মুসলমানদের ঈমান কি তাসের ঘর যে ফুঁ দিলেই উড়ে যাবে?
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৮
প্রথম অভিযোগ হলো, আহ্মদীরা ইংরেজ শাসকদের চর। তাদের বানানো এজেন্ট। ইংরেজদের সমর্থনে ও ছত্রছায়ায় হযরত মির্যা গোলাম আহ্মদ কাদিয়ানী (আঃ) প্রথমে মাহ্দী পরে মসীহ্ অর্থাৎ ঈসা (আঃ) এবং আরও পরে সর্বশেষ নবী রলে দাবী করেছেন।
এই অভিযোগের সোজা সহজ উত্তর হলো, লানাতুল্লাহে আলাল কাযেবীন-মিথ্যাবাদীদের প্রতি আল্লাহর অভিশাপ। হযরত মির্যা গোলাম আহমদ (আঃ) প্রতিশ্রুত ইমাম মাহ্দী ও মসীহ্ হবার দাবী করেছেন ঠিকই কিন্তু তিনি কখনও নিজেকে সর্বশেষ নবী হিসাবে দাবী করেন নি। বরং তিনি শিক্ষা দিয়ে গেছেন, শরীয়তের দিক থেকে এবং পরম আধ্যাত্নিক উৎকর্ষ লাভের দিক থেকে সর্বশেষ নবী হলেন বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সাঃ)। বৃটিশ রাজ উপমহাদেশ ছাড়াও পৃথিবীর একটি অনেক বড় অংশ প্রায় দুশ বছর ধরে শাসন করেছে। তাদের এই দীর্ঘ শাসন বৃটিশদের অসাধারণ রাজনৈতিক মেধা ও তীক্ষ্ণ প্রজ্ঞার পরিচয় বহন করে। এই বৃটিশদের কি এতটুকু কান্ডজ্ঞান নেই - তারা এমন একজন এজেন্ট বা চর নিয়োগ করলো যার প্রথম দাবীই হলো - খৃষ্টানদের স্বাভবিক-সাধারণ মৃত্যুবরণ করেছেন? তিনি ইশ্বরও ছিলেন না আবার ইশ্বরপুত্রও ছিলেন না! ইংরেজরা কি নিজ ধর্ম ত্রিত্ববাদের গোঁড়া কাটানোর জন্য কাউকে নিজের এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ দিতে পারে? আর যাই হোক বৃটিশদেরকে এত বোকা মনে করার কোন কারণ নেই।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বললেন,
ইসলাম হলো, একথার সাক্ষ্য দেয়াঃ আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই আর হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তাঁর বান্দা এবং রসূল আর নামায প্রতিষ্ঠা করা আর রমজানের রোজা রাখ আর যাকাত প্রদান করা আর সাধ্য ও সামর্থ থাকলে বায়তুল্লাহ শরীফের হজ্জ করা। হযরত জিবরাইল (আঃ) এই উত্তরের সত্যায়ন করে বললেনঃ আপনি সঠিক বলেছেন।
এই হলো স্বয়ং মহানবী (সাঃ) প্রদত্ত এবং ফিরিশতাদের নেতা হযরত জিবরাইল (আঃ) কর্তৃক সত্যায়িত ইসলামের সংজ্ঞা। কলেমা, নামায, রোযা, যাকাত ও হজ্জ হচ্ছে ইসলামের শর্ত। এই ইসলাম যারা পালন করবে তাদেরকে অমুসলিম ঘোষণা করা স্বয়ং মহানবী (সাঃ)-এর বিরুদ্ধাচরণ করার নামান্তর।
বুখারী শরীফের কিতাবুস সালাত-এ মহানবী (সাঃ) মুসলমানেরও সংজ্ঞা বর্ণনা করে বলেছেনঃ
যে ব্যক্তি আমাদের মত নামায পড়ে আর আমাদের ক্বিবলামুখী হয় আর আমাদের জবাই করা মাংস খায় সে মুসলমান। সে এমন মুসলমান যার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাঃ) গ্রহণ করেছেন। অতএব তোমরা আল্লাহর দায়িত্বে হস্তক্ষেপ করো না।
মহানবী (সাঃ) বলে গেছেনঃ
যখন তোমরা ইমাম মাহ্দী (আঃ)-এর সংবাদ পাবে তখন তাঁর কাছে বয়আত করবে, বরফের পাহাড়ের উপর হামাগুড়ি দিয়ে হলেও যাবে কেননা তিনি আল্লাহর খলীফা আল মাহ্দী। (ইবনে মাজাহ শরীফঃ বাব কুরুজুল মাহ্দী)
সুতরাং আহমদী বয়াত গ্রহন করূন।
লেখক বলেছেন: জামাতের কর্মী নাকি ?
