আমার প্রিয় পোস্ট

জাদুনগরের কড়চা

ব্যানের রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়

৩১ শে মে, ২০১০ রাত ২:০৭

শেয়ারঃ
0 18 0

ইতিহাসের আদিলগ্নে যখন থেকে মানুষ লিখতে শিখলো, তখন থেকেই শুরু হয়ে গেছে তথ্যগোপনের যুগ। শাসক গোষ্ঠী, কিংবা ধর্মগুরুদের হাতে অপছন্দের বা বিপরীত রাজনৈতিক বা ধর্মীয় মতাদর্শের তথ্য নিপীড়িত হয়েছে, বাধা দেয়া হয়েছে তথ্যের অবাধ বিস্তারে।

সেন্সরশীপের রীতিমত প্রাতিষ্ঠানিক রূপটি দিয়েছিলো রোমান সভ্যতা। ৪৪৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমে স্থাপিত হয় সরকারী সেন্সরশীপ দপ্তর, যার কাজ ছিলো ক্ষমতাশালীদের বিরুদ্ধে যায়, এমন সব তথ্য, জ্ঞান বা মতবাদের উপরে খড়গহস্ত হওয়া। সেসময়ের অন্য সভ্যতাগুলোও তৎপর হয়ে ওঠে সেন্সরশীপে, গণতন্ত্রের জন্মভূমি গ্রিসেও চালু হয় বিরোধীপক্ষীয় মতবাদ ব্যান করার প্রয়াস। এই গ্রিক সেন্সরের হাতে বলি হতে হয় দার্শনিক সক্রেটিসকে, ৩৯৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সক্রেটিসের মতবাদকে সেন্সর করা হয় হেমলক বিষের মরণকামড়ে।

প্রাতিষ্ঠানিক সেন্সরশীপ কঠোরতর হয় রোমান ক্যাথলিক চার্চের হাতে। অখ্রিস্টান, কিংবা খ্রিস্টধর্মের অন্যান্য শাখার, বা বিজ্ঞানের বিভিন্ন মতবাদ, অথবা বইপত্র গণহারে নিষিদ্ধ হতে থাকে চার্চের হাতে। ১৫৫৯ সালে পোপ চতুর্থ পল নিষিদ্ধ বইয়ের তালিকা প্রকাশ করেন। সভ্যতা এগিয়ে গেলেও বইপত্র সেন্সর করা কিন্তু থামেনি, নিষিদ্ধ বইয়ের এই তালিকাটি প্রকাশ পেয়ে চলেছিলো বিংশ শতকেও, মাত্র ১৯৬৬ সালে এই তালিকাটি ভ্যাটিকান প্রত্যাহার করে নেয়।

রাজনৈতিক কারণে বিভিন্ন মতামত/তথ্য সেন্সর করার রীতি সব স্বৈরাচারী সরকারই চালু রেখেছে ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে। নাৎসি জার্মানি, সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে শুরু করে হালের বার্মা কিংবা গণচীনের সরকার চেষ্টা করে চলেছে জনগণকে তথ্যবঞ্চিত করে রাখার, দ্বার বন্ধ করে তথ্যকে রোখার। ছাপা বইপত্রের আমলে এটা করা ছিলো বেশ সহজ। সরকারই যেখানে ছাপাখানাকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম, সেখানে গোপনে ছাপা বা হাতে লেখা ছাড়া অন্য সব কিছুকে দমন করা চলে সহজেই।

দমন-পীড়ণে পারঙ্গম এই তথ্য-খেকো সরকারগুলোর সমস্যা করে দেয় ইন্টারনেট। নব্বইয়ের দশকে গবেষণাগার থেকে আম-জনতার কাছে ছড়িয়ে যাওয়া এই ইন্টারনেটে তথ্য বিস্তার পেয়ে চলে দুর্দম গতিতে; দেশ স্থান কাল নির্বিশেষে তথ্যের অবাধ চলাচল শুরু হয়ে যায় সারা বিশ্বে। ইন্টারনেটের এই সর্বব্যাপ্ত রূপটির কারণে তথ্য সেন্সর করা হয়ে যায় রীতিমত অসম্ভব। আগে যেখানে দেশের ভেতরের বিরোধীমতবাদের কর্মীটিকে পুলিশী হয়রানী কিংবা নির্যাতন করে চাপা দেয়া যেতো তার কণ্ঠকে, সেখানে ইন্টারনেট দেশের সীমার বাইরে ছড়িয়ে দেয় সেই তথ্যের বিস্তার। দেশের জেলে-রিমান্ডে কাউকে পুরে তথ্য চাপা দেয়া চলে, কিন্তু ইন্টারনেটের আমলে হয়তো সেই তথ্যটি রয়েছে দুনিয়ার অপর প্রান্তের কোনো সাইটে, যেখানে তথ্যখেকো সরকারের দলবলের প্রভাব নেই।

