অনেক গরম পড়ছে ভাবছি অনেক কষ্ট হবে journey তে কিন্তু প্রকৃতির আয়োজন ও ভাল লাগল গাড়ি start হবার পর টিপটিপ বৃষ্টি শুরু হল সাথে হিমেল হাওয়া দু পাশে মনোরম প্রকৃতি সব মিলিয়ে অসাধারন লাগছিল ।পিছনে ফেলে যাচ্ছি ব্যস্ততম রাজধানীর কালো ধোয়া আর co2 সমৃদ্ধ বাতাস।
গাড়িতে বসে প্রথম বই নিয়ে পড়া শুরু করলাম কিন্তু এত সুন্দর পরিবেশে বেশিক্ষণ পরতে পারলাম না ।বইয়ের পাতা থেকে চোখ বারবার আকাশের দিকে চলে যাচ্ছে।
আকাশের বিশালতা আমাকে উদাস করে দিচ্ছে ।আমাকে ডেকে বার বার বলছে” আমরা আমাদের রবের তসবিহ পাঠ করছি প্রতিনিয়ত তুমিও যোগদান কর”।খুব ভাল লাগছিল তাদের আহবানে সাড়া দিতে।খুব ভাল লাগছিল আকাশ, বাতাস,প্রকৃতি সবার সাথে এই নীরব কথোপকথন।এ সময় আমার মনে হচ্ছিল এই নিঃসংগতাই তো আমার পরম পাওয়া।
আমি long journey একা করতে পছন্দ করি একটা কারণে সেটা হল আমরা খুব ব্যস্ত থাকি তাই সময় বের করতে পারিনা নিজেদের জন্য কিন্তু এই time টুকু নিজেকে খুব ভাল সময় দেওয়া যায়।
হঠাৎ গাড়িতে বেজে চলা গানের কথাগুলো মনোযোগ আকর্ষণ করল
‘খুশির অনেক রঙ্গে তো হাসি থাকে না তো
দিন রাত সাথে বাধা তবু সাথে চলে না তো’
“দিওনা কখন কিছু দিওনা আমায় সব কিছু
পাওয়া হবে পেলে গো তোমায়।“
“একদিন স্বপ্নের দিন বেদনার বর্ণবিহীন এ
জীবনে যেন আসে এমনি স্বপ্নের দিন
সেই ভাবনাই ভাবি মনে হয় দুটি নয়নে ঘন
বর্ষা নামে।“
কোন গানই ইসলামী ছিল না তবু সব কিছু আজ কেন যেন ইসলামী হয়ে ধরা দিচ্ছে।আজ কোন কিছুতে অভিযোগ করতে ইচ্ছা করছে না ।খুশির অনেক রঙ্গে হাসিথাকে না, এখন আমার মনের অবস্থা অনেক ভাল তবুও হাসতে ইচ্ছা করছে না সেই মহান রবের সৃস্টির বিশালতায় কৃতজ্ঞতায় মন উদাসীন হয়ে যাচ্ছে আর বলতে ইচ্ছা করছে এ জীবনে যেন আসে এমনি স্বপ্নের দিন।
অবশেষে এই ভ্রমণ শেষে নিজের বাড়িতে পৌছলাম।বাড়ি গিয়ে মায়ের মুখ দেখে মনে হল পৃথিবীতে এর চেয়ে সুন্দর কিছু মনে হয় আর নেই।মনে হল বাড়ির সব কার্যক্রম যেন এক সপ্তাহ আগে থেকে থেমে ছিল।অনেক ভালো কাটল দিন এবং খুব দ্রুত দিন গুলো চলে গেলো।তারপর আবার ফিরে এলাম সেই রুটিন মাফিক জীবনে তবে বাড়িতে থেকে আসা অল্প কটা দিন বাকি দিন গুলো কাটাবার জন্য পুজি করে নিয়ে এলাম।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


