গুগল কথন ৫ - কর্মীরা যেখানে রাজা
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:১৮
গুগলের কর্মীদের সাথে কাজ করতে করতে অল্প দিন পরেই যেটা লক্ষ্য করি, সবাই প্রচন্ড কাজ পাগল। দিনে ৮ ঘন্টা কাজ করার জন্য গুগল পয়সা দেয়। কিন্তু গুগলের কর্মীরা অফিসে থাকে আরও অনেক বেশি সময়। কাজে আসার ক্ষেত্রে ধরাবাঁধা সময় নেই, যে যার মতো সময়ে আসতে পারে। অফিসে প্রথম দিনেই আমার বসকে প্রশ্ন করেছিলাম, কয়টার সময় আসতে হবে। রিচার্ড (আমার বস) বললো, তোমার যখন ইচ্ছা তখনই আসতে পারো। রিচার্ড আসতো সকাল নয়টার সময়, আর যেতো বিকাল ছয়টায়। আমি অবশ্য নয়টায় আসতামনা প্রতিদিন, যেতাম সাড়ে নয়টা বা দশটায়, আর বেরুতাম অফিস থেকে সাড়ে ছয়টা বা সাতটার দিকে। আমাদের গ্রুপের অন্য সদস্য ব্রায়ান এগারোটার দিকে এসে থাকতো রাত নয়টা সাড়ে নয়টা পর্যন্ত।
কাজে ডুবে থাকার এই সাধারণ প্রবণতাটার পেছনে কারণটা কি, বুঝতে শুরু করলাম কয়েক দিন পর থেকেই। সিলিকন ভ্যালিতে কাজ পাগল মানুষদের কষ্টের ফসল হিসাবে অনেক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, কিন্তু তাদের মধ্যেও গুগলের কর্মীদের অফিসে পড়ে থাকার আপ্রাণ চেষ্টাটা বেশি। আসলে এর পেছনের সবচেয়ে বড় কারণ হলো অফিসের পরিবেশটাকে অসাধারণ করে রাখা।
শুরুতেই বলা যায় অফিস ও তার আসেপাশের স্থাপনা। আমার অফিসটার পাশে ল্যান্ডস্কেপিং করে ফোয়ারা, জলপ্রপাত, আর মিনি সাইজের লেক বানানো। ফুলের বাগানে গুগলের লোগোতে ব্যবহৃত মৌলিক বর্ণের নানা ফুল সাজানো আছে বিচিত্র নকশায়। প্রথমবার গেলে পার্ক বলে ভ্রম হতে পারে।
অফিসের ভেতরে আবার খাবারের ছড়াছড়ি। আগেই বলেছিলাম একবার, অফিসের প্রতি ১৫০ ফুট পর পর একটা মাইক্রোকিচেন রয়েছে। এর মানে হলো, দুই তিনটা বিশাল ফ্রিজে ভর্তি রয়েছে খাবার থরে থরে - স্যান্ডউইচ, চকলেট, কম করে হলেও ১০-১৫ রকমের ফলের রস, ডাবের পানি, কোক/পেপসির ক্যান, স্পেশাল মিনারেল ওয়াটার, আর এনার্জি ড্রিংক। পাশের টেবিলে বাদাম, চিপস, ফল, বীফ জার্কি (মাংশের শুটকি), এরকম অনেক কিছু। আর কফি তো আছেই। সবই ফ্রি - যার যখন ইচ্ছা এসে খেয়ে যাচ্ছে, বা দু-হাত ভর্তি করে অফিসে নিয়ে যাচ্ছে ভুরি-ভোজনের জন্য।