তাই ইন্টারনেট সমস্যা করে দেয় গণচীন, ইরান, বার্মা, কিংবা উত্তর কোরিয়ার মতো দেশগুলোর। চীনে গণতন্ত্রকামী তরুণদের অভাব নেই, তারা চায় তাদের দেশের বর্তমান ব্যবস্থার সমস্যাগুলোর সমাধান। ইন্টারনেটের এই সর্বব্যাপ্ত তথ্য জোয়ার ঠেকাতে শুরুতে অনেক কায়দা কৌশল খাটানোর প্রয়াস চলে। বাংলাদেশের ফেইসবুক বা ইউটিউব ব্যানের মতো অতি সাধারণ কৌশল, অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে থাকা ইন্টারনেট গেইটওয়েতে ব্যান করে দেয়া হয় বিভিন্ন সাইট। কিন্তু এসব কৌশল খুব সহজেই এড়ানো যায়, প্রক্সি সার্ভার দিয়ে এসব বাধা এড়ানোটা রীতিমত ডাল-ভাত।

চীনা সরকার এটা বুঝে ফেলে অল্প দিনেই। বাংলাদেশের ফেইসবুক বিরোধী মোল্লাদের দৌড় ও স্ট্যামিনা অল্পই, রাস্তাঘাটে বাদ-জুমা মিছিল করে ফেইসবুকের কুশপুত্তলিকা পুড়িয়েই তারা খালাশ, বড়জোর সরকারকে চাপ দিয়ে কয়েকদিন লোক হাসানো ফেইসবুক ব্যান করাতে পারে, কিন্তু তার পর এই প্রজেক্টে ক্ষান্ত দেবে তারা, এ মোটামুটি জানা কথা। কিন্তু চীনা সরকারের একেবারে গোড়ায় কুঠারাঘাত করতে পারে বিরোধী মতাদর্শ। তাই ইন্টারনেট সেন্সরশীপে চীনারা নিয়োগ করেছে অত্যাধুনিকতম সব প্রযুক্তি।

বাংলাদেশের গেইটওয়ে ব্যানের মতো যেসব ব্যান-প্রযুক্তি মামুলি কৌশলে এড়ানো চলে, তা তো আছেই, তার পাশাপাশি চীনা সরকার প্রতিষ্ঠা করেছে একটি রাষ্ট্রীয় ইন্টারনেট সেন্সরশীপ ব্যবস্থা। এ নিয়ে চীনের বাইরের ইন্টারনেট প্রযুক্তিবিদদের আগ্রহের কমতি নেই, চীনের এই সেন্সর পদ্ধতির ডাকনাম দেয়া হয়েছে, দ্য গ্রেট ইন্টারনেট ফায়ারওয়াল (অর্থাৎ চীনের মহা-ইন্টারনেট-প্রাচীর)। প্রায় ৩০ হাজার সরকারী পুলিশ নিযুক্ত আছে এই প্রজেক্টে। সরকারীভাবে গোল্ডেন শিল্ড নামে পরিচিত এই প্রজেক্টে যেসব কৌশল খাটানো হয়, তার মধ্যে রয়েছে, আইপি ব্যান করা, ডমেইন নেইম ফিল্টারিং, ইউআরএল ফিল্টারিং, কিংবা প্যাকেট ফিল্টারিং। চীনের এই মহাতথ্যপ্রাচীর বিস্তৃত রয়েছে তাদের সারা দেশ জুড়েই।

