স্বেচ্ছাচার না করা গেলে তারে স্বাধীনতা বলে না। স্বাধীনতা মানেই স্বেচ্ছাচারের অধিকার।

অধিকার বিষয়ে ব্লগের বুদ্ধিজীবীরা কী বলেন?
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৭
ফোরামে সদস্যদের অধিকার ক্ষুণ্ন হইলে সবারই তা নিয়া কথা কওয়া উচিত। মুক্তিযোদ্ধারে গালি দিলে কেউরে যদি ব্যান করা হয় এবং অ-মুক্তিযোদ্ধারে গালি দিলে ব্যান করা না হয় সেইটা স্পষ্ট পক্ষপাতিত্ব মূলক অবস্থান।
বুদ্ধি বিবেচনা আছে বইলা যাগো ভাবছিলাম হেরাও দেখি কর্তৃপক্ষপাতরে সাধুবাদ দিতেছে। হিটলারের দেশে জাতীয়তাবাদ কায়েম কেমনে হইছিল বোঝা যাইতেছে। স্বাধীনতার এত বছর পরেও যারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়া এত ভীত থাকে তাগো দেশপ্রেম অনেক আছে বোঝা যাইতেছে, তবে সকল মানুষের এবং মতের সমান অধিকার নিয়া বোধ নাই।
পিটার গ্রিনওয়ের সিনেমায় দেখছিলাম, এক মাইয়া তার শিশু সন্তানরে খুন করায় তারে সকলে ধর্ষণ করবে এই রায় হয়। শহরের সব লোক ওই মাইয়ারে ধর্ষণের জন্য লাইনে খাড়ায়। জনমত এমনই।
আমার কথা খুবই স্পষ্ট। হয় সব মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের ব্লগ থিকা ব্যান করবেন, নাইলে তাদেরকেও সমান অধিকার দিতে হবে। গালাগালি ও কথা বলার ক্ষেত্রে।
প্রকাশ করা হয়েছে: চিঠি বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অপু ফিরোজ বলেছেন:
ঠিক বলেছেন।আপনার রাজাকারপুত্র বন্ধুর অধিকার রক্ষার জন্য বিরতিহীন সংগ্রামে আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।
কৌশিক বলেছেন:
আমি দেখছি, আমাদের সেইরকম জাতীয়তাবাদ নির্মাণের চেষ্টা সফল হয় নাই। রাজাকাররা খুবই শক্তিশালীভাবে আছে সবজায়গায়। সুতরাং অধিকার দেয়া লাগবে না - তারা এমনিতেই যথেষ্ট গালাগালিতে পারঙ্গম, ব্লগের ফুটো দিয়ে বের হয়ে একটা গালি দিয়ে সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করে ফেলবে। মাঝেমাঝে মুক্তিযুদ্ধওয়ালাদেরই তো কোনঠাসা করে ফেলে। গীতা সাহিবান কালকে কামরুজ্জামান সাহেবকে গিয়ে সমবেদনা জানিয়ে এসেছে। আরো অনেকেই আছেন সমবেদনা জানাবার জন্য। যতদিন এই ধর্মভিত্তিক রাজনীতি আছে ততদিন তাদের সমবেদনা জানাবার মত মানুষের অভাব হবে না কোন ফোরামে।
লেখক বলেছেন: কৌশিক, আমি ব্লগের কথা বলতেছি। আপনি কি মনে করেন যে ব্লগে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীরা থাকবে কিন্তু তাদের সমান অধিকার দেওয়া হবে না এইটা ঠিক?
বামনী তুলাগাছ বলেছেন:
সারা বছর দেখা যায় না, রাজাকার পুত্র বন্ধুর বিপদে জানপ্রাণ দিয়া খাইটা পোস্টের পর পোস্ট দিতাছেমাইনাস
লেখক বলেছেন: সারা বছর দেখা যায় না কথাটা ঠিক না। ব্লগ থিকা সকল রাজাকার এবং মুক্তিযুদ্ধ-বিরোধীদের ব্যান করার আন্দোলন করেন না কেন?
মাহবুব সুমন বলেছেন:
কেউ যদি তার মায়ের ধর্ষনকারীর লগে বইসা ভদকা গিলতে চায় তাগোমতো মাদারচোদ আর নাই। ওকে ?রাজাকারী মনোভাবসম্পন্ন জামাতী- জামাতী দের যারা এক বিছানায় বইসা কার্ড খেলবার চায় তাদের সাথে শুকরের সাথে সহবাস ইচ্ছুক সুশীলদের মিল চোখে পড়ার মতো। ওকে ?
স্যরি মাইট, আপনে যা বুঝাতে চাচ্ছেন সেইটা বুজছি, তয় সাথে আমি নাই। আজাইরা কথার ত্যানা প্যাঁচাইতে চাইতাছি না। আপনে আপনার সহাবস্থান তত্ব নিয়া জাবর কাটতে থাকেন।
লেখক বলেছেন: আমর সহাবস্থান না। আপনিও তো এই ব্লগে রাজাকার ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের সঙ্গে সহাবস্থানে আছেন। যেমন সংসদে আমাদের নেতা-নেত্রীরা ছিলেন।
মনিটর বলেছেন:
মাইনাছ।লাস্ট পোষ্টে গনধোলা খাওয়া ড়াইসু এরম তত্বকতা বলে মুখ লুকাতে পারবে না, তাহার উম্মত তিরবুজ শামিম অথবা উয়ামিকেও বাচানো যাবে না।
লেখক বলেছেন: নাম ঠিকমত না লিখলে আপনারে ব্লক করা হবে।
আজনবী বলেছেন:
তিনদফা দাবী। এর সাথে কোনো আপোস নাই।
মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের ব্লগ থিকা ব্যান করবেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের নাগরিকত্ব বাতিল করবেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের বাংলাদেশ থেকে বিদায় করবেন।
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
ওয়ামি কি তোমার ভায়রাভাই লাগে নাকি, রইসুদ্দিন মিয়া?
