আমার প্রিয় পোস্ট

বিশ্লেষণ: যুদ্ধাপরাধের বিচার ও রাজাকার মূক্ত জামাত

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১৩

শেয়ারঃ
0 18 0

[ আমি সক্রিয় ভাবে রাজনিতীর সাথে জড়িত নই। এই পোস্ট সম্পূর্নটাই আমার ব্যাক্তিগত চিন্তা-ভাবনার প্রকাশ। আমি চেষ্টা করেছি বিভিন্ন সূত্র হতে প্রাপ্ত তথ্য, ঘটনা পর্যবেক্ষন ও এদের যোগসূত্র দিয়ে একটি বিশ্লেষিত উপসংহারে পৌছাতে ]


হাইপোথিসিস: যুদ্ধাপরাধের বিচার জামাতকে চুড়ান্ত ভাবে একটি রাজনৈতীক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা দেব।


পিলে চমকান হাইপোথিসিস তাই না ? অনেকেই আমাকে ইতিমধ্যে জামাতি হিসেবে গন্য কের ফেলেছেন ও রাজাকার বলে মনে মনে গালী দিচ্ছেন। ভাবছেন অপরাধীদের বাচাবার নতুন ফিকির! তবে যে যই ভাবুন ব্যাক্তিগত ও সমষ্টিগত ভাবে আমিও চাই বাংলাদেশ যুদ্ধাপরাধী মূক্ত হোক। আর শুধু মাত্র একারনেই বর্তমান সরকার বিগত নির্বাচনে আমার দ্বারা সমর্থিত হয়েছে, যদিও আমি তাদের সমর্থক নই।

আমি যে এলাকায় গত ১৫ বছর ধরে বাস করছি, তা আমাকে জামাতের সাংগঠনিক কাঠাম, কর্ম পদ্ধতি, মটিভেশন ও নেতা নির্বাচন ইত্যাদি গভীর ভাবে পর্যবেক্ষন করার সুযোগ দিয়েছে। আমি তাদের কর্ম প্রক্রিয়া দেখে চমতক্রিত হয়েছি, বাংলাদেশের আর কোন রাজনৈতীক দল সম্ভবত এভাবে চিন্তা করে না।

আর্থিক ভিত্তি: ৪-৬ টি ব্যাংক, ২-৩ টি হাসপাতাল, ২ টি টিভি চেনেল, ২-৩ টি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি, ৮ টি দৈনিক-সাপ্তাহীক ও অসংখ্যা ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাদের। এগুলোর গ্রাহক ও পরিচালক মূলত তাদের নেতা-কর্মিরা। অনেক সাধারন মানুষ ও আছে তাদের সাথে তবে তদের বেশীর ভাগই গ্রাহক শ্রেণীর। জামাত তার যোগ্য নেতা-কর্মিকে শিক্ষা ও জীবিকার নিশ্বয়তা দেয়। আওয়ামী-পন্থী অর্থনিতীবিদ ডঃ আবুল বারাকাত ( বর্তমানে রূপালী ব্যাংকে নিয়োগ প্রাপ্ত) তার গবেষণার মাধ্যমে দেখিয়েছের জামাতের ব্যাবসায়িক সম্পদের পরিমান প্রায় ১৫শ কোটি টাকা।

সংগঠন: আমার ধারনা মূলত ছাত্র-শিবির কেন্দ্রিক। অত্যন্ত কঠোর ও নিয়মত্রান্ত্রীক সংগঠন। এদের সাংগঠনিক শৃংখলা ও নিয়মানুবর্তিতা শুধু মাত্র কোন সামরিক-আধাসামরিক বাহীনির সাথেই তুলনীয়(আর মূল পার্টি জামাত মূলত ছাত্র-শিবিরেরই আলটিমেট ভার্সন)।

তরুন সমাজে এরা ২ ভাবে কাজ করে। প্রথমটা প্রথাগত মানে আওয়ামি-বিএনপি যাদের রিক্রট করে এরা ও তাই করে। তবে ২য়া টা বেশ ইন্টারেষ্টিং। এখানে তাদের টার্গেট হয় এলাকা বা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলর মেধাবী ও ভদ্র টাইপের তরুন-তরুনীরা। প্রথাগত মারামারি-কাটাকাটির ছাত্র-রাজনীতি থেকে মূক্ত, আধুনিক শিক্ষা উপকরন ও পরিবেশের নিশ্বয়তা, আর্থিক সমর্থন ও সর্বপরি ভাল চাকরী ও জীবন-যাপনের নিশ্বয়তাই তাদেরকে আকর্ষন করে। এটা মূলত জগামাতের ইন্টেলেকচুয়াল সেকশন, এ কারনেই প্রসাশনে ও উচ্চ পর্যায়ে জামাত-পন্থি লোক জন সংখ্যায় বাড়ছে।


রাজাকার / জামাতি: ৭১ জামাতের ভূমিকা ও বর্তমানে প্রথম সারির নেতাদের যাদ্ধাপরাধ জামাতের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির মূল অন্তরায়। জামাতের নিম্ন ও মধ্য সারির নেতারা (৭১ পরবর্তি প্রজন্ম) এটা থেকে বেরিয়ে আসতে চাচ্ছে যদিও দলীয় কাঠামোর কারনে তারা পেরে উঠছে না। সুতরাং যুদ্ধাপরাধের দায়মূক্তি এদের নিকট চরম আরাধ্য, যা তাদেরকে পূর্বস্বূরিদের কৃতকর্ম থেকে মূক্তি দিবে।


যুদ্ধাপরাধের বিচার: জামাত যদিও এটা চায়না কারন তা প্রথম সারির নেতাদের সিদ্ধান্ত এবং একসাথে বেশ কিছু সিনিয়র নেতা হারানোর সম্ভবনা সৃষ্টি করবে, যা সামযয়িক ভাবে তদের অগ্রগতীকে রোধ করবে। তবে জামাতের সাংগঠনিক ভিত্তি এই শূন্যতা পূরনে সক্ষম।