একজন ব্লগার বলেছেন:
জনাব গোলাম আহমদ কাদেয়ানি কিভাবে, কখন এবং কোথায় মৃতুবরন করেছেন, দয়াকরে জানতে পারি কি?
লেখক বলেছেন: আমার জানা নেই তবে , স্বাভাবিক মৃত্যু হলেও উনি চিরস্মরনীয় হয়ে আছেন-থাকবেন।
পারভেজ বলেছেন:
ওরে আমার বুকে আয়!! হায় হায় কি শুনালে তুমি!!!আছিলাম নাদান!! হইলাম এলেমদার!!!
খালি কথা ঘুরায়!!
"হযরত মির্যা গোলাম আহমদ (আঃ) প্রতিশ্রুত ইমাম মাহ্দী ও মসীহ্ হবার দাবী করেছেন ঠিকই কিন্তু তিনি কখনও নিজেকে সর্বশেষ নবী হিসাবে দাবী করেন নি"
একই অঙ্গে দুই রূপ?!! মানে এক লোক দুই আত্মা?!!
বুঝলাম না রে ভাই!!
লেখক বলেছেন: সবাই কি সবকিছু বুঝে ? পাপে নিমজ্জিত কাফির সম্প্রদায়ের কাছে উনাকে দুর্বোধ্য মনে হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়
k-79er34b বলেছেন:
এই শালা দেখি মেহরাব রে জামাত কয় ।
লেখক বলেছেন: পুট ি জ্বলে বুঝি ? মালিশ করলে হয়
k-79er34b বলেছেন:
জনাব গোলাম আহমদ কাদেয়ানি কিভাবে, কখন এবং কোথায় মৃতুবরন করেছেন, দয়াকরে জানতে পারি কি?
লেখক বলেছেন: উনি অমর
আবু সালেহ বলেছেন:
মোটেই না...মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বললেন,
ইসলাম হলো, একথার সাক্ষ্য দেয়াঃ আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই আর হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তাঁর বান্দা এবং রসূল আর নামায প্রতিষ্ঠা করা আর রমজানের রোজা রাখ আর যাকাত প্রদান করা আর সাধ্য ও সামর্থ থাকলে বায়তুল্লাহ শরীফের হজ্জ করা।
যে এই উক্তি স্বরন রাখবে তার জন্য তো প্রশ্নেই উঠে না...
হমপগ্র বলেছেন:
আজব! আপনার লজ্জাও নাই!
লেখক বলেছেন: সত্য সবাই মানতে পারেনা। সত্য প্রচারে বিরোধিতাকে সওয়াব মনে করি।
লেখক বলেছেন: এসব ইহুদী খ্রীস্টানদের প্রোপাগান্ডা
k-79er34b বলেছেন:
শুনেছি, গোলাম আহমদ নাকি টয়লেটে হার্ট এটাক করে মারা গিয়েছিলেন? তার... এর মধ্য থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এটা কি ঠিক?