সারাবছর তোমারে দেখা গেলো না, কাইল হাজির হইলা।
আইজকাল বেতন ওয়ামির বাপ দিতাসে নাকি?
লেখক বলেছেন: ভায়রা ভাই লাগে না।
এই ব্লগে এই বছরের ২৩ জানুয়ারি, ৪, ২০, ২১ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি আমারে দেখা গেছে ভায়রা ভাইয়া।
ওয়ামির বাপ বেতন দিতেছে না।
কিন্তু অধিকার নিয়া আপনি কী ভাবেন জনাব?
আজনবী বলেছেন:
যতদিন এই দাবী পূরণ না হবে, ততদিন মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের যেখানে পাবেন সেখানেই গনধোলাই দিন।
বাঙাল যুবক বলেছেন:
অধিকার মনে হয় তাদের নিজেদের জন্যই। দেখুন না এই লিংকে গালাগালি করে তারা কতটা উল্লাস প্রকাশ করেছে। Click This Link
আমি অবশ্য তাদের অধিকার সংরক্ষণ করেছি। কিন্তু আমার আফসোস যারা নিজেদের অনেক অনেক অধিকার ত্যাগ করে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন, শহীদ হয়েছেন ওরা তাদের মত হতে পারলো না।
আপনাকে ধন্যবাদ।
কাশেম বিন আবু বকর বলেছেন:
মাশাল্লাহ । ভাই ভাল বলেছেন । আপনাকে আপনজন মনে হচ্ছে । আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিক ।
আজনবী বলেছেন:
নাইলে তাদেরকেও সমান অধিকার দিতে হবে। গালাগালি ও কথা বলার ক্ষেত্রে।
হা হা হা। তারা সমান অধিকার পাবার যোগ্য নয়। গালাগালি এবং গনধোলাই এদের একমাত্র প্রাপ্য।
কৌশিক বলেছেন:
ব্লগ মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের থাকতে দেয়া বা না দেয়া নিয়ন্ত্রণ করা একটা জটিল ও দুরূহ কর্ম, প্রযুক্তি সাপেক্ষে। বিভিন্ন নিকে এদের সরূপ বিভিন্ন সময় উন্মোচিত হয়। কোন নির্মিত রুলস এন্ড রেগুলেশন এদের অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে পারে না। সেজন্য মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীরা ব্লগে থাকবে কি থাকবে না এ সিদ্ধান্ত নেয়ার কোন সুযোগ নেই। কিন্তু যদি থাকে সেক্ষেত্রে তাদের সমান অধিকার থাকবে কি থাকবে না - এ বিষয়টাও নীতিমালা দ্বারা ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রিত। যেমন রাজাকারদের ধর্ম দেশবিরোধী কথা বলা, নীতিমালায় যা নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে। সুতরাং নীতিমালা সংশোধন করে দেশ বিরোধী কথা বলা জায়েজ করতে হবে আগে।
যা ব্লগের সংগ্রামীরা অনেক যুদ্ধ করে অর্জন করেছে।
এখন প্রশ্ন হতে পারে উন্মুক্ত ফোরামের জন্য এই নীতিমালা "অধিকার" কে ক্ষুন্ন করে কিনা। আমি সে বিষয়ে একমত "অধিকার" ক্ষুন্ন করে। কিন্তু বস, আমি তাদের অধিকার ক্ষুন্ন হতে দেখতে পছন্দ করছি এবং ব্লগের এই পক্ষপাতমূলক আচরণকেও সমর্থন করছি।
বাঙালী বলে পক্ষপাতিত্ব করেই বাংলাদেশকে ভালবাসি। আর কোন কারণ নাই।
লেখক বলেছেন: রাজাকার বা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের অধিকার ক্ষুণ্ন করা যাইতে পারে বা স্বল্প অধিকার দেওয়া যাইতে পারে। যেমন কয়েদীদের অধিকার নাই অনেক কিছু করার। কিন্তু সেইটা আইন কইরা করতে হবে। আপনে বলবেন সবার জন্য সমান আইন প্র্যাকটিক্যালি দিবেন না তাতে সমাজে অনাচার শুরু হয়। যে কোনো ব্যক্তির উপরই তা পরে খাটাইতে শুরু করে প্রতিষ্ঠানগুলা। সামহোয়াররে দিয়া আপনে যদি দুই রকম অধিকাররে প্র্যাকটিস করান তা এক সময় আপনারই বিরুদ্ধে যাবে।
মনিটর বলেছেন:
রাইসু/ ইতংবিতং কথা না বইলা এইটা বলেন - মুক্তিযোদ্ধাদের কুকুর গালি দেয়ার জন্য ওয়ামি নামক আলবদর পুত্রকে বের করে দেয়া হয়েছে।আপনি কি মডারেটরের এ সিদ্ধান্ত সমর্থন করেন?
হ্যাঁ/না (একটা বলেন)
লেখক বলেছেন: মডারেটরের সিদ্ধান্ত না--তার নীতি জানাটা আমার জন্য জরুরি। মডারেটর এক ব্লগে দুই নীতি রাখতেছে কিনা তাই বিবেচ্য।
আপোনার উপরের কেশের ন্যায় নিম্নের কেশেও কি উঁকুনে কিলিবিলি করিতেছে নাকি? সোজা কথা বুঝিতে আপোনার বিশেষ অঙ্গ বোম্বাই মরিচের ঝাঁজে জ্বলিয়া উঠে বারংবার, সেইটা কেম্নে কি?