যুদ্ধাপরাধ মূক্ত জামাত ও তাদের ভবিষ্যত: যুদ্ধাপরাধের বিচারের সুফল বাংলাদেশ পেতে পারে নানা ভাবে। স্বাধিনতার পক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে চলে আসা ৩৮ বছরের বিতর্কের সাময়িক অবসান ঘটবে। সময়িক সমাধান একারনে বলছি যে, জামাত যেমন ধর্মকে ব্যাবহার করে ঠিক তেমনি আওয়ামিলীগ মুক্তিযুদ্ধকে পুজি করে রাজনীতি করে, তাই এটার পূর্ন সমাধান সম্ভব নয়। আর বিএনপি মূলত জিয়ার জনপ্রিয়তা নিয়ে টিকে আছে।


''তবে দলীয় বিবেচনায় সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ ও একই সাথে লাভবান হবে জামাত।'' - কনফিউজিং মন্তব্য তাই না, আসুন বিস্তারিত আলোচনা করি-

আওয়ামীলিগ: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, দলটির গ্রহনযোগ্যতা আরোও বারিয়ে দেবে প্রগতিশীল জনগোষ্ঠি ও ছাত্র সমাজের কাছে। কিন্তু তাদের মুক্তিযুদ্ধ কেন্দ্রিক রাজনীতি চেলেন্জের মুখে পড়বে। বঙ্গবন্দ্ধুর হত্যা মামলা ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষ হয়ে গেলে, মানষের আবেগকে পূজি করে পথ চলা কষ্টকর হয়ে পরবে।

বিএনপি: এরা খুব একটা লাভবান হবে না। তারেক জিয়ার ভাবমূর্তি মেরামত করতেই বেশী বেস্ত থাকতে হবে। তবে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগমূক্ত ও সাময়িক সময়ের জন্য দূর্বল জামাত জোটবদ্ধ রাজনীতিতে তাদের কীছুটা সুবিধা দেবে।

জামাত; গুটি কতক সিনিয়র নেতা হারানোর বিনিময়ে তাদের কলংক মূক্তি ঘটবে। ৭১ পরের বেচ আরো কর্তিত্ব পাবে এবং সাধারনের মাঝে নিজেদের আরও খোলামেলা ভাবে প্রকাশ করবে। সর্বপরি সাধারনের মাঝে তাদের গ্রহনযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে নিশ্বন্ধেহে আর ধর্মিয় সহানুভূতি ত রয়েছেই।


জামাত কী বাংলাদেশের নিউনাতসি হতে যাচ্ছে ?

২য় বিশ্বযুদ্ধের পর সারা বিশ্ব জুড়ে শুরু হল নাত্সিদের বিচার। ৫০ দশকে শুরু হয়ে ৮০ র শেষ ভাগে এসে শেষ হল বিচার প্রক্রিয়া। সারা বিশ্ব বিশেষ করে জার্মানরা হাফ ছেরে বাচল এই ভেবে যে, নাতসিদের চূড়ান্ত পতন হয়েছে।

বেশী নয় মাত্র এক দশক পরেই অভাবনিয় কান্ড ঘটল, জার্মানিতে পূনরায় নাতসিদের জাগরণ ঘটল (এরা নি্উনাতসি নামে পরিচিত)। অবস্থা এমন যে ২০০০ এর পর এরা জার্মানীর ৪ নম্বর রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্নপ্রকাশ করেছে আর তাদের মূল সমর্থক হল যুবসমাজ।


একই অবস্থা জামাতের ক্ষেত্রেও হতে পারে, মৃত মুজিব বা জিয়া কেন্দ্রিক রাজনীতির আয়ু ক্রমশ্যই ফুরিয়ে আসছে। ব্যক্তি কেন্দ্রিক আধুনিক জীবনযাত্রা মানুষকে উচ্চাকাঙ্খি করে তুলছে। ফলে ব্যক্তি উন্নয়ন কেন্দ্রিক রাজনীতিরই সাফল্য পাবার সম্ভবনা প্রবল।

আর এখানেই জামাত সুবিধা জনক অনস্থানে রয়েছে কারন তারা তাদের কাঠামটা তৈরী করে ফেলেছে এবং প্রক্রিয়াটা ট্রায়াল এন্ড এররের মধ্য দিয়ে পরিশুদ্ধ হচ্ছে। অপর দিকে বিএনপি বা আওয়ামিলীগে এই প্রক্রিয়া চরম ভাবে অনুপস্থিত, যা আছে তা হল ক্ষমতা প্রদর্শন ও পারিবারিক স্বজনপ্রিতি।

অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে তাই না ? কিছু প্রশ্নের উত্তর পেলেই আমার কথাগুলো আপনার বোধগম্ম হবে-

সাংগঠনিক শৃংখলা কদের বেশী ?
- আমি কখনও শুনিনি জামাত দখলবাজী নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারী করেছে।

রাজনৈতীক ভাবে আপনার শেষ সীমা কোথায়?
-জামাতের পরবর্তি নেতা নিষ্চিত ভাবে গো-আজম বা মুজাহিদের পরিবারের কেউ হবে না।


আমি বলছি না আগামী ১০ বছরেই জামাত বাংলাদেশের রাষ্ট্রিয় দ্বায়িত্ব পাচ্ছে। তবে আওয়ামিলীগ বিএনপির পর ৩য় শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবার ক্ষেত্রে জামাতই সব দিক দিয়ে এগিয়ে আর যুদ্ধপরাধের দায়মূক্তি জামাতের এই পথ পরিক্রমাকে আরও বেগবান করবে।

তা হলে কী যুদ্ধপরাধীদের বিচার বন্ধ থাকবে ? অবশ্যই নয়, যুদ্ধপরাধীদের বিচার হবেই হবে। তবে আমার কাছে এটা জামাতের
জন্য শ্বাপেবর হয়ে দেখা দেবে বলেই মনে হচ্ছে।


শেষ পর্যন্ত পড়েছেন ! আমি ভাগ্যবান যে আমার আশঙকার কথা আপনার কাছে পৌছাতে পেরেছি। এখন আপনিই বলুন আমি যা আশঙকা করছি তা কী যুক্তিযুক্ত ?