এতো গেলো কেবল মাইক্রোকিচেনের কথা। প্রতিটা অফিস ভবনেই রয়েছে একটা করে ক্যাফে। পুরো গুগলপ্লেক্স এলাকাতে ভবন ১৬টা, তার মানে বুঝতেই পারছেন, ক্যাফের সংখ্যাও ১৬। আর ক্যাফেগুলো মোটেও গতানুগতিক নয়, একেকটা ক্যাফে একেকটা ধাঁচে সাজানো। যেমন আমার অফিসের ক্যাফের নাম "অফ দা গ্রিড", ওখানে একটু অন্য রকমের বিচিত্র প্রকারের খাবার দিতো। নিজের ইচ্ছে মতো সালাদ বানিয়ে নেয়া, সব্জ্বীর নানা রান্না, আর মাংশের কিছু আইটেম। প্রায় দিনেই অদ্ভুত সব খাবার আসতো, যেমন ক্যাঙ্গারুর বার্গার, হরিণের মাংসের কাবাব, এরকম। সপ্তাহে একদিন বারবিকিউ হতো বাইরে, ঐ যে লেক আর জলপ্রপাতের কথা বলেছি, তার পাশে চাদর বসিয়ে পিকনিকের মতো করে খাওয়া চলতো। আর সকালে প্রতিদিন থাকতো ডিমভাজি সহ নানা রকমের নাস্তা, বিকেল ৩টার সময় আবার বিকালের নাস্তা দিয়ে পেট পুজার ব্যবস্থা থাকতো।
পাশের ভবনেই ফাইভ নামের ক্যাফে, প্রতিটা খাবারে ঠিক ৫টা করে উপাদান দিয়ে তৈরী। আরেকটা ক্যাফে ছিলো ইউরোপীয় খাবারের। আরেকটা (প্যাসিফিক ক্যাফে) হলো চীনা, জাপানি সুশি ও অন্যান্য খাবারের। বিল্ডিং ৪৪এর ক্যাফেটা ছিলো স্লাইস - ওখানে রয়েছে দুর্দান্ত ফলের রস আর স্মুদি (লাসসি টাইপের)।
তবে সব কিচ্ছুকে ছাড়িয়ে যায় গুগলপ্লেক্সের কেন্দ্রস্থলের "চার্লিজ ক্যাফে"। গুগলের প্রথম শেফ ছিলো চার্লি, তবে বেতনের বদলে শুরুতে গুগলের শেয়ার পেতো বলে চার্লি এখন মিলিয়নিয়ার হয়ে রিটায়ার করেছে, তার নামেই এখন রয়ে গেছে ক্যাফেটা। বিশাল ফুটবল মাঠের সাইজের ঐ ক্যাফেতে ৫টা সাবক্যাফে ছিলো - নমস্তে হলো ভারতীয় খাবারের, পাশেরটা জাপানী খাবার আর ইতালীয় খাবারের ক্যাফে, তার সামনেরটা "ইস্ট মীটস ওয়েস্ট" অর্থাৎ ফিউশন ধাঁচের। এছাড়াও ছিলো মেক্সিকান খাবার আর গতানুগতিক মার্কিন/ইউরোপীয় খাবারের দুটো সাব ক্যাফে। এগুলোতে প্রতিদিন দুপুর আর সন্ধ্যাতে ভীড় হতো প্রচন্ড। পুরোটা অবশ্য প্রচন্ড সুশৃংখল, সবাই ট্রে নিয়ে লাইন বেঁধে খাবার নিয়ে টেবিলে, অথবা বাইরের মাঠে বসানো পিকনিক টেবিলে চলে যায়। প্রতিদিন কম করে হলেও হাজার চারেক কর্মী এখানে খেয়ে থাকে। ভারতীয় বা চীনারাতো মনে হয় বিকেল বেলাতে পুরো পরিবারের বাপ, মা, বাচ্চা কাচ্চা সহ গোটা দশেক লোক সাথে নিয়ে আসে। উল্লেখ্য, প্রত্যেকেই অতিথি নিয়ে আসতে পারে, কোনো বাঁধা নেই। আর খাওয়া যে ফ্রি, তা তো আগেই বলেছি।
গুগলের এই খাওয়ার অঢেল ব্যবস্থার কারণে নতুন আসা গুগল কর্মীরা হাপুস হুপুস করে খেতে থাকে, নিজের চোখে দেখা। "গুগল ফিফটিন" বলে কথা চালু আছে, গুগলে ঢোকার প্রথম দুই সপ্তাহে নাকি কর্মীদের ওজন বাড়ে ১৫ পাউন্ড অন্তত।