এতদিন পরে মুক্তিযুদ্ধের কথা লইয়া দুর্বলতা দেখইলে সেইটা দেশপ্রেমের ঘাটতি মনেহয় আপোনি এবং আপোনার ন্যায় চামচা সদৃশ সুশীলগণের নিকট, আম পাবলিকের কাছে না। ঐ জিনিষ নিয়া কথা কওন মারাইলে পাবলিক জায়গামতো বাটা মরিচ ডলিয়া মালিশ করিয়া দিবে, ইহা মনে রাখিতে হইবে।
ইহার সাথে আরও মনে রাখিতে হইবে যাহারা মরিচ ডলা খানেওলাদের হইয়া সুশীল সাজিয়া চামচামি করিবে উহাদের পশ্চাৎদেশেও কিঞ্চিৎ ডলা পড়িবে ইহা যেন তাহারা ওয়াকিবহাল থাকে।
আপোনি এবং আপোনার গেলমান হিজড়া কলু আশাকরি এই ব্যাপারে সজ্ঞান আছেন। না থাকিলে আশাকরি শীঘ্রই হইয়া যাইবেন।
লেখক বলেছেন: হাঃ হাঃ ডলা তো রাজাকার আর মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীরাও দিতে পারে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারও দিতে পারে। আপনেও পারেন। তা শুইনা কবে বুদ্ধিজীবীরা কথা বলা বন্ধ করছে!
মুহিব বলেছেন:
কিছু লেখা আর অনুভূতিতে আঘাত করা এক না। তবে মত প্রকাশে অধিকার রক্ষায় আমি আমার মত চেষ্টা করি।
লেখক বলেছেন: অনুভূতিতে আঘাত করা হইলে লেখা ব্যান করার পাশাপাশি জেল জরিমানাও করা যাইতে পারে। কাটুনিষ্ট আরিফরে যেমন ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা আঘাত প্রাপ্ত হইয়া বন্দি কইরা রাখছে।
সমুদ্র বলেছেন:
রইচুদ্দিন,ইতংবিতং কথা না বইলা এইটা বলেন - মুক্তিযোদ্ধাদের কুকুর গালি দেয়ার জন্য ওয়ামি নামক আলবদর পুত্রকে বের করে দেয়া হয়েছে।
আপনি কি মডারেটরের এ সিদ্ধান্ত সমর্থন করেন?
হ্যাঁ/না (একটা বলেন) , সরাসুরি কইবেন।
লেখক বলেছেন: সোজা সাপ্টা মত জানতে চাইলে আমি নাই। আমার বুঝতে পারাটা আপনার মত সরাসুরি ঘটে না। ওইটা আমার পড়াশুনা জানাশোনা ও বুদ্ধিমত্তার বিষয়।
কাস্তের মত চাদঁ বলেছেন:
ঠিক। সবাইকে সমান অধিকার দিতে হবে।নাহলে,
খালিদ বিন্ ওয়ালিদের মতো আমিও বলি,
উন্মুক্ত তরবারিকেই ফয়সালাকারি মানতে হবে।
কৌশিক বলেছেন:
প্রতিষ্ঠানগুলোকে কখনই পক্ষপাতহীন হতে দেখিনি। আইন সবার জন্য সমান এইটাও তো প্রাকটিক্যালী দুস্প্রাপ্য।
লেখক বলেছেন: আইনের প্রয়োগ সমান না হইতে পারে, কিন্তু আইন সবার জন্য সমান সেইটা খুব দুষ্প্রাপ্য না। তবে তা খুঁজতে তো আর আপনি যাইতেছেন না--যেইখানে আপনে আইন বা নীতি নিয়া ভাবতেছেন না।
রাগিব বলেছেন:
কাস্তের মত চাদঁ বলেছেন: "নাহলে,খালিদ বিন্ ওয়ালিদের মতো আমিও বলি,
উন্মুক্ত তরবারিকেই ফয়সালাকারি মানতে হবে।"
কাস্তের মত চাদঁ বলেছেন:
আরে না..........আমি বলছি সমান অধিকার ইসলামপন্থিদের প্রাপ্য। যার যেটা প্রাপ্য সে সেটা আদায় করে নেয়। আরে সারিয়াছে, ভ্যাবদা রাইছু দেখি নিজেরে বুদ্ধিজীবি ভাবিয়া বসিয়া আছে। কে কোথায় আছে, কেউ এই স্বঘোষিত বুদ্ধিপ্রতিবন্ধিজীবিরে আপ্যায়ন কর।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
মুহিব বলেছেন:
দুঃখিত আমি বুদ্ধিজীবী না
ইয়র্কার বলেছেন:
ড়াইসু, চালায় যাও। মাইনাচ
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আমি ভাবছি অন্য কথা।
সে-ই যে, ১৪ ডিসেম্বরে আমাদের মাথা কেটে নেয়া হলো- আমরা আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারলাম না। এখনও অনেক বুদ্ধিজীবী দেখি- কিন্তু সবাইরে কেমন যেন পানসে পানসে লাগে, (আহমদ শরীফ, হুমায়ুন আজাদ.... প্রমুখেরা তো চলেই গেছেন)। তারপরেও আশা করতাম- হয়তো সামনে আমাদের যেসব কবি-সাহিত্যিক-বুদ্ধিজীবীরা আসছেন, ওনারা হয়তো অন্যরকম হবেন- জাতিকে আবার নতুন করে অনেক কিছুই দিতে পারবেন..........
বর্তমানে ব্রাত্য রাইসু- উঠতি এবং ইতিমধ্যেই মোটামুটি জনপ্রিয় একজন কবি- এবং হয়তো ধীরে ধীরে দেশের অন্যতম প্রধান কবি হিসাবে নাম করলেও করতে পারেন- গদ্যকার হিসাবেও অনেকের কাছে প্রশংসা শুনেছি......... অথচ, এই লোকটির চিন্তা-প্রসেসেই এত গলদ দেখে জাতির ভবিষ্যৎ অন্ধকারই দেখি.......
আমরা কি ১৪ ডিসেম্বরের ক্ষত কখনই কাটিয়ে উঠতে পারবো না?
