এলোচিন্তা ২ – ট্র্যাজেডির সেই নায়কেরা
০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:১২
উইম্বলডন শেষ হয়ে গেলো মাত্র, এবার বিশ্বকাপ ফুটবলের ডামাডোলে পড়ে উইম্বলডন নিয়ে আগ্রহ আরও কম। অথচ দুই দিনে ১১ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে খেলা বিশ্বরেকর্ড করা ম্যারাথন ম্যাচটি হয়ে গেলো এবারেই।
টেনিস খেলাটা অবশ্য আমার বেশি পছন্দ না, গলফের মতো এটাও বেশ এলিটিস্ট খেলা। ফুটবলের সুবিধাটা এখানেই, কিচ্ছু লাগে না, কেবল একটা বল থাকলেই হলো, অথবা বলের মতো কিছু একটা। আমার বাবাদের সময়ে গ্রামে সেই বলটাও থাকতো না, কিন্ত সমস্যা হয়নি তাতে, বলের বদলে জাম্বুরা দিয়ে দিব্যি খেলা চলেছে। সে তুলনায় টেনিস খেলতে গেলে সরঞ্জাম লাগে বিস্তর।
হয়তোবা একারণেই টেনিস খেলাতে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো পিছিয়ে আছে অনেক। ১০০ কোটি মানুষের দেশ ভারত থেকে টেনিসে ভালো ফল করা খেলোয়াড় বেরিয়েছে তাই বেশ অল্পই। এই অল্প কয়েকজনের মধ্যে হয়তোবা সবচেয়ে ভালো ফল করেছিলেন লিয়ান্ডার পেইজ আর মহেশ ভূপতির জুটি। টেনিসে একক সাফল্যগুলোই বেশি খবরে আসে, কিন্তু লিয়ান্ডার পেইজ ১৯৯৯ হতে ২০১০ অবধি ১২টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম ডাবলস ফাইনালে গেছেন, আর ৬বার শিরোপা জিতেছেন। মিক্সড ডাবলসে গেছেন ১০টি ফাইনালে, জিতেছেন ৫ টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপা।
পেইজ ট্র্যাজেডির নায়ক নন, কিন্তু টেনিসের জগতে কোনো কোনো খেলোয়াড়কে যেন তাই মনে হয়। টেনিসের সবচেয়ে আরাধ্য শিরোপা উইম্বল্ডন, তা জেতার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা থাকে সব তারকার। এই ক্ষেত্রে ট্র্যাজেডির নায়ক হিসাবে বলতে হবে ইভান লেন্ডলকেই, আশির দশকের বিশ্ব সেরা টেনিস তারকা হয়েও জিততে পারেননি তিনি উইম্বলডনে একবারও।
এরকম ট্র্যাজিক হিরো অবশ্য ফুটবলে আছে গাদায় গাদায়। মেসির কান্না হয়তো সবার চোখে পড়েছে ২০১০ বিশ্বকাপ থেকে আর্জেন্টিনার বিদায় লগ্নে, কিন্তু এমনও অনেক বিশ্বসেরা খেলোয়াড় ছিলেন, যাঁরা বিশ্বকাপ জেতা তো দূরের কথা, বিশ্বকাপে খেলারই সুযোগ পাননি। ঘানা এবার বিশ্বকাপে খেলেছে বটে, কিন্তু ঘানার কালজয়ী ফুটবলার আবেদি পেলে আশির দশকে ক্লাব ফুটবলে চরম সাফল্য পেলেও সেসময়ে ঘানা বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায়নি। ১৯৯১ হতে ৯৩ পর্যন্ত পর পর ৩ বছর আবেদি পেলে আফ্রিকার সেরা ফুটবলার হয়েছিলেন, কিন্তু বিশ্বকাপ রয়ে গেছে ধরা ছোয়ার বাইরেই। অবশ্য এবারের বিশ্বকাপে আবেদি পেলের দুই ছেলে ঘানার জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পেয়েছে। আবেদির চেয়েও দুর্ভাগ্যবান বলতে হবে জর্জ উইয়াহ-কে। ১৯৯৫ সালে উইয়াহ একই সাথে ফিফার বিশ্বের সেরা ফুটবলার, ইউরোপের সেরা ফুটবলার, ও আফ্রিকার সেরা ফুটবলারের পুরস্কার পান। কিন্তু বিধি বাম, উইয়াহর দেশ লাইবেরিয়াও বিশ্বকাপে আসতে পারেনি, ফলে ফিফার বিশ্বসেরা ফুটবলারদের মধ্যে উইয়াহ্ই একমাত্র খেলোয়াড়, যিনি বিশ্বকাপে খেলেননি।
