আজকের দুপুর ২ টার এনটিভি নিউজ দেখে চোখের পানি আটকাতে পারলাম না। মানুষের ভন্ডামী আজ কোন পযায়ে পৌছেছে তার একটা নমুনা দেখলাম একাট খবরে। শরিফ(২৯) এক টগবগে তরুন। মাত্র ১ মাস আগেও সে ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যাক্তি। । এই ছেলের হটাৎ জ্বর হয় একমাস আগে। ডা: দেখানো হয় কিন্তু রোগ সারেনা। পরে ধরা পড়ে সে কঠিন গুলেন বারী সিনড্রমে আক্রান্ত। ব্যায়বহুল চিকিৎসা হওয়ায় প্রচুর টাকার ধরকার।
এতোদিন পরিবার যতটুকু পেরেছে চিকিৎসা করিয়ে যাচ্ছিল, এমনকি সুদের উপর টাকা এবং বোনের স্বর্ণ বন্ধক রেখেও টাকা নেয়া হয়েছে তার জন্য। কিন্তু আর যখন চলছিলোনা তখন বাবার মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট খানা নিয়ে দুইবোন ছুটল প্রধানমন্ত্রীর দফতরে। ওমা উনিতো আসমানের প্রধানমন্ত্রীর!! উনার দেখা কি সাধারন মানুষ পাবে। তাড়িয়ে দেয়া হলো দুইবোনকে। তারপরও ভাইয়ের জীবন বলে কথা, হতদ্যম হলেতো ভাইকে বাছানো যাবেনা। তাই বোনরা ছুটলো এবার মন্ত্রীদের দফতরে, তাদের ভাষায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিছয় এবং সার্টিফিকেট দেখানোর পরেও তাদেরকে কুকুরের মতো তাড়িয়ে দেয়া হয় সেখান থেকে। হায়রে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির দাবিদার !!!!! রাগে দুখে ক্ষোভে মেয়েটি তখন বলে- "বাবার মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট তাহলে কিসের জন্য? আমরাতো কখনো এটিকে কাজে লাগাইনি, আজকে শুধু ভাইকে বাচাতে এটা ব্যাবহার করলাম, কিন্তু কোন কাজে আসেনি, তাহলে এটি রেখে কি লাভ? এর ছেয়ে পুড়িয়ে ফেলাই ভালো।"
আর এদের এমন কান্ডজ্ঞানহীন কাজের সুজোগ নেয় জামায়াত-শিবির চক্র। এমন পরিস্থিতিকে তারা কাজে লাগায়। কিন্তু জামায়াত যখন একাজ করবে তখন তথাকথিত সুশীলরা থতু মারতে মারতে একেবারে অজ্ঞান হয়ে পরে। আরে তোমাদের ব্যাথতায়তো তাদের সুযোগ করে দিয়েছে সেটা খেয়াল করেছো।
আসুন আমরা এই ছেলেকে বাচাতে এগিয়ে আসি। তার চিকিৎসার জন্য আনুমানিক ১০ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। মুক্তিযুদ্ধার সন্তানকে আমরা এভাবে চলে যেতে দিতে পারিনা। আমরা তাকে বাছাবোই।
ছেলেটির ঠিকানা খবরে দেয়নি, শুধু নাম শরিফ এবং ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউতে আছে এটা বলা হয়েছে।
জানতে পারলে আমি জানাবো। অথবা কেউ জানলে ব্লগে জানিয়ে দিবেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