লেখক বলেছেন: আপনার মুখে নিজের ভবিষ্যৎ শুইনা ভালো লাগতেছে। আমার চিন্তা প্রসেসে গলদ কোথায় ধরাইয়া দেন প্লিজ। অন্তত এই যে বিষয়ে বললাম, এতে অন্তত গলদ কোথায় বলুন।
ওয়ামীরে কিন্তু ব্লক করা হয়নাই এই জন্য যে সে রাজাকারের ছেলে বা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ... ব্লক করা হইছে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়া কটুক্তি করায় ... যেইটা নিয়া ব্লগের নীতিমালায় স্পষ্টভাবেই বলা আছে ... এখন এই কটুক্তি ওয়ামীর জায়গায় আমি করলেও আমি ব্যান হইতাম, অমি রহমান পিয়াল করলেও তারে ব্যান করা হইত ... কাজেই ওয়ামীর পরিচয় দেইখা তারে ব্যান করা হয়নাই, কাজ দেইখাই তারে ব্যান করা হইছে
কাজেই এইটা সম্পূর্ণ সঠিক, আর এইটারে ঐসব জাতিয়য়তাবাদী উগ্রতার সাথে না মিলাইয়া ফেলাই বুদ্ধিমানের কাম
ওয়ামী যখন "কুকুর" শব্দ ব্যবহার করছে তখনই সেইটা আমগোর মতো আমজনতার গায়ে লাগে ... এখন ওয়ামী পারত ক্ষমা চাইয়া ঐ অপবাক্যটারে সরাইয়া তার বাপের জন্য ওকালতি করতে ... সে সেইটা করেনাই ... সে তার কর্মফলের কারণেই ব্যান হইছে
এইসবের দরকার আছে, কারণ এই যে একশ্রেণীর ইদানিং চোপার জোর বাড়ছে এইটাও কিন্তু একটা ধারার কনসিকোয়েন্সেরই ফসল, এবং এইটা চলতে দিলেও মনে রাখতে হবে যে "দেয়ার আর কনসিকোয়েন্সেস"
মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের ব্যান চান ঠিকাছে, একমত, কিন্তু সেইটা না হইলে ওয়ামীর ব্যান অমূলক হইয়া যায় বইলা যে দাবী করতেছেন সেখানে পুরাপুরি অমত
লেখক বলেছেন: কিন্তু এক ব্লগে দুই আইন চলতেছে বইলা আপনি মানেন কিনা?
এইসব ভড়ংমারা বুদ্ধির খেইল দেখানি বন করেন। নাইলে একসময় পাবলিকের ধৈর্য্যের চ্যুতি ঘটিলে আপোনাকেও চোদানিরপুৎ কিংবা এই জাতীয় প্যারেন্টস তুলিয়া গাইল দিয়া বসিতে পারে। উহাদের দোষ দিয়া লাভ নাই। উহারা আম পাবলিক। আপোনার ন্যায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধিজীবি না। গাইল গুইল মারিলে আবার গোস্বা করিয়েন না জনাব। এতো অল্পতে পুটকি জ্বলিয়া গেলে সামনে আরও একশন সইহ্য করিবেন কীরূপে! তত্বাবধায়ক সরকারের একশন লইতে হইলে আরও গ্রহন ক্ষমতা থাকিতে হইবে।
আগাম অভিনন্দন।
লেখক বলেছেন: আপনারে ব্লক করা হইল জনাব।
আজনবী বলেছেন:
এই ব্লগ যে কবে রাজাকার মুক্ত হবে?
মনিটর বলেছেন:
আপনি ব্রাক সেন্টারে মডুরামের সাথে মিটিংয়ে যাইতে পারেন, ত - নীতিমালা নিয়া ওদের সাথে আলাপ করেন না ক্যা?ওয়ামি ব্যান হওনের পরে আপনার এমন জ্বালাপোড়ার কারণ কি?
এরচে' সাহাবা চরিত লেখেন। মগবাজার থেকে কিছু পাইলেও পাইতে পারেন।
লেখক বলেছেন: আমার কর্তব্য ঠিক কইরা দেওয়ায় ধন্যবাদ। এবং আমার বক্তব্যের ব্যাপারে অংশগ্রহণের জন্যেও। ওয়ামী ব্যান হওয়ায় আমার কোনো জ্বালাপোড়া নাই। আমি সকল মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের ব্যান চাই। এবং গালাগালিও বন্ধ হউক তাই চাই।
মজনু পাটোয়ারী বলেছেন:
ভালো পোস্ট
এখন প্রশ্ন হইল, মুক্তিযোদ্ধাদের বিপরীতে রাজাকার নিজামী-কামারুজ্জামানগোরেও গালিগালাজ করলে ব্যান করতে হইব এই দাবী করবেন কিনা? ... সেইরম কোন নিয়ম কিন্তু ব্লগে নাই
এখন যদি কন সেই নিয়মও করতে হইব, নাইলে সমতা হয়না, ব্লগে দুই আইন চলে, তাইলে তো হইবনা ... এবং আপনেও সেইটা চাইবেননা, তাইনা?
