যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষা - কীভাবে লিখবেন স্টেটমেন্ট অফ পারপাস
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫২
স্টেটমেন্ট অফ পারপাস -- এ এমন এক রচনা, যার উপরে উচ্চতর পর্যায়ে ভর্তির অনেক কিছুই নির্ভর করছে। মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিয়ম হলো, মাস্টার্স বা পিএইচডি পর্যায়ে পড়ার আবেদন করার সময়ে নিজের উপরে একটা রচনা লিখতে হয়। এতে বলতে হয় নিজের সম্পর্কে, কেনো এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বা এই বিষয়ে পড়তে আগ্রহী, এসব কিছু।
সমস্যা হলো, স্কুল কলেজ থেকেই আমরা "নতুন বাংলা রচনা" ধাঁচের লেখা মুখস্ত করে চলি, কাজেই নিজে থেকে রচনা লেখার অভ্যাসটা অনেকেরই থাকে না। কিন্তু ভর্তির আবেদনের এই স্টেটমেন্টটা অবশ্যই লিখতে হবে নিজেকে, একেবারে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত। তাই এখানে তুলে ধরছি এই গুরুত্বপূর্ণ রচনাটি লেখার জন্য কিছু পরামর্শ।
কোরো নাকো কপিপেস্ট
বছর সাতেক আগে যখন ভর্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম, তখন দেখতাম, বুয়েটে আমার সহপাঠী কিংবা সিনিয়র ভাইদের কম্পিউটারে বিভিন্ন ততোধিক সিনিয়র ভাইদের স্টেটমেন্টের কপি ("চোথা") থাকতো। সময় বাঁচাতে অনেকেই আরেকজনের স্টেটমেন্ট এদিক সেদিক করে চালিয়ে দিতো। কিন্তু মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির লোকজন এতো গাব নয় মোটেও। বছরের পর বছর ধরে একই লেখা দেখতে দেখতে তারাও বিরক্ত, কাজেই এরকম রিসাইকেল করা লেখা পেলে সেটার ফল কী হয়, বলাই বাহুল্য।
কাজেই স্টেটমেন্ট লেখার জন্য প্রথম পরামর্শ হলো, অন্য কারো নমুনাকে এদিক সেদিক করে চালাবার কাজটা কখনোই করবেন না। নিজে লিখুন।
বিরত থাকুন GRE-বিদ্যা জাহির করা থেকে
স্টেটমেন্ট লেখার সময় আরেকটা ভুল হলো, বিশাল বড় বড় সব বাক্য, আর জিআরইতে সদ্য শেখা জটিল সব শব্দের ব্যবহার। একটা ধাক্কা যুক্তরাষ্ট্রে এসে সবাই খায়, তা হলো, আমাদের দেশে শেখা "ভালো ইংরেজি" এখানে অনেকটা অচল। আমরা বিশাল বিশাল, একাধিক বাক্যাংশের যে রীতিতে বাক্য লিখতে শিখি, মার্কিনীরা তা মোটেও পছন্দ করে না। কাজেই এক বাক্য এক লাইনের বেশি গেলেই ওদের পড়তে/বুঝতে সমস্যা হয়, খেই রাখতে পারে না। কাজেই বাক্য যথাসম্ভব সংক্ষিপ্ত রাখতে হবে, আর একাধিক বাক্যাংশের জটিল বাক্যগঠনের অভ্যাস বাদ দিতে হবে। শব্দ চয়নের ক্ষেত্রেও তাই। জিআরই-এর জন্য যেসব শব্দ শেখা হয়, ওগুলো বাস্তব জীবনে কেউ ব্যবহার করে কি না সন্দেহ, তাই নিজের বাহাদুরি দেখাতে গিয়ে ওসব শব্দ ব্যবহার করলে পাঠক চরম বিরক্ত হবে নিঃসন্দেহে।
তাহলে কী লিখবেন?
