somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

২০১৫ আগে পেপল না -অবশেষে বাংলাদেশ ব্যাংক ইন্টারনেট ব্যাংকিং বিষয়ে মুখ খুললো।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের ব্যাংকিং সব সময় প্রাণের ভূমিকা পালন করে আসছে।অর্থ ছাড়া যেমন কোন উদ্দোগ্য আপাত অসম্ভব তেমনি অর্থের ব্যবহার, বিনিময় ও ব্যাংকি ব্যবস্থা ছাড়া অর্থ অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে অচল।তাই দেখা গেছে বিশ্বে ব্যবস্থায় আধুনিকায়নে জনগণকে ট্রান্জেকশনের স্বাধীনতার অংশ হিসাবে লন্ডনে স্থাপিত এটিম মেশিন ৭০ এর দশকে ইউরোপ আমারিকা ছাড়িয়ে চলে আসে এশিয়া আফ্রিকার দেশগুলোতেও। ৮০'র দশকে জনপ্রীয় পায় অনলাইন ব্যাংকিং আর ১৯৯৪ সালে শুরু হয় সম্পূর্ন ইন্টারনেট ব্যাংকিং যা গত দেড় দশকে সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে নিরব বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলে।ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে ব্যক্তি আর একটি দেশের নাগরিক থাকে না।হয়ে যায় বিশ্ব নাগরিক তার জীবিকা ও টিকে থাকার জন্য শুধু নিজের দেশের উপর নির্ভর করে না।দেশে বসেইভিসা ছাড়া ৭০০ কোটির বিশ্বে অর্থনৈতিক ভাবে বসবাসের সুযোগ পায়। আমাদের সিভিল সোসাইটিসে বিষয়টি আজও সামান্য সচেতনতাই আসেনি।অথচ এই কাজটা সর্বশেষ ২০০৬ জুনের ভেতর বাংলাদেশে হয়ে যাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু খুবই দূঃখের বিষয় ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানের বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর আতিউর রহমান তিন বছর পর এতদিনে প্রথমবারের মত সেই ইন্টারনেট ব্যাংকিং বিষয়ে মুখ খুললেন। তিনি জানালেন, আগামী বছরের শেষে দেশে প্রথম ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার গেটওয়ে স্থাপন করা হবে। এর মানে তখন থেকেই মূলত বাংলাদেশ ইন্টারনেট ব্যাংকিং বা ইকমার্সের যুগে প্রবেশ করবে। তার মানে নিউজ হবে ২০১৩ সালে বিশ্বের সর্বশেষ দেশ বাংলাদেশ ইকমার্স শুরু করলো। কিন্তু তার পরেও কথা আছে, এই ইন্টারনেট ব্যাংকিং হতে হবে শুধুমাত্র দেশের ভেতর। যার মানে পেপল মেলা দূর। আর পেপল মানেই ট্রু-ইন্টারনেট ব্যাংকিং বাকি সব বাইপাস, ম্যনুয়াল ইকমার্স।পেপলই ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে আসল ডেফিনেশন।পেপল ছাড়া ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের সত্যিকার স্বাধীনতা ভোগ করে ঘরে বসে দেশের বাইরে ইন্টারনেটে ডলার খরচ/বিনিয়োগ করা যাবে না। ভিসা ছাড়া দেশে বসেই ৭০০ কোটির বিশ্বে অর্থনৈতিক এ্যাকটিভিটির এই ক্ষমতা/যোগ্যতা/স্বাধীনতা ভুটান নেপাল সুদান সোমালিয়ার একজন নাগরীকেরও আছে। এই যে পেপল এর লিংক, কান্ট্রি লিস্ট চেক করে দেখতে পারেন বিশ্বের কোন দেশ নাই ? যতদূর জানা যায় কম্বোডিয়া অথবা সুদান সেন্ট্রালব্যাংক ছিল বিশ্বের সর্বশেষ দেশ -বাংলাদেশ ছাড়া - যে ২০০৬ সালে তার দেশে ইন্টারনেট ব্যাংকিং অথারাইজ করে ছিল, নাগরীকদের জন্য পেপল ভেরিফাই করেছিল। অথচ বাংলাদেশ তার জনগণকে সেই গণতন্ত্র/অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিচ্ছে ২০১৩ সালে তাও আবার ডমেস্টিক ইন্টারনেট ব্যাংকিং মাত্র।যার অর্থ দেশের বাইরে থেকে কেউ ভিক্ষা দিতে চাইলেত হাত পেতে সরাসরি নেওয়ার ক্ষমতা বাংলাদেশের নেই যা ভুটান, মিয়ানমারের নাগরীকেরও আছে।

