somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তারেক রহমানকে ছেড়ে দিয়ে একজন দায়িত্বশীল, সক্ষম জাতীয় নেতা হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার সুযোগ দিন।

৩০ শে জুন, ২০০৮ সকাল ৮:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তারেক রহমানকেও সুযোগ দিন





নাঈমুল ইসলাম খান: বর্তমান সংকট উত্তরণের জন্য তো বটেই, একটি টেকসই সমাজ নির্মাণের জন্য এমুহূর্তেই আমাদের একটি জাতীয় সমঝোতায় পৌঁছাতে হবে। সরকারের পেছনের, ভেতরের ও বাইরের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে একটি রাজনৈতিক সমঝোতা ছাড়া এই জাতীয় সমঝোতায় পৌঁছানোর অন্য কোনো পথ নেই।
পৃথিবীর ইতিহাসে বহুজাতিকেই এর আগে এধরনের সংকট থেকে উত্তরণে বা জাতির বৃহত্তর স্বার্থে রাজনৈতিক সমঝোতায় আসতে হয়েছে।
এ ধরনের ক্ষেত্রে আইনগত ও স্বাভাবিক নৈতিকতার বাধ্যবাধকতা ও নিয়মের উর্ধ্বে গিয়ে ‘জরুরি অবস্থার প্রয়োজন’ মেটাতে অনেক সময়ই এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয় যা প্রচলিত আইন ও নৈতিকতার দিগন্তকে অতিক্রম করে যায়। দক্ষিণ আফ্রিকার ট্র-থ এন্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন, বঙ্গবন্ধুর সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা, আইরিশ সন্ত্রাসীবাদীদের ব্রিটেনের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা, এধরনের কিছু উদাহরণ। খালেদা, হাসিনা, রেহানা বা তারেকের দুর্নীতির ব্যাপারটিও আমাদের সেই সাধারণ দৈনন্দিন প্রচলিত আইন বা নৈতিকতা দিয়ে দেখলে হবে না। আইনের চোখে অবশ্যই সবাই সমান। কিš' রাজনৈতিক সমঝোতার স্বার্থে জরুরি প্রেক্ষাপটে কারো কারো জন্য বা বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর জন্য কিছু ছাড় বা বিশেষ বিবেচনা করার সুযোগ পৃথিবীতে সবসময় ছিল, আছে, থাকতেই হবে। ব্যক্তির দুর্নীতির বিচারের চেয়েও জাতির ভবিষ্যত অনেক গৃরুত্বপূর্ণ।
এই মুহূর্তে একটি রাজনৈতিক সমাধানে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্যে আমরা লক্ষ্য করছি সবচেয়ে বড় ইসু তারেক রহমান। খালেদা জিয়ার পুত্র কোকোর সঙ্গে তারই বড় ছেলে তারেক রহমানকে চিকিৎসার জন্যে মুক্তি দেয়া হলে এই মুহূর্তের অবশিষ্ট রাজনৈতিক জট খুলে যেতে সহায়ক হতে পারে বলে অনেকে মনে করেন।
তারেক রহমানকে কেউ কেউ বাংলাদেশের দুর্নীতির প্রতীক হিসেবে দেখতে পছন্দ করছেন। কিš' তারা আরো অনেক দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অন্য অনেক রাজনীতিকের সঙ্গে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আনীত প্রকৃত অভিযোগগুলোর আবেগবর্জিত তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে দেখতে পারেন।
আমাদের দেশে বিশেষ বিবেচনায় মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়ার যে নিয়ম আছে সেটা যেমন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের জন্যেও সম্প্রসারণ করা হয়, শেখ হাসিনা বা খালেদা জিয়ার ভাই-বোন বা সন্তান হলেও সেরকম সম্প্রসারিত বিশেষ বিবেচনাও এক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত।
শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানাও দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত। তিনি বাংলাদেশে থাকলে হয়তো কারাবন্দি থাকতেন, এমন অবস্থায় শেখ হাসিনা কি শেখ রেহানাকে জেলে রেখে মুক্তি নিতেন? ভাবাবেগ মুক্ত হয়ে বিষয়টি ভেবে দেখা যেতে পারে।
শেখ রেহানার চেয়েও তারেক রহমান বিএনপির রাজনীতিতে অনেক বেশি নিবিড়ভাবে সংশ্লিষ্ট এবং তিনি দলের একজন অন্যতম প্রভাবশালী শীর্ষস্থানীয় নেতা। সুতরাং তারেক রহমান এক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার আপন সন্তান হওয়ার আবেগ ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ ও শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিক হিসেবেও তার মর্যাদা বিবেচনায় নিতে হবে। এছাড়া শারীরিক অসুবিধার বা অসুস্থতার কথাও যদি আমরা বিবেচনা করি সেখানেও শেখ হাসিনা বা খালেদা জিয়ার চেয়ে তারেক রহমানের অসুবিধা অনেক বেশি। সুতরাং সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিবেচনায় অসুস্থতার মাত্রা যদি অন্যতম বিবেচ্য হয় সেখানে তারেক রহমানের কেস অগ্রাধিকারই দাবি করে।
তারেক রহমানের শারীরিক সমস্যার মধ্যে অন্যতম তার মেরুদণ্ডের সমস্যা। মানবদেহে মেরুদণ্ডের মাঝের অংশে থাকে থোরাসিক ভ্যারটিব্রা নামের ১২টি হাড়। আর এর নিচের অংশে ৫টি হাড় লাম্বার ভ্যারটিব্রা। তারেকের চিকিৎসকদের মতে তার মেরুদণ্ডের ৬ ও ৭ নম্বর থোরাসিক ভ্যারটিব্রা হাড়গুলো ভেঙে গেছে। হাড়গুলো ভাঙার কারণে পিঠের মাঝখানে তীব্র ব্যথা হচ্ছে। মাংসপেশী শক্ত হচ্ছে। এছাড়া তার ডান পায়ের হিপ জয়েন্ট ব্যথা করছে। দুই পা অবশ ও ভারী লাগছে। এছাড়াও কয়েকদিন ধরে বাম হাটু ও গোড়ালিতে ব্যথা করছে।
তারেক রহমানের এই সমস্যার প্রেক্ষিতে কিছু মিডিয়ায় ভিন্নমত প্রকাশ করে বলা হয়েছে, তার মেরুদণ্ডের ব্যথা পুরনো। খুলনায় ২০০৫ সালে একটি লিফটে নামার সময় দুর্ঘটনায় আঘাত পেয়ে তার মেরুদণ্ডের নিুাংশে ৩, ৪ ও ৫ নম্বর লাম্বার ভ্যারটিব্রা হাড়গুলোর একটি থেকে অপরটির দূরত্ব সংকুচিত হয়ে মেরুদণ্ডে ব্যথার সৃষ্টি করেছে এবং নিয়মিত চিকিৎসা না করায় তা জটিল আকার ধারণ করেছে।
এ ব্যাপারে তৃতীয় নিরপেক্ষ ডাক্তারদের দিয়ে সরকার একটা পরীক্ষা করিয়ে তারেক রহমানের অসুস্থতা নিয়ে সৃষ্ট মতভেদের অবসান ঘটাতে পারে। এখানে ৩, ৪ ও ৫ নম্বর লাম্বার ভ্যারটিব্রা পুরনো সমস্যা আর বর্তমানে মেরুদণ্ডের ৬ ও ৭ নম্বর থোরাসিক ভ্যারটিব্রা হাড়গুলোর কারণে পিঠের মাঝখানে যে তীব্র ব্যথাÑ এ দুইয়ের সম্পর্কটা কী এবং এর কোনটার উৎপত্তি কখন, কীভাবেÑ এসবই সহজ পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নির্ণয় করে মতভেদের অবসান ঘটনানো যায়।
তদুপরি সমস্যা ২০০৫ সালেরই হোক অথবা ২০০৮-এরই হোক, চিকিৎসার প্রয়োজন হলে কোনোটাই অবহেলার নয়। বন্দি অবস্থায় কোনো কারণে কোনো সমস্যার উদ্ভব হলে সেটা ভিন্নতর অনুসন্ধানের দাবি রাখে, সেটা এই মুহূর্তে বিচার্য হিসেবে সেকেন্ডারি।
