অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক সিরাজউদ্দিন বললেন
মাত্রাতিরিক্ত ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ার কারণে কিডনি সমস্যা দেখা দিয়েছে কিছু হয়ে গেলে দায়-দায়িত্ব নেব না
হালিম মোহাম্মদ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব কারাবন্দি তারেক রহমানকে নিয়ে আমি ভীত ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। তার কিছু একটা হয়ে গেলে এর দায়-দায়িত্ব আমি নেব না। বিএসএমএমইউ’র অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক সিরাজউদ্দিন আহম্মেদ গতকাল দুপুরে হাসপাতালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।
সাংবাদিকদের তিনি জানান, তারেক রহমান গ্রেফতার হওয়ার পর ৯/১০ মাস আগে পুলিশ হেফাজতে ছিলেন। এ সময় তার মেরুদণ্ডের ডি-৬ ও ডি-৭ হাড় ভেঙেছে। ওই হাড়গুলোর ভেতরে থাকা মজ্জা শুকিয়ে যাওয়ায় অনুভূতি কমে পঙ্গু হতে চলেছে।
তারেক রহমানের চিকিৎসা ক্ষেত্রে পরপর তিনটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। প্রথমদিকে তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও বর্তমানে অবনতি হচ্ছে। বর্তমানে তার পিঠে, ঘাড়ে, ডান পায়ের সংযোগ স্থানে (হিপে) ব্যথা রয়েছে। তিনি হাঁটতে পারছেন না। মাত্রাতিরিক্ত ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ার ফলে তার কিডনি সমস্যা দেখা দিয়েছে। হাতের কবজি ও পায়ের গোড়ালি ফুলে গেছে। চোখের কোণে পানি জমে ফুলে গেছে। শ্বাসকষ্ট ও চোখে গ্লোকোমা রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। শারীরিকভাবে দুর্বলতায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তারেক রহমান। তাকে বিদেশে পাঠিয়ে চিকিৎসা করা না হলে চিরতরে পঙ্গু হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে চিকিৎসক মন্তব্য করেছেন। তারেক রহমানের একাধিক চিকিৎসক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদনা: আফছার আহমদ রূপক
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


