somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ নির্বাচনে কেন একজনও বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধা পাওয়া গেল না ?

২৮ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৩:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর বীরশ্রেষ্ঠ নির্ধারনের ইনটেনশন নিয়ে একটি প্রশ্ন। আসলে আমি সমস্ত সাধারন মুক্তিযোদ্ধা, খেতাব প্রাপ্ত সকল মুক্তিযোদ্ধা, এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে সামান্যতম অবদান রাখা প্রতিটি যোদ্ধার উপর অসীম শ্রদ্ধা রেখে একটি তথ্য জানতে চাই।

অনুরোধটি বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর আর্কাইভ, জেনারেল শফিউল্লাহ ও মরহুম জেনারেল ওসমানীর সহ সকল জেনারেল মেজর সকলের কাছে। আরও স্পেসেফিকেললী সামরিক বাহিনী প্রতিষ্ঠানের কাছে।

কি কি যোগ্যতা/ক্রাইটেরিয়ার উপর ভিত্তি কর করে মুক্তিযুদ্ধের সাত বীরশ্রেষ্ঠের নির্বাচন করা হয়েছিল ? সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের মধ্যে কেন একজনও পাওয়া গেলনা সেনা বাহিনীর বাইরে (দুইজন যদিও তৎকালীন ইপিআর থেকে বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ, ১৯৫৯-এর ১৪ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস-এ যোগদান করেন, বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ, ১৯৬৩-র ৮ মে ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস-এ ভর্তি হন )?

কৃষক, শ্রমিক, ছাত্রজনতা, পুলিশ, সিভিল সার্ভেন্ট, রাজনীতিবিদ, সহ সাধারন মুক্তিযোদ্ধার মাঝে কি ভাবে একজনও এই যোগ্যতা পূরন করতে পারেনি ?

সেনা বাহিনী স্বাধীনতার পরবর্তী, ৭৫, ৭৮, ৮০, ৮১, ২০০৭ সহ সম্প্রতী ও অতীতের কর্মকান্ডে যেভাবে বারবার দেশটাকে গনিমতের মালের মত দখল ও ভাগাভাগি করার চেষ্টা করেছে ও করেছে তার শুরু কি হয়েছিল এরই মধ্যে দিয়ে ? প্রশ্নটি যদিও খুব সাদামাটা মনে হলেও এর গভীরতা এদেশে গত ৪০ বছরের ১৭ বছর সেনা শাসনের মতই গভীর/ব্যপক ও তাৎপর্যপূন।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:১৬
৮৪টি মন্তব্য ২০টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সব হারিয়েও বেঁচে থাকা: একজন রোকসানা রুমার নিঃসঙ্গ গল্প

লিখেছেন ওয়াদুদ সোহেল মোল্লা, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬


জীবন আসলে বড় অদ্ভুত এক গোলকধাঁধা। আমরা ভাবি মেধা, ডিগ্রি আর সাফল্য দিয়ে পুরো জীবনটা সাজিয়ে ফেলা যাবে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস মানুষকে কোথায় এনে দাঁড় করায়, তা কেউ জানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মিটারে টাকা ভরতে গিয়ে এ কি হলো আমার সাথে। না পড়লে চরম মিস।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১২

বিদুৎ মিটার, দুই প্রকার। এক হচ্ছে প্রিপেইড আরেকটি পোস্ট পেইড। আমার কাছে পোস্ট পেইড ভালো লাগে। কারন এখানে বিলের কপি দিয়ে যায়। ও বিলের কপি নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে জমা দিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=নীলাম্বরী সেজে আছি=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৩৮



এই এসো না কাছে এসো,
নীল শাড়ীতে নীলাম্বরী
ঠায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষাতে
এসে ভাসাও প্রেমের তরী।

নীল সমুদ্দুর ডেকেছে আজ
তাই দাঁড়িয়ে আছি একা
এসো তুমি হাওয়ায় উড়ে
এসে করো একটু দেখা।

হাঁটতে ইচ্ছে বালিচরে,
তুমি আমার - পাশে হাঁটবে?
মনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মূল্যস্ফীতি বাড়লে বা কমলে আমরা টের পাই না কেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১


গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে বাংলাদেশে এখন কয়টা ঋতু আছে তা কেউ বলতে পারে না। আমার মনে হয় গ্রীষ্ম আর বর্ষার একটা মিশ্র ঋতু আছে, আর আছে শীত। এই গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুহাম্মদ আলি জিন্না

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×