যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষা -- আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু তথ্য
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১০
(বিভিন্ন সময়ে এই বিষয়ে অনেকে মেইল করেন, তাই এক বারে সবার জন্য কিছু তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করছি। )
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর যাই হোক না কেনো, একটা দিক থেকে বিশ্বে প্রথম সারিতে, তা হলো এখানকার উচ্চতর শিক্ষা ব্যবস্থা। মার্কিন গ্র্যাজুয়েট পর্যায়ের শিক্ষাব্যবস্থা (অর্থাৎ পিএইচডি বা মাস্টার্স) বেশ সমৃদ্ধ, এবং শিক্ষার্থীদের যথেষ্ট খাটতে, পড়তে, লিখতে, ও উপস্থাপন করতে হয়। অন্যান্য অনেক দেশে যেমন কোর্সওয়ার্ক ছাড়াই সরাসরি ৩ বছরে পিএইচডি ডিগ্রি দিয়ে দেয়া হয়, এখানে তা নয়, বরং শুরুতে ২ থেকে ৩ বছরে নানা উচ্চতর কোর্স করার পরে বাকি ৩ বছর গবেষণা করলে তবেই পিএইচডি ডিগ্রি মেলে। তাই মার্কিন উচ্চতর শিক্ষা সারাবিশ্বের শিক্ষার্থীদের কাছে বেশ কাংক্ষিত।
এদেশের উচ্চতর পর্যায়ে অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীই বিদেশী, অন্তত প্রকৌশল ও বিজ্ঞান ক্ষেত্রে। আমার সাবেক ভুট্টাক্ষেত বিশ্ববিদ্যালয় ৪০০ গ্র্যাজুয়েট ছাত্রের মধ্যে সম্ভবত ৩৫০ এর বেশি ছিলো বিদেশী। এদের মধ্যে চীনাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হয়। জনসংখ্যার হিসেবে বাংলাদেশ থেকে বরং অনেক কমই আসে এদেশে উচ্চতর পর্যায়ে।
শিক্ষাখাতে মার্কিন সরকার খরচও করে বিপুল পরিমাণ। উদাহরণ দেই, আমার সাবেক ভুট্টাক্ষেত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০০ পিএইচডি পর্যায়ের ছাত্রদের মধ্যে এমন কাউকে দেখিনি, যে পূর্ণ ফান্ডিং পায়নি। সবাইই হয় গবেষনা সহকারী, বা শিক্ষা সহকারী হিসেবে ফান্ড পায়। বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে এই হারটা একটু কম, কিন্তু তার পরেও অধিকাংশই ফান্ড পেয়ে থাকে।
ভর্তি প্রক্রিয়া
এবার দেখা যাক, এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রক্রিয়াটা কীরকম --
আবেদন-
ভর্তির মৌসুম শুরু হয় সাধারণত নভেম্বর থেকে, আবেদন নেয়া হয় ডিসেম্বরের মাঝামাঝি বা জানুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত।
অধিকাংশ জায়গাতেই যা যা লাগে তা হলো
- স্টেটমেন্ট অফ পারপাস (একটা রচনা)
- ২ বা ৩টি রেকমেন্ডেশন লেটার বা সুপারিশপত্র
- টোফেল স্কোর
- (অনেক ক্ষেত্রেই) জিআরই স্কোর
- (কোনো কোনো ক্ষেত্রে) সাবজেক্ট জিআরই স্কোর
স্টেটমেন্ট অফ পারপাস (আমি কী হনুরে, কেনো এখানে আসবো রে, ইত্যাদি)
স্টেটমেন্ট অফ পারপাস হলো মোটামুটি ২ পৃষ্ঠার একটি রচনা, যাতে লিখতে হয় নিজের সম্পর্কে, কেনো এই বিষয়ে আগ্রহ, কেনো এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আগ্রহ, ইত্যাদি বিষয় নিয়ে। ভর্তির ক্ষেত্রে এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ। এটা খুব সাবধানে লেখা দরকার, বেশ সময় নিয়ে হলেও। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা অন্যদের থেকে বা নেট থেকে জোগাড় করা রচনা নিজের নামে চালিয়ে দেয়, যা ধরতে পারা যায় খুব সহজেই।
"আমার দেখা সেরা ছাত্র"
রেকমেন্ডেশন লেটার বা সুপারিশপত্র নিতে হয় শিক্ষকদের কাছ থেকে। দুঃখজনক ব্যাপার হলো, আমাদের দেশে শিক্ষকেরা চিঠিগুলো লেখেন না, সাধারণত ছাত্রকেই লিখে আনতে হয় নিজের রেকমেন্ডেশন, আর শিক্ষকেরা কেবল তা সই করে দেন। মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিপ্রক্রিয়ার সাথে জড়িত অনেকের সাথে কথা বলে দেখেছি, তারা এই ব্যাপারটি জানেন ভালোই। তাই ভারতীয় উপমহাদেশের দেশগুলো হতে আসা রেকমেন্ডেশন তারা খুব একটা পাত্তা দেন না। অনেক ক্ষেত্রেই "এই ছাত্র আমার দেখা সেরা ছাত্র"-টাইপের লেখা একই শিক্ষক একই বছরে একাধিক ছাত্রকে লিখে দেন, তাতে বোঝা যায়, কপিপেস্ট চিঠিতে সই করেছেন মাত্র।
টেস্ট স্কোর
টোফেল বা জিআরই স্কোর মূলত ব্যবহার করা হয় আবেদনকারীদের প্রাথমিক বাছাইয়ে, স্কোরের নিম্নসীমা দিয়ে অনেক আবেদনকারীকে শুরুতেই বাদ দেয়া হয়। এটা একেক বিশ্ববিদ্যালয়ে একেক রকম। অনেক জায়গায় বলে দেয়া থাকে কতো স্কোর লাগবে। আবার অনেক জায়গাতে জিআরই স্কোর দেয়া লাগে না।
