আমার প্রিয় পোস্ট

চেয়ার ধরে মারো টান, তিনি হবেন খান খান...

রাষ্ট্রের হাতে যদি নাগরিক নিরাপত্তা না পায় তবে সেই রাষ্ট্র ব্যর্থ

১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:৩২

শেয়ারঃ
0 0 0

কথায় আছে, বাঘে ছুলে হয় আঠরো ঘা আর পুলিস ছুলে ছত্রিশ ঘা! পুলিসের মান-সম্মান নিয়ে টানাটানি করা এরকম একটি কথা নিশ্চয় একেবারে অকারণে তৈরি হয়নি। এর উত্তরে পুলিসের ভাষ্য হচ্ছে, এটি চালু হয়েছে ব্রিটিশ আমলে - যখন স্বদেশি বিপ্লবীদের ধরার নামে পুলিস যাকে-তাকে ধরে অমানুষিক নির্যাতন চালাতো। বাঘের ভয়কেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল তখন পুলিসের ভয়। ঠিক আছে, ব্রিটিশ আমলের কথা না হয় ছেড়েই দিলাম - তারা ভিনদেশি শত্রু ছিল, কিন্তু এই স্বাধীন বঙ্গদেশে যে হাজারে-বিজারে মানুষ মরছে পুলিস আর তাদের মাসতুতো ভাই র‌্যাবের হাতে, তা-ও আবার বিচার ব্যবস্থাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে, তার কি ফয়সালা হবে? এটি কি আইন-প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের অস্ত্র ও ক্ষমতার অপব্যবহার নয়?

এটি যে অস্ত্রের ও ক্ষমতার অপব্যবহার, পুলিসের আইজি নূর মোহাম্মদ সাহেব কিন্তু তা স্বীকার করতে নারাজ। ইংরেজী দৈনিক ডেইলি স্টারকে সপ্তাহ দুয়েক আগে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি আরো দাবী করেছেন যে পুলিস বা র‌্যাবকে অস্ত্র দেয়া হয়েছে ক্রিমিনালদের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য। তারা সেটাই করছে, নিরপরাধ কাউকে তারা খুন করছে না। তিনি আরো বলেছেন যে, ক্রসফায়ারে মানুষ খুন হওয়া এদেশে নতুন কিছু নয়, কিন্তু তাতে নিরপরাধ কেউ কখনোই খুন হয়নি।

যাক, পুলিসের হাতে যে মানুষ মারা যাচ্ছে সেটা অন্তত তিনি অস্বীকার করেননি। সাথে সাথে বেশ ক'টি বেয়াড়া প্রশ্নও এল মনে। নূর মোহাম্মদ সাহেবের কথায় নিশ্চিত হলাম যে পুলিস যাদের মারছে তারা 'ক্রিমিনাল'। প্রশ্ন হচ্ছে, কে তাদেরকে ক্রিমিনাল বলে এই রায় দিল? কোন আদালত? জানা মতে কোন আদালত সেই 'ক্রিমিনালদেরকে' ক্রিমিনাল বলে সাব্যস্ত করে রায় দেয়নি। হয় কোন মামলার আসামী হিসেবে পুলিস তাকে ধরতে চেষ্টা করছিল, বা সে পুলিসের হাত থেকে পালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু তার অপরাধ তখনো প্রমাণিত হয়নি। অথচ আইজি সাহেব তো বলছেন, নিরপরাধ কাউকে তারা খুন করেন না! তাহলে ধরে নেয়া যায় যে, পুলিস বা র‌্যাবের সদস্যরা নিজেরাই ঠিক করে নিচ্ছেন কে ক্রিমিনাল আর কে নয়! আইজি সাহেবের কাছে সবিনয়ে জানতে চাই, আইনগতভাবে আপনাদের কি সেই এখতিয়ার আছে? তাহলে আইন-আদালত-বিচার ব্যবস্থা একেবারে উঠিয়ে দেয়া হোক, কি বলেন?

এ প্রসঙ্গে আরো একটি কৈফিয়ত ইদানিং বেশ জোরেশোরে শুনা যাচ্ছে - পুলিস বা র‌্যাব আত্মরক্ষার্থে 'অপরাধীদেরকে' হত্যা করতে বাধ্য হয়। হক কথা, আত্মরক্ষা করার অধিকার প্রতিটি মানুষের আছে, চাই কি সে চোর হোক কিংবা পুলিস। মুশকিল হলো, পুলিস যদি আত্মরক্ষা করতে পারে তাহলে পুলিসের তাড়া খাওয়া 'ক্রিমিনালটি' কেন পারবে না? সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এখন এই কথা শুনে তেড়ে না এলেই হয়। কিন্ত আরো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, র‌্যাব বা পুলিসের হাতে নিহত হওয়া 'ক্রিমিনাল'দেরকে কেন পায়ে বা শরীরের অন্য কোন আপাত নিরাপদ অঙ্গে গুলি না করে মাথায় বা বুকে গুলি করা হয়? আমাদের এলিট ফোর্স র‌্যাব বা পুলিশ কি তাড়াহুড়োয় ঠিকঠাক মতো লক্ষ্য স্থির করে মানে সই করে গুলি করতে পারে না? তাহলে তো ভীষণ চিন্তার কথা! পুলিশ ভাইয়েরা করিমকে গুলি মারতে গিয়ে রহিমকে গুলি করে ফেলবে আর সুশীল সমাজ তা চেয়ে চেয়ে দেখব তা তো হতে পারে না! পুলিসের উন্নত প্রশিক্ষণের দাবীতে এখনই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হোক। নইলে অশীল সন্ত্রাসী মারতে গিয়ে র‌্যাব যে সুশীল ভদ্দরলোকেদের ক্রসফায়ারে হত্যা করবে না তার কোন গ্যারান্টী কে দিবে।