তবে ফুটবলে ট্র্যাজেডির নায়ক বলতে হলে সবার উপরে যাঁর নাম আসবে, তিনি হলেন জর্জ বেস্ট। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে ১১ বছর খেলেছেন বেস্ট, এর মধ্যে ৬ বছর দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন, জিতেছেন ইউরোপের সেরা সব কাপ। কিন্তু তাঁর ক্যারিয়ারের সেরা সময়ে তাঁর দেশ উত্তর আয়ারল্যান্ড বিশ্বকাপে সুযোগ পায়নি। ট্র্যাজেডির নায়কদের মতোই জর্জ বেস্টের ক্যারিয়ার আস্তে আস্তে স্তিমিত হয়ে এসেছে, মদে আসক্তি তাঁর দেহকে আস্তে আস্তে ধ্বংস করে দিয়েছে, ২০০৫ সালেই অকালে প্রয়াণ হয় বেস্টের।
---
ট্র্যাজেডির নায়ক ভাবলে অবশ্য আমার মনে পড়ে মহাভারতের কর্ণ আর রামায়ণের রাবণের কথা। কর্ণের পুরো জীবনটাই ট্র্যাজেডি – জন্মের সময়েই কুমারী মা কুন্তি জলে ভাসিয়ে দিয়েছিলেন কর্ণকে, তাঁর ভাইরা রাজ পরিবারে বড় হলেও কর্ণ মানুষ হয়েছেন রাজবাড়ির রথচালকের ঘরে। দুর্যোধনের বন্ধুত্ব আর তাকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন আজীবন, দল পালটে পাণ্ডবদের সাথে যোগ দেননি। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে কৃষ্ণের কূটবুদ্ধিতে অর্জুন কায়দা করে হত্যা করেণ কর্ণকে, ষষ্ঠ পাণ্ডবের জীবনাবসান হয় এভাবেই।
পৌরাণিক এসব চরিত্র নিয়ে সিনেমা হচ্ছে ইদানিং, হালের বলিউডের রাজনীতি সিনেমাটি অনেকটা কর্ণেরই কাহিনী। বাংলাদেশের মিডিয়াতে পৌরাণিক কিছু নিয়ে ইদানিং আর কিছু বানানো হয় না, যদিও এক সময় রহিম-বাদশা-রূপবান অথবা এরকম কাহিনী নিয়ে সিনেমা হয়েছে, আর যাত্রা পালা তো হয়েছে বটেই। বাংলার যাত্রাশিল্প মরে যাচ্ছে আস্তে আস্তে, সরকারী কালাকানুনের চাপে পড়ে লোকনাট্য হারাতে বসেছে। বিটিভিতে এক সময় নিয়ম করে বছরে প্রায় দু’বার দেখানো হতো। একবার হতো দুর্গা পুজার সময়ে, অমল বোস দুর্দান্ত অভিনয় করতেন অসুরের চরিত্রে। বহুকাল বিটিভি দেখিনি, এখনো দুর্গাপুজার সময়ে যাত্রাভিনয় দেখানো হয় কি না জানিনা। অথবা হীরামণের সেই লোককাহিনীগুলো, বিটিভিতে প্রতি সপ্তাহে দেখানো হতো যা আশির দশকে।
যাত্রার প্রখ্যাত শিল্পী অমলেন্দু বিশ্বাসের অনেক অভিনয় দেখেছি একসময়ে, অমলেন্দুর একটা বাঁধা চরিত্র ছিলো ট্র্যাজেডির আরেক নায়ক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। দেড়শ বছর কেটে গেছে, কিন্তু এখনো মাইকেলের কবিতাগুলো, তাঁর সনেটগুলো পড়ে অবাক হয়ে যাই, কী প্রচণ্ড চমৎকার সুর ফুটে উঠেছে অমিত্রাক্ষর ছন্দে। সাগরদাড়ির জমিদার পরিবারের ছেলে মাইকেল বিখ্যাত কবি হবার জন্য এক সময় জাত, ধর্ম, ভাষা, দেশ – সব ত্যাগ করে বিদেশে গিয়েছেন, কিন্তু এক সময় কপোতাক্ষের কথা তাঁর মনে পড়েছে, দেশের ভাষা ত্যাগ করে বিদেশে যাবার ভ্রান্তি বুঝতে