আমার প্রিয় পোস্ট

...চলে এসো সব সপ্নচারীরা...!

মায়াবতী...so what বলার মুদ্রাদোষটা কি এখনো আছে তোমার? (শেষাংশ)

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪১

শেয়ার করুন:                   Facebook

গুলশান লেকের ধারে বসে আমি ওকে গীটার বাজানো শিখাতাম। আমার জন্য সেটা ছিল বিরাট অস্বস্থির একটা কাজ। ও কিন্তু বেশ নির্বিঘ্নে আমাকে গাড়ী চালানো শেখাত। গোমড়ামুখে শুধু প্রায়ই বলত-'একটু সাবধানে প্রলয়। আমার কিন্তু জীবন বীমা করা নাই।'

কোন কোন দিন আমরা কোন কথা বলতাম না, তুরাগ নদীর তীরে গিয়ে দুজনে চুপচাপ বসে থাকতাম।

ও অসম্ভব চাপা স্বভাবের ছিলো। প্রচন্ড কষ্ট পেলেও সেটার বিন্দুমাত্র কাউকে বুঝতে দিত না। এখানেই আমার আপত্তি ছিলো। কতবার বলেছি সব কষ্ট দুজনে ভাগাভাগি করে নিবো। ও সায়ও দিত, কিন্তু ঐ পর্যন্তই। ও কখনো করেনি।

ইন্টার পরীক্ষার পর যেদিন ওরা ব্যাঙ্গালোরে চলে যায়, তার আগেরদিন, আমাকে 'joruri meeting' লিখে মেইল করে বটতলায় আসতে বল্ল। আমি হেলেদুলে বটতলায় গেলাম। কারন ঐ কথাটা ও সব মেইলেই লিখত।
গিয়ে দেখি, ধবধবে সাদা কামিজ আর সাদা চূড়িদার পরে হাঁটু ভাজ করে তার উপর খোলা চুলে মাথা রেখে বিষন্ন মনে বটতলার বেদীতে বসে আছে। মাথার উপরে বটের ঝাড়গুলো কিলবিল করছিলো। স্বর্গের অপ্সরীর মত লাগছিলো ওকে।

অনেক জোরাজুরি করেও ওর পেট থেকে কোন কথা বের করতে পারলাম না। শেষে যখন হাল ছেড়ে দিলাম, তখন কাঁদ কাঁদ হয়ে বল্ল- 'প্রলয়, আব্বু আমাদের নিয়ে কাল সকালের ফ্লাইটে ব্যাঙ্গালোর চলে যাচ্ছে। কবে ফিরব জানি না।"
আমার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ল। প্রচন্ড অভিমান হলো ওর উপর। আমাকে কেন আগে জানালো না?

ওরা চলে গেল। আর ফিরে আসেনি কখনো...।

মাঝে মাঝে শুধু আমাদের ল্যানে ফোন করত। ওর নানাবাড়ী চেরাপুন্জি থেকে ফোনে আমাকে বৃষ্টির শব্দ শোনাত। রাতের বেলা ইলেকট্রিসিটি চলে গেলে অন্ধকারে বারান্দায় বসে বসে আমি চেরাপুন্জীর বৃষ্টি 'শুনতাম'। ও বলত: 'প্রলয়, সাত দিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে। থামাথামির কোন লক্ষন নেই। সারাদিন বৃষ্টির ঝমঝম শব্দ শুনতে শুনতে বিরক্ত হয়ে গেছি। এই শব্দটা মাথার ভেতর পাকাপাকি ভাবে বসে গেছে। বৃষ্টি থামার পরও দেখা যাবে মাথার ভেতর ঝমঝম শব্দ হচ্ছে।' বলেই ও রিনরিন করে হাসত। ওর হাসি আর বৃষ্টি একাকার হয়ে মিশে যেত। আমি দ্বিধান্বিত হতাম। কোনটা শুনব? দুটোই তো আমার জীবন...!