ক্রসফায়ারের কথা যখন এলই, আরো দু'চারটি কথা বলা আবশ্যক। ক্রসফায়ার জিনিসটা যে আদতে কী আজও ঠিকঠাক মত বুঝে উঠতে পারিনি। বাংলায় এর কোন প্রতিশব্দও খুঁজে পাইনি। তবে সাধারণভাবে মনে হয় যে, দুই বা ততোধিক পক্ষের গোলাগুলির মাঝে কেউ (যে কোন এক পক্ষের বা একেবারে পক্ষনিরপেক্ষ) পরে গেলে সে ঘটনাটিকে ক্রফায়ার বলা যেতে পারে। তা-ই যদি হয়, তবে র‌্যাবের হাতে যারা খুন হয়েছে তার কোন কোন পক্ষের গোলাগুলির মাঝে পরেছিল? এক পক্ষ তো র‌্যাব, যারা মরছে তারা সাধারণত র‌্যাবের বন্দী, তাদের কাছে অস্ত্র থাকার প্রশ্নই উঠে না। তাহলে অন্য পক্ষ কে বা কারা? পত্রিকায় প্রায়ই একঘেয়ে রিপোর্ট দেখি - ভোর রাতের দিকে র‌্যাব বন্দীকে নিয়ে গিয়েছিল অন্য 'ক্রমিনালদের' আস্তানা চিনিয়ে দিতে। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্য সন্ত্রাসীরা গুলি ছুড়তে শুরু করলে র‌্যাবও পাল্টা গুলিতে জবাব দেয় এবং অবধারিতভাবে দুই গোলাগুলির মাঝে গিয়ে হাজির হয় বেচারা মরণগামী 'ক্রিমিনাল'। এই ধরণের রিপোর্ট পড়তে পড়তে প্রায়ই ভাবি রিপোর্টগুলো আসলে কারা লিখেন? পত্রিকার রিপোর্টার নাকি র‌্যাবের কোন কর্মকর্তা? কে জানে হয়তো বাড়তি সৎ-উপার্জনের জন্য অনেক র‌্যাব সদস্য পত্রিকাতেও পার্ট-টাইম চাকরি করেন। সে যাক, র‌্যাবের সদস্যরা যদি পত্রিকায় পার্ট-টাইম চাকরি করেন সেটা নিশ্চয়ই সংবিধান লঙ্ঘন করে না! ছোট দু'টো প্রশ্ন রেখে আজকের মত শেষ করব। এক: বন্দীকে নিয়ে সন্ত্রাসীদের ডেরায় হাজির হওয়ার পেছনে র‌্যাবের উদ্দেশ্যটা আসলে কি? ঠিকানা চিনিয়ে দেয়াই যদি উদ্দেশ্য হয় তবে, সেই ঠিকানাটা কি বন্দী মুখে বলতে পারত না? নাকি র‌্যাবের হেফাজতে ততক্ষণে তার বাকশক্তির বারোটা বেঝে গেছে - এই সন্দেহটাকে পাত্তা দেব? দুই: এভাবে নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে নিহত হওয়া মানুষদের জন্য সংবিধানে কি কোন বিধান আছে? তারা যেহেতু নিরাপত্তারক্ষীদের ভাষ্যে 'ক্রিমিনাল' তাই তাদের মৃত্যু উচিৎকাজ হয়েছে ভেবে আমাদের কি উচিৎ বগল বাজানো? নাকি সংবিধান যেহেতু প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়েছে, তাই এদের মৃত্যুকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা সাব্যস্ত করে রাষ্ট্রের কাছে কৈফিয়ত দাবী করা উচিৎ?

 

সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:৫৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:০১
এরশাদ বাদশা বলেছেন: আপনার পোস্টের সাথে দ্বিমত পোষন করছি। rab এর প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছিলো কোন সময় সেটা আপনাকে মনে রাখতে হবে। বিএনপি সরকার আসার পর দেশে যে একাত্তর পূর্ববর্তী অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিলো, তার পরিপ্রেক্ষিতেই rab এর জন্ম। এই সংগঠনটি যদি গঠন করা না হতো, তাহলে বিএনপি সরকার তো যেতোই, দেশও গোল্লায় যেতো। নিজের এলাকায় দেখেছি, কি ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে সন্ত্রাসীরা। ভাবখানা ছিলো এমন, অনেকদিন উপোস ছিলাম, সব কড়ায় গন্ডায় উসুল করে নেবো। তাদের হাত থেকে এমনকি ভিখারিও রেহাই পায়নি। এতো গেলো নিজের এলাকার গল্প। পত্রিকায় চোখ বুলালেই দেখতে পেতাম ধর্ষন, খুন আর লুটতরাজের কাহিনী। বিএনপি সরকার অনেকটা বাধ্য হয়েই rab গঠন করে। ক্রমান্বয়ে তারা মানুষের আস্থা অর্জন করতে সমর্থ হয়। সাধারন মানুষ তাদের উপর এখনো আস্থা রাখে।

rab এর কার্যক্রমে নিরীহ মানুষরাও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বা প্রান হারিয়েছে। তবে সমষ্টিগত ভাবে সেটা ধর্তব্যের মধ্যে পড়েনা।

আমরা নিরুপদ্রব বাংলাদেশ চাই। সব মানুষের জন্য সমান নিরাপত্তা চাই। আ.লীগ সরকার আসার পর এবার তাদের পক্ষের লোকজন ডেড়া বাঁধতে শুরু করেছে এলাকায়। এই পাল্টাপাল্পির রাজনীতির অবসান হোক।
১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:০৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ। কষ্ট করে মন্তব্য করার জন্য আরেকবার ধন্যবাদ।

২. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:১৮
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: আওয়ামীলীগ সরকার ক্রসফায়ার বন্ধ করে দিছে নাকি?? যদি বন্ধ করে থাকে তাহলে অবিলম্বে চালু করার জোড় দাবি জানাই।
১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:২১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। দেখি আর কয় জন পাওয়া যায় ক্রসফায়ারের পক্ষে, আলোচনা জমবে মনে হচ্ছে! ;)

৩. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:২৯
মনজুরুল হক বলেছেন:

যে শিক্ষক বুদ্ধিজীবী কবি ও কেরানী প্রকাশ্য পথে হত্যার প্রতিশোধ চায়না আমি তাদের ঘৃণা করি ।

রাষ্ট্র যখন ঠান্ডা মাথায় সন্ত্রাস দমনের নামে খুন কে জায়েজ করে তখন সেই রাষ্ট্র আর নিজেকে গণতান্ত্রিক দাবী করতে পারে না। এই রাষ্ট্র এখন রাষ্ট্রীয়ভাবে খুনি।
১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: রাষ্ট্র যখন ঠান্ডা মাথায় সন্ত্রাস দমনের নামে খুন কে জায়েজ করে তখন সেই রাষ্ট্র আর নিজেকে গণতান্ত্রিক দাবী করতে পারে না।

- ঠিক! কিন্তু এই রাষ্ট্র আরেক কাঠি বাড়া! সুকৌশলে সে তার জনগণকে শিখিয়ে ফেলেছে যে জনতা খুন করা বেহুদা নয়, এটি অতি দরকারি! ১ নং মন্তব্য দেখুন।

৪. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৩৫
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: আর কারো কোন মতামত? পক্ষে বা বিপক্ষে?
৫. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫৩
শয়তান বলেছেন: একটা সময় হয়তোবা এরকম এলিট পাওয়ারফুল ফোর্সের প্রয়োজনীয়তা ছিল কিন্তু এটা অনন্তকাল চলতে পারে না । আর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে rab এর ব্যবহার অবশ্যই অনুচিত হচ্ছে।
১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন: যে কোন একটি সময়ে যদি একে বৈধতাই দিয়ে দেন তাহলে তো এখন অবৈধ হবে কেন? রাষ্ট্রের আইনী কাঠামো কি সেই বিশেষ একটি সময়ে র‌্যাবের হত্যালীলাকে বৈধতা দিয়েছিল?

