গুগল কথন (বোনাস) - টেস্টিং অন দ্য টয়লেট আর কুকুর সমাচার
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৫
(বছর দুয়েক আগে গুগল কথন সিরিজে অনেকগুলো পোস্ট লিখেছিলাম, আমার গুগলে ৩ মাস কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে। আজ নতুন করে সিরিজটা পড়তে গিয়ে দেখলাম, অনেক কাহিনীই বাদ পড়ে গেছে। তাই এই বোনাস পোস্ট। আগের পোস্টগুলোর লিংক পাবেন এই পোস্টের শেষে।)
---
গুগলের অনেক কিছুই বেশ ইন্টারেস্টিং, সাধারণ কোম্পানি যেভাবে কাজ করে, তার পুরা উলটা দিকে অনেক কাজ করতে তাদের আগ্রহ বেশি। আসলে এখানে কাজ করা প্রচন্ড মেধাবী প্রোগ্রামারদের চিন্তাধারাও একটু অন্যরকম। তারই একটা উদাহরণ হলো "টেস্টিং অন দ্য টয়লেট" ![]()
ভয় নেই, এখানে টেস্টিং বলতে কোড পরীক্ষা নীরিক্ষাকেই বোঝানো হয়েছে। গুগলের বিভিন্ন প্রোগ্রামের কোড প্রতিনিয়তই পরীক্ষা করে চলতে হয়, যাতে করে কোনো বাগ ঢুকে না পড়ে। সেই টেস্টিং এর ব্যাপারে কর্মীদের সচেতন করার জন্যই গুগলের টেস্ট ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপের আইডিয়া - টয়লেটে টেস্ট করা।
আইডিয়াটা এই রকম, টয়লেটে প্রত্যেকেই যায়, এবং কম বেশি সময় ব্যয় করে। টয়লেটে মূল কাজ ছাড়া করার বেশি কিছু থাকেনা, তাই বন্ধ দরজা বা দেয়ালের দিকে তাকিয়ে সময় নষ্ট করার বদলে সেই সময়টাতেও মাথা ঘামানো, কিংবা বুদ্ধিতে শান দেয়া ভালো।
তাই গুগলের প্রতিটি টয়লেটের সামনে, দরজার পেছনে প্রতি সপ্তাহে কিছু টিউটোরিয়াল থাকতো। এক পাতার এই টিউটোরিয়ালে কোড ডিবাগিং এবং টেস্ট সম্পর্কে খুব ছোট্ট কিন্তু কার্যকর কিছু সবক দেয়া হতো। একটা উদাহরণ পাবেন এখানে ।
গুগলের টয়লেটগুলোও ছিলো অত্যাধুনিক। না, ইন্টারনেট ব্রাউজের সুযোগ ছিলো না তখন পর্যন্ত, কিন্তু সবকিছু ইলেক্ট্রনিক ছিলো, সিট গরম থেকে শুরু করে সব কিছু কন্ট্রোল প্যানেল দিয়ে নিয়ন্ত্রন করা চলতো। এ অবশ্য ২০০৭ এর কথা -- গত ২ বছরে হয়তোবা ইন্টারনেট সংযোগও দিয়ে ফেলেছে সেখানে।
হাজার হোক, গুগল বলে কথা ...
