আমার ব্যাখ্যাটা দেখুন - আবার দেশে আসা রেমিটেন্সের সিংহ ভাগই আসে হুন্ডির মাধ্যমে।বর্তমানে প্রায় ১ কোটি প্রবাসী মিডিলইস্ট থেকে শুরু করে ইউরোপ আমেরিকায় বসবাস করে।ধরে নিলাম এর অর্ধেক অন্তত গ্রামের সাধারন মূর্খ ছেলেমেয়ে।ধরুন এদের একজন দুবাইয়ে, কনস্ট্রাকশন ফার্মে কাজ করে। ব্যাংকে গেল বেতনের টাকা তুলতে ও বাড়িতে পাঠাতে।টাকা উঠানোর পর একজন পরিচিত হুন্ডি এজেন্ট বললো, ভাই বাড়িতে টাকা পাঠাবেন ? কোথায়, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর দেন।বাড়িতে টাকা হাতে পাইয়া মোবাইলে কথা কইয়া তার পর দিরহাম দিবেন।কোন ফিস বা কমিশনও লাগবে না, ফ্রি, দেশসেবা বলতে পারেন! এতে ওর লাভ ? লাভ ওর পুরাটাই।এখানে যখন লোকাল হুন্ডি এজেন্ট বাংলা টাকায় যে টাকা দিলেন ঐটা ছিল অবৈধ্য টাকা।আর ওখানে দুবাইয়ে যে দিরহাম নিলেন সেটা সাদা টাকা সেই সাথে টাকাটা পাচারও হয়ে গেল -কি পরিমান টাকা পাচার হচ্ছে! এটা রোধ করার একটা উপায় এই মুহুর্তে বিশ্বর সবদেশ ব্যবহার করলেও বাংলাদেশ করে না।কারন এতে অল্প যেই রাজস্ব আয় হতো তা হবে না, অর্থমন্ত্রনালয় এটা কখনও অনুমোদন দিবে না।
ধরেন আপনি ইংল্যান্ড থেকে আমেরিকা গেলেন, অথবা দুবাই থেকে সৌদী আরব অথবা দক্ষিন আফ্রীকা থেকে সোমালিয়া। আপনার সাথে আছে একটা ইন্টার্নেশনাল মাস্টারকার্ড/ক্রেডিটকার্ড/ভিসা আছে। আপনার কি হবে ? এক দেশ থেকে আর এক দেশে গিয়ে সেখানকার এটিএম মেশিনে কার্ডটি পাঞ্চ করে ঐ দেশি টাকা বের করতে পারবে ? যদি ইন্টারনেটে বসে ওয়েব সাইটে কোন সার্ভিস বা সফ্ট কন্টেন্ট কিনতে চায়, তাহলে কি তার কার্ডটি দিয়ে সেই পেমেন্ট করতে পারবে ?
চলবে।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


