
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় ছাত্ররা বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়লে পুলশি লাঠি চার্জ করে। ছবি: রুবেল/ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের আমি কই, এমন ভাব দেখায়া আর কী করবেন। আপনেরা বর্নবাদী, সাম্প্রদায়িক ও ইতিহাসবোধ বঞ্চিত একপাল ক্রিমিনাল। গড়পড়তা। কেউ কেউ এই ক্রিমিনালগিরি বন্দুক মেশিনপাতি দিয়া প্রকাশ করে দেয়ে। জয় বাংলা, শহীদ জিয়া জিন্দাবাদ বললে সবাই ক্রিমিনাল চিনে ফেলে। কিন্তু ছাত্র-শিক্ষক সবাইতো মানসিকভাবে ক্রিমিনাল। তারা জেতা মানুষকে সহ্য করতে পারে। কিন্তু লাশকে ক্ষমা করে না। লাশ হওয়া মানুষটা কোন দল করে, এই পরিচয় আবিষ্কার করে হত্যাকান্ডকে তারা জায়েজ করে।
আজও করেছে। মতিঝিলে বাসের ডেরাইবার, হেলপাররা পিটায়া সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রেদওয়ানুল ইসলামরে খুন করেছে। প্রক্টর টাকা পয়সা খেয়ে খুনটা হজম করার লীলায় মেতে ওঠেছে। ছাত্ররা মিছিল বের করেছিল, ছাত্রটা সাধারণ ভেবে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি সোহেল রানা টিপু ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ সাকিব বাদশা গিয়া ছাত্রদের কইলো খুন হয়ে যাওয়া ছঅত্রটা শিবির করতো। ব্যস, মিছিল বন্ধ হয়ে গেল। বিক্ষোভ থাইমা গেল।
আমি কই থাইমা গেলেন। ব্যান্ড পার্টি ডাকেন। একটা শিবির খুন হইছে, এইটা তো আনন্দের ব্যাপার। সেলিব্রেট করেন। ড: জাফর ইকবাল না শিখিয়েছে জামাত-শিবির করা পাপ, তারা অচ্চুত।
অনেকে আমার প্রস্তাব শুনে অস্বস্তি বোধ করতে পারেন। কিন্তু ভেতরকার খবর হইলো ছাত্ররা মানসিকভাবে এইটা লালন করে। পেটি বুর্জোয়ারা মানসিকভাবে জল্লাদের সিলসিলা বহন করে
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মার্চ, ২০১১ রাত ৯:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


