রাজাকারদের ছেলেমেয়েদের কি আমরা ঘৃণা করব না?
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:০৬
এরও আগে যেই প্রশ্ন জারী থাকে তা হলো মুক্তিযোদ্ধারা কি ঘৃণা সহকারে যুদ্ধ করছেন? যুদ্ধ করতে গেলে কি ঘৃণা অবশ্যম্ভাবী? জাতিঘৃণা বা এথনিক ক্লিনিজং-এ যারা খুশি বিশ্বাস রাখতে পারেন; আমি তাদের সঙ্গে নাই। যারা জাতিঘৃণা বা গোষ্ঠীঘৃণা করেন আমি তাদেরও ঘৃণা করি না।
আমার দেশ যদি কেউ আক্রমণ করে তবে কি মাতৃভূমি রক্ষার জন্য ঘৃণা অত্যাবশ্যকীয় জিনিস? যদি তাই হয় তবে সর্বশেষ শত্রুসেনাকে হত্যা করার আগ পর্যন্ত দেশপ্রেমিকরা কীভাবে থামবেন?
যারা রাজাকারের সন্তানের (এইভাবে আমি বলতে চাই না) পছন্দের লিংকে আমার নাম দেইখা আমারে রাজাকারের তালিকায় উঠাইতে চান, তাদের প্রতি বক্তব্য: কেউ যদি আমার লেখালেখি পছন্দ করেন আমার জন্য সেইটা আনন্দদায়ক। তিনি যদি খুনী বা ধর্ষণকারীও হন আমার তাতে আনন্দ কমবে না। আমি গোষ্ঠীর জন্য লিখি না। আমার উপ্রে কোনো ফরজ জারী নাই। মুক্তিযুদ্ধ নিয়া লেইখা ফাটাইয়া ফেলাইয়া আমার প্রমাণ করতে হবে না যে আমি রাজাকার নই।
আমি দেশপ্রেমে বা সীমান্ত প্রেমে বিশ্বাস রাখি না, কাজে কাজেই বিদেশ প্রেমেও না। আমার পাকিস্তান বা ভারতপ্রীতি নাই। বাংলাদেশপ্রীতিও না। ফলে আমারে রাজাকার বলা যাবে না। দেশের আইন যদি রাজাকারদের সন্তানদের ঘৃণা করার বিধান তৈরি করে আমি সেইটারও বিরোধিতা করব।
যদি কোনোদিন অন্য কোনো দেশ আমার নিজের দেশ আক্রমণ করে তখনো যেন সেই দেশের মানুষকে ঘৃণা করার মত অবস্থা আমার তৈরি না হয়। ঘৃণা ছাড়াই যুদ্ধ করা সম্ভব। তাতে যুদ্ধের পাপ হত্যাকারীকে স্পর্শ করে না। যদি আবার পাকিস্তানপন্থী বা নব্য ভারতপন্থীদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে হয় তার জন্য দেশপ্রেম ঘৃণা বা রাজাকারদের সংশ্রব এড়ানো কোনো কাজে আসবে না। কৌশল এবং তৎপরতাই কাজে আসবে। যারা গীতা পড়তে চান পইড়া নিয়েন। গীতা এই ব্যাপারে আমার চেয়ে ভালো বলছেন।
যারা জামাতের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান তারা কেবল ঘৃণা দিয়াই তা সারতে চান। তাতে জামাত শক্তিশালী হয় মাত্র। জামাতের বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক দলের কোনো এজেন্ডা নাই। গণতন্ত্র বিরোধী একটা দলরে সবাই ভোটে অংশগ্রহণ করতে দিতেছে। মে বি তারা সকলেই রাজাকার হইয়া গেছে!
প্রথম আলোব্লগে এই লেখার লিংক
প্রকাশ করা হয়েছে: চিঠি, শিক্ষামূলক! বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪১
আলেকজান্ডার ডেনড্রাইট বলেছেন:
সশ্রদ্ধ সালাম জানাই আপনাকে।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
কি আর কমু, রাইসু ভাইজান নতুন কিছু কইবার কোশেশ করলেন। সেলিব্রিটি চরিত।
রাইসু পোস্ট দিছে এই খুশিতে।

তবে যে যত ক্লীব সাজতে চাক না কেন রেজাকার কইলে ঠিকই লাগে

কৌশিক আহমেদ বলেছেন:
বিষয়টা পরিষ্কার একটা দার্শনিক অবস্থান। এর সাথে উগ্র জাতিয়তাবাদীদের দর্শনেও কিছু আদর্শিক মতদ্বৈততা দেখেছি। আপনি যেই অর্থে ঘৃনা বলেছেন, সেটা পোষন একধরণের দায়িত্ববোধের মধ্যে পড়ে বলে অনেককেই বিশ্বাস করানো যায়। যেমন তোমার মা'কে ধর্ষণ করেছে, এখনও বসে আছো বাহে! এটা তড়িৎ কাজ করে, বোধ সঞ্চালন করে, নির্মাণ করে। যা কার অভিষ্ট লক্ষ্য পূরণ করতে সাহায্য করে, সেটা অনুধাবনের বিষয়। আমি যখন দেখলাম, এই একই ব্যক্তি ধর্ম ও মুক্তিযুদ্ধের তথাকথিত স্বপক্ষ শক্তি বলে একটা শ্রদ্ধা মিশ্রিত যৌগ নির্মাণে উদগ্রীব হয়, সেটার সাথে রাজাকারদের অপচেষ্টার তেমন কোন পার্থক্য নাই। রাজাকাররা ধর্মানুভূতিসম্পন্ন মানুষকে সহজেই মটিভেট করতে পারছে, আর মুক্তিযুদ্ধ বলে চেচানোরা ঘৃনা ছড়াচ্ছে এমন বিষয়ে যার সাথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে সাথে সংস্কৃতি, প্রকৃতি, অর্থনৈতিক ও জলবায়ুগত অনেক উপলব্ধির সম্পৃক্ততা বা উপলব্ধিকে অস্বীকার করেই। .
রাজাকারের ছেলেমেয়েদেরকে আমি ঘৃনা করি না। বিষয়টা এত স্পর্শকাতর যে তা বাঙালীর চেতনার সাথেই যায় না। তারপরে তো এ নিয়ে আলোচনা।
নতুন বলেছেন:
@ অশ্রু আপনার মন্তব্য টা দারূন.....""আপনাকে ৫ দিলাম। রাজাকার মানে স্বেচ্ছাসেবক। তারা খারাপ কিছু করেনি। অন্তত সেই প্রেক্ষাপটে তারা একটা অবস্থঅন নিয়েছিল মাত্র। তাছাড়া ভারত যুদ্ধে জেতার পর তো তাদের ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে। এখন এসব ইস্যুতে ঝগড়া করার মানে নেই কোন""
--- জামাতি আদশু` ...দারুন...
অবজারভার বলেছেন:
রাজাকার আর রাজাকারের ছেলেমেয়ে কি এক জিনিস হইল! বাপে কাম বানাইছে সেইজন্য ছেলেমেয়েরা ফল ভোগ করবে কেন? যদি ছেলেমেয়েরা বাপের আদর্শকে উচ্চে না তুলে ধরে বরং বিরোধিতা করে বাঁচতে চায় তাইলে তারে ঘৃণা করার কী আছে? এই ব্লগে যারা রাজাকারি আদর্শের আমি তাদের পক্ষাবলম্বন করতেছি না, একটু যৌক্তিকভাবে বিষয়টাকে বুঝতে চাইতেছি। মুক্তিযোদ্ধাদের পোলামাইয়া খারাপ হইলে কি তাদেরে আপনেরা শ্রদ্ধা করতে পারবেন কেউ?
সোহানের রোজনামচা বলেছেন:
তারেক রহমান বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধার ছেলে।তাঁকে সেজন্য ক্ষমা করে দিতে হবে?পিতার অপরাধ বা ভালো কাজ দিয়ে সন্তান কে বিচার না করে নিজ কমে' সবাইকে বিচার করা উচিৎ বলেই আমি মনে করি।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
৫
সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন বলেছেন:
রাজাকার মানে স্বেচ্ছাসেবক। সেবাটা কাদের করেছিলো সেটা একটু বলেন না, ভাই।"মীর জাফর" নামটি ইসলামী শরিয়াহ মতে এবং সার্বিকভাবেই কোন খারাপের ছাপ রাখে না।
কিন্তু মীর জাফর নামটি আজ আর কেউ রাখে না কেনো?
রাজাকারের শাব্দিক অর্থ যা-ই হোক মুক্তিযুদ্ধ প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে "রাজাকার" শব্দটি একটি ঘৃণার বস্তু। সে হিসাবে রাজাকাররাও ঘৃণার ব্যক্তি।
তবে তাদের ছেলেরা যদি বাবার আদর্শ অক্ষুন্ন রাখে তবে তাকেও ঘৃণা করবো।
রাইসু ভাইকে অনেক দিন দেখি না,কিন্তু উনার নাম নেয়ার সাথে সাথে এসে হাজির হয়েছেন।এতে বুঝা গেল উনি এই ব্লগের প্রতি নিয়মিত দৃষ্ঠি রাখেন।হয়তো অন্য নিকে বিভিন্ন আলোচনাতে অংশও নিয়ে থাকেন।
উনার আগমন সঠিক সময়ে হয়েছে বলে উনাকে সালাম দেই।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
দুএকটা রেয়ার কেস ছাড়া সব এক গোয়ালের গরু। উপরে এক মুখোশ ভিতরে আরেকটা-পুরা মুনাফেক! সব কয়টারে জুতা!