শুধু কি খাওয়াই মূল আকর্ষণ? মনে হয় না, কারণ গুগলের অন্যান্য ব্যবস্থাও চমৎকার। চুল কাটা দরকার? কোন সমস্যা নেই, গুগলের চুল কাটার মিনিবাস আছে একটা, সারা দিন অফিসে অফিসে ঘুরতে থাকে, জানালা দিয়ে বাইরে দেখতে পেলেই নেমে গিয়ে চুল কেটে ফেলা যায়। গাড়ির অয়েল চেইঞ্জেরও ব্যবস্থা আছে। আর ঐ রাজভোগ খেয়ে ওজন বাড়লে ভুড়ি কমানোর জন্য রয়েছে জিম। বাচ্চাদের রাখার জন্য নার্সারি। ডাক্তার, ডেন্টিস্ট। আর কাজ করতে করতে অবসন্ন বোধ করলে ম্যাসেজ করার জন্য অটোম্যাটিক চেয়ার ম্যাসাজ, বা এক ঘন্টার টেবিল ম্যাসাজের ব্যবস্থাও রয়েছে। আর যাতায়াতের জন্যও অনেক ব্যবস্থা -- নিজের গাড়ি না থাকলে বা প্রতিদিন ড্রাইভ করতে ইচ্ছা না হলে গুগলের শাটল গিয়ে নিয়ে আসবে, এমনকি ৪০ মাইল দূরের সান ফ্রান্সিস্কো থেকেও অনেকে গুগলের বাসে করে আসে। আর গুগলের ইলেকট্রিক গাড়িও অনেক কর্মীকে দেয়া হয়, চালাবার জন্য।
আর সব সময় কাজ করা? তা নয় মোটেও, বরং খেলাধুলার ব্যবস্থা রয়েছে বিস্তর। ক্যাফের পাশেই ভলিবল কোর্ট, আর টেনিস খেলা, সাঁতার কাটা, কৃত্রিম স্রোতে সার্ফিং এর ব্যবস্থা, এসব তো রয়েছেই। কিন্তু তার চেয়েও ইন্টারেস্টিং হলো ভিডিও গেইমের কালেকশান, বাংলাদেশে আমরা যেমন খেলতাম কয়েন অপারেটেড মেশিন, সেরকম মেশিন সাজানো আছে। আমার অফিসের এক কোনাতে একটা বড় স্ক্রিন পেয়ে তো একজন দেখি রীতিমত ভিডিও গেইম কর্নার বানিয়ে ফেলেছিলো, উইই, পিএসপি, আর অন্য সব মেশিন দিয়ে।
সিলিকন ভ্যালির অন্যত্র অবশ্য এতোটা সুযোগ সুবিধা নেই। আমার বন্ধু কেউ কেউ ইন্টেলে কাজ করেছে, ওদের ক্যাফেতে নাকি পানিটাও কিনে খেতে হতো। গুগলের কর্মীরা থাকে রাজার হালে। অবশ্য এর পেছনে গুগলের লাভটাও অনেক। কর্মীদের এভাবে রাজার হালে রেখে রেখে অফিসে ধরে রাখাটা খুব সহজ হয়, সকাল থেকে এসে সবাই রাত করে ফিরে, মাঝের সময়টাতে পাগলের মতো কাজ করে চলে। আর মনে ফুর্তি আনার মতো সব ব্যবস্থা আছে বলে সারাদিন চরম উৎসাহে, আগ্রহে তৈরী করে চলে অসাধারণ সব সফটওয়ার।
(ছবি, আমার অফিসের বাইরের অংশ, চার্লিজ ক্যাফের বাইরের বসার পিকনিক টেবিল, আর শেষে মাইক্রোকিচেনের কিয়দংশ)।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গুগল ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
যাযাবর পংক্তিমালা বলেছেন:
মাইক্রো কিচেনের ছবি দেয়ার কথা ছিল না?
রাগিব বলেছেন:
সবার শেষের ছবিটা দেখুন। কিয়দংশ, কারণ অফিসের ভেতরে ছবি তোলা মানা ছিলো। এটা মাইক্রো কিচেনের একটা কোণার ছবি।
সাইফুর বলেছেন:
ক্যাঙ্গারুর কাবাব খেতে কেমন??
সাইফুর বলেছেন:
সরি বার্গার
রাগিব বলেছেন:
অখাদ্য। মুখে একবার দিয়ে ফেলে দিতে হয়েছে, রবার আর খড়ের মতো।
যাযাবর পংক্তিমালা বলেছেন:
ভাইয়া, এটা যদি মাইক্রো হয়, তাহলে আসলটার অবস্হা তো আরো সাংঘাতিক....আপনার লেখা পড়ে অনেক জানতে পারছি....শুভকামনা রইলো...