আরেকদিন বল্ল- মনে হচ্ছে বৃষ্টির পানিতে আজ কালের ভেতর চেরাপুন্জী নামক শব্দটা পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ধুয়ে মুছে যাবে।'

কথাটা শুনে ওর সাথে আমিও হেসেছিলাম সেদিন, কারন তখনও জানতাম না যে সেটাই ছিলো আমাকে করা ওর শেষ ফোন।

তনুষা চমৎকার রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতে পারত। গাড়ীর ক্যাসেট প্লেয়ারে চলা সুশীলা রহমান আর মৌসুমী ভৌমিকের সাথে সাথে ও সুর ভাজত। আমিও যথারীতি প্লেয়ারটি জোর করে বন্ধ করে শুধু ওরটা শুনতাম।
সুশীলা রহমানের 'ও রামা' আর মৌসুমী ভৌমিকের 'আমি খুঁজছি তোমার ঠিকানা' ওর হেভী ফেবারিট দুটো গান ছিল। বেশ চমৎকার গাইত এদুটো। আর আমি গিটারে টিউন করতাম। খুব ইচ্ছে ছিল দুজনে একটা ডুয়েট স্টেজ পারফরম্যান্স করব!

আমি সাধারনত 'ঘুমপাড়ানি' ধরনের গান খুব একটা শুনিনা। তবে সুশীলার 'ও রামা' গানটা আমার খুব পছন্দের ছিলো। চমৎকার মেলোডিয়াস। কিন্তু মিউজিক ছাড়া আগা-মাথা আর কিছুই বুঝতাম না। অথচ তনুকে অবাক হয়ে দেখতাম কত অবলীলায় গানটা গাইতে। ও বলত গানটা নাকি হিমালয়ের কোন এক বিখ্যাত মুনীর কথা। খুবই আধ্যাত্নিক। অনেক আগের গান, salt rain এ remake করা হয়েছে। গানগুলো এখনও যখন শুনি, মনে হয় ও-ই গাইছে।

ওকে নিয়ে যে সব জাগায় ঘুরে বেড়াতাম, সেসব জাগায় গিয়ে স্থানুর মত বসে থাকতাম। আর মজার মজার স্মৃতি গুলোই বেশী মনে পড়ত। কথায় কথায় 'সো হোয়াট' বলাটা ছিল ওর একটা মুদ্রাদোষ। মাঝে মাঝে এমন সব জাগায় বলত, ও নিজেই লজ্জায় পড়ে যেত।

ওর জোকস শুনে যখন মুখ ভার করে বলতাম-'হাসতে পারলাম না বলে দুঃখিত।' আমাকে তখন কাতুকুতু দিয়ে হাসাত। আর আমার ওটা ছিলও ভীষণ। এরপর তাই ওর হাত থেকে বাঁচতে ও যেটাই বলত, মেকী অট্টহাসি দিতাম। একদিন ধরা পড়ে গিয়েছিলাম। কপালে জুটল শাস্তি স্বরুপ ডাবল কাতুকুতু!

ইয়াম্মি ইয়াম্মির আইসক্রিম ও ভীষন পছন্দ করত। বলতঃ আমিও একটা দোকান খুলব। নাম দেব 'ইয়াব্বি ইয়াব্বি'।

দুজনে খুব মান্জা মেরে একদিন সাত মসজিদ রোডের 'হাইফাই' একটা আইসক্রিম পার্লারে গিয়ে ওর হঠাৎ খেয়াল হল ও ওর ভ্যানিটি ব্যাগ বাসায় ফেলে এসেছে। আমার কাছে তখন সাকল্যে ছিল মাত্র বিশ টাকা। আর সবচে সস্তা যেটা ছিলো ওটার দাম হলো ৩০ টাকা। এখন কি করি? এত মানজা মেরে এসে কিছু না কিনে গেলে তো খারাপ দেখায়। তার উপরে দোকানে শুধু আমরাই। আমাদের দিকে বিক্রেতারা হা করে তাকিয়ে আছে। ভাবছি আজ আর রক্ষ নাই। মান সলেমান সব যাবে। হঠাৎ ও এগিয়ে গিয়ে খুব ভদ্র ভাবে একজনকে বল্ল- 'ভাইয়া, আপনাদের কাছে ইটালিয়ান এস মার্কের আইসক্রিম আছে?' আমি মনে মনে ভাবি -ও কি করছে এটা? আমি তো ভয়ে সারা। লোকটা হতাশ হয়ে মাথা নেড়ে বল্ল- 'না নেই, আপা।' তনু একটা শ্রাগ করে আস্তে করে আমাকে নিয়ে বেরিয়ে এল। যেন এমন একটা ভাব "কি সব আজে বাজে দোকান। ইটালিয়ান এস মার্কের আইসক্রিম নাই।"
বের হয়েই ওকে ধরলাম-
- আজকে কপাল জোরে বেঁচে গেলা। ঐ আইসক্রিসমটা থাকলে কি হত এখন? বিল দিতে কিভাবে?
-ও মুখ টিপে হাসতে হাসতে বল্ল- আরে আমি তো জানি যে নাই।
-'কিভাবে জান?' আমার তখন মেজাজ খারাপ।
-আরে বাবা, এই নামে দুনিয়াতে কোন আইসক্রিম থাকলে তো!

