেইভ করে রাখতাম। সেসব কথা না হয় আর নাইবা বললাম।
ভারত থেকে সেন স্যার অর্থনীতিতে নোবেল পাওয়ার পর আমার কেবলই মনে হচ্ছিলো, ইউনুস স্যার কবে পাবেন এই সম্মান, কেন এত দেরী হচ্ছে? মাঝে মাঝে মনে হতো, হয়তো স্যারকে তারা(নোবেল প্রাইজ কমিটি) সঠিক মূল্যায়ণ করছেন না! না, আমার লিখা পড়ে ভাববেন না যে আমি অতিমাএায় প্রত্যাশী ছিলাম, তবে আমার বিবেচনায় মনে হতো স্যার এটার উপযুক্ত একজন। তবে এ কথা সত্যি যে, আমি কখনোই ভাবিনি স্যার নোবেল পিস প্রাইজ পাবেন। আমার ধারণা ছিলো তিনি অর্থনীতির জন্যেই পাবেন, পাওয়া উচিত। তবে আমিও সেন স্যারের কথা অনুসরণ করেই বলবো অর্থনীতির সাথে শান্তির একটা নিবিড় সম্পর্ক আছে।
স্যারের নোবেল প্রাইজ পাওয়া বাংলাদেশ তথা সমগ্র বাঙালী জাতির জন্যে অত্যন্ত গৌরবের একটা ব্যাপার। স্বাধীনতার পরে এটাই বাঙালী হিসেবে আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি। তৃতীয় বিশ্বের দেশ, পৃথিবীর সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্থ দেশ হিসেবে উপাধি দেয়ার পরেও সেই দেশ থেকে একজন মানুষ নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন, এটাই প্রমাণ করে আমরাও পারি, আমাদের মেধা আছে। যখনই স্যারের কথা মনে হয়, যখনই মনে হয় আমি বাংলাদেশের নাগরিক তখনই মাথা উঁচু হয়ে উঠে, আনন্দে, ভালোবাসায়, ভালোলাগায় দু'চোখে পানি চলে আসে। এরকম অনুভূতিতে আমি কখনো কাঁদিনি, কিন্তু স্যার যেদিন মনোনীত হলেন সেদিন কেঁদেছি। আজ যখন এই লিখাটা লিখছি তখনও দু'চোখে আনন্দ অশ্রু। এই অনুভূতি কোন ভাষাতেই বোঝানোর নয়।
বিদেশের মাটিতে বাঙালী জাতির বিরুদ্ধে মন্দ কথা শুনতে শুনতে খুব কষ্ট হতো। কিন্তু নোবেল প্রাইজ পাওয়ার সেই দৃশ্যপট এখন অনেকটাই পালটে গেছে। খুব ছোট্ট একটা উদাহরণ দিচ্ছি- আমি যেখানে জব করি, সেখানে দু'দিন আগে একজন স্প্যানিশ বৃদ্ধা এসেছিলেন, উল্লেখ্য যে ভদ্র মহিলা ভালো ইংরেজী বলতে পারেন না। তিনি আমার দিকে খানিকক্ষন তাকিয়ে থেকেই জিজ্ঞেস করলেন-
-ইউ বাংলাদেশী?
আমি বললাম হঁ্যা। তিনি বললেন-
-ইউর কান্ট্রি ম্যান, নোবেল পা্রইজ। গ্রেট ম্যান। কনগ্রাটস।
এই প্রথম কেউ আমাকে বাংলাদেশী বলে ধন্যবাদ জানালো। কান্না আর ধরে রাখতে পারলাম না, কেঁদে ফেললাম। এই অনুভূতির, এই ভালোলাগার কোন তুলনা হয়না। আমি ধন্য, ধন্য আমার জন্ম মাগো তোমার কোলেতে, ধন্য আমি বাংলাদেশী।
স্যার আমাদের যে অনুভূতির স্বাদ দিলেন, যে ভালোবাসার পরশ বুলিয়ে দিয়েছেন কোটি কোটি বাঙালীর প্রাণে, তা চিরকাল বেঁচে থাক।
স্যারের নোবেল প্রাইজ পাওয়ার পর পরই আমার মত নিশ্চয়ই অনেকেই ভেবেছেন যে, স্যারের রাজনীতিতে আসা উচিত। এমন একজনের হাতে দেশের দায়িত্ব দিয়ে আমার বিশ্বাস বাংলার প্রতিটি মানুষ নিশ্চিন্ত হতে পারবেন। এই নিয়েও একটা ছোট্ট ঘটনা বলছি- স্যারের প্রাইজ পাওয়ার পরদিন আমি নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে গিয়েছি একটা রেস্তোরায় নাস্তা করতে, সাথে আমার এক বন্ধু ছিলো। কথা প্রসঙ্গে স্যারের কথা আসতেই বাঙালী অর্ধশিক্ষিত একজন হোটেল বয় দূর থেকে আমাদের কথা শুনছিলো, কাছে এসে বললো-
- ভাই, হাসিনা আর খালেদারে রশি দিয়া বাইন্দা, জেলে একটা সেলে ফালাইয়া রাইখ্যা, স্যারেরে ক্ষমতা দিয়া দেউন উচিত, হের পর যদি দেশ খারাপ চলে তাইলে আপনেরা আইয়্যা আমারে জুতা দিয়া গালডা ফাডাইয়া দিয়েন। স্যারের অহন রাজনীতিতে আসন উচিত, কি ভাই ভুল কিছু কইছি?