কিছু কিছু বিষয়, যেমন কম্পিউটার বিজ্ঞানে বিষয়ভিত্তিক জিআরই স্কোর চাওয়া হয়। খেয়াল রাখতে হবে, এই স্কোরটি কি রেকমেন্ডেড নাকি রিকোয়ার্ড। রেকমেন্ডেড মানে "দিলে ভালো" , আর রিকোয়ার্ড মানে দিতেই হবে।
------
বাছাই
যাহোক, আবেদন করার পর শুরুতে অনেক ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির সাথে সম্পৃক্ত অফিস সহকারীরা টোফেল বা জিআরই-র কাঁচি চালিয়ে কিছু আবেদনপত্র কমিয়ে ফেলে। তার পর যা বাকি থাকে সেগুলো যায় ভর্তি কমিটির কাছে। ভর্তি কমিটিতে সাধারণত থাকে অধ্যাপকেরা, আর অনেক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের কয়েকজন প্রতিনিধিও থাকে। শিক্ষকেরা প্রধানত স্টেটমেন্ট অফ পারপাস নামের রচনাটি দেখে বোঝার চেষ্টা করেন এই ছাত্রটি কেমন হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই আবেদনপত্রগুলোকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয় শিক্ষকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে, (১) হ্যাঁ (২) না (৩) দেখা যাক।
হ্যাঁ গ্রুপে যারা আছে, তাদেরকে শুরুতেই ভর্তি ও ফান্ডিং এর প্রস্তাব পাঠানো হয়। ভালো ছাত্রদের টেনে আনার জন্য অনেক সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্লেন ভাড়া/হোটেল ভাড়া দিয়ে এসব ছাত্রদের বেড়াতে নিয়ে আসে বিশ্ববিদ্যালয়ে। (আমার সাবেক গ্রুপের এক ছাত্রকে জাপান থেকে এনেছিলো)। ছাত্ররাও এসময় মুফতে একাধিক জায়গায় ঘুরে বেড়ায়, অধ্যাপক ও পুরানো ছাত্রদের সাথে কথা বলে, তার পর সিদ্ধান্ত নেয় কোথায় ভর্তি হলে। এটা অনেক সময় ফেব্রুয়ারি মাসেই জানানো হয়।
প্রথম দফায় যাদের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, তারা কেউ কেউ রাজী না হলে ২য় দফায় ভর্তির প্রস্তাব দেয়া হয়। এই দফার প্রস্তাব আসে অনেক সময় মার্চ বা এপ্রিলে।
মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অলিখিত চুক্তি অনুসারে ফান্ডিং সহ ভর্তির প্রস্তাব গ্রহন করলে এপ্রিল মাসের ১৫ তারিখের মধ্যেই লিখিত কমিটমেন্ট দিতে হয়। ১৫ তারিখ পেরিয়ে গেলে আর ভর্তির সিদ্ধান্ত পালটানো যায় না।
পরামর্শ
১) স্টেটমেন্ট অফ পারপাস ভালো করে লিখুন। হুট করে লিখবেন না। মাস খানেক সময় নিয়ে ভালো করে লিখুন। নেট থেকে বা বড় ভাইদের থেকে নেয়া "চোথা" ব্যবহার করবেন না। ওগুলো ভর্তি কমিটির লোকজন দেখলেই চিনতে পারে।
২) রেকমেন্ডেশন লেটার ভালো করে লিখতে বলুন শিক্ষককে। তাতে আপনি ঐ শিক্ষকের ক্লাসে/কোর্সে কেমন করেছেন, আপনি নিজের উদ্যোগে কাজ করতে পারেন, এই রকমের কথা লিখতে বলুন।
৩) টেস্টগুলো ছাত্রাবস্থাতেই দিয়ে ফেলুন। ছাত্রাবস্থা শেষ করে চাকুরিরত অবস্থায় টেস্ট দেয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে।
(ছবিটি আমার সাবেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের alma mater নামের ভাস্কর্য, আমার তোলা, উইকিতে দেয়া)
(আমি কেবল প্রকৌশল ও বিজ্ঞান বিষয়ের উচ্চতর শিক্ষার ব্যাপারেই ওয়াকিবহাল, কাজেই এই তথ্যগুলো এসব বিষয়ের জন্যই প্রযোজ্য)
(এই সংক্রান্ত আরো বিস্তারিত তথ্য ও সহায়িকা বুয়েটের কম্পিউটার কৌশল বিভাগের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের ওয়েবসাইট http://www.csebuet.org/advice.html এ পাবেন।)
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ভর্তি, পিএইচডি, উচ্চতর শিক্ষা ;
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: দুঃখজনক হলেও সত্যি, দেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয় কী রকম, বিদেশী ভর্তি কমিটির লোকজনের পক্ষে তা বোঝা কঠিন। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কোনো র্যাংকিং নেই -- এটা একটা সমস্যা।
সাবেকি সিস্টেমের নম্বরকে কতো শতাংশ হচ্ছে, তা হিসাব করে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস থেকে একটা চিঠি পাঠাতে পারেন। আর ক্লাসে অবস্থানটাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ।
লেখক বলেছেন: আর মাথায় এখন নাই। (মানে আছে, কিন্তু তথ্যের পরিমাণ বেশি, কাজেই লেখার ফরম্যাটে মাথায় নাই)। কিছু বাদ গেলে জানিও, পরে লেখার চেষ্টা করবো।
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন:
আমি মেডিকেল নিয়া কিছু কনফিউজড..............শুনেছি USMLE তে নাকি IELTS একসেপ্ট করে???
যদিও আপনার পোস্টের সাথে সামন্জস্যপূর্ন না তবুও ব্যাপারটা জানা থাকলে জানাবেন............