খড়গহস্ত সরকারের এই তথ্য দমনের বিরুদ্ধে আশার আলো কি নেই? অবশ্যই আছে, ইন্টারনেটের প্রযুক্তিবিদেরা তথ্যের মুক্তিতে শুরু থেকেই বিশ্বাসী। তাই তথ্যখেকো সরকারদের এসব অত্যাচার এড়াতে তৈরী হয়েছে নানা কৌশল। কম্পিউটার নিরাপত্তার উপরে গবেষণার কারণে এহেন নানা পদ্ধতির কথা বিস্তারিতভাবে জেনেছি অনেকদিন ধরেই ... এগুলোর উপরে দুটি নামজাদা কনফারেন্স রয়েছে, সেখানে প্রতিবছর বিজ্ঞানীরা সেন্সরশীপ এড়াবার বিভিন্ন কৌশল উপস্থাপন করে চলেছেন।
সেন্সরশীপ এড়াবার নানা কৌশলের মধ্যে রয়েছে,


* আইপি ব্যান প্রতিরোধ (প্রক্সি সার্ভার দিয়ে এটা এড়ানো যায়),

* ডমেইন নেইম ব্যান প্রতিরোধ (সরাসরি আইপি লিখে এড়ানো যায়),

* ইউআরএল ফিল্টারিং (ওয়েব লিংক যাচাই করে নিষিদ্ধ শব্দ পেলে ব্যান করা, ভিপিএন বা এসএসএল দিয়ে এড়ানো যায়),

* প্যাকেট ফিল্টারিং (ওয়েবপেইজ সহ বিভিন্ন ডেটা প্যাকেটের ভেতরে উঁকি দেয়া, আর নিষিদ্ধ কোনো শব্দ পেলেই ঘ্যাঁচাং করে ফেলা, এড়াবার কৌশল হলো এনক্রিপশন বা তথ্যগুপ্তিকরণ)।

* অনিয়ন রাউটিং, মানে অনেকটা ভুত থেকে ভুতে পদ্ধতি। সরাসরি ফেইসবুকে যেতে সরকার বাধা দিলে তার বদলে নির্দোষ কোনো ঠিকানায় রিকোয়েস্ট পাঠানো, সেখান থেকে যাবে পরের ধাপে, এভাবে কয়েক ধাপ পেরিয়ে ফেইসবুকে যাওয়া, আর ফেরার পথে একই ভাবে সোজাপথে (যা ব্যান করা আছে) না গিয়ে ঘুর পথে ফেইসবুকের পাতাটি নিয়ে আসা, এই পদ্ধতিই হলো অনিয়ন রাউটিং (পেঁয়াজের মতোই কয়েক স্তর পেরিয়ে যাওয়া আর কি... )। আর এর সফল সফটওয়ার হলো টর। এটা ছাড়াও আল্ট্রাসার্ফ, ফ্রিগেট সহ নানা ওপেন প্রক্সি ব্যবহারকারী সফটওয়ার দিয়েও এসব বাধা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

----

তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে তথ্যখেকো সরকারদের চলছে বড়োই দুর্দিন। আগে পুলিশী হুমকি বা ব্যানের ভয়ে ছাপাখানা বন্ধ করে দেয়া চলতো, কিন্তু আজ ইন্টারনেটের আমলে কোনো ওয়েবসাইটকে পুরোপুরি ব্যান করে দেয়া রীতিমতো অসম্ভব। খোদ ক্ষমতাশালী চীন সরকারও ব্যর্থ, সেখানে অন্যদের কথা বলাই বাহুল্য। ইন্টারনেট যদি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া না হয়, তবে এসব সাইট ব্যানকে বুড়ো আঙ্গুল দেখানোটা আজ ছেলেখেলায় পরিণত হয়েছে। তথ্য দমনের যে হাজার বছরের ঐতিহ্য ধর্মগুরু বা রাজনৈতিক ক্ষমতাধরেরা বজায় রেখেছিলো, ইন্টারনেটের মুক্তিকামী তারুণ্য সেই মহাপ্রাচীরে ফাটল ধরিয়ে দিয়েছে, আর নিত্য নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে ভেঙে চলেছে নিপীড়নের সেই অচলায়তন।

টেক-মুর্খতার অবসান হোক।


লিংক

গণচীনের মহা তথ্য প্রাচীর এড়ানোর নানা কৌশল।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ফেইসবুকব্যানইন্টারনেটমুক্তি ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ২:১০
ইরতেজা বলেছেন: ভাল লাগল। অনেক কিছু জানলাম।
৩. ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ২:২১
নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী বলেছেন: ভাইয়া, দারুণ পোস্ট এবং দারুণ সময়ে। এ ধরণের সেন্সরশীপের অবসান হোক, এটাই প্রত্যাশা।
৩১ শে মে, ২০১০ রাত ২:২২

