যাদের চেহারা দেখে মনে হয় না মোবাইল নম্বর সেইভ করতে পারে না তারই নিচের ৬০ নম্বরের প্রেকটিক্যাল পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের সুযোগ পাবে।
১. মোবাইল নম্বর ফোনবুকে সেইভ করে পারেন কি, পারলে করে দেখান।
২. ফোনবুক থেকে নাম বের করে কল করতে পারেন কি, পারলে করে দেখান।
৩. এসএমএস পড়তে ও করতে পারেন কি, পারলে করে ও পড়ে দেখান।
৪. অন কলে ফোনবুক থেকে অন্য কারও নম্বর বের করে দিতে পারেন কি, পারলে করে দেখান।
৫. একটি নতুন ল্যাপটপে সিডি ড্রাইভ খুলে ইউনডোজ লাইসেন্স সিডি ঢুকিয়ে ইন্সটলেশন শেষ করে মেডম ইনস্টল করে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটি বের করে দেখাতে পারবেন, পারলে করে দেখান।
কারন ডিজিটাল বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও তার কমিশনারগণ যত ডক্টরেট, পিএইচডি, বিচারপতি, জাঁদরেল আমলা এমনকি মোওদুদ আহাম্মদ, তোফায়েল আহাম্মেদই হউক না কেন এই সামান্য বেসিক টুকু যদি না থাকে তাহলে জাতির আরেক মহাক্ষতি হবে, যা জাতির নির্ঘাৎ আত্মহত্যার শামিল।আজ বিদায় নেয়া নির্বাচন কমিশন ও সেনাবাহিনী মিলে দীর্ঘ পাঁচ বছরে নির্বাচন কমিশনের যেটুকু মাত্র ডিজিটালাইজেশন করেছে তার ডেভলপমেন্ট দূরে থাক যা আছে তার তাড়তুড় ছিড়ে, ব্যেরবুর লাগিয়ে এমন অবস্থা করবে যে পরে দশ বছর লাগবে শুধু ব্যেড় খুলতেই।আমি অবশ্য সম্ভাব্য প্যানেলের কারও ফেইসেই উপরের প্রেকটিক্যাল পরীক্ষায় পাশ নম্বর পাওয়ার মত কন্ফিডেন্সই দেখছি না।আপনাদের কি মনে হয় ?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