রাগিব বলেছেন:
@হাসান তারিকযখন ওখানে ছিলাম, গেস্ট হিসাবে অনেককেই চার্লিজে নিয়ে গেছি। আমার এক বন্ধু কানাডা থেকে ঘুরতে এসে এই ফাঁকে চার্লিজে বিশাল ভোজন দিয়ে গেছে।
রাগিব বলেছেন:
@সাইফুর, নারে ভাই, ঐটা তো ক্যালিফোর্নিয়া, চেহারা সুরতের ব্যাপারে সবাই প্রচন্ড সচেতন। জিম গুলাতে ভিড় লেগে থাকতো।
তারিফএজাজ বলেছেন:
উৎসাহই আসলে কাজের মূল অনুপ্রেরণা। নিয়মের জালে বাধা থাকলে মানুষ কেবল পালাতেই চায়। গুগল একটা উদাহরণ হয়ে আছে, তবে আমি নিশ্চিত অনেকেই একে অনুসরণ করার সাহসও করবে না। ৫ রাগিব ভাইয়াকে।
রাগিব বলেছেন:
@তারিফ, তোমাকে নেয়া দরকার ছিলো ঐ ক্যাফেতে, দুই তিন দিনেই স্বাস্থ্য বাড়িয়ে ফেলতে পারতে ...
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
গুরুদেব রাগিব ভাই, কেমন আছেন?
রাগিব বলেছেন:
@সাঈফ শেরিফ - ভালোই। দুই অ্যাডভাইজার চাপে রেখেছে, গুগলে খাওয়ার পুরাটা চিপে বের হয়ে যাচ্ছে।
এ এক অন্য আই বলেছেন:
দেশ এগিয়ে যাচ্ছে.......এদেশে গুগল কবে আসবে? আমি নিশ্চিত অনেকেই তখন একে অনুসরণ করার সাহস পাবে।
ধন্যবাদ রাগিব ভাই কে - ৫
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন:
রাগিব ভাই :আপনে খালি লোভ দেখান ! আমাগো খাওয়ানোর নাম গন্ধ নেন না
পোষ্ট পইড়া অস্থির লাগতেছে।
তারিফএজাজ বলেছেন:
নাগো, দাদা (খাইয়ালামু)। আমি তো সারাদিনই খাই, তবুও লাভ হয় না
। পেটে বোধহয় কৃমি আছে (আম্মাআআ) ।
প্রচেত্য বলেছেন:
আসলে অফিসের পরিবেশই অফিসের কর্মীদের মানসিকতা পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট ভূমিকা রাখে, যা সচারচর পাওয়া যায়না, যেমনটা আপনি পেয়েছেন এত বড় প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে, সুন্দর কিছু মুহূর্তের সঙ্গী সাথীদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ, হয়তবা না পড়লে অজানাই রয়ে যেত
সাইফুর বলেছেন:
গুগল কথন আরো চাই..কবে আসছে..আরো?????
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
আমি গুগলে কাজ করতে চাই। খাবারের লোভে এবং সুন্দর অফিসের লোভে।রাগিব ভাই কি করা যায় বলেন তো।
তানভীর আহমেদ সজীব বলেছেন:
কেমন আছেন রাগিব ভাই, আপনার লেখাগুলো স্বপ্নের মত মনে হয়। নিয়মিত লেখা চাই, যদিও জানি নানা ব্যস্ততায় লেখার সময় হয়তো কমই পান। ভাল থাকবেন সবসময়.....
রাগিব বলেছেন:
@প্রচেত্য - ঠিক@সাইফুর - আসবে আরো কিছু পর্ব।
@শামীম - গুগলে ইঞ্জিনিয়ার ছাড়াও অনেক অন্য কর্মী নেয়, তবে সাংবাদিক নেয় কিনা জানিনা
@সজীব - ধন্যবাদ।
অন্যরকম বলেছেন:
গুগল ক্যাফেতে কলেজিয়েটের মইন ভাইয়ের চটপটি টাইপ কিছু আছে?@ রাগিব ভাই।খাবারের বর্নণা শুনে মনটাই খারাপ হয়ে গেল!