---
কুকুর সমাচার
গুগলের নতুন কর্মীদের শুরুতেই জানানো হয়, গুগল হলো "ডগ কোম্পানি", মানে পোষা প্রাণী হিসেবে কুকুর ওদের কাছে খুব প্রিয়। অফিসের ভেতরে কুকুর নিয়ে আসতে মানা তো নেই-ই, বরং অনেক ক্ষেত্রে কুকুর সাথে নিয়ে আসতে উৎসাহিত করা হয়। কারণ হিসেবে যা বলা হয় তা হলো, কুকুরকে ঘরে একা ফেলে আসলে কুত্তা-মালিকের মন পড়ে থাকবে সেখানে, তার বদলে কুকুর ধারে কাছে থাকলে বিপুল উৎসাহে কুত্তা-মালিক কাজ করতে থাকবে, মন ভালো থাকবে ইত্যাদি।
আমি আবার কুকুর হতে ১০০ হাত দূরে চলি, ৫ বছর বয়সে কুকুরের কামড় খেয়ে ১৪টা ইঞ্জেকশন দেয়ার পর থেকেই। তার পরেও কুকুর হতে রক্ষা নেই, অফিসের মার্কিনী কর্মীদের বিভিন্ন আকারের (দৈত্য থেকে শুরু করে বামনাকার) কুকুর সারাক্ষণ দেখতে হয়।
তো, এই কুকুর নিয়েই হলো একবার মজার কাণ্ড, গুগলের ক্যাফের ব্রেকফাস্ট করে আমি তার উচ্ছিষ্ট অংশ ফেলেছি ট্র্যাশক্যানে, দরজার পাশেই। এমন সময় করিডোর দিয়ে যাচ্ছিলো এক কুকুর, মানে কুকুরের মালিক কুকুরকে নিয়ে যাচ্ছিলো। কিন্তু কুকুরটা ছোটখাটো গরু আকারের, মানে বিশাল বড়, আর তার মালিক ক্ষীনদেহী এক মেয়ে, তাই কুত্তা মিঞাই মালিককে নিয়ে যাচ্ছিলো বলা চলে। সব ঠিকঠাকই চলছিলো, কিন্তু বিপত্তি বাধলো আমার দরজার পাশ দিয়ে যাবার সময়ে। কুত্তা মিঞা যেই না ট্র্যাশে ফেলা খাবারে গন্ধ পেলো, টেনে হিঁচড়ে মালিককে নিয়ে এলো দরজার দিকে। আমি তো পর্বতসম সেই কুত্তাকে দেখে চেয়ার থেকে পড়ে যাবার উপক্রম করছি, পালাবার পথও খোলা নেই, একটাই দরজা রুমে। বিব্রত মালিক কুকুরকে ধমক দিয়ে মিনিটখানেক ধস্তাধস্তি করে সরিয়ে নিয়েগেলো, সে অবশ্য টেরও পায়নি কেনো কুত্তা মিঞার এতো আগ্রহ। মিনিট দশেক পরে, পুরো ভবন এক চক্কর দিয়ে আবার যখন এসেছে আমার রুমের সামনে, আবারও কুত্তা মিঞার নাকে গেলো গন্ধ, ব্যস আবারো সে দিলো ঝাঁপ।
মার্কিনীদের কুত্তাপ্রীতি দুনিয়াতে সবচেয়ে বেশি, কুত্তাকে দেখে পালালে উলটো কুকুর মালিকেরা রাগ করে। আমি না পারছি পালাতে, না পারছি লাঠি দিয়ে কুত্তা খেদাতে। এই রকম করে করে বার তিনেক হবার পরে কুত্তা মালিকের বোধোদয় হলো, কুত্তার ক্ষিদে পেয়েছে তা নিয়ে গেলো অন্য জায়গায়। আর ১৪ ইঞ্জেকশনের অভিজ্ঞ আমিও হাঁপ ছেড়ে বাঁচলাম।
গুগল অবশ্য বিড়ালদের অতো পছন্দ করতো না, হাজার হলেও ডগ-প্রিয় কোম্পানি। তাই বিড়াল মালিকদের সাবধান থাকতেই হতো, বিপুল সংখ্যক কুকুরদের আনাগোনা থেকে বিড়ালদের বাঁচাতে।
(ছবি, গুগলের টয়লেটের কন্ট্রোল প্যানেল (ফ্লিকার, টেড)। এবং গুগলের এক কর্মীর পোষা কুকুর, অফিসের পাশে রোদ পোহাচ্ছে, (আমার মোবাইলে তোলা)।
(গুগল কথন সিরিজের আগের পোস্টঃ
(১) ,(২) ,(৩) ,(৪) ,(৫) ,ও (৬) । )
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গুগল ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি, স্মৃতিচারণ বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
শুভ রহমান বলেছেন:
মজা পাইলাম।
লেখক বলেছেন: ঝাড়ুদার আগে নিত। এখন অন্য কোম্পানিকে কন্ট্রাক্ট দেয়। ![]()
গুগলের প্রথম দিকের রিসেপশনিস্ট পর্যন্ত এখন মিলিয়নিয়ার হয়ে গেছে ...