স্টেটমেন্টে তাই লিখুন নিজের কথা। কেনো পড়তে আগ্রহী হলেন আপনার বিষয়টি। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে কোন কোর্স কেনো ভালো লাগলো, কীরকম কাজ করেছেন তা গল্পের ভাষায় (সিভিতে কোর্সের বিশাল বৃত্তান্ত আছেই, কাজেই এখানে গল্পাকারে লিখতে হবে)। কেনো উচ্চতর শিক্ষা চান (চাপা না মেরে লিখুন), কেনো বেছে নিলেন এই বিশ্ববিদ্যালয়। আসলে, এটা লেখার সময়ে ধরে নিন, আপনার সামনে বসে আছে ভর্তি কমিটি, তাদের পটিয়ে ভর্তি হতে হবে, কাজেই নিজেকে যথাযোগ্য প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করতে মাত্র ৫ মিনিট কথা বলার সুযোগ পাবেন। সেই সময়ে কী বলবেন, তাই লিখতে হবে আপনার স্টেটমেন্টে।
লিখুন সময় নিয়ে
স্টেটমেন্টটা কিন্তু হুট করে লিখে ফেলার কিছু না। এটা লেখার জন্য ২/৩ সপ্তাহ সময় নিন। একবার লিখুন, তার পর কয়েকদিন পরে পড়ে দেখুন পাঠকের দৃষ্টিতে, কী লিখেছেন। দরকার হলে বন্ধু বা সিনিয়র কাউকে দেখান। যারা ইতিমধ্যেই উচ্চতর পর্যায়ে আছেন, তাদের বলুন একটু দেখে দিতে। বানান শুদ্ধ রাখুন। বানান বা ব্যকরণ ভুল হলে কিন্তু সুন্দর করে লেখা একটি স্টেটমেন্টও কাজ দেবে না। স্পেল চেকারের উপরে ভরসা করবেন না, স্টেটমেন্ট লিখে প্রিন্ট করে তার পর কাগজটা লাইন বাই লাইন পড়ে দেখুন ঠিক আছে কি না।
ফরম্যাটিং
আর স্টেটমেন্ট দেখতে কেমন, তাও কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। ফন্ট খুব বেশি ছোট ব্যবহার করবেন না। ১১ বা ১২ হলে ভালো। অনেক প্রফেসরের বয়সই কিন্তু ৪০ এর উপরে, আর চশমার কারণে তারা ১০ ফন্টের লেখা পড়তে পারেন না বা অনেক কষ্ট করে পড়েন। টেক্সট লেফট জাস্টিফাইড, আর স্পেসিং সিঙ্গল বা ১.৫ স্পেসিং দিলে ভালো। ৫/৬ প্যারার বেশি না লেখাই ভালো। সব মিলিয়ে দেড়পৃষ্ঠার মধ্যে শেষ করা উচিৎ। এর বেশি আসলে কেউ পড়ার ধৈর্য্য রাখতে পারেনা।
---
স্টেটমেন্ট অফ পারপাস ভর্তির একটি গুরুতপূর্ণ নিয়ামক। কাজেই সময় নিয়ে, চিন্তা ভাবনা করে, তবেই লিখুন।
---
বুয়েটে আমার পরের ব্যাচের ছাত্র হেলালী মর্তুজা (এখন মাইক্রোসফটে আছেন) একটা চমৎকার পরামর্শ নিবন্ধ লিখেছেন এই ব্যাপারে, এটা পড়ে দেখতে পারেন ।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): উচ্চশিক্ষা ;
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
শ্রাবনের ফুল বলেছেন:
প্রিয়তে
তারেকবিডি বলেছেন:
সোজা প্রিয়তে......
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
প্লাস দিয়া লই আগে...
সৌরভ১৩ বলেছেন:
প্রিয়তে ...
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ..