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
হুদা ইসলাম, আমি অন্য নিক নিয়া কোনো আলোচনায় অংশগ্রহণ করি না। মাঝে মাঝে সামহোয়ারে ঢুকি। লেখা হয় না। এই ব্যাপারটা কালকে মদ খাইতে সময় জানতে পারছি। তার পরে চেক কইরা দেখলাম। এবং লেখলাম।
আমার এই পোস্ট-এর মূল বিষয় দঘৃণা না কইরা লড়াই করা যায় কিনা' তা। ইসলাম মনে মনে ঘৃণা করতে বইলা থাকতে পারে। সে অর্থে রাজাকারদের ঘৃণা করাটা ইসলামের মইধ্যেই পড়বে। কিন্তু আধুনিক মানবতাবাদী সমাজ বা খ্রীস্টিয় কানুনের মইধ্যে ঘৃণার জায়গা নাই। যদিও, খ্রীস্টানরাও আকছার ঘৃণা করে। আমরা যারা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হইছি তাদের মইধ্যে আস্তে আস্তে ঘৃণাবোধ লুপ্ত হইতেছে। আমরাও খানিক পশ্চিম হইতেছি। কিন্তু খোদায়ী সরকার যারা কায়েম করতে চান তাদের মধ্যে ঘৃণা কাজ কইরা থাকতে পারে। মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির মইধ্যেও তা আছে। আমগো যাগো মইধ্যে এই জিনিস নাই তারা আপাতত ইসলামপন্থীদের মিত্রভাবাপন্নতার মইধ্যে থাকলেও ইতিহাস বলে (অন্তত ইরানের) আখের খারাপ। ফলে পাকিস্তানপন্থী রাজাকারদের চেয়ে বাংলাদেশপন্থী জামায়াতকে আমি ঘোরতর মনে করি। ঘৃণা না থাকলেও তাদের প্রতি ভালোবাসাও যে নাই সেইটা বলার দরকার আছে।
আপনার কথা শুনে খুশি হলাম।সত্যের পক্ষে থাকা আর অন্যায় আচরনের প্রতিবাদ করা আমাদের সবার কর্তব্য।আপনি সেই কাজটি করেছেন।
তবে মদ খাওয়া হারাম।আশা করি আপনি সেই পথ থেকে ফিরে আসবেন।
আল্লাহ আপনাকে আমাকে সবাইকে দ্বীনের পথে চলার তওফিক দিন।
আমীন।
অনিশ্চিত বলেছেন:
যারা একটি আদর্শিক অবস্থান নিয়ে পাকিস্তানকে সাপোর্ট করেছিলেন, তাদের প্রতি আমার কোন অভিযোগ নেই। কিন্তু যারা যুদ্ধাপরাধী (তা তিনি রাজাকারই হোন বা না হোন), আমি তাদের বিচার চাই। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যারা নিখাদ যুদ্ধ করেছে, আমি তাদেরও বিচার চাই না। আমি শুধু বিচার চাই যারা লুটপাট করেছে, জ্বালিয়ে-পুড়িয়েছে, ধর্ষণ করেছে বা এ ধরনের কাজ করেছে তাদের।রাইসু, অনেকক্ষেত্রেই আপনার সাথে একমত।
'দেশের আইন যদি রাজাকারদের সন্তানদের ঘৃণা করার বিধান তৈরি করে আমি সেইটারও বিরোধিতা করব। '
যারা অতিমাত্রিক মুক্তিযুদ্ধ চেতনাধারী তাদেরকে অনুরোধ রাইসু ভাইয়ের উপরোক্ত মন্তব্য মুখস্ত করুন এবং প্রতিদিন একবার স্মরণ করুন।
অশেষ ধন্যবাদ ব্রাত্য রাইসুকে।
এই ব্লগে ব্রাত্য রাইসুদের মতো কিছু নাম আছে দেখেই রেজিস্টার করেছিলাম।
অনিশ্চিত বলেছেন:
অশ্রু লিখেছেন, রাজাকার মানে স্বেচ্ছাসেবক। তারা খারাপ কিছু করেনি।*
আমি অশ্রুকে ইতিহাস পড়তে বলব। নিদেনপক্ষে তাঁর পূর্ববর্তী প্রজন্মের সঙ্গে কথা বলতে বলব।
বইপাগল বলেছেন:
ধন্যবাদ ব্রাত্য রাইসু ৫
আমি সাগর বলেছেন:
রাইসু-আমি সেই রাজাকারের ছেলেরে ঘৃণা করবো যে তার বাবার কৃতকর্মকে সমর্থন করে, হয়তো গর্বও বোধ করে। লেখার ভাষা যতো ভাল, বিষয়বস্তু ভাল না
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
বিষয়বস্তু কেন ভালো না বলেন। রাজাকারদের ঘৃণা করা কি তাইলে আমাদের সবার জন্য অবশ্য কর্তব্য ব্যাপার? দেশের এতগুলি রাজাকাররে ঘৃণা করলে আমরা হেগোরে এই দেশে থাকতে দেই কেন?
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
গুড পয়েন্ট ব্রাত্য। এইটা আমার নৃবিজ্ঞানের গবেষণা টপিকের মধ্যে একটা। খেলাটা আরো জমবে যখন মন্তব্যকারীদের বক্তব্য কনটেক্স বুইজ্জা বিশ্লেষণ করার সুযোগ পামু।
কেনবলি বলেছেন:
ছাগল রাসু। আর কি কমু। যে কিনা জামাতের সাথী ছিল বলে নাফ দেয় হে তো নিজেই রাজাকার, ওরে রাজাকারের ছাও বলে কেউ ঘৃনা করেনা, রাজাকার বইলা ঘৃনা করে। যাও গিয়া, তোমার অংবং ছড়া লিখো গিয়া, আর মদ খাইয়া ওয়ামী পাছা শুকো গিয়া,
কেনবলি বলেছেন:
শালা সীমানা মানোনা। তোমরা মত আবাল গুলান পাকিস্তানি আমলে হালুয়া রুট খাইসে আর স্বাধিনতা যু্দ্বেরে কইসে ২ কুকুরের লড়াই। তুমি রাজাকার একন বোজা গেলো। যা হারামী
অবজারভার বলেছেন:
কেনবলি, আপনি তো অশ্লীল মারতাছেন দেখি। আপনে কোন দলের? জামাত না নাজামাত?রাইসু কি জামাতের সাথী ছিল নাকি?
অবজারভার বলেছেন:
আরো মাতেন। কিছু শিখি।
সাধক শঙ্কু বলেছেন:
অবস্থান না থাকা একটা অবস্থান। রানি´ং অবস্থানগুলার সাপেক্ষে তারে ক্লিব কওয়া যাইতারে। এইটাও ভালো। সকলেরই যার যার "গন্তব্য" পরিস্কার করা উচিত।
এস্কিমো বলেছেন:
কিন্তু আধুনিক মানবতাবাদী সমাজ বা খ্রীস্টিয় কানুনের মইধ্যে ঘৃণার জায়গা নাই। - এটা কোথা পেলেন? একটু পরিষ্কার ভাবে বলবেন কি? "আধুনিক মানবতাবাদী" সমাজ কোথায় পাওয়া যাবে?
অবজারভার বলেছেন:
বইয়ে পাওয়া যাবে। তবে এস্কিমো ভাষায় নেই, ইংরেজিতে আছে।
রাসেল ( ........) বলেছেন:
রাইসু এথিনিক ক্লিনজিং কিংবা জাতিঘৃনা আর রাজাকারদের সন্তানকে ঘৃনার ভেতরে সম্পর্কটা কোথায়- আমরা যদি রাজাকারকে একটা জাতি পরিচয় দেই তাহলে এই জাতির কিছু বৈশিষ্ঠ্য থাকতে হবে- জাতিগঠনের উপাদান থাকতে হবে তাদের ভেতরে-যাই হোক রাজাকারদের ঘৃনা করা কিংবা না করা- তাদের বিচার চাওয়া কিংবা না চাওয়া এইসব রাজনৈতিক অবস্থানে রাজাকারদের ছেলেদের অন্তর্ভুক্তি বিষয়টা আমার কাছেও ঠিক গ্রহনযোগ্য মনে হয় না- বাবার কৃতকর্মের দায় সন্তানের উপর চাপানোর ভেতরে একটা বর্বরতা আছে-
আর যুদ্ধ কিংবা নিধনের জন্য আসলেই তেমন ঘৃনার প্রয়োজন হয় না- কিছুটা অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির লোভ কিংবা সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন থাকতে হয়- একই স্বপ্ন নিয়ে যদিও জঙ্গীরাও বোমা মারে- তবে তাদের সাথেও আমার কিছু নৈতিক আর আদর্শিক সংঘাত তৈরি হয়- আমিও জঙ্গীদের নির্মূল করতে চাই- সংখ্যাগরিষ্ঠের সুবিধার কথা বলে জঙ্গী ধরে পিটিয়ে মেরে ফেলা, ছিনতাইকারী ধরে পিটিয়ে মেরে ফেলা এইসব কার্যক্রমও একই নিক্তিতে তোলা যায় আলোচনার নিমিত্তে- তবে সেসব আলোচনায় নৈতিকতা আর আদর্শের আলোচনার সাথে বাস্তবিক প্রয়োগের জায়গাটা নির্মাণ করা আরও জরুরি ছিলো-
আদর্শিক প্রশ্নে এমন একটা দল যা সকল জনগোষ্ঠির প্রতিনিধিত্ব করতে অক্ষম তাদের রাজনীতির সুযোগ দেওয়া নিয়ে আমার আপত্তির জায়গাটাও কোনো না কোনো ভাবে কারো না কারো রাজনৈতিক স্বাধীনতা ক্ষুন্ন করে-
আইন কিংবা অনুশাসন কোনোভাবেই কি এইসব দুর করা যাবে?
