আমার প্রিয় পোস্ট

মায়ানগরের কড়চা

এক ক্ষণজন্মা প্রতিভার জীবনী - শহীদ বুদ্ধিজীবী মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৩

শেয়ার করুন:                   Facebook



জন্ম তাঁর নোয়াখালীর এক দরিদ্র পরিবারে। সেই ব্রিটিশ আমলে নোয়াখালীর মফস্বলের সোনাপুরের আহমদিয়া হাইস্কুল থেকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মেট্রিক পরীক্ষা দিয়ে ৪র্থ স্থান লাভ করেন পুরো অবিভক্ত বাংলায়। ইন্টারমিডিয়েটে পুরো বাংলায় ১ম স্থান লাভ করেন ঢাকা কলেজ থেকে। ১৯৪৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক পরীক্ষায় ১ম শ্রেণীতে ১ম হন, সেখানকার ১০০ বছরের ইতিহাসে এতো নাম্বার আর কেউ কখনো পায়নি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০ বছরের উৎসবে তাই তিনি পেয়েছিলেন স্যার আশুতোষ গোল্ড মেডেল আর সুরেন্দ্রনলিনী স্বর্ণপদক।

বাংলাদেশের এই ক্ষণজন্মা প্রতিভাটি আজ আমাদের সাথে নেই। কারণ জামাত শিবির, ও তাদের বর্তমান নেতাদের হাতে পরিচালিত আল বদর বাহিনী পাক সেনাদের সহযোগিতায় হত্যা করেছে এই জ্ঞান তাপসকে। আজ শুনুন তাঁর জীবনকাহিনী।

জামাত নেতা নিজামীর পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে আল বদর বাহিনী ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর তালিকা ধরে হত্যা করেছে তারা বাংলার এই বুদ্ধিজীবীকে। এই ঘটনার ৩৮তম বার্ষিকীতে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি সেই সব শহীদ বুদ্ধিজীবীদের, আর বুকভরা ঘৃণা পোষণ করছি রাজাকার আল-বদর, আর তাদের ছানাপোনাদের উদ্দেশ্যে।

বাংলা উইকি থেকে তুলে ধরছি এই শহীদ বুদ্ধিজীবী মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরীর জীবনী । এই জীবনী নিবন্ধটির উপরে কাজ করেছেন অর্ণব জাহিন, বেলায়েত, ও মুজতবা।

--

মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী (২২শে জুলাই, ১৯২৬ - ১৪ই ডিসেম্বর, ১৯৭১) ছিলেন মননশীল প্রবন্ধকার, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শেষ লগ্নে পাকিস্তান সেনাবাহিনী, রাজাকার , ও আল-বদর বাহিনীর বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের অংশ হিসাবে তিনি অপহৃত ও পরে শহীদ হন।

১ ব্যক্তিজীবন

মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী বর্তমান বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ববঙ্গের) নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার খালিশপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা বজলুর রহমান চৌধুরী ও মা মাহফুজা খাতুন। তিনি মাত্র নয় বছর বয়সে পিতাকে হারান। তাঁর মা মামলায় জয়লাভ করে তাঁদের পরিবারের সম্পত্তি রক্ষা করেন। ফলে মোফাজ্জল, তাঁর দুই ছোট ভাই এহতেশাম হায়দার ও লুতফুল হায়দার এবং ছোট বোন রওশন আখতার রাজিয়ার পড়াশোনা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়। তাঁর শৈশব ও কৈশোর কাটে মামার আশ্রয়ে। ১৯৫৬ সালে সৈয়দা তাহমিনা মনোয়ারা নুরুন্নাহার-কে বিবাহ করেন। তাঁদের ঘরে ১৯৬৪ ও ১৯৬৭ সালে যথাক্রমে সুমন ও শোভন নামে দুই ছেলে হয়।