লেখক বলেছেন: যা আরামদায়ক ... । আর কিছু না আনতে পারলেও যদি এটা সাথে নিয়ে আসা যেতো ... ![]()
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
ইন্টারেস্টিং!! মজাও পেলাম লেখাটা পড়ে।
পাপী বলেছেন:
মজা লাগলো। আরো ডিটেইল অন্য কোন গুগল কথন আসুক!!
লেখক বলেছেন: আগের পর্বগুলো পড়ে দেখুন। পোস্টের শেষে লিংক আছে।
দূরবীনের ধ্রুব বলেছেন:
ভাল লাগিল,,,,,,,,,,,,,,,মজা লাগিল......
কিছু আনন্দ ও পাইলাম...............
আর কিছুর তো মনে হয় দরকার নাই
আট আনা বলেছেন:
কোন একটা কোম্পানির লিফটে নাকি কাগজ কলম থাকতো শুনেছিলাম। উঠানামার সময় কোন আইডিয়া আসলে যেন চট করে নোট করে নিতে পারে।
লেখক বলেছেন: কুত্তা দেখে ভয় পেলেও টয়লেটের কন্ট্রোল প্যানেল দেখে যদি আগ্রহী হন, তাই দুইটারই ছবি দিয়েছি
...
জয় সরকার বলেছেন:
খুব ভালো লাগল পড়তে............বাকী পর্বগুলো এখন পড়ব.........
লেখক বলেছেন: পড়ে দেখুন বাটনে কী কী লেখা। বদনার বদলে ইলেক্ট্রনিক সিস্টেমে এবং পানির গতি, পালস, এবং কোন দিক থেকে আসবে, তাপমাত্রা কেমন হবে, সব ঠিক করা যায়। ![]()
আপনাকে ব্লগবাসী সত্যিই অনেক বেশি মিস করে... প্লিজ ভাইয়া দেশের কথা মনে করে হলেও মাঝে মাঝে একটু সামুতে ২/৩ টা পোষ্ট দিয়েন।
আর হ্যা, গুগলে সাধারণ চাকুরী পেতে হলে কি ধরনের যোগ্যতা প্রয়োজন এবং কিভাবে এ্যাপ্লাই করতে হয় জানার ইচ্ছা জাগে মনে। যদি ইচ্ছাটা পূরণ করতেন....
ভাল থাকবেন ভাইয়া। আল্লাহ হাফেজ।
লেখক বলেছেন: @ফয়সাল
গত মে থেকে এখন পর্যন্ত আসলে আমার পিএইচডি শেষ করা, এবং তার সাথে জড়িত অন্য সব কিছু নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম খুব। এখন আস্তে আস্তে কিছু লেখার চেষ্টা করবো।
(@বিডিআইডল, এই পোস্ট কিন্তু এখানেই প্রথম ও একমাত্র প্রকাশ হচ্ছে)
মুরুববী বলেছেন:
ভালো লাগলো পড়তে সাব ষ্ট্যান্ডার্ড বলেছেন: কোন একটা কোম্পানির লিফটে নাকি কাগজ কলম থাকতো শুনেছিলাম। উঠানামার সময় কোন আইডিয়া আসলে যেন চট করে নোট করে নিতে পারে
হা হা হা আতিরন্জন !!! ভুয়া মনে হইল, আর সত্য হইলে বলতে হবে আজাইড়া তামশা...
