জাদুনগরের কড়চা

স্মৃতির পাতায় চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:৫৩
খুব ছোট্টবেলায় একদিন দেখলাম, হৈচৈ পড়ে গেছে আমাদের পাড়ায়, কারণ সেবার (১৯৮৫) আমাদের বাসার কাছেরই একজন ছাত্র পুরো কুমিল্লা বোর্ডে প্রথম স্থান পেয়েছেন। তখন বোর্ড স্ট্যান্ড কী, আর কুমিল্লা বোর্ডই কোথায়, তা বোঝার বয়স আমার হয়নি, কিন্তু মনে দাগ কেটে গিয়েছিলো সেই ছাত্রটির স্কুলের নাম – চট্টগ্রাম কলেজিয়েট...
- ৩২টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৩০৪বার পঠিত
রাগিবনামা - যেমন ইচ্ছে লেখার আমার ব্লগের খাতা
১১ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ২:০৭
(নোটাকারে ফেইসবুকে শেয়ারিত )
আমার বাংলা ব্লগিং এর বয়স ৫ বছর পেরিয়েছে। গত কয়েক বছরে বিভিন্ন ব্লগে নানা বিষয়ে লেখা আমার পোস্টগুলোর তালিকা রইলো এখানে। তালিকাটি নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে। বিভিন্ন বিষয়ে লেখা পোস্টগুলোকে বিষয় অনুযায়ী সাজানো হয়েছে।
(উল্লেখ্য - উইকিপিডিয়াতে দেয়া বা নেয়া লেখাগুলো বাদে অন্য কোনো লেখা আমার...
- ৪৩টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১২৪৭বার পঠিত
গুগল কথন (বোনাস) - টেস্টিং অন দ্য টয়লেট আর কুকুর সমাচার
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৫
(বছর দুয়েক আগে গুগল কথন সিরিজে অনেকগুলো পোস্ট লিখেছিলাম, আমার গুগলে ৩ মাস কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে। আজ নতুন করে সিরিজটা পড়তে গিয়ে দেখলাম, অনেক কাহিনীই বাদ পড়ে গেছে। তাই এই বোনাস পোস্ট। আগের পোস্টগুলোর লিংক পাবেন এই পোস্টের শেষে।)
---
গুগলের অনেক কিছুই বেশ ইন্টারেস্টিং, সাধারণ কোম্পানি যেভাবে কাজ...
- ৬১টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২০৬৪বার পঠিত
স্মৃতিচারণে হ্যাল, ইলিয়াক আর মোজাইক - তারুণ্যের দিনবদল
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:১৮
১

National Center for Supercomputing Applications (NCSA) বা মার্কিন জাতীয় সুপারকম্পিউটার কেন্দ্রের নামটা শুনেছিলাম অনেকদিন আগেই। না শোনার অবশ্য কারণ নেই, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের হেল্প মেনুটি খুললেই অল্প কিছুদিন আগে পর্যন্তও দেখা যেতো, তারা ওখানে ব্যবহার করেছে NCSA এর প্রযুক্তি।
ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয় অ্যাট আরবানা-শ্যাম্পেইনের সাথে সুপারকম্পিউটিং এর যোগাযোগ অনেকদিনের।......
- ৪৫টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১১১৬বার পঠিত
যন্ত্র গণকের যন্তর মন্তর - ১
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:১২
ভূমিকা
আমার ছেলেবেলায় বিটিভিতে “বিন্দু থেকে সিন্ধু” নামের একটা অনুষ্ঠান দেখাতো। আশির দশকের কথা ... কম্পিউটার তখন দেশে আছে হাতে গোণা কয়েকটা মাত্র। টিভিতে সেই জাদুর বাক্স দেখে অবাক বিষ্ময়ে তাকিয়ে রইতাম, ভাবতাম কী জাদু জানে এই যন্ত্রটা, কীভাবে করে দেয় সব কাজ।
ঘটনাচক্রে আমার বিদ্যা লাভ করা হয়...