বিগত জোট সরকারের সময়ে তারেক রহমানের সঙ্গে দুর্নীতির অনেক সংশ্লিষ্টতা আছে এবং তার বিচার কীভাবে করা যায় এবং অবশ্যই যে করা দরকারÑ সেটা আলাদা করে গবেষণা ও আলোচনার দাবি রাখে। আজকের এই লেখায় আমার প্রতিপাদ্য, তারেক রহমানকে সিঙ্গেল আউট করে দুর্নীতির প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চিন্তা কতখানি গ্রহণযোগ্য ও সঠিক সেটা পর্যালোচনা করা।
হাওয়া ভবনকে দুর্নীতির কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করা এবং সেটা প্রতিষ্ঠিত করার একটি চেষ্টা ২০০১ সালের নির্বাচনের কিছুকাল পর থেকেই লক্ষ করা গেছে। হাওয়া ভবন সংশ্লিষ্টদের ২০০১ সালের নির্বাচনে ভূমিকা এবং বিপুল সফলতা হাওয়া ভবনকে টার্গেট হওয়ার কারণ হিসেবে দেখা যেতে পারে। হাওয়া ভবন সংশ্লিষ্ট অনেকের সামাজিক প্রভাব এবং দ্রুত বর্ধিত বিত্ত-বৈভব ও বাণিজ্যিক ‘সাফল্য’ হাওয়া ভবনকে দুর্নীতির প্রতীক হিসেবে মেনে নিতে অনেক সরল মানুষকেও উৎসাহিত করে।
কিš' দুর্নীতি করার জন্যে কি কোনো ভবনের প্রয়োজন হয়? ফুটপাতে হেঁটে হেঁটে অনেক বড় বড় দুর্নীতির পরিকল্পনা ও নির্দেশনা হতে পারে এবং হাওয়া ভবনও সেই অর্থে দুর্নীতির জন্য বিশেষভাবে নকশা এঁকে নির্মিত কোনো বাড়ি নয়। তারেক রহমান ও তার সঙ্গীরা দুর্নীতি করতে হলে হাওয়া ভবন ছাড়া যেখানেই যখন অফিস প্রতিষ্ঠা করতেন সেখান থেকেই তাদের পক্ষে দুর্নীতি করা সম্ভব ছিল।
হাওয়া ভবন প্রকৃতপক্ষে বলা যেত বাংলাদেশের রাজনীতিতে আধুনিক দল ব্যবস্থাপনার প্রথম পরীক্ষা-নিরীক্ষা। ২০০১ সালের নির্বাচনপূর্ব সময়ে মাঠপর্যায়ে দেশব্যাপী নানান জরিপ, সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের খবরাখবর মনিটরিং, কৌশলগত যোগাযোগ এবং এসব কিছু পর্যালোচনা করে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণের যে চৌকশ চর্চা সেখানে হয়েছিল, দুর্নীতির আলোচনার কারণে সেটারই সর্বনাশ হয়ে গেছে।
যে কারোরই দুর্নীতির বিচার হওয়া দরকার। তারেক রহমানের দুর্নীতিরও বিচার হওয়া অবশ্যই জরুরি। অন্য অনেক সাধারণ নাগরিক যারা দুর্নীতিতে অভিযুক্ত তাদের চেয়েও তারেক রহমানের দুর্নীতির কঠিন অথচ নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দৃঢ় কিš' সুষ্ঠু বিচার হওয়া একান্তই বাঞ্ছনীয়। এটা মূলত এই জন্যে যে, তারেক রহমান বিএনপি তথা বাংলাদেশের প্রধান দলের ভবিষ্যৎ এবং অতীতকে ক্ষমাসুন্দরভাবে ভুলে যেতে দিলেও বাংলাদেশের মানুষের ভবিষ্যৎকে গুরুতর দুর্নীতির শঙ্কায় ঠেলে দেয়া উচিত নয়।
তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত আনীত অভিযোগগুলোর মধ্যে আমাদের রাজনীতিবিদদের দুর্নীতির ক্রমবর্ধমান পঙ্কিলতার নিদর্শন পাওয়া গেলেও ভয়ংকর, চাঞ্চল্যকর অর্থাৎ আমাদের সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতার চেয়েও দুর্ধর্ষ এমন কোনো ভয়াবহ অভিযোগ পাওয়া যায়নি যার কারণে তাকে দুর্নীতি ও জঘন্যতার প্রতীকে পরিণত করার চেষ্টা হয়তো টেকসই হবে না।
তারেকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে যেমন অভিযোগ আছে, তেমনি তার ব্যাপারে খুঁটিনাটি আরো অনেক অভিযোগও হয়তো আনা যাবে। কিš' আজকের চলমান রাজনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণের জন্যে যদি তারেক রহমানের একটি ইসু অর্থাৎ তাকে মুক্তি না দেয়া গোটা সমঝোতার জন্যে বাধা হয়ে দাঁড়ায় তারেক রহমানকে ততটা ইভিল (বারষ) হিসেবে গণ্য করতে তথ্য-উপাত্ত সায় দেয় কি?
