স্বাধীনতার পরিক্রমা - বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
০২ রা মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:০২
স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মৃতিবিজড়িত এই মার্চ মাসের শুরুতে
বাংলা উইকিপিডিয়া থেকে আজ তুলে ধরছি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের নিবন্ধটি ।
---
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের এপ্রিল ১৭ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত একটি ঘোষণাপত্র। যতদিন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলেছে ততদিন মুজিবনগর সরকার পরিচালনার অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান হিসেবে এই ঘোষণাপত্র কার্যকর ছিল। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হওয়ার পরও এই ঘোষণাপত্র সংবিধান হিসেবে কার্যকর ছিল। ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর ১৬ তারিখে যখন দেশের নতুন সংবিধান প্রণীত হয় তখন সংবিধান হিসেবে এর কার্যকারিতার সমাপ্তি ঘটে।
১ ইতিহাস
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান সামরিক বাহিনী ঢাকা এবং তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের অন্যান্য অংশে আক্রমণ চালিয়ে ব্যাপক গণহত্যা চালায়। এই গণগত্যার প্রাক্কালে তৎকালীন আওয়ামী লিগ নেতৃবৃন্দ, গণপরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যগণ নিরাপত্তার জন্য সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে গিয়ে আশ্রয় নেন। ৩০ মার্চের মধ্যেই তাদের অনেকে কলকাতায় সমবেত হন। প্রাদেশিক পরিষদের যেসকল সদস্য ১০ এপ্রিলের মধ্যে কলকাতায় মিলিত হতে সমর্থ হন তারা তারা ঐদিনই একটি প্রবাসী আইন পরিষদ গঠন করে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের খসড়া প্রণয়ন করেন। এপ্রিল ১৭ তারিখে মেহেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী স্থান বৈদ্যনাথতলায় (পরবর্তী নাম মুজিবনগর) এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে গণপরিষদের সদস্য এম ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। এই ঘোষণার মাধ্যমে নবগঠিত প্রবাসী আইন পরিষদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ঘোষণা করে। এদিনই ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেয়া হয় এবং একই সাথে ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কার্যকর হয়েছে বলে ঘোষণা করা হয়। এর ফলে প্রবাসী মুজিবনগর সরকারও বৈধ বলে স্বীকৃত হয়। এ ঘোষণায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকলের মধ্যে চেইন অফ কমান্ড স্থাপনের নির্দেশ দেয়া হয়।
২ ঘোষণাপত্রের পূর্ণ বিবরণ
মুজিবনগর, বাংলাদেশ
তারিখ: ১০ এপ্রিল ১৯৭১
যেহেতু ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে শাসনতন্ত্র রচনার উদ্দেশ্যে প্রতিনিধি নির্বাচিত করা হয়েছিল; এবং
যেহেতু এই নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণ ১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ দলীয় ১৬৭ জন প্রতিনিধি নির্বাচিত করেছিল;
এবং
যেহেতু জেনারেল ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সনের ৩রা মার্চ তারিখে শাসনতন্ত্র রচনার উদ্দেশ্যে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অধিবেশন আহ্বান করেন; এবং
যেহেতু তিনি আহূত এই অধিবেশন স্বেচ্ছার এবং বেআইনীভাবে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন; এবং
যেহেতু পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিশ্রুতি পালন করার পরিবর্তে বাংলাদেশের জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে পারষ্পরিক আলোচনাকালে ন্যায়নীতি বহির্ভূত এবং বিশ্বাসঘাতকতামূলক যুদ্ধ ঘোষণা করেন; এবং
যেহেতু উল্লিখিত বিশ্বাসঘাতকতামূলক কাজের জন্য উদ্ভূত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার অর্জনের আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন, এবং বাংলাদেশের অখণ্ডতা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান; এবং
যেহেতু পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ বর্বর ও নৃশংস যুদ্ধ পরিচালনা করেছে এবং এখনও বাংলাদেশের বেসামরিক ও নিরস্ত্র জনগণের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন গণহত্যা ও নির্যাতন চালাচ্ছে; এবং