লেখক বলেছেন: USMLE এর জন্য কোনো ইংরেজি টেস্ট স্কোর লাগে না। (আমার স্ত্রী এটা পাশ করেছেন, কাজেই এই জিনিষটা ভালো করে জানি)।
বাংলাদেশেই স্টেপ ১ ও স্টেপ ২ সিকে দেয়া যায়, তবে সিএস দিতে হলে এখানে আসা লাগবে।
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
কনফিউসড হয়ে যাই তখনি , যখন দেখি সিনিওর একজন ফার্স্ট আর এ শীপ নিয়ে যাচ্ছেন ...... মাস্টার্স করতে , তার ঠিক পরের বছর ই আরেকজন দ্বিতীয় বিভাগ অনার্সে ... একটু ভালো জি আর ই স্কোর নিয়ে ফুল ফান্ডিং পেয়ে টেক্সাস এ গেলেন ...... ওখানে কোন ফ্যাকাল্টির রিকমেন্ডেশন পেলে সেটা মনে হয় অনেক সুবিধা করে দেয়।
ধন্যবাদ ভাইয়া!
লেখক বলেছেন: শুধু আন্ডারগ্র্যাজুয়েটের স্কোর তো আর সব কিছু নির্ধারণ করে না, স্টেটমেন্ট অফ পারপাসের অনেক গুরুত্ব, তা ছাড়া সিভিতে অন্য কী আছে (পেপার, প্রজেক্ট) সেগুলোর প্রভাবও আছে।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
গুরুদেব, মেধার দিক থেকে গরীব ছাত্র বা ব্যাক বেঞ্চারদের সুপারিশ পত্র দিতে স্যারদের যে কার্পণ্য, অনীহা, বিরক্তি মাখা অনাগ্রহ সেটির ভুক্তভোগী অনেক ছাত্র। এক অধ্যাপককে দেখতাম একটির বেশি অধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাডের কাগজ নষ্ট করতে রাজি নন। তিনি ছাত্রকে বলছেন, এই একটা কপি থেকে ফটোকপি করে নিয়ে এসো, বাকি গুলোতে স্বাক্ষর করে দিব। মুষ্টিমেয় কিছু শিক্ষক ছাড়া অনেকেই অনলাইনে সুপারিশ পত্র বা কোন ধরনের যোগাযোগে আগ্রহী নন। নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বাইরে গেলে নিজের বিশ্ববিদ্যালয়েরই সুনাম, এ কথার নূন্যতম ধারও ধারেন না। অনেক শিক্ষক এক মাস আগে সুপারিশ পত্র দিব বলে গড়িমসি করায় দেখা গেল রেকো জমাদানের ডেড লাইন শেষ, এত টাকা খরচ করে আবেদন করা ছাত্রটি একটা সম্ভাবনা নষ্ট হল। অনেক শিক্ষক আবার ধমকে দেন, অন্য জায়গায় দেখো, আমি রেকো দিইনা বা সময় নেই।সেখানে ভাল করে সুপারিশ পত্র করে দিতে বলাটা ভয়াবহ অশিষ্টাচারের পর্যায়ে পড়ে যায় মনে হয়।
ভৌত বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে আন্ডারগ্রাডে যাদের রেজাল্ট ৬০% এর নিচে অথবা মেধাস্থান ৩০ এর পরে তাদের খুব ভাল জি আর ই স্কোর বা গোটা কয়েক পাব্লিকেশন নিয়েও ফান্ডি পেতে ব্যর্থ হতে দেখেছি অনেক।
লেখক বলেছেন: রেকমেন্ডেশন লেটার লেখার ব্যাপারে শিক্ষকদের অনীহাটা আসলেই সত্যি। ব্যাকবেঞ্চার কেনো ... ভালো ছাত্রদেরকেও বিনা কারণে ঘুরাতে শিক্ষকেরা বেশ মজা পান। ক্ষমতা ফলানো আর কি ...
পরের জিনিষটার কারণ হলো বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে একেবারেই না চেনা। আমাদের শিক্ষকেরা গবেষণার ক্ষেত্রে এতোটাই অনীহা প্রকাশ করেন যে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নাম কেউ জানে না। কাজেই সেখান থেকে আসা একজন ছাত্রকে কীভাবে মূল্যায়ণ করা যায়, তা বুঝতে পারাটা ভর্তি কমিটির পক্ষে কঠিন।
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন:
ধন্যবাদ.................কানাডার ক্ষেত্রেও কি এক?? ওদের ওয়েবসাইটে দেখলাম টোফেল চায়..........এজন্য আমি একজনরে জিগ্গেস করায় তিনি বলেছিলেন USMLE তে টোফেল না হলেও চলে..........
লেখক বলেছেন: কানাডার মেডিকেল সিস্টেমের পরীক্ষা পুরো আলাদা, আর তার সম্পর্কে আমি জানি না। মার্কিন মেডিকেল সিস্টেমের লাইসেন্সিং পরীক্ষাতে ইংরেজি পরীক্ষা লাগে না, কারণ ব্যবহারিক পরীক্ষাতে একবারে ওটা যাচাই করা হয়ে যায়।
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন:
মানে IELTS হলেও হয় আর কি!!
