১) এমন কিছু কবিতা আছে/গ্যানের যাহা হয় পোষাক,
শিল্পকলায় নিত্য নতুন/বাকচাতুর্যে লাগায় তাক।
২) খোদার আরশের নীচেতে লিকানো/রয়েছে বিশাল ধনভান্ডার
তাহার চাবি কবিদের কাছে/চাবিতে নয়,জিহবা তাহার।
খোদার আরশের নীচে লুকানো বিশাল ধনভান্ডারের চাবি কবিদের কাছে।কবিরা এর সন্ধান রাখেন,তারা বলে দেবেন;যেমন বলেছেন-রুমী,হাফেজ,সাদী,খৈয়াম,রবিন্দ্র,নজরুল,ইকবাল।
তবুও কবিদের প্রতি অবমানোনাকর উক্তি রসুলুল্লাহর (দঃ) বানীর অমর্যাদা নয় কি?
যা কল্যানকর যা শুভ,যা ভালো-- তার বিরুদ্ধচারন করাই মৌলবাদীদের চরিত্র।
নবী-পয়গম্বর,ওলি-আল্লাহ,সাহিত্যিক-বিগ্যানী সবার বিরোদ্ধে লেগেছে তারা।কবিদেরও ছেড়ে দেয়নি।
কবিরা কী বলেন,কি ভাবে বলেন,সেই বিষয়-বস্তুর বর্ণনায় পাহাড়ের ঝরনা,মেঘের বর্ষন ,ফুল,নারী,নদী,পাখীর উপমায়-অলন্কারের যে ব্যণ্জনা স্ৃষ্টি হয়,সে রস আহরনে অপারগ হলে কবির মর্যাদা বুঝতে পারা যাবে কি করে?আরবী ভাষায় "আদব" শব্দের অর্থ সাহিত্য।কবিদের বিরোধিতা সাহিত্যের বিরোধিতা তথা বেয়াদবি।
আল্লাহর বানীর বিমূর্ত রূপ হচ্ছে আল-কোরআন।বইতে কালো কালো অক্ষরে যা লেখা থাকে সেটা কি কোরআন?কোরআন ঐ অক্ষরের শৃন্খলে আবদ্ধ একটা রূপহীন মহা সত্যের বিমূর্ত প্রতীক।কোরআনকে যারা অক্ষরের মাঝে খোজ করে তারা ভুল করে । ঐ অক্ষরের মাঝে যারা অর্থ খোজে করে তারা আরো বেশি ভুল করে।কারন কোরআন -এর বিন্যাসে অনেক ক্ষেত্রেই লজিক্যাল বা ন্যায়শাস্ত্রসম্মত পারস্পর্য নেই।অনেকটা অত্যাধুনিক কবিতার মতো যেখানে অর্থ কিংবা ন্যায়শাস্ত্রসম্মত পারস্পর্যের চেয়ে অনুভুতীর অনুষণ্গই বড়।কোরআন প্রসণ্গে কবিতার কথা আসলো যে কোরআন একটা মহত কবিতা।আর এই কবিতা বুঝতে গেলে কবির অন্তর থাকতে হবে।কোরাআনের যেমন অনুবাদ হয় না তেমন কবিতারো অনুবাদ হয়না।
আল্লাহ বিশ্বব্রম্মান্ড সৃষ্টি করেছেন ঐ কবিতার মতোই।তিনি নিজেও একজন কবি।তাই,ইসলাম-কবিতা-কবি যেন একই সুতায় গাথা।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