যেহেতু পাকিস্তান সরকার অন্যায় যুদ্ধ ও গণহত্য এবং নানাবিধ নৃশংস অত্যাচার পরিচালনার দ্বারা বাংলাদেশের গণপ্রতিনিধিদের পক্ষে একত্রিত হয়ে শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব কে তুলেছে; এবং
যেহেতু বাংলাদেশের জনগণ তাদের বীরত্ব, সাহসিকতা ও বিপ্লবী কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের উপর তাদের কার্যকরি কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে;
সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী বাংলাদেশের জনগণ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের প্রতি যে ম্যান্ডেট দিয়েছেন সে ম্যান্ডেট মোতাবেক আমরা, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা, আমাদের সমবায়ে গণপরিষদ গঠন করে পারষ্পরিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে
বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র ঘোষণা করছি এবং এর দ্বারা পূর্বাহ্নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা অনুমোদন করছি; এবং
এতদ্বারা আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে শাসনতন্ত্র প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম উপ-রাষ্ট্রপ্রধান পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন; এবং
রাষ্ট্রপ্রধান প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনীসমূহের সর্বাধিনায়ক পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন; ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতাসহ সর্বপ্রকার প্রশাসনিক ও আইন প্রণয়নের ক্ষমতার অধিকারী থাকবেন; এবং
তাঁর কর ধার্য ও অর্থব্যয়ের ক্ষমতা থাকবে; এবং
বাংলাদেশের জনসাধারণের জন্য আইনানুগ ও নিয়মতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য অন্যান্য প্রয়োজনীয় সকল ক্ষমতারও তিনি অধিকারী হবেন।
বাংলাদেশের জনগণ দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসাবে আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে, কোন কারণে যদি রাষ্ট্রপ্রধান না থাকেন অথবা যদি রাষ্ট্রপ্রধান কাজে যোগদান করতে না পারেন অথবা তাঁর দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে যদি অক্ষম হন, তবে রাষ্ট্রপ্রধান প্রদত্ত সকল দায়িত্ব উপ-রাষ্ট্রপ্রধান পালন করবেন। আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে, বিশ্বের একটি জাতি হিসাবে এবং জাতিসংঘের সনদ মোতাবেক আমাদের উপর যে দায়িত্ব ও কর্তব্য বর্তেছে তা যথাযথভাবে আমরা পালন করব। আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে, আমাদের এই স্বাধীনতার ঘোষণা ১৯৭১ সনের ২৬শে মার্চ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে। আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে, আমাদের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য আমরা অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলীকে যথাযথভাবে রাষ্ট্রপ্রধান ও উপ-রাষ্ট্রপ্রধানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য দায়িত্ব অর্পণ ও নিযুক্ত করলাম।
স্বাক্ষর: অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী
বাংলাদেশ গণপরিষদের ক্ষমতা দ্বারা
এবং ক্ষমতাবলে যথাবিধি সর্বাধিক ক্ষমতাধিকারী।
৩ আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ ১৯৭১
বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে প্রদত্ব ক্ষমতাবলে একটি দিনে আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ নামে একটি আদেশ জারি করেন। ঘোষণাপত্রের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে যে সকল আইন চালু ছিল, তা রক্ষার্থে এই আদেশ বলবৎ করা হয়।
৩.১ পূর্ণ বিবরণ
আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ ১৯৭১
মুজিবনগর, বাংলাদেশ, ১০ এপ্রিল ১৯৭১, শনিবার ১২ চৈত্র ১৩৭৭
আমি বাংলাদেশের উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, স্বাধীনতা ঘোষণাপত্র প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল তারিখে এ আদেশ জারি করছি যে, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে যে সকল আইন চালু ছিল, তা ঘোষণাপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একইভাবে চালু থাকবে, তবে প্রয়োজনীয় সংশোধনী সার্বভৌম স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনের জন্য করা যাবে। এই রাষ্ট্র গঠন বাংলাদেশের জনসাধারণের ইচ্ছায় হয়েছে। এক্ষণে, সকল সরকারি, সামরিক, বেসামরিক, বিচার বিভাগীয় এবং কূটনৈতিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী যারা বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করেছেন, তারা এতদিন পর্যন্ত নিয়োগবিধির আওতায় যে শর্তে কাজে বহাল ছিলেন, সেই একই শর্তে তারা চাকুরিতে বহাল থাকবেন। বাংলাদেশের সীমানায় অবস্থিত সকল জেলা জজ এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং সকল কূটনৈতিক প্রতিনিধি যারা অন্যত্র অবস্থান করছেন, তারা সকল সরকারি কর্মচারীকে স্ব স্ব এলাকায় আনুগত্যের শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা করবেন।