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
+++++
চয়ন কান্তি বলেছেন:
বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বিকৃত করে ভুট্টা ক্ষেত বলার মাহাত্ব কি? বুয়েটকি তাহলে গরুর হাট? লেখক বলেছেন: আমার প্রোফাইলের শিরোনাম দেখুন।
অথবা গুগল ম্যাপসে স্যাটেলাইট ভিউ দিয়ে ঐ এলাকা দেখুন।
ভুট্টার বিভিন্ন অত্যাধুনিক প্রজাতি উদ্ভাবনে এই বিশ্ববিদ্যালয় দুনিয়া জুড়ে খ্যাত। এখানে একটি স্থানে ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে ভুট্টা চাষ নিয়ে গবেষণা চলছে। ভুট্টার জনপ্রিয় প্রজাতি সুইট কর্ন এখানকার একজন বিজ্ঞানীর আবিস্কার।
আমিনুল ইসলাম বলেছেন:
একটা স্বপ্ন।তবে কোনোদিন সত্যি হবে বলে মনে হয় না।
(এরচেয়ে কিছু বলার মতো মাথায় কিছু নেই। ইচ্ছেটা এতোই তীব্র যে.....)
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন:
ধন্যবাদ..................জানিনা...কি হবে..........তবে কানাডার পিআর পেয়ে যাওয়ায় ইচ্ছে আছে দুই দেশের পরীক্ষা দেবার.....তবে সবার কাছ থেকে শুধু নিরাশ হবার মতো কথা শুনি......
খুব নাকি কঠিন,,,,,,,,,,বাঙ্গালীদের নাকি সাফল্যের হার অনেক কম!!!
এসব এসব..............সব নেগেটিভ কথাবার্তা
লেখক বলেছেন: কানাডাতে বাংলাদেশী ডাক্তারদের লাইসেন্স পাওয়া প্রায় অনিশ্চিত। খুব অল্পই পায়। সে তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে কিছুটা সহজ।
ইসানুর বলেছেন:
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। কখনো হয়ত কাজে দিতে পারে ।
মুহিব বলেছেন:
যদিও ছাত্র হিসেবে আমি একেবারেই এলেবেলে তবুও জেনে রাখলাম। কারও না কারও তো কাজে লাগবেই।
অক্টোপাস বলেছেন:
চমৎকার লিখেছেন। অশেষ কৃতজ্ঞতা!
জেরী বলেছেন:
+++
পাপী বলেছেন:
ভালো লাগলো। কাজে দিবে।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
বস, পয়লা আমি বুয়েটের না, আমার রেজাল্ট অনার্সে তলানীতে। তাই মাস্টার্স করতে আসছি দেশের বাইরে সার্কিট ডিজাইনে। এইখানে দেখি খুব বেশী প্রাকটিক্যাল বেজড। প্রথম মনে হইছিলো আমি ফেল করুম। পরে যখন প্রেজেন্টেশন দিলাম আর তারপর প্রতিক্রিয়া যা দেখলাম এখন মনে হইতাছে মনের মধ্যে কিছু আত্মবিশ্বাস হইছে। আমার সাবজেক্ট সার্কিট ডিজাইন।আমার আঈএলটিএস স্কোর ৬.৫ কিন্তু এইখানে আমি পুরা ইংলিশে পড়তাছি ইউরোপে। দুই এক সেমিস্টার পর মনে হয় আরও বড় কিছু প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করবো যদিও এখনও বাকী!
পাশ করার পর আমার নিজেরও ইচ্ছা আছে পিএইচডি করার। সেক্ষেত্রে আমার কি লাগবে? জিআরই বা জার্নাল কিছু লাগবে?
জার্নাল লিখবার বা তাতে কাজ করবার জন্য একটু খোজ খবর নিচ্ছি সবাই বলছে ওয়েট করতে আরও কিছু এ্যাডিশনাল কোর্স করতে, কি করবো একটু উপদেশ দরকার!
লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের ছাত্রদের সমস্যা হবার কথা না। কারণ ভারতের অখ্যাত সব কলেজের ছেলেপেলে এসে টিকে থাকতে পারলে বাংলাদেশের ছাত্ররাও পারবে ভালোই।
পিএইচডি যুক্তরাষ্ট্রে করতে হলে জিআরই লাগার সমূহ সম্ভাবনা। অবশ্য একেবারে উপরের দিকের কিছু জায়গাতে জেনারেল জিআরই চায় না, বদলে সাবজেক্ট জিআরই চায়।
জার্নাল বাধ্যতামূলক না, কিন্তু থাকলে তো খুবই ভালো। আপনার যে সুবিধাটা তা হলো এখন এমন একটা জায়গায় পড়ছেন, যার মান কী রকম তা ভর্তি কমিটি বুঝতে পারবে।
আর কাজ ভালো হলে জার্নালে পাঠাবার অতিরিক্ত কষ্টটুকু করা ভালো, আখেরে কাজ দিবে।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
পোস্ট পর্যবেক্ষন বস!
বিডি আইডল বলেছেন:
উদাসী জার্মানির ডিগ্রীর সারা দুনিয়া জুড়েই দাম আছে প্রফেশনাল বেজড বলে...জার্ণাল অবশ্যই লাগবে....আপনার সুপারভাইজারের সাথে আলাপ করেন....যে কাজ করছেন সেটাতে যদি নতুনত্ব থাকে এমনিতেই ১-২ জার্ণাল হয়ে যায়...মন্তব্য রাগিবের জন্য...আমি একটু ফাউ ঢু মারলাম
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
মাগার আঈএলটিএস/জিআরই/ রেজাল্ট: এগুলার ব্যাপারটা?
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
সিজির সাথে স্কলারশিপ অথবা ভর্তির সম্পর্কটা নিয়ে কিছু বললেন না? ঐটা নিয়ে তো সবচাইতে বড় চিন্তা।
লেখক বলেছেন: জিপিএ গুরুত্বপূর্ণ তো বটেই। কিন্তু আসলে যা দেখা হয় তা হলো "ক্লাসে অবস্থান" (র্যাংক) । ৩.৯২ আর ৩.৯৫ এর পার্থক্য করাটা ব্যবহারিকভাবে অনেক ক্ষেত্রেই হয় না, (আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনেক সময়েই দশমিকের পর মাত্র ১ ঘর জিপিএতে ব্যবহার করা হয়, যেমন ৩.৯, ৩.৮)।
তদুপরি, কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করেছেন, তাও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের নামই আমেরিকাতে কেউ জানে না, কাজেই আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ আগে যদি ওখানে গিয়ে থাকে, তাহলে আপনার আবেদনের সময়ে সুবিধা হবে।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
বস, সবই তো লাগবো দেখতাছি। আমার মাথা ঘুরে! নিজেরে সুপারম্যান বানাইতে হইবো আম্রিকা যাইতে হইলে পুরা ফান্ডিং লইয়া!