মনে হয় আলোচনা এখানেই থামানো ভালো- তবে নৈতিকতা বিচার করলে রাজাকারের কৃতকর্মের দায় তাদের সন্তানের উপর চাপানো ভুল হবে-
আর রাজাকারদের ঘৃনা প্রসঙ্গে কোনো বচনামৃত থাকলে এই সুযোগে ঝেড়ে দেওয়া ভালো। ওটা আবার আদর্শিক সংঘাতের জায়গা তৈরি করতে পারে।
সোনার বাংলা বলেছেন:
সহমত সারওয়ারচৌধুরী ভাইয়ের সাথে। আর যেমন আলেমের ঘর থেইকা যালেম বাহির হইতে পারে, তেমনই যালেমের ঘর থেইকা আলেম
বাহির হইতে পারে। তার অনেক নমুনা আজ বঙদেশে আছে।৫
ত্রিভুজ বলেছেন:
রাইসু দা, কাদের কি বলেন? "শুভ" ভাইয়ের মত মানুষরে অচলায়তনে 'রাজাকার' বলা হইছে। রেজওয়ান ভাইকেও রাজাকার বললো, সাথে আপনাকে। বিষয়টা মজার.... ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধাদের অত্যাচারে না আরেকটা ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ হয়ে যায় ওয়েবে।"মুক্তিযুদ্ধ নিয়া লেইখা ফাটাইয়া ফেলাইয়া আমার প্রমাণ করতে হবে না যে আমি রাজাকার নই। "
লাইনটা ভাল হয়েছে। এই লাইনের জন্য ৫ :-)
আমার ধারনা এইসব ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধাদের আচার আচরণ দেখে ভবিষ্যত প্রযন্ম মুক্তিযুদ্ধের কথা শুনলেই বিরক্ত হবে। ঐদিন আমার ব্লগে একজন একটা মন্তব্য করেছিল। দু:খজনক হলেও তিনি ঠিক বলেছিলেন। মন্তব্যটা কপি পেষ্ট করা হলো-
-----------------------------------------------
মিরাজ বলেছেন :
২০০৭-০৮-৩১ ২১:৪৭:১৫
@ ত্রিভুজ।
ভাই আমি দেশ প্রেমিক কিনা জানি না কিন্তু আপনাদের এই স্বাধীনতার পক্ষ শক্তি বা বিপক্ষ শক্তি নিয়ে ক্রমাগত কচকচানিতে দেশের অনেক তরুণের মতই বিরক্ত।
-----------------------------------------------
ওয়ামি বলেছেন:
"ঘৃণা ছাড়াই যুদ্ধ করা সম্ভব। তাতে যুদ্ধের পাপ হত্যাকারীকে স্পর্শ করে না।"বাণী চিরন্তনীতে স্থান পাবার মতো উক্তি। নেলসন ম্যান্ডেলা এক সাক্ষ্যাৎকারে বলেছিলেন:
"সাদাদের প্রতি যে ঘৃণা ছিলো আমার ভেতরে, আমি বুঝতে পারতাম সেটা আমাকে ধ্বংস করে ফেলবে। ঘৃনার আগুনে আমি নিজেই জ্বলে পুড়ে শেষ হয়ে যাবো। সাদাদের কিছু হবেনা। বরং আমি যে সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করছি সেটাই ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এটা বুঝতে পেরে আমি ঘৃণার পথ পরিহার করি।"
কেনবলি বলেছেন:
ওয়ামী জামাতের মতার্দশে দীক্ষিত এবং নিজে জামাতের সাথি ছিল। শুধু মাত্র রাজাকার তার বাবা বলে তাকি ঘৃনা করা হয়না, সে রাজাকার মতার্দশের অনুসারী বলে ঘৃনা করা ফরজ। নেলসন মান্ডেলা টানস আবার বরাহ নন্দন,
আমি কে বলেছেন:
হায়রে, একটা কথা কেউ বুঝে না। রাজাকারের পোলারে ঘৃণা করা যায় না, করুনা করা যায়, কারণ মানুষের কাছ থাইকা তারা শুনে তারা রাজাকারের পোলা। এই রকম একটা লজ্জার ভিতর দিয়া তারা বড় হয়, তাই তাদের জন্য খারাপ লাগে, কারণ তারা তো দোষী না, তাদের বাপ দোষী। বাপের দোষ তাদের ঘাড়ে চাপানো ঠিক না।কিন্তু কেউ যখন জাইনা শুইনা আবার সেই রাজাকারদের দলে যোগ দেয়, তখন আসলে আর কিছু বলার থাকে না। তখন তারাও ঘৃণার পাত্র হয়। এক হইল রাজাকারদের সাথি হইছে প্লাস বাপ রাজাকার।
কেনবলি বলেছেন:
জামাতের ৭১'র অপকর্মের জন্য জামাতকে ঘৃনা আর যারা জামাতের কর্মি তাদের কে ঘৃনা। ওয়ামীর বাপ কামরুজ্জামন দেশকে বিক্রি করেছিল পাকিস্তানের কাছে। মানুষ খুন করছিল। আর ওয়ামীরা সেই পাপ হালাল করার জন্য জামাতের রাজনীতি করে। ওয়ামী নিজে জামাতের সাথী ছিল, রগ কাটার রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল। তাকে সে কারনের ই ঘৃনা। আর জেনে শুনের যারা এ ধরনের রগ কাটার ওয়ামীকে বন্ধু বানাই, দেশ বিক্রি করার ওয়ামীকে বন্ধ বানায় তাদেরও ঘৃনা। উদাসী ঠিকই বলেছেন।
রাইসুদা, আপনি যদি নিজেরে সে ব্যাপারে ডিফেন্ড করার জন্য বলতেন তাহলে এটুকুই যথেষ্ট ছিল, কিন্তু আপনি অনেক লম্বা টান দিছেন।
আর ঘৃনার যে কথাটা বলছেন, একটা কথা বলতে পারি যে "ঘৃনা"র অনেক লেভেল আছে ... 'দেখলেই খুন করে ফেলব' ও ঘৃনাবশতঃ ... আবার 'একটেবিলে বইসা চা খাবনা'ও ঘৃনাবশতঃ ... আবার 'এর সম্পর্কে সাবধান থাকতে হবে' ভাবাটাও একপ্রকার ঘৃনা ... এখন কেউ ঘৃনার কথা বললে কোন পর্যায়ের ঘৃনা সেইটা নিয়া প্রশ্ন জাগে।
রাজাকার পুত্রকন্যাদের ব্যাপারে ঘৃনা/অপছন্দ করব কি করবনা সেটা ভাবা খুব সোজা ... যদি তারা এখনও তাদের বাপদের সমর্থন করে ... জামাত করে ... তাইলে ঘৃনা করতে দোষ কি?
তবে একটা ব্যাপার খেয়াল করা জরুরী ... যেজন্য এদের ব্যাপারে আমার একটা সহানুভুতি আছে ...যেমন ধরুন ওয়ামি বা ওয়ালি ... তারা ছোটবেলা থেকাই সবচেয়ে বেশী সময় পাইছে নিশ্চয়ই তাদের বাবা-মা'র কাছে ... তারা শৈশব কৈশোরে কি শুইনা আসছে সেইটা দেখতে হইব ... এখনকি তাগোরে বিশ্বাস করানো খুব কঠিন হইবনা যে 'তোমগোর বাবা যুদ্ধাপরাধী ছিল ... গনহত্যায় তার হাত ছিল' ... এইসব কথা শুনলে রাজাকরদের পোলাপান ধইরাই নিব যে প্রোপাগান্ডা ...
কিন্তু রাজাকারগুলার বিচার যদি আমরা শুরুতেই করতে পারতাম তাইলে এই পোলাপানগুলা এইটা জাইনা বড় হইত যে তাগোর বাপের যুদ্ধাপরাধের শাস্তি হইছে ... তখন তারা নিজের বাপরে না হোক, এটলিস্ট যু্দ্ধাপরাধটা স্বীকার করত, জামাতের ৭১ এর ভুমিকাকে ঘৃনা করত।
একই কথা ৭১ এ রাজাকার ছিলনা কিন্তু এখন জামাত করে এমন অসংখ্য লোকের বেলা খাটে ... এরা জামাতীদের কাজেকর্মে কনভিন্সড হয়ে গেছে ... রাষ্ট্রীয়ভাবে জামাতীরা দোষী তেমন শক্তিশালী কোন "সাইন" নাই ... ইতিহাস এই দেশে বারবার বিকৃত হইছে ... সাধারন মানুষের মাথা ধুইতে কতক্ষণ লাগে?
