আমার প্রিয় পোস্ট
- মানুষের মহারাজা,তোমাকে অভিবাদন - ফারহান দাউদ
- দ্বিতীয় আগমন ।। ডব্লিউ বি ইএট্স্ - মুকুল
- রুই মাছের ঝোল - ভূলু
- সবার জন্য দরকারী কিছু ওয়েবসাইট এর ঠিকানা - রন্টি চৌধুরী
- আদমচরিত 009 - মুখফোড়
- ব্রাউজিং স্পীড বাড়ান, ব্রাউজ করুন স্বাচ্ছন্দে-০১ - পথের মানুষ
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- চে তোমায় লাল সেলাম - চে কে নিয়ে গান - মোসতফা মনির সৌরভ
- কিভাবে পোস্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করবেন? - হাসিন
কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!!
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৩৫
কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে এ ব্যপারে আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মোহাম্দদ গোলাম রাব্বানী চমত্কার বিশ্লেষন করেছেন। পাঠকদের জন্য চুম্বক অংশ তুলে ধরছি।
"মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন কোন ব্যক্তি যুদ্ধাপরাধে লিপ্ত ছিল তার তথ্য পাওয়া যাবে তত্কালীন প্রাদেশিক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নথিগুলোয়। একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর সে সময় কারা, কিভাবে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে সাহায্য করেছ, তার রিপোর্ট প্রাদেশিক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিয়মিত ইসলামাবাদে ঊর্ধতন কতৃপক্ষের কাছে পাঠাত এবং সেগুলোর কপি এখনকার বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাওয়া যাবে। একটি আইনি প্রশ্ন উঠতে পারে যারা এই দলিলগুলো তৈরী করেছিলেন কিংবা এগুলোয় যাঁদের স্বাক্ষর আছে তাঁদের না পাওয়া গেলে তাঁদের স্বাক্ষর ছাড়া দলিলগুলো কীভাবে বিচারকালে প্রমাণিত হবে। প্রশ্নটির উত্তর হচ্ছে স্বাক্ষ আইনের ৯০ ধারায় এগুলো বিচারকালে উপস্হিত করা মাত্র আপনা আপনি একজিবিট বা প্রদর্শন হিসেবে চিহ্নিত হবে। স্বাক্ষ আইনের ৯০ ধারায় বলা হয়েছে, কোন দলিল ৩০ বছরের পুরোনো হলে আদালত এই অনুমিতি নেবে যে দলিলটির স্বাক্ষরকারীর স্বাক্ষর সঠিক এবং দলিলটি সঠিকভাবে তৈরী করা হয়েছিল। তত্কালে প্রচারিত লিফলেট ও সংবাদপত্রে ছাপা বিবৃতি প্রমান হিসেবে উপস্হিত করা যাবে। এ গুলো স্বাক্ষ আইনের ১৭ ধারা, যেখানে স্বীকারোক্তির সংগা দেওয়া আছে, তার আওতায় স্বাক্ষ হিসেবে গ্রহনযোগ্য হবে"।
বিচারপতি রাব্বানীর মতে যুদ্ধাপরাধীদের বাংলাদেশের ফৌজদারি আদালতের কাঠগড়ায় উঠানোর জন্য বাংলাদেশ দন্ডিবিধির ১২১, ১২১ক, ১২২ ও ১২৩ক ধারা চারিটই যথেষ্ট। তিনি আরও বলেছেন যে, বিশেষ ক্ষমতা আইনের (১৯৭৪ সালের ১৪ নং আইন)-এর ২৬(২) ধারা অনুযায়ী গঠিত বিশেষ ট্রাইবুনালে দন্ডবিধির উপিরউক্ত ১২১, ১২১ক, ১২২ ও ১২৩ক ধারায় অভিযুক্তদের বিচার হবে।
চমত্কার আইনি পথ বাতলে দেয়ার পর বিচারপতি রাব্বানী উপসংহার টেনেছেন আরও চমত্কার করে:
"প্রিয় পাঠক, দেখা যাচ্ছে: এক. যুদ্ধাপরাধীদের নির্ণয় করতে যে দলিলসংক্রান্ত প্রমানগুলো, যেগুলো অত্যন্ত নির্ভরযোগ্যও বটে, সেগুলো সরকারের হেফাজতে আছে। দুই. যে কোন গুরুতর অপরাধের বিচারে আদালতের সামনে রাষ্ট্রকেই বিচারপ্রার্থী হতে হয়"।
তথ্যসুত্র: ৬ নভেম্বর ২০০৭, দৈনিক প্রথম আলো।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
ধন্যবাদ
শিউলী মালা বলেছেন:
ধন্যবাদ
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
৫। এই পোষ্টটা টপে থাকা দরকার।
রাশেদ বলেছেন:
৫
মাঠশালা বলেছেন:
৫
নগর বাউল বলেছেন:
৫
নরাধম বলেছেন:
শালার আজেবাজে পোস্টগুলাতে কমেন্ট প্রচুর পরে। এটাতে কমেন্ট পরেনি।৫ এবং প্রিয়তে রাখলাম।
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
৫
চে বলেছেন:
সবাইকে ধন্যবাদ।
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
ভালো হয়েছে...
ধ্রুব বলেছেন:
৫+
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
ঠেলা
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
ঠেলা
রাজর্ষী বলেছেন:
৫+
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
ঠেলা
সুবিদ্ বলেছেন:
চমৎকার
সপ্ন পুরন বলেছেন:
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: ঠেলা
রাগ ইমন বলেছেন:
ভাইয়া, আর লিখবেন না কখনো?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