৬. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:০২
মনজুরুল হক বলেছেন:

তথাকথিত অভিযোগ: সন্ত্রাসীরা আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যায়। বেশ। তাহলে আইনের ফাঁকটা বন্ধ করা হয় না কেন? যে কয়টি ডিপার্টমেন্টের কারণে আইনের ফাঁকটা দিন দিন বড় হয়ে rab কে জায়েজ করাচ্ছে সেই কয়টা ডিপার্টমেন্টকে কেন ক্রসফায়ারের হুমকি দেওয়া হয় না? ক্রসফায়ারের হুমকিতে বা ক্রসফায়ারে পড়ে যদি সমাজে সন্ত্রাস কমে(!) গিয়ে থাকে তাহলে নিশ্চই আইনের ফাঁকও বন্ধ হতে বাধ্য।
আর যদি নাগরিকরা ক্রসফায়ারে মিষ্টি-মন্ডা বিলি করে স্বর্গীয় পুলক লাভ করেনই তাহলে এটা চলুক.....। হিস্টিরি ক্যানট ব্যাক। এই নাগরিকদের শত প্রণাম!
৭. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:০২
দেশী পোলা বলেছেন: আমি ক্রসফায়ারের পক্ষে,

আপনার শিরোনামের সাথেও দ্বিমত পোষন করছি, রাষ্ট্রের হাতে যদি নাগরিক নিরাপত্তা না পায় তবে সেই রাষ্ট্র ব্যর্থ হলে সকল কম্যুনিস্ট রাষ্ট্রগুলিই ব্যর্থ রাষ্ট্র ছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নের গুলাগে মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ মরলেও সেটাকে ব্যর্থ রাষ্ট্র বলার মত সৎসাহস কম্যুনিস্টদের ছিলনা।এখন দু-তিনজান ছিচকে গুন্ডার জন্য আপনার দুঃখ দেখে সন্দেহ হচ্ছে আপনার মতলবটা কি।
১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: আপনার ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি "আপনার মতলবটা কি" ধরণের কথাবার্তা না বললেই খুশি হব। ধন্যবাদ।

৮. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:০৯
দেশী পোলা বলেছেন: কেন? আপনার এই ধরনের পোস্ট দেয়ার পেছনে নিশ্চয়ই কোন কারণ আছে, সেটাকে খুলে বলতে অসুবিধা কি?

র‌্যাব বা এলিট ফোর্স কি আপনার কাছের কারো ক্রসফায়ারে জান নিয়েছে?
১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: আলোচনার জন্যই তো লেখা। তবে, আবারো আক্রমণাত্মক ভঙ্গিটি পরিহার করে সহব্লগারসূলভ মন্তব্য করতে উৎসাহিত করছি। ধন্যবাদ।

আমার কাছের কারো 'জান' নেয়া না নেয়া এখানে খুব একটা প্রাসঙ্গিক নয়। মূল কথা হচ্ছে, আইনি প্রক্রিয়া পাশ কাটিয়ে, বেআইনিভাবে নিরাপত্তারক্ষী বাহিনী মানুষ খুন করে চলেছে এটি গ্রহণযোগ্য কিনা।

৯. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:১৫
অরণ্যদেব বলেছেন: আস্লি রেব আইস্যা পর্সে, শিগগির পুস্ট সরান বাইসাব। ৮ নং সেক্টর আর করসফায়ার এক্লগে শিহাইবনে।
১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন: ৮ নং সেক্টরের সাথে ক্রসফারারের সম্পর্ক বুঝিনি।

১০. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:১৮
দেশী পোলা বলেছেন: @অরণ্যদেব
আপনি কি মনজুরুল হকের আরেক নিক?
১১. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:১৯
শয়তান বলেছেন:

রাষ্ট্রের আইনী কাঠামো কি সেই বিশেষ একটি সময়ে র‌্যাবের হত্যালীলাকে বৈধতা দিয়েছিল?

---

তাইলে ক্লিনহার্ট থিকাই শুরু করেন। কজ যা শুরু হৈসে ঐ ক্লিনহার্টের সময় থিকা । নাকি অরা জলপাই বৈলা সব মাপ ।

আমি ব্যাক্তিগতভাবে ক্লিনহার্টের কিছু কিছু দিক দেখেছি । ঠিক তেমনি এলিট ফোর্সের প্রাথমিক সময়টাও ভাল করেই দেখা আছে ।
১২. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:২০
শয়তান বলেছেন: অরণ্যদেব আর দেশী পোলা অনটপিক প্লিজ ।
১৩. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:২৩
অরণ্যদেব বলেছেন: কৈতে টেক্স লাগে না। কৈয়া যান। মনজুরুল হক তো শুনি লুকাল/ভাল-মানুষ/খারেজি/মানুষের পৃথিবী/পি.মুন্সী..আরো কত কি ? তো আমারেও বানান, হক সাবের আর এট্টা কোলন বাড়ুক! কাঠালের আমসত্ব! @দেশী পোলা।
১৪. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:২৬
দেশী পোলা বলেছেন: @শয়তান

সব শুরু হয়েছে ৭১ এ, দোষ যদি হয় পাকিস্তান আর্মি থেকেই ধরি, ওরা যা করেছে সেটা তো এক্সট্রাজুডিশিয়াল, তাই না?
তারপর শুরু হল রক্ষীবাহিনী আর জাসদ/সর্বহারা, এসময় যারা মরেছে তারাও বিনা বিচারেই মরেছে।
৭৫ আর এর পরে আর্মি যাদের যাদের মেরেছে, ক'জনের বিচার হয়েছে?

