সিড়ি দিয়ে নিঃশব্দে উপরে চলে এলাম, এবার পা টিপে টিপে শব্দটার দিকে এগোতে এগোতে আমার কলিগের রুমের দরজার কাছে চলে গেলাম। দরজা দিয়ে উকি মেরে দেখি ...
এই পাখিটাই শব্দ করছিল। আমার কলিগের রুমের বারান্দার দরজার কাচের উপর ঠোট দিয়ে অনেক জোরে জোরে আঘাত করে পাখিটা শব্দ করছিল। পরে কলিগের কাছ থেকে জেনেছি , পাখিটা প্রায়ই এমন করে।
বাসার নীচে ক্রিকেট খেলতে গিয়ে একদিন আমার এক কলিগ বলটাকে সামনের বাসায় পাঠিয়ে দিল। সামনের বাসার উঠোন টা অনেক ফুলের গাছ দিয়ে সাজানো। অনেক বড় বড় ঝোপও আছে। তাই ঐদিন বলটা অনেক খুজেও পেলামনা। পরে ঐবাসার ভদ্রমহিলা একদিন বলটি দিয়ে গেলেন। বললেন যে বলটা নাকি উনার কুকুরটা বাগানের ভিতর পেয়ে মুখে করে নিয়ে এসেছে ।
বাসার দোতলার বারান্দা থেকে সামনের বাসার ছবি। ডান পাশের বাসাটাতে আমাদের বল হারিয়েছিল। রাস্তায় সেই কুকুর।
একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ঝিমাচ্ছি। জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখি এই বিলাইটাও আমার মতই ঝিমাচ্ছে। এরপর থেকে বিলাইটার প্রতি ভালো লাগা শুরু হলো। মাঝে মাঝে খাবার দিতাম। কিন্তু বিলাইটাও মাঝে মাঝে আমাদের উঠোনে টাট্টি করে রাখতো । তাই এখন আর খাবার দেইনা।
এইটা কখনও বাসার সামনে দিয়ে আসেনা। সব সময় বাসার পিছন দিয়ে এসে রান্না ঘরে উকি ঝুকি মারে। জানালা বা দরজা খোলা পেলেই খাবার চুরি করতে ভিতরে ঢুকে পরে। সব কালো বিলাই ই মনে হয় এরকম ছ্যাচড়া চোর হয়।
বাসার পাশের ফাকা জায়গাটায় অনেক জংগল ছিল। পরে ঐ জংগলের মালিক (সম্ভবত ) জংগল পরিষ্কার করে চাষবাস শুরু করল। এখন প্রতিদিন সকালে আর বিকালে দেখি কয়েকটা বক আসে। ক্ষেতের পাশে চিকন নালায় খাবার খুজে খুজে খায়। আর বৃষ্টি হলে সারাদিনই বক গুলা থাকে ।
এই গুই সাপটা অনেক দিন আগে বাসার পাশের নালার উপর দেখেছিলাম। ছবিটা দোতালার বারান্দা থেকে জুম করে তোলা। তখন ভেবেছিলাম এইটা এইখানে থাকেনা। কিন্তু আজ সকালেই নালাটাতে দেখলাম বিশাল একটা গুইসাপ। মাথাটাই দেড় বিঘা হবে। সাপটা নালার এক পাশ থেকে সাতার কেটে অন্য পাশে গেল আবার আগের পাশে ফিরে এল। বুঝলাম এখানে বেশ কয়েকটা গুইসাপ আছে।
সবুজ রঙের টিকটিকি প্রথম দেখলাম
সবশেষে বকের ছবি আরও একটা দিলাম। এই ছবি টা আমার কলিগের মোবাইলে তোলা। আর উপর সবগুলো আমার মোবাইলে তোলা।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