লেখক বলেছেন: এতো চিন্তার কিছু নাই।
১) ভালো স্টেটমেন্ট অফ পারপাস
২) ভালো রেকমেন্ডেশন
৩) ন্যুনতম টেস্ট স্কোর (টোফেল/জিআরই-তে কে বেশি কে কম সেটা এরা কমই দেখবে, আসলে দেখবে কারে কারে লিমিটের নিচে স্কোর বলে বাদ দেয়া যায়, ব্যস)।
৪) মাস্টার্স যেহেতু বাইরে করছেন, তাই সেই দিক থেকে সুবিধা পাচ্ছেন তিনটা -- পেপার পাবলিশ করতে পারেন এই রিসার্চের উপরে, প্রফেসরের রেকমেন্ডেশন পাবেন যা নকল বলে কেউ সন্দেহ করবে না, আর কেমন ইউনি থেকে আসছেন, তা ধারণা করতে পারবে ভর্তি কমিটি।
সবুজ আরেফিন বলেছেন:
তথ্যবহুল পোষ্ট। ধন্যবাদ রাগিব ভাই......
সাদাকালোরঙিন বলেছেন:
আমি ইইউ এর এরাসমাস মুন্ডাস স্কলারশীপ নিয়ে পড়ছি ন্যানো এবং বায়ো ফোটনিক্স এ। আমার ইউনিভার্সিটি তিনদেশ মিলিয়ে ফ্রান্স, স্পেন, পোল্যান্ড। ডিগ্রীও তিন ইউনিভার্সিটির মিলিত ডিগ্রী। আর আমার হোস্ট প্রতিস্ঠান ENS de Cachan ঠিক ইউনিভার্সিটি না । এটাকে এরা বলে গ্রান্ড ইকোল, অ্যাপ্লাইড সায়েন্স এবং ইন্জিয়ারিং এ ফ্রান্সে অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠান । মজার ব্যাপার হলো ফ্রান্সের শিক্ষা ব্যবস্থায় ইউনিভার্সিটির চেয়েও এধরনের গবেষনা ইনস্টিটিউটের দাম বেশি। আমি খুব কনফিউজড যে এধরনের ভিন্নধর্মী ডিগ্রী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আমেরিকায় কিভাবে মূল্যায়ন করবে ? যদিও ইউরোপে গ্রান্ড ইকোলের গ্রহনযোগ্যতা প্রশ্নাতীত।
লেখক বলেছেন: ফরাসি ইকোলগুলোর নাম সারা বিশ্বজুড়েই রয়েছে। কাজেই চিন্তার কিছু নেই। মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অন্তত ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কথা ভালো করেই জানে।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
গুরুদেব, বায়োমেডিকেলে দেখি আপনার জনস হপকিন্স বিশ্বের ১ নম্বর। এমআইটি, হার্ভাড, বার্কলেরও উপরে। আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রী দীপু মনিও ওখানকার গ্রাজুয়েট। তা বাংলাদেশ থেকে আন্ডারগ্রাড করা ছাত্র কেমন আছে আপনার ওখানে?
লেখক বলেছেন: হপকিন্স বায়োমেডিকেলে ১ নম্বর, আর মেডিকেলেও আমেরিকাতে ১ বা ২ নম্বর। গবেষণার জন্য পুরো আমেরিকাতে সবচেয়ে বেশি সরকারী অনুদান পায় এরাই। তার উপরে এখানকার পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগারটাও বেশ বিখ্যাত।
এখানকার একজন অধ্যাপিকা এবার চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন। এই নিয়ে এখানকার মোট নোবেলজয়ীর সংখ্যা হলো ৩৩।
ভাবারূ বলেছেন:
চমৎকার ঝরঝরে এবং তথ্যবহুল একটি পোষ্ট! একটি বিষয় জানতে চাচ্ছি সেটা হল.. আমাদের এখানে ( নিউজিল্যান্ডে ) চাইলেই যে কেউ যেকোন বয়সে যেকোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারে। আমরিকা-তেও কি এরকম কিংবা সেখানে কি কোনও বয়সসীমা আছে ভর্তি বা একাডেমিক লেখাপড়ার ক্ষেত্রে ? বিভিন্ন ঝামেলায় প্রায় দু-তিন বছর পিছিয়ে গেছি লেখাপড়ায়। এই কারণে এ-প্রশ্ন।
------
অফ দ্যা টপিক
আপনার এই পোষ্টে "রাগিব" নামটা পড়তে গিয়ে বেশ কয়েকবার "গরিব" বলে মনে হচ্ছে। পরে আবার খেয়াল করলে দেখি যে না ঠিকই আছে। এটা কি ফন্টের সমস্যা ? নাকি আমার "dyslexia"?