ইয়র্কার বলেছেন:
রাইসু, তোমগো সমান্তরাল নীতি বাস্তব জীবনে অচল। সমান্তরাল নীতি দেখাইয়া ৩০ লাখ মাইনষের জীবন নেয়া ঘাতকের সাথে সহ-বাস করা যায় না। ঘাতকের অধিকার নিয়া ফতোয়া দেয়া যায় না। ঘাতককে লাথিই দেয়া হয়। তুমি তাগো পক্ষে কথা কইতে আইল তুমিও লাথি খাবা, সহজ হিসাব, ঘোরপ্যাচ নাই।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
রাইসু, যা বোঝা যায় "জামাত-রাজাকার" এর বিরুদ্ধে ব্লগীয় জনসাধারণের ক্ষোভটা বেশ তীব্রই। এবং আপাতত বাসা থেকে না বেরিয়ে "জামাত-শিবির" ধ্বংস করবার জোশ এই নিকধারীরা আপনাকে নিধন করেই পেতে পারে। নাসিরুদ্দিন হোজ্জা একবার যুদ্ধের জোশে এক সৈনিকের পা কেটে নিয়েছিলেন। তবে ঘটনাচক্রে সৈনিকটা অলরেডি মরা ছিল। এখন জামাত-বিরোধী জোশ পরিতৃপ্ত করার জন্য আপনাকে (আর মাহবুব মোর্শেদ-কে) রেডিমেইড "জামাতী" হিসেবে যে সবাই আবিষ্কার করছেন তা দেখে কৌতুক বোধ করছি।
এত জোশ! কিন্তু ১৯৮৮ সালে রাষ্ট্রধর্ম বিলের পর রাস্তা কিন্তু খালি ছিল। কোনো প্রতিবাদ করার জন্য শুরুতে লোক পাওয়া যায়নি। এবং "সাধারণ ক্ষমা" ঘোষণার কারণে শেখ মুজিবকে মরতে হয়নি, মরতে হয়েছে অন্য কারণে। এই ক্রোধ যদি মগবাজারে গিয়ে লোকে পেচ্ছাপ করেও মেটাতেন গোলাম আযম কয়েকদিন পানিবন্দী থাকতেন। ব্লগিং বেশে প্রোভোকেটিভ; বিপ্লবমনস্ক করে দেয় লোককে।
তবে সতর্ক থাকবেন। বাংলাদেশে গণধোলাইয়ে চোর মারা ফরজ। ভিড়ের মধ্যে যদি আপনি বলে বসেন গণধোলাই আপনার অপছন্দ, চোর বেঁচে যেতে পারে কারণ তখন গণধোলাইটা আপনার উপর পড়বে। জামাত-শিবির বহুদিন জিহাদ কথাটা ভড়ং করে ব্যবহার করে আসছে। তবে জিহাদী জোশ বস্তুটা কী তা ব্লগীয় জোশে বোঝা যাচ্ছে।
রাজাকার ধরা বেশি সমস্যা হলে হাতের কাছে সহজলভ্য কাউকে পাওয়া আরামের। ছোটবেলায় ছড়ায় পড়েছিলাম: "কী মারবে কী মারবে অতটুকু ছেলে?/ব্যাঙ মারবে ছুঁচো মারবে সামনে ধরে দিলে।"
:-)
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
রাইসুর প্রশ্নটা ( আমার বুঝে যা এলো ) তা হচ্ছে যে , ফোরামে কী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে ?১. সব গালিবাজী বন্ধ করা হবে ( এখানে মুক্তিযুদ্ধকে কোন ইস্যু করা হবে না )
২. শুধু মাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের গালিবাজী বন্ধ করা হবে ( এখানে রাইসু সমধিকারের প্রশ্ন তুলছেন )
এখন , আমার মনে হয় রাইসু জানতে চাচ্ছেন ( উনার গত পোস্ট দেখেও সেটা মনে হয়েছে ) যে ওয়ামিকে কোন নীতিবলে ব্যন করা হয়েছে ।
রাইসুকে আমি সামহোয়্যারইন ব্লগের নিম্নলিখিত নীতিমালাটি পড়ে দেখতে অনুরোধ জানাই :
------------------নীতিমালা------------------
নীতিমালায় সংযোজন: (৩.ঞ) :তিন নম্বর পয়েন্টের সাথে যুক্ত হবে...
৩.নিম্নলিখিত কারণে আমরা পোস্ট কিংবা ছবি মুছে দিতে পারি:
ঞ. বাংলাদেশ অথবা যে কোন স্বীকৃত জাতি বা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, ইতিহাস, ধর্ম বিষয়ক সত্যকে অস্বীকার করে, বিরুদ্ধাচারণ করে, অসম্মান করে অথবা সত্যের অপলাপ বা অর্থহীন পোস্ট মুছে ফেলা হতে পারে এবং ব্লগারের ব্লগিং সুবিধা সাময়িক অথবা স্থায়ীভাবে স্থগিত কিংবা বাতিল করা হতে পারে ।
---------------------------------------------
এই নীতিমালা অনুযায়ী "বাংলাদেশের ইতিহাস বিষয়ক সত্যকে অসম্মান করার ধারায়" সুস্পষ্ঠ ভাবে ওয়ামিকে অভিযুক্ত করা যায় ।
এবং তারই ফলশ্রুতিতে মডারেটররা একই ধারার (ব্লগারের ব্লগিং সুবিধা সাময়িক অথবা স্থায়ীভাবে স্থগিত কিংবা বাতিল করা হতে পারে ।) ব্যবহার করে ওয়ামির ব্লগ বাতিল করতে পারেন ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জেবতিক। এই ধারার উৎসাদন দরকার। কিন্তু ব্যান করাটা নীতিমালা মাফিক হইছে মানতে হবে।
এই ধারার প্রবলেম হইল প্রায় সব লেখারে আপনে এই ধারায় ফেলতে পারবেন। স্বাধীন জাতিসত্তাগুলার কোনো সমালোচনা করতে পারবেন না। বিদ্রোহীদের পক্ষে কথা বলতে পারবেন না। ভারত নিয়া আন্দোলনরত ছোট দেশগুলার পক্ষে কথা বলতে পারবেন না। তবে নীতিমালার প্রয়োগ তো একান্ত প্রয়োজন ছাড়া করা হয় না।
আমি আপনার ১ নং নোক্তা : সব গালিবাজী বন্ধ করা হবে ( এখানে মুক্তিযুদ্ধকে কোন ইস্যু করা হবে না ) র পক্ষের লোক।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
রাইসু কি নতুন ফ্লাট কিনতাছে? ডিপোজিটের পয়সার অভাব হইছে?দেশের সুশীলগো এই একটা সমস্যা; ঢাকায় ফ্লাট কিনার Mission শুরু করলেই পাতি সুশীলরা ক্যমনে জানি আওলাইয়া যায়!