এই আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ থেকে কার্যকর করা হয়েছে বলে গণ্য করতে হবে।
স্বাক্ষর:- সৈয়দ নজরুল ইসলাম
অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি
৪ তথ্যসূত্র
* বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র, তৃতীয় খণ্ড, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা, ১৯৮২, পৃষ্ঠা ৪-৭
* বাংলাপিডিয়া নিবন্ধ: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। লেখক: সাজাহান মিয়া।
(বাংলা উইকিপিডিয়া হতে জিএফডিএল এর অধীনে প্রদত্ত)
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মুক্তিযুদ্ধ, উইকিপিডিয়া ;
প্রকাশ করা হয়েছে: উইকিপিডিয়া বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৩৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
পেইজ থ্রি বলেছেন:
চমৎকার। বীরশ্রেষ্ঠদের জীবনী বিষয়ক পোস্টটি স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাচ্ছি।
নেমেসিস বলেছেন:
আবারো ধন্যবাদ আপনাকে । আমি ফীডব্যাকে নিজেও মেইল করেছিলাম কালরাতে । কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনও সারাশব্দ নেই । বুঝলাম না কর্তৃপক্ষের এমনধারা উদাসীনতার কারন কি ?অবাক লাগছে ।
লেখক বলেছেন: আসলে আমি নিজেই খেয়াল করিনি, শনি+রবি বার সামহয়ারইনের অফিস বন্ধ ... তাই এই দেরীটা। আজ অফিস খোলা মাত্র কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিয়েছেন, এবং এই দুইটি পোস্টকে স্টিকি করেছেন।
সামহয়ারইনব্লগ কর্তৃপক্ষকে অশেষ ধন্যবাদ।
রাশেদ বলেছেন:
+
রাশেদ বলেছেন:
+
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
চলুক !সাত বীরশ্রেষ্ঠের জীবনীমূলক সেই পোস্টটি স্টিকির দাবী জানাই আবারও, বারবার !
কাজ করে খাই বলেছেন:
বীরশ্রেষ্ঠদের জীবনী বিষয়ক পোস্টটি স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে আবারো অনুরোধ জানাচ্ছি।
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
চমৎকার পোস্টের জন্যে ধন্যবাদ, রাগিব ভাই।
স্টিকি করার জন্যে কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।
রাগিব বলেছেন:
বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিষয়ক এই দুইটি পোস্টকে স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে অশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
এস্কিমো বলেছেন:
কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।
চির সবুজ বলেছেন:
রাগিবকে ও কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।
পিচ্চি বলেছেন:
কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।
....কৃতজ্ঞতা ভাইয়া
কর্তৃপক্ষকে ২য় দফায় ধন্যবাদ জানাইলাম
বুমবুম বলেছেন:
কর্তৃপক্ষ এবং রাগিব ভাই কে ধন্যবাদ।
ব্লুজ বলেছেন:
প্রয়োজনীয় পোস্ট। কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ রাগিব ভাইয়ের পোস্ট দুটিকে স্টিকি করার জন্য।রাগিব ভাই কিছু বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
১। ঘোষণাপত্রের পূর্ণ বিবরণে "যেহেতু ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ..." এর স্থলে "যেহেতু ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে..." হবে।
২। ঘোষণাপত্রের পূর্ণ বিবরণে "...উদ্ভূত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার অর্জনের আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন, এবং বাংলাদেশের অখণ্ডতা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান ;..." এই অংশটি যথার্থ হয়নি। যদিওবা এই অংশটুকু নিয়ে আমরা রাজনীতি করতে অভ্যস্ত কিন্তু তবুও আমি আপনাকে সত্যিকার বিষয়টুকু তুলে ধরার অনুরোধ করছি। ইতিহাস ব্যখ্যা করা যায় অনেকভাবে কিন্তু বিকৃত করা যায়না।