এতো দেখি আমাদের জাতীয় চেতনারও পরিপহ্নী। বোকা ভিক্ষুক সর্দার বুঝলো না ঢাকা শহরে ভিক্ষা করানোর জন্য হাত কাটলেও নেটে ভিক্ষা করাতে চাইলে হাত কাটতে হয় না।

উল্লেখ্যঃ সেদিন দক্ষিন কোরিয়া ইন্টারনেট হয়াইট পেপারে ওদের ইপেমেন্ট গেটওয়ের তথ্য দেখলাম। ওখানে সপ্তাহে যে পরিমান অর্থ ইলেট্রনিক ট্রান্সাফার হয় তা আমাদের জিডিপির চেয়ে বেশি মনে হলো। একবার ভেবে দেখুনতো আমাদের জিডিপির সমান অর্থ ট্রানজেক্সশন করতে কি পরিমান মবিলাইজেশন লাগবে ? ঈদের সময় কয়েক হাজার কোটি টাকা ট্রান্সফারেই কি পরিমান মবিলাইজেশন হয়, খেয়াল করুন। অনলাইনে টাকা দিতে পারলে অনেক কিছুই জায়গায় বসেই পাওয়া যাবে। দক্ষিন কোরিয়ার এক তথ্যে দেখা যায় সে দেশে এক সপ্তাহে যে পরিমান অর্থ ইলেক্ট্রনিক ট্রান্সফার হয় তার পরিমান বাংলাদেশের জিডিপির চেয়েও বেশি। তাছাড়া যে বিদেশে কাজ করে টাকা কামাতে আমাদের ভিসা, দালাল, দেশের পরিচয় সহ অসংখ্য অসাধ্য অতিক্রম করতে হয় সেখানে ইন্টারনেট ব্যাংকিং আমাদের দেয় ভিসা ফ্রি ওয়ার্ল্ড রোমি এ্যান্ড ওয়ার্কিং পাওয়ার দেই ঘর বসেই।অন্তত দশ বছর আগের এ বিষয়ে আমাদের আজও চেতনাই নেই।

তাহলে কি বাংলাদেশ বিশ্বের একমাত্র বুদ্ধিমান দেশে যে মানি লন্ড্রিং এর অজুহাতে আজও ইন্টারনেট ব্যাংকিং অনুমতি দিচ্ছে না ? অথচ গত তিন বছরে শুধু বিদ্যুৎ প্লান্টের যন্ত্রপাতি ইমপোর্ট করতে ওভার ইস্টিমেট দেখিয়ে কয় হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে সে খবর কেউ নেয় না, আর জনগণকে পেপল দিতে হাইকোর্ট দেখায় বিশ্বের একমাত্র বুদ্ধিমান জাতির নিতিনির্ধরকরা। আতিউর রহমানেরা।

নেটে প্রাপ্ত আতিউর রহমানের নেটে পাওয়া বায়োডাটাটি দেখুন কত সুন্দর !



আর নিরপেক্ষ এই পোষ্টের পরেও তাকে দেয়া পাবলিকের টেস্টিমুনিয়াল নিম্নরুপ।

পাকা খোকা বলেছেন: পরের টাকায় পড়া লেখা করছেতো-সেই জন্যই শেয়ার বাজারের টাকা লুটপাট করতে সমস্যা হয়না।
বন পলাশের পদাবলী বলেছেন: ওনার রাখাল হয়েই থাকা উচিতছিল-তাহলে এভাবে শেয়ার বাজার ধংশ হতোনা, বাংলাদেশ ব্যাংকের ট্রেড ইউনিয়নের মাস্তান নেতাদের শাস্তি মওকুফ করে পূণর্বাসিত করা হতোনা। একটা মেরুদন্ডহীন লোক আতিউর। প্রভাত ফেরী বলেছেন: আপনারা খালি শেয়ার বাজারের অবস্থাটাই দেখলেন, কারণ এটা দৃশ্যমান। কিন্তু ব্যাংক ব্যবস্থার যে নিয়মিত ১২ টা বাজায়া যাচ্ছেন এ ব্যাপারে খুব কম লোকই অবগত। এর পরে এখন নতুন টাকা যা ছাপাইছে সেটাতো যাচ্ছে তাই। এই নতুন টাকা নিয়া বাংলাদেশ ব্যাংকে চলতাছে নিত্য নতুন তেলেসমতি কান্ড। ব্যাংকগুলোয় সার্কুলার দিছে টাকা ফুটা করা যাবেনা। কারণ তাতে নাকি বঙ্গবন্ধুর কপাল ফুটা হয়ে যায়। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের তুগলকি কান্ড যা এর সাথে সংশ্লিষ্টরাই বুঝতে পারেন।