সুশীল সমাজ বলেছেন:
বুঝে শুনে দেখে মাইন নাস।
কৌশিক বলেছেন:
না ভাবতেছি। আইন তেমনই তো করা উচিত। একটা পর্যায় অর্জিত হয়েছে - সামনে আরো হবে ইনশাল্লাহতায়ালা।
দস্যু বনহুর বলেছেন:
বুঝা যাচ্ছে কোন কোন রুট দিয়ে মগবাজার থেইকা সাপ্লাইগুলান যাচ্ছে। ভালই।
হলদে ডানা বলেছেন:
গণতন্ত্র, বাক-স্বাধীনতা, মুক্তচিন্তা বলে যারা চিৎকার করে, তারাই গায়ের জোড়ে অন্যমত দমন করতে চায়। শিক্ষিত নামের কলঙ্ক, কতিপয় উচ্ছৃঙ্খল ব্লগার ইচ্ছেমত বিকৃত অর্থ গ্রহণ করে ষাড়ের মত চিৎকার করে 'অধিকার' প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এদের কাংখিত 'অধিকার' হচ্ছে পরমত দমনের অধিকার। আফসোস লাগে, জেবতিক আরিফের মত ব্লগাররাও অবলিলায় মিথ্যা দোষারোপ করে অন্যদের মত গলাবাজি করে। কোথায় কিছু উচ্ছৃঙ্খল ব্যাক্তির আচরণকে প্রতিবাদ করলো ওয়ামি, আর কিভাবে সেটিকে টেনে নিয়ে বাংলাদেশ বিষয়ক সত্যের সাথে নিয়ে যায় মুহূর্তেই।
কোনটি বাংলাদেশ বিষয়ক সত্য? - যাকে তাকে রাস্তায় আঘাত করা? ইচ্ছেমত কাউকে তকমা লাগানো? প্রমাণ ছাড়া কাউকে অপরাধি বলা? অন্যায়ের প্রতিবাদীর গলাটিপে ধরা? কোথায় পেলেন এসব বাংলাদেশ বিষয়ক সত্য? নিয়ম কি নিজে রচনা করেন?
সত্যিই আফসোস!!
কৌশিক বলেছেন:
হলদে ডানা, আঠাসে অক্টোবরের কথা বলতে ভুলে গেছেন। এত বিভৎসভাবে কেউ রাজাকারদের মারে! আসতাগফিরুল্লাহ।
তীরন্দাজ বলেছেন:
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধধের বিপক্ষে ছিল যারা, যারা রাজাকার, আল বদরে নাম লিখিয়ে পাকি সৈন্যদের সহায়তা করেছে ও তাদেরকে সহযেগিতা ও সংগঠিত করেছে যারা, তাদের সবাইকে আমরা বিশ্বাসঘাতক হিসেবেই জানি। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ের রাজনীতি তাদের নিয়ে যা করেছে, তাদের সাথে বিরোধী বা ক্ষমতাসীন জোট করেছে, তা অবশ্যই নিন্দনীয়। কিন্তু সাধারণ মানুষের মতের প্রতিফলন হিসেবে এসব রাজনীতিকদের কর্মকান্ডকে আখ্যা দেয়া যেতে পারে না।সাধারণ মানুষ রাজনীতিকদের কাছে প্রতারিত হলেও এ স্বাধীনতাকে তার সন্মান করে ও যারা রাজাকার, আল বদরদেরকে আজ অবধি বিশ্বাসঘাতক হিসেবেই জানে। রাজাকার, আল বদরদেরকে যারা সমর্থন করে তারাও কি বিশ্বাঘাতক নয়?
সাধারণ মানুষের মতো আমি এদের বিশ্বাসঘাতক হিসেবেই জানি। বিশ্বাসঘাতকরা কখনোই সমানাধিকার চাইতে পারে না। এরা যদি ক্ষমাও চাইতো, তাহলেও সমানাধিকারের কথা ভেবে দেখা যেতো। কিন্তু এরা তা একটিবারের জন্যেও করে নি।
আপনি যদি মনে করেন এরা বিশ্বাসঘাতক নয়, তাহলে আপনি অন্য কিছু ভাবতে পারেন। এটা আপনার একান্ত নিজস্ব ব্যাপার। তবে তা আপনার একান্তই একা পথযাত্রা হিসেবে ধনে নিতে হবে।
জ্বীনের বাদশা বলে দিয়েছেন। আর কিছু বলার দরকার নাই মনে হয়।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
ধন্যবাদ @ ব্রাত্য রাইসু ।আমিও একমত যে বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী ওয়ামির ব্যন যুক্তিযুক্ত হয়েছে ।
----------------------------
বিদ্যমান নীতিমালায় পরিবর্তন , পরিবর্ধন , পরিমার্জন করা , বা আদৌ ভার্চুয়াল জগতে নীতিমালা থাকার যৌক্তিকতা আছে কি না সেটা আলোচনার ভিন্ন পর্যায় এবং উভয় পক্ষেই আলোচনার যথেষ্ঠ উপাদান বিদ্যমান । একই সাথে বাক স্বাধীনতার অধিকার রক্ষা করার ক্ষেত্রে গালি'কে ব্যক্তি বিশেষের নিজস্ব বিশ্বাস জনিত প্রতিক্রিয়া হিসেবে গ্রহন করা যায় কি না , সেই বিষয়েও আলোচনা বিস্তৃত হতে পারে ।
-------------------------------
ব্যক্তিগত ভাবে আমিও গালাগালিকে অপছন্দ করি ।
ফেলুদা বলেছেন:
মাকুচৌরে বলি, এই দেশে রাষ্ট্রতরফে যখনই কিছু চাপাইয়া দেওয়া হইছে সেইটা আক্ষরিক অর্থেই চাপাইয়া দেওয়া হইছে, গিলাইয়া দেওয়া হইছে। । উর্দিশাসন কিংবা তার ছায়া থাইকা রেহাই পাইছেন কুন কালে? মুজিব হত্যা বলেন, আর রাষ্ট্রধর্ম আইন বলেন, কিংবা গো.আর নাগরিকত্ব্ব বলেন- প্রতিবাদ করার মতো অবস্থা যাতে না থাকে সেইটা নিশ্চিত কইরাই তো করা হইছে। নাকি আপনে দ্বিমত পোষন করেন এতে? বেকুবের মতো যে কথা কইয়া গেলেন, যখনই এইসব বেজন্মারা সাধারণ মানুষের সামনে গেছে তারা ধোলাই খাইছে। গোআর জুতাপেটা, আমাদের ক্যাম্পাসে নিজামীর ধোলাই, কিংবা আপনাদের ক্যাম্পাসে তারে ঢুকতে না দিতে অবরোধ এবঙ সাম্প্রতিক কামারুজ্জামানের ধোলাই- সবই ইন্সট্যান্ট রিয়েকশন। ঘিন্না লাগে একটু ভালো থাকার জন্য আপনাগো সুশীলগো এই আপোষকামী মনোভাব দেইখা। আপনাদের পদচাটা মা.মোই দেখেন নিজামী অবরোধে বলে সামিল আছিলো, এখন নয়া দিগন্তে চাকুরি পাইতে তারই পা টিপবে দিনে তিনবেলা।