আরো কত শত পাগলামি করত। কটার কথা বলব?

প্রচন্ড জ্বর নিয়ে একদিন আমার সাথে দেখা করতে এল, আমি খুব করে বকা দিলাম তাই। গাড়ীর ভেতর বসে আমার কাঁধে মাথা রেখে ক্লান্ত স্বরে বল্ল- 'তোমাকে যে কথা দিয়েছিলাম আজ দেখা করব!' দেখলাম জ্বরের তীব্রতায় চোখ দিয়ে পানি ঝরছে। ছুঁয়ে দেখলাম...খুব গরম...! আমি ওর কপালে আর চোয়ালে হাত দিয়ে দেখলাম, জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছে। আমাকে দেয়া কথা রাখতে পাগলীটা আমার সাথে এত অসুস্থ শরীর নিয়েও দেখা করতে এসেছে! আর ওদের ড্রাইভারটাও ছিল আরেক ছাগল। ও বল্ল আর ওমনি ওকে নিয়ে চলে আসল।
....কত তীব্র এক ব্যাথা....ওর জন্য তখন কত তীব্র এক মায়া...আমার মায়াবতীর জন্য....বলে বোঝাতে পারব না কখনো। আল্লাহ মানুষকে এত মায়া দিয়ে পাঠালেন কেন?

ওর সেসব পাগলামীর কথা মনে করে অনেকদিন পর্যন্ত একা একা বসে হাসতাম। বেশীরভাগ সময়ই হো হো করে হাসতে হাসতে হু হু করে কেঁদে ফেলতাম।
খুব ছিচ কাঁদুনে ছিলাম আমি !

উড়ো খবরে শুনেছিলাম, বছরখানেক ইন্ডিয়াতে থেকে ও ওর বড়ভাই'র কাছে চলে যায়। মন্ট্রিলের কনর্কডিয়া ইউনোভার্সিটি থেকে ডিজিটাল আর্টসে গ্রাজুয়েশন করে। গত বছর বিয়ে হয়ে গেছে। ওর স্বামী মাইক্রোসফটের জুনিয়র সফটওয়্যার ডেভেলপার। এখন ওরা নিউইয়র্কে থাকে। ভালই হয়েছে, আমার তো আর অত যোগ্যতা ছিলো না, এখনও নেই। তনুষার মত মেয়েকে আমি হয়ত কখনোই ডির্জাভ করিনি।


আজ কেন জানি অনেকদিন পর শাহানা আপুর (শাহানা বাজপেয়ী) 'একটা ছেলে' গানটা শুনে ওর কথাটাই ঘুরে ফিরে বারবার মনে পড়ছে। মনে হচ্ছে গানটা যেন ও-ই গাইছে। যদিও ওর গলার সাথে সবচে বেশী মিল ছিল নীলা আপুর (আনিলা)। তবুও মনে হচ্ছে গানটা গেয়ে গেয়ে ও আমাকে শোনাচ্ছে। 'একটা ছেলে মনের আঙ্গিনাতে ধীর পায়েতে এক্কা দোক্কা খেলে.....!