লেখক বলেছেন: তোমার পোস্টের লিংকটাও দিয়ে দিলাম

Click This Link

আশা করি অনেকের কাজে আসবে।

৪. ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ২:২১
অদ্ভুত বলেছেন: অনিয়ন রাউটিং টা জানা ছিল না। নেটওয়ার্কিং ভালমত শেখার উপায় বলতে পারেন? নেটওয়ার্কিং ভালা পাই :)
৩১ শে মে, ২০১০ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন: ভালোএখানে একটা ভালো নেটওয়ার্কিং কোর্সের ওয়েবপেইজ আছে , যাতে স্লাইড/ভিডিও সবই দেয়া আছে।

অনিয়ন রাউটিং - http://en.wikipedia.org/wiki/Onion_routing

৫. ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ২:২৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: সোজা কথায় জিগাই, এই গাধামির শেষ কোথায়!!
X(X(
৬. ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ২:৩২
যমজজীবন বলেছেন: আসুন সবাই এখানে ফেসবুক না খোলা পর্যন্ত অংশগ্রহণ করি।
বিকল্প ফেসবুক।
http://bikolpofacebook.ning.com/
৮. ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ২:৩৮
পৈতাল বলেছেন: * আইপি ব্যান প্রতিরোধ (প্রক্সি সার্ভার দিয়ে এটা এড়ানো যায়),

* ডমেইন নেইম ব্যান প্রতিরোধ (সরাসরি আইপি লিখে এড়ানো যায়),
facebook কি ডমেইন নেইম ব্যান এর মদ্ধে পরে ?
যেমন facebook IP address 66.220.153.19
৩১ শে মে, ২০১০ রাত ২:৪১

লেখক বলেছেন: ফেইসবুকের ব্যানটা দেশের গেটওয়েতে কীভাবে করেছে আমি জানি না, তবে আইপি ও ডমেইন নেইম, দুইটাই সম্ভবত করেছে।

৯. ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ২:৩৯
ইচ্ছেফড়িং বলেছেন: গোটা বাংলাদেশ যখন জানে দেশের ফেসবুক ব্লকের আসল কারন, তখন আপনি বলতে চান যে কতিপয় মোল্লার মিছিলের কারনে এটা ব্লক করা হোল। ভাল। তো এই ধরনের তথ্য বিকৃতিকে যেন কি বলে?
৩১ শে মে, ২০১০ রাত ২:৩৯

লেখক বলেছেন: মাইনাসটা দিলেন না? :) অনেক ধন্যবাদ।

১০. ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ২:৪৫
সাদাচোখ বলেছেন:
এসময় এমন একটা লেখার দরকার ছিল। বাংলাদেশেও ব্যান প্রথা শুরু হওয়াতে খুব খারাপ লাগছে। এমনিতেই দেশের গর্বের বিষয়গুলো এমনিতেই কম, তারপরে এতে যদি এমন কালিমা লাগে, তাহলে কেমন লাগে বলেন। আর একটা বিষয়, অনেকেই ফেসবুক ব্যানকে স্বাগত জানাচ্ছে। তাদের মতে তরুণ সমাজের সময় নষ্ট করা ছাড়া এর আর কোন কাজ নেই, সুতরাং বন্ধ করাটা খুব একটা দোষের হয়নি। তাদেরকে বলছি আসলে ফেসবুক ব্যান মূল বিষয় নয়, মূল বিষয় হল দেশে ব্যান সংস্কৃতি চালু হল। এরপর সরকার বিনা অযুহাতেই যে কোন গণমাধ্যমেরও গলা টিপে ধরতে পারে। যেমনটি হচ্ছে চীন, পাকিস্থান এসব দেশে।
আর এমন ছেলে মানুষি সিদ্ধান্ত সরকারের উচ্চ পর্যায়ের মানুষগুলো নিলে তাদের যোগ্যতা বিষয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। তাদের ব্যান কোন কাজেই আসেনি। কম্পিউটার বিষয়ে অল্প জানাশোনা যেকোন মানুষও এই ব্যান এড়িয়ে ফেসবুকে যাচ্ছে।

রাগিব ভাই, অনেকদিন বিরতির পর আবার লেখার জন্য ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।