কাজেই, ঘুইরা ফিরা জামাত-রাজাকার এইসব প্রসঙ্গের বেলা একটা কথাই আসে ... তা হইল,
"খুব শীঘ্রই এগোর বিচার হওয়া অবশ্যই অবশ্যই দরকার।"
রামারাও সিদ্ধা বলেছেন:
১
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
ডিয়ার জ্বিনের বাদশা,আমি একজন লেখক বুদ্ধিজীবী। নিজের মইধ্যে স্ববিরোধিতারে জায়গা দিতে পারি না। ঘৃণা জিনিসটা আমার মইধ্যে নাই। অথচ রাজাকারদের ঘৃণা করাটা জাতীয় দায়িত্বের মইধ্যে পড়ে বইলা মনে হইতেছে। এবং আমার মন যদি ঘৃণায় কলুষিত না হয় তাইলে আমিও এক রাজাকার! এবং আমারে ঘৃণা না করাটা আপনেরেও রাজাকার বানাইয়া ফেলবে। এই ফতোয়া বাহারের চাপ নেওয়া আমার পক্ষে অসম্ভবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়া এক জিনিস, আর সমাজে আত্তীকৃত শত্রুপক্ষের লোকদের একঘরে কইরা রাখা অন্য জিনিস। আপনারা কারা আছেন যে রাজাকারদের ব্যাপারে রাষ্ট্র যদি আইন বানায় এরা দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক এই ব্যাপারটা মাইনা নিবেন। রাজাকারদের পাথর ছুইড়া মারতে রাজি আছেন কারা? রাজাকারদের দোকান থিকা জিনিস কিনমু না, রাজাকারের মাইয়ার লগে প্রেম করুম না, রাজাকারের পোলার লগে বন্ধুত্ব করমু না, রাজাকারের লগে কথা কমু না এই রকম বন্ধ্যা সোসাইটিতে যারা আছেন থাকেন। আমি খুনীর লগে আলাপে রাজি আছি। এবং তার অপরাধের জন্য রাষ্ট্র যদি তারে শাস্তি দেয় তাতেও আছি। কিন্তু তারে একঘরে কইরা রাখনের পাট্টিতে আমি নাই। তারে ফতোয়া দেওনের আমি কেউ না। যুদ্ধাপরাধের আইন সঙ্গত শাস্তি যদি তাদের দিতে হয় সেইটা তাদের একঘরে কইরা হবে না। আদালতে তুলতে হবে এই জিনিস। আর আপনে আমারে লেখারে বললেন দএক হাত বেশী লাফ দিছেন'! আমার কথা যদি জাস্টিফায়েড হয় ওই লাফ আপনেরে উদ্দীপিত করা উচিত। আপনি বসিয়া রহিয়াছেন তাই আমি লাফ দিতে পারিব না! কেন? রাজাকারদের ব্যাপারে আপনার স্পষ্ট অবস্থান জানাইয়েন। কী পদ্ধতিতে সমাজ থেকে এদের নির্মূল করতে চান তা জানা আছে নিশ্চয় আপনার।
প্রথমে > একটা সিস্টেম তৈরি করতে হবে যে কোন ব্লগারকে ফেবারিট (প্রিয় লিংকে এড) করতে চাইলে তা সে ব্লগারের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। আমি সাবধান হয়ে গেলাম। কারো কোন পোষ্ট বা সে ব্লগারকে পছন্দ হলে তার অনুমতি ব্যাতিত আমার ব্লগে এড করবো না। সামহোয়ার এ সিস্টেম তৈরি করুক বা নাই করুক।
দুই> রাজাকারের সন্তানরা যদি এদেশকে ভালবাসে বা এদেশের মতাদর্শকে ভালবাসে তাহলে তাকে ঘৃনা করলে তার প্রতি অবিচার করা হবে বলে আমার ধারনা।
তিন> যে কিনা তার নিজের ব্লগে এমনটা লিখতে পারে তাহলে সেই ধরনের সন্তানদের ঘৃনা করা উচিত্ত।
যতটুকু বুঝলাম তাতে বলা যায় রাজাকারদের ব্যাপারে আপনার সাথে আমার অভিমত প্রায় একই ... একঘরে কইরা হবেনা ... এইটা প্র্যাকটিকাল কোন সল্যুশন না ... রাস্তায় দেখলেই ইটা মাইরাও হবেনা ... কারণ তাতে ক্যাওসই তৈরী হবে ... নিরীহ লোকরেও ইটানো হবে ... একটাই উপায় আছে বলে মনে করি ...সরাসরি আদালতে উঠাইয়া এনলিস্টেড যতগুলা রাজাকার আছে সবগুলার শাস্তি দিতে হবে... যেগুলা মইরা গেছে সেগুলার সবসম্পত্তি রাষ্ট্র দখল কইরা একটা শাস্তি দিতে পারে বা জরিমানা টাইপের অন্যযেকোন শাস্তিও দিতে পারে
আমার কাছে রাজাকার সমস্যা হ্যান্ডল করাটা খুব একটা কঠিন মনে হয়না ... মনে হয় কারও সদিচ্ছাটাই নাই
আর এইটা স্বীকার করি, লাফ দেয়ার অধিকার আপনার অবশ্যই আছে ... সেইটা যে লেখক যেভাবে করেন তার স্বাধীনতা ... মাইন্ড খাইয়েননা
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
ডিয়ার নাজিরুল হক,ওয়ালীর লেখাগুলা দেখলাম, এগুলা তার মত।
ইসলামী ভাবধারায় বিশ্বাসী একজনার পিতা ও পিতৃভূমির প্রতি মনের টান প্রকাশিত হইছে। যদি মনে করেন এই লেখা আমগোর রাষ্ট্রীয় বিপর্যয় ডাইকা আনবো, তাইলে অ্যাকশন নেন। নাইলে ছাইড়া দেন। ওনার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে। বরং ওনার মতাদর্শিক অবস্থানটা জানতে যে পারলেন এতে তো খুশি হওয়ার কথা। স্বাধীন দেশে ভিন্ন মতের ব্যাপারে খোলা মন হইতে হবে। এগুলি নিয়া তর্ক করলে বা গুরুত্ব দিলেই বরং ওই মতগুলি পুষ্টি পায়।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
ভাল লাগল.....লেখা এবং আলোচনা....আমার কাছে একটা জিনিস পরিস্কার। ব্রাত্য রাইসুর মত বুদ্ধিজীবি ও লেখক বাংলাদেশে খুব কমই আছেন, একেবারেই হাতেগোনা।
যুগ যুগ ধরে কি এই ঘৃণাবোধ চলতেই থাকবে? কেন রাজাকারদের বিচার করা যাচ্ছে না? যদি তাদের ক্ষমাই করে দেয়া হয় তবে কেন তা নিয়ে এত কচলাকচলি? এভাবে ঘৃণা বিদ্বেষ নিয়ে একটা জাতি কতকাল টিকে থাকতে পারে?
[লিংক=যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ/নষড়ম/ৎড়হুথসব01নষড়ম/28707925কি পরিমাণ বিদ্বেষ থাকলে ২৮ অক্টোবরের জন্ম হতে পারে[/লিংক]
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
"আমি একজন লেখক বুদ্ধিজীবী। নিজের মইধ্যে স্ববিরোধিতারে জায়গা দিতে পারি না। ঘৃণা জিনিসটা আমার মইধ্যে নাই।"কয় কি? বুদ্ধিজীবী সে আবার স্ববিরোধি না, বুদ্ধিজীবী সে আবার সুবিধাবাদি না-এইটা কি হইতে পারে?
ওয়ামি বলেছেন:
রাইসু দা, নাজিরুল আপনারে ওয়ালীর সাইটের যে এড্রেস দিছে সেটা ওয়ালীর না। অন্যকেউ ওয়ালীর নাম ব্যবহার করে এই নোংরামিটা করছে। !@@!1511547 !@@!1511548 !@@!1511549 !@@!1511550 !@@!1511551। নাজিরুল সম্ভবত ভুল জানেন, কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে এটা সবার ব্লগে গিয়ে বলে বেড়াচ্ছেন।
যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ/নষড়ম/ড়সরঢ়রধষনষড়ম/28693637
যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ/নষড়ম/ড়সরঢ়রধষনষড়ম/28692757
যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ/নষড়ম/ড়সরঢ়রধষনষড়ম/28693637
যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ/নষড়ম/ড়সরঢ়রধষনষড়ম/28692757
Click This Link
২০০৭-০৯-০৪ ১৩:৪১:৩৮
ভাল লাগল.....লেখা এবং আলোচনা....
আমার কাছে একটা জিনিস পরিস্কার। ব্রাত্য রাইসুর মত বুদ্ধিজীবি ও লেখক বাংলাদেশে খুব কমই আছেন, একেবারেই হাতেগোনা।
যুগ যুগ ধরে কি এই ঘৃণাবোধ চলতেই থাকবে? কেন রাজাকারদের বিচার করা যাচ্ছে না? যদি তাদের ক্ষমাই করে দেয়া হয় তবে কেন তা নিয়ে এত কচলাকচলি? এভাবে ঘৃণা বিদ্বেষ নিয়ে একটা জাতি কতকাল টিকে থাকতে পারে?
-------যতকাল রাজাকারগ বিচার না হয় ততকাল। কোন সমস্যা আছে আপনের তাতে? থাকলে কন, আমাগ কাছে "বটিকা" আছে।
এখন চলেন দেখি বদর বাহীনির প্রধান সংগঠকের (http://jonmojuddho.org/dalal.html) কার্যকলাপ:
Click This Link
এই প্রশ্নটা অনেকেই গত কয়দিন ধইরা করতেছে, আমিও করলাম।
কার ক্যামেরায় তোলা হয়েছিল সেটা বোধ হয় মুখ্য প্রশ্ন না, ছবিগুলো কি করে পাবলিক হবে সেটাই বোধ হয় আসল প্রশ্ন। পিকাসো, ফ্লিকারস এরকম অনেক পাবলিক এলবাম আছে, ওয়ামির ওরকম একটা এলবাম নিয়ে ওয়ালীর নামে ওই ব্লগটা বের হওয়ার কিছুদিন আগেই একটা পোস্ট করা হয়েছিল। পাবলিক এলবাম থেকেই ছবিগুলো নেওয়া।
মনিটর বলেছেন:
কামরুজ্জামান আংকেলের ছেলে।
২য় প্রশ্ন: আপনি যেহেতু জোর দিয়ে বলছেন পাবলিক এলবাম থেকেই নেওয়া, তাহলে কাজটা কি আপনি করেছেন? যদি না করে থাকেন তাহলে প্রমাণ দেন?
৩য় প্রশ্ন: আমি খুবই বিখ্যাত পরিবারের সন্তান। এখন আমার ছবি দিয়ে একটা ব্লগ বানান।
শেষ প্রশ্ন: আমি যাকে প্রশ্ন করেছিলাম উনাকে কখন পাওয়া যাবে? (যেহেতু উনার হয়ে আপনি উত-তর দিচ্ছেন সেই জন্য বল্লাম)।
মনিটর বলেছেন:
তাকা/@ 'উনি' ফেসবুকে লিখে 'তাকে' বলেছে সামহয়ারে উত্তর দিতে। 'উনি' এখন ফ্রেঙ্চ ওয়াইন নিয়ে ব্যস্ত।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
আমাগো স্বেচ্ছাসেবকগোর পোলাপানগো জন্য রাইসুদাদা নতুন একটা harbour।
আমি কারও হয়ে জবাব দিচ্ছি না, একটা প্রশ্নের জবাব দিয়েছি আমার জানা ছিল বলে। আমার ধারনা ছিল আপনি বিভ্রান্ত, এবং সত্যি সত্যি জবাব খুঁজছেন। আমি ব্যাপারটা ফলো করেছি, আমার যা সত্যি মনে হয়েছে, সেটা বলেছি।
১ম প্রশ্ন--
সেটা যে পাবলিক করেছে তার ব্যাপার। এই ব্লগে অনেকেরই পাবলিক ফ্লীকারস একাউন্ট আছে, খুঁজে পেতে অনেক ব্যক্তিগত ছবিই পাবেন। ফ্লীকারসে ছবি দেখা আমার নেশা, তাই জানি।
৩য় প্রশ্ন,
আমার এত আজাইরা সময় নাই। আমার নামেও ব্লগস্পটে একটা একাউন্ট খোলা হয়েছিল, saguponda নামে আরেকটা একাউন্ট আছে, এই কাজগুলো যেই আকামা মানুষেরা করে, তাদের অনুরোধ করে দেখতে পারেন।
ওয়ালী বলেছেন:
http://walyz.blogspot.com/। সামহোয়ার ইনের কতিপয় কিছু অসুস্থ ব্লগার তাদের অফুরান্ত সময় কাজে লাগিয়ে এধরনের একটি বিভ্রান্তকর ব্লগ চালু করেছে। কেহ বিভ্রন্ত হইবেন না ব্লগস্পটে আমার নামে একটি মাত্র ব্লগ আছে সেটা হচ্ছে http://woiily.blogspot.com/। এটা ছাড়া আমার নামে আর কোন ব্লগ আগামীতেও হইবেনা।
আর আপনের যেহেতু আজাইরা সময় নাই তাইলে আপনে এখন ফুটেন, আমি যারে জিগাইছি ওর জন্য অপেক্ষা করি।
শুক্রিয়া এবং শুভসন্ধ্যা!!