শ্বেত সওদাগর বলেছেন:
প্রিয়তে।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
কিছু কিছু ওয়েসবসাইট আছে যারা স্টেটমেন্ট অব পারপাস এর ড্রাফট কপি জমা করে রাখছে ওইগুলা দেখে করতে গেলে তো খবরই আছে।
লেখক বলেছেন: সে আর বলতে!! দশ বছরের পুরানো স্টেটমেন্টও তারা ঐখানে জমা করে রেখেছে। অথচ এইগুলা পাবলিক বহুকাল ধরে দেখে আসছে।
ডিএইচ৫০০ বলেছেন:
ফুল স্কলারশিপ পেতে হলে অনার্সে কি পরিমাণ স্কোর থাকতে হবে?আরেকটা কথা জানার ছিল, ইউকে থেকে অনার্স করলে কি জিআরই লাগবে?
সেক্ষেত্রে কি বাড়তি কোনো সুবিধা পাওয়া যাবে?
লেখক বলেছেন: অনার্সের স্কোরের ধরাবাঁধা কোনো নিয়ম নেই। ক্লাসে অবস্থান, এবং কোনো বিশ্ববিদ্যালয় -- এই দুটি বিষয়ের গুরুত্ব অনেক বেশি। সাধারণত পিএইচডি পর্যায়ে স্কলারশিপ পায় অল্পই -- বাকিরা সব পায় রিসার্চ বা টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ, আর টিউশন ফি মওকুফ।
ব্রিটেন থেকে পড়লেও জিআরই লাগতে পারে, কিন্তু এটা আসলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন রকম।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
আচ্ছা ভাইজান, উচ্চুশিকখা নিতে না চাইলেও কি এই ইসটেটমেন্ট অপ পারপোছ লেখতে হৈবে? না লেইখ্যা কি বাচন যাইবে না?
লেখক বলেছেন: লিখে রাখেন। উচ্চশিক্ষায় কাজে না আসলেও ঘটকের কাছে সিভির সাথে দিয়ে দেবেন ![]()
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
গুরুদেব, সপে ওমুক প্রফের ল্যাবের কর্মকান্ড ভাল লেগেছে, বা তমুক প্রফের কাজ কর্মের ধারার সাথে আমার আগ্রহ, অনুপ্রেরণা মিলে যায়- এভাবে ল্যাব বা প্রফের নাম উল্লেখ টা কী ঠিক হবে? কিংবা মেইলের মাধ্যমে কোন প্রফ যদি ফান্ড নিশ্চিত করে, তাহলে শুধু ঐ প্রফের নাম ও তার ল্যাবের ব্যাপারে আগ্রহের কথা শেষে এক প্যারায় লিখা উচিৎ? ভাল সপ গুলোর শুরু হয় প্রচন্ড কৌতূহল উদ্দীপক গল্প বা বাক্য দিয়ে, যা মোটিভেশনের পেছনের কাহিনী শোনায় এবং শুরু থেকেই পাঠকের পড়ার মনযোগ ধরে রাখে।
লেখক বলেছেন: প্রফেসরের নাম উল্লেখ করলে তা ব্যাকফায়ার করার সম্ভাবনা আছে। কারণটা বলি -- অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট দেখে প্রফেসরের নাম ধাম / রিসার্চ বের করে, আর সেটা লিখে। কিন্তু ওয়েবসাইট অনেক ক্ষেত্রেই ২/৩ বছর আপডেট করা হয়নি এমনও হয়, ফলে ততক্ষণে হয়তো সেই প্রফেসরও নাই,কিংবা ঐ প্রজেক্টও শেষ।
তদুপরি, প্রফেসরদের মধ্যে পলিটিক্সও কম না, একজন যদি দেখে যে অন্য জনের নাম / গুণগান গাওয়া হয়েছে, মেজাজ খারাপ হয়ে যেতে পারে তার। এজন্য নাম উল্লেখ না করে বিষয় ভালো লাগে, এই ধরণের কথা বলা ভালো।
আর কেউ যদি ফান্ড দিবে বলে গ্যারান্টি দেয়, তাহলে অবশ্য তার কথা লেখা চলে।
দূর দিগন্ত বলেছেন:
রাগিব ভাই কি মাস্টার্স বাংলাদেশ থেকে করেছিলেন নাকি আমেরিকা থেকে?মাস্টার্সের পর কি পিএইচডি তে ঢুকার নির্দিষ্ট সময় আছে?