শেষ

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আমার মায়াবতী ;
প্রকাশ করা হয়েছে: সপ্নবাজের দল  বিভাগে ।

 

  • ৪৯ টি মন্তব্য
  • ৪৫৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৮ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪৭
comment by: মানুষ বলেছেন: চমৎকার রচনা ভঙ্গি। ভাল লাগলো।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ মানুষ ভাই। আপনি সত্যিই একজন মানুষের মত মানুষ! ;)

২. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪৯
comment by: থার্ডআই বলেছেন: ভালো লাগলো। চালিয়ে যান।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। তয় চালাচালির আর কিছু নেই ভাই। মামলা ডিসমিস।

৩. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৫
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: হুম শেষটা পইড়া ঘুমাইতে গেলাম। নেভার মাইন্ড,কেউ কারো জন্য না,শেষ বিচারে সবাই একা(সস্তা দার্শনিকতা হয়ে গেলো কিন্তু পুরানো কথাটা বারবার ঘুরেফিরে আসে),মাঝে মাঝে মনখারাপ হবে কিন্তু চেরাপুন্ঞ্জি এখনো মানচিত্রে আছে,আমরাও থাকব নিজেকে নিয়ে,মনের ভেতরে কোন গহীন রাতে সবাই নিঃসঙ্গ হয়ে। ধন্যবাদ,এবং অপ্রাসঙ্গিক কিছু বললে দুঃখিত,লেখাটা পড়ে কিছু অপ্রকাশিতব্য কথা মনে হলো,সেগুলো ঢাকা দিতেই এগুলো বলে ফেললাম।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:০১

লেখক বলেছেন: খাইছে আমারে! হেভী ঝাড়লেন তো দাউদ ভাই! এই কমেন্ট দিয়েই তো আপনার ব্লগে একটা পোস্ট দিতে পারতেন। লোলজ।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৪. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:২৯
comment by: কণা বলেছেন: প্রথম অংশটুকুও পড়লাম... লেখা হিসেবে চমৎকার... :)

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৩৯

লেখক বলেছেন: আর কাহানী হিসেবে...?;)

৫. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৩২
comment by: দূরন্ত বলেছেন: হুমম..
চম‍ৎকার লেখা।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪০

লেখক বলেছেন: হুমম...ধন্যবাদ।

৬. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৫৭
comment by: সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: বাহ বেশ হয়েছে...
আমি এখনও পাগলামি করি... কোন বিশেষ পাগলামির সাথে বিশেষ বেদনা জড়িয়ে নেই, শু-দ-ধু নস্টালজিয়া... :(
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:২১

লেখক বলেছেন: আরে কি সব্বোনাশ! গরীবের ব্লগে হাতির কমেন্ট যে!

...আহারে...! রোসো...তোমার হয়ে এল বলে!;)

অনেক ধন্যবাদ সন্ধ্যাবাতি।

৭. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:০৮
comment by: কণা বলেছেন: উমম... কাহিনী হিসেবেও ভাল... একটু দুঃখজনকও...

তবে আসলে থেমে যাওয়া মানে তো শেষ নয়... ভাল কিছু আশা এখনও করতেই পারি... :)

ভাল থাকুন :)
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:২৫

লেখক বলেছেন: ধইন্যাপাতা কনাপু। তবে আমি কিন্তু থেমে থাকিনি। অনবরত আশা করে চলেছি ....হি হি হি...বুঝতেই পারছেন...!;)


ভাল থাকবো...।

৮. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:০৮
comment by: থার্ডআই বলেছেন: লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। তয় চালাচালির আর কিছু নেই ভাই। মামলা ডিসমিস।


মামলা ডিসমিস হলে তো কি হয়েছে ? নতুন করে একটা মামলা সাজিয়ে নিন। তবুও বলবো চালিয়ে যান।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১০

লেখক বলেছেন: হায়রে ভাই, রাশেদ আর নরাধমের মত শেষে আপনিও শুরু করলেন?:(

৯. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:০৯
comment by: গণ্ডার বলেছেন:
মায়াবতীতে বলগ ছয়লাপ হয়া যাইতেছে
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১২

লেখক বলেছেন: হুমম...আমিও বুঝতাছি নারে ভাই...বড়ই চিন্তার বিষয়!
আর বেছে বেছে আজকের দিনটাই...ফাটা কপাল আমার!:(

১০. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১০
comment by: গণ্ডার বলেছেন:
প‌্যানপ‌্যানা গল্প
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১৪

লেখক বলেছেন: আগ্গে গন্ডু ভাই...!
বলগে এত গন্ডার কোথা হতে আসে? জুমানজি....?!!!