এখন ৩৮ বছর পরে হটাৎ করে এটা নিয়ে সুড়সুড়ানি, ব্যর্থ রাষ্ট্র বলা, এগুলা চালবাজি। ব্রিটেনেও সাবওয়েতে পুলিশ বিনা বিচারে মানুষ মেরেছে, কিন্তু কাউকে বলতে শুনিনা বৃটেন ব্যর্থ রাষ্ট্র। ভারত-পাকিস্তানেও এনকাউন্টারে মানুষ মরে, ভারতকে ব্যর্থ রাষ্ট্র ক'জন বলে? আর পাকিস্তানের কথা বাদ দিলাম, ঐ দেশটা না থাকলেও কারো কোন অসুবিধা হবে না।
১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:৫৪

লেখক বলেছেন: ৩৮ বছর পর মানে? কোন ঘটনার ৩৮ বছর পর? ঔপনিবেশিক শাসকের অত্যাচারের সাথে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র্বে আইনি অবকাঠামোগত দুর্বলতাকে ঠিক কোন যুক্তিতে এক কাতারে দাঁড় করাচ্ছেন বুঝতে আমি অপারগ। ব্রিটেনে সাবওয়েতে বিচার বহির্ভূতভাবে মানুষ মারা হলে সেটাও অপরাধ, একই ঘটনা নিকারাগুয়ায় ঘটলেও অপরাধ, ঠিক তেমনি বাংলাদেশেও তা অপরাধ। একটি অপরাধ দিয়ে অন্য একটি অপরাধকে জায়েজ করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।

যাই হোক, মনে হচ্ছে আপনার সাথে আলাপচারিতা চালানো সম্ভব হবে না। অপ্রয়োজনীয়ভাবে সুড়সুড়ানি, চালবাজি এসব শব্দমালা উচ্চারণ করা আর যাই হোক সুস্থ আলোচনার লক্ষণ নয়।

১৫. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩১
অরণ্যদেব বলেছেন: ওক্কে @শয়তান। আমি অনটপিকে। যে কুনু বিচারে ক্রসফায়ারের বিপক্ষে। সন্ত্রাস দমুন্নোমে হেরা কাগো মারতাসে সেইডা খিয়াল কৈরা!

অ.ট. সামু কি কুনু ফেমাস জল্লাদের পিক বেভার কর্তে দিব? আম্মো দেশীর লাহান কালা জল্লাদের পিক বেভার কর্তামছাই।
১৬. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪১
মনজুরুল হক বলেছেন:

দেশী পোলার কথন রীতিমত আপত্তিজনক।
"এখন ৩৮ বছর পরে হটাৎ করে এটা নিয়ে সুড়সুড়ানি," এটা কি ধরণের কথা? বিনা বিচারে হত্যাকান্ডের বিরোধীতা যে কোন কালে, যে কোন সময়ে হতে পারে। একাত্তরের সাথে একে কিভাবে মেলাবেন আপনি? তাহলে দেখান যে, একটি ঘটনাও সত্যিকার ক্রসফায়ার।

ফ্রন্ট ওয়ার আর ধরে নিয়ে ঠান্ডা মাথায় হত্যা কি এক জিনিস? বিরক্তি এবং ঘেন্না ধরে গেল এই বিষয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন চিন্তার মুখোমুখি হতে হতে।
১৭. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৩
দেশী পোলা বলেছেন: @লেখক

শয়তানকে লেখা আমার ১৪ নং কমেন্ট দেখুন। নিরাপত্তারক্ষী বাহিনী মানুষ খুন করছে ব্রিটিশ আমল থেকেই, তখন আপনার এইসব "বিচার চাই' জাতীয় আহবানে কেউ কান দেয়নি, এখনও দেবে না
১৮. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৪
শয়তান বলেছেন:
লেখক , অরণ্যদেব আর দেশী পোলা আমি কি এখন পর্যন্ত কোথাও বলেছি যে অবিচারিক হত্যাকান্ড সমর্থন করি ?

আমার পয়েন্ট ছিল ঐ সময়কাল গুলি । যদি না ভুলে যান মনে আছে নিশ্চই পুলিশ বাহিনীকে কিরকম অথর্ব ভেড়াবাহিনীতে রপান্তর করে কিছু বিশেষ রাজনৈতিক নেতারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করতো । ফলাফল মাঠে নামে জলপাই অপারেশান ক্লিনহার্ট ।

ঐ থেকেই তো শুরম্ভ ।
১৯. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৭
শয়তান বলেছেন: বাই দ্য ওয়ে অপারেশন ক্লিনহার্টের সকল কর্মকান্ডের বৈধতা কারা এবং কিভাবে দিয়েছিল সেটাও নিশ্চই ভুলে যান নি :)
২০. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৮
দেশী পোলা বলেছেন: @মনজুরুল হক

একাত্তরে মানুষজনকে ঘর থেকে ধরে নিয়েই হত্যা করা হয়েছিল, সম্মুখ যুদ্ধে যে কজন মারা গেছে, তার চেয়ে বেশী মরেছে পাকিস্তান আর্মীর ঠান্ডা মাথায় হত্যাতে।

আর আপনি তো মুক্তিযোদ্ধা, আপনিই ভাল বলতে পারবেন, যদি মা-বোনকে ধর্যন, বাবা-ভাইকে হত্যার জন্য পাকি আর্মীর বিনা বিচারে খুন করা জায়েজ হয়, তাহলে বাঙালী গুন্ডার একই অপরাধে বিনা বিচারে খুন করা জায়েজ হবে না কেন?
১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:৫৭

লেখক বলেছেন: আচ্ছা! তাহলে আপনার মতে পাকি আর্মীর বিনা বিচারে খুন করা জায়েজ?

২১. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫৪
অরণ্যদেব বলেছেন: অপারেশন ক্লিনহার্ট, রেব, কোবরা, সোয়ান,ডিবি, এসবি, এমনকি নর্র্মাল পুলিশও ক্রসফায়ার কর্সে। সবডিই বেআইনী। সেইডিরে যারা বৈধতা দিসে, ক্রসফায়াররেও তারাই বৈধতা দিসে। ১৪৫ টা মামলা হেরা ডিসমিস কর্সে। মামলা করন্জাইব না এই কথা মাইনাই কুর্ট সেগ্লিরে খারিজ কর্সে। এই নিয়া পথমালুতে নিউজও হৈসে। সো তার মাইনি কি এগ্লির বিপক্ষে যাওনন্জাইব না? আইজ না হোক এক্দিন বিচার হৈতেই হৈব।
নুরেমবার্গ ট্রায়াল অহনো চলে।@শয়তান।
২২. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫৭
দেশী পোলা বলেছেন: বাঙালী গোলাম আজমের ট্রায়াল করতে পারে না, নুরেমবার্গের স্বপ্ন দেখে, ছেড়া কাথায় শুইয়া লাখ টাকার স্বপ্ন
২৩. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫৮
নৈঃশব্দ্যের কোলাহল বলেছেন: আমাদের যেহেতু কিছু শর্টকামিংস আছে আইনের যথাযথ প্রয়োগের ক্ষেত্রে এবং আমাদের বিচার বিভাগ যেহেতু এখনও রাজনৈতিক দল গুলোর হাত থেকে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারেনি সেহেতু আমার মনেহয় র‌্যাব বা এলিট ফোর্সের প্রয়োজনীয়তা একেবারে ফেলনা নয়।

