প্রথমআলোর খবরে একটা মাত্র মন্তব্য।বড্ড হতাশ হইলাম।এদের একটু জ্ঞান দাও প্রভূ, এদের একটু বুদ্ধি দাও, বাতাসে যে রাস্তা আছে এইটা বুঝার মিনিমাম নলেজ এদের ডক্টরেটগুলারে অন্তত দাও - এই সংখ্যাটাও অনেক বড়, তবে ব ক ল ম।নাগরীকের কথা বাদ দিলাম, যে জাতির অধিকাংশ মন্ত্রী মোবাইলের নাম্বারটা পর্যন্ত সেইভ করতে পারে না, তারা চিন্তা করবে পাবলিক ডোমেইন, আইপি ইন্ডিপেন্ডেন্স, ইউনিভারসাল কানেক্টিভিটির কথা, মানে ডিজিটাল বাংলাদেশ ???
খবরঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে আত্মপ্রকাশ করছেন। এর মাধ্যমে তিনি তাঁর কার্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করবেন বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা বিবিসিকে জানান।
মনমোহন সিংয়ের টুইটার অ্যাকাউন্ট হচ্ছে অ্যাট পিএমওইন্ডিয়া(@PMOIndia)। মনমোহনের যোগাযোগ কর্মকর্তাদের একটি দল এটি পরিচালনা করবে। এর ফলে টুইটারের মাধ্যমে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম জানতে পারবে জনগণ।
গত সোমবার টুইটারে যোগদানের পর মোট চারবার টুইট করেন মনমোহন সিং। এবং তারই মধ্যে টুইটারের ১২ হাজারেরও বেশি সদস্য তাঁকে অনুসরণ করেন।
ভারতের গণমাধ্যমগুলোর সঙ্গে দূরত্বের কারণে অনেক দিন ধরেই সমালোচিত হয়ে আসছেন মনমোহন সিং। ভারতের গণমাধ্যমগুলোতে খুব কম সময়ই সাক্ষাত্কার দিতে দেখা যায় মনমোহনকে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন কাজে বছরে ৩০ থেকে ৪৫ বার বিদেশ ভ্রমণ করছেন মনমোহন। কিন্তু এসব কার্যক্রমের কোনোটিই খুব ভালোভাবে জনসমক্ষে প্রচারিত হচ্ছে না। মানুষকে এসব তথ্য জানাতে সহায়তা করবে টুইটার। বিশেষ করে তরুণ-তরণীদের খুব কাছে পৌঁছতে পারবেন মনমোহন।
এর মধ্যেই দেশটির জনগণ টুইটারেই তাদের প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে শুরু করেছে মনমোহনের কাছ থেকে। একজন টুইটার ব্যবহারকারী মনমোহনের কাছে জানতে চেয়েছেন, তিনি (মনমোহন) নির্বাচনী সংস্কার-সংক্রান্ত কার্যক্রম কবে থেকে শুরু করবেন।
আলোচনা আমাদের ডিজিঠাল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেক হাসিনা কবে করবেন টুইটার।যত দূর যানা যায় গণতান্ত্রীক দেশগুলোর মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রীই সর্বশেষ টুইটার এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে জনগণের সামনে আত্মপ্রকাশের সাহস দেখালেন।ইউরোপ আমেরিকা কবে করেছে তার সঠিক ইতিহাস জানা যায়নি।
এবার বলবেন, জন্মের পর থেকেতো দেখতেছেন দুনিয়ার যত আইডিয়া সারা দুনিয়া ঘুরে ভারতে এসে একটা যাত্রা বিরতি নেয়।তারপর বাংলাদেশে আইয়া পচে।তা টুইটারের পঁচার কিছু নাই।নকলের সুজুগ নাই।টুইটার ডট কম দুনিয়ায় একটাই। তা এবারতো আপনার সুনার ডিজিঠাল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর টুইটার এ্যাকাউন্ট করা উচিত !!! কি বলেন ? যদিও আমি বলি যে ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষনা দিয়ে এই ভদ্র মহিলা ভোট পেয়েছিল তার সম্পর্কে এদেশের ডক্টরেটগুলোও যদি সামান্য জ্ঞান রাখতো তাহলে শেখ হাসিনাকে টুইটার খুলে ভোট চাইতে হইতো।
অবশ্য আমাদের পিএমের একটা এ্যাকাউন্ট পাওয়া যায়।অফিসিয়াল ঘোষনা ছারা
তাহলে চেহারা দেখে দেখে মন্ত্রী নিয়োগ দিতেন।কারন ডিজিটাল সূত্র বলেঃ চেহারা দেখে বলে দেয়া সম্ভব, কে মোবাইলের নম্বর সেইভ করতে পারবে, কে পারবে না ! যেই চেহারা মোবাইল নম্বর সেইভ করতে পারবে না, সে ডিজিটাল বাংলাদেশ বানাবে .... !!! হাহালুখেগে
বলেন দেখি এই জনাব রাজি উদ্দিন রাজু মোবাইল নম্বর সেইভ করতে পারবে কিনা ? মনে রাখবেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশের সর্বচ্চ পদ, এমন কি প্রধানমন্ত্রীরও উপরে।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