লেখক বলেছেন: আমি UIUCতে ডাইরেক্ট পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হয়েছিলাম। মাস্টার্স করাটা বাধ্যতামূলক ছিলো না। তবে আমি একটু বাড়তি কাজ করে ২০০৫ এ UIUC থেকেই মাস্টার্স নিয়েছিলাম।
মাস্টার্সের পরে পিএইচডিতে ঢোকার কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই।
বিডি আইডল বলেছেন:
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: আচ্ছা ভাইজান, উচ্চুশিকখা নিতে না চাইলেও কি এই ইসটেটমেন্ট অপ পারপোছ লেখতে হৈবে? না লেইখ্যা কি বাচন যাইবে না?
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
আরেকটা জিনিস। স্টেটমেন্ট অফ পারপাস লেইখা প্রথমে সামুতে পোষ্ট হিসাবে দিতে হইব। সকল ব্লগাররা সেইখানে মতামত দিব যে এই স্টেটমেন্ট অফ পারপাসে কাম হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু। হাজার হইলেও জনমত বইলা কথা।
লেখক বলেছেন: কিন্তু যেই হারে কপি পেস্ট চলে, তাতে এইখানে কিছু দিলে তা পরের দিনেই এই ব্লগ থেকে শুরু করে ব্লগান্তরে কপিপেস্ট হতে থাকবে, আসল জায়গার কথা নাহয় বাদই দিলাম।
বিডি আইডল বলেছেন:
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: আরেকটা জিনিস। স্টেটমেন্ট অফ পারপাস লেইখা প্রথমে সামুতে পোষ্ট হিসাবে দিতে হইব। সকল ব্লগাররা সেইখানে মতামত দিব যে এই স্টেটমেন্ট অফ পারপাসে কাম হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু। হাজার হইলেও জনমত বইলা কথা। উত্তম প্রস্তাব..
নুভান বলেছেন:
ভাইয়া আরেকটা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করি, যদিও এটা এসওপি বিষয়ক না, তা হলো, পি এইচ ডি তে স্কলারশিপ পাবার ক্ষেত্রে আন্ডারগ্র্যাজুয়েটের সিজিপিএ বড় বিষয় নাকি মাস্টার্সের? ধরুন কারোও আন্ডারগ্র্যাজুয়েটের সিজিপিএ খারাপ কিন্তু মাস্টার্সে বেশ ভালো, তখন সে ছাত্রটিকে স্কলারশিপ দেবার সময় কি আন্ডারগ্র্যাডের সিজিপিএ দিয়ে বিচার করা হবে?
লেখক বলেছেন: সাধারণত সর্বশেষ ডিগ্রির রেজাল্টই বিবেচ্য।
জানজাবিদ বলেছেন:
প্রিয়'তে নিলাম। বউ-বাচ্চা ফেলে এখন আর দূরে কোথাও যেতে মন চায়না। তবে মানুষের মন বলে কথা...........।অঃটঃ আমি চট্টগ্রাম কলেজের ছাত্র ছিলাম '৯৩ ইন্টার।
রনি রাজশাহী বলেছেন:
সোজা প্রিয়তে।
পাপী বলেছেন:
++
বকুল০৮ বলেছেন:
+++
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আমার চোথা মারা এসওপি পাল্টাইতে হইবো মনে হয়! নিজে তো করছি আরো ৫ জনরে কপি কইরা দিছি!তয় এইখানে যেই ভাবকায়দা বুঝতাছি সব ইমপ্লিমেন্টেশন। দুইটা লেকচারের পরেই ল্যাবে গিয়া সব হাতে কইরা দেখায় এমনকি সিগনাল এন্ড সিস্টেমস অথবা ডিএসপি অথবা সেন্সর যাই একটু পড়ায় সেইগুলার হাতে নাতে ইমপ্লিমেন্টেশন....কিন্তু একটা থিওরীর ডেরিভেশন পড়ায় না অথবা ঐটার ডীপে যাইতে পয়লাই মানা করে যদি না হাতে অনেক টাইম থাকে। খালি বলে কোথায় কাজ করে কেমনে কাজ করে আর কেমনে কামে লাগাইবা!