৩। "... বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র ঘোষণা করছি এবং এর দ্বারা পূর্বাহ্নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা অনুমোদন করছি; এবং..." যথার্থ হয়নি। (২ এর অনুরুপ মন্তব্য)।
অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে। +
লেখক বলেছেন: "১। ঘোষণাপত্রের পূর্ণ বিবরণে "যেহেতু ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ..." এর স্থলে "যেহেতু ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে..." হবে।"
জবাব - ঠিক করে দিচ্ছি ... খেয়াল করার জন্য ধন্যবাদ।
২। ঘোষণাপত্রের পূর্ণ বিবরণে "...উদ্ভূত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার অর্জনের আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন, এবং বাংলাদেশের অখণ্ডতা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান ;..." এই অংশটি যথার্থ হয়নি। যদিওবা এই অংশটুকু নিয়ে আমরা রাজনীতি করতে অভ্যস্ত কিন্তু তবুও আমি আপনাকে সত্যিকার বিষয়টুকু তুলে ধরার অনুরোধ করছি। ইতিহাস ব্যখ্যা করা যায় অনেকভাবে কিন্তু বিকৃত করা যায়না।
জবাব - স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে যা লেখা আছে, তা পালটানো তো আর যায় না। এই অংশটি কি ১৭ই মে ১৯৭১ মুজিবনগরে ঘোষিত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে নেই? যদি না থাকে, একটু রেফারেন্স দিবেন কি কোনো খান থেকে যে এই অংশটির ঐ মূল ঘোষণা পত্রে ছিলো না? এখানে তো সত্যি মিথ্যার কিছু ব্যাপার নেই, মূল ঘোষণাপত্রে যা আছে, তাই উদ্ধৃত করা হয়েছে।
৩। "... বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র ঘোষণা করছি এবং এর দ্বারা পূর্বাহ্নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা অনুমোদন করছি; এবং..." যথার্থ হয়নি। (২ এর অনুরুপ মন্তব্য)।
জবাব উপরের ২ এর অনুরূপ।
লেখক বলেছেন: "২ ও ৩ নং মন্তব্য ব্লগার ব্লুজ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন এবং নিচে কারন দর্শিয়েছেন
স্ক্রু লুজ Screw Loose বলেছেন:
.ইংরাজ থেইক্কা স্বাধীনতা পাইছি
পাইক্কা থেইক্কা স্বাধীনতা পাইছি
কিন্তু শান্তি পাই নাইক্কা
এইবার আওয়ামী BNP আর রাজাকারের করাল গ্রাস থেইক্কা দেশের স্বাধীনতা চাই।
বলাকা বলেছেন:
সু-শান্ত বলেছেন: বীরশ্রেষ্ঠদের জীবনী বিষয়ক পোস্টটি স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে আবারো অনুরোধ জানাচ্ছি।এই টাও আমার কথা
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
+ব্লুজ বলেছেন: ৩। "... বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র ঘোষণা করছি এবং এর দ্বারা পূর্বাহ্নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা অনুমোদন করছি; এবং..." যথার্থ হয়নি।
কি আর করবেন কন, আপনাগো অতি অপছন্দের বিভিন্ন চরিত্র, পক্ষ যেমন, মুজিব, আম্লীগ, ইন্ডিয়া, কমুনিস্ট রাশিয়া আমাগো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে মূল ভুমিকায় ছিল।
সরোবর বলেছেন:
+++
পুতুল বলেছেন:
রাগিব ভাই অনেক অকেক ধন্যবাদ, খুব জরুরী একটা কাজ অনেক যত্নে করেছেন। সেই সাথে কর্তৃপক্ষকে অভিনন্দন পোস্টটি স্টিকি করার জন্য।
গোপনীয়া বলেছেন:
কর্তৃপকখোকে ধন্যবাদ।সময়োপযোগী দুটি পোস্ট স্টিকি কইরবার জইন্য।
ধন্যবাদ রাগিব। এত চমৎকার দুটি পোস্টের জন্য।
সময়োপযোগী দুটি পোস্ট স্টিকি কইরবার জইন্য।
ধন্যবাদ রাগিব। এত চমৎকার দুটি পোস্টের জন্য
++
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
জল না চায়তেই বৃষ্টির মতো- এই পোস্টটিও কর্তৃপক্ষ স্টিক করেছেন, আন্তরিক ধন্যবাদ ওনাদের ।
লেখক বলেছেন: মাইনাস প্লাস ব্যাপার না। আমাদের ইতিহাস, আমাদের দেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ও অস্থায়ী সংবিধানটি সবার নজরে আসাই মূল কথা।
নাভদ বলেছেন:
+
নেমেসিস বলেছেন:
বাহ । ব্গে ঢুকেই আজকে মনটা ভাল হয়ে গেল। স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র এর এই পোস্টটি যেন পুরোটা স্বাধীনতার মাস জুড়ে এভাবেই থাকে ।
গর্বীত জাতির স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র এভাবেই সমুন্নত থাকুক ।
ধন্যবাদ রাগিবভাইকে , ধন্যবাদ কর্তৃপক্ষকে এবং ধন্যবাদ সবাইকে ।
নেমেসিস বলেছেন:
ব্গে = ব্লগে / হবে ।
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
দারুণ কাজ রাগিব ভাই
ইউটু বলেছেন:
কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ। অবশেষে আমাদের দাবি পূরণ হল।
অলস বলেছেন:
দূর্দান্ত!
একস্লিপ বলেছেন:
সংগ্রহে রাখার মতো পোস্ট।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
+ স্টিকি করার জন্য ধন্যবাদ ব্লগকে।
মুকুট বলেছেন:
ধন্যবাদ, এখানে দেবার জন্য!
সুলারিও বলেছেন:
দারুন ।
বেলায়েত বলেছেন:
ধন্যবাদ রাগিব ভাই এবং সামহোয়ার কর্তৃপক্ষকে,উইকিপিডিয়ার লেখাগুলো দেশের অন্তত কিছু মানুষের কাছে পৌছে দেওয়ার জন্য। এখানেই আমাদের শুরু।
আমরা যারা বাংলা উইকিপিডিয়া প্রকল্পের স্বেচ্ছাসেবক তারা সকলেরই একটাই উদ্দেশ্য যেন দেশের মানুষ নির্ভেজালভাবে মাতৃভাষা বাংলায় অভাধে জ্ঞান এবং তথ্য পাওয়ার এবং ব্যবহারের সুযোগ পায়। আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আমাদের স্বপ্নের কিছুটা বাস্তব প্রতিফলন দেখে খুব ভাল লাগছে। এমন এক মহৎ প্রকল্পের সাথে জড়িত হতে পেরে আমি গর্বিত।
কারও যদি কখনো জানতে ইচ্ছা করে কেন চলে যাচ্ছি তাহলে এই লিংকে একটু ক্লিক করে দেখে নিবেন।
সবাই ভাল থাকুন।। 'লাজুকবোকা'
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
রাজাকার বংশদরীয়রা মাইনাস দিবে, এতে আর আশ্চর্যের কি !শো কেসে যোগ করে রাখলাম ।
পলাশ রহমান বলেছেন:
+++
রোবোট বলেছেন:
কোন ........ মাইনাস দিলো
ব্লুজ বলেছেন:
ধন্যবাদ রাগিব ভাইআমি আমার ২ ও ৩ নং মন্তব্য প্রত্যাহার করছি। কারনঃ
১। আমি আমার মন্তব্যের পক্ষে কোন রেফারেন্স খুঁজে পাইনি। বরং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ডাউনলোড করে আপনি যা লিখেছেন তাই পেয়েছি।
২। আমার জন্ম যেহেতু ১৯৭১ এ হয়নি তাই আমি সবসময় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের জন্য আমার আত্নীয় মুক্তিযোদ্ধাদের বক্তব্যকে প্রাধান্য দিয়েছিলাম। তাদের অধিকাংশই ভিন্ন মন্তব্য পোষন করে। কিন্তু তারা সবাই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ অনুসরন করে। তাই এক্ষেত্রে আমি 'স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র' কে অধিক নির্ভর বলে মনে করছি।
৩। আমি রাজনীতির সাথে জড়িত নই এবং আমার মন্তব্যের পেছনে কোন রাজনৈতিক স্বার্থ জড়িত ছিলনা (যদিওবা দ্বিতীয়নাম নামক ব্লগার আমাকে একটি গোত্রে ইতিমধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছেন)। আমার গত মন্তব্যের জন্য আমি কোন অপরাধবোধও করছিনা কারন আমি ঐসময়ের (১৯৭১) কোন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ স্বাক্ষী নই। কিন্তু আমি আমার মন্তব্য প্রত্যাহার করে নিচ্ছি যেন আমার উপলোব্ধি অন্য কারো উপকারে আসে।
আমি নিচের লিংকটিতে 'স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র' এর পিডিএফ আপলোড করে রেখেছি। যে কেউ গিয়ে দেখতে পারেন।
Click This Link
ব্লুজ বলেছেন:
রাগিব ভাই প্লিজ আমার ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:২৮ মন্তব্যের নিচে "২ ও ৩ নং মন্তব্য ব্লগার ব্লুজ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন এবং নিচে কারন দর্শিয়েছেন" এই কথাটি জুড়ে দিতেন তাহলে অন্য ব্লগারদের বুঝতে সুবিধা হতো।
লেখক বলেছেন: দিচ্ছি। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ফেলুদা বলেছেন:
এতদ্বারা আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে শাসনতন্ত্র প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম উপ-রাষ্ট্রপ্রধান পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন; এবংরাষ্ট্রপ্রধান প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনীসমূহের সর্বাধিনায়ক পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন; ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতাসহ সর্বপ্রকার প্রশাসনিক ও আইন প্রণয়নের ক্ষমতার অধিকারী থাকবেন;
মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক তাইলে গোলাম আজম আছিলো না সিউর হ্ইলাম
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
উত্তম পোষ্ট।
হাসিবুল বলেছেন:
ধন্যবাদ+
ঝুমী বলেছেন:
+
মুহিব বলেছেন:
চমৎকার
রাগিব বলেছেন:
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রও রক্ষা পেলোনা! কার এতো অপছন্দ হলো, গোপনে মাইনাস না দিয়ে মুখে বললেই তো পারতেন। অবশ্য সম্প্রতি ব্লগ দেখেছেন যারা সেই তালিকা থেকে সহজেই বোঝা যায়, কিন্তু ঘাপটি না মেরে থেকে মুখে বললেই পারতেন তারা ... স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটিও কেনো তাঁদের এতো অপছন্দ।
কখগঘঙ বলেছেন:
ধন্যবাদ +
ইমন বলেছেন:
আপনার পোস্ট ডাইভারসিটি ভাল লাগল।
বিহংগ বলেছেন:
গুড জব প্রিয় রাগিব ভাই।
নিনি বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র প্রকাশের জন্য । কিন্তু বীরশ্রেষ্ঠদের জীবনী বিষয়ক পোস্টটি কোথায় পাবো ?
লেখক বলেছেন: ডানদিকে আমার সব পোস্টের তালিকাতে মার্চ ২০০৮ এর প্রথম পোস্টটি দেখুন।
নেমেসিস বলেছেন:
রাগিব বলেছেন: বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রও রক্ষা পেলোনা! কার এতো অপছন্দ হলো, গোপনে মাইনাস না দিয়ে মুখে বললেই তো পারতেন। অবশ্য সম্প্রতি ব্লগ দেখেছেন যারা সেই তালিকা থেকে সহজেই বোঝা যায়, কিন্তু ঘাপটি না মেরে থেকে মুখে বললেই পারতেন তারা ... স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটিও কেনো তাঁদের এতো অপছন্দ।
একদিক থেকে কিন্তু ভালই হয়েছে । কাদের যেন বলতে শুনেছি এই ব্লগে রাজাকার নেই। এখন তাদের চোখে আঙুল উচিয়ে দেখানো যাবে দেখো তাহলে এসব মাইনাস কারা দিলো ??
ভাবতে অবাক লাগে এসব কুলাঙগাররা দেশের স্বাধীনতা অস্বীকার করে কি করে আবার এখানেই বাস করছে । ধিক্কার জানাই ওদের ।
রাফা বলেছেন:
সত্য নির্মম,সত্য কঠিন এবং কারো কারো বেলায় সত্য অস্বাভাবিক তেতো।তাই কেউ খূশি হোক বা না হোক সত্য সত্যই।ধন্যবাদ লেখক কে তার তথ্যবহুল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটির জন্য।
মিরাজ বলেছেন:
আমার ব্লগ থেকে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মুল ইংরেজী কপিটি তুলে দিলাম ।আগ্রহীরা দেখতে পারেন ...
Click This Link
লেখক বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
চিপা রংবাজ বলেছেন:
এমুন পুস্ট আরও দরকার
ফান্টুস বলেছেন:
কর্তৃপক্ষ এবং রাগিব ভাই কে ধন্যবাদ।
মফীজ বলেছেন:
Thanks
নগর বাউল বলেছেন:
ধন্যবাদ ভাইয়া +
রুদ্র আনোয়ার বলেছেন:
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে
জিতু বলেছেন:
Ragib bhai, thanks for posting the true history +
সুবিদ্ বলেছেন:
অনেক পরে চোখে পড়লো.......ধন্যবাদ রাগিব ভাইকেব্লুজ ভাইকে ধন্যবাদ ও স্যালুট তার চমৎকার স্বীকারোক্তি ও পদক্ষেপের জন্য........
সত্য যেমন কঠিন, তেমনি কত সহজও.........তাই না!! ইস! এমন করে আমাদের বিভক্তিগুলো যদি দূর করা যেত........
মাছুম পলাশ বলেছেন:
+ দিলাম এবং প্রিয়তে।
তানিয়া মুন বলেছেন:
+ এবং প্রিয়তে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















। দারুণ হচ্ছে, রাগিব ভাইয়া। চালিয়ে যান।