এই প্রশ্নটা অনেকেই গত কয়দিন ধইরা করতেছে, আমিও করলাম।
বন্ধনহীন বলেছেন:
রাসেল (২০০৭-০৯-০৩ ২০:০৯:১২) ও জ্বিনের বাদশার (২০০৭-০৯-০৪ ০৭:৩৫:০৭) মন্তব্যের পর বলার কিছু থাকে না। ওয়ামির সাথে আমার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধুর (ধরা যাক নাম তার "ক") কিছু মিল ও অমিল আছে, যদিও তার বাবা জামাতী নন। কিন্তু খারাপ কাজের এমন কোন অলি-গলি নেই, প্রচন্ড ধনী এই বদের হাড্ডির পা পড়েনি। "ক" কে মানুষ কারার তার কোন আগ্রহ আমি দেখিনি, যার কারনে সে ইউনিভার্সিটির মুখ দেখেনি। আমার ধারনা তার বাবার ইচ্ছেও ছিল না যে তার মেরুদন্ড শক্ত হোক।
যাইহোক, "ক" তার বাবার কাজের সরাসরি প্রতিবাদ করতে পারতো না। কিন্তু সে এমন ব্যবস্থা করে রাখতো যা তার বাবা খারাপ কাজ সহজে করতে না পারে। তার বাবার বাজে কাজ নিয়ে কথা বলতো। খারাপকে খারাপ সে বলতো। কিন্তু তার বাবা যখন অসুস্থ হলো রাতদিন সেবা দিয়ে, থাইল্যান্ড নিয়ে গিয়ে সুস্থ করে তুলেছিল।
এখন ধরে নিলাম ওয়ামির বাবার রাজনৈতিক শত্রুরা তার নামে আজে বাজে কথা বলছে। ওয়ামি একজন শিক্ষিত ছেলে, সে কি ৭১-এ সংগ্রাম ও পাকিস্থানপন্থী পত্রিকাগুলোতে তার ´বাবা সংক্রান্ত প্রকাশিত সংবাদগুলো পর্যালোচনা করে দেখতে পারে না? তার বাবা তৎকালীন অবস্থানের জন্য এদেশের সাধারণ মানুষের কতটুকু উপকার হয়েছে আর কতজন প্রান হারিয়েছে? জামাত-শিবিরের ঐ অবস্থানের কারণে এই ভূ-খন্ডে কি ঘটেছে, সেকি জানেনা?
তার বাবাকে ঘৃনা করতে বলছি না। তার বাবার খারাপ (অথবা বলুন ভুল) অবস্থানের বিপরীতে তার অবস্থান নেয়াটাই হতো ঠিক কাজ।
রাইসু, আপনার বন্ধু রাজাকারের ছেলে হতে পারে, তাতে দোষের কিছু দেখি না। সেই অর্থে আপনার অবস্থানকে সমর্থন করছি।
কিন্তু আপনার লেখায় আপনার এক উদ্ভট মনন দেখে অবাক হলাম।
একজায়গায় লেখেছেন - "আধুনিক মানবতাবাদী সমাজ বা খ্রীস্টিয় কানুনের মইধ্যে ঘৃণার জায়গা নাই। যদিও, খ্রীস্টানরাও আকছার ঘৃণা করে। আমরা যারা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হইছি তাদের মইধ্যে আস্তে আস্তে ঘৃণাবোধ লুপ্ত হইতেছে। আমরাও খানিক পশ্চিম হইতেছি। "
জীবনের বড় একটা অংশই পশ্চিমে বাস করছি। অসুন্দরের প্রতি ঘৃনা এখানে একটা সাধারন শিক্ষা। লাদেনের হটকারী ৯/১১, বুশের ইরাক আক্রমনকে ইউরোপে ঘৃনাই করে। আপনার মতো উদাসীন থাকে না। ভালো কিছু অনুসরন ভালো, তবে অন্ধ অনুকরণ বানরের মতোই লাগবে।
যে সমাজে বাস করেন, সে সমাজের আচার-আচরণকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে অপ্রাসংগিকভাবে মদ খাওয়ার কথা জানিয়ে নিজে কে স্মার্ট ভাবলেন কিনা জানি না। তবে বিভ্রান্ত মধ্যবিত্ত মানসিকতা লুকাতে পারলেন না, তাই আবারো স্পষ্ঠ করলেন নিজেকে "লেখক বুদ্ধিজীবী" দাবি করে।
সীমান্ত না মানেন, তবে যে সীমান্ত আপনাকে নিরাপত্তা দিচ্ছে, তা প্রতি দায়বদ্ধতা অস্বীকার করতে পারেন না।
মানবতার কথা বলেন, কিন্তু নিজের সুখ বাদ দিয়ে মদের টাকা দিয়ে কি মানবতার কোন উপকার আপনি কোনদিন করেছেন?
দুঃখিত, আপনাকে একজন ভন্ড মনে হলো। প্লিজ, নিজেকে চেনার চেষ্টা করুন।
দয়া করে বানান ভুলের দোষ মাফ করে দিয়েন। ভালো থাকেন।
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
"আধুনিক মানবতাবাদী সমাজ বা খ্রীস্টিয় কানুনের মইধ্যে ঘৃণার জায়গা নাই। যদিও, খ্রীস্টানরাও আকছার ঘৃণা করে।"ঘৃণার জায়গা না থাকলেও খ্রীস্টানরা যে ঘৃণা করে তাতো আমি বললামই। অসুন্দরের প্রতি ঘৃণা খ্রীস্টিয় ধর্মপ্রণালীর মধ্যে নাই। জেসাস সবার সঙ্গে মিশতেন। অপরাধী বা বেশ্যাদের প্রতি তার ঘৃণা ছিল না। অসুন্দর বলতে কে যে কী বোঝে কে জানে।
আমার ভন্ডামী থাকতে পারে। তবে এই লেখায় তা পরিস্ফূট হইছে মনে হয় নাই। মানে আমার এই লেখায় আমার ভন্ডামীর বর্ণনা আমি ইঙ্গিতেও দেই নাই। আপনি কোথায় পাইলেন বুঝতে পারি নাই।
আপাতত আপনাদের যে সমাজে আমি বাস করতেছি সেইখানে মদ বিক্রয় করিবার ও খাইবার বন্দোবস্ত আছে। লাইসেন্সও দেয়। এই সমাজের নাটক সিনেমায়ও মদ খাওয়ার দৃশ্য পরিবেশিত হয়। আমি মদ খাওয়ার কথা বললে আমার পাপ হইতে পারে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো কেন হবে। আর বৃদ্ধাঙ্গুলি জিনিসটাও সমাজের অংশ। মদ খাইতে যাইতে পারব আর বললে ভন্ডামী হবে--নতুন ধরনের কথা শুনলাম।
আমি উদাসীন না। আমার স্পষ্ট রাজনৈতিক সামাজিক অবস্থান আছে। আমি ইস্যু থাকলে আলাপে বিশ্বাসী। জাতিরাষ্ট্রের কনসেপ্টে ঈমান রাখি না, সেইটা বলিও। সামজিক ভাবে আমি যে সমাজে বাস করি আইনের বাইরে সেখানে ফতোয়ার হাজিরা দেখতে চাই না। প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার আমি মান্য করি। এগুলি উদাসীনতার লক্ষণ না।
নিজেকে আমি লেখক ও বুদ্ধিজীবী মনে করি। এবং সেইটা বলতে লজ্জাবোধ করি না। বা এমন মনে করি না যে বুদ্ধিজীবী হওয়াটা একটা কী জানি হইয়া গেলাম মার্কা জিনিস। বুদ্ধিজীবীত্ব একটা চর্চার ব্যাপার। যে বুদ্ধিজীবীরা নিজেদের বুদ্ধিজীবী বলতে চান না তারা পরিচয় গোপন করেন। সেইটা ভন্ডামী হইলেও হইতে পারে।
আমি মোটেই মানবতাবাদী না। নিজের সুখই আমার কাছে সবচেয়ে বড়।
ডক্টরপিএমএসএস বলেছেন:
নাতসী যেমন আধুনিক সমাজে কোন জায়গা নাই সেরকম জায়গা নাই রাজাকার গো। আর নিজের সুখের লগে জামাতি সখ্যতার সম্পর্কে থাকলে সুখ টা কিরকম বোজন দরকার, কারন পাগলের সুখ মনে মনে
ডক্টরপিএমএসএস বলেছেন:
"নিজেরে আমি লেখক ও বুদ্ধিজীবী মনে করি। " আসলেই চর্চার ব্যাপার, কেননা ভোতা হইয়া যারা পারলে লেখার সুযোগ আর চর্চা বাদ দিয়া আরবে হিজরত করতে পাঠাইবো, তাগো দোস্ত কেমতে হয় তুমি
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
বাক্য সম্পূর্ণ করেন ডক্টরপিএমএসএস।
ডক্টরপিএমএসএস বলেছেন:
যারা পারলে লেখার সুযোগ আর চর্চা বাদ দিয়া আরবে হিজরত করতে পাঠাইবো, তাগো দোস্ত কেমতে হয় তুমি ?