তবে আপনের লিংকের ঐখান পড়লাম, সিজিপিএ আর পেপার থাকলে মনে হয় প্রভাবক হিসাবে কাজ করবে!
সামনে মেলা খাটতে হইবো যা দেখতাছি! কিছুদিন আগে পরীক্ষা দিছি, দেখি রেজাল্ট কেমুন হয়!
লেখক বলেছেন: এটা হয়তো ইউরোপীয় কায়দা। মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে থিওরিও ভালোই পড়ায়। থিওরির ডেরিভেশন আমার ধারণা বাংলাদেশ বাদে আর কোথাওই পড়ায় না। কারণ যেই জিনিষ কেউ প্রমাণ করে রেখেছে, তা মুখস্ত করে লাভ কী!
মাস্টার্সে আছেন, এই পর্যায়ে যা করবেন তাই দেখবে পরের লেভেলে। আগের জিনিষ আর অতো দেখবে না। কাজেই এইখানে যা পারেন চেষ্টা করতে থাকেন।
কাঠের খাঁচা বলেছেন:
গুরু আপনার কমেন্ট পায়া পেন ড্রাইভ আর র্যামের পুষ্ট ডিলিট কইরা দিসি।আমার অল্প বিদ্যা ভয়ংকরি আর কি।
আপনার পোষ্ট ইদানিং গোগ্রাসে গিলছি। হায়ার স্টাডিজে বাইরে যেতে চইতো তাই।
লেখক বলেছেন: আরে না, ঐ পোস্টে তো সমস্যা ছিলো না। ফ্ল্যাশ ড্রাইভের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে, বিশেষ করে সস্তাগুলো (MLC প্রযুক্তির)। তার চাইতে র্যাম কিনে ব্যবহার করা অনেক ভালো এটাই বলতে চাইছিলাম। আপনার পোস্টে কোনো সমস্যা নাই।
শাফ্ক্বাত বলেছেন:
ইস, আমার মেয়ে দুইটা কবে যে বড় হবে!!ছোটবেলা থেকে গ্রুমিং করা যায়না, যাতে বড় হয়ে রাগিব-জারিয়ার মত হতে পারে?!!
কালোজাম বলেছেন:
+*
বিকাশ দাশ বলেছেন:
ভালই তো, দয়া করে সহায়ক তথ্যও পোস্ট করুন।
জনাব বলুন খান বলেছেন:
একটা সেম্পল স্টেটমেন্ট অফ পারপাস ছাপিয়ে দিলে অনেকেই উপকৃত হতো বলে আমার বিশ্বাস।
লেখক বলেছেন: স্যাম্পল না দেয়াই ভালো। কারণ অধিকাংশ মানুষই সেই স্যাম্পলটাকে সরাসরি ব্যবহার করবে। আর অধিকাংশ প্রচলিত "চোথা"ই অতি ব্যবহারে বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে সবারই চেনা হয়ে গেছে।
জনাব বলুন খান বলেছেন:
স্ট্যাটমেন্ট অফ পারপাসে চোথা মারা তেমন দোষের কিছু নেই বলেই বললাম যে স্যাম্পল দিলে ভালো হতো। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই আছে যেখানে এটি ঠিক মতন পড়েও দেখা হয় না।
লেখক বলেছেন: "অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই আছে যেখানে এটি ঠিক মতন পড়েও দেখা হয় না"
আসলে সেগুলোকে বিশ্ববিদ্যালয় বলা যাবে কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন আছে। টাকা দিলেই ভর্তি হওয়া যায়, এমন প্রতিষ্ঠান সবখানেই আছে। ন্যুনতম মান আছে, এমন যেকোনো জায়গায় মাস্টার্স বা পিএইচডি পর্যায়ে স্টেটমেন্ট অফ পারপাস অবশ্যই ভালো করে সবার আগে দেখে।
"স্ট্যাটমেন্ট অফ পারপাসে চোথা মারা তেমন দোষের কিছু নেই বলেই ..."