 

প্রকাশ করা হয়েছে: খবর-বিশ্লেষণ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৩
রোদেলা খাতুন বলেছেন: বড়ই সংকটে ফেলে দিয়েছেন। আপরার পর্যবেক্ষণে যথেষ্ট যুক্তিও রয়েছে। যেহেতু আওয়ামী-বিএনপির রাজনীতিতে কোনো আদর্শ আলাদাভাবে কাজ করছেনা কেবলমাত্র পারিবারিক ঐতিহ্য ছাড়া তাই সংকটটা বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।
জামাতের উত্থানে আমি ভীত-সন্ত্রস্ত্র।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৪৪

লেখক বলেছেন: এর জন্য মূলত আওয়ামিলীগ ও বিএনপি এর বর্তমান নেত্রীদ্বয় দায়ী। পারিবারিক আধিপত্য টিকিয়ে রাখতে তারা বিকল্প নেতত্ব তৈরী হতে দিচ্ছে না।

২. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৪২
সুধাসদন বলেছেন: স্বাধীনতা বিরোধী, মৌলবাদী, রগকাটা এতকিছু বলার পরও শিবিরের উত্থান সত্যিই বিস্ময়কর! হতে পারে প্রধান দুটি দলের দুর্নীতি, চাদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ অন্যান্য অপকর্ম দেখে মানুষ হতাশ হয়ে জামাত-শিবিরের দিকে ঝুকছে।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০২

লেখক বলেছেন: মানুষ শুধু শুনেই বসে থাকছে না, অন্য দলগুল যেকারনে এদের গালাগাল দিচ্ছে সেই আকই ঘটনাগুল স্বাধীনতার হোল এজেন্ট অথবা জতীয়তাবাদীর কংকাল বহনকারী উভয়ই বার বার করছে ..।

সুতরাং মানুষ ত বিকল্প চাইতেই পারে। তবে চাওয়ার গতিটা ভয়াবহ। বিগত ৩-৪ টা নির্বাচনে জামাতের ভোট-প্রাপ্তিই এর যথার্ততা প্রমান করে..............

৩. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০৮
নাঈম বলেছেন: আপনার আশঙ্কা-ই সত্যি হবে বলে মনে হচ্ছে, তবে সেটা কত দ্রুত হবে, সেটা একটা প্রশ্ন। কারণ নিকটঅতীতের সকল নির্বাচনে জামাত কিন্তু খুব একটা বেশী আসন পায়নি যে যার ভিত্তিতে তারা নিকট ভবিষ্যতে এককভাবে সরকার গঠন করার স্বপ্ন দেখতে পারে। তবে জামাত তাদের স্বপ্নে আশার হাওয়া দিতে পারে একমাত্র তাদের মজবুত সাংগঠনিক ভিত্তির কারণেই। বাংলাদেশের আর কোন রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক দক্ষতা জামাতের মত নেই, এটা স্বীকার করতেই হবে।


সুন্দর বিশ্লেষণধর্মী পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩০

লেখক বলেছেন: সাংগঠনিক দক্ষতা, আর্থিক সামর্থ আর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা -এগুলোই জামাতের মূল শক্তি

৪. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:১৪
নিউজকাস্টার বলেছেন: জামায়াত এবারের নির্বাচনে ৩৮টি আসনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে। প্রতি আসনে গড়ে ৮৬ হাজার ২৭৫ টি ভোট পায়। যা ২০০১ সালের নির্বাচনে ছিল গড়ে ৭৫ হাজার ৮৬২টি। এতে প্রমানিত হয় যে জামায়াত প্রতি আসনে গড়ে ১১ হাজার ভোট বেশী পেয়েছে।
৫. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:২৬
তাহের বলেছেন: রাজাকার মূক্ত জামাতকে চুড়ান্ত ভাবে একটি রাজনৈতীক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা দেব।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: যুদ্ধাপরাধ বাদ দিলে তাদের বিরুদ্ধে বলার মত তেমন কোন গুরুত্বপূর্ন অভিযোগই নেই !

সুতরাং তাদের শক্তি অর্জন শুধু মাত্র সময়ের ব্যাপার।যুদ্ধাপরাধের দায় মূক্তি এই সময়ের দৈর্ঘটাকে বরং সংক্ষিপ্তই করবে।

৬. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৬
ইমতিয়াজ ১৩ বলেছেন: ভবিষ্যৎ তাহলে কি। আওয়ামীলীগ ও বিএনপি সময়ের ব্যবধানে কালের গর্ভে হারিয়ে যাবে?
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: এরা এখন ও বাংলাদেশের ৪৯% (আ) ও ৪৪% (বি) রিপ্রেগেন্ট করে। কালের গর্ভে হারিয়ে যতে অনেক সময় ও প্রচুর ভূলের প্রয়োজন। তবে বেশ তারাতারিই আমরা আই দুই দলের রাজনৈতীক আধিপত্ত খর্ব হতে দেখব........।

৭. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৪৮
রাজর্ষী বলেছেন: আপনার বিশ্লেষনের চমকপ্রদ হলেও নতুন কিছু নয়। গ নতান্ত্রিক রাজনীতির দেউলিয়াত্বই জামাতকে সুযোগ করে দিচ্ছে। কিন্তু জামাত যে সমীকরনে এগুচ্ছে তাতে তাদের যদি শক্তি জনসমর্থন বেড়ে গিয়ে এককভাবে সরকার গঠনের পর্যায়েও যায় তবুও দেশে শান্তির বদলে বিশৃংখলা বাড়বে।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৬

লেখক বলেছেন: শান্তি আপেক্ষিক ব্যাপার। তবে মোটা দাগে বলা যায় ব্যাপক জন সমর্থন আছে একন সরকারের পক্ষে শান্তি-শৃংখলা প্রহনযোগ্য লেভেলে মেইনটেইন করা সম্ভব।

৮. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৫২
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: লেখা পড়ে আপনার নিক এর যথার্থতা উপলব্ধি করলাম। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে!