রাগিব বলেছেন:
@অন্যরকম - নমস্তে ক্যাফেতে চটপটি থাকতো মাঝে সাঝে, কিন্তু ঐটা আবার ভারতীয় স্টাইলের , আমাদের মতো চটপটি আর কোথাও খায় না। তবে অমৃতসরী খাসির রেজালা, সিন্ধি বিরিয়ানী এসব তো থাকতোই।
কালপুরুষ বলেছেন:
পড়লাম মুগ্ধতা নিয়ে। ছবিগুলোও খুব ভাল লাগলো।
অন্যরকম বলেছেন:
আচ্ছা, Communication রিলেটেড কোন টপিক নিয়ে যদি থিওরিটিকাল রিসার্চ করি তাহলে সেটা গুগল নিবে? জমা দিব কিভাবে?@রাগিব ভাই।
রাগিব বলেছেন:
@অন্যরকম - রিসার্চ তো না, বরং রিসার্চের কাজ দেখিয়ে রেজিউমেতে ভালো করে সেটা লিখে আবেদন করে দেখতে পারেন। গুগল ইন্ডিয়াতে ইন্টার্ন ও ফুলটাইম নেয়। আবেদন করে দেখতে পারেন।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
কেন রাগিব ভাই, গুগলের পাবলিক রিলেশনের কাজ প্রয়োজন পড়ে না?আমি কিন্তু নিয়ে একটা ফিচার লিখেছিলাম....
তাছাড়া গুগুলের ল'ইয়ার লাগে কি?
তবে আমি ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপর ১ বছর পড়াশোনা করেছিলাম। কিন্তু তা অসমাপ্ত রেখেছি। কিছু কি হবে আমার দ্বারা?
(হা হা হা)
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
সরি এটা আমি কিন্তু সের্গেই ব্রিন আর ল্যারি পেইজকে নিয়ে একটা ফিচার লিখেছিলাম....
হবে
রাগিব বলেছেন:
@একরামুল হক শামীম - পিআর তো লাগেই। লইয়ারো লাগে বহুত। রেডি হয়ে থাকেন। গুগলের বাংলাদেশ অফিস খুললে আপনাকে লাগবে
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
আমি রেডি রাগিব ভাই। খালি বলবেন হাজির হয়ে যাবো।
পরাগ জাফর বলেছেন:
আরে রোজার অবস্থা খারাপ হয়ে গেছে!!
রাগিব বলেছেন:
@একরামুল হক শামীম - রেডি থাকেন, গুগলে আমি এখন নাই, কিন্তু পরিচিত আছে। আর গুগলের ৪৪% চাকরি হয় ভিতরে পরিচিতের রেফারেন্সে
রাগিব বলেছেন:
@পরাগ জাফর - অপেক্ষা করেন, আর তো ঘন্টা তিনেক পরেই ইফতার, তাই না ...
রাগিব বলেছেন:
@অন্যরকম - আরে না, দরকার নাই। যেইটা দরকার, তা হলো প্রোগ্রামিং এর দক্ষতা। বাংলাদেশ থেকে যতজন গুগলে গেছে, সবাই বিএসসি করেই যোগ দিয়েছে। মাস্টার্স থাকলে বেতন কিছু বেশি, কিন্তু আলাদা সুবিধা নাই।
থামুন বলেছেন:
রাগিব ভাই কী শুনালেন রোজা রাখতে কষ্ট হচ্ছে। ৫।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
রাগিব বলেছেন :২০০৭-১০-০৬ ১৫:২৪:২৮
@একরামুল হক শামীম - রেডি থাকেন, গুগলে আমি এখন নাই, কিন্তু পরিচিত আছে। আর গুগলের ৪৪% চাকরি হয় ভিতরে পরিচিতের রেফারেন্সে
...
অনেক ধন্যবাদ রাগিব ভাই।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
গুগল বাংলাদেশে অফিস খুলবে কবে? @ রাগিব ভাই।
সাইফুর বলেছেন:
@রাগিব ভাই...বাংলাদেশ অফিস খুললে..কম্পিউটার ঝাড়ামোছা করা....০১০১ লেখা এর লোক লাগলেই আমি ক্রলিং করে হলেও আসবো...আমিও রেডি
রাগিব বলেছেন:
@যোদ্ধা - ধন্যবাদ।@থামুন - আরে, রোজা শক্ত হচ্ছে ... সংযম করেন
@একরামুল হক শামীম - ইদানিং এর মধ্যে মনে হয় না ... এরা ভারতে তিনটা অফিস খুলে বসে আছে - দিল্লী, হায়দরাবাদ, আর ব্যাঙ্গালোরে। কাজেই বাংলাদেশে আসতে সময় লাগবে। আপনি বাংলাদেশের প্রোগ্রামারদের ট্যালেন্ট নিয়ে কিছু লেখালেখি করেন ... ঐ রকমের পাবলিসিটি হলে এইসব বিদেশী কোম্পানি আস্তে আস্তে আসবে।
সাইফুর বলেছেন:
গুগল বাংলাদেশ..দারুন!!!!!!!!!!!!