ডক্টরপিএমএসএস বলেছেন:
" আমি দেশপ্রেমে বা সীমান্ত প্রেমে বিশ্বাস রাখি না, কাজে কাজেই বিদেশ প্রেমেও না। আমার পাকিস্তান বা ভারতপ্রীতি নাই। বাংলাদেশপ্রীতিও না। ফলে আমারে রাজাকার বলা যাবে না। " খুব ভালো কথা। একন কথা হইলো, এটা বাস্তবতা, নিজেরে যেহেতু বুদ্বিজীবি দাবি করসেন , একটু বাস্তব চিন্তা করেন, ওকে। আর তাইলে মনে হয় অনেক কিছু পরিষ্কার হবে। আপনি সাকুরায় বইসা বিশ্বাস করতে পারেন যে বিনা পয়সা শরাবে তহুরা দেওন উচিত কবিগো, মাগার বাস্তবতা মাইনা নিয়া সেটা পয়সা দিয়া খান।
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
ডক্টরপিএমএসএস,আমার কী করা উচিত তা আপনার বলতে হবে না। আমার কথায় কোথায় আপনার বলবার কী আছে সেইটা বলেন। আমি আপনেরে আমার অভিভাবক বানাই নাই।
ডক্টরপিএমএসএস বলেছেন:
বললাম তো আপনার কামে আর কথায় বাস্তবতার বিশাল ফাক। সেটারে যদিন অভিভাবক মনে হয় তাইলে তাই সই। দিক ভ্রষ্টরে অভিভাবক লাগে নাইলে পথ হারাইয়া অনেক সময় নষ্ট হইয়া যায়
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
রইসুদ্দিন নাকি ইদানিং তিনভূজের লগে বাঁশবাগানে বইসা চাঁদ দেখো? মানে কৈছিলাম, যাযাদিতে বইসা চা খাও?
আর ব্যাকগ্রাউন্ডে মোরশেদ গান গায়।
ব্যাপার না, এই পোস্ট যদি সেই বৈঠকের ফল হয়, তাইলে বুঝছি।
তা, কত টেকা দিসে মগবাজার থাইকা?
ডক্টরপিএমএসএস বলেছেন:
" গণতন্ত্র বিরোধী একটা দলরে সবাই ভোটে অংশগ্রহণ করতে দিতেছে। মে বি তারা সকলেই রাজাকার হইয়া গেছে! " এ ব্যাপারে একমত! আর সেই জন্য আমগো যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নাই
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
আরণ্যক, কথা কইতে চাইলে আপনি সম্বোধনে কথা বলতে হবে। নাম ঠিক কইরা ডাকতে হবে। নাইলে ব্লক করা হবে।
ডক্টরপিএমএসএস বলেছেন:
রাইসু এতোক্ষন কইলেন দেশের সীমানা মানেন না। এখন দেকা যায় আপনি তুমি সামাজিক সীমানা বেশ মানেন? সমস্যাটা কি আসলে বাস্তব বুঝেন না, তাই?
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
সারওয়ারচৌধুরী, প্রথমত আমি কবি হিসাবে পরিচয় দেই নাই। বুদ্ধিজীবী হিসাবে দিছি। আর সামাজিক দায়বোধের কোন ব্যাপারটা বলতেছেন তা বুঝতেছি না। সামাজিক দায়বোধের চেয়ে সত্যের কাছাকাছি থাকতে আমার পছন্দ বেশি। সামাজিক দায়বোধের গুষ্ঠি মারি। শ্রেণিবিভক্ত সমাজে দায়বোধ-এর অর্থ ক্ষমতাসীনদের তল্পি বহন করা।
ডক্টরপিএমএসএস বলেছেন:
সামাজিক দায়বোধের আপনি তুমি তুই তো মাইনা নিসেন দেখা যায়, যেটা ওপরের কমেন্টে বুঝা যায়
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
ডক্টরপিএমএসএস,এইটা দায়বোধ কেন হবে। আপনি তুমি তুই সম্বোধন রীতি। সামাজিক রীতি আর সামাজিক দায়বোধ এক না। আপনের লগে কথা কইতে আমার আগ্রহ নাই। যা পারেন গাইল টাইল দিয়া যান গা। ভাষা আর শব্দের অর্থ যে ভুল ভাবে বোঝে তার লগে তর্কে নাই আমি।
ডক্টরপিএমএসএস বলেছেন:
সম্বোধন রীতিটা তো সামাজিক দায়বোধ থেকেই আসে, খুব সহজে একজন রিক্সাওয়ালারা আপনে তুই কইয়া বাংলাদেশে ডাকতে পারেন, মাগার একজন উকিলরে পারেনানা। সামাজিক দায়বোধ থেকে তো সামাজিক সম্ভাষন রীতি নাকি। আর আপনারে তো গালি দি নাই। প্রশ্ন করসি আর একটারও জবাব পাই নাই এখন পর্যন্ত। শুধু ইতং বিতং কথা ছাড়া
রাইসু ভাই, এই কথাটা সত্য। কিন্তু আমি বলছি, সত্যের কাছাকাছি থাকার জন্য অসত্যের মোকাবেলা করার প্রয়োজনে একটা দায় তো কাধে নিতে হয়।
মদ খাওয়া এই দেশে নিষিদ্ধ এটা তো আমি বলি নাই।আমি বলেছি মদ খাওয়া হারাম ।কোন মুসলমানের মদ খাওয়া উচিত না।
আপনি যদি মুসলমান হয়ে থাকেন তাহলে এই বদঅভ্যাস ত্যাগ করবেন বলে আশাকরি।
ইনশাল্লাহ,সেই দিন বেশি দূরে নেই যেই দিন মদকে এই দেশে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার জন্য সরকার পদক্ষেপ নিবে।
মদ খাওয়া বেআইনি হয় নি কারন দেশে কোন ইসলামী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় নি।
তওহীদি জনতা যেদিন ইসলামী সরকার কায়েম করতে পারবে সেই দিন মদকে নিষিদ্ধ করা হবে।
কিন্তু আপনি কবি ও বুদ্ধিজীবি মানুষ।
এই সমাজের অনেকেই আপনাদেরকে আদর্শ মনে করে ফলো করার চেষ্টা করে।
আশাকরি আপনি তাদের সামনে কোন হারাম কাজের উদাহরন প্রতিষ্ঠিত করবেন না।
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
সত্যের কাছাকাছি থাকাটা কোনো দায়বোধ থিকা না। যদি দায়বোধের কারণে সত্যের সঙ্গে থাকেন সেইটা সত্যের সঙ্গে থাকা হইল না। দায় সারা করা হইল মাত্র। আপনি যখন অন্যের নির্দেশে বা এমনকি বিবেকের নির্দেশেও সত্য বলেন সেইটা তেমন সত্য নয়। সেইটা স্বীকার। মানে আপনি ওইটা স্বীকার করতে বাধ্য। বাধ্কতা থিকা সত্য উৎপাদিত হইতে পারে না। আর এই সত্য মানে গভীর বা পরম কোনো সত্য না। যেইটারে সত্য বা সঠিক বইলা ভাবতেছি যেন সেইটারে প্রকাশ করতে পারি। আমার সত্য যদি আপনি খন্ডন করতে পারেন তাইলে আপনেরে মানতে আমার কী সমস্যা?
কেউ অসত্য বা মিথ্যা বললে আমার সেইটা মোকাবিলার ইচ্ছা নাই। যখন অনেক সত্য এক সঙ্গে হয় তখনও তো বাছাই করতে হয়। কাজেই মিথ্যা থিকা যদি কেউ কিছু বাইছা নেয় সেইটা তার ব্যাপার।
তর্কের সামনে সত্য মিথ্যার চেয়েও বেশি জরুরি যুক্তি। যুক্তির আলোকে সত্য মিথ্যার যাচাই যে যার মত কইরা নিবে। কাধে দায় নেওয়ার অর্থ আপনি সমাজের অন্য কারো চেয়ে বেশি জানেন। এই দাবি হাস্যকর না? ইতং বিতং।
যাক্ আপনার মন্তব্য এবং ব্লগের বাস্তবতা নিয়ে আজ আমি যে পোস্টটি দিয়েছি আমার ব্লগে তা দেখেছেন?
ডক্টরপিএমএসএস বলেছেন:
চমতকার রাইসু। সত্যর জন্ম হয় যুক্তি দিয়া, তাই সত্য আর যুক্তি সমার্থক। যুক্তিই সত্য তাই তার আলোকে বাছাই করনের কিছু নাই আর সেটা আপ্নে বুঝেন না বইলা ইতং বিতং কথার ভান্ডার সাজাইতেসেন। তাই আবার কই নিচের লাইন পড়েন, আর কথার ফুলঝুড়ীর ঝরাইয়া পালাইয়েন না।" আমি দেশপ্রেমে বা সীমান্ত প্রেমে বিশ্বাস রাখি না, কাজে কাজেই বিদেশ প্রেমেও না। আমার পাকিস্তান বা ভারতপ্রীতি নাই। বাংলাদেশপ্রীতিও না। ফলে আমারে রাজাকার বলা যাবে না। "
খুব ভালো কথা। একন কথা হইলো, এটা বাস্তবতা, নিজেরে যেহেতু বুদ্বিজীবি দাবি করসেন , একটু বাস্তব চিন্তা করেন, ওকে। আর তাইলে মনে হয় অনেক কিছু পরিষ্কার হবে। আপনি সাকুরায় বইসা বিশ্বাস করতে পারেন যে বিনা পয়সা শরাবে তহুরা দেওন উচিত কবিগো, মাগার বাস্তবতা মাইনা নিয়া সেটা পয়সা দিয়া খান। সো রাজাকারের লগে সামাজিক সম্পর্ক রাইখা তারে সমাজে প্রমোশন দিতাসেন।
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
সমাজের বোকাসোকা আলাভোলা হাবাগোবা প্রাণীরা তখন কী করবে যখন এক কবি আর বুদ্ধিজীবী মদ খায় আর এক কবি আর বুদ্ধিজীবী খায় না? ইসলামী সরকার আসলে তো ধরেন মদ পাওয়াও যাবে না খাওয়াও যাবে না। তখন আমিও খাইতে পারব না আমার দেখাদেখি অন্যেরাও খাইতে পারবে না। এখন আমারে বলেন ইসলামী সরকার কোথায় আগে আসবে, আপনাদের দেশে না আমেরিকায়?