কেউ কেউ বলেন, তারেক রহমানকে ছেড়ে দিলে তিনি প্রতিহিংসায় প্রত্যাঘাত করবেন। এই শঙ্কাটাও প্রকাশ্য আলাপ-আলোচনার মধ্যে নিয়ে এলে সকল সংশয় দূর করা সম্ভব। চলমান রাজনৈতিক সংস্কার প্রচেষ্টায় বৃহত্তর জাতীয় সমঝোতা এবং জাতীয় ইনস্টিটিউশনাল রির্ফম-গুলো এমনভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব যে, কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী, কোনো দল বা কোনো সরকারের পক্ষেও প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা বা নিজের খেয়াল খুশিমতো আঘাত-প্রত্যাঘাত করা আর সম্ভব হবে না।
তারেক রহমানকে টার্গেট করে শায়েস্তা করলে তার স্ত্রী জুবাইদারও অনেক সম্ভাবনা আছে রাজনীতিতে দাঁড়িয়ে যাওয়ার। ডা. জুবাইদাকে যদি এখন ঠেকিয়ে রাখা সম্ভব হয় তারেক রহমানের কিশোরী কন্যা জায়মাকেও কি ভবিষ্যতে ঠেকানো সম্ভব হবে? তাহলে ঝুঁকির কথা ভাবলে হয়তো বর্তমানকে কিছুটা শঙ্কামুক্ত করা যাচ্ছে। অদূর কিংবা সুদূর ভবিষ্যৎকে শঙ্কামুক্ত করার নিয়ন্ত্রণ কি সবসময় বর্তমানের কাছে থাকে?
পাকিস্তানে বেনজিরপুত্র বিলওয়ালের উত্থান কিংবা ভারতে রাহুল গান্ধী যে ভবিষ্যত প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্র¯'তি নিচ্ছেন এসব কি আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে না? তারেক রহমান কি রাহুল গান্ধীর তুলনায় খুব খারাপ চয়েস? ভারতের মতো ঐতিহ্যবাহী ও শক্তিশালী গণতন্ত্রে রাহুল গান্ধী যদি অনিবার্য হয় তাহলে তো বাংলাদেশে তারেক রহমান ও সজীব ওয়াজেদ জয়কে রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করতে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেয়া দরকার।
তারেক রহমান একজন মানুষ। তার অনেক ভুল, সীমাবদ্ধতা, দুর্নীতি ও অন্যায় হয়তো আছে। কিš' চলমান রাজনৈতিক সংস্কার প্রচেষ্টার ভেতর দিয়ে, এমনকি তার কারাবন্দিত্বের কারণেও তারেক রহমান একদিন জেল থেকে বেরুবেন পরিবর্তিত, অনেক শুদ্ধ ও পরিণত রাজনীতিক হয়েÑ এমনও তো আশা করা যায়।
বিএনপির অসংখ্য কর্মী তারেকের মধ্যে দেখেন জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি। তারেক রহমানের অনেক ভুলভ্রান্তির সঙ্গে কিছু অনবদ্য ইতিবাচক চিন্তা ও কর্ম ছিল সেটা কেউ এখন আর মনে করে না। তারেক রহমান যে টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের সীমা বাড়ানোর জন্য বঙ্গোপসাগরের ভেতরে সম্ভাবনার কথা জানতেন, তিনি যে গ্রামবাংলার ছাড়ানো-ছিটানো বসতবাড়ির কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ, রাস্তাঘাট নির্মাণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা দেয়া অনেক ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে এবং এর যে কী সমাধান হতে পারে, ঘরবাড়িগুলো পরিকল্পিতভাবে গুচ্ছ গুচ্ছ করতে পারলে একটা ভালো সমাধানে হতে পারে বলে তারেক ভাবতেনÑ এসব নজর এড়িয়ে যাবে কেন? [/sb

