somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডাইনোসর বিলুপ্তির অজানা রহস্য......

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
সূত্র: পরথমআলু- নীল তিমিরা ডাইনোসরের চাইতেও বড়




মূল রহস্য:
যতদুর জানা যায় ডাইনোসরের পূর্বপুরুষরা কেবলমাত্র বনের লতাপাতা খেয়ে বেঁচে থাকত। তারা সবাই ছিল নিরামীষ ভোজী।




কিন্তু তাদের সাইজ অনুযায়ী স্বাভাবিক ভাবেই খাওয়ার পরিমানটাও ছিল বেশি। যার ফলে খুবদ্রুত বন উজাড় হতে লাগল। এই নিয়ে পরিবেশ সচেতন ডাইনোসররা গভীর চিন্তায় পড়লেন। তারা অনেক চিন্তাভাবনা করে ঠিক করলেন এখন খেকে গাছপালার পাশাপাশি বনের পশুপাখিও শিকার করবে। আর এভাবে তারা আমীষ খাওয়া শুরু করল।



বেশ ভালই দিন কাটতে লাগল। চলে গেল অনেক মিলিয়ন বছর। কিন্তু এভাবে আর কত দিন তাদের ঐ অফুরন্ত ক্ষুধার কারনে বনের সাথে সাথে পশুপাখিও দ্রুত হ্রাস পেতে লাগল। সব পশুপাখিদের মধ্যে ডাইনোসর প্যানিক ছড়িয়ে গেল। যা তাদের বংশ বিস্তারের গতি আরও কমিয়ে দিল। কারণ সবাই তখন নিজের জীবন বাচতে ব্যাস্ত। এরকম টেনশনে কি আর প্রেম ভালোবাসা হয় ? এতেকরে ডাইনোসরদের খাবার প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে আসল। তারা নিজেদের মধ্যে মারামারি শুরু করল এবং একপ্রজাতির ডাইনোসর অন্য প্রজাতির ধরে খেতে শুরু করলেন।




তখন বিজ্ঞ ডাইনোসর গণ বিকল্প খাবার ব্যবস্থা করার জন্য জরুরী সভা আহবান করল। বিকল্প ব্যাবস্থার সন্ধান দাতার জন্য বিশেষ পুরষ্কারের ব্যাবস্থা করা হল। সবাই ঝাপিয়ে পড়ল বিকল্প ব্যাবস্থার সন্ধানে।



এমনি ভাবেই একদল ডাইনোসর সমুদ্রের পানিতে বিচরনরত কিছু ক্ষুদ্র প্রানী দেখতে পেল। কয়েকটা খেয়ে দেখল বেশ টেষ্টি খাদ্য।



এই খবর পাওয়া মাত্র সব ডাইনোসর গন ঝাপিয়ে পড়ল সমুদ্রে। ধীরে ধীরে তারা সমুদ্রের গভীরে যেতে শুরু করল আর বড়বড় মাছ পেতে থাকল। তাদের আনন্দ আর দেখে কে।



এক সময় দেখাগেল মাটিতে আর কোন ডাইনোসর নেই। সবাই সমুদ্রে নেমে মাছ শিকার শুরু করেছে। মাছ খেয়ে আর সাঁতার কেটে তাদের জীবন চালাতে লাগল। কিন্তু এখানেই ঘটল বিপত্তি। সমুদ্রে ডাইনোসরের এই আগ্রাসনের ফলে গভীর সমুদ্রে তিমিদের খাদ্যাভাব দেখা দিল।



তাদের গুপ্তচর শার্ক এই চাঞ্চল্যকর খবর তিমিদের স্পেশাল ব্রাঞ্চ নীল তিমিদের দপ্তরে পৌছে দিল। ব্যাস, নীল তিমিরা এক ভয়ানক নীল নকশা তৈরী করে ফেলল। তারা ডাইনোসরদেরকে প্রলুব্ধ করে আরও গভীর সমুদ্রে আনতে, সুইসাইড স্কোয়াডের হৃষ্টপুষ্ট শার্কদের পাঠাল। এরা ডাইনোসরদের দেখা দিয়ে দ্রুত গভীর সমুদ্রে চলে আসত এবং ধরাদিত। এইভাবে বড়বড় শার্কখেয়ে যেসব ডাইনোসর ফিরেযেত তাদের কাছ থেকে গল্প শুনে অন্য ডাইনোসররাও আরও গভীর সমুদ্রে যাওয়ার সুযোগ খুজতে লাগল।