লেখক বলেছেন: আপনি কি সেইখানে উপস্হিত ছিলেন ? উনার নামে অপপ্রচারের পরিনাম জানেন ? তওবা করূন
লেখক বলেছেন: ইমাম মাহ্দী (আঃ) বলেন,
সমস্ত যুক্তি প্রমাণ উপস্থাপন করা সত্ত্বেও যেহেতু তোমরা আমাকে এবং আমার অনুসারী মুসলমানদেরকে কাফের বলে যাচ্ছো, এখন তোমাদের বিষয়ে মহানবী (সাঃ)-এর সিদ্বান্ত প্রযোজ্য। তিনি (সাঃ) সাবধান করে গেছেনঃ “যখন একজন মুসলমান অপর একজন মুসলমান ভাইকে কাফের আখ্যা দেয় তখন এই ‘কুফুরী’ কাফের-আখ্যাদানকারী ব্যক্তির উপরেই বর্তায়।”
এ তো দেখি মোজাদ্দেদ গোলাম কাদয়ানী লেভেলের রামছাগল
লেখক বলেছেন: সত্য শুনতে বড়ই কষ্ট হয়
বিলাস আহমেদ খাঁন বলেছেন:
মির্যা গোলাম সাহেবকে কুত্তা দিয়া লাগানো দরকার ছিল। আফসোস উনি ইন্তেকাল ফরমাইয়াছেন। লেখক সাহেব, আপনি নিতান্ত নাদান। আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত করুন কাদেয়ানি কুফরী থেকে।
লেখক বলেছেন: আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত দিন
শয়তান বলেছেন:
পোস্ট শিরোনাম আর শেষ লাইন ব্যাপক খাপছাড়া ।
লেখক বলেছেন: আহমদীয়ার নাম শুনলেই ঈমান উড়ে যায় কিনা !
লেখক বলেছেন: ঐ বান্দর জ্বালাইসনাতো
k-79er34b বলেছেন:
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: বিশ্বে ১৫০ কোটি মুসলিম এখনও ছাগের খুর স্পর্শ করে বয়াতী হয় নাই , তার মানে ১৫০ কোটি জামায়াত ।এ তো দেখি মোজাদ্দেদ গোলাম কাদয়ানী লেভেলের রামছাগল
১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২০
লেখক বলেছেন: সত্য শুনতে বড়ই কষ্ট হয়
ছাগলটা কষ্ট পাইছে । হায় হায় ! মেহরাব অরে রামছাগল বলায় অয় কষ্ট পাইছে ।
লেখক বলেছেন: ইমাম মাহ্দী (আঃ) বলেন,
সমস্ত যুক্তি প্রমাণ উপস্থাপন করা সত্ত্বেও যেহেতু তোমরা আমাকে এবং আমার অনুসারী মুসলমানদেরকে কাফের বলে যাচ্ছো, এখন তোমাদের বিষয়ে মহানবী (সাঃ)-এর সিদ্বান্ত প্রযোজ্য। তিনি (সাঃ) সাবধান করে গেছেনঃ “যখন একজন মুসলমান অপর একজন মুসলমান ভাইকে কাফের আখ্যা দেয় তখন এই ‘কুফুরী’ কাফের-আখ্যাদানকারী ব্যক্তির উপরেই বর্তায়।”
লালন অনিক বলেছেন:
ইমাম মাহদীর আগমন এত ত্বরা করে হল কেন? তা ছাড়া বেশ কিছু চিহ্নিত করণের মত বৈশিষ্ট্য ও তো বলে দেয়া হয়েছে...ঐশি গ্রন্থের দাবি কী তিনি করতে পারবেন, যদি মোহাম্মদে(সঃ) বিশ্বাস রাখা হয়....? ইসলামে বিশ্বাস রাখা হয়?...**কাদিয়ানী গণ 'কাদিয়ানী' ধর্ম প্রচার করুক ইসলামের বসন ধরে টানাটানি কেন? সমৃদ্ধ ইসলামী ঐতিহ্যকে নিজেদের প্রসারে কাজে লাগানোর জন্যে কী? তা হলে সংঘাত আর রক্ত ক্ষয়ই অনিবার্য নিয়তি...যেটা মোটেও কাম্য নয়...