১১. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১৯
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: ভাল্লাগলো ... +
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:২২

লেখক বলেছেন: টেনকু বিমাভা (বিষাক্ত মানুষ ভাই)।;)

১২. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:২০
comment by: নিলা বলেছেন: সুন্দর ঘটনা গুলো এইভাবে কেনো শেষ হয়ে যায়!? :(
মজার মজার স্মৃতি গুলো পড়ে ভালো লাগছিলো......তবে এখন আর ভালো লাগছে না। আপু কেনো চলে গেলো এতটা দূরে!? :( আমার সত্যি খুব কান্না পাচ্ছে
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৩১

লেখক বলেছেন: আরে শেষ না হলে তো আর ব্লগের পাতায় এটা দেখতেন না!
মন খারাপ করে দেবার জন্য সরি ।
ভাবছিলাম পাইকারি হারে মাইনাস খাবো। কিন্তু আপনারা খুব উদার। (তবে একটু পর 'চিকন মিয়া' এসে আমাকে মাইনাস দিয়ে আমার সে ভাবনাকে সার্থক করে দিয়ে যাবে!) কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ প্রিয়তে + করল না...:( লোলজ।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ নীলা।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: অথচ আপনার অনেক পোস্টই কিন্তু আমার প্রিয়তে....!:(

ফান করলাম...!;)

আর আপনার আপু যেতে চাননি। তাকে 'যাওয়ানো' হয়েছে।

...আরে আপনি তো দেখছি আমার চেয়েও ছিঁচকাদুনে!

১৩. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:২৮
comment by: মুকুট বলেছেন: হুম! ভালো লাগল!
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:২৬

লেখক বলেছেন: হুম । আপনার মন্তব্য পেয়ে আমারো ভাল লাগলো।

১৪. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৩৩
comment by: কতবতবকতকত বলেছেন: আরে চিকনমিয়া এখনো আসে নাই, ঘটনাটা কি...? বেচারা অসুস্থ নাকি?
১৫. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৩৭
comment by: চির সবুজ বলেছেন: ভাল লিখেছেন। ধন্যবাদ।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: ভাল কমেন্ট করেছেন। ধন্যবাদ।

১৬. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৬
comment by: রোডায়া বলেছেন: +
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রোডায়া।

১৭. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৮
comment by: রাশেদ বলেছেন: চমৎকার লেখা। ভালো লাগছে।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪১

লেখক বলেছেন: এইটা কি রাশুদার আরেকটা রেজিস্টার্ড ডায়ালগ...?;)
এনিওয়ে, ধন্যবাদ রাশুদা।

১৮. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৩৫
comment by: মাহবুবা আখতার বলেছেন: আচ্ছা, হ্যাপি এন্ডিং বলে জিনিসটার দেখা বাস্তবে পাওয়া যায় না কেন বলুন তো?:(
আপনারওতো দেখি হ্যাপি এন্ডিং হল না
:(
মনটাই খারাপ করে দিলেন।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:২৯

লেখক বলেছেন: হ্যাপি এ্যান্ডিং নামক দুর্লভ জিনিসটা যে বেশীরভাগ সময়ই রুপকথার বইতে থাকে; দেখা পাবেন কি করে বলুন? আমার গল্পটা রুপকথা হলে হয়ত হ্যাপি এ্যান্ডিং থাকত। তারপর "আমার কথাটি ফুরালো, নটে গাছটি মুরোলো" বলে শেষ করতাম।