আমি তার কথা শুনে খুব অবাক হইনি, বরং ভালোলেগেছে এই ভেবে যে, আমাদের দেশের মানুষগুলো বুঝতে শুরু করেছে যে, আসলে ক্ষমতা কাদের হাতে যাওয়া উচিত। আমারও দৃঢ় বিশ্বাস স্যার ক্ষমতায় যেতে পারলে, সত্যি সত্যি আমরা একটা সোনার বাংলাদেশের আশা করতে পারি, তবে সেজন্যে স্যারের রাজনীতিতে আসা উচিত।
এরপরদিন মানে আজ, প্রথম আলোর পএিকা খুলেই দেখলাম স্যার সিউলে যাওয়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে তার রাজনীতিতে আসার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এতটা খুশি আমি আমার জীবনে খুব কমই হয়েছি। অসম্ভব ভালোলেগেছে স্যারের এই আশ্বাসে। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি, স্যার রাজনীতিতে এলে দেশের ভালো বৈ মন্দ হবেনা।
আমি সেদিনের প্রত্যাশায় আছি, যেদিন এমন একজন আলোকিত মানুষের হাত ধরেই আমাদের বাংলাদেশ একটি ক্ষুধা, দারিদ্রমুক্ত দেশ হবে। তবেই অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব। বাংলাদেশের যে ক্রান্তিকাল যাচ্ছে সেখান থেকে বের হয়ে আসার জন্যে এর চেয়ে ভালো কোন পথ আমি দেখছিনা।
বিশ্বের কোটি কোটি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্যে স্যার যে আলোর প্রদীপ জ্বালিয়ে দিয়েছেন, আজ তার আলোয় আলোকিত হচ্ছে সমগ্র পৃথিবী, ধীরে ধীরে এই আলোয় উদ্ভাসিত হবে পৃথিবীর শত কোটি দরিদ্র জনগোষ্ঠী, এমন কামনাই করি। পাশাপাশি আশা করবো স্যার আমার এই বাংলা মা'কে একটা সুন্দর দেশ হিসেবে মাথা উচু করে দাঁড়াতে তিনি এগিয়ে আসবেন। আমি নির্ভয়ে, আত্মবিশ্বাসে বলতে পারি, শত শত তরুন, যুবক এগিয়ে আসবেন, দেশের জন্যে কাজ করবেন। 71'এর পর এখন আবার সময় এসেছে একসাথে, হাতে হাত রেখে কাজ করার। দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আমরা এমনই একজনকে পেয়েছি যাকে প্রয়োজন আমাদের জন্যে, আমাদের দেশের জন্যে, আগামী প্রজন্মের জন্যে।
স্যারের সুস্বাস্থ্য, মঙ্গল আর দীর্ঘায়ু কামনা করছি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাক এই প্রত্যাশায় থাকছি।
নোট ঃ কথাগুলো একান্তই আমার ব্যক্তিগত ভাব না থেকে লিখা। অনেকের দ্্বিমত থাকতেই পারে। তবে আশা করবো সবাই আমার কাঁচা হাতের লিখাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
উৎসর্গ ঃ আমার এই ছোট্ট আর দুর্বল হাতে, এত বড় মাপের যে মানুষটিকে নিয়ে লিখতে চেষ্টা করেছি, সেই শ্রদ্ধেয় ড. ইউনুস স্যারকে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অতিথি বলেছেন:
আমারও এই ভয়টাই আছিলো লোকটা রাজনীতি শুরু করবো-
অতিথি বলেছেন:
রাসেল ভাই, একটা গণতান্ত্রিক দেশে ড. ইউনুস স্যারের মতো একজন মানুষ সরাসরি রাজনীতিতে না এলে এদেশের উন্নয়নের প্রকৃত পথ কিভাবে তৈরী হবে? ভয় পেলে হয়তো তিনি নিজেও গরীব মানুষদের জন্যে এভাবে নিজিকে বিলিয়ে দিতেন না! নতুন সচেতন প্রজন্ম তার পাশে থাকবে বলেই আমি মনে করি!