রাগিব বলেছেন:
@সাইফুর, এইটা নিয়ে মজার কথা মনে পড়লো, ঢাকার এক লোকে গুগল ডট কম ডট বিডি, আর ইয়াহু ডট কম ডট বিডি নিজের জন্য রেজিস্ট্রেশন করে রেখেছিলো। জানিনা, গুগলকে এইটা মাগনা দিয়ে দিয়েছে, নাকি তার কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হয়েছে।
চতুরভূজ বলেছেন:
ভিষন লোভনীয় ব্যাপার স্যাপার! আহ কখনও বুঝি ভাগ্যে জুটবেনা অমন পরিবেশে কাজ করার আনন্দ।রাগীব ভাইকে ৫ এতসব জানানোর জন্য।
মদন বলেছেন:
গুগলে কি অলস লোক লাগে না? যে সারাদিন কাম না কইরা খালি ঘুরবো আর খাইবো?
লাগলে আমার জন্য একটু রিকোমেন্ড কইরেন
শাহেদুর রহমান বলেছেন:
ধন্যবাদ রাগিব ভাই চমৎকার লেখার জন্য। আমার স্বাস্থ্য খুব খারাপ, আমাকে গুগলে একটা চাকরি পেতেই হবে! ইউনিভার্সিটির প্রথম বর্ষে থাকাকালীন কয়েকটা প্রোগ্রামিং কনটেষ্টে অংশগ্রহন করেছিলাম। এখন সব ভুলে গেছি! কি যে করি!!!
ভাঙা চাঁদ বলেছেন:
মজা পািলাম চরম।
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
প্রশ্নের উততর দেওয়ার জন্যে ধন্যবাদ রাগিবদা। মনে হচ্ছে যেন চিপ্স খাচ্ছি - এতো সুন্দর কুড়কুড়ে লেখা। সেই সাথে ইনফর্মেটিভ। দু লাইন হলেও ডেইলি লিখুন প্লিজ।
আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন:
রাগিব ভাই স্লামুআলাইকুম,, অঁনে কেঁন আছন ?আহা আমাদের অফিসেও যদি এমন হতো !!!! লান্চ আওয়ারে প্রতিদিন একটা করে স্যান্ডউইচ আর মুরগীর ব্রোষ্ট আর ভাল্লাগেনা !! -- ৫
রাশেদ বলেছেন:
ভালো লাগল।
রাগিব বলেছেন:
ধন্যবাদ @চতুরভূজ, রাশেদ, ফারহান দাউদ, শাহেদুর রহমান, মৈথুনানন্দ, মদন, ত/ত, ভাঙা চাঁদ।
রাগিব বলেছেন:
@আহমেদ শারফুদ্দীন, গম আসি। স্যান্ডউইচ আর ব্রোস্ট খারাপ কি!! গুগলে এতো কিছু থাকলেও তো আর ইলিশ মাছ ভাজা ছিলো না, তাই যত রাজভোগই হোক, দেশী খাবারের কাছে কিছুই না।
আমি নিশ্চিত, আপনার এই সিরিজটা সামহোয়্যার ইনের ২০০৭ এর শ্রেষ্ঠ রচনা
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
ভাইজান>পরবর্তী পর্বে খানাপিনার ব্যাপারটা একটু কম আইনেন । পুলাপাইন লোভে পড়তেছে । কারো কারো রোজা নিয়াও সমস্যা হইতেছে ।তো,পোষ্ট অতিব উপাদেয়...!