আর বড় বড় সন্ত্রাসীরা যখন সকল রাজনৈতিক সরকারের ছত্রছায়ায় নিজেদের কার্যকলাপ গুলো করে যায় সেখানে একজন হেভিওয়েট সন্ত্রাসী যখন গ্রেফতার হবে বা হচ্ছে তখন রাজনৈতিক দল গুলোর পক্ষ থেকে বিভিন্ন ভাবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা গুলোর উপর চাপ প্রয়োগ করা হয় এটা তো অনিবার্য সত্য। সেক্ষেত্রে এই এলিট ফোর্স যদি কিছু শীর্ষ সন্ত্রাসীকে ক্রসফায়ার বা এনকাউন্টার বা আইনের কোনো অলিখিত ধারায় ফেলে হত্যা করে সেক্ষেত্রে সেটাকে কি আমরা আইন বহির্ভুত বলে উপেক্ষা করবো?

র‌্যাবের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয় তখনি, যখন দেখা যায় যে এই এলিট ফোর্সও রাজনৈতিক দলগুলোর দমন পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সবার আগে সচেতন হতে হবে আমাদের জনগনকে, যাতে তারা এমন গণপ্রতিনিধি তৈরী করতে পারে, যে বা যারা প্রচলিত রাজনীতির বাইরে একটা নতুন ধারা তৈরী করতে পারবে।
২৪. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:০১
মনজুরুল হক বলেছেন:
@দেশী পোলা।
পাক আর্মির ঠান্ডা মাথার হত্যা, খুন কে জায়েজ বলল কে? আপনি কি কথার খেই ধরতে পারেন না? নাকি ইচ্ছে করেই পেঁচান? আজ পাকিস্তানী আর্মির হত্যা বা তাদের দোসর রাজাকারদের হত্যাকান্ড কি বিচারের সম্মূখিন নয়। আন্তর্জাতিকভাবেই কি সেই অপরাধের বিচারের ব্যবস্থা হচ্ছে না? তাহলে বিনাবিচারে হত্যা যাকে ক্রসফায়ার বলা হচ্ছে তা কেন জায়েজ বলতে হবে? হতে পারে আপনার মনন-মানসিকতায় তা জায়েজ। আমি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত একে অন্যায় বলে যাব। এই হত্যাকান্ড বন্ধ করতে বলব। হত্যাকান্ডের বিচার চাইব।
২৫. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:০৫
শয়তান বলেছেন: দেশি পোলার লজিক অনুযায়ী একাত্তরের পাকিস্তান ব্যার্থ রাস্ট্র মাইনা নিলাম :)
২৬. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:০৭
শয়তান বলেছেন: অরণ্যদেব কি তাইলে ক্লিনহার্ট আর RAB এর সব কার্যক্রমই অবৈধ কৈতে চান ? এরা কি একটাও ভালা কাম করে নাই ????
১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:০২

লেখক বলেছেন: ভালো কাজ??? মানুষ হত্যা ভালো কাজ???

পুলিস বা র‌্যাবের কি ভালো-মন্দ কাজ করার কথা? তাদের একটা কনক্রীট জব ডেস্ক্রিপশন আছে, সেটা ফলো করাই তাদের একমাত্র পেশগত কাজ। ফুলস্টপ।

২৭. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:১২
অরণ্যদেব বলেছেন: হ রে বাই দেশি, আম্রা গরিব গুর্ব মানু , সপন দেক্তে ডানলোপিলো পামু কৈ? ছেরা খেতাই আম্গো সম্বল। সেই খেতায় হুইয়াই দেহি নিজামীর লাইগ্যা বংশদন্ডের বেবস্থা করন্জায় কি না। দুয়া রাইখেন।
২৮. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:১৭
দেশী পোলা বলেছেন: @মনজুরুল হক

দুঃখিত আপনি আমার কথা বুঝতে পারেননি, পাকিস্তান আর্মি বিনা বিচারে ১৯৭১ সালে যা করেছে, তার জন্য কোন পাকিস্তান আর্মি পার্সোনেল-এর বিচার হয়নি, হবেও না। আজকালকার রাজাকারদের বিচারের কথাগুলো আওয়ামী লীগের পলিটিক্যাল ম্যান্যুভারিজম, ঠিকমত কোন কিছুই হবে না। বরিশালের শান্তিকমিটিতে ছিলেন আব্দুর রহমান বিশ্বাস, তাকে দেশের প্রেসিডেন্ট বানানো হয়েছে, আজিজুর রহমান বা নিজামীর মতো লোক মন্ত্রী হয়েছে। এগুলো দেখার পরেও বিচারের আশা আপনি করতে পারেন, আমি করি না।

আর আপনাকে আরেকটা কথা জিগ্যেস করেছিলাম জবাব দেননি, যদি মুক্তিযোদ্ধারা পাকি আর্মীদেরকে মা-বোনকে ধর্যন, বাবা-ভাইকে হত্যার জন্য বিনা বিচারে খুন করতে পারে, তাহলে বাঙালী গুন্ডাদেরকে একই অপরাধের(ধর্যন, হত্যা) জন্য বিনা বিচারে খুন করা জায়েজ হবে না কেন?

আপনারা যে যাই বলুন, ক্রসফায়ারের জনপ্রিয়তাই বলে এটা এদেশের জন্য একটা জনপ্রিয় ও গ্রহনযোগ্য বিষয়। বিদেশীদের মানবতাবাদকে বাংলাদেশের লুঙ্গি পড়িয়ে দিলেই গ্রহনযোগ্য হয় না। ক্রসফায়ার অমানবিক হতে পারে, কিন্তু বাঙালী সমাজে এটা সাদরে গ্রহনযোগ্য, আমরা অতটা শান্তিপ্রিয় জাতি নই, এটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়ার জন্য র‌্যাবকে ধন্যবাদ দিতে হয়।
২৯. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:২১
নৈঃশব্দ্যের কোলাহল বলেছেন: ভাইয়েরা, আমি একটা কথা বলি ছোট মুখে।

আমরা যে এত উৎসাহী হয়ে বসে আছি সরকার এবার যুদ্ধাপরাধীদের একটা হেস্তনেস্ত করে ছাড়বে ভেবে, সেটা কিন্তু আসলে কাঁঠালের আমসত্ত্ব ছাড়া আর কিছুই মনে হচ্ছে না আমার কাছে।