অতিথি বলেছেন:
হুম... মঞ্চ প্রস্তুত ।প্রধান নট মনোনয়ন এবং তার ভনিতা ও হয়ে গেলো ...
এবার শুরু হবে আসল পালা ।
থিয়েটারের দরজায় তালা । অস হায় দর্শক শেষ পর্যন্ত দেখে যেতে হবেই...
অতিথি বলেছেন:
আমরা কি থিয়েটার কম দেখলাম নাকি?নতুন নট কে একটা সুযোগ দিয়ে দেখতে ক্ষতি কি??আমাদের বর্তমান নট-নটী দের চেয়ে খুব খারাপ কিছু করা কি আদৌ সম্ভব?
অতিথি বলেছেন:
দেশের অনেক উপকার হবে যদি উনি রাজনীতিতে আসেন......................
অতিথি বলেছেন:
আমি আশাবাদী নতুন নট তার ভূমিকায় অনেক ভালো করবেন ।তবে সুযোগ দেয়ার ভূমিকাটা যে আপনার আমার মতো অভাজনের হাতে নেই, সবই সাঁইজীর আরশ থেকে নির্ধারিত -- সে জন্য একটু লাগে আর কি ।
স্যরি@অরুপ ।
ইফতেখার অবশ্যই মুছে দিতে পারেন মন্তব্য গুলো , যদি তার কাছে অযাচিত মনে হয় ।
অতিথি বলেছেন:
লিখার আগেও ভাবিনি, অন্তত এই বিষয়টি নিয়েও এত বেশী সমালোচনার অবকাশ আছে। মানুষকে নিয়ে আমরা খারাপ কথা বলতে দ্্বিধা করিনা, যদিও বা কেউ ভালো কিছু করলো, তবুও তার দোষ খুঁজে বের করাটাই এই অসহায় জাতির কাজ, এটা নিচু মানসিকতার পরিচায়ক।চামেলীর সাথে আমি মোটামুটি একমত। অনেককেইতো দেখলাম। ড. ইউনুস স্যার ক্ষমতায় গেলে তাদের চেয়ে ভালো বৈ খারাপ কিছু হবেনা।
অরূপ ভাই, পোস্টটিতে আবেগ অবশ্যই আছে, তবে বিবেক বর্জিত নয়।
মিতেব, আপনার সাথে আমি একমত।
হাসান ভাই, আমি মন্তব্য মুছে ফেলবোনা, কারণ সবারই জানার প্রয়োজন আছে আমরা কে কিভাবে ভাবছি। ভালো-মন্দ বিচার করার দায়িত্ব আমার নয়।
আমার খুব আফসোস আমরা কখনোই আমাদের নিজেদের ভালো সময়মতো বুঝতে পারিনা। যেমন মীরজাফর বুঝতে পারেনি, যেমন 71'এর রাজাকাররা বুঝতে পারেনি।
সুমন বলেছেন:
ভালকে ভাল বলতে দোষ কি! সমালোচকদের মতানুসারে বলছি নিজের লাভের অংশটা ঠিক রেখেও যদি কেউ এই দেশের কথা, গরীবদের কথা চিন্তা করে। তাকে নতজানু হয়ে সালাম জানাব। অন্তত আজকের রাজনীতির গোলক-ধাধা থেকে তো মুক্ত হওয়া যাবে।
স্যার যদি খারাপ করেও আমাদের এতো সম্মান এনে দিতে পারে। না জানি ভাল করলে কি দিবে।
এইসব সহ্য না হলে কা কাঁ কর আর মুড়ি খা।
অতিথি বলেছেন:
সত্যমঙ্গল প্রেমময় তুমি !