অ:ট:
রাগিব ভাই, সচলায়তনে "উইকিযুদ্ধ" নিয়ে আপনার প্রজেক্ট বিষয়ে সামহয়ারইনব্লগের অধিকাংশ ব্লগার কিছুই জানে না। তাদেরকে এর সাথে যুক্ত করার জন্য ঐ লেখাগুলো কি এখানে দেওয়া যায়না? আর আপনার পক্ষে সম্ভব না হলে, এবং আপনি অনুমতি দিলে ঐ প্রজেক্ট সম্পর্কে একটা সামারাইজড পোস্ট কি আমি এখানে দিতে পারি?
৩১ শে মে, ২০১০ রাত ২:৪৯

লেখক বলেছেন: আজ বিবিসি থেকে শুরু করে অন্য সবখানে এটাই খবরে এসেছে, বাংলাদেশ দ্বিতীয় এশীয় মুসলিম দেশ হিসাবে পাকিস্তানের পথ অনুসরণ করে ফেসবুক ব্যান করেছে। এর মতো লজ্জ্বার ব্যাপার আর কী হতে পারে ... :(

অঃটঃ- সামারাইজড পোস্ট দিতে সমস্যা নেই। ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে আমি নিজে হয়তো দিতে পারবোনা ...

১১. ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ২:৫১
'লেনিন' বলেছেন: এই সেন্সরশীপ এবং এই গ্রেফতার অনেককিছুকেই ইঙ্গিত করে। ইন্টারনেট ব্যান সম্ভব না হলেও অনেককেই ফেসবুকে অনায়াসে পানিমন্ত্রীর ভিডিও শেয়ারিং থেকে থামানো যাচ্ছে। তরুণ প্রজন্মকে ধমকে দেয়া যাচ্ছে খামোশ সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতে যেও না। তবে, শিক্ষাঙ্গনে কিরিচ, রামদা, ভোজালি নিয়ে কোপাকুপি করতে সমস্যা নেই।
৩১ শে মে, ২০১০ রাত ২:৫৪

লেখক বলেছেন: সেজন্যই দরকার অ্যানোনিমাস বক্তব্য দেয়ার ব্যবস্থা। এই হুমকি-ধামকি দিয়ে কারো মুখ বন্ধ করা কিন্তু দুনিয়াতে নতুন না। চীনারা, ইরানীরা বহুকাল ধরে এসব দেখে আসছে। কী করে নাম না প্রকাশ করে বক্তব্য প্রকাশ করা যায়, এমনভাবে যাতে কেউ ট্রেস করতে না পারে, কম্পিউটার বিজ্ঞানীরা বহুকাল ধরেই এর উপরে কাজ করে চলেছেন। বেশ কিছু সিস্টেমও বের হয়েছে এজন্য।

১৩. ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ৩:১৪
সাজিদ বলেছেন: মুহাম্মদ (সঃ) এর কার্টুনের জন্য ফেইসবুক বন্ধ করা হয় নি। উপরন্তু এই প্রচারনার ফলে বাংলাদেশের ইমেজের চিরস্হায়ী ক্ষতি হলো।
৩১ শে মে, ২০১০ রাত ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: চিরস্থায়ী ক্ষতি তো হলোই। এর আগে খোঁড়া অজুহাতে ইউটিউব ব্যান করে যা হয়েছিলো, তার চাইতে অনেক বেশী ক্ষতি এবার হলো। ধর্মান্ধ পাকিস্তানীদের সাথে একই কাতারে শামিল হলো বাংলাদেশ। অন্তত আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরে সেটাই এসেছে।

১৪. ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ৩:৪৭
মনির হাসান বলেছেন: ফেসবুকের জন্য যতনা খারাপ লাগছে ... তারথেকে অনেক গুন বেশি লজ্জা লাগছে। পুরো পৃথিবী জেনে গেল আমরা এখনও পাকিস্থান থেকে খুব একটা আলাদা হতে পারিনি।