২ শিক্ষা ও কর্মজীবন

মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী নোয়াখালীর সোনাপুরের আহমদিয়া হাই ইংলিশ স্কুল থেকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত মেট্রিকুলেশন পরীক্ষায় অবতীর্ণ হন ও মেধা তালিকায় ৪র্থ স্থান লাভ করেন। ১৯৪৪ সালে তিনি ঢাকা কলেজ (তৎকালীন ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ) থেকে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিয়ে মেধা তালিকায় প্রথম স্থান লাভ করেন। এরপর তিনি কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজে বাংলায় (সম্মান) ভর্তি হন। কিছুদিন পর এই কলেজ ত্যাগ করে কলকাতার প্রেসিডেন্সী কলেজে ইংরেজি অনার্স পড়া শুরু করেন। কিন্তু বাংলা বেশি ভালবাসতেন বলে শান্তিনিকেতনে চলে যান ও সেখানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস অনুসারে বাংলা (সম্মান) পড়তে থাকেন। ১৯৪৬ সালে তিনি নন-কলেজিয়েট পরীক্ষার্থী হিসেবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় অংশ নেন ও প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন। এ সাফল্যের জন্য তাঁকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় "সুরেন্দ্রনলিনী স্বর্ণপদক" প্রদান করে। পরে ১৯৫৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁকে আবারও স্যার আশুতোষ গোল্ড মেডেল দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়, কেননা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ১০০ বছরের ইতিহাসে তাঁর মত এত বেশি নম্বর পেয়ে কেউ বাংলা (সম্মান)-এ ডিগ্রী অর্জন করেনি। ১৯৪৬-১৯৪৭ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যায়ে মাস্টার্স পড়া শুরু করেন। ১৯৪৭ সালের জুলাই মাসে শান্তিনিকেতনের রবীন্দ্র-ভবনের বৃত্তি লাভ করে সেখানে ফিরে যান ও ১৯৪৮ সালে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রবীন্দ্রনাথের জীবন ও সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করে "সাহিত্যভারতী" উপাধি অর্জন করেন।

১৯৪৯ সালের নভেম্বরে মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী শান্তিনিকেন্তন ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন ও রেডিও পাকিস্তানের ঢাকা কেন্দ্রে পাণ্ডুলিপি রচয়িতা (script writer) হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৫০ সালে জগন্নাথ কলেজে প্রভাষক পদে যোগ দেন। তিনি এসময় সেন্ট গ্রেগরিজ কলেজ (বর্তমান নটরডেম কলেজ)-এও খন্ডকালীন অধ্যাপনা করেন। ১৯৫৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন।

১৯৫৭ সালে তিনি ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজ (School of Oriental and African Studies)-এ ভাষাবিজ্ঞান অধ্যয়নের জন্য বৃত্তি লাভ করেন। সেখানে দুই বছর গবেষণা করার পর কথ্য বাংলার শব্দের ছন্দোবিজ্ঞানের ওপর একটি অভিসন্দর্ভ লেখেন, কিন্তু তাঁর গবেষণার ধরন তৎকালীন মার্কিন ধারার ভাষাবৈজ্ঞানিক গবেষণাপন্থার অতিমাত্রায় অনুসারী ছিল বলে এই অভিসন্দর্ভটি প্রকাশের জন্য গৃহীত হয়নি। পরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বাংলা একাডেমী থেকে এটি প্রকাশ করা হয়।

১৯৬৪ সালে মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভাষাবিজ্ঞান পড়ার উদ্দেশ্যে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করেছিলেন। দুর্ভাগ্যবশত তাঁর এ চেষ্টা সফল হয়নি।

১৯৭০ সালে কেন্দ্রীয় বাংলা উন্নয়ন বোর্ড রবীন্দ্রনাথ বিষয়ে গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে সংবর্ধনা দেয়। একই বছরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা রীডার (পরবর্তীতে এ পদের নাম বদলে সহযোগী অধ্যাপক করা হয়) পদে নিযুক্ত হন।

৩ মৃত্যু

১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর আল-বদর বাহিনী তাঁকে তাঁর কনিষ্ঠ ভাই লুতফুল হায়দার চৌধুরীর বাসা থেকে অপহরণ করে। এর পর তাঁর আর কোন খবর পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হয় ঐ দিনই তাঁকে হত্যা করা হয়।

৪ গ্রন্থ ও রচনাবলী

* Some Supra-Segmental Phonological Features of Bengali (1959). Unpublished thesis. School of Oriental and African Studies. London.

* Colloquial Bengali (1963 and 1966). Bangla Academy. Dhaka.

* বাংলা বানান ও লিপি সংস্কার (১৯৬২)। ঢাকা।

* রবি পরিক্রমা (১৯৬৩)। ঢাকা।

* সাহিত্যের নব রূপায়ণ (১৯৬৯)। ঢাকা।

* রঙীন আখর (১৯৬৩)। ঢাকা।

এছাড়াও জীবদ্দশায় তাঁর প্রচুর অপ্রকাশিত রচনা ছিল। এগুলো সাহিত্য-বিষয়ক গবেষণা, ব্যক্তিগত ও সৃষ্টিশীল রচনা, শিক্ষা ও সংস্কৃতি, বাংলা ভাষা, চিঠি ও ভাষাবিজ্ঞান - এ ছয়টি ভাগে ঢাকার বাংলা একাডেমী থেকে ভাষাবিজ্ঞানী মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান কর্তৃক সঙ্কলিত ও সম্পাদিত মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরীর রচনাবলী শিরোনামে তিন খন্ডের বই আকারে ১৯৭৮, ১৯৮২ ও ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত হয়।

৫ পুরস্কার ও সম্মাননা

* গবেষণায় বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৭১)