লেখক বলেছেন: যুক্তরাষ্ট্রেও পারে। তবে আপনাকে আপনার স্টেটমেন্টে কিংবা সিভিতে একটু ব্যাখ্যা করতে হবে মাঝে ব্রেক কেনো হলো ও সেসময় কী করেছেন।
আমাদের সাথে অনেকেই (মার্কিনী) শুরু করেছিলো, যারা কয়েক বছর চাকুরি করে আবার পড়তে এসেছে।
---
অফ টপিক
এখানে ফন্টের কোনো সমস্যা নেই। নামও ঠিকই আছে, কাজেই হয়তো আপনারই দেখার সমস্যা? ![]()
স্নো হোয়াইট বলেছেন:
উপকারী পোস্ট। থ্যাঙ্ক্যু।
দ্রোহ বলেছেন:
বস অসংখ্য ধন্যবাদ এই উপকারী পোস্ট টার জন্য। "Broadband Wireless Access'' মানে "LTE" "WiMAX" এর PHY/MAC layer রিসার্চ এ ইউএসএ এখন কি অবস্থা বলতে পারেন? মানে মন্দা এর পরে এখন এইসব এ ফান্ড কি পাওয়া যাবে?আমি VLSI/Nanotech/Semiconductor এর চেয়ে এই দিকটাতেই কাজ করতে আগ্রহী।
ইউনি স্টেট আর রিসার্চ ফিল্ড সিলেকশন এ আপনার পরামর্শ চাই গুরুদেব
লেখক বলেছেন: আমি নেটওয়ার্কিং লাইন সম্পর্কে বেশি কিছু জানি না। আপনি বিভিন্ন উপরের দিকের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের সাইট ঘেটে দেখতে পারেন, তারা এই বিষয়ে গ্রান্ট পেয়েছেন কি না। তারা টাকা পেলে সেই টাকায় ছাত্র নেন।
ন্যানোটেকনলজি এখন হট টপিক। বায়োটেক ও তাই।
ইউনিভার্সিটি নির্বাচনের সময়, বিশেষ করে পিএইচডি পর্যায়ে, জায়গাটা কেমন তা দেখা ভালো। কারণ -২০ ডিগ্রি সেঃ তাপমাত্রায় ৫ বছর থাকাটা বিশেষ সুখকর না।
নীলতারা বলেছেন:
ভাইয়া,আপনি তো নেটের সবই জানেন! আমাকে ফ্রিল্যান্স কাজের ব্যাপারে কিছু পরামর্শ দেন না, ভাই! আমার মেইল আইডি-
নুভান বলেছেন:
ভাইয়া, সালাম নেবেন। পিএইচডি কোর্সে বৃত্তি পাবার জন্য মাস্টার্স লেভেলে টেকনিক্যাল পেপার থাকার গুরুত্ব কতটুকু, সে বিষয়ে জিজ্ঞাসা ছিলো আমার। যেমন, ডোমেস্টিক কনফারেন্স-এ পেপার থাকলে পিএইচডি-র ক্ষেত্রে সেটা কিভাবে ইভাল্যুয়েট হয়?
লেখক বলেছেন: ডমেস্টিক কনফারেন্সের পেপারের গুরুত্ব অনেক কম। অবশ্য এসিএম বা আইইই এর স্পন্সরশিপে কনফারেন্স হলে অন্য কথা। ডমেস্টিক কনফারেন্সে পেপার বাছাই কী করে হয়, নিজের চোখে দেখা, কাজেই দুঃখজনক হলেও ওসব কনফারেন্সের মান কম।
মাস্টার্স লেভেলে কিছু রিসার্চ পেপার পাবলিশ করাটা অনেকখানেই আশা করে। কারণ আন্ডারগ্রাজুয়েট পর্যায়ে রিসার্চ না থাকাটা স্বাভাবিক, কিন্তু ২ বছরের মাস্টার্স পর্যায়ের কাজ অনেকাংশে বইপড়ে পরীক্ষা দেয়ার বদলে রিসার্চ করা হিসাবে ধরা হয়।
চৈতি রহমান বলেছেন:
খুব দরকারী লেখা।
চরিত্রহীণ বলেছেন:
ভাল, বাচ্চা প্রকৌশলীদের খুব কাজে লাগবে এই পোস্ট। +
দ্রোহ বলেছেন:
বস আপনার কাছে আরেকটা জিনিস জানার ছিলোসেটা হচ্ছে আপনি বিএসসি এর পরেই মানে ডিরেকট পিএইচডি কে কিভাবে দেখেন?আমি সম্প্রতি বেশ কয়েকজন কে এইটার জন্য ফান্ড পাইতে দেখসি অথচ শুধু এমএস এ ফান্ড পাওয়া তো মনে হয় খুব ই টাফ
আমার প্রশ্ন হচ্ছে জিনিসটা খুব ই রিস্কি কিছু কিনা ?মানে ফুল ফান্ড না পাওয়া গেলে ও কি এমএস এ যাওয়াই সেইফ ?আমি পিএইচডি এর বেপারে প্রায়ই ভয়াবহ কাহিনী শুনি
আমারে একজন বলছে প্রফেসর যদি মনে করেন বিএসসি এর পরে ই তুমি উনার সাথে কাজ করার যোগ্য,তাইলে ভয় কি?বেপারটা আসলেই কি তাই ?নাকি নিজের লেভেল টা ভালো ভাবে বুঝার জন্য আর রিসার্চ মেচুরিটি এর জন্যে এমএস টা আগে করলে ভালো?
আপনি কি মনে করেন বস?এভারেজ বিডি স্টুডেন্ট এর রেসপেক্টে বললেই ভালো হ্য়
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আমিও এটার জন্যই ফান্ড পেয়েছিলাম। মাস্টার্স পর্যায়ে সহজে কেউ ফান্ড পায় না। অন্তত প্রথমে তো পায়ই না।
পিএইচডিতে আসতে সমস্যা নেই। যুক্তরাষ্ট্রে অনেক কিছুই বেশ ফ্লেক্সিবল, কাজেই টপিক পালটানো, এমনকি ডিগ্রিপ্রোগ্রাম পাল্টানোও ব্যাপার না।
ডাইরেক্ট পিএইচডি করতে করতে অনেকেই মাস্টার্স ডিগ্রি নিয়ে ফেলে।
পিএইচডি শেষ করতে না পেরে ফেরত আসা -- এসব কাহিনী ১০-১৫ বছর আগে চালু ছিলো। ইদানিংকালের মধ্যে কারো এমন হতে শুনিনি। আর ৫/৬ বছর ধরে কাজ করার পরে ডিগ্রি শেষ না হবার বা না পারার কোনো কারণই নেই। ভারত/চীনের গাব পোলাপান যদি পারে, বাংলাদেশের গড়পড়তা ছাত্ররাও অনেক ভালো ভাবেই পারবে।
আমি বাংলাদেশের একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রিক্যাল এ বিএসসি শেষ করতে যাচ্ছি।
মাষ্টার্স বাইরে করতে চাই। জিআরই স্কোর কত লাগতে পারে? আর সিজিপি কত চায় তারা?...........