মন খারাপ করে দেবার জন্য ক্ষমা চাচ্ছি।

মনন্ত্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ মাহবুবা আপু।

১৯. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩৭
comment by: প্রীটি সোনিয়া বলেছেন: এত বড় বড় ব্লগার দের মন্তব্য পেয়েছেন,তাই আমার মন্তব্য করতেও লজ্জা লাগছে......তারপরেও সাহস করে করলাম।আপনার লেখা বরাবরই আমার খুব ভাল লাগে,কারন লেখাগুলো সত্যি কাহিনী অবলম্বনে লিখা হয়।আমি কিন্তু লেখাটা প্রিয়তে রাখলাম।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন: আপনার এই মন্তব্য পড়ে তো আমিও লজ্জায় পড়ে গেলাম!
সত্যি কাহিনী অবলম্বনে লিখা হয় এটা ঠিক, তবে সেটা খুব ভাল লাগার জন্য অর্থবহ নাকি সেটা এখনও জানি না। আপনারা আমার বিনয় বা ন্যাকামো, যাই বলুন না কেন. আমার কাছে এটা খুব বেশী সত্য যে, ব্লগের অন্যদের তুলনায় ব্যক্তিগতভাবে আমার লেখা আমার কাছে স্রেফ বস্তা পচাঁ বৈ অন্যকিছু মনে হয় না।

প্রিয়তে যোগ করার জন্য অশেষ ধন্যবাদ। (আপনিই প্রথম...:()
লোলজ।

২০. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৫৫
comment by: েজবীন বলেছেন: লেখাটা ভালো লাগছে ...
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জেবীনাপু। অনেকদিন পর আমার বাসি লিখাটি আবারো প্রথম পাতায় নেবার জন্য।

২১. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৩৫
comment by: মামুন বাংলা বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর! কিন্তু পরিচয়টা কীভাবে যেন? ক্লিয়ার করে বলুন। আইমিন আরও ডিটেইল। মেয়েটা.. ও বুঝেছি! থাক আর বলতে হবে না।
০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯

লেখক বলেছেন: বাংলা(!)ভাই, এতদিন পর আমার লেখাটা আপনি কোন চিপার ভেতর থেকে খুঁজে বের করলেন?;) এনিওয়ে, পুরোন লেখাটা অনেকদিন পর ফ্রন্ট পেজে নেবার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

না বুঝলে লেখাটা আবার প্রথম থেকে পড়তে পারেন।

২২. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৫৮
comment by: নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন: আমি তখন মন্তব্য করতে পারলে অবশ্যই করতাম....তখন আমি কোন ধরনের মন্তব্যই করতে পারতাম না....এতে যদি আপনি বিরক্ত হন তো আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
ও আচ্ছা,আমি জাতীয় মেয়ে।

গানের লিঙ্কের জন্য ধন্যবাদ।
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৫:৩৪

লেখক বলেছেন: আরে ধুর, এটা কোন ব্যাপার না। আপনার প্রতি কোন উষ্মা নেই আমার। আর আপনাকে অনেক অনেক ধন্যাবাদ কষ্ট করে আমার ব্লগে এসে কমেন্ট করে যাবার জন্য।

হা হা হা। আরেকটা নতুন নিক নিয়ে ফেলেছেন? এটা কিন্তু আগেরটার চেয়ে হাজার গুনে ভাল। আপনার নিকের ছবিটাও দারুন!!!

গানটা কেমন লাগলো বল্লেন না তো! আর আপনার নতুন নিকের ব্লগেও আমার এই পোস্টটা আশ্রয় পাবে কিনা সেটাও তো জানালেন না!:(

২৩. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:২০
comment by: নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন: চিন্তা করেননা,এবারও থাকবে।
২৪. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:১৯
comment by: ধূসরিত স্বপ্ন গুলো বলেছেন: .....আপনাকে সামনে পেলে ধরে মাইর দিতাম :(
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: কেন ভাই, আমার অপরাধটা কোথায়? :-*

এটাকে কোত্থেকে খুজেঁ বের করলেন এখন? তবুও, অনেক দির পর এই পোস্টটাকে ফ্রন্প পেজে নিয়ে আসার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

২৫. ২৫ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৪৮
comment by: |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:

সব মানুষই কি এমন? জনারন্যে নিসংঙগ পথিক?
জানি না| অনেকদিন মন খারাপ হয় না, এই লেখাটা পড়ে হলো|
জীবন এমনই, কষ্টগুলোই মনে হয় আমাদের বড় পাওয়া|
২৬. ২৬ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:০২
comment by: একজন ব্লগার বলেছেন: পথিক ভাই, আমি কতবত। আমার আসল নাম প্রলয় হাসান। অনেকদিন পর এই পোস্ট থেকে একটা কমেন্ট পেলাম। সেজন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকুন। :)

 



 


Well, I am NOT what you see,
I am not what they say
but if I turned out to be,...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস