আমি কী হনু রে সিনড্রোম ও তার গপ্পো
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৭
উইকিপিডিয়াকে মোটামুটি একটা আন্তর্জাতিক চিড়িয়াখানা বলা যেতে পারে, নানা কিসিমের মানুষজন নানা মতলবে আনাগোনা করে এইখানে। আমার মতো বেকুব কয়জনায় মনের সুখে জ্ঞান যোগ করে, কিন্তু বিপুল পরিমান মানুষ ঐখানে আসে অন্য ধান্ধায়। রাজনৈতিক বা ধর্মীয় গলাবাজি, কিংবা জাতীয়তাবাদের ছড়াছড়ি তো আছেই, তার সাথে গোদের উপরে বিষফোঁড়ার মতো আছে, "আমি কী হনু রে" সিনড্রোমে (আকীহরে) আক্রান্ত ব্যক্তিরা।
"আকীহরে" সিনড্রোমের মোদ্দা কথা হলো, নিজেই নিজেকে বিখ্যাত মনে করা, তার পর বিদ্যাসাগরের সেই অমৃত বাণীকে আক্ষরিক ভাবে নেয়া ("আপনা ঢাক আপনি বাজাইও। অপরকে দিলে ফাটাইয়া ফেলিতে পারে")। এহেন আকীহরে রোগাক্রান্ত ব্যক্তিরা উইকিতে হাজির হয়, তার পর প্রথম সুযোগেই নিজের একটা জীবনী লিখে ফেলে।
জীবনী নিবন্ধের ক্ষেত্রে উইকির বেশকিছু মাপকাঠি আছে। যেমন, লেখকদের ক্ষেত্রে নামকরা গণমাধ্যমে লেখকের লেখা নিয়ে একাধিক আলোচনা থাকলে, কিংবা লেখক পুরষ্কার পেয়ে বসলে, তারপর তাকে গুরুত্বপূর্ণ ধরা যায়। রাজনৈতিক পাতি নেতারা গুরুত্বপূর্ণ না, কিন্তু কোনো সংসদ বা অন্য পদে নির্বাচিত হলে সেটা গুরুত্বপূর্ণ। এসবের মধ্যেও অনেক ফাঁক বা গ্রে এরিয়া আছে। তবে মোটামুটি ভাবে সাধারণ হিতাহিত কাণ্ডজ্ঞান থেকেই বোঝা যায়, কে আসলেই খ্যাতনামা, আর কে অখ্যাত।
সমস্যাটা দাঁড়ায় যখন আকীহরে ব্যক্তিরা হাজির হয়। শুরুতেই এরা নিজের নামে একটা এন্ট্রি খুলে বসবে। "দ্রুত বিচার আইন" এর মতো উইকিতেও "দ্রুত অপসারণ" প্রক্রিয়া আছে, তার মাধ্যমে ট্যাগ করে দেয়া যায় হাবিজাবি এন্ট্রিগুলো (যেমন "আক্কাস একজন বাংলাদেশী ছাত্র। তার বাড়ি অমুক স্থানে। ফুন লম্বর ০১৭-১২৩৪৫৬৭৮।" এরকম)। কিন্তু আকীহরে ব্যক্তিটি একটু চালাকচতুর হলেই ধরে ফেলবে, দ্রুত বিচারের খড়গ থেকে বাঁচতে হলে দুই একটা আসল/নকল "সূত্র" দিয়ে ফেলতে হবে। সেটা দিয়ে ফেললে আমলাতান্ত্রিকতায় আর ওটা দ্রুত অপসারণ করা যাবে না, যেতে হবে অপসারণ প্রস্তাবনা, অথবা অপসারণের ভোটে। ঐ অপসারণ ভোটের সময়ে একজন প্রস্তাব রাখে, আক্কাসের জীবনীটি অমুক নীতিমালার অধীনে অপসারণ করা হোক, আর বাকিরা আলোচনা করে একমত, অথবা "মানিনা" এই মতে। অবশ্য যেকোনো মতের সপক্ষে বলতে হয়, কোন যুক্তিতে -- যুক্তি-ফুক্তি ছাড়াই "আক্কাসরে ভালা পাই তাই মানি না" এই রকম কথা বললে ঐটা আমলে আনা হবে না। ৫ থেকে ৭ দিন এই ভোটের পালা চলে তার পর একজন প্রশাসক সিদ্ধান্ত নেয়, হ্যাঁ নাকি না জয়যুক্ত হয়েছে, তার পর নিবন্ধ রাখা হয় বা মোছা হয়।
বাংলাদেশের লোকদের জীবনী নিবন্ধগুলোর উপরে নজর রাখি, আগে উইকি কি এইটা মানুষে না বুঝলেও ইদানিং "সচেতনতা" বেড়ে গেছে, তাই এখন সপ্তায় না হলেও মাসে একটা দুইটা আকীহরে জীবনী যোগ হয়। বাংলাদেশী উইকিপিডিয়ানদের সংখ্যা বেশ কম, সেই সুযোগে আকীহরেরা নানা ভুজুং ভাজুং দেয়ার চেষ্টা করে, হাবিজাবি জিনিষকে "রেফারেন্স" বলে দাবী করে বসে।
উদাহরণ দেয়া যাক, লন্ডনপ্রবাসী জনৈক ব্যক্তি (নাম বলবোনা) পেশায় সম্ভবত ব্যবসায়ী, আর শখ হলো মহাকাশ সম্পর্কে পড়া, নিজের পয়সায় একটা "উপন্যাস" ছাপিয়েছেন। এই ব্যক্তির হঠাৎ আকীহরে রোগ পেয়ে বসলো, ব্যস, শুরু করে দিলেন নিজের নামে জীবনী। তাও আবার ছদ্মনামের একাধিক উইকি ইউজার অ্যাকাউন্ট থেকে (নাম আলাদা কিন্তু কাম দেখলেই বুঝি একই লোকের কাজ)। এই লোকের কাজ হলো বিভিন্ন থিওরি বের করা, তার পর দাবী করা সেই নাকি প্রথম ব্যক্তি যে ঐরকম থিওরি বের করেছে। বলাবাহুল্য, তার এইসব তত্ত্ব ছাপা হয়না কোনো গবেষণা জার্নাল কিংবা কনফারেন্সে, তার প্রকাশের ভেন্যু হলো বিভিন্ন নিউজগ্রুপ বা নিজের সাইট।
বাংলাদেশের মিডিয়ার একটা সমস্যা আছে, বিজ্ঞান বিষয়ক অনেক কিছুকেই যাচাই বাছাই না করেই এরকম প্রতারকদের কথা ফাটিয়ে লিখে (বাঙালির কৃতীত্ব এরকম ধাঁচে, "নয়ন সুপারকম্পিউটার", "কচির শূণ্য থেকে বিদ্যুৎ দ্রষ্টব্য)। তো, জনাব আকীহরে "জ্যোতির্বিদ" এরকম কিছু রিপোর্ট লিখিয়ে নিয়ে তার পর "বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিকাল অ্যাসোসিয়েশন"কেও পটিয়ে ফেললেন, তার পর কায়দা করে সেই সমিতির "অনারারি মেম্বার" হিসাবে "মর্যাদা" অর্জন করলেন। ব্যস, আকীহরে হিসাবে নিজের জীবনীতে ঐটাও ফাটিয়ে যোগ করে দিলেন, হাজার হলেও বিদেশী কারো পক্ষে নাসা আর বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিকাল অ্যাসোসিয়েশনের পার্থক্য করা কঠিন, তাই নাসার ফেলো আর বাস এর অনারারি ফেলোর পার্থক্য ধরতে না পেরে অপসারণের ভোটে জেতা যাবে সহজে, এই ধান্ধায়। সেবার অনেক কষ্টে সৃষ্টে এই আকীহরে "জ্যোতির্বিদ" এর ধাপ্পাবাজি প্রমাণ করতে পারা গেছিলো।
--
গত সপ্তাহে আরেক আকীহরে এলো, তার অবশ্য পথ অন্য, সে হলো আকীহরে গায়ক। বাংলাদেশের সঙ্গীত ধারা সম্পর্কে আগে হালনাগাদ ছিলাম, ইদানিং দূরে থাকলেও এতো দূরে নাই যে বিশ্বকোষীয় কাউকে চিনবো না। "জ্যা" আদ্যাক্ষরের এই গায়কের এন্ট্রি দেখে তাই ঘাবড়ে গেলাম, এমনই কি বয়স হলো যে এমন "বিখ্যাত" গায়ককে চিনি না!! এই আকীহরে আবার একগাদা পত্রিকার রেফারেন্স দিয়ে এসেছে তার ছদ্মনামের উইকি একাউন্ট থেকে।
খোঁড়াখুড়ি শুরু করলাম, তার পর বেরুলো অন্য ঘটনা, ডেইলি স* নামের পত্রিকার একাধিক শাখা, উদীয়মান পাতা, আর জীবনধারা পাতায় ঐ আকীহরে গায়কের নামের উল্লেখ আছে বটে, কিন্তু দুই আলাদা কলাম লেখকের লেখাতেই বিশাল এক প্যারাগ্রাফ হুবুহু মিলে যায়। পরে আরেক বাংলাদেশী উইকিপিডিয়ান নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী জানালো, ঐ পত্রিকার এসব পাতায় সাধারণত স্কুল কলেজের ছাত্ররা লিখে থাকে, তাই সম্ভবত আকীহরের বন্ধু বান্ধব টাইপের কেউ চোথা অনুসারে লিখেছে। আকীহরে আবার নিজের "মাইস্পেইস" পাতাকেও "রেফারেন্স" টেনেছিলো, পরে বেরুলো ঐ বিশাল প্রশংসামূলক কথামালা আসলে তার নিজের মাইস্পেইসের আত্মজীবনী থেকে নেয়া।
বলাই বাহুল্য, আকীহরে গায়কটির আত্মজীবনীও মানদন্ডে পাত্তা পায়নি, পটল তুলেছে ক'দিন আগে।
---
আকীহরেদের আপাতত ঠেকিয়ে রাখা যাচ্ছে, কিন্তু এদের দৌরাত্ম ক্রমশ বেড়ে চলেছে। একসময় নিজের ওয়েবপেইজেই এদের আনাগোনা সীমিত ছিলো, কিন্তু এখন ফেইসবুকে ফ্যান ক্লাব নিজেরটা নিজেই খুলে বসা* থেকে শুরু করে উইকিতেও হানা দেয়া শুরু হয়েছে। আর তার উপরে বাংলাদেশের বাংলা পত্রিকাগুলো জব্বারীয় পুরানো কাগু-বাংলা নিয়ে বসে থাকাতে সার্চ করা সেখানে অসম্ভব, কাজেই কে আসলে বিখ্যাত, আর কে আকীহরে, তা বোঝা কষ্টকর। উইকির এটা একটা দূর্বলতা, তবে উল্লেখযোগ্যতার নীতিমালার কড়া প্রয়োগ, আর সবকিছুর রেফারেন্স প্রদান বাধ্যতামূলক করার মাধ্যমে আকীহরেদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা ওখানে করা হয়।
অবশ্য অনেক সময়ে আকীহরেরা নানা ফ্যাসাদেও পড়ে যায়, যেমন আকীহরে জীবনী অপসারণের প্রস্তাবনাতে অনেক সময়েই ঐ ব্যক্তিটি কীরকম নগন্য তা নিয়ে বিশাল আলাপ হয়, এবং মোছার সপক্ষের লোকেরা নানা প্রমাণ হাজির করে। গুগলের কল্যাণে এক সময়ে অনেক আকীহরের নাম দিয়ে সার্চ করলে এই সব মর্মান্তিক আলোচনাই চলে আসতো, বাস্তব জীবনে মাথা কাটা যাবার মতো সব কথা আকীহরেকে খোঁজা ব্যক্তিদের চোখে এসে যেতো। বিপুল সংখ্যক আকীহরের "মানহানী" হচ্ছে বলে উইকিকে মামলার ভয় দেখানোতে এখন আর ঐ আলোচনার পাতা গুলা গুগলকে দেখতে দেয়া হয় না।
হাজার হলেও, আকীহরে সিনড্রোম বলে কথা ... সমালোচনা সহ্য করা, কিংবা নিজেদের আসল রূপের প্রকাশ সওয়াটা তাদের পক্ষে অনেক অনেক কঠিন ...
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): উইকি, হনু রে, রম্য ;
প্রকাশ করা হয়েছে: উইকিপিডিয়া বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
জেরী বলেছেন:
আকীহরে থেকে ১০০হাত দূরে থাকাটাই উত্তম
আকাশভরাতারা বলেছেন:
মালটিপল পারসোনালিটি এসব ব্যক্তি আমাদের সমাজের অনেক ক্ষতি করে। এদের বর্জন করুন।
লেখক বলেছেন: এটা আসলে ঠিক মাল্টিপল পার্সোনালিটি না, বরং ইগোর সমস্যা। কারো কারো ইগো খুব বেশি, আমি কী হনু রে এমন ভাব থাকে সব সময়। কেবল উইকিতেই না, বাস্তব জীবনেও এর প্রতিফলন ঘটে।
কাঙাল মামা বলেছেন:
দাড়ান, আমি এখনই বাংলা ব্লগিংয়ের অন্যতম ব্লগার "কাঙাল মামা"কে নিয়া একটা আরটিকেল পাঠাইতেছি
আট আনা বলেছেন:
হুম উইকির তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা প্রশ্না্তীত। আমেরিকায় স্কুলের অনেক ছাত্র-ছাত্রী ইতিহাস-বিজ্ঞান ইত্যাদি বিষয়ের পড়াশোনা উইকি থেকে করে। হয়ত অ্যাসাইনমেন্ট কপি-পেস্টে সুবিধা হয় এজন্য।
ঘাসফুল বলেছেন:
কিযে হৈবো ...
লেখক বলেছেন: সেইটা উইকিতে আসলে দেখতে পারতে ... মানব চরিত্রের বিভিন্ন দিক জানা হয়েছে এর মধ্যে।
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
+
হোলসেল বলেছেন:
আমাদের চাঁদপুরের গর্ব, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সোল কম্পুবিশেষজ্ঞ ও বিশারদ, দূর্ধ্র্ষ প্রগ্রামার, স্ক্রিপ্টকিডী ও গুগলের যম ত্রিভুজ ভাইয়াকে আপনি আকীহরে বলে মনে করেন কি?
লেখক বলেছেন: "ত্রিভুজ সাহেব"কে এই দলে ফেলা যাবে কিনা জানি না। উনিও নিজের জীবনী যোগ করে ধরা পড়েছিলেন, তবে পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে উনি দাবী করেছেন, সেটা উনার "বন্ধু"দের "রসিকতা"।
ড়ৎশড় বলেছেন:
স্যার আজকাল বোধহয় ব্লগে আসার সময় পান না।উইকিতে একজনের ব্যাপারে লিখতে চাই।আনিসুল হকের মা গল্পের সাফিয়া বেগম।রেফারেন্স তেমন একটা পাইনি ওই বইটি ছাড়া।কি করা যেতে পারে?ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: উনি সম্ভবত উল্লেখযোগ্যতার মাপকাঠিতে বাদ পড়ে যাবেন। সেই ক্ষেত্রে এই ব্যাপারে মুক্তিযুদ্ধ উইকিয়া সাইটে লিখতে পারো। http://muktijuddho.wikia.com/ ওটা যেহেতু উইকিপিডিয়া না, তাই বিধিনিষেধ, নিয়ম কানুন কম, ওটা হলো মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ভিত্তিক সাইট।
আকাশভরাতারা বলেছেন:
"আমি কী হনু রে" - সেটাও পারসোনাটির একটা অংশ। আমি সেটা বুঝাতে চেয়েছি। যা মালটিপল পারসোনালিটিতে পড়ে।
লেখক বলেছেন: তা অবশ্য ঠিক ... ![]()
লেখক বলেছেন: অফটপিক জবাব - ঐ সাইটের কর্তৃপক্ষ এই অনুরোধটা করেছেন, তাই এক সাথে দুইখানে আগে দেই না।
জুল ভার্ন বলেছেন:
রাগীব, আপনার লেখা মানেই অনেক বস্তুনিষ্ঠতা। আপনার লেখা পড়া মানেই-অনেক কিছু জানা, অনেক কিছু শেখা! ইচ্ছে করে আপনার পতিটি লেখাই শোকেইস করি...... আমার ছেলেও আপনার লেখার ভক্ত। আপনার প্রতিটি লেখার প্রিন্ট আউট ওকে পড়তে দেই।ভালো থাকবেন নিরন্তর।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা... বলেছেন:
hmm...shobjaegatei ami ki honure biddoman...wiki tei ba bd thakbe kno?...shomoshsha ektai...eder picha charano onek kothin...
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন:
নিজেকে বিক্ষাত কিছু ভাবা মানুষের গনতান্ত্রিক অধিকার রাগিব ভাই ... এবং তার পরেই এমন সব কাজ করতে গিয়ে বি-ক্ষ্যাত হয়ে যায় তারা সুন্দর পোষ্ট
ব্লগাররা হেল্প করেন!
পত্রিকার রেফারেন্স না দিয়া আত্মীয়-স্বজনের রেফারেন্স দিলে হইবো না!?
রাগিব বলেছেন:
আকীহরেদের জন্য উপযুক্ত দুইটা সাইটের লিংক দেই-http://www.biographicon.com
http://populatia.org/wiki/Main_Page
এই দুইখানে ইচ্ছামত নিজের জীবনী লেখা যায়, কোনো বাধানিষেধ নাই
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
হাহা সেইরকম পোস্ট আরেকটা। কিছুদিন আগে উইকি'র জিম্বো ওয়েলস আর কনজার্ভেটিভের কনজার্ভেটিভ মার্সডেনের মধ্যে যে নাটকটা হলো, তার মূলেও নাকি এই জীবনী "ঠিক" করার ব্যাপার। মাথা ঠিক রাখা কষ্ট।পোস্ট সরাসরি প্রিয়তে।
বাড়ী বাড়ী গিয়া কি ছাত্র ম্যানেজ করতে হবে!
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
হা হা হা .... কত রকম চিড়িয়া যে দুনিয়ায় আছে !! আজব !!
মন মণষা বলেছেন:
এই পোষ্ট পড়ে উইকিপিডিয়াতে ঘা দিয়ে দেখি আকিহরে/হাকিহরে থাকুক বা না থাকুক বাংলাদেশের অনেক কিংবদন্তি তুল্য মানুষের নাম নেই। বাংলাদেশের অনেক তারকা ফটোগ্রাফারের হাতেখড়ি হয়েছে এম. এ. বেগ এর হাতে, বাংলাদেশের এক মাত্র আলোকচিত্রাচার্য্য। অনেকে তার কাছে হাতে খড়ি নিয়ে এখন সাংবাদিকতা পেষাতেই আছেন, কিন্তু উইকিপিডিয়াতে তার সম্প্ররকে কনট্রিবিউট করার মত আগ্রহ তাদের নেই, কিন্তু তারা নিয়োমিত উইকি ঘাটেন। যদিও বাংলাপিডিয়া সে দায় হতে মুক্ত। আশাকরি তার সমর্কে তথ্য পাবো উইকি-তে শিঘ্রই।মন্তব্যটা হয়তো খাপ ছাড়া হলো...দুঃখ প্রকাশ করছি সে জন্য। কিন্তু ব্যক্তিত্বটিকে খুব কাছ থেকে দেখেছি বলেই তার বিস্মৃতী বেদনাদায়ক ঠেকছে।
নতুন-পুরাতন নিয়েই তো পজ়েটিভ বাংলাদেশকে তুলে ধরতে হবে...
বাঙ্গাল বলেছেন:
হেহে...জানা ছিল না। দুনিয়া বড় বিচিত্র জাগা...কি কন?
লেখক বলেছেন: অবশ্যই ![]()
অলস ছেলে বলেছেন:
মজা লাগলো পড়ে। হাসি আসছে খুব।
লেখক বলেছেন: ![]()
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
যাক উইকিতে তাইলে একটু এদিক-সেদিক করে অনেকেই নিজের জীবনি লিখে ফেলে(আমি ও একটা লিখে ফেলবাম নাকি)।মুকিহনু'রে সিনড্রোম কিন্তু খারাপ না, অনেক আত্মবিশ্বাসী লোকের দেখা মিলে।একটু বিরক্তিকর আর মেজাজ খারাপ করে দেয় তাতে কি; কিছু ফাও বিনোদন তো হয়
নাহিন বলেছেন:
ভাই নিজেই একজনরে চিনি, স্রেফ বন্ধুত্বের খাতিরে চুপ করে আছি। কেমনে যে সহ্য করি, সে আমরাই জানি।কিন্তু এইসব পেজ অপসারনের জন্য থ্যাংকস।
বিডি আইডল বলেছেন:
এইসব চিড়িয়া ভালো দেখা যায় ফেসবুকে...
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
মনে বড় শখ ছিল একখান আত্নজীবনী লেখমু উইকিতে...আফসুস তা আর হৈল না আমি কি হনুরে রে...খেক খেক
লেখক বলেছেন: আফসুস ![]()
কঁাকন বলেছেন:
ঢেকি স্বর্গে গেলেও ধানভানে
লেখক বলেছেন: আমার সব পোস্ট দুই বা ৩টি নিকের ভালো লাগে না। (৩টা ইউজারের তা বলবো না)। তাই বাংলাদেশের ছবি চাইলেও ছাগুবাহিনী তাতে মাইনাস দিবে, দিয়েছেও, এটাই স্বাভাবিক ধরে নিয়েছি। ব্ল্যাক বেংগল ছাগলের ছবির বদলে পাকিস্তানের জাতীয় পশু মারখোরের ছবি চাইলে সম্ভবত এরা প্লাস দিতো ![]()
নুশেরা বলেছেন:
রাগিবের লেখার বিষয় বেশীরভাগ সময়েই লেখার মানকে ছাপিয়ে যায়। এই লেখায় লেখক-রাগিবকে পাওয়া গেল অনেকটাই।ভাল থেক।
লেখক বলেছেন: আসলেই, মারখোরের ছবিটা বেশ মজার।
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
দুই তিন বছর ধরে "সাদা মনের মানুষ" ট্যাগে পরোপকারী নিষ্ঠাবান কিছু অন্যরকম মানুষ দের সম্মানিত করা হচ্ছে , তাদের জীবনী উইকিতে যোগ করা গেলে ভালই হতো, যদিও সেগুলো বেসরকারী পর্যায়ে ... হয়তোবা তারা অতি সামান্য ব্যক্তি!এমন কয়েকজন কে দেখেছি , সাক্ষাতকার পড়েছি ... উনি আসলে যে কি তা নিজেও জানেন না !
আমি লিখতে পারলে তাদেরটা লিখতাম...
কালপুরুষ বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট। ভাল লাগলো। এমন পোস্ট আত্মবিশ্লেষণের সুযোগ সৃষ্টি করে।
দেবব্রত বলেছেন:
+++++ভাইয়া,একটা অফ টপিক প্রশ্ন ।বুয়েট এ আমাদের যেসব ম্যাথ কোর্স করতে হয় সেগুলোর আসলেই কি কোনো প্রয়োজন আছে ??
আর প্রয়োজন থাকলেও যেভাবে পড়ানো হয় তাতে কি কোনো লাভ হয়???
লেখক বলেছেন: অংক কোর্সগুলো ঠিক আছে। কিন্তু পড়ানো এবং প্রশ্ন প্রণয়ন ভয়াবহ বাজে। কলেজে থাকা ও ভর্তি পরীক্ষা দেয়া পর্যন্ত আমি যা অংক জানতাম, বুয়েটের গণিত বিভাগের ভয়াবহ পড়ানো এবং চোথা নির্ভর প্রশ্ন প্রণয়ন ও অংক মুখস্ত করাকে প্রমোট করার ফলে সব কিছু ভুলে গেছি। কেবল আমি না, আমার ব্যাচের সবাই এই ব্যাপারে একমত।
কেনো ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম করছি, কেনোই বা লাপ্লাস ট্রান্সফর্ম করেছি, আমাদের অংক স্যার কিছুই বলেননি, কেবল ছেড়া খাতার চোথা বোর্ডে কপি করতেন। অথচ কম্পিউটার বিজ্ঞানের কিছু জায়গায়, যেমন গ্রাফিক্সে ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম অপরিহার্য বিষয়। দুঃখের সাথে বলছি, আমাদের কম্পিউটার বিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত গণিতগুলোও পড়ানো হয়নি ঠিকভাবে।
সিলেবাস পাল্টাবে কে? বেড়ালের গলায় নতুন শিক্ষকেরা ঘণ্টা বাধতে চাইলেও প্রাতিষ্ঠানিক চাপে তা আর করতে দেয়া হয় না। ![]()
অদ্রোহ বলেছেন:
অঃটঃ আলোচনাঃএ ব্যাপারে আমার সন্দেহের লেশমাত্র নেই যে বুয়েটের নন ডিপার্টমেন্টাল সাবজেক্ট গুলোর মধ্যে ম্যাথ ডিপার্টমেন্টের অবস্থাই সবচে করুণ।আমি কোনোমতেই ভেবে পাইনা একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কি করে কিছু সুপ্রাচীন আমলের চোথা থেকে ক্লাসে হুবুহু টুকলিফাই করতে পারেন।তারা যদি মুখস্ত করে ক্লাসে উগড়ে দিতেন তবে এককথা ছিল,আর অংকটি বুঝিয়ে দেওয়া তো দিল্লী দূর অস্ত!!স্কুল কলেজে গণিত অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে ম্যাথের প্রতি অনুরাগ না হোক,যে আকর্ষণের জন্ম হয়েছিল,বুয়েটে আসার পর তা পর্যবসিত হয়েছে বিতৃষ্ণায়।(পরীক্ষার আগের রাতে আতঙ্কে)
উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সাথে আমাদের ম্যাথ সিলেবাসের অনেককিছুই মেলে।কিন্তু পরিতাপের বিষয় যে,ছাত্রকে যখন পড়াতে যাই তখন দেখি
আমাদের জ্ঞান সেই উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়েই সীমিত থেকে গেছে।এ অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায় আমার ক্ষুদ্র বিবেচনায় কিছুটা জ্যাঠামি শোনাতে পারে,তাই শুধু এটুকুই বলব এই সেমিস্টারে বুয়েট লাইফের শেষ ম্যাথকোর্স করার পর আমি আসলেই হাঁফ ছেড়ে বাঁচব।
শাফ্ক্বাত বলেছেন:
লেখাটা খুবই ভালো, সচেতনতা বাড়ানোর জন্য...খালি কি বাঙ্গালীরাই?? তাই কেমন জানি মন খারাপও লাগলো...
লেখক বলেছেন: নাহ, খালি বাঙালিরা কেনো হবে, আকীহরেরা ছড়িয়ে আছে দুনিয়ার সব দেশেই। ![]()
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
দুইটা লিংকের কাজ দেখে আগ্রহ বেড়ে গেল। একটা আকীহরে পোস্ট দিব ভাবতেছি!!!ভাইয়া, আপনাকে মেইল করেছি। পাইছেন??
মোতাব্বির কাগু বলেছেন:
চাঁদপুরের গর্ব, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সোল কম্পুবিশেষজ্ঞ ও বিশারদ, দূর্ধ্র্ষ প্রগ্রামার, স্ক্রিপ্টকিডী ও গুগলের যম ত্রিভুজ ভাইয়াকে আপনি কেন উইকিতে স্থান দেন নাই তার তীব্র প্রতিবাদ।
লেখক বলেছেন: তীব্র প্রতিবাদ আমারও
। সবই স্ক্রিপ্ট কিডিদের ষড়যন্ত্র ![]()
শিমুল সালাহ্উদ্দিন বলেছেন:
প্রীয় পোস্ট। শুভকামনা। দাদা
ঘুরে আসবেন সময় হলে আমার ঘর। আমার লেখা নিয়ে আপনার মন্তব্যের প্রতাশা রইলো। শুভকামনা।
Click This Link
তারিফএজাজ বলেছেন:
আল্লায় দিলে আমার উপরে দুনিয়ায় আর কোন আকিহরে নাই। এই রেফারেন্সে আমি আর্টিকেল দিয়ে দিব নিজেরটা লেখক বলেছেন: তারিফ, তোমার উপরে আমি দুইখানা ব্লগ পোস্ট দিয়েছি। আকীহরে আর্টিকেল বানাইলে ঐ ব্লগ পোস্টের রেফারেন্স দেওয়া বাধ্যতামূলক ![]()
রিফাত হোসেন বলেছেন:
ঐ দেখেন আরেক আকিহরে শিমুল সাহেব ।হেহেহেহ

উনিও আমার কাছে প্রায় একই নিমন্ত্রণ করেন । হেহে হাহহাহা
টুশকি বলেছেন:
হু ঠিক ঠিক
মুহিব বলেছেন:
এই রোগ সম্পর্কে জানতাম (হয়ত আমারও কিছু আছে)। কিন্তু তা যে এত দূর পর্যন্ত আছে তা জানতাম না।
লেখক বলেছেন: ![]()
আজকেই ১০ টা বাংলাদেশী আকীহরে নিবন্ধ সরালাম। প্রাইভেট ভার্সিটির এক টিচার থেকে শুরু করে ভুইফোড় কবি টবি, আবজাব ব্যান্ড -- এসবের আকীহরে নিবন্ধ।
আজকেই ১০ টা বাংলাদেশী আকীহরে নিবন্ধ সরালাম। প্রাইভেট ভার্সিটির এক টিচার থেকে শুরু করে ভুইফোড় কবি টবি, আবজাব ব্যান্ড -- এসবের আকীহরে নিবন্ধ।
ঠিক কাজ করেছেন ভাইয়া । ধন্যবাদ।
সহেলী বলেছেন:
সমাজের সবস্তরে আকীহরেদের ছড়াছড়ি । বাড়াবাড়ি পর্যায়ে গেলে দৃষ্টিকটু যে লাগে সেটা বোঝার ক্ষমতা বা ইচ্ছা তাদের নেই । আপনার পোষ্ট বরাবরই সমৃদ্ধ ।
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
উইকি তে কারো সম্পর্কে লিখতে হলে তাকে কিরকম উল্লেখযোগ্য হতে হবে, মাপকাঠিটা কি? আর নিয়মকানুনগুলোও কি জানাবেন স্যার? আর খালি হাইয়ার ক্লাস ব্লগে বসে থাকেন কেন জনসাধারণের মাঝে আরো ঘন ঘন দেখা দেবেন আশা করি।
লেখক বলেছেন: এই ব্যাপারে নীতিমালা পাবেন এইখানে http://en.wikipedia.org/wiki/WP:N
আমার কাছে ব্লগের কোনো ভেদাভেদ নেই। শুরু থেকেই যে দুই ব্লগে লিখি, দুইখানেই লেখা দেই। ![]()
জইন বলেছেন:
আকীহরে সিনড্রোম এ আমিও আক্রান্ত.......... কি করি ভাই....... গুগলে যাওয়ার মত সাহস পাই নাই..... আপনার মত খই খাওয়া লোকদের ভয়ে..... লেখা পড়ে মজা পাইছি..... আকীহরে সিনড্রোম এত লোক আক্রান্ত দুঃখ পািলাম ভাই,
বাফড়া বলেছেন:
রাগিব ভাই একটা অফটপিক প্রশ্ন- উয়িকি থিকা যদি আমি কোন ইনফো ডিটো কপি কইরা ফেসবুকে কোন গ্রুপ বা পেইজ বানাই তাইলে কি কোন সমস্যা আছে? মানে আইনগত/কপিরাইট এর সমস্যা আছে?
লেখক বলেছেন: উইকির তথ্য যেকোনো ভাবে যেকোনো স্থানে ব্যবহার করতে পারবেন, কেবল (উইকিপিডিয়া হতে নেয়া) এই কথাটা উল্লেখ করলেই চলবে। কৃতজ্ঞতা স্বীকারটা বাধ্যতামূলক, ঐটা করলেই তথ্য ছহবি সব ব্যবহার করতে পারবেন সবখানে।
বাংলাদেশী সাইকেল ভ্রমণকারী বলেছেন:
Dear Mr. Ragib,Thank you this post. You will find me at Facebook as Bangladeshi Cycle Tourist. Previously I had created a fan page of my own as per few friends request. Now I am determine that I am going to delete that fanpage within 24 hours. Thanks again for such a nice post.
SAYED
Please forgive me for commenting in English. But I was bound to do so as I am very slow at Bengali typing.
লেখক বলেছেন: সেকী, তা করবেন কেনো! ফেইসবুকে তো উইকির মতো বাধা নিষেধ নেই। কাজেই যে কারো অবশ্যই ফ্যানপেইজ থাকতে পারে। আমার পোস্টটি ছিলো উইকিকে নিয়ে।
মেহবুবা বলেছেন:
ধন্যবাদ , যথার্থ বলেছেন ।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
বিচিত্র সেলুকাস.............। আর কিছু বলার প্রয়োজন আছে, ভাইয়া?
সাইফুর বলেছেন:
রাগিব ভাইই..কেমন আছেন?
ঝরা সৈয়দ বলেছেন:
লেখাটা ভাল লাগল। এই আমি মুই কি হনুর দলের মধ্যে ব্রাত্য রাইসু, সুমন রহমান, সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ, মাহবুব মোর্শেদ ফেসবুকে তাদের হনুত্বের চুড়ান্ত দেখিয়ে ছাড়ছেন। এবং সেজন্যে আমজনতার প্যাদানির পুরস্কারও পাচ্ছেন।
অগ্নির বলেছেন:
রাগিব ভাই, মনটা খুব খারাপ। খুব কষ্ট পেয়েছি। ইয়াহু তে এক ইনডিয়ান বাংলাদেশের নামে খুব আজেবাজে কথা বলেছে। আমরা নাকি ইন্ডিয়াকে হিংসা করি। আমরা নাকি পাকিস্তানকে সাপোর্ট করি। ইন্ডিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকতে হবে কারণ আমাদের স্বাধীনতা নাকি ওদের দেয়া। আমি কখনও কাউকে গালি দেইনা কিন্তু .....আজকে আর পারলামনা। ইচ্ছা হচ্ছিল ব্লগের সবাইকে ডেকে দেখাই আমাদের দেশ আমাদের কি । ওই শালা বলে কি বাংলাদেশ নাকি ওদের সাহায্য ছাড়া চলতে পারবেনা। আপনি বলেন না রাগিবভাই ? আমরা নিজেদের প্রমান করে দেখাব না একদিন, সারা দুনিয়ার সামনে ?
লেখক বলেছেন: মন খারাপের কিছু নাই। অনেক ভারতীয়রই একই মনোভাব। এদের সাথে কথা বেশি না বলাই ভালো। তবে বেশি তেড়িবেড়ি করলে দুনিয়ার সবচেয়ে বেশি গরীব লোক কোন দেশে আছে, তা প্রশ্ন করবেন। ভারতের ৪২% লোক দারিদ্র সীমার নিচে বাস করে। ভারতের আইটি নিয়ে সাফল্য আসলেও এই অবস্থার পরিবর্তন হয়নি। বাইরের চাকচিক্য যতই দেখাক, নিজেদের দেশের অবস্থা এখনো কোনো ভাবেই পাল্টাতে পারেনি। ![]()
চাঙ্কু বলেছেন:
লোকজন কেন যে এইরাম "ইগোডিস্টীক ছিলিব্রিতী" হইতে চায় ?? সেলিব্রেটি হওয়া ভাল, কিন্তু তাও বইলা মিথ্যা তথ্য দিয়ে নিজেরে নিজেরে "ইগোডিস্টীক ছিলিব্রিতী" বানানোর চেষ্টা ?? আফসুস
ঋভু অনিকেত বলেছেন:
একটা অফ টপিক প্রশ্নতুমি কি সেই রাগীব, যে এইচএসসিতে চট্টগ্রাম কলেজ হতে চট্টগ্রাম বোর্ডে ফার্স্ট হয়েছিলে, এরপর বুয়েটের এডমিশন টেস্টে ফার্স্ট এবং সিএসই তে পড়াশুনা ? এইচএসসির রেজাল্ট বের হওয়ার পর সব বোর্ডের মেধাস্থান হিসেব করে আমি বের করেছিলাম(চট্টগ্রাম কলেজে থাকতে তা আমি সব সময় করতাম) প্রাপ্ত নম্বরের দিক থেকে সারাদেশে তোমার অবস্থান ছিল ৩৩, আর সেই তুমি বুয়েটের এডমিশন টেস্টে ফার্স্ট হয়ে চমক দেখালে!
তুমি কোথায় আছো, কেমন আছো?
লেখক বলেছেন: রাগিব নামে বাংলাদেশে সর্বসাকুল্যে ৩/৪ জন আছে,
, হ্যা, আমি চট্টগ্রাম কলেজ এইচএসসি ৯৬ ব্যাচেরই। বাকিগুলাও মিলে যাচ্ছে ...
আমি কোথায় আছি এখানে দেখতে পাবেন http://www.ragibhasan.com/
আপনি কোন ব্যাচ?
উইকিতেও তাহলে এমন মানুষেরা যায়?! বাস্তব জীবনে অহরহ এমন মানুষের সাথে সাক্ষাত হয়। যা হোক, বোঝাই যাচ্ছে এদেরকে আপনারা বেশ ভাল ভাবেই সামলাচ্ছেন।
ঋভু অনিকেত বলেছেন:
তোমার সাফল্যের জন্য অভিনন্দন।আর আমি কোন ব্যাচের নয়, একজন উত্তম ছাত্রের অধম শিক্ষক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আপনি কি চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষক ছিলেন / আছেন?
আমি ও আমার স্ত্রী দুজনে চট্টগ্রাম কলেজের কথা এখনো মনে করি। বহুকাল কলেজ এলাকায় যাইনি। এখনো সেদিনের কথাই মনে হয়।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
oniker er chele ekhon buet a pore mone hoy
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
অনিকেত বলেছেন: একটা অফ টপিক প্রশ্নতুমি কি সেই রাগীব, যে এইচএসসিতে চট্টগ্রাম কলেজ হতে চট্টগ্রাম বোর্ডে ফার্স্ট হয়েছিলে, এরপর বুয়েটের এডমিশন টেস্টে ফার্স্ট এবং সিএসই তে পড়াশুনা ? এইচএসসির রেজাল্ট বের হওয়ার পর সব বোর্ডের মেধাস্থান হিসেব করে আমি বের করেছিলাম(চট্টগ্রাম কলেজে থাকতে তা আমি সব সময় করতাম) প্রাপ্ত নম্বরের দিক থেকে সারাদেশে তোমার অবস্থান ছিল ৩৩, আর সেই তুমি বুয়েটের এডমিশন টেস্টে ফার্স্ট হয়ে চমক দেখালে!
তুমি কোথায় আছো, কেমন আছো?
০৫ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:১৯
লেখক বলেছেন: রাগিব নামে বাংলাদেশে সর্বসাকুল্যে ৩/৪ জন আছে, , হ্যা, আমি চট্টগ্রাম কলেজ এইচএসসি ৯৬ ব্যাচেরই। বাকিগুলাও মিলে যাচ্ছে ...
কাল পর্যন্ত জানতাম আপনি চিটাগাং কলেজ ৯৪ ব্যাচ। আজকে জানলাম আপনি আসলে কোন রাগীব ভাই।
লেখার ব্যাপারে নুশেরা আপুর কমেন্টটাই সচেয়ে যথাযথ মনে হয়েছে। চমৎকার বিষয়ের সাথে আরো চমৎকার লেখনি। ভাল থাকবেন ভাইয়া।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আমি আসলে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল ৯৪ ব্যাচ (এসএসসি), আর চট্টগ্রাম কলেজ ৯৬ ব্যাচ (এইচএসসি)।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
এই ব্যাচ নিয়া আমি একটা ঝামেলায় পড়ছি। ইউনিতে বলি আমি ২০০১ ব্যাচ। অথচ ২০০১ এ আমি এইচ,এস,সি পাশ করছি। তাইলে কলেজে আমি কোন ব্যাচ? সমাধান দেন? ৯৯ এ ভর্তি হইছি। ২০০১ এ পাশ করছি। আমি কলেজের কোন ব্যাচ???? লেখক বলেছেন: কলেজের তো এইচএসসি পাসের বছর ধরেই বলা হয় ব্যাচ। আর ইউনিভার্সিটিতেও এইচএসসি পাশের বছরটাই ব্যাচ। একটু গোজামিল আর কি ...
২০০১ এ কি চট্টগ্রাম কলেজ থেকে? আমার স্ত্রীর ছোটভাই ঐ ব্যাচে, আসিফ জামিল চৌধুরী।
দেশী পোলা বলেছেন:
একজন আকীহরে ব্লগার পেলাম, উনার সম্মানে যদি কেউ উইকি লেখে, সেটা তো মুছে দেয়া হবে না, তাই না?
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
আসিফ আপনার শ্যালক??ও কই আছে? কলেজে থাকতে ওর সাথে সারাদিন খেলা নিয়া আলাপ হইত। অবশ্য শুধু খেলা দেখত আর পড়ত। আর আমি খেলা দেখতাম আর খেলতাম।
লেখক বলেছেন: ও বুয়েট থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে এখন সফটওয়ার পিপল নামের ডেনিশ সফটওয়ার ফার্মে কাজ করছে, গুলশানে। তোমার কথা ওকে জানাবো, তুমি কোথায় আছো?
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
হ্যা জানি ও বুয়েটে পড়েছে। আমি আপনি আর ও তিন জনই কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার। কি মজা। কিন্ত আমি একটু বেশি খেলতামতো তাই আপনারা বুয়েট আর আমি শাহ্ জালাল ইউনি।
সাইফুল্যাহ কামরুল বলেছেন:
+
আজম বলেছেন:
বিচিত্র তথ্য জানলাম।আপনি যে ব্যাপরটা বললেন ""আমাদের গন মাধ্যম বিজ্ঞান বিষয়ক অনেক কিছুকেই যাচাই বাছাই না করেই এরকম প্রতারকদের কথা ফাটিয়ে লিখে...।""
একধম সত্য কথা।
একদিন বিটিভি তে শুনি কে জেন নিউটনের ৩য় সূত্র ভুল প্রমাণ করেছে।
এই হল আমাদের অবস্থা। আপনার লেখার জন্য ধন্যবাদ
চাচামিঞা বলেছেন:
নতুন কিছু আসছেনা কেনো বস?