- ৯৮টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২৬৩৪বার পঠিত
গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে একদিন (৩/শেষ) - প্রকৃতি, বিষ্ময়, আর জীবন যেখানে বহমান
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২১
(প্রারম্ভ ) (পর্ব ১ )
(পর্ব ২)
শাটল বাসগুলোর যাত্রা শুরু হয় গ্রান্ড ক্যানিয়ন ভিলেজ থেকে। মাইল খানেক পর পর একএকটি পয়েন্ট, যেখানে বাস থামে, আর বিভিন্ন দিক থেকে ক্যানিয়নের সৌন্দর্যকে উপভোগ করা যায়। সেই বাসে চেপে আমি আর জারিয়া রওনা হলাম, গ্রীষ্ম কাল বলে পর্যটকদের ভীড় খুব বেশি,...
- ৪২টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৮০০বার পঠিত
গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে একদিন (২) - অতল খাতের গহীন বিষ্ময়
২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৩
(প্রারম্ভ ) (পর্ব ১ )
গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে যাওয়ার রাস্তাটা দেখলে বোঝা যায় না, পুরো এলাকাটা সমূদ্রসমতল থেকে এতো উঁচু। আসলে পুরো এলাকাটা মালভূমি - তাই পাহাড় পর্বত বেশি নেই। উইলিয়ামস নামের ঐ শহরটা থেকে পরদিন সকালে রওনা হলাম আমরা, প্রায় ৫০ মাইল দূরে গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন ন্যাশনাল পার্কের অবস্থান।
পার্কে ঢোকার...
- ৩৪টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৮৭২বার পঠিত
গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে একদিন (১) - প্রতীক্ষার রাত্রি
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৭
ফিরছিলাম আমরা ক্যালিফোর্নিয়া থেকে। আমেরিকার মানচিত্রে ক্যালিফোর্নিয়া একেবারেই পশ্চিম দিকে, প্রশান্ত মহাসাগরের পারে। গুগলে আমার ৩ মাসের কাজ শেষ হয়েছে সবে , ২৫০০ মাইলের পথ পাড়ি দিয়ে ফেরত চলেছি ইলিনয়ের ভুট্টা ক্ষেতে।
জারিয়া আর আমি দুজনেই বেশ অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়। এতোটা পথ পাড়ি দিতে গাড়িতে যাওয়ার কথা সহজে কেউ ভাবে না, কিন্তু...
- ৫৭টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৯৭৭বার পঠিত
গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে একদিন (প্রারম্ভ)
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৯
কয়েক মিলিয়ন বছর ধরে কলোরাডো নদীর ঘর্ষণে পাথর ক্ষয়ে ক্ষয়ে সৃষ্টি হয়েছে গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন গিরিখাতের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের উত্তরাংশে এর অবস্থান। গিরিখাতটি ১ মাইল গভীর, এবং অনেক ক্ষেত্রেই খাড়া নেমে গেছে। প্রতিবছর কিনারা থেকে নিচে তাকাতে গিয়ে গড়ে ১০ জন দর্শক মারা যায় এখানে। অবশ্য রেলিং ছাড়া...
- ২৭টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৬৬১বার পঠিত
বাকের ভাইয়ের এক দিন ...
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৬
"কোথাও কেউ নেই" নাটকটি নব্বইয়ের দশকের বাংলাদেশে অর্জন করেছিলো বাঁধভাঙা জনপ্রিয়তা, বাকের ভাইয়ের চরিত্রকে আসাদুজ্জামান নূর এতো চমৎকার ভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন, সেই অতুলনীয় অভিনয়ের সুবাদে ঘরে ঘরে তখন বাকের ভাইয়ের জয়গান। পাড়ার মাস্তান, কিন্তু ভালো মানুষ বাকের ভাইয়ের বিবেক রয়েছে, সে বিবেক টাকার কাছে বিকিয়ে যায়নি, কপালদোষে মাস্তান হলেও ঠিক...
- ৬৭টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১১৩৩বার পঠিত