কপি পেস্ট করার অভ্যাস সব ক্ষেত্রেই ক্ষতিকর ও "দোষের", আর এই পর্যায়ে তো আরো বটেই। নকল করে লেখা স্টেটমেন্ট সহজেই ধরা যায়।
জনাব বলুন খান বলেছেন:
লেখক বললেন - "আসলে সেগুলোকে বিশ্ববিদ্যালয় বলা যাবে কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন আছে। টাকা দিলেই ভর্তি হওয়া যায়, এমন প্রতিষ্ঠান সবখানেই আছে। ন্যুনতম মান আছে, এমন যেকোনো জায়গায় মাস্টার্স বা পিএইচডি পর্যায়ে স্টেটমেন্ট অফ পারপাস অবশ্যই ভালো করে সবার আগে দেখে। "আমি আপনার এ মন্তব্যের সাথে এক নয়। আপনার প্রফাইল দেখে বুঝতে পারলাম যে আপনি যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন যারা হয়ত রেংকিংএ খুব ভালো অবস্থানে আছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে এই টপ ফিফটি বা হান্ড্রেড রেংকিংএর মধ্যে নেই এমন আরো শ'খানেক (প্রায় হাজারের কাছে বললেও ভুল হবে না,) বিশ্ববিদ্যালয় আছে যেগুলোর মান আপনার ভাষাতেই নূন্যতমের চেয়ে অনেক উপরেই আর সেসব বিশ্ববিদ্যালয়েও মাষ্টার্সে ভত্তি্ হতে হলে ঠিক জিআরই বা জিম্যাট দিতে হয় আর একই সাথে স্টেটম্যান্ট অফ পারপসও দিতে হয়। তবে স্টেটম্যান্ট অফ পারপাস খুবই গুরুত্বের সাথে পড়ে দেখা হয় বা কারো স্ট্যাটম্যান্ট অফ পারপাসটি ভালো হয়নি এমনটি দেখিয়ে কারো এ্যাডমিশন দেওয়া হয়নি এমনটি কখনো শুনিনি। বরং অনেককেই দেখেছি একই স্ট্যাটম্যান্ট অফ পারপাস একটু ঘুরিয়ে ফিরিয়ে লিখে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্ত্তির জন্য জমা দিতে। কেউ যদি খুবই তুখোড় কোন মেধাবী ছাত্র/ছাত্রী যে কিনা আমেরিকার শীর্ষস্থানীয় (একেবারে শীর্ষস্থানীয়) কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টাস বা পিএইডি পর্যায়ে ভর্তির জন্য এপ্লাই করছে সেক্ষেত্রে তাদেরকে খুবই দক্ষতার সাথে স্টেটমেন্ট অফ পারপাস লিখতে হয়। তবে বিগত কয়েক বছর ধরে অনেক অনলাইন কোম্পানীই পয়সার বিনিময়ে এ কাজটি করে দিচ্ছে অনেকেরই জন্য। যেমন - Click This Link
কিংবা
Click This Link
এরকম আরো শখানেক সাইটা আছে যারা এ কাজগুলো করে থাকে।
আর কপিপেস্ট করা সবক্ষেত্রে দোষের বা ক্ষতিকর কিছুই নয়। অনেক সময় এটি মানুষের অযথা সময় নষ্ট রোধ করে থাকে। আর স্টেটমেন্ট অফ পারপাস এমনই একটি জিনিষ এটি কপিপেস্ট করার মধ্যে তেমন দোষের কিছু নেই। খুব কম বিশ্ববিদ্যালয়ই এটি ঘুটিয়ে ঘুটিয়ে চেক করে।
লেখক বলেছেন: "আর স্টেটমেন্ট অফ পারপাস এমনই একটি জিনিষ এটি কপিপেস্ট করার মধ্যে তেমন দোষের কিছু নেই। খুব কম বিশ্ববিদ্যালয়ই এটি ঘুটিয়ে ঘুটিয়ে চেক করে।"
সেই আশাতেই থাকুন ![]()
জনাব বলুন খান বলেছেন:
আশা নই, অভিজ্ঞতা থেকেই কথাগুলো বলা।
মাহফুজ খান বলেছেন:
রাগিব ভাই আপনাকে দেখে ভালো লাগলো। কেমন আছেন?