রাইসু ছাবের রাজাকার পুত্র উয়ামির জন্য মায়াকান্নাটা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।
+ দিলাম
মুক্তি বলেছেন:
ব্রত্য কথা আগেও বলছি বিভিন্ন ভাবে, আবারো বলি, আইন কানুন নিয়মনীতি কখন এপ্লিক্যাবল হয়? যখন এর একটি নির্দিষ্ট গন্ডি থাকে। আগে ফাইন্ড আউট করা যাইতে পারে কে মুক্তিযোদ্ধা? মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে, বাংলাদেশ স্বাধীন হইছে। তাই বর্তমানে ঐ সকল মুক্তিযোদ্ধাদের চুরি ডাকাতি, রাহাজাতি, ধর্ষণ, সন্ত্রাস তথা অরাজকতাকে আর এক একটি মুক্তিযুদ্ধা বলা যাবেনা। এদের অরাজকাতর বিরুদ্ধে নীতিগত অবস্থান নেয়াকে স্বাধীনতার অস্বীকার বলা যাবেনা। বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধারা বিভিন্ন দলের নেতা অথবা চামচা যাদের কারো লক্ষ্য উদ্দেশ্য এক না। তাদরকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিবেচনায় বিভিন্ন ভাবে নাস্তানাবুদ করা যাইতে পারে। উঠতে বসতে চটাস চটাস থাপ্পড় লাগানো যেতে পারে তাতে করে স্বাধীনতাকে অস্বীকার করা হয় না। এটাই সত্য বরং এই সত্যকে অস্বীকার করতে চাওয়া হচ্ছে। কাস্তেঁর মতো চাঁদের (উন্মুক্ত তরবারিকেই ফয়সালাকারি মানতে হবে) কথাটা খুবই সত্য কারণ মডারেটরদের বাধ্য করা হইছে ওয়ামিকে ব্যান করার জন্য। যা উম্মক্ত তরবারির কাছে নতি স্বীকার করা। কোন অধিকার রক্ষা করার ক্ষেত্রে গালি'কে ব্যক্তি বিশেষের নিজস্ব বিশ্বাস জনিত প্রতিক্রিয়া হিসেবে গ্রহন করা যায় না কারণ নিজের বাবা মাকে যেই গালি দেয়া যায়না অন্যের বাবা মা এর উদ্দেশ্যেও সেই গালি গ্রহণ করা যায় না। নাইলে দুস্কৃতকারীর সাথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারীদের পার্থ্ক্য নির্ধরণ করা যায় না। মুক্তিযুদ্ধ আর মুক্তিযোদ্ধা কোন কালেও এক হইতে পারে না।
মুক্তি বলেছেন:
ব্রাত্য হবে।
স্ট্যানলি কুবরিক বলেছেন:
মুক্তির কমেন্টে পুস্টটা পূর্ণতা পাইলো।
বাফড়া বলেছেন:
অফ যান উস্তাদ। আতলামি সব জায়গায় চলেনা, বুচ্ছেন? আতলামির জন্য শাহবাগ আজিজ মার্কেটে যাইতারেন। ''বোম শংকরে'' টান দিয়া দিয়া আতলামির সব সুযোগ ঐখানে বিদ্যমান
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
মুক্তি=ওয়ামী
মানস চৌধুরী বলেছেন:
ফেলুদা আপনার "ঘিন্না" ও টেম্পারমেন্ট আপনি মাথায় করে নিয়ে বেড়ান। আপনার টেম্পারমেন্ট ও জাজমেন্ট দিয়ে তো আমার চলে না। আর আপোষ বিষয়ক আপনার কটাক্ষ নিয়েও কিছু না বলি। বাংলাদেশে ম্যাডাম জিয়াও "আপোষহীন" খেতাব পেয়েছিলেন। চালিয়ে যান আপনিও একদিন... "আপোষহীন ব্লগার"!!! :-) মাহবুব মোর্শেদ নয়া দিগন্তে গিয়ে কার "পা" চাটবেন তিনি ভাবুন। তবে ওনাকে রক্ষা করতে পারেন আপনি যদি পত্রিকাটার শেয়ার কিনে নেন! আর আমাকে সুশীল/সিভিল সমাজের লোক বলে আপনার জ্ঞানের যে পরিচয় দিলেন তাতে আমি মুগ্ধ। আহা! তারা যদি ভাবতেন! তাহলে নিশ্চয়ই আমি একটা কিছু করে ফেলতে পারতাম এদ্দিনে! লিঙ্ক দিয়ে আপনার সময় নষ্ট করতে চাই না। কিন্তু সিভিল সমাজ নিয়ে আমার অবস্থান কমবেশি জ্ঞাত।
পরিশেষে, আপনার এরপরের গালাগালি (মানে বেকুব ও আপোষীর পর যেগুলো বলবেন) একতরফাই দিতে হবে। নিকধারীদের সঙ্গে পার্সন-টু-পার্সন যোগাযোগে আমি নিরুৎসাহী।
মিরাজ বলেছেন:
ব্রাত্য রাইসু, নীতিমালা অনুযায়ী ওয়ামীর ব্যান যুক্তিযুক্ত হয়েছে যেটা ইতিমধ্যে আরিফ জেবতিক দেখিয়েছেন । এখানে ব্লগ কর্তৃপক্ষ কোন দ্বৈতনীতি অবলম্বন করেছেন বলে মনে করিনা । ব্লগে সকল প্রকার গালিবাজি বন্ধের ব্যাপারে আপনার অবস্থানের সাথে সম্পূর্ণ সহমত ।
গোপনীয়া বলেছেন:
হাস্যকর দাবি!!!!
