somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

‘শিশির সরকার দিচ্ছে ডাক/ বাংলাদেশ করো ভাগ’, ‘৭১-এর মতোই অস্ত্র হাতে সংগ্রাম চাই’,X(X(

২৪ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে ‘সামন্ত নগরে’ স্বাধীন বঙ্গভূমির পতাকা উত্তোলন করা হবে।
বনগাঁয় বঙ্গসেনার সমাবেশে ‘রাষ্ট্রপতি শিশির কুমার’

স্বাধীন বঙ্গভূমির রাষ্ট্রপতি শিশির কুমার সরকার গতকাল বনগাঁতে বঙ্গসেনাদের এক সমাবেশে ঘোষণা করেছেন, আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে তারা খুলনার উপকণ্ঠে সামন্ত নগরে স্বাধীন বঙ্গভূমি রাষ্ট্রের পতাকা উত্তোলন করবেন। কথিত বঙ্গভূমি রাষ্ট্রের স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি শিশির সরকার আরো বলেন, তারা এ জন্য ভারতের বিভিন্ন স্খানে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। তিনি বলেন, ২৪ পরগনার ঠাকুর নগরে ৮ জুলাই তাদের বিরাট সংখ্যক সেনা প্রথম দফার প্রশিক্ষণ শেষ করেছে।/:)

গতকাল সকাল থেকে বঙ্গসেনা সদস্যরা বনগাঁ রেলস্টেশনসংলগ্ন মাঠে জমায়েত হতে থাকেন। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পর্যায়ক্রমে সেখানে উপস্খিত হন। বাংলাদেশের বর্তমান ১৯টি জেলা নিয়ে স্বাধীন বঙ্গভূমি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য এই সংগঠনটি কাজ করে চলেছে। ২০০৫ সালে শিশির সরকারকে রাষ্ট্রপতি করে এই প্রবাসী সরকার প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হন শ্রী পঞ্চানন বিশ্বাস।

গতকাল বঙ্গভূমির কথিত রাষ্ট্রপতি শিশির সরকার বনগাঁ রেলওয়ে স্টেশনে আসার পর বঙ্গসেনার একটি দল শ্রী কার্তিক শিকদারের নেতৃত্বে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। রাষ্ট্রপতি শিশির সরকার বনগাঁ রেলওয়ে ময়দানে এই সালাম গ্রহণ করেন। এই সমাবেশে দুই হাজারেরও বেশি বঙ্গসেনার উপস্খিতি দেখা যায়। এবার উল্লেখযোগ্য ছিল, বঙ্গসেনার নারী বাহিনীর যথেষ্ট সংখ্যায় উপস্খিতি। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সমাবেশে তরুণদের উপস্খিতিও লক্ষণীয় ছিল।

এরপর বঙ্গসেনাদের এই বাহিনী মিছিল করে বাংলাদেশের দিকে যাত্রা শুরু করলে বনগাঁ চাঁকদা রোডে বাটা মোড়ের ত্রিকোণ পার্কের কাছে পুলিশ তাদের গতিরোধ করে। বঙ্গসেনারা সেখানেই অবস্খান গ্রহণ করে। প্রধানমন্ত্রী পঞ্চানন বিশ্বাসসহ স্বাধীন বঙ্গভূমি আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ এই অবস্খানস্খলে বক্তব্য রাখেন।
রাষ্ট্রপতি শিশির সরকার একটি ভ্যানের ওপর থেকে প্রদত্ত এক জ্বালাময়ী ভাষণে বলেন, বাংলাদেশের তিন কোটি হিন্দু উদ্বাস্তু হিসেবে পশ্চিমবাংলা, আসাম ও ত্রিপুরায় শোচনীয় জীবনযাপন করছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরের হিন্দুদের নিয়ে তাদের জন্য বঙ্গভূমি নামে এক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শিশির সরকার বলেন, ফিলিস্তিনের উদ্বাস্তুদের প্রতি ভারত সরকার সমর্থন জ্ঞাপন করেছে। একইভাবে বঙ্গভূমি ও বাংলাদেশের হিন্দুদের জন্য ভারত সরকারের সমর্থন ও সহযোগিতা তিনি আশা করেন। বঙ্গভূমির রাষ্ট্রপতি তার ভাষণে বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দের তীব্র সমালোচনা করেন। শেখ মুজিবুর রহমান থেকে শুরু করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা­ কেউই তার সমালোচনা থেকে বাদ যাননি। তিনি বলেন, প্রকৃতপক্ষে শেখ মুজিবুর রহমানই বাংলাদেশে হিন্দুদের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।
শিশির সরকার শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারকে ‘অবৈধ সরকার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের নাগরিক যে তিন কোটি হিন্দু বর্তমানে শরণার্থী হিসেবে ভারতে রয়েছে তাদের বাদ দিয়ে এই সরকার বৈধ হতে পারে না। তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসঙ্ঘের কাছে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান। তার এই বক্তব্যের বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা অবশ্য শিশির সরকার দেননি। তিনি তার ভাষণে বলেন, তিনি ভারতসহ আরো ১৩টি রাষ্ট্রের দূতাবাস এবং সরকারের কাছে চিঠি লিখে স্বাধীন বঙ্গভূমি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি চেয়েছেন।

রাষ্ট্রপতির ঘোষণার সময় উত্তেজিত বঙ্গসেনাদের বঙ্গভূমি রাষ্ট্রের পতাকা হাতে þস্লোগান দিতে দেখা যায়। þস্লোগান ওঠে, ‘শিশির সরকার দিচ্ছে ডাক/ বাংলাদেশ করো ভাগ’, ‘৭১-এর মতোই অস্ত্র হাতে সংগ্রাম চাই’, ‘জয় স্বাধীন বঙ্গভূমি’ ইত্যাদি। এরপর প্রায় সìধ্যায় ‘স্বাধীন বঙ্গভূমি’ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার শপথ’ নিয়ে বঙ্গসেনারা ফিরে যেতে থাকেন।


ব্যাপার কি???? ভাইয়ারা একটু ডিসকাস করেন দেখি।

সুত্র-
Click This Link
৩৪টি মন্তব্য ১৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×