লেখক বলেছেন: এ প্রসঙ্গে পরিস্কার কথা হলো, যারা আমাদের বিরুদ্ধে ‘সর্বশেষ নবী’ না মানার অভিযোগ তুলেছেন তারাই কিন্তু প্রকৃতপক্ষে মহানবী (সাঃ)-কে সর্বশেষ নবী মানেন না; তারা উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপানোর অপচেষ্টায় রত। তাদেরকই জিজ্ঞেস করুন, ঈসা নবী (আঃ) মহানবী (সাঃ) উম্মতে আবার আসবেন কিনা? উত্তরে তারা বলবেন অবশ্যই আসবেন। তবে তিনি পুরনো নবী, তাঁর আগমনে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর ‘শেষত্ব’ ধবংস হয় না। কী অদ্ভুত যুক্তি। এক মুখে বলছেন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) শেষ নবী তার পরে কোন নবী নেই, আবার, সেই একই মুখে বলছেন তাঁর পর ঈসা নবী (আঃ) আসবেন! তাহলে শেষ নবী কে হলেন? আমাদের নবী (সাঃ) নাকি ঈসা (আঃ)? এখন আহ্মদীদের বক্তব্য শুনুন। আমরা বলি, ইহুদী উম্মতের ঈসা (আঃ) স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেছেন। যে ঈসা (আঃ)-এর আগমনের ভবিষ্যদ্বানী ছিল, তিনি হলেন ঈসা (আঃ)-এর গুনে গুনান্বিত হয়ে, তাঁর মত দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে এই উম্মতে জন্মগ্রহণকারী একজন রূপক ঈসা (আঃ)। তিনি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর অনুসারী হবেনা। তাঁরই আনুগত্য ও প্রেমের কারণে আল্লাহ তা’লা তাঁকে ‘আনুগত্যকারী নবুওত’ বা ‘ছায়া নবুওত’ দান করবেন। ছায়া নবুওত বা আনুগত্যকারী নবুওত বলতে কোন নতুন শরীয়ত বা বিধান বুঝায় না বরং মহানবী (সাঃ)-এর বরকতে এমন আধ্যাত্নিকতা বুঝায় যখন মানুষ তার প্রভূ-প্রতিপালকের সাথে অধিক পরিমানে সংলাপের সৌভাগ্য লাভ করে। এই উম্মতের মাছে মহানবী (সাঃ)-এর আনুগত্যের শর্তসাপেক্ষে এই নিয়ামত লাভ করার কথা কুরআন শরীফে আল্লাহ তা’লা সূরা নিসার ৭০ নম্বর আয়াতে উল্লেখ করেছেন। আমাদের মতে খাতামান নবীঈন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এত বড় নবী যে তাঁর নগণ্য সেবকও আল্লাহর ইচ্ছায় আধ্যত্নিকতার শেখরে পৌছতে পারে তবে সে মহানবী (সাঃ)-এর অনুসারীই থাকবে, খাতামান নবীঈন (সাঃ)-এর আনুগত্যের বিন্দুমাত্র বাইরে যেতে পারবেনা। এ অর্থেই মহানবী (সাঃ) নিজেই তাঁর আগমনকারী মহান পুরুষকে ঈসা ‘নবীউল্লাহ্’ বলে আখ্যা দান করেছেন।
এই ব্যাখ্যা বিশ্লেষনের পর পাঠক মাত্রই বিচার করতে পারবেন কারা মহানবী (সাঃ)-কে সঠিক অর্থে খাতামান নবীঈন মান্য করেন? যারা বাইরের উম্মত থেকে স্বাধীন ইহুদী মতবাদের নবীর আগমনে বিশ্বাসী তারা, নাকি যারা মহানবী (সাঃ)-এর অনুগত্য সাপেক্ষে আল্লাহর নৈকট্য লাভে বিশ্বাসী তারা?
শয়তান বলেছেন:
সবুজ ডিম অভতার নিয়া এটা কে কমেন্ট করতেছে ? ব্লগ লিংক নাই কেন তার ?
হরিসূধন বলেছেন:
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ছাগল মির্জা ছাগ সম্প্রদায়ের প্রথম আর শেষ নবী
১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৪
লেখক বলেছেন: জামাতের কর্মী নাকি ?
> আমি হাসতে হাসতে শেষ
সা.ইনে নিত্য নতুন ছাগলের আগমনে আমি আমোদিত
___________________________________________
লেখক বলেছেন: তাহলে জয়বাংলা বলবো ?
