somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মেজর জিয়াঃ প্লীজ আরেকবার আসুন আমাদের মাঝে।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




১৯৭৭ সালের ২৭ ডিসেম্বরে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ভারত সফরে গেলে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ভারতের রাষ্ট্রপতি নীলম সঞ্জীব রেড্ডি তার সম্মানে আয়োজিত ভোজসভায় বলেছিলেন, ‘একজন সাহসী মুক্তিযোদ্ধা এবং বাংলাদেশে স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণাদানকারী হিসেবে আপনার মর্যাদা এরই মধ্যে সুপ্রতিষ্ঠিত। ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পরে জাতীয় অগ্রগতি এবং জনকল্যাণে নিবেদিত একজন জননেতা হিসেবে বাংলাদেশে ও বাংলাদেশের বাইরে আপনি গভীর শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন।


এমন আত্নবিশ্বাসী বক্তব্য আর কেউ দেয়না এখন


১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট একাদশ এবং এমসিসি একাদশ এর খেলার পুর্বে শহীদ জিয়া খেলোয়াড়দের সাথে পরিচিত হচ্চেন।


বাংলাদেশ এয়ারফোর্সের কুচকাওয়াজে শহীদ জিয়া


তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারার মূল সড়ক যেখানে প্রেসিডেন্ট প্যালেস অবস্থিত, তার নাম রাখা হয় “জিয়াউর রহমান এভিনিউ”


আমাদের নেতাদের এখন মাঠে ঘাটে যাবার সময় নেই


চায়না সফরে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান


আগে বিদেশী নেতারা আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকতো আর এখন মেরুদণ্ডহীন আমরা তাদের দিকে তাকিয়ে থাকি।


ইন্দিরা গান্ধীর সাথে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান


শুধু তোমার রক্তের কারনে আজো প্রত্যাশায় থাকি তারেক জিয়া একদিন হয়ত তোমার পথে ফিরে আসবে, বিত্ত-বৈভবের লোভ ত্যাগে জনমানুষের কাছের নেতা হবে।

ভারতের ব্যাপারে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াঃ

এক. ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক স্থাপন করতে হবে, কিন্তু এই সুসম্পর্ক হতে হবে সম-সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, আধিপত্য ও অধীনতার (dominance and dependence) কাঠামোয় নয়।

দুই. ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ককে স্থিতিশীল করার জন্য প্রয়োজন হবে আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোকে সহযোগিতার স্বর্ণসূত্রে আবদ্ধ করা এবং এই সহযোগিতার ক্ষেত্র শুধু রাজনৈতিক নয়, সঙ্গে সঙ্গে অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, বুদ্ধিবৃত্তিকসহ তথ্যপ্রবাহ ও অন্যান্য ক্ষেত্রও।

তিন. বাংলাদেশের মতো ক্ষুদ্র পাবদা মাছটিকে শুধু শক্তিশালী হলেই চলবে না, তাকে ক্ষিপ্রগতিসম্পন্নও হতে হবে।

চার. সঙ্গে সঙ্গে এও তিনি অনুধাবন করেন যে, সঙ্কটকালে সাহায্য-সহযোগিতার হস্ত প্রসারিত করতে পারে এমন অকৃত্রিম, আদর্শিক দিক থেকে সমমনা এবং সমস্বার্থের কিছু বান্ধব সৃষ্টি করাও অপরিহার্য। অন্য কথায়, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বহুমুখীকরণও ছিল এর অন্যতম উপাদান। জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতি এই চারটি সূত্রের বন্ধনীতেই আবদ্ধ ছিল।

একটি ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের সমস্যা বিশ্লেষণ করতে গিয়ে সুইডেনের নিরাপত্তা বিশারদ আর্লিং বিওল (Earling BIOL) বলেছেন : ‘ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের সমস্যা অনেকটা পাইলট মাছের সমস্যার মতো, হাঙরের কাছাকাছি থেকেও কীভাবে তার মুখে না পড়ার কৌশল।’ ['The Rim state's problem is like the problem of a pilot fish, how to keep close to the shark without being eaten up.'] । ভারতের মতো বিরাট শক্তিধরের কাছাকাছি থেকে পাইলট মাছের মতো ক্ষুদ্রাকৃতি অথচ নিরীহ বাংলাদেশ কীভাবে নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে বাংলাদেশের নিরাপত্তা সমস্যার প্রকৃতি এইটিই। বাংলাদেশী প্রতীকে বলা যায়, বিপুুলায়তন ভারতীয় বোয়াল মাছের কাছাকাছি ক্ষুদ্র পাবদা মাছের নিরাপত্তার কৌশল। খুব কাছেও যাওয়া যাবে না, কেননা তখন ক্ষুধার্ত বোয়ালের পেটে পড়তে হবে। অন্যদিকে খুব দূরেও থাকা সম্ভব নয়, কেননা বোয়ালটি কখন কী করে, কোন দিকে বাঁক ফেরে তাও জানা দরকার। এ দুইয়ের সাম্যাবস্থাই বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা নীতি। জিয়াউর রহমানের কৃতিত্ব এই যে, তিনি দুইয়ের মধ্যে সাম্যাবস্থা সৃষ্টির কৌশলটি পুরোপুরি আয়ত্ত করতে পেরেছিলেন। (রাষ্ট্রপতি জিয়ার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক- ড. এমাজউদ্দীন আহমদ)
৪৩টি মন্তব্য ২৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×