বিহংগ বলেছেন:
ভাইজান, গুগল দিয়ে তো অনে আঁরারে পাগল বানাইলেন।
জিয়ারত বলেছেন:
রাগিব ভাই,দয়া করে রমজার মাসে আর খাবার কথা বলবেন না।
রমজান শেষ হোক তখন যতখুশি বলেন।
.... চমৎকার লেখা দেবার জন্য ধন্যবাদ।
মানবী বলেছেন:
ছবিগুলো চমৎকার! ধন্যবাদ রাগিব।
সামিহা এষা বলেছেন:
রাগিব ভাইয়া....খুবই ভাল লাগল আপনার লিখাটি পরে....। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দরভাবে গুগলের কাজ পাগল সবার কথা বর্ণনা দেওয়ার জন্য....।
রাগিব বলেছেন:
ধন্যবাদ সবাইকে। রোজার দিনে গুগলের খাবারের কথা বলার জন্য দুঃখিত
রিফাত ভাই বলেছেন:
রাগিব ভাই। আপনাদের ভুরিভোজের আয়োজনটা চমৎকার। কম্পিউটারের সামনে কিংবা পেছনে যারা বেশি সময় কাটান তাদের ক্ষুধার মাত্রাটা খুব বেশি হয়, আবার ভোজন শেষে পুরাদমে ১০০ স্পীডেও ছোটা যায়। আচ্ছা "ভুট্টা ক্ষেতের মাঝে বসে আমি গণক মশাইকে পাহারা দেই" - কথাটার মানে বলবেন কি? আর এখনো কি গুগুলেই আছেন?
রাগিব বলেছেন:
@রিফাতএখন আর গুগলে নেই। ছিলাম ৩ মাসের সামার ইন্টার্নশীপে।
ভুট্টা ক্ষেত = মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্য। এখানে শহরের চারিদিকে ভুট্টা ক্ষেত ... এখানকার বিশাল বিরান সমতল ভূমি (প্রেইরি)তে প্রচুর ভুট্টা হয়।
গণক? কেনো ভাই, কম্পিউটারের বাংলা করেছি।
আর পাহারা দেয়ার উপরে গবেষণা করছি ... কম্পিউটার সিকিউরিটিতে।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
রাগিব ভাই রাগিব ভাই রাগিব ভাই রাগিব ভাই রাগিব ভাই !!!অস্থির লাগতেসে আপনার লেখা পড়ে।
(ক্ষুধাও লাগসে)
তানভীর বলেছেন:
রাগিব, ঈদ মোবারক। ঈদ কেমন করলা?
রাগিব বলেছেন:
ঈদ মোবারাক সবাইকে।@তানভীর ভাই,
প্রথম দুই দফার ঘুরা শেষ, বিশ্রাম নিয়ে তৃতীয় দফার ঘুরাতে বেরুবো।
@ফারহান দাউদ
ধন্যবাদ, এবং ঈদ মোবারাক।
@ব্রেইনিয়াক
অসংখ্য ধন্যবাদ।
@বিষাক্ত মানুষ
ধন্যবাদ, ক্ষুধা কি মিটসে?
মুনিয়া বলেছেন:
খুব ভাল লাগল পড়ে। কাজের পরিবেশ কি দারুণভাবে তৈরি করেছে এটা জানলাম।থ্যাংকস তথ্যগুলো জানানোর জন্য
বিহংগ বলেছেন:
৫
ইরতেজা বলেছেন:
দারুন হয়েছে রাগিব হাসান ভাই লিখে যান। ৫ দিয়েছি আগেই।
গুগল অষ্টেলিয়া তে সিডনি অফিসে আমার এক বন্ধু কাজ করে। তাদের পরিবেশও কেমন জানতে চাইব।
খুব ভালো লাগল
ইরতেজা বলেছেন:
একটি অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য করছি।রাগিব ভাই মন্তব্যে ওয়েব লিঙ্ক দিলেন । মানচুমানহারার ব্লগে দেখলাম। সেটা কিভাবে দেন? একটু বলুন প্লিজ।
সময় করে আমার ব্লগটাও পড়বেন আশা করি। ২য় পর্বটা বিশেষ করে। সেখানে কলেজিয়েট স্কূল নিয়ে কিছূটা লিখেছি।
ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকবেন
েজবীন বলেছেন:
অনেকভাল লাগল আপনার লেখাটা পড়ে। ছবিগুলোও সুন্দর। ভালো থাকুন দূরদেশে।
রিফাত ভাই বলেছেন:
রাগিব ভাই। ইদানিং দেখি লিখছেন না। আপনার লেখা পড়তে বেশ ভালোই লাগে। যাই হোক, আপনার ইমেইল কিংবা মেসেঞ্জার আইডি কি পাওয়া যাবে? কিছু কথা ছিলো বলবার।ভালো থাকবেন।
রিফাত ভাই বলেছেন:
আপনার সাইট থেকে মেইল এড্রেসটা পেয়ে গেছি। একটা মেইল পাঠাচ্ছি।
রিফাত ভাই বলেছেন:
রাগিব ভাই কি চট্টগ্রাম কলেজিয়েটে ছিলেন নাকি? একজন মঈন ভাইয়ের চটপটির কথা লিখলো তো তাই জিজ্ঞেস করছি। এখনো মঈন ভাইয়ের সেই চটপটির গাড়িটা আছে কিনা কে জানে!