তারিক রিদওয়ান বলেছেন:
ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটির জন্য, অনেক তথ্যবহুল, অনেক কাজের....... :-)My dream is MIT......
আট আনা বলেছেন:
প্রিয়তে নিলাম।
অর্পণ দেব বলেছেন:
ভালো লাগল।
স্বপ্নশহর বলেছেন:
অনেক কাজের পোস্ট। প্রিয়তে। আরে অর্পন......চুয়েট ।কেমন আছ হে?
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন:
দারুন একটা পোস্ট , কিছুদিন পর এই কাজে দৌড়ানি শুরু।কিন্তু ভাই, রিকোমেন্ডেশন লেটার নিয়ে খুব চিন্তাতে আছি । রেকো এর গুরুত্ব কি রকম ? আমার সিজিপিএ বেশি ভালো না তাই GRE আর রেকো/ এসওপি কেই আকড়ে ধরে রাখতে হবে
তারিকুল ঐক্য বলেছেন:
@পরিবেশবাদী ঈগলপাখিঃ চিন্তা কইরেন না - আমার সিজিও খুবই খারাপ তাও এবার ৪ টায় ফান্ড পাইসিলাম। জিআরই আর সপ আসলেই ইম্পর্ট্যান্ট। সাথে টোফেলের স্কোর (টিএ পাবার জন্য)। তবে ইউনিভার্সিটি বাছাই করবেন বুঝেশুনে। আমার করা দশটার মধ্যে আমি ৩ টায় রিজেকশন পাইছি খুব জানাশোনা প্রফেসর না হলে ওরা উপমহাদেশের রেকোকে খুব একটা গুরুত্ব দেয় না।
শুভ কামনা থাকল।
স্বপ্ন বিলাসী বলেছেন:
পোস্টটা ইউজফল!
জসিম বলেছেন:
টিপসগুলা কাজে লাগবে। বেশ কয়েকবার এরকম স্টেটমেন্ট লেখার প্রয়োজন পড়েছিল। সেখানে পূর্ণতার অভাব বুঝেছি যখন কোনো উত্তর পাইনি।
ফন্ট বা কাগজের ব্যবহার, প্যারাগ্রাফ এসব বিষয়ও অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
ভালো লাগলো।
++
তাসু বলেছেন:
জনাব বলুন খান , "আর স্টেটমেন্ট অফ পারপাস এমনই একটি জিনিষ এটি কপিপেস্ট করার মধ্যে তেমন দোষের কিছু নেই।"নকলতো নকলই.... চুরি তো চুরিই।
শিক কাবাব বলেছেন:
এর বাবা ! সবাই আম্রিকা যাইবার লাইগা প্রিয়তে ঢুকায়া রাখছে। কখন ডাক পড়ে কখন দরকার পড়ে বলাতো যায় না।
শিক কাবাব বলেছেন:
ওরে বাবা ! সবাই আম্রিকা যাইবার লাইগা প্রিয়তে ঢুকায়া রাখছে। কখন ডাক পড়ে কখন দরকার পড়ে বলাতো যায় না।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















,_1989.jpg)