ত্রিভুজ বলেছেন:
@সন্ধ্যাবাতিবুদ্ধিপ্রতিবন্ধীদের কথার জবাব দিতে দেখলে লোকজনও তোমাকে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীদের সমকক্ষ ভাবতে পারে। তাকা'র মত বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধারা জানে না পিকাসা বা ফ্লিকার থেকে যেকারো ছবি মেরে দিয়ে ব্লগে দিয়ে দেয়া যায়। এবং কাজগুলো করেছে কোন এক তথাকথিত স্বাধীনতার স্বপক্ষশক্তির ব্লগার। এতটা নীচ শুধু এইসব ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষেই হওয়া সম্ভব!
ডক্টরপিএমএসএস বলেছেন:
জনাব ত্রিভুজ যে ছবি গুলান দেয়া হয়েছে, সেগুলান ব্যাক্তিগত ছবি হিসাবে পাস ওয়ার্ড প্রটেকটেড বলেই মনে হয়, তাহলে আপনার ভাষায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীরা এর এক্সেস কিভাবে পেলো?
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
আমি দেশের সীমানায় ভক্তি করি না কইলাম তো। আর ইসলামেও নেশন স্টেট-এর জায়গা নাই। ইসলাম সর্ব মানবের মুক্তির সন্ধান করে। জাতি বা দেশ-এর বিভেদ করে না। বুদ্ধিজীবী হিসাবে অন্য ধর্মের লোকদের নিয়াও আমার ভাবার দরকার মি. হুদা ইসলাম। কিন্তু আমি হইতেছি সেই বুদ্ধিজীবী যে খালি নিজেরে নিয়া ভাবে।
ত্রিভুজ বলেছেন:
আপনের মনে হইলেই তো হইবো না। আমি নিজে ওয়ালীর ফ্লিকারে ওর সব ছবি পাবলিক একসেস দেয়া আছে দেখছি। 'বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী' বলাটা যে ভুল হয় নাই সেইটা আপনের মন্তব্য দেইখা আবার নিশ্চিত হইলাম। ওয়ালীজ নামে যে ব্লগ করা হইছে সেইখানে যেইসব কথা লেখা, পাগলেও কইবো না ঐটা ওয়ালী নিজে করছে। আস্তমেয়ের নামেও একই কাজ করছে গালিবাজ চ'রেইটেড অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধার দল। মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী দাবীকারীদের চরিত্র দেইখা ভবিষ্যতে রাজাকারের চাইতেও বেশী ঘৃনা করবো মুক্তিযুদ্ধ আর এর চেতনাধারীগোরে। ভাল.. চালায়া যান.... জয় বাংলা স্লোগান দিয়া গাইলান অমি রহমান পিয়ালের মত।
ত্রিভুজ বলেছেন:
শেষ মন্তব্যটা বিলংগস টু 'ডক্টরপিএমএসএস'।
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
হুদা, মদ বিষয়ে আপনার বক্তব্য আগেই জানছি। আমি মেয়ে মানুষের দিকেও তাকাই। প্লিজ এগুলি নিয়া যদি কথা বলতে চান তাইলে আমি আপনের শ্রোতা না। তবে মেয়ে মানুষদের দিকে তাকানো হারাম নয়,মেয়ে মানুষ যদি এমন ভাবে চলে যে তার দিকে তাকাতে বাধ্য হন,তাহলে সেই মেয়ে মানুষের গুনাহ হবে।
এজন্যই আল্লাহ পর্দার কথা বলেছেন।
ডক্টরপিএমএসএস বলেছেন:
জনাব ত্রিভুজ ছবু গুলোর লিন্ক দিবেন কি? কেননা কোন গাধায় ব্যাক্তিগত ছবি পাবলিক ডোমেইনে রাখে জানতে চাই?
এস্কিমো বলেছেন:
"মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী দাবীকারীদের চরিত্র দেইখা ভবিষ্যতে রাজাকারের চাইতেও বেশী ঘৃনা করবো মুক্তিযুদ্ধ আর এর চেতনাধারীগোরে। "- সেটা কি আর বলতে...দিনরাত মুক্তিযুদ্ধাদের গালাগালি করে আর কি বাকী রেখেছেন? @ত্রিভুজ
এই হইল গিয়া আমার ফ্লিকার স্ক্রিন নেইম: taka71
এখন আপনে আমার ফ্লিকার একাউন্টের ছবিগুলান মাইরা দিয়া যেইখানে খুশি দিয়া দেন।
এই একাউন্টে সব আমার প্রাইভেট ছবি। খালি ছাগুজির জন্য একটা পাবলিক কইরা রাখছি। এখন আপনের এলেম দেখান!!
আর যদি না পারেন তাইলে সবার কাছে এইটাই প্রমানিত হইব যে আপনে নিজেই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী অথবা কোন এক বিশেষ গোষ্ঠীর কাছে আপনার চিন্তা-চেতনা বন্দী!!
বাংলার CUPID বলেছেন:
তাকা হালায় আসলেই তো কানা। ঐ মিয়া আপনে প্রাইভেট করসেন তো কি হইসে? ওয়ালী তো আর প্রাইভেট করে নাইক্কা। যাউকগ্গা আমি এইসবে নাইক্কা। আই এ্যাম কুল। আই গ টু আম্রিকান ইসকুল।
ডক্টরপিএমএসএস বলেছেন :
২০০৭-০৯-০৫ ০৩:২৮:৪৪
জনাব ত্রিভুজ ছবু গুলোর লিন্ক দিবেন কি? কেননা কোন গাধায় ব্যাক্তিগত ছবি পাবলিক ডোমেইনে রাখে জানতে চাই?
কিন্তু কি বলেছেন:
হা হা তাকা
আরণ্যক, কথা কইতে চাইলে আপনি সম্বোধনে কথা বলতে হবে। নাম ঠিক কইরা ডাকতে হবে। নাইলে ব্লক করা হবে
**/
ভন্ডামীর একটা সীমা থাকা উচিৎ খুনি, ধর্ষণ কারীকে
বুকে টেনে নিতে আপত্তি নাই আর সহ ব্লগার তুমি বললেই ব্যান!
আপনে মিয়া একটা ভন্ড ক্লীব। ক্লীব মানে জানেন তো?
সাহস নাই। বিজলীর খড়ি এইদিক দিয়া আপনার চেয়ে ভাল। ঘোষণা দিয়া রাজাকার।
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
হে অচেনা বাঙালি,ক্লিব মানে জানি। ক্লিব মানে যাদের জননাঙ্গ উৎপাদন করে না। আপনে উৎপাদনশীল। ক্রোধ উৎপাদন করতে থাকেন।
আমার কোনো ভন্ডামি এইখানে শো করা হয় নাই। অবস্থান পরিস্কার করা হইছে। খুনি ধর্ষণকারীকে বুকে টানবো কেন? তাদের সঙ্গে কথা বলতে আপত্তি নাই বলছি আমি। আপনের মর্দা (অক্লিব) জিহ্বা আমার তালুতে সংস্থাপন কইরেন না। কথা ঠিক মত টুকবেন। আমি রাজাকার প্রশ্নে যেইসব জিজ্ঞাসা করছি সেগুলির উত্তর না দিয়া আমি কী সেই নিয়া পড়লেন। আমি একটা চ্যাটের বাল। হইছে। এখন যা জিগাইছি হেই নিয়া বলেন। আরো স্পষ্ট করতেছি। যারা নিজেদের স্পষ্ট মতামত সহকারে চুপ মাইরা আছেন হেগোরে জিগান কোন অবস্থান হেগোর। আমি তো আমার অবস্থান পরিস্কার করছি।
১. রাজাকার ও স্বাধীনতার শত্রুদের নাগরিকত্ব বাতিল করা হউক এই মর্মে আমার অবস্থান না বোধক। আপনের অবস্থান কী?
২. রাজাকার ও তাদের সন্তানাদি পরিবার পরিজনদের সঙ্গে ব্যবসাপাতি ও কথাবার্তা ও সামাজিক বিনিময়ের ব্যাপারে আমার আপত্তি নাই। আপনের অবস্থান কী?
৩. যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হউক তা আমিও চাই। আপনের অবস্থান কী?
৪. অগণতান্ত্রিক জামায়াতে ইসলামী সহ সকল ধর্ম কেন্দ্রিক রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা হউক--আমিও তা চাই। আপনের অবস্থান কী?
৫. দেশের নাগরিকদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে আইন তৈরি হউক। আমিও চাই। আপনের অবস্থান কী?
৬. জার্মানিতে যারা ইহুদিদের এক ঘরে কইরা রাখছিল এবং আজকে বাংলাদেশে যারা বিহারী রাজাকার ও স্বাধীনতার শত্রুদের এক ঘরে কইরা রাখে তাদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনায় কোনো পার্থক্য নাই। আমি মনে করি। আপনের অবস্থান কী?
৭. দেশের মধ্যে দেশবিরোধী একটা শত্রুশ্রেণি গঠনে যারা সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্তব্য করতেছেন আমি তাদের সেই কাজকে সমালোচনা করি। আপনের অবস্থান কী?
আমার চেয়ে স্পষ্ট অবস্থান অলা কোনো মেম্বার সামহোয়ারে পাইলে পরে আমারে ভন্ড বইলেন। আপাতত শব্দার্থ শিখেন। অনেকের সারা জীবনেও হয় না।
কৌশিক আহমেদ বলেছেন:
আওয়ামী লীগের কবে যে বোধদয় হবে! আমার প্রিয় দলে এখন দেখি আমুর মুখ!
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
আপনের কমেন্ট আসে নাই। তাই মুছছিলাম। আবার পাঠান।
নুর3ডিইডি বলেছেন:
"আমি দেশপ্রেমে বা সীমান্ত প্রেমে বিশ্বাস রাখি না, কাজে কাজেই বিদেশ প্রেমেও না। আমার পাকিস্তান বা ভারতপ্রীতি নাই। বাংলাদেশপ্রীতিও না। ফলে আমারে রাজাকার বলা যাবে না। "এই লেখাটা ভালো হয়েছে, এখানে আরো একটু যোগ করলে পরিস্কার হয়ে যায়, আমার আছে মানব প্রীতি, আমার আছে পৃথিবী প্রীতি।
আমি ঘৃণা করি, তবে পাপীকে নয়, পাপ কে।
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
রইসুদ্দিন ভাইসাহেব নাকি ইদানিং তিনভূজের লগে বাঁশবাগানে বইসা চাঁদ দেখেন?মানে কৈছিলাম, যাযাদিতে বইসা চা খান?
