কি ভাবে বলছি ? এখানে আপনি বা ইউনূছ সাহেব স্বংও যদি উত্তর দেয় তাহলে সে সর্বচ্চ বলতে পারবেঃ ১. আর কে কে চোর না ? (যেমন ব্রাক, আশা, প্রশিকা সহ যে কেউ (প্রায়) ২. তুলনা মূলক তিনি কত বড় চোর বা তাঁর চেয়ে বড় চোর কেউ কেউ আছে কি না ? এর বাইরে তার সোজ/বাস্তব/সত্য আর কোন উত্তর নেই।
অথচ এদিকে গ্রামীনের বক্তব্য শোনার পর কিছু ব্লগার কিছু না বুঝেই সমাজে দৃশ্যমান এই সত্যকেও কেন জানি অস্বীকার করতে চাচ্ছে। এরকম একজন তার এক পোষ্টে বলছেঃ বেকুব বাঙালী দলের সদস্যদের নামগুলো দেখে নিন (ব্লগারদের সহায়তায় আপডেট হবে )
কয়েকদিন আগে সাক্ষ্যপ্রমাণ ছাড়াই ড. ইউনুসের বিরোধীতা করেছিলো অনেকেই। বাঙালী পরিশ্রমী জাতি এবং বাঙালী যে অলস নয় তাই বারবার প্রমান করে তারা। বাঙালীকে ব্যাস্ত থাকতে হয়। বাঙালী নিজেদের অর্জনকে নিয়েই সন্দেহ করে। তবে সব বাঙালী না। কতিপয় বেকুব বাঙালীর কাজ এগুলো। এই বেকুব বাঙালীদের হাত থেকে মুসা ইব্রাহীম অথবা ড. ইউনুসের মতো মানুষেরাও রেহাই পায় না।
সংক্ষেপে বেকুব বাঙালী দলের বৈশিষ্টঃ কোনোপ্রকার সাক্ষ্যপ্রমান ছাড়াই এরা মানুষের কথা শুনে বিশ্বাস করে তালগোল পাকানো শুরু করে দেয়। বেকুব বাঙালীদের চেনার ক্ষেত্রে আশাকরি এই তালিকটি ব্লগারদের সহায়তা করবে। বেকুব বাঙালী দলের সম্মানিতো সদস্যগনঃ ১. ঘুনেপোকা ২. শরীফ উদ্দিন সবুজ ৩. কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) ৪. আকাশের তারাগুলি
৫. একা পথচারী ৬. পূজারোজ ৭. চোথাবাবা ৮. আবু শরীফ মাহমুদ খান
৯. পথিক১৩ ১০. হেমায়াত উল্লাহ ১১. কুঁড়ের বাদশা ১২. ৃৃৃশান্ত
১৩. যে শহর চোরাবালি ১৪. এক্স ১৫. সহজ পৃথিবী ১৬. নাম তার সজীব
১৭. আ শী ষ ১৮. শৈলজ ১৯. সিকদার ২০. গানচিল ২১. এ কে এম য়াছিয়ুন হালিম ২২. কাকপাখি ২ ২৩. কাগজ ২৪. বাঘ মামা এবং এই তালিকার বাইরে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আপাতত তিনিই বেকুব বাঙালী দলের অস্থায়ী ভারপ্রাপ্ত নেত্রী।
এই পোষ্টের মন্তব্যে অনেকে অনেক কথা বলেছে এবং লেখকও তার মুখস্ত অনেক উত্তর দিয়েছে। তবে আমার একটা খুব সোজা সাপটা প্রশ্ন ছিল এরকমঃ ইউনূসের এযাবৎ প্রাপ্ত সকল দেশি বিদেশী অনুদানের টাকার খরচের হিসাব চাই (ব্রেক ডাউন সহ) তাহলেই দুধআর পানি আলাদা হয়ে যাবে।
লেখক উত্তরে বলেছেন: আপনি হিসেব চাওয়ার কে?
আমার উত্তরঃ আমি আম জনতা। এবং তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ অনুসারে সরকারী, বেসরকারী, বিদেশী সাহায্যপুষ্ঠ যেকোন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সহ সকল কর্মকান্ডের সম্পর্কে যেকোন তথ্য যেকোন জনগণকে চাহিবা মাত্র দিতে বাধ্য।
সুতরাং ড. ইউনূসের এযাবৎ প্রাপ্ত সকল অনুদানের খরচের হিসাব যেমন কোথায় কি খরচ করেছে, কত কি ট্যাক্স দিয়েছে, কতজন কত বেতন ভাতা নিয়েছে, অনুদানের টাকায় বিদেশে গিয়ে কোন হোটেলে থেকে কত খরচ করেছে, কি কাজে কার জন্য কয়টা পাজেরো জীপ কিনেছে তার ব্রেক ডাউন সহ হিসাব চাই। এই তথ্য ইউনূছ সাহেবকে তার প্রতিষ্ঠানের ওয়েব সাইটে সহজে দৃশ্যমান লোকেশন ডাইনলোড লিংক সহ দিতে হবে যেন আমার মত আম জনতাও চাহিবা মাত্রই তা পেতে পারে।
এই আইন সবার জন্যই আর এটি প্রতিষ্ঠিত হলেই দুধ কা "দুধ আর পানি কা পানি" সব আলাদা হয়ে যাবে। তখন ইউনূছ সাহেব অন্তত বলতে পারবেন দেখেছেন আমি একা চোর না, দেখেন চোরে গিজগিজ করছে দেশ, দেখেন আমার চেয়েও কত বড় বড় চোর আছে ! আসলে এ সমস্ত এনজিও গুলি বিদেশী অনুদান দরিদ্র মানুষের কাছে পৌছে দেয়ার নামে এনে মাঝখানে দালাল হিসাবে ৯৫% চুরি করে খেয়ে ফেলছে ৫% দরিদ্র মানুষের কাজে লাগাচ্ছে। এটা এদের হিসাব দেখলেই যেকোন মূর্খের কাছেও পানির মত পরিষ্কার হয়ে যাবে।
অতএব সিদ্ধান্তঃ ড. ইউনূছ ১০০% চোর।
উল্লেখ্য ড. ইউনূছের সম্প্রতী উদ্ভাবীত সামাজিক ব্যবসা আইডিয়াটি ক্ষুদ্র ঋনের মাধ্যমে বিদেশী অনুদান চুরি করার ঝামেলাগুলি এরিয়ে আর সহজে ও সফল ভাবে চুরির একটি নতুন আইডিয়া।
ফেইস বুক গ্রুপ রিলেটেড লিংক শেয়ার করবেন !

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