আপনার সিভিলের কিছু বন্ধুর লিঙ্ক দেন প্লীজ
লেখক বলেছেন: চিন্তার কিছু নাই। আমার এক বন্ধু ৩ এর নিচে বা কাছাকাছি নিয়ে পাস করেছিলো। মাস্টার্সে ভালো ফল করেছে। এখন অক্সফোর্ডে পোস্টগ্রাজুয়েট ডিগ্রি নিচ্ছে!!!
শেহাব বলেছেন:
যারা সিজিপিএ কম বলে (নিজেদের ভাষায়) টেনশন করছেন তাদেরকে বলি। সহজ ভাষায় এডমিশন কমিটির কাছে আপনাদের এপ্লিকেশন প্যাকেজকে অন্যকিছু দিয়ে পুষিয়ে দিতে হবে। এই তো? আপনারা জি.আর.ই. টা ভাল করে দেন। তারপর নিজের পছন্দের এরিয়াতে কোন দেশি বা ইন্ডিয়ান কনফারেন্সে হলেও কিছু কাজ পাবলিশ করার চেষ্টা করেন। আর এপ্লাই করার সময় একটু খোঁজ নিবেন ওই প্রফেসরের ফান্ড কেমন আছে। তবে কোন লোকের ফান্ড আছে বলেই আবার বলে বসবেন না আপনি তার সাথে কাজ করতে চান। আপনার ভাল লাগতে হবে এরিয়া টা।
?জকির! বলেছেন:
আপনার ব্লগ ও সাথের কমেন্ট গুলো খুব ই দরকারি। আমি এ বিষয় নিয়ে অনেক চিন্তা করতাম। আপনি সহজ করে দিলেন। অনেক ধন্যবাদ
রুহু্ননবী বলেছেন:
@রাগিব ভাই ঃধন্যবাদ সাহস পাইতাছি ...... আমি কি ওইখানে ফান্ডিং পামু?@ শেহাব ভাইঃ ভাই ...IEEE এর কনফারেন্স পেপার আসে ৩টা ...... কিন্তু সিজি নাই ...... জি আর ই স্কোর কি রকম লাগবে?
ব্রাত্য বালক বলেছেন:
বিজনেস স্টাডিজ সেক্টরে কোনও ইনফরমেশন দিয়ে হেল্প করতে পারেন ? বর্তমানে ব্যাঙালোর ইউনিভার্সিটিতে বিজনেস ম্যানেজমেন্টে গ্রাজুয়েশন করছি।ভারতের ইউনিভার্সিটিগুলোর ক্ষেত্রে কী কী দেখে ?
নিঃসঙ্গ নির্বাসন বলেছেন:
স্যার। আপনাকে একটা প্রশ্ন করবো। তার আগে একটু কপি পেস্ট।২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৬
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: অনার্স কিংবা মাস্টার্স এর দেশের স্কোর কিংবা রেসাল্টের ব্যাপারে ?
এখানে রিকয়্যারমেন্ট কি একদম ই নেই ? যখন রেসাল্ট সিস্টেম এখনো সাবেকি আমলের ... ? সেক্ষেত্রে কি জি আর ই একমাত্র দেখার বিষয় মেধার বিচারে ?
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২০
লেখক বলেছেন: দুঃখজনক হলেও সত্যি, দেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয় কী রকম, বিদেশী ভর্তি কমিটির লোকজনের পক্ষে তা বোঝা কঠিন। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কোনো র্যাংকিং নেই -- এটা একটা সমস্যা।
সাবেকি সিস্টেমের নম্বরকে কতো শতাংশ হচ্ছে, তা হিসাব করে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস থেকে একটা চিঠি পাঠাতে পারেন। আর ক্লাসে অবস্থানটাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ।
হায়লা রিদওয়ান বলেছেন: কনফিউসড হয়ে যাই তখনি , যখন দেখি সিনিওর একজন ফার্স্ট আর এ শীপ নিয়ে যাচ্ছেন ...... মাস্টার্স করতে , তার ঠিক পরের বছর ই আরেকজন দ্বিতীয় বিভাগ অনার্সে ... একটু ভালো জি আর ই স্কোর নিয়ে ফুল ফান্ডিং পেয়ে টেক্সাস এ গেলেন ......
ওখানে কোন ফ্যাকাল্টির রিকমেন্ডেশন পেলে সেটা মনে হয় অনেক সুবিধা করে দেয়।
ধন্যবাদ ভাইয়া!
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৪
লেখক বলেছেন: শুধু আন্ডারগ্র্যাজুয়েটের স্কোর তো আর সব কিছু নির্ধারণ করে না, স্টেটমেন্ট অফ পারপাসের অনেক গুরুত্ব, তা ছাড়া সিভিতে অন্য কী আছে (পেপার, প্রজেক্ট) সেগুলোর প্রভাবও আছে।
বুয়েট এর সি এস ই ০৫ এর টিচার কল্লোল স্যার (উনি এখন শিক্ষা ছুটিতে, ফুল ব্রাইট স্কলারশিপ পেয়েছেন,) এর কাছে স্কলারশিপের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে উনি সি জি পি এ এর উপর অনেক গুরুত্ব দেন। তাহলে কি এখন খারাপ সিজি পি এ নিয়ে ভালো জি আর ই থাকলেও স্কলারশিপ পাওয়া যায় না?
