একজন পাঠক মন্তব্য করেছেন এভাবে-
আপনি বলেছেন, মিনিস্কাট, উদ্দাম নৃত্য, অশ্লীল হিন্দি গান বাঙ্গালী সংস্কৃতি নয়। মিনিস্কাটের মধ্যে অশ্লীলতার কি রয়েছে তার ব্যখ্যা দেননি। একটি কনসার্টে যে ধরনের নৃত্য বা পোষাকের প্রয়োজন মিলা, তিশমা বা অন্যেরা সে ধরণেরই নৃত্য করেছেন ও পোষাক পরেছেন। আপনি সেটাকে বলছেন, উদ্দাম নৃত্য ও অশ্লীল। একটা কথা আপনাকে বলছি, আপনার কাছে যা অশ্লীল, অনের কাছে তা অশ্লীল নয়। সে জন্যই পৃথিবীটা এত বৈচিত্রপূর্ণ।
আমার উত্তর ছিল-
আমার লিখাটি ছিল অশ্লীল কনসার্টের পরিণতি নিয়ে। এমনকি পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানেও মিনিস্কাট, উদ্দাম নৃত্য, অশ্লীল হিন্দি গান ইত্যাদির কি সম্পর্ক বুঝতে চেয়েছি। আসলে এসব কি আপামর বাংলার জনগণের সংস্কৃতি? কোটি কোটি বাংলার জনগণ কি এসবকে তাদের সংস্কৃতি মনে করে? উত্তর নিশ্চয় হবে "না।" এমনকি তারা কেউ চায়না, তাদের পরিবার, ছেলে-মেয়ে বা বোনরা এধরনের অশ্লীল, উদ্দাম কনসার্টে অংশগ্রহণ বা নাচানাচি করবে। এখন কেউ যদি ওসব অপসংস্কৃতিকে পছন্দ করে থাকে তাহলে তা করতে পারে এবং অংশগ্রহণও করতে পারে। কিছু ভিন্ন মানসিকতার লোক সবসময় থাকে। তারা ওয়ের্ষ্টান ষ্টাইলে অশ্লীলতা, নির্লজ্জতা, বেহায়াপনাকে নিজেদের জন্য ভাল মনে করতে পারে। কিন্তু তা কোটি কোটি বাংলার জনগণের মত নয়। বৃহত্তর জনগণ এসবকে ঘৃণা করেই যাবে। ধন্যবাদ।
এরপর তিনি আবার বলেছেন এভাবে-
আমরা বরীন্দ্র সঙ্গীত যেমন পছন্দ করি, অনুপ্রাণিত হই, মাইকেল জ্যাকসনের গান, নাচ তেমনি আমাদের প্রেরণা দেয়, আনন্দ দেয়। পহেলা বৈশাখে রমনা বটমূলে শিল্পীদের গান যেমন ভালো লেগেছে, তেমনি মিলা, শিলা, তিশমা বা অন্যেদের কনসার্টও ভালো লেগেছে। এটা আমাদের মানসিক দিক থেকে শ্রেষ্ঠ অর্জন। আমরা এটা মনে করি না, মিলা, শিলার বা অন্য কোনো কনসার্টে অংশ নিলে বাঙালি সংস্কৃতি শেষ হয়ে যাবে। এরপর আপনি বলেছেন, বাঙ্গালীরা নিজের মেয়ে বা বোনের এধরনের কনসার্টে অংশগ্রহণ করা পছন্দ করেনা। আপনি কীভাবে ভাবলেন যে, মিলা বা তিশমার কোনো ভাই নেই, বাবা নেই! কিভাবে ভাবলেন যে মিলা বা তিশমাকে বোন ভাবি না? আমি স্পষ্ট করেই বলতে চাই, যদি মিলা বা তিশমার মতো আমি একটি বোন পেতাম নিজেকে ভাগ্যবান মনে করতাম।
এর উত্তর ছিল এরকম...
হ্যাঁ, প্রভারাও কারো বোন, কারো মেয়ে ছিল। সেই প্রভারা কথিত প্রগতিশীল (!?) কাউকে বিশ্বাস করে নিজের সবকিছুই দিয়ে দিয়েছিল। এরপর একটু এদিক ওদিক হওয়াতে সেই প্রগতিশীলরাই প্রভাদের সবকিছুই পৃথিবীর সামনে ওপেন করে দিয়েছিল। এমনকি শেষ পর্যন্ত বিবাহিত জীবনও কনটিনিউ করতে পারলো না। প্রভা ও প্রভার পরিবার সেই বিশ্বাসের প্রায়ঃচিত্ত এখনো করে যাচ্ছে। কিন্তু কথিত প্রগতিশীলরা এখন সাধু। তাদের কেউ খোঁজ রাখেনা। তাদের কেউ কিছু বলেনা। তারা হয়তো এখন আরেক প্রভার খোঁজে আছে বা অন্য কোন প্রভাকে নিয়ে মজায় মেতে আছে। আবার সেই নতুন প্রভার অবস্থাও পুরোনো প্রভার মতো হতে পারে। তথাকথিত প্রগতিশীলদের অবস্থা আসলে এরকম। তারা সংস্কৃতির নামে, প্রগতিশীলতার নামে, আধুনিকতার নামে শুধু প্রভাদের কাছে পেতে চায়। এরপর পাওয়া শেষ হলে ডাষ্টবিনে ছুড়ে ফেলে দিবে। এখন যদি এসব সংস্কৃতির নাম দিয়ে আরো প্রভা সৃষ্টি করা না যায়, তাহলে সংস্কৃতিবান পুরুষরা আনন্দ করার জন্য প্রভা পাবে কোথায়? সেই টার্গেটে তারা এখন নারীদের মিলা-শিলা-প্রভা হওয়ার উৎসাহ দিতে থাকবে। দূর্ভাগ্য আসলে নারীদের, এতকিছু হারালো কথিত সংস্কৃতিমনা পুরুষদের কাছে তারপরও তারা সচেতন হয়না। তারা আরো উদ্দাম হয় পুরুষদের আনন্দ দেয়ার জন্য, তারপর শেষ পরিণতি পুরুষের ব্যবহারের পর ডাষ্টবিন!!
এটাকে কেউ আবার পুরুষ বিদ্বেষী পোষ্ট মনে করবেন না প্লিজ। যারা শুধু ওই ধরনের মানসিকতা পোষন করে, তাদের মানসিকতার বিরুদ্ধে বলেছি।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



