somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আট কুঠুরি নয় দরজার পলিটিকস: ফারুকের জন্য বড় মায়া হৈতাসে।

০২ রা জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ফেসবুকে একজন ব্লগারের আজকের স্ট্যাটাস দেখনের পর ভাবতি বসলাম। স্ট্যাটাসখানা এইরকম: প্রধানমন্ত্রী দেখতে যাওনের পরদিনই ফারুককে মরতে হল কেন? তিনিতো চিকিৎসার জন্য 'সব ধরণের' ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিছিলেন। এই 'সব ধরণের' ব্যবস্থার স্বরূপ কি একটি লাশ? হাচাইতো। এই গাড়ি পোড়ার ঘটনা লই ঘটনার দিনের বিডিনিউজের লিঙ্ক খুইজা হতাশ হৈলাম। পাইলাম না। তয় আজকের নিউজে লিখসে : হরতালের আগের রাতে রাজধানীর মগবাজারে ট্যাক্সিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দগ্ধ মো. ফারুক হোসেন (২৮) মারা গেছেন। হরতালের আগের রাতে কে বা কারা আগুন ধরাই দিসে সেই বিষয় লই এইখানে কোন তথ্য স্পষ্ট কইরা দেওয়া নেই। তয় প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী-নেতাগো বক্তৃতা বিবৃতিতে আর ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সংবাদ-পাঠকেরা বারবার কইতে দেখলাম হরতালকারীগো কাম এইটা।

হৈতে পারে এইটা হরতালকারীগোই কাম। বাংলাদেশে এই সংস্কৃতিতো আছেই। তারপরও বিভ্রান্ত হৈতেসি বারম্বার । হাচাইতো? হরতালকারীরাই আগুন দিসে? খুব সম্ভব এই জ্বালাও পোড়াওর দেশে এইটা।

টিভিতে গতকালকেই দেখতেসিলাম দুই লোকের সাথেই হসপিটালের এপ্রন পইড়া দেখা করতে গেসেন প্রধানমন্ত্রী। শুধু মুখ ছাড়া আর সব এপ্রন-গ্লাবসে ঢাকা। ঠিক যেমন হজ্বে যাওনের টাইমে প্রধানমন্ত্রী হিজাব পইড়া থাকেন। দুজন লোকই বুবুজানের লগে খুব আবেগ ভইরা কথা কইতেসেন আর ক্ষোভ প্রকাশ করতেসেন। দেইখা দর্শকেরও চক্ষে আপনা-আপনি পানি আয়া পড়বো। আমারো তাই হৈসে।

মনে আছে পিডব্লিউডির একজন প্রকৌশলীও গুরুতর আহত হৈসিলেন, ইনি অবশ্যই হরতালের টাইমে। সেখানেও মন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রীগো ভীড় ছিল। মহিলার এত্ত দরদ উথলে ওঠা ব্যাপক সন্দেহ জাগায়সে বৈকি! ক্যেন? তিনি কি সত্যি এতই দরদী কেহ?

'মানুষ পোড়ানোর রাজনীতি' পরিহার করুন : প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক খেমটামারা বক্তৃতাবাজি গলায় লাগতেসে বারম্বার। নানকের বাসভর্তি মানুষ পুড়ানোর ঘটনা মনে পড়তেসে। এই আগুন কে লাগালো? বিএনপির ক্ষুদ্ধ সমর্থকরা? নাকি অন্য কেহ, যাগো এই বক্তৃতাগিরি দরকার ঠিক এই টাইমে?

প্রকৌশলী টাকাপয়সায় বড়লোক, তার জীবনটা তাই বাজি খেলায় হারে নাই। বেচারা ফারুকের খেলায় হার হৈ গেলো? একটি লাশের প্রয়োজনে?

আট কুঠুরি নয় দরজা নামে সমরেশের একখান উপন্যঅস পড়সিলাম। ফারুকের জন্য বড় মায়া হৈতাসে।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুলাই, ২০১০ রাত ১২:১২
২১টি মন্তব্য ১৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×