অরূপ বলেছেন:
ঘুমাইতে যান @ শঙ্কু
অনিক বলেছেন:
এতাদিন কোন নট ছিল না বলেই তো নটিরা তাদের বেলেল্লাপনা দেখিয়ে গেছে। এবার নট আবির্ভূত। দেখি নটিরা নটেশ্বর পূজায় কেমন নৌটঙ্গি করে। নট-নটিনী ছাড়া যাত্রার পালা জমে নাকি?
অতিথি বলেছেন:
লোকটার কথা ভাইবা খারাপ লাগতাছে, আমাগো দৈনিক পত্রিকার লোকেরা বেচারারে তুইল্যা দিলো, অহন আমাগো মজা দেখোনের পালা, আসলেই ইউনুস ভাইরে ভোট দাও, হ্যারে পেধান মন্ত্রি বানাও।
মদন বলেছেন:
খালেদা-হাসিনার থাইকা ইউনুস মিয়া ভাল করবো। এইডা আমি নিশ্চত।
সাইফ ভুইয়া বলেছেন:
রাসেল,গতপরশুদিন তিনি বললেন চট্রগ্রাম বন্দর মুক্ত করে দিতে , গতকাল বললেন প্রয়োজনে নতুন দল ঘোষনা করার কথা । এখন থেকে প্রতিবছর একটা করে নোবেল প্রাইজ বাংলাদেশে আসবে। হাতশার কিছু নেই।
অতিথি বলেছেন:
ইউনুস স্যারকে 5 দিন ।
সাইফ ভুইয়া বলেছেন:
পারলাম না সুমন ভাই
অপ বাক বলেছেন:
ভালো ছাত্র হওয়া আর ভালো নেতা হওয়া ভিন্ন বিষয়, একজন গবেষণায় ভালো হলেই তাকে দিয়ে রাষ্ট্র চালানো যায় এই মধ্যযুগীয় ভাবনার সমপ্রচার করে যাচ্ছে দৈনিক পত্রিকাগুলো, মেধাবী মানুষদের রাজনীতিতে আসা প্রয়োজন তাই বলে সব গবেষকদের ধরে ধরে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়ে দেওয়া দরকার এমন ভাবনাটা বালখিল্যতার পর্যায়ে পড়ে।
মদন বলেছেন:
ব্রেন খারাপ (হাসিনা বুবু), মুর্খ(খালেদা আপা), লুইচ্চা (এরশাদ চাচা) যদি দেশ চালাইতে পারে তাইলে ইউনুস মিয়াও পারবো।
অতিথি বলেছেন:
ডঃ কামাল?
অতিথি বলেছেন:
কামালের ডিঅ্যাব্রিভিয়েশানটা যেন কি ?
অতিথি বলেছেন:
সুমন, আমি আপনার সাথে একমত।অনিক, আমাদের গ্রাম দেশে একটা প্রচলিত কথা আছে, - পাটায় আর পুতায় ঘষাঘষি, মরিচের জীবন শ্যাষ। যাএা পালা যদি জমাতে গিয়ে নিজের(সাধারণ মানুষ) জীবনটা শেষ করার কি কোন দরকার আছে? অবশ্য প্রয়োজন মনে করলে তাও করতে পারেন, নিজের ভালো পাগলও বোঝে, বুঝিনা কেবল আমরা বাঙালীরা। 5 বছর পর পর ভোট দিয়ে চোর-বাটপারদেরকে জনগনের
প্রতিনিধি নির্বাচিত করি।
রাসেল সাহেবকে আর কি বলবো? ও আমি তাকে সাহেব বলছি কারণ হলো, তিনি ড. ইউনুস এর মতো গুণীজনকে যেভাবে তাচ্ছিল্ল্যের সাথে উপস্থাপন করছেন, তাতে তাকে সাহেব বলা ছাড়া আর কোন গতি নেই। তবুও বলবো নুন্যতম ভদ্রতা দেখিয়ে তার ব্যাপারে কথা বললে বোধ করি ভালো হতো। ড. ইউনুস স্যারতো দেশের জন্যে একটা নোবেল পুরস্কার আনলেন, দেখি আপনি দেশের জন্যে কতটা কি করতে পারেন, তারপর না হয়.....