কিন্তু এটা যে একটা মৃত্যু ফাঁদ সেটা ডাইনোসরের ইন্টেলিজেস্ন টিম ধরতে ব্যর্থ হল। এরপর আসল সেই ভয়ঙ্কর দিন, যে দিন হাজার হাজার মাইকেল ফেলপস্ শার্ক ডাইনোসরদের লোভ দেখিয়ে দ্রুত পূর্ব পরিকল্পিত স্থানে নিয়ে গেল।



ডাইনোসররা কিছু বুঝে ওঠার আগেই আচমকা চারিদিক থেকে নীল তিমিরা আক্রমন করল এবং ইতিহাসের এক বর্বোরচিত হামলার মাধ্যমে ডাইনোসরের বংশ ধংস করে দিল। তারা ডাইনোসর গুলোকে খেয়ে কাটাগুলো মাটির দিকে ছুড়ে মারতে লাগল যা এখন বিভিন্ন সময় আমাদের গবেষকরা মাটির নিচ থেকে খুজে পান।



আর এভাবেই প্রায় "১৬৫ মিলিয়ন বছর" ধরে রাজত্ব করা ডাইনোসরের বিলুপ্তি হল।

****** ইহা একটি সম্পূর্ন কাল্পনিক গবেষনা। জীবিত বা মৃত কোন গবেষনার সাথে কোনধরনের মিল পাওয়া গেলে তাহা কাকতালিয় মাত্র ******
১৬টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেশপ্রেম হুমকি

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৭ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:২৬


তুমি আউয়াল বাওয়াল
দলকানা এক উম্মাদ;
তুমি কাকে বলছো সন্ত্রাস!
যদি সন্ত্রাস বুঝ- তাহলে
তুমি মস্তবড় সন্ত্রাস!

তুমি রক্ত দেখলে না
লাশ দেখলে না আর
লক্ষকোটি জনস্রোত-
ক্ষমতায় দেখলে সুদ্ধ
খুনির হাতে রক্তাক্ত-
বুঝলে না বুঝলে না।

তুমি আউয়াল বাওয়াল
দলকানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখিত! আবার একটা গিটার ভিডিও পোস্ট করলাম।

লিখেছেন আরাফাত৫২৯, ০৭ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:০০

দুঃখিত! আবার একটা গিটার ভিডিও পোস্ট করলাম।

কেমন লাগল জানালে খুশি হব।

C Note in E Major Scale



টিউনটা 'ই' মেজর স্কেলে করা কিন্তু টিউনের মধ্য ইচ্ছা করে অনেকবার 'সি' নোটটা বাজাইছি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিঙ্গাপুরে 'স্মার্ট নেশন ২.০' ভিশন এবং 'জাতীয় এআই কৌশল ২.০' যেভাবে এআই-নেটিভ প্রজন্ম তৈরি করছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



সিঙ্গাপুরের বর্তমান 'স্মার্ট নেশন ২.০' ভিশন এবং জাতীয় এআই কৌশল ২.০-এর যৌথ নির্দেশনায় দেশটির স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষাব্যবস্থায় এক অভূতপূর্ব ও বৈপ্লবিক রূপান্তর ঘটেছে। লি কুয়ান ইউয়ের সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই বিপ্লব নাকি জুলাই CDI?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৮ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১:২৯



আমি মনে করি জুলাই বিপ্লবের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ সাধারণ জনগণ। যাদের মধ্যে দেশপ্রেম, মায়-মমতা আছে, যারা অন্যায়-অবিচার দেখলে প্রতিবাদ করেন, তারাই এই আন্দোলনের মূল শক্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুসলমানের সন্তানের নাম জিকো কীভাবে হতে পারে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১:৫৫


ছোটো মামার মুখে একটা নাম প্রায়ই শুনতাম, জিকো। তখন বুঝতাম না এটা কে, শুধু জানতাম এই মানুষটা নাকি ফুটবল মাঠে জাদু দেখাতেন। পরে জেনেছি তার আসল নাম আর্থার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×