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
হা হা হা ... আপনি তো নিজের কথাই ঠিকমত বলতে পার্তাছেন্না ।
রাঙা মীয়া বলেছেন:
গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর সাথে একবার মাওলানা আতাউল্লাহর বাহাস হয়েছিল। সে বাহাসের শুরুতেই গোলাম আহমদ নিজেকে নবী বলে দাবী করে। মাওলানা আতাউল্লাহ তার বক্তব্যে সপক্ষে যুক্তি দেখাতে বললে গোলাম আহমদঃ আমার নাম আহমদ যা কুরআনে আছে। আমাকে শেষ নবী হিসেবে কুরআনেই স্বীকৃতি দেয়া আছে।
মাওঃ আতাউল্লাহঃ তোমার নামের আগে তো গোলাম আছে অর্থাৎ তুমি তো আহমদের গোলাম।
গোলাম আহমদঃ তাহলে আমি গোলাম শব্দটি বাদ দিয়ে আহমদ হয়ে গেলাম।
মাওঃ আতাউল্লাহঃ যদি তাই হয় আমার নামের প্রথম অংশ আতা বাদ দিয়ে আমি আল্লাহ হয়ে গেলাম। আমি আল্লাহ হয়ে বলছি তোর মত বেকুবকে আমি নবুয়ত দেই নাই।
এ ঘটনার পর গোলাম আহমদ কাদিয়ানি ভক্তদের সমালোচনার মুখে পড়ে। নিজের নবুয়ত (!) বাচাতে সে মাওলানা আতাউল্লাহর সাথে চ্যালেঞ্জ দিয়ে বসে যে, যদি আমি সত্যিকারের নবী না হই তাহলে যেন পেটের অসুখে মারা যাই। আর আমি যদি সত্য নবী হয়ে থাকি তাহলে আপনার যেন একই পরিণতি হয়। এ বাহাসের কয়েক বছর পর একদিন কাদিয়ানি পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হন। এবং একটি কাচা পায়খানায় প্রাকৃতিক কাজ সারতে গিয়ে পায়খানা ভেঙ্গে মল মুত্রের মধ্যে পড়ে যায়। সেখানেই পায়খানা খেতে খেতে তার মৃতূ্য হয়। অপরদিকে মাওলানা আতাউল্লাহ স্বাভাবিক অবস্থায় দুনিয়া ত্যাগ করেন।
লেখক বলেছেন: মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য
k-79er34b বলেছেন:
ওরে রাঙা মীয়া, কি শুনাইলেন রে ।
লেখক বলেছেন: মিথ্যাও বানোয়াট
বিডি আইডল বলেছেন:
ফাও প্রচারনা: নতুন গ্রুপ সফট প্লানেটে সবাইকে স্বাগতমhttp://www.somewhereinblog.net/group/SP
লালন অনিক বলেছেন:
ইসলাম মতে মোহাম্মদই শেষ নবী....ঈসার আগমন হবে,তবে এটাও মাথায় রাখতে হবে ইসলাম ঈসার সমাপ্তি ঘোষণা করে নি...তার নিধান সংক্রান্ত মিথ নিয়ে ইসলাম ব্যাখ্যা দিয়েছে...আল্লার নৈকট্য লাভের সুযোগ সবারই আছে....তবে ঐশি গ্রন্থধারী হতে পারে না...মনসুর হাল্লাজ বা অন্য সুফি গণ যারা আল্লাহতে লীন হয়েছেন তাদের তো নতুন ঐশি গ্রন্থের প্রয়োজন হয়নি...তাদের সিদ্ধি অর্জনের পথ নিয়ে তো বিতর্কের অবকাশও নেই
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
কমেন্ট পইড়া মনে হ্ইতাছে, পাবলিকগুলা এতই ভোদাই যে রাব্বি আর কাদিয়ানিগো গু নিয়া খেলতে তাগো কোন বিকার নাই। লেখক বলেছেন: নিজেকে কি মনে করেন ? পিউর ভুদাই কোনহানকার
আচ্ছা গোলাম সাহেব নিজেকে দুজন বলে দাবি করেছেন, এটা কি সম্ভব? তারমানে সে মিথ্যেবাদী।
ইংরেজরা বোকা সে কথা আপনাকে কে বলেছে (ও আচ্ছা সেকেন্ড প্যারাতো আপনি নিজে লিখেননি, কপি-পেষ্ট করেছেন)। জানেনতো এই উপমহাদেশে মুসলিমরাই ইংরেজদের সবচেয়ে বেশী ভুগিয়েছে (আন্দোলন করে) তাই তারা মুসলমানদের পথভ্রষ্ট করতে এটা করেছে। (মুসলমানরা যে দিনে দিনে এমনিতেই ইসলামের পথ থেকে দূরে সরে যাবে তা জানলে ইংরেজরা মনে হয় এত মাথা খাটিয়ে ইমাম মাহ্দী ও মসীহকে দুনিয়ায় নামিয়ে আনতেন না)
"সুতরাং আহমদী বয়াত গ্রহন করূন"
কেন???????????????????
গোলাম সাহেব কি স্পেশাল কিছু নিয়ে এসেছেন নাকি যে তাতে বিস্বাস করতে হবে। আর এই জগৎ সংসারে কিছু মানুষকে পথভ্রষ্ট করা ছাড়া সে কি এমন কাজ করেছে। গোলামের জীবদ্দশায় ইসলামে এমন কোন কিছু ঘটেনি যেমনটা ঘটে নবী রাসূলগন পৃথিবীতে এলে।
মনে রাখবেন ভাই ইমাম মাহ্দী ও মসীহ্ যখন আসবেন সেদিন ইসলাম তার সত্যিকারের সৌন্দর্য নিয়ে আবির্ভূত হবে। এবং তাঁরা মানুষকে কোরান হাদিস থেকে শিক্ষা দেবেন।
সুতরাং এসব গোলামের প্যাচাল (এক গোলাম আজম বাংলাদেশের বারোটা বাজিয়েছে, আরেক গোলাম বাজাচ্ছে মুসলমানের) বাদ দিয়ে মাথা ঠান্ডা করে ভাবুন। (অবশ্য লোকজন যেভাবে গোলামকে ছাগল বলে গালাগাল দিচ্ছে তাতে আপনার পক্ষে মাথা ঠান্ডা রাখা কঠিন)
বিডি আইডল বলেছেন:
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: আহমদীয়াগো গু নিয়া খেলতে মজা লাগে আমাগো, এতে ঈমান লোহার ডান্ডার মত খাড়া হয়।
লেখক বলেছেন: ছিঃ এই কি মুসলিমের ভাষা ?
লেখক বলেছেন: আপনার সমস্যাটা কি ?মুসলমানদের ঈমান কি তাসের ঘর যে ফুঁ দিলেই উড়ে যাবে?
লেখক বলেছেন: তুই কলা খা
চিকনমিয়া বলেছেন:
১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৯লেখক বলেছেন: উনি অমর
...
মাথা নষ্টে কয় কিরে
ওরেররেরে!!! হুজুরেরে ভাঙ্গা চেয়ারডা আইনা দেরে
ওরেরেরের!!!!!
লেখক বলেছেন: তোর পেটে তো কিছু নাই, খালি গালিগালাজ করিস, নিজের ঐ জায়গা পরিস্কার কর
পন্ডিত বলেছেন:
মন্তব্যে নোংড়ামীর ছড়াছড়ি ।
লেখক বলেছেন: সুশীল ব্লগারদের নোংরামীর ছোট্ট নমুনা মাত্র
র্যাভেন বলেছেন:
চালাইয়া যান
কামড়াকামড়ি করার যে দুরভিসন্ধী নিয়া এই নিকে ব্লগ লিখতেছেন তা পুরাপুরি সফল হইসে
লেখক বলেছেন: ছিঃ এই ধরনের মিথ্যা অপবাদ দিতে পারলেন ? সকল জায়গার মতো শান্তিপ্রিয় আহমদীয়ারা এই ব্লগেও ব্লগীয় সন্ত্রাসী দ্বারা অত্যাচারীত। আল্লাহ, তুমি এদের হেদায়েত দাও।
লেখক বলেছেন: তুই দৌড়ের ওপরে থাক
k-79er34b বলেছেন:
আপনার গুরুর ল্যাট্রিনে শাহাদাৎ হইছেন । এইটা কি সত্য কথা জনাব ? আপনাকে বন্যবাদ ।যা ভাগ
লেখক বলেছেন: সব বালতো আপনারাই জেনে বসে আছেন !
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
সাধ্য ও সামর্থ থাকলে বায়তুল্লাহ শরীফের হজ্জ করা।................সৌদী সরকার কাদিয়ানীদের কাফের ঘোষনা করে বায়তুল্লাহ শরীফের ত্রি সীমানায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। এখন সাধ্য সামর্থ থাকলে কাদিয়ানীরা কি মহা পাপিষ্ঠ মির্জা গোলামের ঘর তাওয়াফ করে হজ্জ্বের বিকল্প সওয়াব পায়?
লেখক বলেছেন: ইমাম মাহাদীর নামে মুখ সামলে কথা বলো বাছা
একজন ব্লগার বলেছেন:
আমার প্রশ্নের উত্তর কই?


