কারণ যুদ্ধাপরাধী ইস্যুটা যেকোনো রাজনৈতিক দলের কাছেই একটা হট টপিক। যেটা দিয়ে সাধারণ জনগনের ইমোশনকে সহজেই ম্যানিপুলেট করা যায়। এবং জনগনকে মোটিভেট করার মতো এত সুন্দর একটা অস্ত্র কোনো রাজনৈতিক দলই হাতছাড়া করবে বলে মনেহয় না। অন্তঃত যতদিন ব্যবহার করার সুজোগ থাকছে।
১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:১৮

লেখক বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সমর্থনে গণসাক্ষর সংগ্রহ অভিযানের শুরুর দিকে আমি বলেছিলাম যে আওয়ামীলিগ এই বিচারে ব্যর্থ হবে। ব্লগের সুশীল ভদ্দরলোকেরা শুনে বড় গোস্যা করেছিলেন। দেখা যাক, আমার ভবিষ্যৎবাণী মিথ্যা হৌক সেটাই কামনা করি।

৩০. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:২৭
অরণ্যদেব বলেছেন: সন্ত্রাসী হৈলেই যদি তারে মাইরা ফালাইতে হৈব, তাইলে কোর্ট,জেলখানা,হাজতখানা,বিচারক এগ্লি বানাইসেন ক্যান? কেনই বা সেইডিরে পুষতাছি?@শয়তান।
১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩২. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৫
মনজুরুল হক বলেছেন:

@দেশী পোলা।

"যদি মুক্তিযোদ্ধারা পাকি আর্মীদেরকে মা-বোনকে ধর্যন, বাবা-ভাইকে হত্যার জন্য বিনা বিচারে খুন করতে পারে, তাহলে বাঙালী গুন্ডাদেরকে একই অপরাধের(ধর্যন, হত্যা) জন্য বিনা বিচারে খুন করা জায়েজ হবে না কেন?"

এই কথার উত্তর দিতে আমি বিব্রত বোধ করছি। আপনি আসলেই পেঁচিয়ে, ঘুরিয়ে আপনার সাফাই গেয়ে চলেছেন।

কনভেনশনাল ওয়্যার আর সোস্যাল ক্রাইম প্রটেকশনকে আপনি এক করে দেখছেন। এই চিন্তার দৈন্যর সাথে আর যাই হোক তর্ক চলে না। আপনি আপনাদের এই ক্রসফায়ার নিয়ে সন্তুষ্ট থাকুন। গর্বিত হোন। প্রত্যাশা করুন যেন এই ধরণের হত্যাকান্ড শনৈ শনৈ বৃদ্ধি পাক। দেখেন, আপনাদের এই মেজারের ফলে একদিন এদেশে আর একটিও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড হবে না! দেশের সবাই বেহেস্তের মত নিরাপত্তায় দিনাতিপাত করবে।
৩৩. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
শয়তান বলেছেন: এরা তৈলে কি যারে ধরছে তারেই মাইরা ফেলসে @ অরণ্যদেব
৩৪. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৪৬
দেশী পোলা বলেছেন: @ মনজুরুল হক

আপনার কথাই ঠিক, চীন-এর উদাহরনই দেখুন না, তিয়েনআনমেন স্কোয়ারে কিছু ছাত্রকে মেরে ফেলার পরে চীনে এখন বেহেস্তী জোয়ার বইছে।

আমাদের দেশের আর্মির অস্ত্র আর ট্রেনিং কিন্তু চীন থেকেই আসে, খেয়াল রাখবেন।
৩৫. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:২২
শয়তান বলেছেন: পোস্ট পর্যবেক্ষন এ রাখলাম ।
৩৬. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:২৬
অরণ্যদেব বলেছেন: পত্র পত্রিকার ইন্ফো তো তাই কয়। কমিউনিস্টগো যারে ধর্সে সেই শ্যাষ। জামাতীরা কেউ মরে নাই। বাংলা ভাই শায়খ রা ধরা পড়ার পর বিচার পাইসে। বিম্পি-আম্লিগগো যেইডারে সামালানু যাইতেছিল না সেইডা শ্যাষ। এর মইদ্যে কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসীও মর্সে। তো? কি কইবার চান ? আম্রা বুঝছি তো। মাইট ইজ রাইট। লন আপ্নেরা জিতছেন। @শয়তান।
৩৭. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:৫৪
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: একটা জিনিস মিস করেছি-সংস্কৃতি। ক্রসফায়ারে বিশ্বাস করতে আমি কোন মানুষকে দেখিনি। তবুও সে মেনে নেয়-কারণ ওই অস্ত্র সাংস্কৃতিকভাবেই তার দিকে তাক করা। এবং যথার্থই- রাষ্ট্র বেহুদা মানুষ মারে না। কিন্তু বেহুদা মানুষ মারার সংস্কৃতিকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়-যাতে তার যে কোন হত্যা বৈধ হয়ে ওঠে।

এই সংস্কৃতিকে অস্বীকার করে শিক্ষিত হওয়া দুষ্কর।
১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:৩০

লেখক বলেছেন: মিস করেননি - ঠিকঠাক বুলস আইতে হিট করেছেন! এটাকে সাংস্কৃতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলার পায়তারা করছে! প্রায় সফলই বলা চলে - এই পোস্টের প্রতিক্রিয়াতে তার প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি।

এটাই সবচেয়ে বিপজ্জনক।

১৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৪:৫৫

লেখক বলেছেন: প্রথম ধাপ হচ্ছে, অন্যায়-অনাচারে সাধারণ মানুষকে কোণঠাসা করে ফেলা, তারপরের ধাপ হচ্ছে, আইনকে পাশ কাটানো কিন্তু আপাতদৃশ্যে জনগণের ফেবারে যায় এমন প্রজেক্ট নেয়া, যেমন অপারেশন ক্লিন-হার্ট। তারপর পার্মানেন্টলি ইন্টিটিউশনালাইজ করা, যেমন র‌্যাব। পাবলিক এখন বুঝে হোক আর না বুঝে হোক র‌্যাবের পক্ষেই।

৩৮. ১৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৫:২৫
শয়তান বলেছেন: লেখক বলেছেন:পাবলিক এখন বুঝে হোক আর না বুঝে হোক র‌্যাবের পক্ষেই।

--- মানতে পার্লাম না । দুঃখিত ।
১৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৫:৪১

লেখক বলেছেন: পাবলিক কি তাহলে র‌্যাবের বিপক্ষে? সেটা তো খুবই ভালো কথা! বাঙালির চোখ ফুটেছে মনে হয়!

