আমার প্রিয় পোস্ট
- রক্তের গ্রুপ H I V - হামীম
- চা বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবন, অর্জন ও সাফল্য - সৈয়দ আমিরুজ্জামান
- সিলভিয়া প্লাথের কবিতা টিউলিপ - আয়শা ঝর্না
- নারী: গন্তব্য যখন কেবল ফরসা ত্বক আর পুরুষ ধরা ! - শ্লেট: আমাদের অনুকাগজ
- নভেম্বর সংখ্যা বের হয়েছে! - বিপ্লবী চেতনা
- সস্তায় চা খাওয়ার দিন শেষ ! - হামীম
- গ্রামীণফোনের দূনীর্তি - সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন
- কিছু মজার এড... - নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
- কাস্টেনের গান ভীতি - নিশি কন্যা
- Second time Dhaka - নরওয়ের কথা
শ্রীমঙ্গলে পানপুঞ্জির গাছ কাটা ও আদিবাসীদের উচ্ছেদের চেষ্টা বন্ধের দাবিতে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৪
শ্রীমঙ্গলে পানপুঞ্জির গাছ কাটা ও আদিবাসীদের উচ্ছেদের চেষ্টা বন্ধের দাবিতে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন
মৌলভীবোজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার খেজুরীছড়ার বিভিন্ন খাসিয়া পানপুঞ্জিতে অবাধে গাছ কাটা হচ্ছে। গাছ কেটে পানপুঞ্জি ধ্বংসের মাধ্যমে আদিবাসীদের উচ্ছেদের চেষ্টা চলছে। নাহার চা-বাগান কর্তৃপক্ষ অবৈধভাবে এ কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার আদিবাসী পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপা আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এ অভিযোগ করেন।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বক্তারা অভিযোগ করেন, নাহার চা-বাগান কর্তৃপক্ষ সরকারের কাছ থেকে ৮৬৪ একর জমি ইজারা নিলেও বাস্তবে তারা ১২০০ একর জমি দখল করেছে। ইজারা নেওয়া ও দখল করা জমি তারা অবৈধভাবে খাসিয়াদের কাছে ইজারা দিয়েছে। ইজারার মাধ্যমে তারা বিভিন্ন সময়ে এক কোটি ৬৫ লাখ টাকা আদায় করেছে। এখন গাছ কেটে পানপুঞ্জি ধ্বংসের মাধ্যমে আদিবাসীদের উচ্ছেদের চেষ্টা করছে। এরই মধ্যে ৭০০ গাছ কাটা হয়েছে। আরও ৩৩০০ গাছ কাটার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
বাপার সভাপতি অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমেদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে অর্থ সহায়তা চাইছে। কিন্তু নিজ দেশে বনভূমি রক্ষার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। প্রভাবশালী লোকজন গাছ কাটলেও বাধা দেওয়া হচ্ছে না। এটা সরকারের ঘোষিত নীতির বিরুদ্ধে যাচ্ছে।
মূল প্রবন্ধে বাপা'র যুগ্ম সম্পাদক শরিফ জামিল বলেন, বাংলাদেশ চা ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকায় ইজারা নেওয়া জমি অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়া যাবে না। ইজারার জমির গাছ কাটাও নিষিদ্ধ। কিন্তু ওই চা-বাগান কর্তৃপক্ষ এ নিয়মের অমান্য করে জমি ইজারা দিচ্ছে।
বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং বলেন, আদিবাসীরা সব সময় বন ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা করে। বিগত সরকারগুলোর আমলেও ইকো পার্কের নামে বন ধ্বংস এবং আদিবাসী উচ্ছেদের চেষ্টা করা হয়েছে। আন্দোলন করে তা মোকাবিলা করা হয়েছে। এখনো একই প্রক্রিয়া চলছে। আন্দোলনের মাধ্যমেই তা মোকাবিলা করা হবে।
বক্তারা খেজুরীছড়ায় নাহার চা-বাগান ও সংলগ্ন খাসিয়া পানপুঞ্জির গাছ কেনা-বেচা ও গাছকাটা বন্ধ করা এবং দখল করা জমি উদ্ধারসহ পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন।
এ সময় আদিবাসী পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের নেতা ফাদার যোসেফ গমেজ উপস্থিত ছিলেন।
একজন ব্লগার বলেছেন:
সেকেন্ড!
ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন:
কোন একদিন সৈয়দ আমরজ্জামাই স্বপ্নে দেখেছিলেন মাইনাচ।
ক-খ-গ বলেছেন:
বাংলাদেশের মানুষ যতগুলো জাতীয় সম্পদ নিয়ে গর্ব করতে পারে হাতুড়ি তার অন্যতম। "হাতুড়ি যুদ্ধের" মাধ্যমে বৃক্ষ সম্পদ রক্ষা করা হউক। যার যত হাতুড়ি আছে সব নিয়ে একতাবদ্ধ হন। হাতুড়ির জয় অনিবার্য।
বুমবুম বলেছেন:
সত্যি কইতাছি পেলাচ দিতে গেছিলাম।কিন্তু ক্যান যানি মনে হইল লাল বাটনে পেলাচ রেটিং।চিপি দিয়া দেখি ৭ নং
তালপাতার সেপাই বলেছেন:
খুবই ভালো পোষ্ট, অনেক দিন পর আমাদের এবং আগামীর জন্য একটি প্রচেষ্টা। ধন্যবাদ আপনাকে।বালা থাখুইন যেন,
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও
চিলে কোঠার সেপাই বলেছেন:
সৈয়দ বংশের সবাই কেমন আছেন?? আমার পক্ষ থেকে আপনাদের বংশের সবাইকে ঈদুল-আযহার অগ্রীম শুভেচ্চা।


