লেখক বলেছেন: গুগলরে কন, ঢাকায় অফিস খুলতে ![]()
ওরা কিন্তু প্রোগ্রামার ছাড়াও হায়ার করে, যেমন ভাষাবিদ রেখেছিলো। (বাংলা ভাষার বিশেষজ্ঞ এখনো মনে হয় রাখেনি,তাই তাদের বাংলা সাইটের এই দুরবস্থা)।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
পুরা দুণিয়া তো খাইছে। টয়লেটও বাদ গেলোনা। খুব মজার কাহিনী। বিশেষ করে যে সার্চ ইঞ্জিন সারা বিশ্বকে ঘোরায়, তার ঘরের কাহিনী জানতে পারাটা কম সৌভাগ্যের কথা নয়। আমি আমার ইনডিয়ান রুমমেটকে আপনার ছবিটা দেখিয়ে বললাম- সি দিজ গাই, হি ইজ আ গুগল প্রোগ্রামার, অ্যান্ড হি ইজ আ বাংলাদেশী।
সত্যিই আপনার জন্য গর্ব বোধ হয়।
লেখক বলেছেন: আমি কিন্তু গুগলের ফুল টাইম প্রোগ্রামার নই, ২০০৭ এর সামারে ইন্টার্নশীপ করেছিলাম মাত্র। তবে ফুল টাইম প্রোগ্রামার/ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে যোগদানের প্রস্তাব ওরা দিয়েছিলো বটে, যা আমি গ্রহন করিনি।
বর্তমানে গুগলের মার্কিন অফিসগুলোতে কম হলেও ৫ জন বাংলাদেশী প্রোগ্রামার কাজ করছেন। আপনার ভারতীয় রুমমেটকে এটাও জানাতে পারেন। ![]()
লেখক বলেছেন: নেকড়ের ছোট ভাই জাতীয় কিছু। ভয়ে ভয়ে পুকুরের অন্য পাশ থেকে ছবি তুলেছি। গাছে বাঁধা থাকলেও সাবধানের মার নাই ... ![]()
বিডি আইডল বলেছেন:
(@বিডিআইডল, এই পোস্ট কিন্তু এখানেই প্রথম ও একমাত্র প্রকাশ হচ্ছে) হা হা হা...ঠিক আছে এইবার...
লেখক বলেছেন: বাটনের লেখা ও ছবিগুলো দেখুন ... মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন ![]()
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
এইটা কিছু হইল!! কালকেই ত আলফা ১৩ স্পেস স্টেশন থেইকা আসলাম। ওরা ভালবাসে মাছ। তাই মাছ ব্যালেন্স আর তার প্রটেকশন নিয়া কি কি যেন লেকচারও দিল।কী দিন আইল !!
পারভেজ বলেছেন:
ইন্ডিয়াতেও তো মনে হয় গুগল এর বড় অফিস করেছে। ওখানেও কি এতো সুযোগ সুবিধা দেয়া হচ্ছে কিনা কে জানে!আমাদের দেশে নেট ভিত্তিক বেঁচা কেনা শুরু না হলে বড় কোম্পানীগুলো অফিস খুলতে আগ্রহী হবে বলে মনে হয় না।
লেখক বলেছেন: ভারতে কিন্তু গুগলের ঐ রকম বাজার নাই। ভারতে বড় অফিস করেছে কারণ ওখানে সস্তায় প্রচুর ইঞ্জিনিয়ার জোগাড় করতে পারে। গুগলের মূল অফিস ছাড়া অন্যত্র আসলে হয়তো এতো সুবিধা নাই। বিশেষত টয়লেটের সুবিধা তো থাকার কথা না ... ![]()
বাংলাদেশী সাইকেল ভ্রমণকারী বলেছেন:
Need to contact you soonest regarding a project of mine. Will write details in mail. Please send an e-mail @ Thanking you.