পেরেছেন। মেঘনাদ বধ কাব্যে মাইকেল ট্র্যাজেডির নায়ক হিসাবে রাক্ষসপতি রাবণকে তুলে ধরেছেন, চিরাচরিত সাহিত্যের ভিলেন রাবণের ব্যতিক্রমধর্মী বিশ্লেষণ করেছেন এই মহাকাব্যে। মাইকেলের লেখায় তাই রাবণ অনেকটা ট্র্যাজিক হিরো। হয়তো বা মাইকেলের নিজের জীবনের ট্র্যাজেডিগুলো রূপকের মাধ্যমে এসেছে। মধু কবির জীবনের শেষ অংশটাও কেটেছে দারিদ্রে, কপর্দকশূন্য মাইকেল মারা যান ১৮৭৩ সালে, কলকাতার লোয়ার সার্কুলার রোডের গোরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হন মধু কবি।
ট্র্যাজেডির নায়ক মধু কবির পরম্পরা অবশ্য রয়ে গেছে, দ্বিতীয় স্ত্রী হেনরিয়েটার ঘরে তাঁর দুই সন্তান – নেপোলিওন ও শর্মিষ্ঠা। কয়েক পুরুষ পরে মধুসূদনের নাতি মাইকেল দত্তনের ঘরে জন্মান জেনিফার দত্তন, ভারতের হয়ে ১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিকে বাস্কেটবল দলে অংশ নেন। ১৯৭৩ সালে তাঁর ঘর আলো করে আসে এক পুত্র সন্তান। মধু কবির ট্র্যাজেডি অবশ্য তাঁর এই নাতিকে স্পর্শ করেনি, ক্রীড়াঙ্গনে আন্তর্জাতিক সাফল্য লাভ করেন মধু কবির এই বংশধর। আর, তার নাম?
লিয়ান্ডার পেইজ ।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): এলোচিন্তা, মধু কবি ;
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৫৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ব্ল্যাকম্যাজিশিয়ান বলেছেন:
লিয়ান্ডার পেইজ মধুসুদনের পুতি!! লেখক বলেছেন: এখন বলতে পারবেন, যশোরের দত্ত বংশের পোলা উইম্বলডনে জিতেছে। এবারেও, মিক্সড ডাবলসে।
ব্ল্যাকম্যাজিশিয়ান বলেছেন:
এইটাও বলতে পারব যে যশোরের দত্ত বংশের পোলা এককালে বলিউডের নায়িকার (মহিমা চৌধুরী) বয়ফ্রেন্ড ছিল। অনেক ছোট থাকতে অমলেন্দু বিশ্বাসের মধুসুদন আমিও দেখসি।
এরিস্টোটল বলেছেন:
অনেক কিছু জানলাম। থ্যাঙ্কস।
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
আরি তাই নাকি ? ... বিষ্ময়কর তথ্য দিলেন রাগিব ভাই ... লিয়ান্ডার পেইজ মধুসুদনের বংশধর ... বাঙ্গালীর গর্ব করার মত আরেকটি উজ্জ্বল নক্ষত্র
মেঘলা মানুষ বলেছেন:
কলম্বাসের কথা মনে পড়ল।প্রথমবার ইন্ডিয়া আবিষ্কারের (! আসলে সেটা কি ছিল আমরা সবাই জানি) পর তাকে অভূতপূর্ব সম্মান দেয়া হয়েছিল।
পরবর্তীতে তার শেষজীবন খুব কষ্টে যায়।
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
+++
সার্থক বলেছেন:
রাগিব ভাই, সালাম। আপনার প্রায় ১০ বছরের ছোট আমি, বুয়েট '০৬ ইইই। আপনার প্রায় সব ব্লগই পড়ে ফেললাম, সামুতে নতুন আমি। কেন জানি মনে হয় আপনি বা আপনার মত বাইরে অবস্থানরত বুয়েটের বড় ভাইয়ের সাথে ব্যক্তিগত (হোক সেটা অনলাইন) পরিচয় থাকলে ভাল হত, নিজের ভবিষ্যতের ব্যাপারে টুকটাক উপদেশ বাণী পেতে পারতাম। ওহ, এইমাত্র মনে পড়ল আপনি তো বুয়েটে জয়েন ও করেছিলেন। তাহলে তো রাগিব স্যার বলা উচিত। তো যা বলছিলাম, সে ব্যাপারে কি আপনার সামান্য সাহায্য চাইতে পারি?
