“’আল্লাহর পক্ষ থেকে ফেরেশতা গণ কে বলা হবে “একত্র কর জালিম ও তাদের সাথীদের কে এবং তাদেরকেও যাদের তারা ইবাদত করত।আল্লাহ ব্যতিত তাদেরকে।অতঃপর তাদেরকে পরিচালিত কর জাহান্নামের পথে।অতঃপর তাদেরকে থামাও তাদেরকে প্রশ্ন করা হবে,তোমাদের কি হল যে,তোমরা একে অপরকে সাহায্য করছ না?বরং তারা সব আজ আনুগত্যতা স্বীকার করবে।তারা একজন আরেকজনের দিকে মুখ করে পরস্পর কে জিজ্ঞাসাবাদ করবে,তারা তাদের নেতাদের কে বলবে তোমরা তো আমাদের কাছে আসতে ডান দিক থেকে ।নেতারা বলবে তোমরা তো ঈমানদারই ছিলেনা।এবং আমাদের কোন কর্তৃত্বই ছিলনা তোমাদের উপর বরং তোমরা ছিলে অবাধ্য সম্প্রদায়।আমাদের উপর আমাদের প্রতিপালকের বাণী(শাস্তি) সত্য হবে।আমরা তোমাদের কে পথভ্রষ্ট করেছিলাম কারণ আমরা নিজেরা ও পথভ্রষ্ট ছিলাম।(সুরা-ছাফ ফাত ,আয়াত২৩-৩৩)”’
এই আয়াত গুলো আমার অনুভুতিকে ভীষণ ভাবে নাড়া দিল ।মনে হল আমরা এই পৃথিবীতে অনেক সময় মানুষের ব্যক্তিত্বে মুগ্ধ হয়ে বা অন্য কোন কারণে হোক ব্যক্তি মানুষ কে অনুসরণ করি তার ন্যায় অন্যায় অনেক সময় বিবেচনা করিনা।কিন্তু আমাদের সবাইকে আল্লাহর দরবারে ব্যক্তিগত ভাবে জবাবদিহি করতে হবে।তখন কেঊ কারো কাজে আসবে না।পরম সঙ্গী ও সঙ্গ ছেড়ে দিবে।
হ্যা সংঘবদ্ধ ভাবে চলতে গেলে কারো নেতৃত্ব মেনেই চলতে হবে তবে এটা অনেক ভেবে চিন্তে গ্রহন করতে হবে।কারণ আমার ভুলের শাস্তি আমাকে পেতে হবে।
এখানে আমার ব্যাখ্যা করার কিছু নেই কারণ আল্লাহ খুব সুন্দর ভাবে সবার বোঝার উপযোগী করে আয়াত টি নাযিল করেছেন।
এই সময়টাতে দেখছি বেশির ভাগ সবাই নেতৃত্বের ক্ষেত্রে ক্ষমতা বা বাহুবল কে প্রাধান্য দিচ্ছে।সেই নেতৃত্বের অন্ধ আনুগত্যে অন্যায় অবিচার করতে কোন বাছ বিচার করছে না।অন্যের উপর অন্যায় ভাবে অপরাধের বোঝা চাপিয়ে দিতে দ্বিধা বোধ করছে না।তাই তাদের জন্য এই কথা গুলো বলা খুবই জরুরী মনে করলাম।যারা বর্তমানে ভুল নেতৃত্বের অন্ধ আনুগত্যে পড়ে নিজেদের কে আল্লাহর শাস্তির হকদার করে তুলছে তাদের জন্য এই পোষ্ট। একবার ভেবে দেখুন সর্বশেষে সবাই কে আল্লাহর আনুগত্যই স্বীকার করতে হবে তাই অন্ধ আনুগত্যের মোহে পড়ে কারো উপর অত্যাচার করে পক্ষান্তরে নিজেদের উপর অত্যাচার না করি।আল্লাহ আমাদের কে সঠিক এবং ভুল পথ চেনার তৌফিক দান করুন।(আমিন)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