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ৭১বুদ্ধিজীবী হত্যাজামাত শিবির রাজাকার এই মুহুর্তে বাংলা ছাড় ;
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫০

 

১. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪১
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: ন্যবাদ রাগিব। শহীদ মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী সহ সকল শহীদ বুদ্ধিজীবির প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী।
২. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৪
ফারহান দাউদ বলেছেন: এই ঘটনার ৩৮তম বার্ষিকীতে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি সেই সব শহীদ বুদ্ধিজীবীদের, আর বুকভরা ঘৃণা পোষণ করছি রাজাকার আল-বদর, আর তাদের ছানাপোনাদের উদ্দেশ্যে।
আমরা বুদ্ধিজীবি হত্যার বিচার চাই।

"পরবর্তীতে ১৯৫৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন।"
পরপর ২টি প্যারায় একই লাইন, এটা কি ইচ্ছাকৃত?
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, দুইবার এসেগেছিলো লাইনটা।

৩. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫০
নির্ঝরিনী বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে লেখাটির জন্য...

জানলাম অসম্ভব প্রতিভাবান শহীদ বুদ্ধিজীবী মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরীর জীবনী...

তার প্রতি রইলো গভীর শ্রদ্ধা।
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: আমরা ইনার লেখা প্রবন্ধ পড়েছি (বাংলা ভাষার উপরে) স্কুলের বইতে। কিন্তু তখন জানতাম না কীরকম প্রতিভাবান ছিলেন তিনি। ভেবে দেখুন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বিশাল একটি প্রতিষ্ঠানের ১০০ বছরের ইতিহাসে সেরা ছাত্র ছিলেন।

কুলাঙ্গার জামাত শিবির আল-বদরের কারণে এমন অনেক প্রতিভাকে আমাদের হারাতে হয়েছে। আমাদের দেশকে পঙ্গু করে দেয়া হয়েছে স্বাধীনতার প্রথম লগ্নেই।

৪. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১০
এস.কে.ফয়সাল আলম বলেছেন: আপনার কাছে কৃতজ্ঞ
কারণ আপনার মাধ্যমেই আমি শহীদ বুদ্ধিজীবী মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী সম্পর্কে অনেক তথ্য জানতে পারলাম। তার প্রতি রইল স্বশ্রদ্ধ সালাম।

ভাল থাকবেন।
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফয়সাল।

সেই সাথে অনুরোধ, এই জীবনীটা আগামী প্রজন্মের বাচ্চাদের পড়তে দিন। জানুক তারা আমাদের শহীদদের কথা।

৫. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১১
পাথুরে বলেছেন:
ধন্যবাদ রাগিব ভাই।
সশ্রদ্ধ সম্মান জানাই সকল শহীদ বুদ্ধিজীবিদের প্রতি।
৬. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৮
নির্ঝরিনী বলেছেন: পাঠ্য বইয়ে বাংলা ভাষার উপরে প্রবন্ধ পড়েছি, সেটা মনে আছে কিন্তু লেখকের নামটা সঠিক মনে ছিলো না...আশ্চর্য্যরকমের প্রতিভা!!!!!!!...উনি বেঁচে থাকলে আজ বাংলা ভাষা নিয়ে আরও কত সৃষ্টিশীল গবেষনা করতে পারতেন...

আমাদের দেশের জন্য অপূরনীয় ক্ষতি!!!!!!!!

ঐ ঘৃন্য নরপশু রাজাকার, আলবদর শুধু অমূল্য প্রতিভা শেষ করেই ক্ষান্ত হয়নি...সেইসাথে যেসব বাড়ীতে নারী, মুক্তিযোদ্ধা ছিলো সেইসব বাড়ী চিনিয়ে দিয়েছে...প্রত্যন্ত গ্রামান্চলে পাকসেনাদের যেতে সাহায্য করেছে...মোটকথা ওদের কারনে অনেক বেশী মানুষকে প্রান দিতে হয়েছে...ক্ষয়ক্ষতির পরিমান বেড়েছে...

বুদ্ধিজীবী হত্যাসহ , সকল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই....
৭. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৮
রাতফুল বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
৮. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫১
আরিয়ানা বলেছেন: সকল শহীদ বুদ্ধিজীবির প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী.
৯. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০১
আরিয়ানা বলেছেন: ওহো চমৎকার পোস্টের জন্য ধন্যবাদ দিতে ভুলে গেছিলাম। ভাল থাকবেন।
১০. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৯
স্বাধীনতার বার্তা বলেছেন: অফটপিকঃ আপনার পুরনো পোস্টগুলোতে লিঙ্কগুলো [!@@!107786 !@@!107787 !@@!107788 !@@!107789 !@@!107790] এরকম ভাবে দিয়েছেন কেন? নিজের স্টাইল নাকি?

