ছোট বেলায় আব্বু আম্মুকে রোজা রাখতে দেখে আমারও অনেক রাখতে ইচ্ছা করত। রাতে আম্মুকে অনেক করে বলতাম যেন আমাকে শেষ রাতে উঠিয়ে দেয়। কিন্তু আম্মু কোনদিনও ডাকতেননা। বলতেন যে নাস্তা খাও তাহলেই তোমার একটা রোজা হয়ে যাবে। আম্মুর কথা মত আমি নাস্তা খেয়ে নিতাম। পরে দুপুরের খাবারের সময় হলে খাওয়ায়ে দিতেন আর বলতেন এখন আরও একটা রোজা হয়ে গেল। আর ইফতারের সময় ইফতার করলে আমার তিনটা রোজা হয়ে যাবে। যদিও একটু অবাক হতাম যে সকাল দুপুর ভরপুর খেয়ে আমার তিনটা রোজা হচ্ছে, তার পরও সবার চেয়ে বেশী রোজা রেখে বেশ গর্ব অনুভব করতাম
প্রথম রোজা
তারপর এক রমজানে আমি ঠিক করলাম যে ,এবার আর কোন ছাড় নাই। সব গুলা রোজাই রাখতে হবে। তো সেইবার রমজানের প্রথম দিন সেহরী খেয়ে নেই। তারপর সকাল টা কোন রকমে পার করে দেই। কিন্তু দুপুরে আর সময় আগায়না
তারাবীর নামাজের সময়
তখন সেভেন কি এইটে পড়তাম। তারাবীর নামাজের সময় হলে আমি, ভাইয়া আর পাড়ার আরও ২টা ছেলে পাড়ায় ঘুরে বেড়াতাম। আবার কোন কোন দিন আমাদের বাসার ছাদে যেতাম। তখন অনেক শীত ছিল। আর আমার এক জোড়া হাত মোজা ছিল। আমি প্রতিরাতেই হাত মোজা নিয়ে বের হতাম।
আমাদের সাথে আরও ২টা ছেলে মাঝে মাঝে আসত। ওরা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ত। আর বয়সে আমার চেয়ে অনেক ছোট হয়েও আমার সামনে দুইজনে ইংলিশে ফটর ফটর করত। আমার খুবই বিরক্ত লাগত
কিছুক্ষণ পর সিড়ি দিয়ে অনেক জোরে জোরে থপ থপ শব্দ শুনে আমি বুঝলাম যে কাম সেরেছে। এক দৌড়ে ছাদের কোনায় গিয়ে বাছাদের অবস্থা দেখে তো আমি আর ভাইয়া

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