লেখক বলেছেন: ফুলব্রাইট অনেকাংশে পলিটিকাল ব্যাপার। মানে বাংলাদেশেই ঠিক করা হয় কে পাবে সেটা। সেটার হিসাব তাই আলাদা।
যুক্তরাষ্ট্রে "স্কলারশিপ" পেয়ে পিএইচডিতে যাওয়াটা খুবই ভালো প্রোফাইলের কেউ ছাড়া অন্যদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব।
রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ কিন্তু স্কলারশিপ না।
নিঃসঙ্গ নির্বাসন বলেছেন:
০৫ না। ০৩ ব্যাচ এর।
আমি অতি সাধারণ বলেছেন:
আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ মাস্টার্স এ পড়ছি । আপনার ইমেইল অ্যাড্রেস টা কি দেয়া জায়? আপনার সাথে কিছু কথা বলতাম । কিছু কথা জিজ্ঞেস করার আছে। ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: গুগলে আমার নাম দিয়ে সার্চ করলেই ইমেইলটা পাবেন।
জাফরিন বলেছেন:
ভাইয়া আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে অনার্স করেছি। ডিপার্টমেন্টে ফার্স্ট হয়েছি(৪ এ ৩.৭১)। এখন আমি দেশের বাইরের ভাল কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাস্টার্স এবং পিএইচডি করতে চাই। সেক্ষেত্রে আমার জন্য আপনার করণীয় কী? ফুল স্কলারশিপ কি পাওয়া সম্ভব?
পরামর্শ পেলে কৃতজ্ঞ থাকব।
লেখক বলেছেন: অভিনন্দন, জাফরিন।
আপনি ফুলব্রাইট বা এই ধরণের বৃত্তির ব্যাপারে খোঁজ নিতে পারেন। বিজ্ঞানের বাইরের অনেক বিষয়েই ফান্ডিং পাওয়া বেশ কঠিন, তবে অসম্ভব নয়। আপনার ফলাফল যেহেতু ভালো, সেহেতু আপনি অবশ্যই ফান্ডিং এর ব্যাপারে আশা রাখতে পারেন। শুভকামনা রইলো।
জাফরিন বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ পরামর্শের জন্য। আমি নেটে এ বিষয়ে পড়ে বোঝার চেষ্টা করছি। তবে ভাইয়া, আপনি যেহেতু অনেক অভিজ্ঞ, তাই ফুলব্রাইট স্কলারশিপ বিষয়ক একটি পোস্ট দিলে আমাদের সবার অশেষ উপকার হবে। যদি সম্ভব হয়.....অনুরোধ জানিয়ে গেলাম।
(আমার আগের মন্তব্যের ভুল সংশোধনী: "সেক্ষেত্রে আমার জন্য আপনার করণীয় কী?" এর পরিবর্তে "সেক্ষেত্রে আমার করণীয় কী?" হবে)
ভাল থাকুন ভাইয়া।
লেখক বলেছেন: ফুলব্রাইট সম্পর্কে আমার একেবারেই কোনো ধারণা নাই। আমি যখন স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোনা করতাম, তখন প্রকৌশলে এই বৃত্তি দেয়া হতো না (এখন দেয়া হয়)। কাজেই এই বৃত্তিটির সম্পর্কে খোঁজ নেয়া হয়নি কখনোই। যেহেতু ঢাবির নানা বিষয়ে অনেক আগে থেকেই এই বৃত্তি দেয়া হতো এবং আপনাদের অনেক শিক্ষক এর নির্বাচক কমিটিতে আগে থেকেই আছেন, সেহেতু তাদেরকে এই ব্যাপারে প্রশ্ন করে দেখতে পারেন।
আর ইন্টারনেটকে কাজে লাগান। নানা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সাইটে খোঁজ নিয়ে দেখুন সেখানে কী কী ফান্ড আছে আর তাদের ছাত্রদের সাইটে গিয়ে ইমেইল যোগাড় করে যোগাযোগ করে দেখুন।
লেখক বলেছেন: দেখুন, আমি আসলে কম্পিউটার বিজ্ঞানের ব্যাপারেই জানি। অন্য কোনো বিষয়ে বিস্তারিত আমার পক্ষে বলা সম্ভব না।
জাফরিন বলেছেন:
আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই আপনাকে। আপনার পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করব। আর সফল হলে অবশ্যই জানাব। শুভকামনা!
রায়হান কবীর বলেছেন:
রাগিব ভাই, বাংলাদেশিদের জন্য usmle দিয়ে কোন কোন বিষয়গুলোতে resedency পাওয়া সহজ হয়? বেসিক সায়েন্স যেমন প্যাথলজি বা মাইক্রোবায়োলজিতে কেমন সুযোগ? আমি সাবজেক্ট পছন্দ করা নিয়ে কনফিউসড
লেখক বলেছেন: প্যাথলজিতে পাওয়া সহজ হতে পারে। একেবারেই কঠিন হলো ইন্টার্নাল মেডিসিন, সার্জারি, ইত্যাদি। পেডিয়াট্রিক মেডিসিন, কিংবা জেরিঅন্টোলজিতেও সহজ হবার কথা, কিংবা সাইকিয়াট্রি।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















এখানে রিকয়্যারমেন্ট কি একদম ই নেই ? যখন রেসাল্ট সিস্টেম এখনো সাবেকি আমলের ... ? সেক্ষেত্রে কি জি আর ই একমাত্র দেখার বিষয় মেধার বিচারে ?