মদন, আপনার সাথে আমি একমত।
অপবাক, যার দেয়া পন্থায় সারা পৃথিবীতে একটা বিপ্লব ঘটে যাচ্ছে, তার জন্যে বাংলাদেশের মতো একটা দেশ চালানো খুব বেশী কঠিন কিছু হবে বলে মনে হয়না, হলেও খালেদা-হাসিনার চেয়ে ভালো দেশ চালাতে পারবেন তা আমি 100% নিশ্চিতভাবে বলতে পারি।
অতিথি বলেছেন:
বিউটেনিসিয়ার চায়ের দাওয়াত ডোজে যখন হইলো না। তখন নোবেল ডোজ দাও। আমগোর ডিজুস জেনারেশন তো দেখবো বিজ্ঞাপন। যার বিজ্ঞাপন যত চটকদার তার ভিতরে গু থাকলেও চাইট্যা খাইবো। (ওই যে আরসির 150 এমএলের একখান বিজ্ঞান দ্যাখচেন। কী গান গাইতে গাইতে শুয়োরের মতোন আসে! হেরপর যেই শোনে দাম কম অমনি একখান খাইয়া কয়, পুরা প্যাকেট দাও। আইজ আমার দিল খোলা। দোকানদার ব্যাটাও এই সুযোগেই আচিলো। ফট কইরা বাইর কইরা দিলো এক ক্যান।) তাই খাইতাছে। এহানে আবার মীরজাফর, রাজাকারগো কথা কওয়া হইচে। আরে মিয়া, কে মীরজাফর, কে রাজাকার তা আপনি আমি নির্ধারণ করবার পারুম না। ইতিহাসই কইবো। কাজেই আইজ মারামারি না কইরা 10 টা বছর অপেক্ষা কইরা দ্যাখেন আপনাগো ছরদ্ধেয় ইউনুচ ছার কী করে। দেশটারে কোনহানে লইয়া যায়। পনোরো বছরে দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষের মাথাপিছু আয় বাড়েনি। তাও কয় মাইক্রোক্রেডিট বোলে বিপ্লব আনছে। জয় হোক এমন বিপ্লবের। চারুমজুমদারগো বিপ্লব গোয়ামারা খাইছে। অহন ইউনুচগো বিপ্লবই দ্যাখোন লাগবো।
অতিথি বলেছেন:
আরিফ সাহেব, মীরজাফর আর রাজাকার শব্দটা ইতিহাস থেকেই নেয়া, এটা আমার বা আপনার সৃষ্টি নয়। তিরিশ বছর যে মানুষ গরীবের জন্যে এভাবে কাজ করে গেলেন, তার কাজ নতুন করে দেখার জন্যে আরো দশ বছর অপেক্ষা করার কোন মানে হয়না। ইউনুছ স্যার যাই করুক , আপনাদের খালেদা-হাসিনা ম্যাডামদের চেয়ে যে ভালো করতে পারবেন তাতে আমার কোন সন্দেহ নেই। আপনারাই যদি এত কিছু হিসেবে-নিকেশ করতে পারেন, তাহলে ইউনুস স্যারকে নোবেল দেয়া কেন, আপনাকে দিয়েই শুরু করা উচিত ছিলো। দুর্ভাগ্য, আপনারা দেশের জন্যেতো কিছু করতেই পারছেননা, আর যেও পারছে তাকে টেনে পেছনে নিয়ে আসতে চাইছেন। এই জন্যেই কথায় বলে হুজুগে বাঙালী। তিন দশকেরও বেশী সময় ধরেতো দেখলাম কে কি করলো, এবার নাহয় ইউনুছ স্যারকেই একটা সুযোগ দিয়ে দেখেন, কিছু করতে পারেকিনা! পনেরো বছরেও মাথাপিছু আর বাড়েনি? কি বলছেন? আপনাদের হাসিনা-খালেদা ম্যাডাম যখনই ক্ষমতা আসেন, ক্ষমতার শেষ বছরেতো বলেন আমি এটা করেছি, ওটা করেছি, দেশকে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসিয়ে দিয়েছি, তার কি হলো? আপনার কতটুকু বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা কি তা আমি জানিনা, তবে এতটুকু বুঝতে পারছি আপনার বিষয়ে বিভিন্ন ব্যাপারে প্রশ্ন তোলাই যায়!
সবশেষে বলবো, আপনার বক্তব্য শিষ্টতাবর্জিত, ইচ্ছে করলেই আপনার বক্তব্য আমি মুছে দিতে পারতাম কিন্তু মুছিনি, কারণ সবারই জানা উচিত, কে কোন শ্রেণীর মানুষ! আর একটা কথা, সম্মান সেই পায় যে মানুষকে সম্মান করতে জানে!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...