তারেক রহমান ফরহাদ মাজহারের নয়া কৃষি আন্দোলনের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা নিতে টাঙ্গাইলে চলে গিয়েছিলেন। অথবা যুক্তরাষ্ট্রে গেলে মাইক্রোসফটের কার্যালয়ে যান। বাংলাদেশের কজন নেতা রাষ্ট্রীয় সফরের বাইরে নিজ আগ্রহে এমন করেছেন?

তারেক রহমানের তথা খালেদা জিয়ার এবং শেখ হাসিনারও যে বিপুল অন্ধ সমর্থক দেশব্যাপী সেটা এক বিবেচনায় যেমন গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য হতাশাজনক, তেমনি এই আনুগত্যকে রাষ্ট্র ও সমাজের উন্নয়নে যে একটি সম্ভাবনাময় শক্তি হিসেবেও কাজে লাগানো যেতে পারে, সেই চেষ্টা না করে কেন সেই শক্তির সঙ্গে লড়াই করে উভয়পক্ষে নিজেদের এত ক্ষতি করছি।
বাংলাদেশকে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের এক নতুন উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করার ওয়ান ইলেভেন-উত্তর যে সম্ভাবনা সেই টার্গেটে অবিচল থেকে ব্যক্তি বা দলকে টার্গেট করার কৌশলে না গেলেই সকলের ভালো হবে। এমন এক সমাজ এই সুযোগে কায়েম করা যায় যে তারেক রহমান চাইলেও তথাকথিত হাওয়া ভবনের তারেক রহমান থাকবেন না। অথচ হাওয়া ভবন তখনো বিএনপির কার্যালয় হয়তো থাকবে। এটা সম্ভব এবং এ যাত্রায়ই সম্ভব।
তারেক রহমানকে ছেড়ে দিয়ে একজন দায়িত্বশীল, সক্ষম জাতীয় নেতা হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার সুযোগ দিন।

Click This Link
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ শরৎ বন্দনা

লিখেছেন ইসিয়াক, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৯


শরৎ এলেই আকাশ জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা
দিনমণি আর মেঘমালার লুকোচুরি খেলা।

রুম ঝুমঝুম নূপুর পায়ে ছুটছে নদীর ঢেউ
ভাটিয়ালি গাইছে গান অচিন সুরে কেউ।

বিলে ঝিলে শাপলা পদ্ম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×