আবারো লাঞ্চিত হলেন একজন সম্মনিত শিক্ষক ছাত্রলীগের কুত্তা দারা। শিক্ষকদের সহযোগিতায় শিবির ক্যাডাররা পরীক্ষা দিচ্ছে—এমন অভিযোগ এনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা আজ বাংলা বিভাগের সভাপতি সফিকুন্নবী সামাদীকে লাঞ্ছিত করেছেন। তারা এই সম্মনিত শিক্ষককে ধাক্কা মেরে মেঝেতে ফেলে দেন। পরে প্রক্টর এসে আহত সামাদীকে উদ্ধার করেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আজকে ছাত্রলীগের আচরণে আমরা আনন্দিত, উদ্বেলিত!! ছাত্রলীগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ ও সরকারের সমর্থন পেয়ে কি শুরু করেছে তা ছাত্রসমাজ সহ দেশের মানুষ দেখছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেলে এসবই করে। তাই ছাত্র সমাজের সমর্থন তারা কখনোই পাইনা। পুলিশের সহযোগীতায় কিছুদিন শুধু দাপট দেখাতে পারে এরপর ক্ষমতার পরিবর্তনে পাতি কুত্তার মতো লেজ গুটিয়ে পালিয়ে যায়। এবার ক্ষমতার পরিবর্তন লাগবেনাসাধারণ ছাত্রছাত্রীরাই এদের বের করে দিবে।
কি আর বলব ? এমনটি তো প্রতিনিয়তই ঘটছে। কোন দেশে বাস করছি আমরা ? এমন দেশটিই কি শেখ মুজিবুর রহমান চেয়েছিলেন ?
আজকে আমরা আমাদের সম্মানিত প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর কাছে সবিনয়ে জানতে চাই, আপনারা কি আসলে এমন একটা পরিবেশ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কামনা করেছিলেন??? শিবিরকে ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ করতে চান তো ঠিক আছে, কিন্তু এরপর কি হবে?? ছাত্রলীগের এই ছেলেরাই বিশ্ববিদ্যালয় চালাবে??? এরকম পরিবেশতো ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিগত অনেক বছর ছিলনা। হঠাৎ এমন হলো কেন??? ছাত্রলীগও এমন বেপরোয়া হলো কোন সাহসে??? এটা কি আপনাদের কোন ভূল ও বেআইনী প্রশ্রয়ের কারণে??? এভাবে চলতে থাকলে তো আপনারা চাইলেও ছাত্রলীগ ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ে টিকতে পারবেনা।
যারা নিজের দলের মেয়েদের ইজ্জত নষ্ট করতে পারে তাদেরইতো এসব মানায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