এখানেই শেষ না,এই গভর্নর ২০০৯ সালে অক্টবরে মোবাইল ব্যাংকিং অনুমোদনও দিয়েছিল কেমন অগনতান্ত্রিক ভাবে যার ফলাফল হিসেবে ৩ বছরেও দেশে আজও মোবাইল ব্যাংকিং আজও উঠে বসতেই পারেনি, দাড়ানো দৌড়ানো অনেক দূর।

প্রথমআলোঃ তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক মোবাইল ফোনে ব্যাংকিংয়ের অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে দুটি ব্যাংক কেবল বিদেশ থেকে প্রবাসী-আয় (রেমিট্যান্স) গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিতে মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (অপারেটর সার্ভিস) বাংলালিংকের বিক্রয়কেন্দ্রগুলো (আউটলেট) ব্যবহার করবে। এ দুটি ব্যাংক হলো ইস্টার্ন ব্যাংক ও ঢাকা ব্যাংক। অন্যদিকে প্রতিরক্ষা বাহিনীর দি ট্রাস্ট ব্যাংক দেশের মধ্যে স্থানীয়ভাবে ও প্রবাসী-আয় স্থানান্তরসহ সব ধরনের লেনদেনে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবে। ব্যাংকটি সব কটি মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সেবা ব্যবহারের সুযোগ পাবে।যার মানে ফুল মোবাইল ব্যাংকিং। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া অনুমোদন অনুসারে ঢাকা ব্যাংক বিদেশ থেকে প্রবাসী-আয় গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিতে বাংলালিংকের বিক্রয়কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে সরাসরি নগদ অর্থ পরিশোধ করতে পারবে। ইস্টার্ন ব্যাংক প্রবাসী-আয় বাংলালিংকের বিক্রয়কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে গ্রাহককে নগদে পরিশোধ এবং একই সঙ্গে ইলেকট্রনিক প্রি-পেইড কার্ডে অর্থ স্থানান্তর করতে পারবে। অন্যদিকে ট্রাস্ট ব্যাংককে কার্যত অধিক পরিমাণ মোবাইল ফোনে ব্যাংকিংয়ের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই ব্যাংকটি এক হিসাব থেকে অন্য হিসাবে অর্থ স্থানান্তর, এ ক্ষেত্রে একই ব্যাংকের আওতাভুক্ত বা এক ব্যাংকের হিসাব থেকে অন্য ব্যাংকের হিসাবে স্থানান্তর করতে পারবে।

মোবাইল ফোনে ব্যাংকিংয়ের সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে অধিকসংখ্যক মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়াই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বড় বিবেচনা বলে মত দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী। দেশের মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক দিন ধরে মোবাইল ফোনে ব্যাংকিংয়ের অনুমোদন চেয়ে আসছিল, কিন্তু এতে বাদ সাধে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি) ও ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) বলেছিল, মোবাইল ফোনে ব্যাংকিংয়ের অনুমোদন হলে ব্যাংকগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তিনটি ব্যাংককে ছয় মাসের মধ্যে তাদের কার্যক্রম উদ্বোধন করতে বলা হয়েছে। মোবাইল ফোনে ব্যাংকিংয়ে ঋণঝুঁকিসহ সব ঝুঁকি, বিভিন্ন আউটলেটে নগদ অর্থের ঝুঁকি ও জালিয়াতি এবং পরিচালনার ক্ষেত্রে যেকোনো ঝুঁকির দায়িত্ব ব্যাংকের। ব্যাংকিং ও মানি লন্ডারিংয়ে বিধিবিধান মেনে চলতেও নির্দেশ রয়েছে অনুমোদনপত্রে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্রগুলো বলছে, তারা অধিকসংখ্যক মানুষের দৈনন্দিন লেনদেন সহজতর করতে মোবাইল ফোনে ব্যাংকিংয়ের অনুমোদন দিয়েছে। অনুমোদনপত্রে মোবাইল ফোনে ব্যাংকিংয়ে সব ধরনের দায়দায়িত্ব ব্যাংকগুলোর ওপর বর্তাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তথ্যমতে, আফ্রিকার কেনিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় মোবাইল ফোনে ব্যাংকিংয়ের সুবিধা রয়েছে। এ পর্যায়ে বিবেচনায় নেওয়া হয়, কোনোভাবেই লাইসেন্সধারী ব্যাংক ছাড়া কেবল মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানকে অর্থ স্থানান্তর বা লেনদেনের সুযোগ দেওয়া হবে না। ব্যাংক ছাড়া মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর ও লেনদেন হলে মানি লন্ডারিং হওয়ার সুযোগ থাকে। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে মোবাইল ফোনসেবা ব্যবহার করে অর্থ স্থানান্তর ও গ্রাহকসেবার পথ তৈরি করেছে।

কি করতে ইচ্ছে করে এদের ?!?

Demand Paypal in Bangladesh
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৫
১৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×