১. পদার্থ একটা থেকে আরেকটায় পরিণত হয়, শক্তিরও রূপান্তর ঘটে। আবার পদার্থ থেকে শক্তি বা শক্তি থেকে পদার্থে রূপান্তর সম্ভব। পদার্থবিদ্যা (ভর ও শক্তির নিত্যতা সুত্র) অনুসারে শুন্য হতে কোন কিছু তৈরী হতে পারে না। তাহলে অনন্তকাল পূর্বে ঠিক কি অবস্থা হতে মহাবিশ্বের আবির্ভাব হয়েছিল? বিগ ব্যাঙ এর পূর্বে মহাবিশ্বের অবস্থা ঠিক কি ছিল? বিজ্ঞানীরা বলে দিয়েছে তারা আপাতত: এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে অপারগ। আর ধর্মের গাঁজাখুড়ি কাহিনী বিশ্বাস হয় না।
২. পৃথিবী একটা গ্রহ, যা সৌরজগতের ক্ষুদ্র একটা অংশ মাত্র। সূর্যের মত কোটি কোটি নক্ষত্র নিয়ে মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সি গঠিত। আবার লাখ লাখ গ্যালাক্সি নিয়ে সুপার-ক্লাস্টার গঠিত। সুপার-ক্লাস্টারের সংখ্যা আবার অগুনিত। সুপারক্লাস্টার লেভেলের উপরে মহাবিশ্ব অনেকটাই হোমোজেনাস, অর্থাৎ এর ওপরে এখনো কোন সুনির্দিষ্ট স্ট্রাকচার পাওয়া যায় নি। পুরো মহাবিশ্ব যদি একটা অনন্তব্যাপী বিস্তৃত মেঘের মত হয়, তবে একেকটা সুপার-ক্লাস্টার একেকটা বিন্দু মাত্র। বড় জানতে ইচ্ছা করে, এই মেঘটার শেষ কোথায়। মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় স্ট্রাকচার কোনটা? আর এই স্ট্রাকচার কি একটাই নাকি আরো অনেক রয়েছে। বিজ্ঞানীরা অবজার্ভেবল ইউনিভার্স বা পর্যবেক্ষণযোগ্য বিশ্ব নামে একটা সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছেন, যার বাইরের কিছু জানতে তারা অপারগ।
৩. পদার্থ অণু দিয়ে গঠিত। অণু আবার পরমাণু দিয়ে। পরমাণুতে আছে ইলেক্ট্রন, প্রোটন, নিউট্রন। এগুলো এবং অন্যান্য মৌলিক কণিকা গঠিত কোয়ার্ক দিয়ে। স্ট্রিং থিওরী অনুযায়ী কোয়ার্ক গঠিত স্ট্রিং দিয়ে। জানতে ইচ্ছা করে স্ট্রিং কি দিয়ে গঠিত? সবচেয়ে ক্ষুদ্র কোন উপাদান দিয়ে সবকিছু গঠিত
৪. ২ ও ৩ মিলে একটা অদ্ভুত প্রশ্ন মাথায় আসে। এমন কি হতে পারে না, গ্যালক্সি সমূহের সুপার-ক্লাস্টার গুলো আরেকটা জায়ান্ট স্ট্রিং এর অংশ যা আবার জায়ান্ট কোন কোয়ার্ক এর অংশ, যা দিয়ে গঠিত বৃহত একটি কণা যা আরেকটি বৃহদাকার মহাবিশ্বের অংশ।
আবার ৪ এ যে স্ট্রিং টির কথা বললাম, তা আসলে গঠিত অতিশয় ক্ষুদ্রাকার অসংখ্য গ্যালাক্টিক সুপার-ক্লাস্টার দিয়ে, যাদের ভিতরে রয়েছে গ্যালাক্সি, গ্রহ, নক্ষত্র ইত্যাদি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