৩৯. ১৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৫:৪৯
শয়তান বলেছেন:
এক বছর টানা দেশে থাকেন । দেখবেন নিজেও আম পাবলিকের মত আচরণ করবেন । অথচ এই আমজনতারাই নাকি দেশটার মালিক ।

কতবড় প্রহসনমার্কা কথা এইটা । কিন্তু চলে আসছে যুগের পর যুগ ।
৪০. ১৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৫:৫২
অরণ্যদেব বলেছেন: আপ্নার ৩৯ নং কমেন্ট বুঝলাম না @শয়তান।
৪১. ১৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৬:০৭
শয়তান বলেছেন: আগে বলেন ৩৮ এর বিপরীতে লেখকের উত্তরটা কি বুঝেছেন ? @ জংগলদেও ।

৪২. ১৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৬:২৮
অরণ্যদেব বলেছেন: হ, সেইডা বুঝছি। পাব্লিক হৈল বীর ভোগ্যা, বীর পূজারী। যার হাতে তলোয়ার, পাব্লিক তারেই বীর মানে। RAB অহণ "বীর"।

আমি জিগাইসি কুন্টা আম্পাবলিকের মত আচরণ, আর কুন্টা প্রহসনমার্কা কথাবার্তা ?
৪৩. ১৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৬:৪১
শয়তান বলেছেন: কুন্টা আম্পাবলিকের মত আচরণ, আর কুন্টা প্রহসনমার্কা কথাবার্তা ?

---- ঘা খেয়ে খেয়ে রোবোটিক আচরণ !!!!!

আর ঐ রোবটরাই যে দেশটার নাকি মালিক সেটা প্রহসন নয় কি ? একটা সত্যিকারের রিপাব্লিকে কি আমজনতার এই দশা হবার কথা ? বলেন দেখি গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নামক রিপাব্লিক রাষ্ট্রটি এই পর্যন্ত তার মালিকদের প্রতি কোন কোন মৌলিক চাহিদাগুলি পুরণ করতে পেরেছে । নিরাপত্তা তো বহুত দুরে। মৌলিক গুলোই যেহেতু মালিকরা মেনে নিচ্ছে অপারগত হয়ে সেখানে অন্য কিছু নিয়ে সঠিক মাত্রায় ভাববার অবকাশটুকু কোথায় ?
৪৪. ১৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৬:৫০
অরণ্যদেব বলেছেন: এইবার লাইনে আইছেন। আম্রা সারা জনম ভৈরা এইডিই কৈয়া আইতাসি। আম্রা কৈলেই ব্যাক্তে নাক সিঁট্কায়। কয় বাতিল মতবাদ!

পাকি গো চান্দের ভিত্রে তারার ছবি যেমুন অবৈজ্ঞানিক, ভিত্তিহীন, তেম্নি বাংলাদেশের সংবিধানের কপালের উপ্রে "বিসমিল্লাহ"ও অবৈজ্ঞানিক, অপ্রয়োজনীয়। এই দেশ্টা রিপাবলিক হৈল কবে? এইডা তো আধা সামন্তবাদী, আধা পুজিবাদীর মিশ্রণে একটা মৌলবাদী দেশ। সেই হিসাব কৈরাই তো আম্গো চলন্লাগব। আম্রা তাই চল্তাসি।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
বাংলাদেশ চিরজীবী হোউক!!
৪৫. ১৯ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৭:১৭
শয়তান বলেছেন:
সামন্তবাদ এর সংগা মনে হয় এখন বদলাইছে ।ঠিক তেমনি সামন্তবাদীদের হাতিয়ারেরও বিবর্তন হয়েছে । এবং সবচে নিরাশার কথা আমজনতার আমুল ধ্যান ধারনা যে মাধ্যমটা বদলাইতে পারতো সেই মিডিয়ারে এরা সমানে কুক্ষিগত করতেসে । এখন বদলানো ত বহুত দুরের কথা উলটা নিজশ্ব মতবাদের চাষাবাদ করতে নামছে বর্তমান যুগের সামন্তরা

আমি আমজনতার আর কোন প্রকৃত আশার পথই দেখতেসি না এখন ।
হতাশ !!!!!!!!
৪৬. ২০ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৩৬
রাফা বলেছেন: ১৯৭৫ এর পর থেকেই শুরু হয়েছে হত্যাকারীদেরকে পুরস্কৃত করার প্রচলন।সেই থেকে বিনা বিচারে হত্যা।ক্যাঙ্গারু কোর্টের মাধ্যমে হত্যা এবং হত্যাকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে বিদেশে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দান।হায়রে বাঙ্গালী আজো মানুষ হোতে পারলাম না।বিনা বিচারে যে কোন হত্যাকান্ড একমাত্র অসুস্থ মানুষই সমর্থন করতে পারে।

পোষ্টের সাথে সহমত।ধন্যবাদ
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৮

লেখক বলেছেন: ঠেলাগাড়ি জবাব!

৪৮. ২১ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:০০
এরশাদ বাদশা বলেছেন: এই পোস্টে কমেন্ট করার পর, আর না আসার জন্য আফেসাস হচ্ছে। জানতাম এটা হিউম্যান রাইটস ধরনের পোস্ট। তবে আলোচনার জন্য যেহেতু ডাকা হয়েছিলো, তাই আলুচনা করতে এসছিলাম। নিজের মতটা জানিয়ে চলে গিয়েছিলাম।

এবার বলি, আমার নিজের ভাই আমার এলাকায় এমপির সেকেন্ড হ্যান্ড হিসেবে পরিচিত। এলাকায় ভালো নেতা বলে তার সুনাম আছে। কিন্তু তারপরও বিভিন্ন সময় পুলিশের তাড়া খেয়েছে কিংবা জেল খেটেছে। কারন এমপির গোড়া শক্ত করার জন্য কিংবা তাকে ইলেকশনে জেতানোর জন্য বেআইনি অনেক কাজই করেছে সে। যার জন্য আমাদের ভূগতে হয়েছে অনেক।

তার এন্টি পার্টির অনেক নেতাই মারা পড়েছে Rab এর হাতে। পুরো থানার লোকজন জানে যারা মারা পড়েছে তাদের কার্যক্রম কেমন ছিলো। এমন কোন এলাকা নেই, যেখানে তাদের হাতে কোন অপরাধ হয়নি কিংবা মানুষ মারা পড়েনি। স্বভাবতই এক একেকজনের মৃত্যুর পর চাপা উল্লাস করেছে জনতা। চাপা উল্লাস বললাম কেন, আশা করি বুজতে পারছেন।