আর ব্যাকগ্রাউন্ডে মোরশেদ ভাই গান গায়।
ব্যাপার না, এই পোস্ট যদি সেই বৈঠকের ফল হয়, তাইলে বুঝছি।
তা, কত টেকা পাইসেন মগবাজার থাইকা?
--
আপনি দিয়া আবার কমেন্টাইলাম।
রইসু ভাইরে কত আপন মানুষ মনে কৈরা তুমি দিয়া কৈলাম, রইসু ভাই মাইন্ড খাইলো। ধুর এই ব্লগের মানুষগুলার আপন হৈতে পার্লাম না।
কিন্তু কি বলেছেন:
ব্রাত্য রাইসু বাদ দেন তো সাকুরায় শরাবে তহুরা খান আর মানব ধর্ম ফালান। আপনার মত মানুষরা বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামেরে দুই কুকুরের লড়াই কইসে তাতে কিচু হয়না, বাংলাদেশ স্বাধিন হইসে
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
আরণ্যক যাযাবর, আপনাকে ব্লক করা হইল। নাম বিকৃত কইরা সম্বোধন করার কারণে।
কিন্তু কি বলেছেন:
হ আপনে নাম বিকৃতি করলে ব্যান করেন আর যারা দেশের মানুষ মারলো আর মাইয়াগো ধর্ষণ করলো তাগো আর তাগো সার্পোটার গো গলাগলি করেন। আবার কই ব্রাত্য রাইসু বাদ দেন তো সাকুরায় শরাবে তহুরা খান আর মানব ধর্ম ফালান। আপনার মত মানুষরা বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামেরে দুই কুকুরের লড়াই কইসে তাতে কিচু হয়না, বাংলাদেশ স্বাধিন হইসে
বাংলা আমার বলেছেন:
মন্তব্য করতে ভয় পাইলাম। খালি বলবো, পড়লাম।
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
কিন্তু কি,বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামেরে দুই কুকুরের লড়াই কইসে যারা তাদের আর কয় নাই যারা তাদের এক কইরা দেখতে চাইলে তো সমস্যা।
মানব ধর্ম নিয়াও তো আমি কথা কই নাই। আমি নাগরিক অধিকার নিয়া বলছি। আমার প্রশ্নগুলির ব্যাপারে আপনের অবস্থান কী?
কিন্তু কি বলেছেন:
আপনার জন্য আমার অবস্হান নিম্নরুপ রাইসু বাদ দেন তো সাকুরায় শরাবে তহুরা খান আর মানব ধর্ম ফালান। আপনার মত মানুষরা বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামেরে দুই কুকুরের লড়াই কইসে তাতে কিচু হয়না, বাংলাদেশ স্বাধিন হইসে
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
কিন্তু কি, আপনি পোস্ট না পইড়া কথা কইতেছেন । আমি যেইসব কথার উত্তর দিছি তা নিয়া প
কিন্তু কি বলেছেন:
দেখেন কতো সহজে আমারে ফুটেন কইলেন আবার রাজাকাররে ঘৃনা করান কি ভাবে আপনার নাগরিক অধিকারে বাধা দেয় সেটা আলোচনা করলেন। জাগেন জাগেনরে ভাই, আর কতদিন ঘুমাইবেন!?
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
ফুটেন ঘৃণা নয়। আমার অধিকারের মইধ্যে আপনারে নাক গলাইতে দিলাম না, এই মাত্র।
কিন্তু কি বলেছেন:
একই আর্গুমেন্ত কওয়া যায় রাজাকাররে আর তাগো সমর্থকদের ঘৃনা না করা তিরিশ লাখ শহীদ আর তিন লাখ বীরান্গনার অধিকারে হস্তক্ষেপ
বাকী বিল্লাহ বলেছেন:
রাইসু, ৭ দফা ভালো দিছেন। আপনি বলতে পারেন, এটা আপনার মত কিন্তু আমি বলবো- এত শক্তিশালী মত শুধু মত হতে পারে না। ৭ দফার ভিত্তিতে এটা এক ধরণের রাজনৈতিক অবস্থান। পুরা আলোচনায় সবচেয়ে ভালো লাইন,শ্রেণিবিভক্ত সমাজে দায়বোধ-এর অর্থ ক্ষমতাসীনদের তল্পি বহন করা।
বাকী বিল্লাহ বলেছেন:
পুনশ্চ: ৭ দফার সাথে প্রায় একমত। ৭ নং দফার মূল ভাব ঠিক আছে কিন্তু বিষয়টা নির্দিষ্ট করতে হবে। কারণ যেই সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ততপরতার কথা বলেছেন সেখান থেকেই কিন্তু যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীও করা হয়। যদিও তা একান্তই নিজেদের সুযোগ-সুবিধা বুঝে। বিষয়টা জড়ানো-পেচানো।
নীতিশ বৈরাগী বলেছেন:
বাটপার
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
নীতিশ বৈরাগী,কাকে বললেন বাটপার? কেন বললেন?
যদি আমাকে বলে থাকেন, তবে ধন্যবাদ। যদি আমি সত্যই বাটপার হই তাহলে আমাকে বাটপার বললেও আপনাকে ধন্যবাদ দিতে পারি আমি। কিন্তু বাটপার শব্দের আসল অর্থ কী?
বাঙাল যুবক বলেছেন:
ব্রাত্য রাইসু। আপনার মতে সাথে আমি একমত। একঘরে করে রাখা কোন সমাধান নয়। কোন বন্ধ্যা সমাজে বসবাস করা সত্যি খুবই অচিন্ত্যনীয়।
কেএসআমীন বলেছেন:
রাজাকারের সন্তানেরা তো আর রাজাকার না। তাদের অনেকে জামায়াতী হইতে পারে...আমার এক ভাই মানচেস্টার থাকেন। তাকে একবার জিজ্ঞেস করেছিলাম মানচেস্টারে অবস্থানকারী গোলাম আজমের এক ছেলে সম্পর্কে। তিনি যা বললেন তার সারার্থ হচ্ছে এই - গোলাম আজমের ছেলে আধুনিক মনোভাবাপন্ন একজন মানুষই। জামায়াতের কোন নামগন্ধ আমি তার মধ্যে দেখিনি...
শয়তান বলেছেন:
দালাল ।
জাহিদ সোহাগ বলেছেন:
আমার বিবেচনায় স্বাধীনতার পর দেশের জন্য সবচেয়ে ক্ষতি বয়ে এনেছে প্রথমত বামরা। তাদের মুখস্ত বিদ্যার রাজনীতি। তারপর শেখ হাসিনার/ লীগের মত দল। যাদের কাছে মানুষ ভরসা চায় কিন্তু তারাই(লীগ) ভালো করে ডোবায়। অন্যদের রাজনীতি নিয়ে কথা বলার কি আছে।
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তির(কথিত) সরকার হলে তার মধ্যে ১জন মন্ত্রী বা এমপির নাম বলুন, যিনি ধান্দাবাজ নয়।
বুদ্ধিবাজরা চাটনি খেতেই পছন্দ করেন।
রাইসুকে ধন্যবাদ কিছু বিতর্ক থাকা সত্তেও।
হিমালয় বলেছেন:
ধন্যবাদ ব্রাত্য রাইসু। সম্পূর্ন সহমত।somewhereinblog.net এ আসলে মনে হয় জামাত শিবির ছাড়া দেশে আর কোন সমস্যা নাই।
তারুন্যের কি বিপুল অপচয়।
জাগরুক বলেছেন:
ব্রাত্য,জীবনে একবার যুদ্ধে গিয়েছিলাম তিন যূগ আগে। যুদ্ধে শিখিয়েছিলো শত্রুকে পর্যবেক্ষণ, ঘৃণা ও সংহার। কয়েক দিন আগে উত্তরসূরী পাঠক ফোরামে জনৈক তরুণ পন্ডীত নঈম মোহায়মেন ৭১এর যুদ্ধকে গৃহযুদ্ধ বলে একটি বিতর্কের ঝড় তুলেছিল। আমি বিতর্কে যাইনি। কারন আমি তার জন্মদাতা বাবাকে চিনি। সে আজ আপনার লেখাটি পড়ার জন্য উত্তরসূরী পাঠক ফোরামে লিখেছে। একজন বুদ্ধিজীবী আত্মপরিচয়ে আপনি যা লিখেছেন আমার মত একজন অধম শিকড়বিচ্ছিন্ন উদ্বাস্তুর পক্ষে তা গ্রহনাতীত। দীর্ঘকাল উদ্বাস্তু বিধায় দেশের আধুনিক ও উত্তরাধুনিক বুদ্ধিজীবীদের কর্মকান্ডে আমি অজ্গ। আপনি যদি তাদের প্রতিনিধি হন, তাহলে আমার অজ্গতায় আমি পরিতৃপ্ত। তবুও আপনার অসৎ ও উশৃঙ্খল চিন্তাকে অতিক্রম করে আমি আপনাকে একজন বুদ্ধিজীবী ভাবি। আপনার চিন্তার দূর্বোধ্য অসংলগ্নতা, আপনার ছবি, আপনার মদ্যপানের উচচকিত ঘোষনা আমাকে একজন সেকেলে বাঙালী বুদ্ধিজীবীর সাথেই পরিচয় করায়। একজন রাজাকারের ছেলে রাজাকার হবেএটাই প্রকৃতির নিয়ম। নঈম মোহায়মেন তার উৎকৃষ্ট প্রমান।
স্বাধীন বাংলা বলেছেন:
সহমত @ জাহিদ সোহাগ
বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন:
সহমত@জাগরুক
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির পাওয়ারফুল অবস্থায় পোস্টটার সবিশেষ গুরুত্ব বিবেচনা কইরা প্রথম আলোব্লগে এইটা পোস্ট করলাম। প্রথম আলোব্লগে লেখার লিংক: Click This Link




















যাউক, শফিক রেহমান কিছু শিখাইতে পারছিল।