ঢাকা, জুন ১৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- টিপাইমুখ বাঁধের বিষয়ে ভারত তথ্য দিয়েছে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে তথ্য চেয়ে এলেও ভারত এতদিন তা দেয়নি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষন করে যদি মনে হয় ভারতের ওই প্রকল্প বাংলাদেশের জন্য ক্ষতির কারণ হবে, তবে প্রকল্পটি যেন না হয় সে জন্য সব কিছুই করবে সরকার।
একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর হবে, এমন কিছু ভারত সরকার করবে না।
শুক্রবার সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ফরেন অফিস ওয়াইভস অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত মেলা উদ্বোধনের পর দীপু মনি সাংবাদিকদের বলেন, "টিপাইমুখ প্রকল্পের বিষয়ে আমরা তথ্য চেয়েছিলাম। ভারত স¤প্রতি আমাদের তথ্য দিয়েছে। ভারত থেকে পাওয়া তথ্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও যৌথনদী কমিশনে পাঠানো হয়েছে।"
তিনি বলেন, "তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষন করে যদি আমাদের মনে এই বিশ্বাস জন্মায় যে এর মাধ্যমে (টিপাইমুখ বাঁধ) আমাদের ক্ষতি হতে পারে, তাহলে অবশ্যই এই কাজটি যাতে না হয়, সে ব্যাপারে যা যা করণীয়, সরকার নিশ্চয়ই তা করবে।
"তবে আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের ক্ষতি হয় এমন কিছু ভারত সরকার করবে না।"
মন্ত্রী বলেন, "আমাদের সংসদীয় প্রতিনিধি দল শিগগিরই টিপাইমুখ প্রকল্প সরেজমিন গিয়ে দেখে আসবেন। তাদের প্রতিবেদন এবং তথ্য-উপাত্ত বিচার বিশ্লেষন করেই সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।"
২০০৩ সালে ভারত সরকার বরাক নদীতে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করে। এ নদী সুরমা নাম নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এ বাঁধ বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে পরিবেশ বিপর্যয় ঘটাতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরাসহ অনেক রাজনৈতিক দল বলে আসছে। তবে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের উজানে পানির সহজলভ্যতার ক্ষেত্রে এ প্রকল্প কোনও বাধা হবে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