যেই নির্বোধের নির্দেশে এটা হয়েছে ... ওর বিচার দাবী করি ... পুরো জাতির মাথা গর্দভটা হেট করে দিয়েছে
১৫. ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ৩:৫০
নাজমুল হক রাসেল বলেছেন: মাত্র দেখলাম আলজাজিরার ১৫ মিনিটের রিপোর্ট শুধুমাত্র এই বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যান নিয়ে। সেখানে হাজির ছিলেন ফেসবুকের চিফ এক্সেস কর্মকর্তা। তার সাক্ষাতকারের সাথে দেখানো হচ্ছিল পাকিস্তানের জালাও পোড়াও ভিডিও আর স্ক্রলে বাংলাদেশে কার্টুন আকার জন্য ফেসবুক ব্যানের খবর। বড়ই লজ্জাকর
১৬. ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ৩:৫১
নাজমুল হক রাসেল বলেছেন: িপোর্টার বলছিলেন পাকিস্তানের পর বাংলাদেশ ২য় দেশ যারা কার্টুন আকার জন্য ফেসবুক নিষিদ্ধ করেছে
৩১ শে মে, ২০১০ রাত ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: শুধু তাই না, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মাধ্যমে বাদ-জুমা আমিনীর দলবলের মিছিলের ছবিও দিয়েছে (ব্যানের সাথে সম্পর্কিত কিনা জানিনা)। এতে এটাই সবার কাছে ইমেজ খাড়া হচ্ছে যে, বাংলাদেশ পাকিস্তানের সাথে একই কাতারে। :(

১৮. ৩১ শে মে, ২০১০ ভোর ৪:৩২
নিঃসঙ্গ বলেছেন: ব্লগের অনেকেই মাঝে মাঝে বলে বাংলাদেশের ৪০% লোক নাকি সুধু ফেইসবুকের জন্য ইন্টারনেট ব্যাবহার করে। এই ৪০% লোক সুধু ফেইসবুকে ব্যাবহার করতে পারে নাই বাকি ৬০% কিন্তু ঠিকই ফেইসবুক ব্যাবহার করছে রাগিব ভাই। কম্পিউটার ইন্টারনেট সম্পর্কে যাদের মোটামোটি সামান্য ধারনা আছে তারাই এই ব্লক করাটাকে বুড়ো আংগুল দেখাইয়া ফেইসবুক ব্যাবহার করছে। আর কি ভাবে ব্লক করা সাইট দেখা যায় তা নিয়ে গত দুই দিনে ১০০+ পোষ্টও আসছে ব্লগে। ঐ ৪০% লোকের মধ্যে যদি ১০% লোক ব্লগ পড়ে তাহলে ৩০% লোক ছারা ৭০% লোকই কিন্তু ফেইসবুক ব্যাবহার করছে। সুধু সুধু এই ব্লক করার নাটক না করলেই পারতো।

এখন আমরা পরলাম পাকিস্তানের কাতারে।
৩১ শে মে, ২০১০ ভোর ৪:৪০

লেখক বলেছেন: তা তো বটেই। বিটিআরসি চীনের সিস্টেমে তো যায় নাই, যেতেও পারবে না, কারণ সেই সিস্টেম চালু রাখা বিশাল খরচের ব্যাপার। কাজেই যে মান্ধাতার আমলের সিস্টেমে ব্লক করেছে, অধিকাংশ মানুষেই সেটা এড়াতে পারবে, পেরেছেও।

১৯. ৩১ শে মে, ২০১০ ভোর ৪:৩৪
কাজল আব্দুল্লাহ বলেছেন: পেলাচ না দিয়ে এবং প্রিয়তে না নিয়ে আর পারলাম না। ভালো লাগলো যে আপনি এখনও সামুতে আছেন।
৩১ শে মে, ২০১০ ভোর ৫:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। কেমন আছেন?

২১. ৩১ শে মে, ২০১০ ভোর ৫:২৪
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: এই ডিজিটাল বন্ধ্যাত্যের রাজনীতিতে পিসড অফ আসলে। আপনি কেমন আছেন? সব চলছে ঠিকঠাক মত???
৩১ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১৪

লেখক বলেছেন: আমিও।

চলছে ভালোই। মায়ানগরে প্রায় পৌনে এক বছর হয়ে গেলো।

২২. ৩১ শে মে, ২০১০ ভোর ৫:৩৬
বিডি আইডল বলেছেন: গুগুল নিয়ে চীনের বিরোধের সময় তাদের গ্রেট ফায়ারওয়াল নিয়ে পড়াশোনা করেছিলাম....ভেরি ইন্টারেস্টিং!

তথ্যপ্রযুক্তির নীতি-নির্ধারক যারা দেশে তারা টর ব্রাউজার কিংবা প্রক্সি ইত্যাদি শব্দ শুনেছে কিনা কোনদিন সন্দেহ আছে
৩১ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: টর ব্রাউজারকে ঠেকাতে হলে যাবতীয় টর প্রক্সিকে (প্রায় ১৫০০) ব্যান করতে হবে। ঠগ বাছতে বাছতে একেবারে গা উজাড় করে ফেলার অবস্থা হবে :)

২৩. ৩১ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:১৯
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: রাগিব ভাই আমার এখানেও বেশ কিছু লোকাল নিউজে (পেপার + মিডিয়া) তে ফলাও ভাবে প্রচারিত হয়েছে যে বাংলাদেশ পৃথিবীর ২য় দেশ যারা পাকিস্তানকে অনুসরন করে ফেসবুক ব্যান করেছে .... আর আন্তর্জাতীক নিউজ মিডিয়া তো আছেই .... এখন তো পৃথিবীর সামনে আমরা এখন শুধু পাকি সমর্থকই নই বরং তাদের অনুসরনকারী হিসেবে পরিগনিত হচ্ছি ... গতকাল বেশ কিছু বিদেশীদের কাছে এ প্রশ্নের সামনে পড়তে হয়েছে যে -- তোমাদের আর পাকিদের কি একই নিয়মে দেশ পরিচালিত হয় ? তোমাদের দেশেও কি তাহলে ওদের মতই ধর্মান্ধ মৌলবাদীরা অনেক কিছু নিয়ন্ত্রন করে ? ... শুধু তাই না, প্রশ্ন এখান থেকে শুরু হয়ে আন্তর্জাতীক সন্ত্রাসী পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে .... সরকার হয়ত এ সব সমালোচনা আপাতত গায়ে মাখছে না অথবা সন্দেহের পরিধি যে দ্রুত গতিতে কোন পর্যায়ে চলে যাচ্ছে তা ওদের বোধগম্য নয় .....


৩১ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ ... :(

২৫. ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:৪৯
সাইফুর বলেছেন: রাগিব ভাই। সরকার কিন্তু এই ঘটনা ঘটিয়ে সাধারন মানুষকে ডিজিটাল বানাইলো। যারা আগে প্রক্সি সহ এসব কিছুই জানতো না তারা এখন এসব জানে । হেহে

জয় মাথামোটা ডিজিটালদের
০১ লা জুন, ২০১০ রাত ১:৩৬

লেখক বলেছেন: সেটাই। এখন সবাই সব ব্যান এড়ানো শিখে যাবে। সুফল এটাই।

২৬. ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:৫১
সাইফুর বলেছেন: টেক-মুর্খতার অবসান হোক।
২৭. ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ১১:০১
সাইফুর বলেছেন: চীনাদের সেন্সরশীপ টেকনিক নিয়ে জানতে ইচ্ছা হচ্ছে
০১ লা জুন, ২০১০ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন: এই নিয়ে অনেক লেখা আছে। ইন্টারনেট ফায়ারওয়াল অফ চায়না দেখে সার্চ দিলেই পাওয়া যাবে।

২৮. ০২ রা জুন, ২০১০ সকাল ৮:১১
সাজিদ বলেছেন: রাগিব ভাই, সাদাচোখের কমেন্ট পড়ে সচল থেকে আপনের উইকিযুদ্ধ নিয়ে পড়লাম। আসলেই সমুর কেউ জানে না। আমার মনে হয় সচল থেকে অনেক বেশী ব্লগার সামুর সাথে জড়িত। তাই এখানেও সেটি প্রকাশ করা উচিৎ বলে আমার মনে হয়। এখানে অনেকেই তাহলে অংশগ্রহন করতে পারতো।
০২ রা জুন, ২০১০ দুপুর ১:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সাজিদ। সাদাচোখকে অনুরোধ করেছি এখানে এটা নিয়ে লেখার জন্য।

২৯. ০৩ রা জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৩৮
জেরী বলেছেন: আজব দেশ বাস করতে করতে এখন নিজেরে ও আজব চিড়িয়া মনে হয় :(
৩০. ০৪ ঠা জুন, ২০১০ ভোর ৪:৫৭
_তানজীর_ বলেছেন: টেক-মুর্খতার অবসান হোক।