ড়ৎশড় বলেছেন:
উইকিতে সেদিন একটি আর্টিকেল এডিট করতে যেয়ে ওপেন প্রক্সির সমস্যায় পড়েছিলাম।অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিলো।আমি আপনার ইউনির মেইল ঠিকানায় এজন্য মেইল করেছিলাম।আশা করি স্যার একটু মেইলটা দেখবেন।
লেখক বলেছেন: অনেক খুজে পেতে এটা বের করেছিলাম। একেবারে যথার্থ। ![]()
আরিফুর রহমান বলেছেন:
হাসতে হাসতে শ্যাষ!
নাফিস ইফতেখার বলেছেন:
পোস্টটা প্রিয়তে নিয়ে গেলাম! আপনি চট্টগ্রামের জানতাম না। চট্টগ্রামের সাথে আমার সম্পর্ক স্থাপন হওয়াটা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
'লেনিন' বলেছেন:
আমি কী হনু রে সিনড্রোম মনে হয় খারাপ না। মেলা দিন চাপা দিয়া রাখছি। কবে আবার সৌভাগ্য হবে সেই দিন গুণতেছি যেদিন নিজেরে মনে হবে 'মুই কী হনুরে!'
নুভান বলেছেন:
এই আকীহরে-দের লজ্জাও করেনা!
লেখক বলেছেন: :?
সাদী বলেছেন:
!!
আমার বুঝতে কিছু সময় লাগল "আকিহরে" এর অর্থ। আমি ভাবছিলাম এটা "আমি কি হনু রে" নামক রোগের নাম। এখন দেখা যাচ্ছে বোকামীর দিকে আমিও আকিহরে ...
মারূফ মনিরুজ্জামান বলেছেন:
তবে বেশি তেড়িবেড়ি করলে দুনিয়ার সবচেয়ে বেশি গরীব লোক কোন দেশে আছে, তা প্রশ্ন করবেন। ভারতের ৪২% লোক দারিদ্র সীমার নিচে বাস করে।
চরিত্রহীণ বলেছেন:
নিজের জীবনী উইকিতে দিয়ে কি লাভ???!!!!!! এই সব লোকদের খেয়ে কাজ নেই বোঝাই যাচ্ছে। যাই হোক বাংলা উইকির জীবনী সংগ্রহ সম্পর্কে জানা ছিলনা। জানলাম। @লেখক: আপনার চাকরী কি উইকিতেই??
লেখক বলেছেন: "চরিত্রহীণ বলেছেন: নিজের জীবনী উইকিতে দিয়ে কি লাভ???!!!!!! এই সব লোকদের খেয়ে কাজ নেই বোঝাই যাচ্ছে।"
এই ব্লগেও এমন দুই একজন ব্লগার আছেন, যারা নিজের জীবনী উইকিতে দিতে গিয়ে হাতে নাতে ধরা পড়েছেন। ![]()
---
চরিত্রহীণ বলেছেন:"@লেখক: আপনার চাকরী কি উইকিতেই??"
পুরা দুনিয়াতে উইকিতে কেউই চাকরী করে না। এটা পুরোই স্বেচ্ছাসেবী কাজ একটা।
চরিত্রহীণ বলেছেন:
আমি বলতে চাচ্ছিলাম এত কিছু করে উইকি বা ব্লগে সময় দেন কিভাবে আপনি???!!!!!!!!!!!!!!!!
এসব কি হচ্ছে ! বলেছেন:
লেখক আকীহরে সিন্ড্রোমে আক্রান্ত ব্যাক্তিদের কার্যকলাপের অনেক গুলো উদাহরন টেনেছেন, কিন্তু সিন্ড্রোমটি কতভাবে মানুষের মধ্যে বাস করে সেটা নিয়া আরও ব্যাখ্যা আশা করছিলাম। যেমন কারও কারও এই সিন্ড্রোমটি আশে-পাশের লোকজনের কাছে এত সহজে ধরা পড়ে যে এদের কে দ্বিপদী গর্দভ বললে মোটেও অত্যুক্তি হবে না।
অনেকে এতটা বুদ্ধিমত্তার সাথে বিষয়টি ধারন করেন যে সাধারন মানুষরা এটি ধরতে পারে না। এদের সেলিব্রেটিজমটা তাই একধরনের স্থায়ীত্ব লাভ করে। এ ব্যাপারে এদের সাধারন যুক্তি হচ্ছে সে নিজে যেহেতু অসাধারন তাই সাধারনের মাঝে বাস করাটার কোন যৌক্তিকতা নেই।
যাই হোক এ ধরনের সিন্ড্রোম নিয়ে পরিশ্রম সাধ্য লেখাটির জন্য অনেক ধন্যবাদ।
হোলা বিলাই বলেছেন:
বড় মজার গলপ কালকা আবার পড়ুম
নিহন বলেছেন:
সুন্দর ,,,,,,,,,,
এনটনি বলেছেন:
"আকীহরেদের আপাতত ঠেকিয়ে রাখা যাচ্ছে, কিন্তু এদের দৌরাত্ম ক্রমশ বেড়ে চলেছে। একসময় নিজের ওয়েবপেইজেই এদের আনাগোনা সীমিত ছিলো, কিন্তু এখন ফেইসবুকে ফ্যান ক্লাব নিজেরটা নিজেই খুলে বসা* থেকে শুরু করে উইকিতেও হানা দেয়া শুরু হয়েছে।"এমনই একজন আকীহরে হচ্ছেন বিটিসিএল (প্রাক্তন বিটিটিবি বা টিএন্ডটি) চেয়ারম্যান এর মেয়ে...নিজের নামে ফেসবুক গ্রুপ বানিয়েছে Sohana Nowrin Ananna fan club
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
ভাইজান, আমার নিজের ব্যাপারটা এমনে বইলা দিলেন, প্লান ছিলো এমুন কিছু করনের, যাতে কিছু নতুনত্ব থাকে, মাগার আপনে হাড়ি পুরা হলিউডে ফাটায়া দিলেন!কই যাই!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















.jpg)