যেমনঃ Click This Link
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: আমি ঠিকই লিখেছিলাম। আসলে ২০০৬ সালে সামহয়ারে ইউনিকোড ব্যবহার হতো না। তখনকার লেখাগুলো তাই বিজয় ফন্টে দেয়া হতো। পরে যখন ্সামহয়ার ইউনিকোডে পরিবর্তিত হলো, তখন আগের সব লেখা নতুন ফরম্যাটে আনতে গিয়ে ওরা সব কিছু ঠিকমতো আনতে পারেনি। এই লিংকগুলোর লেখা তাই হিজিবিজি হয়ে গেছে এভাবে।

১১. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৩
বাঙ্গাল বলেছেন: এই দূর্দান্ত কর্ম প্রচেষ্টার জন্য অর্ণব জাহিন, বেলায়েত, মুজতবা এবং আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
১২. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০০
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ

একটা ব্যাপার - জানেন কী না জানি না।
একটু হয়ত অফটপিক:

মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত সকল তথ্য এক জায়গায় করার চেষ্টা হচ্ছে - যে কোন ধরনের ডকুমেন্ট/ব্লগ/ছবি। যত পারা যায়, সবাইকে জানানো উচিত ব্যাপারগুলো।নিচে লিংক রেখে গেলাম।
যে যতটা পারি, নিজেদের অবস্থান থেকে এগিয়ে আসলে একটা পূর্ণাংগ ডিজিটাল লাইব্রেরী সম্ভব।

আপনার মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখাগুলো ওখানে যদি দেই, অনুমতি পাব কি? না হলে, আপনি নিজেও গিয়ে দিয়ে আসতে পারেন।

ওয়ার ক্রাইম স্ট্রাটেজি ফোরাম

ই লাইব্রেরী ১৯৭১
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে আমার অধিকাংশ পোস্ট বাংলা উইকি থেকে নেয়া। সূত্র উল্লেখ করে তাই এসব লেখা যেকোনো জায়গায় ব্যবহার করতে পারেন।

১৩. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২০
রাহা বলেছেন: ওয়েবে ছড়িয়ে থাকা সকল বাংলা ব্লগের লিস্ট এর সংকলন চলছে. আপনার কোন নিজস্ব ব্লগ থাকলে নিচের লিংক গিয়ে আপনার ব্লগের লিংকটি দিন - ওয়েবে ছড়িয়ে থাকা সকল বাংলা ব্লগের লিস্ট এর সংকলন
১৪. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১২
আসিফ রেজা রাজ বলেছেন: আপনার ওয়েবসাইটে দেখলাম, আপনি ১৫০০০০ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম হয়েছিলেন (এইচএসচি, ১৯৯৬)। ১৫০০০০ জন পরিক্ষার্থী হিসাবটা কিভাবে করেছেন একটু জানাবেন প্লিজ?

আপনি কি সারা দেশে প্রথম হয়েছিলেন নাকি চট্রগ্রাম বোর্ডে?
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০১

লেখক বলেছেন: খেয়াল করার ও মনে করিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। ওটা আসলে টাইপো, ১৫০ হাজার নয়, হবে প্রায় ৫০,০০০ এর মতো, চট্টগ্রাম বোর্ডের সব বিভাগ মিলে। একটা ১ বেশি পড়েছে। ঠিক করে দিয়েছি।

১৫. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৩
আসিফ রেজা রাজ বলেছেন: ধন্যবাদ স্যার। না বললে ওরকমই থেকে যেত তাই বলেছিলাম। কিছু মনে করবেন না আশা করি।
১৬. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০১
গরম কফি বলেছেন: বাংলাদেশের এই ক্ষণজন্মা প্রতিভাটি আজ আমাদের সাথে নেই। কারণ জামাত শিবির, ও তাদের বর্তমান নেতাদের হাতে পরিচালিত আল বদর বাহিনী পাক সেনাদের সহযোগিতায় হত্যা করেছে এই জ্ঞান তাপসকে।

কবে বিচার শুরু হবে ? আমাদের জীবনে কি দেখে যেতে পারব?
১৮. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪২
আরিয়ানা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ লেখটির জন্য। অনেক শ্রদ্ধা রইল উনার প্রতি।
১৯. ০৪ ঠা জুন, ২০১০ বিকাল ৪:০৪
নুরুন নেসা বেগম বলেছেন: অনেক শ্রদ্ধা, আপনাকে ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ০.০৫০৭ সেকেন্ড

 

© somewhere in net ltd | terms of use | privacy policy
আমি রাগিব হাসান। ভুট্টা ক্ষেতের মাঝে বসে আমি গণক মশাইকে পাহারা দিতাম। আর পাহারা দেয়ার তরিকা নিয়ে গবেষণা করতাম।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