যারা জানেন না তাদের জন্যঃ

http://en.wikipedia.org/wiki/Oracle
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন: ঐ লেভেলের ধারে কাছে যাবার সম্ভবনাও আমার নাই।

আপনাকে ও অসংখ্য ধন্যবাদ ।

৯. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩২
ও.জামান বলেছেন: ভাল লিখেছেন। ভয় পাচ্ছি। এখন আম্লীগ-বিম্পির কর্ণধাররা আমর মত ভয় পেলে হয়।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০

লেখক বলেছেন: ভয় পাওয়াই উচিত...

১০. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩
শুভ সকাল বলেছেন: অদূর ভবিষ্যতে হয়ত জামাতের বিরুদ্ধে আওয়ামি লীগ, বি এন পি জোট গঠিত হবে।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২

লেখক বলেছেন: :) হয়তো বা...

১১. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৬
রহমানরক্তিম বলেছেন: অসাধারণ বিশ্লেষন,
জামাতের উত্থানে আমি ভীত-সন্ত্রস্ত্র।

কিছুদিন আগে ঢাকায় গিয়ে ত চক্ষু কচলাতে হয়েছিল,কারন এক ভদ্রলোক বুয়েটে পড়াশোনার পর সিন্গাপুর থেকে MS করে এসেছেন। তেমন সংগঠন করতোনা আমার জানামতে,কারন উনি আমাদের এলাকায় বড় হয়েছেন। ত ওনাকে দেখি বায়তুল মোকাররমের পাশে জামাতের এক মিছিলে সেচ্চাসেবকের দায়িত্ব পালন করছেন। কাছে গিয়ে পরিচয় দিতেই চিনতে পারলেন, তারপর বললেন উনি জামাতের রুকন এবং থানার দায়িত্বশীল। আগে ভাবতাম জামাতে সব মাদ্রাসার লোক। কিন্তু উনার মতো লোক জামাত করে দেখে সারপ্রাইজ হলাম এবং উনি বললেন ঢাকাতে এমন সব লোককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে যাদের বিরুদ্ধে নূন্যতম যুদ্ধাপারাধের অভিযোগ ত নেয় সাথে সাথে একদম নতুন প্রজন্মকে তারা দায়িত্বে নিয়ে এসেছে। এগুলা নাকি তাদের আপদকালীন সময়ের জন্য অগ্রিম প্রস্তুতি। হালারা কত্তো এডভান্স।
১২. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৪
কানা-বাবা বলেছেন: আপনার বিশ্লেষন চমৎকার। আপনার সাথে একমত। তবে একটি ইস্যু হয়তো জামাতের উত্থানকে ধীরগতি করে দেবে - আর তা হলো তাদের মৌলবাদি মূলনীতি। মেজরিটি সাধারন মানুষ ধার্মিক হলেও মোল্লাগিরি জীবনধারা পছন্দ করে না। সেকরনেই হয়তো তারা জামাতকে ভোট দিতে ভয় পাবে।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: যদি তাই হয়, তখন হয়ত দেখা যাবে জামাতের মৌলভী সেকশন সরে গিয়ে আধুনিক ইনটেলেকচুয়াল সেকশন নেতৃত্বের ভার নেবে।

১৩. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৭
মোঃ আনিছ বলেছেন: বিশ্লেষণধর্মী পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ। এটা স্বীকার করতেই হবে যে, বাংলাদেশের আর কোন রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক দক্ষতা জামাতের মত নেই।
১৪. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫
অজানা আমি বলেছেন: @নিউজকাস্টার জামাত-শিবিরের মত পুত পবিত্র দল পৃ্থিবীতে নাই। নেতাদের চেহারা কি নূরানী একদম ফেরেশতাদের মত
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: ভাই আমাদের অন্য প্রগতিশীল নেতাদের দিকে একটু তাকান উনাদের ভাবমূর্তি ও কিন্তু নূরানী একদম ফেরেশতাদের মত - অন্তত ওনারা তাই মনে করে।


সবগুলই আসলে একই শ্রেণীর.....প্রকাশ ভঙ্গিটাই শুধু আলাদা..

১৫. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪২
েহলাল খান বলেছেন: @ অজানা আমি তুমি হচ্ছো নব্য রাজাকার। শালা মগবাজারী।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: দিলেন ত একটা টেগ লাগিয়ে.......... হৃদয় নয় মাথা খাটান..

আর কতদিন আমরা নিজেরাই নিজেদের বিভিন্ন দল-উপদলে ভাগ করে ঐক্যের শক্তি নষ্ট করব ?

১৬. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩২
অজানা আমি বলেছেন: @েহলাল খান আমার ব্লগে আগে ঘুরে এসে পরে মন্তব্য করুন
১৭. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩২
সায়াদ বলেছেন:

বিশ্লেষণকে + না দিয়ে পারছি না
১৮. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪১
গুতুদিয়া বলেছেন: হাইপোথিসিস: যুদ্ধাপরাধের বিচার জামাতকে চুড়ান্ত ভাবে একটি রাজনৈতীক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা দেব।

হাইপোথিসিস হওয়ার কি আছে। জামাত বাংলাদেশের রাজনীতিতে ৩য় শক্তি।

২।আমি বলছি না আগামী ১০ বছরেই জামাত বাংলাদেশের রাষ্ট্রিয় দ্বায়িত্ব পাচ্ছে।
-জামাত গত বিএনপি সরকারের আমলে সরকার পরিচালনা করেছে-কারন ক্যাবিনেটে তাদের মন্ত্রি ছিল। আর কি রাষ্ট্রিয় দ্বায়িত্ব দরকার।

৩। জামাতে এই সাংগঠনিক ক্ষমতা আমি ২০ বছর আগে থেকে দেখেছি।কিন্তু জামাত একই আছে।

আমি যেটা বলতে চাইছি তা হল - বাংলাদেশের মানুষ- খুবই সাধারন খেটে খাওয়া মানুষ। কিন্তু তারা ৯ মাসে দেশ স্বাধীন করেছেন, সারা পৃথিবিতে একমাত্র জাতি -যারা নিজের ভাষায় কথা বলার জন্য জীবন দিয়েছেন - তারা এই রাজাকার দের বিচার করবেন। যতই ভয় দেখান, ইনিয়ে বিনিয়ে - ভবিষ্যতে জামাত আরও শক্তিশালি হবে-হাবি জাবি বলেন- কোন লাভ নেই।