রাগিব বলেছেন:
ধন্যবাদ সবাইকে।রিফাত, আপনার ইমেইল পেয়েছি, এখন কনফারেন্সের জন্য ভ্রমণ করছি বিধায় জবাব দিতে পারিনি। অচিরেই জবাব দিব, ইমেইলের জন্য ধন্যবাদ।
কলেজিয়েটেই ছিলাম ... অবশ্য দুই বছর , নাইন আর টেনে।
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
এখন কেমন আছেন রাগিব্দা? মানে - আগুন পুরোপুরি নিভে গেছে, লোকে ফিরে আসছে, লেটেস্ট পরিস্থিতি??
রাগিব বলেছেন:
@মৈথুনানন্দ - এখন আমি আর ক্যালিফোর্নিয়াতে নেই, গুগলে কাজ শেষ হয়েছে মাস আড়াই আগে। আবার ভুট্টাক্ষেতে ফেরৎ। তবে গত সপ্তাহটা কর্ম ও পড়াশোনার সূত্রে মহাদেশের উল্টাদিকে রয়েছি।গুগলের আশেপাশে বন-টন নেই, কাজেই আগুন লাগলেও সমস্যা নেই।
সাইফুর বলেছেন:
@রাগিব ভাই..কলেজেটিয়ান??http://www.somewhereinblog.net/blog/sakictgbdblog/28742510Click This Link
কলেজিয়েট নিয়ে কিছু ছবি ছিলো....
দেখবেন প্লিজ
সাইফুর বলেছেন:
প্রথম লিংকটাতে আপনার মতামত আশা করছি...
বিকেলবেলার সপ্ন বলেছেন:
এই ধরণের লেখাই খুজছিলাম। কিন্তু খুজে পেলাম অনেক পরে। রাগিব ভাইকে অনেক ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
কানা বাবা বলেছেন:
এইসব ভালো লেখা থাকতেও মাইনষে ক্যান যে কাইজা কইরা আর গাইল পাইরা মজা পায় বুঝে আসে না!
রাগিব বলেছেন:
ধন্যবাদ বিকেল বেলার স্বপ্ন ও কানা বাবা।
টংকেশ্বরী বলেছেন:
ami to khub recently esechi, tai post ta porte ero deri hoie gelo. sobmilie khub khub moja laglo. Management beparta k ora art er porjaie nie geche. Problem holo, orokom vabe Bangladeh e kora ritimoto oshomvob, tai na? Bangladesh e ki kore modarate version e emon employee dhore rakhar moto policy kora jai, vabchi.
ফ্লাইওভার বলেছেন:
গুগুলে ব্লগারদের কুনু চাকরী নাই?
লেখক বলেছেন: নাই আপাতত ![]()
প্লেবয় বলেছেন:
বস কি কি ভাষা শিখলে একজন কমপ্লিট প্রোগ্রামার হওয়া যায়?অসাধারন লিখা!!! সত্যিই গুগল কে যত জানছি ততো মুগ্ধ হচ্ছি। দারুন লোভে পড়ে গেলাম। কেনো যে প্রোগ্রামিং শিখিনি!!!
আশরাফুল করিম খান বলেছেন:
ও আললা গো, এমুন পেটিসটানে ডুকবার পারতাম
শায়েরী বলেছেন:
Oshadharon laglo!! Amar o jete ecche korchy
আধাঁরি অপ্সরা বলেছেন:
ভাবলাম গুগলকে নিয়া একটা পোস্ট দিব! আপনি দেখি আগেই দিয়ে দিলেন ভাইয়া! দুঃখে মাইনাস!!
নীরব 009 বলেছেন:
লেখাটা পড়ে খুব ভাল লাগলো। শুভ কামনা রইল।
ভালো থাকতে চাই বলেছেন:
ইসস
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















.jpg)