সাথে আরো যোগ করতে চাই; তাদের মূর্খতার কারণেই আমরা জনসাধারণ অনেক তথ্য জানতে পারছি। আমি বিশ্বাস করি ইন্টারনেট আমাদের দেশের সরকারের স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে অচিরেই। আমাদের শুধু আরো অনেক মানুষকে ইন্টারনেটের এই গ্লোবাল ভিলেজে নিয়ে আসতে হবে আর অনেক অনেক তথ্য অন্তর্জালে যোগ করতে হবে। অন্তত পরেরটাতে আপনার ভূমিকা অতুলনীয়। আমাদের সবার আরো অনেক কাজ বাকি।
৩৩. ০৪ ঠা জুন, ২০১০ বিকাল ৪:০৮
নুরুন নেসা বেগম বলেছেন: জানার আছে অনেক কিছু, চেষ্টা করছি জানতে। যারা কষ্ট করছেন জানাতে তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।
৩৪. ০৪ ঠা জুন, ২০১০ রাত ৯:১৮
নুরুন নেসা বেগম বলেছেন: আজ অনেক সময় উইকিতে কাটালাম। বুঝতে চেষ্টা করছি। সমস্যা হলে জানতে চাইবো।ধন্যবাদ।
০৫ ই জুন, ২০১০ রাত ২:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। উইকিতে সময় দিন, সমস্যা হলে ওখানে সাহায্য করার মতো অনেকে আছে।

৩৫. ০৬ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৫০
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: এক বন্ধুর কাছে শুনলাম বিভিন্ন ব্লগ সাইটে যেসব প্রক্সির কথা এসেছে বিটিআরসি নাকি সেগুলোও বন্ধ করেছে বা বন্ধ করার চেষ্টা করেছে। এক্ষেত্রে সরাসরি প্রক্সি ঠিকানায় না গিয়ে বরং টর বা এজাতীয় সফটওয়্যার ব্যবহার করাই মনে হচ্ছে উত্তম ...
০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১:৪৬

লেখক বলেছেন: ভিসিট করলে কি আম ফ্রি দেয়া হবে? হলে যেতে পারি :)

৩৭. ১১ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:০২
পলাশমিঞা বলেছেন: বড় লেখা দেখলেই আমার জান কাঁপে :(
৩৮. ১২ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৫
ড়ৎশড় বলেছেন: আস সালাম স্যার। অনেকদিন পর লিখলেন!

আমার অফিসে ফেসবুক ব্লক। প্রক্সি খুব স্লো এবং নরমাল ফিচার সব ব্যবহার করা যায়না বিধায় পরিত্যাজ্য।কোনো সফটওয়্যার ব্যবহার করবো(টর) সেই উপায় আইটি বিভাগ বন্ধ করে রেখেছে! কিছুই ইনস্টল করা যায়না। তাই কর্মজীবন গদ্যময় না হয়ে এখন কর্মময় হয়ে উঠেছে।

ভালো থাকবেন।
৩৯. ১৬ ই জুন, ২০১০ সকাল ১০:৪৪
সিনসিয়ার বলেছেন: টেক-মুর্খতার অবসান হোক।
৪০. ২১ শে জুন, ২০১০ ভোর ৫:৩৬
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন: ইন্টারনেটের জগতে প্রযুক্তিবিদেরা পেটমোটা সরকারী পোষা বিজ্ঞজনের চেয়ে অনেক বেশি অগ্রসর । ব্যান করে খুব একটা কাজ হয় না বরং সরকারের অসারত্ব টের পাওয়া যায় ।


ভাল থাকবেন।
৪১. ২২ শে জুন, ২০১০ ভোর ৫:১৪
নুরুন নেসা বেগম বলেছেন: কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছি। এখন অনুশীলন শুরু করতে হবে।
৪২. ২৩ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:৫০
কানুপা বলেছেন: আপনের জন্য একটা উপাধি পাইছি "উইকি-বাহাদুর"।
৪৩. ৩০ শে জুন, ২০১০ ভোর ৪:৫২
একলোটন বলেছেন: ;) + 8-|

উইকিতে ছবি পাঠাইছি ছাপলে আমারে জানাইবো না রাগিব ভাই?
৪৪. ০২ রা জুলাই, ২০১০ রাত ২:৫৪
ইসফার আহমদ সিফাত বলেছেন: রাগিব ভাই , চরম লিখেছেন । +++

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৩৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি রাগিব হাসান। ভুট্টা ক্ষেতের মাঝে বসে আমি গণক মশাইকে পাহারা দিতাম। আর পাহারা দেয়ার তরিকা নিয়ে গবেষণা করতাম।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