২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০

লেখক বলেছেন: -> এর উত্তর কিন্তু আমি লেখার শুরুতেই দিয়েছি। আপনি সম্ভবত আমার উদ্বেগটা ধরতে পারেন নি।


-> ২০০১ এ ৩ জন মন্ত্রি থাকলেও জামাত তার এজেন্ডা পূরনের সুযোগ পায়নি কারন কেবিনেটে তারা ছিল মাইনরিটি। তাই সরকারী সুবোধায় দল গোছানই ছিল তদের লক্ষ। আপনি নিশ্বই বর্তমান সরকারকে জাপা বা জাসদের এজেন্ডা পূরন করতে দেখবেন না যদিও তারা কেবিনেটে আছে।

জামাতে এই সাংগঠনিক ক্ষমতা আমি ২০ বছর আগে থেকে দেখেছি।কিন্তু জামাত একই আছে।

-> কারন মনুষের পারসেপশন এখনও ৭১ এ আদের কৃতকর্মের বিপক্ষে। তবে যুদ্ধাপরাধী মুক্ত জামাত মানুষকে আরও বেশী আকষণ করবে। একই অপরাধের জন্য মানুষ নিশ্বই জামাতকে দ্বিতীয়বার দোষি সাব্যস্ত করবেনা। আর যদি করেও তা এখনকার মত এতটা প্রবোল হবে না।

১৯. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৮
রহমানরক্তিম বলেছেন: অজানা আমি এখন কেমন লাগে বলো? তুমি যে ২ দিন আগে আমাকে সন্দেহ করেছো এখন তোমাকে অন্য সন্দেহ করেছে না জেনে।
উচিত বিচার।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

লেখক বলেছেন: হুম .........আমরা বড়ই আবেগপ্রবন .......খুব দ্রুতই কোন একটা পক্ষ নিয়ে ফেলি....... খোজ-খবর নেয়ার প্রয়োজন বোধ করি না।

২০. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৩
মামুন বিদ্রোহী বলেছেন: শিবিরের এখন প্রধান কাজ হল, যুদ্ধাপরাধ নিয়ে জনগনের মাঝে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করা। এরা ছোটবেলা থেকে তাদের নেতাদের মুখ থেকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যে বিকৃত ইতিহাস, প্রপাকাণ্ড, মিথ্যা শুনে আসছে, এর সাথে বাস্তবতার অমিল দেখার পরও কি এরা জামাতের সাথে সম্পৃক্ত থাকবে? যাদের তারা পিরের মত ভাবছে, যুদ্ধাপরাধী, ধর্ষনকারী প্রমাণীত হয়ে এদের বিচার হলে, এরা জনগনের সামনে কি এজেন্ডা নিয়ে হাজির হবে। অবশ্য নতুন এজেন্ডা তারা খুজে বের করবে, এটা সবার জানা। যেমন এখন তাদের এজেন্ডা হল যুদ্ধাপরাধ নিয়ে জনগনের মাঝে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করা, তখন হয়তো তারা বলবে গো.য়া নিজামীকে আমরা মতথেকে পছন্দ করতাম না... ইত্যাদি। মূল কথা হল জামাত এতটাই নার্লজ্জ যে এরা যে কোন পরিস্থিতিতেই নতুন নতুন যুক্তি দিয়ে টিকে থাকবে। কিন্তু যতদিন টিকে থাকবে জনগনের লাথি গুতি খেয়েই যাবে।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২০

লেখক বলেছেন: একই কাজ কী আওয়মিলীগ বিএনপি করছে না ?

২০০১ এ সন্ত্রস আওয়মিলীগকে ডুবিয়েছে। ২০০৮ দূর্নিতী বিএনপিকে।

যারা লুট-হত্যা, দেশের সম্পদ ভোগ করছে, তার কী ধরনের দেশপ্রেমীক? চারিত্রক ভাবে রাজাকার ও তাদের মধ্যে কোন তাফাত নেই।

জামাতের মধ্য ও নিম্ন সারির নেতারা কিন্তু ৭১ এর লিগেসিকে লালন করতে চায়না। আপনি যা করেন নি তার দ্বায়ভার আপনি কেন নিতে চাইবেন।

জামাত ইতিমধ্যে কাজও শুরু করে দিয়েছে ৭১ এর পরের বেচ নেতৃত্বে চলে আসছে। এটা এখন তাদের ডেমেজ-কন্ট্রোল প্লেন। শুধু ১ম সারোটেই তা ইমপ্লিমেন্ট করছে না। আমার মনে হয় তারা সময় নিতে চাচ্ছে (বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়ত তারই অংশ)। বিচার শুরু হয়ে গেলা কারা কারা কনভিকটেড হচ্ছে তা দেখে শুনেই জামাত ১ম সারিতে পরিবর্তন আনবে।

২১. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৯
অজানা আমি বলেছেন: @রহমানরক্তিম তুমি নিঃসন্দেহে একজন শিবির কর্মী
২২. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩১
সামছুল আরেফিন বলেছেন: শ্রেষ্ঠত্ব সংখ্যা দিয়ে হয়না। ভাল মানুষের ভালবাসা জামায়াত ঠিকই পাচ্ছে।
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: ভালবাসা বড়লে সমর্থনও বাড়বে........তবে জামাতের উচিত দল থেকে রাজাকারগুল যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিদাই করে দেয়া.......।

২৩. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৩
নির্বাসন বলেছেন: মোটামুটি সহমত...তবে জামাতের অগ্রগতি অতটা সহজ হবে বলে মনে করিনা
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৭

লেখক বলেছেন: না হলেই ভাল। কিন্তু আমি আপনার মত আশাবাদী হতে পারছি না।

২৪. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১০
নাজমুলব্লগ বলেছেন: যারা দুর্বল তারা আধিপত্ত করতে পারবে না। জামাত সবল হচ্ছে- তাদের সাংগঠনিক কাঠামোর মজবুত করে। কিছু কলঙ্ক আছে তা যদি সরে যায় তবে তারা তো আরও সুবিধা পাবে এটাই স্বাভাবিক।