লেখক বলেছেন: অবশ্যই সাহায্য চাইতে পারো, কোনো প্রশ্ন থাকলে আমাকে ইমেইল করতে পারো, রাগিবহাসান অ্যাট জিমেইল।
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন:
দারুন একখান তথ্য দিলেন বটে ! যাক , এখন বলতে পারবো আমাদের দেশের বিখ্যাতদের নাতিপুতির জেনারেশন রাও কত খেলা দেখাবে
সাজিদ বলেছেন:
লিয়েন্ডার পেইজ মধুসুদন দত্তের বংশধর!!! দারুন তথ্য দিলেন। পূর্বপুরুষের ধারা বজায় রেখে ভারতে একটি পাশ্চাত্যের খেলাকে ধারন করেছেন। ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ক্রিকেট না খেলে খেলছেন টেনিস।
লেখক বলেছেন: সাজিদ, ইতিহাস বেশ ইন্টারেস্টিং। সত্যজিতের গোরস্থানে সাবধান পড়েছো নিশ্চয়? লিয়ান্ডারের কথা পড়ে কেন যেন ঐ বইটার কথা মনে হলো।
টেনিসও তো পাশ্চাত্যের খেলা, তাই না? তবে লিয়ান্ডারের কপাল খারাপ, যে ভারত ক্রিকেট ছাড়া অন্য সব কিছুতে লাড্ডা, সেই ভারতের খেলোয়াড় হিসাবে উইম্বলডন ডাবলস/মিক্সড ডাবলস চ্যাম্পিয়ন হলেও ভারতীয় মিডিয়াতে লিয়ান্ডারের পাত্তা কম।
সাজিদ বলেছেন:
রাগিব ভাই, আমার নিজের বইয়ের তেমন কোন কালেকশন ছিল না। তবে ধার করে অনেক বই পড়েছি আর চিটাগাংয়ে মুসলিম হলের পাশের সেই পাবলিক লাইব্রেরিতেও লম্বা বন্ধ পেলে যেতাম। ফেলুদার অনেক বই পড়লেও এই বইটির কথা মনে পড়ছে না। তবে আপনি ফেলু মিত্তিরের মতই একটা কাজ করেছেন। আমি প্রথম আপনের পোস্ট পড়েই জানলাম এই তথ্য। কিভাবে বের করলেন এই যোগসুত্র?
রাজসোহান বলেছেন:
বস থ্যাংকস , ভিজিটর লিস্টে আপনেরে দেখসি , আর কিছু লাগবো না !
যাই হোক মহান ট্রাজেডী নায়ক ''আশরাফুল'' কে নিয়ে কবে লিখবেন ?
মজা করলাম, অনেক অজানাকে জানা হল।
Ashraful ke niye lekha chai.............
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
ফুটবল বাদে অন্য সব তথ্যই অজানা ছিলো। টেনিস তেমন একটা ভালো লাগে না, শুধু ফেদেরার খেলা হলে দেখি।ফুটবলে বিশ্বকাপ জিততে না পারা এরকম অনেক লিজেন্ড আছে। শুধু ডাচদের দিকে একটু নজর দিলেই অনেক নামকরা প্লেয়ার বেরিয়ে আসবে। ইয়োহান ক্রুইফ তেমনি একজন, ফাইনাল পর্যন্ত গিয়েও জেতা হলো না। ফুটবলে ওয়ান ম্যান শো আমার জানা মতে হয়তো দুজন দেখাতে পেরেছেন। দলীয় পারফর্মেন্স খারাপ হলে একটা প্লেয়ারের আসলেই কিছু করার থাকে না। যে কারণে আমি আর্জেন্টিনার মেসিকে দোষারোপ করতে রাজি না।
লেখাটা ভালো লাগল।
অনেকদিন পরে আপনার পোষ্ট পড়া হলো।
আশা করি ভালো আছেন।
মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন:
কোন খেলা নিয়েই আমার বিশেষ কোন জ্ঞান নেই বলে আমি হতাশ..অফটপিক - রাগিব ভাই আমাকে মেডিকাল ইকুইপমেন্টের উপর আপনাদের লিন্কটা দিবেন, মানে ট্রিটমেনট ও ইকঈপমেন্ট নিয়ে আপনাদের কোন সাইড থেকে।
লেখক বলেছেন: অফটপিক - কোন লিংক, বাংলা উইকির?
মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন:
বাংলা ইংলিশ দুটোই আছে কি?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