SAYED
লেখক বলেছেন: আমার ইমেইল আমার ওয়েবসাইটেই পাবেন, আরো সহজে বলতে গেলে রাগিবহাসান@জিমেইল ডট কম।
লেখক বলেছেন: সিরিজের আগের ৬টি পর্ব পড়ে দেখুন। আর পর্ব আসার সুযোগ কম, মনে যদি পড়ে নতুন কোনো কাহিনী, তাহলেই আসবে। নইলে এইটাই আখেরি বোনাস হিসেবে ধরে নিন।
আরজু বলেছেন:
অনেক দিন পর। বস মনে হচ্ছে খুব ই ব্যাস্ত ইদানিং , (সেটাই ই স্বাভাবিক),তারপর ও লিখবেন, আমরা আপনার লিখার আশায় থাকি।নতুন জায়গা নিয়ে কিছু লিখবেন খুব শীঘ্র্ই - এই আশায় ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আস্তে আস্তে লিখবো।
কাঙাল মামা বলেছেন:
মজা পেলাম
লুনা ফিরোজ বলেছেন:
মাকড়শা বাইকের ছবি দেখার ইচ্ছে ছিল!
এই টয়লেট ব্যবহারের জন্য তো মনে হয় প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসের ব্যবস্থা করতে হবে, পানির গতি আর দিকের উপর ভালো আইডিয়া না থাকলে কেলেংকারি হয়ে যাবার সম্ভাবনা।
কুত্তা আমার ২ চোখের বিষ, আর যেরকম বাঘা কুত্তার ছবি দিলেন, এইটা গাছে বাঁধা থাকলেও ১০০ হাত দূর দিয়া যাবো।
লেখক বলেছেন: নাহ, পানির সিস্টেম কেলেঙ্কারিপ্রুফ ![]()
কুকুরটা কেমন যেনো নেকড়েগোছের। আমি পুকুরের অন্য পাশ দিয়ে গেছিলাম ঐ দিন।
জুল ভার্ন বলেছেন:
ইন্টারেস্টিং! জানার আছে কত কিছু!
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
হা হা হা .... আসলেই কুকুর আর বিড়াল একসাথে আনতে দিলে কি যে হতো কে জানে ... তবে আরেকটা কথা স্বীকার করতেই হবে, গুগল অন্য কম্পানীর চেয়ে আলাদা, নাইলে অফিসের ভিতরে কুকুক নিয়ে যাওয়ার পারমিশনের কথা এই প্রথম শুনলাম রাগীব ভাই ।
লেখক বলেছেন: আসলে টেক কোম্পানিগুলো শুরুতে এরকম প্রচন্ড মজার জায়গা থাকে। অন্যদের ক্ষেত্রে কোম্পানি বড় হলো খুব ফরমাল হয়ে যায়, কিন্তু গুগল এখনো কৈশোরে রয়ে গেছে। সের্গেই ব্রিন আর ল্যারি পেইজ এখনো টুটা ফাটা জিন্স আর কেডস পরে ঘুরে (যদিও প্রত্যেকে ১৬ বিলিয়ন ডলারের মালিক!!)। কর্মীদেরও একই দশা। ব্রিন এমনকি দুপরের দিকে অন্যদের সাথে গুগলের ক্যাম্পাসের মধ্যখানে ভলিবল পর্যন্ত খেলতে নেমে যায়।
পরমানন্দ বলেছেন:
আমেরিকাতে কুকুর হয়ে জন্মালে মনে হয় গুগলপ্লেক্স ভ্রমণ করতে পারতাম....সরি.... একটু ফান করলাম।
আরিফ বল্গ বলেছেন:
রাগিব ভাইয়া আপনার আগের পোষ্টগুলো অনেক আগেই পড়েছি । আমার জন্য ওগুলো খুব প্রেরনাদায়ক । ধন্যবাদ ।
মাহফুজ খান বলেছেন:
খুবই ভালো লেগেছে।
শায়েরী বলেছেন:
কুত্তা মিঞাই মালিককে নিয়ে যাচ্ছিলো বলা চলে!! Hahaha moza pelam
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















.jpg)





.jpg)