জামাতের উর্দ্ধতন নেতারা যদি এটা মনে মনে চিন্তা করে যে -
আমাদের ঘাড়ে যে যুদ্ধাপরাধীর কলঙ্ক আছে তা যদি তোরা মোচন করতেই চাষ তবে আমাদের বিচার তোরা কর। কিন্তু মনে রাখিস তোদের সায়েস্তা করতে আমরা যে সুশৃঙ্খল সংগঠন গড়ে তুলেছি তাদের হাতে একদিন তোরা মরবি।

বর্তমান ক্ষমতাসীন দল ও বিগত ক্ষমতাসীন দল যদি এর উত্থান থেকে তাদের নিজেদের দলগুলোতে গোছাতে না পারে তবে ভবিষ্যতে এদেরকে ঠেকানো মুশকিল হয়ে যাবে। তাদের কে আরও জনগনের আস্থাভাজন হতে হবে।

ক্ষমতা পাওয়া এতো সহজ না হলেও ক্ষমতা ধরে রাখা কিন্তু খুবই কঠিন। শুধু পরিবারতন্ত্র, স্বজনপ্রীতি আর আবেগ দিয়ে ভবিষ্যত রাজনীতিতে টিক থাকা দুঃস্কর। জনগন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে এই জনগনই বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাবে। এই সুযোগটাই নেবে জামাত তথা ইসলামী সংগঠনগুলো এবং নিচ্ছেও তাই। যা আপনার পোষ্টে প্রমান পাওয়া গেছে। ওদের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত হচ্ছে। একটি দলকে গোছাতে হলে অর্থিনিতক ভিত্তি থাকা চাই। যা জামাতের গড়ে উঠছে।

এ আশংঙ্কার যথার্থ যুক্তি আছে। কিন্তু আমার কথা হলো ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতির যদি উত্থান হয়েই যায় (আজ হোক আর কাল হোক) তবে পশ্চিমা বিশ্বের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়ে যাবে। যা তারা কোনদিনই হতে দেবে না। ফলে আমাদের দেশ আবার একটা আফগানিস্থান একটা ইরাক হয়ে যাবে। যা আমরা কোনদিনই চাই না।
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: এ আশংঙ্কার যথার্থ যুক্তি আছে। কিন্তু আমার কথা হলো ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতির যদি উত্থান হয়েই যায় (আজ হোক আর কাল হোক) তবে পশ্চিমা বিশ্বের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়ে যাবে।

-> বাহিঃক আচরন যাই হোক .....আভ্যন্তরিন ভাবে জামাত কট্টর ইসলামী ধারার নয়। পশ্চিমাদের সাথে কোন না কোন ভাবে ঠিকই মানিয়ে নেবে।

২৫. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৮
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: প্রিয়তে, পরে পড়ে নেব, ধন্যবাদ।
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

২৬. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৩
আলিফ মাহমুদ বলেছেন: এই কারনেই আম্লীক বিচার কর্তে চায় না... বুজলেন?
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২১

লেখক বলেছেন: বিচার না করলে আওয়ামিলীগের খবর আছে...... ।

২৭. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১০
কার্ল মার্কস বলেছেন: সহজ কইরা বুঝি> জামায়াত'র কাছে এখন পর্যন্ত গণ সংস্কৃতির ধারণা নাই। আর এটি ছাড়া কোন মানব সম্প্রদায় এক মিনিটও টিকে না, তাই জামায়াত এসব ভ্যাকুয়ামরে কারণে রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে
ভোগান্তি চরম হবে। আর এটা ভাবতে লজ্ঝা লাগে।
তাদের ইসলাম ধারনাও এক ধরন এগনষ্টিক টাইপলোজির, তাই এদের উত্তম ভাবে পাঠ
দেওয়া জরূরী।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: সমস্যা হলা আমাদের হাতে যোগ্য কোন বিকল্প ও নাই আবার ধর্মিয় সহানুভূতিও রয়েছে, ফলে অনেকেই কনফিউজড হয়ে পড়ে।

২৮. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৪
জাতি জানতে চায় বলেছেন: আপনের পোস্টের বিষয় গুলার ধারনা সব পক্ষেরই জানা আছে! আশ্চার্যজনক বিষয় হলো জাশির বিরোধীরা যুদ্ধাপরাধীর বিচারের ব্যাপারে তেমন আগ্রহী না! তাদের মতামত পড়লে এরকমই মনে হয়! কারন তাদের কাছে রাজাকার/যুদ্ধাপরাধী ইস্যুর চাইতে কয়েক লক্ষ গুন বড় হচ্ছে জাশির ধর্ম ভিত্তিক আদর্শ, দলীয় শক্তি, চেইন-অব-কমান্ড আর তুলনামূলক অধিক শিক্ষিত কর্মী বাহিনী! তারা যদি যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাইত তাহলে তারা শুধুমাত্র জাশির দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ না করে প্রকৃত অপরাধীদের বর্তমান অবস্থানের তালিকা অনেক আগেই করত! আর বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ইস্যুতে এই জাশি বিরোধীদের কর্মকান্ডকে অনেকের কাছেই রাজাকার সুলভ আচরন বলে মনে হইছে! আসলে মুক্তিযুদ্ধ কেন্দ্রিক এই ইস্যু গুলা রাষ্ট্রীয় না হয়ে আলীগ-বামের কাছে ১০০% ভাগ রাজনৈতিক হয়ে আছে!! তবে বিচার হলে রায়ের ধরনের উপর এর প্রভাব পুরোপুরি নির্ভর করবে! তবে জাশির কর্মীদের কোয়ালিটির ব্যাপক সমস্যা আছে!! আর এখন এদের দূর্নীতির খবর দিন দিনই বাড়তাছে! এদের রাজনীতি অন্যদের মত এখনও টিপিক্যাল পর্যায়ে রয়েগেছে!! আর পুরোপুরি ক্ষমতায় আসলে অনেক নতুন সমস্যায় পড়বে যেটা তারা কাটিয়ে উঠতে পারবে কিনা সন্দেহ আছে!
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৮

লেখক বলেছেন: রাজাকার/যুদ্ধাপরাধী ইস্যুর চাইতে কয়েক লক্ষ গুন বড় হচ্ছে জাশির ধর্ম ভিত্তিক আদর্শ, দলীয় শক্তি, চেইন-অব-কমান্ড আর তুলনামূলক অধিক শিক্ষিত কর্মী বাহিনী! তারা যদি যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাইত তাহলে তারা শুধুমাত্র জাশির দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ না করে প্রকৃত অপরাধীদের বর্তমান অবস্থানের তালিকা অনেক আগেই করত! আর বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ইস্যুতে এই জাশি বিরোধীদের কর্মকান্ডকে অনেকের কাছেই রাজাকার সুলভ আচরন বলে মনে হইছে! আসলে মুক্তিযুদ্ধ কেন্দ্রিক এই ইস্যু গুলা রাষ্ট্রীয় না হয়ে আলীগ-বামের কাছে ১০০% ভাগ রাজনৈতিক হয়ে আছে!!

-আপনার এই পর্যবেক্ষনের সাথে আমার অভিগ্যতাও মিলে যায় :) তাদের এই ভন্ডামী ও শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নির্মূলের সূপ্ত ইচ্ছায় জাশি বিরোধিতা আমাকে পিড়া দেয়।

ব্লগেই একই মানসিকতার অনেক কেই দেখী, আর এর প্রতিবাদ করলেই অবধারিত ভাবে রাজাকার গালি শুনতে হয় :)

-----------
আর পুরোপুরি ক্ষমতায় আসলে অনেক নতুন সমস্যায় পড়বে যেটা তারা কাটিয়ে উঠতে পারবে কিনা সন্দেহ আছে

হুম। তবে তাদের উন্নতির গতি আশোঙ্কাযনক।

২৯. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৪
টেকনলজী বলেছেন: জাতির বিরাট অংশ জামাত কে ঘৃনা করে। এমনটা ভাবার কোনরকম কারনই দেখিনা।

না বুইঝা বলিনা। পুরা পোস্ট সব কমেন্ট পড়সি।

জমাতের বেল নাই।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১৩

লেখক বলেছেন: তাইলে ৩% ভোট পয় কেন জামাত ? না কি আমি অংকের হিসাবও ভূইলা গেছি :(

৩০. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১৯
নস্টালজিক বলেছেন: @টেকনলজী -সহমত।।
জামাত শিবির নিয়ে বিশ্লেষন করনের টাইম নাই।।

পরিস্কার করা দরকার এইসব ময়লা আবর্জনা।।
৩১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৪
টেকনলজী বলেছেন: ৩% কি অনেক বেশী???????????????????

হাসলাম। হার্টটা স্ট্রংগ হইল। ধন্যবাদ।

এইরকম দেশবিরোধী ৩% সব দেশেই কম বেশী থাকে। ১০-২০% ই মাইর খায়া তুলাধুনা হয়া যায় আর ৩%। হেহ।


ভোটাভুটির রাজনীতি পরে। জমাতরে মানুষ এমনিই ঘেন্না করে।
১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: এই ঘেন্নার কারনটা সরে গেলেই ৩% অনেক দ্রুত বাড়তে থাকবে।

৩২. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১০:১৬
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: আপনার বিশ্লেষন প্রায় ঠিক আছে।
তবে সাংঘটনিক অবস্থ্যা বিএনপির সবচেয়ে খারাপ।পুরা শেষ
১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: হুম। দেলোয়ারের মত লোক মহাসচিব হলে ডুবতে আর কি লাগে :(

৩৩. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৫২
ডিডু বলেছেন: যারা এ বিচার আয়োজন করবে তারাই আতংকে আছে-

ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির আহ্বায়ক ডা. এম এ হাসান বলেন, 'সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মাওলানা নুরুল ইসলাম ও মুছা বিন শমসেরের মতো বড় বড় যুদ্ধাপরাধীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতারা আত্তীয়তার সম্পর্ক করেছেন। এ কথা লিখতে গিয়ে একজন সাংবাদিক পা হারিয়েছেন। আমার সন্দেহ প্রকৃত অপরাধীদের বিচার হবে কি না।'

'বার অনুমতি দিলে সে সুযোগ তো থাকবেই' মন্তব্য করে শাহরিয়ার কবির বলেন, 'আমার তো ধারণা ল'ইয়ারের সংখ্যা ওদের তুলনায় আমাদেরই কম হবে। কারণ শিবিরের বহু ছেলেকে ইংল্যান্ডে পাঠিয়ে ব্যারিস্টারি পড়িয়ে ওখানে প্র্যাকটিস করানো হচ্ছে শুধু এজন্যই।'
১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: কঠিন কাজ তবে ছিটে-ফোটা প্রমান যা আছে তা দিয়ে মুজাহিদ, গো-আজমদের মত চিন্হিতদের ২ বার ঝুলান যাবে।

৩৪. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৫৪
ডিডু বলেছেন: ৩% ভোটকিন্তু ৩০০ আসনে নয় মাত্র ৩০ আসনে সো ভোট আরো অনেক যেমন আমাদের চট্টগ্রাম।
১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১১:০৩

লেখক বলেছেন: এই ৩০ টা কিন্তু আাবার আপনাদের স্ট্রংগেস্ট পজিসন। তাইলে সবমিলায়া ৭% এর উপর হবার কথা নয়।

৩৫. ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ১১:৩০
মেমোরি বলেছেন: আমাদের জাতীয় সমস্যার দিকে নজর দেয়া উচিত। জামায়াত-শিবিরের চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করে লাভ কী? এ কথা সত্য যে, জামায়াত-শিবির আদর্শিক দল। এ দলে নেতৃত্বের কোন্দল যেমন নেই, তেমনি নেতারা দুর্নীতিবাজও নন। কাজেই বিদ্যুত, পানি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ঘুষ-দুর্নীতিসহ জাতীয় সমস্যার প্রতি ভ্রক্ষেপ না করে জামায়াত-শিবিরের বিরোধীতা বা স্বাধীনতার এত বছর পর তথাকথিত ুযদ্ধাপরাধিদের িবচার নিয়ে মাতামাতিতে কোনো লাভ হবে না। কারণ জামায়াত-শিবিরের সাথে সম্পৃক্ত দেশের প্রায় ১ কোটি লোক। এত বিপুল সংখ্যক লোক যে দলের সাথে জড়িত তাদের বিচারের নামে নাটক সাজিয়ে শেষ করে দেবেন- তা কী সম্ভব?
০১ লা জুন, ২০১০ রাত ২:৩৯

লেখক বলেছেন: লাভ-লোকশান দেখে ত বিচার হয় না, হত্যা,লুন্ঠন, ধর্ষনের বিচার অবশ্যই হওয়া উচিত। বিচার চাওয়া এবং তা পাওয়া সকল নির্যাচিত মানুষের অধিকার।


হুম জামাতের মত শক্ত ভিতের সাংগঠনিক দলকে নিশচিন্হ করে দেয়ার চেষ্টা নির্বুদ্ধিতার সামিল। গুআজম,মুজাহিদ,নিজামি, কামারুজ্জামানদের বিচার হয়ে গেলে জামাত কিছু সিনিয়র নেতা হারাবে কিন্ত তা সামলে নেয়ার ক্ষমতা তাদের রয়েছে।

৩৬. ০৩ রা জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:৩৪
দাসত্ব বলেছেন: অ্যানালাইসিস ভালো হয়েছে , সময়ই বলে দেবে।
০৩ রা জুলাই, ২০১০ ভোর ৫:১৬

লেখক বলেছেন: আমি চাই আমার আশংকা ভুল প্রমানিত হোক। আর এর জন্য বিএনপি-আওয়ামিলীগকে পারস্পারিক কাদা ছোড়া-ছুরি ছেরে 'মানুষ' হতে হবে। রাজনীতিতে বিরধীতা থাকবেই তাই বলে খালেদা পূর্বে গেলে হাসিনার পশ্চিমে যারার নীতি/গোড়ামি বদলাতে হবে।

৩৭. ২৪ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৩৬
জেনারেশন৭৫ বলেছেন: বাংলাদেশে ভোটের সসাধারন হিসাবে মনে হয় এই রকম -
১। আওয়ামলীগ : ৩৮%
২। বি এন পি: ৩৪%
৩। জামাত ৫%
৪। জাতিয় পার্টী ৭%
৫। ফ্লটিং ভোট ১০%
৬। অন্যান্য ৪%

এখন হিসাব করেন---

নির্বাচন: ১৯৯১

১। বি এন পি ৩৩%
২। জামাত ৭/৮%
৩। আওয়ামলীগ ৩৬%

(বি এন পি ও জামাত কোয়ালিশন সরকার)

নির্বাচন: ১৯৯৬

১। বি এন পি ৩৩% (বি এন পি একা)
২। জামাত ৪-৫% (একক জামাত)
৩। আওয়ামলীগ ৩৮% (আওয়ামলীগ একা)


২০০১ এর ইলেকশন
১। বি এন পি- ৪৩% জামাত ৪.৭৫(এভারেজ) আর অন্যান্য ১%= ৪৮%
২। আওয়ামলীগ ৩৮%

এখানে বি এন পি ৩৪% এর সাথে ৯% ফ্লটিং ভোট যুক্ত হয়েছে।

২০০৯ এর ইলেকশনে

১। বি এন পি- ৩২%
২। আওয়ামলীগ ৪৭%
৩। জামাত ৫.৩৭%

বি এন পির ভোট কিন্তূ খুব বেশি একটা কমেনি

এখানে আওয়ামলীগের ৩৮% এর সাথে ৯% ফ্লটিং ভোট যুক্ত হয়েছে।


এবারের নির্বাচনে একটা বিষয় খেয়াল করেছেন । তারক জিয়া ইস্যুতে বি এন পির মাত্র ১.৫% ভোট কমেছে। অরিজিন্যাল ভোট ব্যাংক কিন্তূ ঠিকই আছে।

এই ফ্লটিং ১০% ভোটই সরকার নির্ধারন করে।

জামাত

এবারকার নির্বাচনে জামাত মোটামুটি ৫.৩৭% ভোট পেয়েছে ৩৮ আসনে যা রেটিওতে গতবারের ভোটের চেয়ে .৩৭% বেশী। যেটা ধারনা করা হয় সারাদেশে জামাতের মোট ভোট হবে ১০% এর মত। আপনারা খেয়াল করেছেন কি না, এবারের উপজেলা ইলেকশনে জামাতের সাফল্য কিন্তূ চোখে লাগার মতন। মোটামুটি ৪০ এর বেশী উপজেলাতে জামাতের প্রার্থী উপজেলা চেয়াম্যান নির্বাচিত হয়েছে এবং অর্ধশত ভাইসচেয়ারম্যান।

২৪ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন: ইন্টারেস্টিং স্টেটিস্টিকস :) । জাপা র ৭% ভোট একটি নির্দিষ্ট রিজিওনে (উত্তর) অপর দিকে জামাতের ৫% ভোট মোটামুটি মধ্য ও দক্ষিন পর্যন্ত প্রায় সমভাবে ছড়ান। সম্ভবত এ কারনেই দল-লীগ উভয়ই জামাতকে নিয়ে টানা-হেচড়া করে।


আর স্থানীয় নির্বাচনে জামাতের অধিক ভোট প্রাপ্তি সম্ভবত 'এন্টি জামাত' প্রচারনার অনুপস্থিতির (প্রায়) কারনে।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৭২০৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
দেশে কম্পিউটার ইন্জিনিয়ারিং -এ স্নাতক ও বিলেতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রীর পাঠ চুকিয়ে বর্তমানে একটি সনামধন্য মাল্টিনেশনাল আইটি ফার্মে কাজ করছি। পাশ্চাত্য...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