আমার ভাইও একদিন ধরা পড়লো Rab এর হাতে। স্বভাবতই আশা ছেড়ে দিলাম আমরা সবাই। যতো ভালো নেতাই হোক, যে অন্যায় করেছে তার শাস্তি তাকে পেতেই হবে। আত্মীয়স্বজন সহ পাড়া প্রতিবেশী সবাই গিয়ে ধর্না দিলো Rab এর অফিসে।
তার সুনামের কারনেই হোক কিংবা তার এমপির তদ্বিরের কারনেই হোক, সে ছাড়া পেয়ে গেলো।

এটা নিজস্ব অভিজ্ঞতা। আপনি কোথায় আছেন জানিনা, সন্ত্রাসীদের হাতে যতোক্ষন পর্যন্ত নাজেহাল হওয়ার অভিজ্ঞতা না হচ্ছে, ততোক্ষন তথাকথিত মানবতা রক্ষার আবেদন, আস্ফালন চলতেই থাকবে। আমি ওই তথাকথিত মানবতা রক্ষার আবদন ঘৃণার চোখে দেখি দেখবো। কারন, আমি আঁতেল নই; ভূক্তভোগী।
৪৯. ২১ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:৩৮
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: সম্প্রতি শুনলাম কি যেন বিশেষ কারাগার করবে।

তথ্যটা এখন মনে নাই।
১৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: বিস্তারিতা জানতে পারলে শেয়ার করবেন। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৫০. ২১ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:৫০
পাথুরে বলেছেন: ধন্যবাদ @ শয়তান.. এই পোস্টের লিঙ্ক দেয়ার জন্য। যদিও আমার পোস্টে র‌্যাব মেইন ফোকাস পয়েন্ট ছিল না।
মনে হচ্ছে বেশ দেরী করেই এসেছি.

ক্রস্ফায়ার এর ব্যাপারে বলতে চাই, উদ্দেশ্য যতই মহৎ হোক না কেন বিনা বিচারে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ছাড়াই খুন করাকে আমি কখনোই সমর্থন দিতে রাজি নই। কেউ মুখে স্বীকার করুক বা না করুক গঠন হওয়ার পর থেকে একে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে, হচ্ছে এবং হবেও। আমি সব সরকারের কথাই বলছি। এবং আমরা প্রতিদিন খবরের কাগজে একই ফরম্যাটের খবর পড়তেই থাকব--" ক্রসফায়ারে নিহত"-- শুধুমাত্র স্থান-কাল-পাত্র ভিন্ন।

একটু পেছনে তাকান-- দেশে একটা পুলিশ বাহিনী থাকতেও বারবার কেন আমাদের বিভিন্ন নতুন বাহিনী তৈরি করতে হয়। তাদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ নেই বলে? দূর্নীতিতে আক্রান্ত বলে? কেন তাদের এই অবস্থা?? একজন পুলিশ সদস্যের বেতন কত?? বিশেষ বাহিনীর সাথে তুলনা করুন। কিভাবে দারিদ্রে ঠেলে দিয়ে রাজনৈতিক পালাবদলে চাপের মুখে তাকে দুর্নীতিগ্রস্ত করা হয়?? হ্যা, আমি বলছি --"করা হয়"। এজন্য আমি সরাসরি রাজনীতিবিদদের দিকে আঙ্গুল তুলতে চাই। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাশিল সব কিছুর মুল কারন।

যে ফরমুলায় এই পুলিশ বাহিনীকে দূর্নীতিগ্রস্থ করা হচ্ছে, সে ফরমুলা কি বাকি সব বিশেষ বাহিনীর ক্ষেত্রে ঘটবে না-- আজ না হোক কাল-- ঘটছে না কি???

কেন সব সময় আমাদের "বিশেষ" এ যেতে হয়। যতক্ষণ না পর্যন্ত 'সাধারন' দিয়ে কেন কাজটা হচ্ছে না এর কারণ বের করা না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সব বিশেষ বাহিনীই সাধারণ ফরমুলায় চলে আসতে বাধ্য। আর আমরা একই ফরম্যাটের খবর পড়তেই থাকব, পেছনের খবর, দোষী- নির্দোষ কখনোই জানতে পারব না,।

একটা কথা বলতেন আমার স্কুলের এক শিক্ষক-- হাজারো অপরাধী ক্ষমা পেতে পারে, কিন্তু কোন নির্দোষ যেন সাজা না পায়।

স্বভাবের বিপরীতে অনেক লেকচার দিয়ে ফেল্লাম--দুঃখিত।
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫৫

লেখক বলেছেন: দুঃখিত হচ্ছেন কেন! আপনার মতামত জেনে খুবই ভালো লাগল।

৫১. ২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২৯
শয়তান বলেছেন: পাথুরে ভাল কৈসেন
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:২৩

লেখক বলেছেন: আপনেরে দেখি না কেন?

৫২. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২৯
মনির হাসান বলেছেন: প্রশ্ন দুটি আমারো । এবং শিরোনামের সাথে পুরাই একমত ... "রাষ্ট্রের হাতে যদি নাগরিক নিরাপত্তা না পায় তবে সেই রাষ্ট্র ব্যর্থ"
১৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৩

লেখক বলেছেন: যে রাষ্ট্রে রক্ষক ভক্ষন করে, প্রদানকারী অধিগ্রহণ করে, সবল দুর্বলকে গ্রাস করে, রাজনীতিবিদ ব্যবসা করে, কবি চাটুকারী করে, প্রশাসক চাঁদাবাজী করে, আর মানুষ শুধু মরে আর মরে - সে রাষ্ট্রকে ব্যর্থ রাষ্ট্র বলতে যাদের লজ্জা করে তারা সে রাষ্ট্রে শত্রু বৈ অন্য কিছু নয়।

৫৩. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৮
আশিক হাসান বলেছেন: আমি পক্ষে এবং পোস্টের জন্য মাইনাস ।
৫৪. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১০
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: মাইনাসের কারণ বোঝা গেল, আপনি ক্রসফায়ারের পক্ষে। কিন্তু আপনার ক্রসফায়ার সমর্থন করার কারণ বোঝা গেল না। কারণটা বললে আলোচনা হতে পারে।
৫৫. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৮
প্রিয়সখা বলেছেন: একমত ... "রাষ্ট্রের হাতে যদি নাগরিক নিরাপত্তা না পায় তবে সেই রাষ্ট্র ব্যর্থ" +++++++
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫৬. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৪
মনজুরুল হক বলেছেন:

তাহারে বোধিবে যে গোকুলে বাড়িছে সে!

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭২৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
The greatest enemy of knowledge is not ignorance, it is the illusion of knowledge.
- Stephen Hawking
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই