আমার প্রিয় পোস্ট

ভীষণ ভালোবাসি দেশ, মা আর মাটি। আজও বিশ্বাস করি বাংলাদেশ মাথা তুলে দাঁড়াবেই।

খেলার বিনিময়ে ক্ষুধার্ত মানুষের জন্যে খাদ্য।

১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:২৭

শেয়ারঃ
0 0 0

বন্ধুরা, দয়া করে এই লিখাটা এড়িয়ে যাবেন না। অবিশ্বাস্য বা হাস্যকর শিরোনাম দেখে ভুল না বুঝে একটু কষ্ট করে আমার এই লিখাটা পড়ুন। বলতে পারেন, আপনাদের সবার কাছে এটা আমার অনুরোধ।

বি.বি.সি-এর নিউজ সাইটে এমনি একটা শিরোনাম দেখে, আমিও বেশ অবাক হয়েছিলাম। কিন্তু সত্যিটুকু অনুধাবন করতে বা আমার ভুল ভাঙতে ২মিনিটও সময় লাগেনি।

ফ্রিরাইস.কম - এই সাইটটিতে ঢুকেই দেখতে পাবেন, সবুজ ধানক্ষেত। ডান দিকে লক্ষ্য করলেই দেখতে পাবেন খেলার নিয়মাবলী। মাঝে দেয়া আছে প্রশ্ন। বোল্ড আকারে, কালো রঙের যে কোন শব্দ দেখতে পারেন, তার নিচেই দেয়া আছে চারটি সম্ভাব্য উততর। সেখান থেকেই অপনাকে বেছে নিতে হবে সবচেয়ে সঠিক উততরটি। অনেকটা এম.সি.কিউ-এর মত। উততর সঠিক হলেই আপনার অনুদান হবে ১০টি চাউল। মানে আপনি ১টি সঠিক উততর দিলে আপনার পক্ষ হয়ে ঐ সাইটের কর্মকর্তারা ‍- ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম - কে ১০টি চাউল আর্ন্তজাতিক বাজার থেকে কেনার টাকা দেবে। মানে দাঁড়াচ্ছে আপনি যত বেশী সঠিক উততর দেবেন আপনার অনুদান তত বেশী হবে। মানে দাঁড়ালো, আপনি ১০টি প্রশ্নের উততর সঠিক দিতে পারলে আপনার অনুদান দাঁড়াবে ১০০টি চাউল।

উল্লেখ্য, এই চাউলগুলো বিতরণ করা হবে, অনুন্নত দেশগুলোতে অনাহারী মানুষের মাঝে। পাশাপাশি আমাদেরও ইংরেজীতে দক্ষতা বাড়বে অনেকখানিই। অনাহারী, অসহায় ক্ষুধার্ত ঐ মানুষগুলোর মুখের দিকে একবার তাকিয়ে দেখুন, ভাবুন। কতটা অসহায়ের মতোই ওরা হয়তো আপনার আমার দিকেই তাকিয়ে আছে। আপনার আমার এই সামান্য অবদানে যদি অন্তত একটি মানুষের মুখে তিন বেলা খাবার যোগানো সম্ভব হয়, তবে কি সেটাই আমাদের অনেক বড় পাওয়া নয়?

পৃথিবীর অর্ধেকেরও বেশী মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেনা। কিন্তু আপনি, আমি - আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছি, আমরা কি ঐসব অনাহারী মানুষগুলোর জন্যে এতটুকুও করতে পারিনা? অন্তত মানুষ হিসেবে অন্য একটা মানুষের প্রতি আমাদের কি এতটুকুও মমত্ববোধ থাকা উচিত নয়? প্রতিদিনই আমরা অনেকটা সময়ই ইন্টারনেটে অপচয় করি, সেখান থেকে কিছুটা সময় কি আমরা তাদের জন্যে ব্যয় করতে পারিনা?

হয়তো ওরা জানবেনা আপনার আমার কথা, তাতে কি আসে যায়? মানুষ হিসেবে মানুষের জন্যে কিছু করার এর চেয়ে বড় সুযোগ হয়তো খুব বেশী আসেনা।

বিঃদ্রঃ ব্লগের সকল ইউজার এবং এই সাইটের সংশ্লিষ্ট সবাইকে এবারে দৃষ্টি আর্কষণ করছি, পাশাপাশি এর প্রচার ও খেলায় অংশগ্রহণে সবার সহযোগিতা কামণা করছি।

 

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:২৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৩৬
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তারা যদি এত কিছুই করতে চায় তাহলে এ খেলাটার দরকার কি? তারা তো এমনিতেই দিতে পারতো খাদ্য গুলো গরীবের মাঝে। এখানে আপনার আমার ইচ্ছাটাকে কেন প্রাধান্য দিচ্ছে? আর প্রধান কথা হলো ক্ষুধার্ত মানুষের জন্য প্রতি প্রশ্নের উত্তরে ১০ টা চাল, এটা মনে হচ্ছে পুজিবাদী চিন্তার এক অদ্ভুত বিজ্ঞাপন যেটাতে দারিদ্রকে উপহাসই করা হচ্ছে!
৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৪৮
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: নাজিম ভাই - সত্যিই অদ্ভুত আইডিয়া, তবে এখানে একটা বাণিজ্যিক চিন্তাও আছে। আশা করছি সাইটটিতে ভালো করে লক্ষ্য করলে ব্যাপারটা আপনিও বুঝতে পারবেন।

উদাসী ভাই - খেলাটার কিছু প্রয়োজনীয়তা আছে, প্রথমতঃ বাণিজ্যিক, দ্বিতীয়তঃ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অনাহারী মানুষদের সাহায্য করা, তৃতীয়তঃ ইংরেজীতে দক্ষতা বাড়ানো। আপনি ১০টা চালকে বড় মনে করছেন? কিন্তু এটা ভাবছেন না, অগণিত মানুষের খাদ্য কেনা থেকে শুরু সুনির্দিষ্ট স্থান পর্যন্ত পৌছেঁ দেয়া পর্যন্ত কতগুলো ধাপ জড়িত আছে! ১টা প্রশ্নের উততর দিতে ৫সেকেন্ডর বেশী লাগার কথা নয়। প্রথমেই বলেছি, চিন্তাটা অবশ্যই বাণিজ্যিক, তবে কারণ যাইহোক ক্ষুধার্ত মানুষ খাবার পাবে তাও বিনে পয়সায় এর চেয়ে বড় বিষয় আর কি হতে পারে? আপনার মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৪৮
রাগিব বলেছেন: ১০ টা চাল মানে কি ১০ দানা চাল? তাহলে এটা বিশাল এক রসিকতা।
৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৯
ভুইয়া বলেছেন: আমি ৪০০ দানা... earn করলাম... this is just one way to increase hit in the website... but if they really provide the rice... good...at least something can be done for those people... who are in extreme hunger
৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০০
ইরতেজা বলেছেন: হা হা হা...।উততর সঠিক হলেই অনুদান হবে ১০টি চাউল। মনে করেন আমি ২৭টি উততর সঠিক দিলাম তাহলে ২৭০টা চাইল। কিন্তু এই চাইল গুনবে কে? ফ্রি রাইসের লোকেরা এই ভাবে সারাদিন ১, ২ , ৩, ৪ করে চাউল গুনে ।।হা হা
৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০৫
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: রাগিব ভাই - আমি এটাকে রসিকতা ভাবছিনা, এটাকে ব্যবসা বলবো।

ভূইয়া - আপনাকে ধন্যবাদ, চেষ্টা অব্যাহত রাখুন। এটা মিথ্যে বা বানোয়াট নয়। আমি এই পর্যন্ত ১৫৫০ দানা অনুদান দিয়েছি।

ইরতেজা - মনে না করে, সত্যিকার অর্থে সেটা করলে ভালো হতো। গুনার বিষয়টা তাদের হাতেই ছেড়ে দিন, আপনার অবদানটুকু রাখুন। ধন্যবাদ।
৯. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২১
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ইফতেখার ভাই, আসেন তাদের জাতে আমরা পুরা পৃথিবীটাকে ছেড়ে দেই, দেখেন তারা কিভাবে কৈ মাছের তেলে কৈ ভাজবে আপনার সামনে?

আসলে আমার যুক্তিগুলোকে সবাই ভঙ্গিয়ে দিয়েছে! আসলেই এটা বড় রসিকতা! ইংরেজীর দক্ষতা বাড়ানোর যুক্তিটাও আমার কাছে বেশ হাসির মনে হচ্ছে! কারন ইংরেজীতে দক্ষতা বাড়ানোর এর চেয়ে ভালো পদ্ধতি ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে যেকোনো কোচিং সেন্টার বা আপনার ইন্টার মেট্রিক লেভেলের বই বা ভালো একটা গল্পের বই পড়লে অনেক বেশী জানা যায়। এভাবে একটা সাইটের হিট বাড়িয়ে সময় নস্ট করার বোকামী ছাড়া আর কিছুই না!

আর সারা বিশ্বকে দেখার আগে নিজের দেশের দিকে তাকানোটা মনে হয় একটু বেশী যুক্তযুক্ত!
১০. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২২
চাচামিঞা বলেছেন: হক কথা @ উদাসী স্বপ্ন ও রাগিব
১১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৬
উন্মনা রহমান বলেছেন: আমার পায়ে ধরলে ১০০ দানা দেব, ধরবেন নাকি কেউ? যতসব ভন্ডামি। খাবার পাওয়া মানুষের জন্মগত অধিকার, এখানে দয়া, করুনা, হিট বাড়ানো বা ইংরেজি শেখার কিছু নেই।
১২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৩৮
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: উদাসী স্বপ্ন - ছেড়ে দিই কি বলছেন? অজ্ঞতার কারণে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন আরো অনেক আগেই। ছত্রাকের মতো কোচিং সেন্টার গজিয়েছে বৈকি! তাতে কি কিছু লাভ হলো? যেদেশে মাস্টার্স পাশ করা ছাত্র ভালো করে ইংরেজী বলতে বা লিখতে পারেনা তাদের ইংরেজী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা কতটুকু সেটা সহজেই বোধগম্য। এত ভালো ইংরেজী শিখেও আর্ন্তজাতিক বাজারে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার কোন মূল্যই নেই, কি হাসির ব্যাপার! আগেই বলেছি কারণটা প্রথমত, বাণিজ্যিক সুতরাং হিট বাড়ানোই তার মূল লক্ষ্য। জানতাম, নিজের ভালো পাগলেও বোঝে, কিন্তু যেদেশের মানুষ ভোট দিয়ে বড় বড় চোরকে বার বার ক্ষমতায় বসিয়ে নিজেই বিপদে পড়ে, তাদেরকে কি বলা যায়? আমারতো মনে হয়, তাদের নূন্যতম জ্ঞানেরও অভাব আছে, যে অভাব পাগলেরও নেই।

চাচামিঞা - সারাজীবন হক কথা বলেইতো আসলেন, নিজে কিছু বলার শক্তি থাকা উচিত নয় কি?

উন্মনা রহমান - পায়ে ধরার কথা বলছেন? পায়ে কে কাকে ধরছে সেটাও আপনি আজও বুঝতে পারনেনি? আপনার আমার নেতারা প্রতিবছর বিশ্বব্যাংক আর এডিবির কাছে গিয়ে পায়ে ধরে আসে লোন মাফ করে দেওয়ার জন্যে, আবার আরেক দফা গিয়ে পায়ে ধরে লোন পাওয়ার জন্যে। ১৪ কোটি লোকের নেতা যিনি, তিনি নিজেই অন্যের পা ধরেন, আর আপনার পা? পায়ে ধরলে আপনার আর পুঁজিবাদীর মধ্যে পার্থক্য থাকলো কোথার? ওরাতো তাও পায়ে ধরতে বলেনি, ভন্ডামিতো আপনি আমি করছি, পেটে খাবার নেই, কথা বলছি বড় বড়। জন্মগত অধিকার আকাশ থেকে নাজিল হয়না, অবকাঠামো তৈরী করে নিতে হয়। যে দেশে টাকা না হলে বিনা চিকিতসায় লোক মারা যায়, খাবার পাওয়া যায়না সেখানে অধিকারের প্রশ্ন আসে কি করে? আমেরিকাতে আপনার টাকা না থাকলেও চিকিতসা ঠিকই হয়, অবকাঠামো তারা নিজেরাই তৈরী করে নিয়েছে। উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ইংরেজীতে কথা বলার মতো লোক আমাদের দেশে খুব কমই আছে। আমাদের ইংরেজী শিক্ষার দরকার কতটুকু তা উন্নত দেশগুলোতে গেলে খুব ভালো করেই বুঝতে পারবেন।

মন্তব্যের জন্যে আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।
১৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৮
কাপালিক বলেছেন: দানার পিরবের্ত বস্তা হইলে আমি রাজি আছিলাম, তয় মাগার দানায় পোষাইবো না - ফালতু কাম!
১৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪২
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: "এত ভালো ইংরেজী শিখেও আর্ন্তজাতিক বাজারে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার কোন মূল্যই নেই"

এটা বোধ হয় ঠিক কথা না। ধরে নিলাম আমাদের ইউনিগুলান প্রথম ৫০০ তে নাই, কিন্তু আমাদের চেলেগুলান কিন্তু বাইরের যেকোনো দেশের ছেলেদের সাথে যেকোনো বিষয়ে ডিফিট দিতে পারে। আমি যতদূর জানি বুয়েটে বিআইটির কারিকুলাম সব এমআইটি। এখানকার ডাক্তারদের মিডল ইস্টে পেলে খুবলে নেয়। এখানকার ইন্জিনিয়াররা আজ দেশের বাইরে রিক্রুট হচ্ছে। আর ইংরেজীর কথা বললেন, আরে ভাই সারা বিশ্ব আজ ইংরেজীতে বসে নাই। আপনে একসেনচার বা ইউ এন এর যেকোনো প্রতিষ্ঠানের ফরেন লোকের সাথে কাজ করলে বুঝতে পারবেন তাদের প্রাইমারী লেভেলেই নানা ভাষায় দীক্ষিত করে। আর সেখানে আমরা ইংরেজী শিখার জন্য একটা পজিবাদী শোষক শ্রেনীর উপহাস মূলক ওয়েবসাইটে ঘুড়বো সেটা নিতান্তই দৈনতা। আমি এমন বেশ কিছু দাতব্য সংস্হার নাম দিতে পারি যারা অন্তত দেশের জন্য সরাসরি কিছু করছে। আর আপনি যেসব কোচিং সেন্টারের কথা বললেন এখানে পড়েই কিন্তু পুলাপান আই এলটিএস দেয়, এমনকি আমি নিজেও দিয়েছি। আসলে নিজেদেরকে হীন মনে করতে করতে আসলেই আমরা অনেক হীন হয়ে গেছি। আসলে হীন হবো না কেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রিরাই তো চোর!
১৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:১৬
উন্মনা রহমান বলেছেন: ২০০ বছর ধরে কেরানী বানানোর জন্য ইংরেজী শিখিয়েছে, আর কতো শেখাবে? স্কুল কলেজে ১২ বছর ইংরেজী শিখে একটা বাক্য ঠিকভাবে বলতে পারে না কেউ। আর ইংরেজী ভীতির জন্য দলে দলে ছেলেমেয়ে ফেল করে। মাইকেলের কথা মনে করুন। তিনি খৃস্টান হয়ে, উত্কৃষ্ট ইংরেজীতে উঁচুমানের সাহিত্য রচনা করেও ইংরেজদের স্বীকৃতি আদায় করতে পারেন নি।
তার চেয়ে নিজের ভাষাটা ভালভাবে শেখা ভাল নয় কি? উন্নত দেশগুলোতে কিন্তু তাই করে। আর বাংলা ভাষা অনেক উঁচুমানের সমৃদ্ধ একটা ভাষা, এটা অনেকেই জানে না।

আর হ্যা, জাতীয় নেতারা বিশ্বব্যাংক বা আইএমএফ এর কৃপালাভের প্রতিযোগিতা করে, তার জন্য আমিও সেটা করব নাকি? তারা তো দূর্নীতিও করে বেশুমার, তাই বলে আমিও কি তাই করব?

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬২২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
www.e-dirts.com
www.ayojon.com/

শত ব্যস্ততার মাঝেও, ফেলে আসা অতীতের স্মৃতির রোমন্থন করতে গিয়ে খুঁজে ফিরি সেই হারানো মুখ। ইট-পাথরের এই শহরের অলি-গলিতে খুঁজে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