ফেলুদা বলেছেন:
ভালো বলেছেন চৌ. (যদিও ভাষার তোড়ে আসলে কি কইছেন বুঝি নাই), এইটারে তাইলে আমরা আদর্শগত নহে বরং সহ-অবস্থান কিংবা চেনাজানাসূলভ ঐক্যমত্য হিসেবে ধরে নিবো (আপনার প্রথম মন্তব্যে খাতিরে বলা যাতে মনে হইছে যে রইসু মাইরধোর খাইতে পারে পাবলিক সেন্টিমেন্টের বিরুদ্ধে গেলে এবং আপনি তার ও মামোর অবস্থান নিয়া খানিকটা উদ্বিগ্ন)। সিভিল সমাজ নিয়া আপনার অবস্থান খানিকটা জানি, সেটার প্রতি ভীষনরকম শ্রদ্ধা আছে আমার সেজন্য লিংক দিয়া পড়ার ইচ্ছাও নাই। সেই অবস্থান ডিঙ্গাইয়া অজ্ঞানতাবশত পক্ষাবলম্বনে উষদ বিরক্ত হইতেই পারি, এবং সাধারণ জনগনের ইচ্ছা ('৮৮ প্রসঙ্গে) বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে তাহা উষ্ণতা পাইতেই পারে। এনি ওযে আপনারে আমি খুবই ভালা পাই, নো হার্ড ফিলিংস।
অপর মানব বলেছেন:
বন্ধুয়া বিহেনে সইগো বন্ধুয়া বিহনে...
মানস চৌধুরী বলেছেন:
ভীষণ হার্ড ফিলিংস ডিয়ার ফেলুদা। আপনার ভাষা ভাল এবং আমি বুঝতে পারছি (নিশ্চয়ই আমার বুদ্ধিও বোঝার উপযোগী ...:-)। রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে চাইলে বেনিকাব হয়ে আসুন। আপনার ও আপনার সমমনাদের সিভিল সমাজ বিষয়ক জ্ঞানে/বুদ্ধিতে ঠিক মূর্চ্ছা যাবার আমার কোনো কারণ নেই। মাহবুব মোর্শেদ কিংবা ব্রাত্য রাইসুকেও যেহেতু আপনি/আপনারা সুশীল সমাজভুক্ত করে দেখেন তাতেই আমার চলবে।'৮৮ প্রসঙ্গে শুধু না, '৭৫-এর হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গেও নিশ্চুপতার সংস্কৃতি নিয়ে আমার কিছু বোঝাপড়া আছে। '৭৫-এর বেনেফিশিয়ারি লুকানোতেও "মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ" শক্তির লটকালটকি কম ছিল না।
যাহোক.. এই আলাপের আবশ্যকতা নাই।
আমার বলবার বিষয় হলো আপনি আমারে যে খুবই ভালা পান এটা এখানে কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয়ই নয়। আপনিই না সাহিত্যিক অশ্রুর কী একটা লিঙ্ক আমাকে পড়তে দিয়েছিলেন। আপনি তাঁর অনুরাগী থাকলেই বরং আমার বেশি আরাম লাগবে। নো হার্ড ফিলিংস ... :-)
তানভীর মোর্শেদ বলেছেন:
Click This Linkএইখােন আেলাচনা করেত পােরন... এেতা কিঠন েলখায় আেলাচনা িকংবা মন্তব্য করার সাহস পাইলাম না ...
ফেলুদা বলেছেন:
তা বটে
রাশেদ বলেছেন:
সাবাশ, রাজাকারপুত্র যে মুক্তিযোদ্ধাদের কুকুর গালি দিয়ে ব্যান হইছে, তার লাইগা এত পরাণ পুড়ে জানা ছিল না। এরেই না বলে বন্ধুত্ব!
সবুজমিয়া বলেছেন:
রাইসু...আপনি সরাসরি নিজের মত প্রকাশ কইরা গেলেন...
এইটা ভালা লাগছে...
আপনার পোস্টে কিচু ভন্ডলোকদের হম্বিতম্বি দেখতাছি...
এইগুলান কম্পিউটারের সামনে বইসা দেশউদ্ধার কইরা
ফালায়তেছে...বাস্তবে ভিন্ন চিত্র..
মানস চৌধুরী বলেছেন:
যার যা অভিরুচি ফেলুদাদা। আমার বাসা পর্যন্ত এসেও চেষ্টা করতে পারেন। অতিথি নারায়ণ! ফোন করলেই ঠিকানা বলে দেব। (০১৬৭০৭৩৮১০৯)। তবে প্রস্তুত হয়ে আসাই ভাল। আর তাছাড়া এখন মাল্টিটাস্কিং এবং স্বয়ংসম্পূর্ণতার যুগ শুনি! আপনাকেও আমার পটেনশিয়াল আতেল মনে হচ্ছে। ফলে স্বয়ংসম্পূর্ণ মারামারির চেষ্টা করে দেখতে পারেন। আপনার একান্ত বুদ্ধিমুগ্ধ
- মানস
ফেলুদা বলেছেন:
উরে না, আমি গে না দাদা। মাঝেমাঝে মন চাইলে এক্টিভ হই আরকি। মাল্টি টাস্কড বলতে যদি থ্রিসাম বুঝান তাইলে সেখানেও আমি পুরুষ মানুষের উপস্থিতি বরদাস্ত করি না। তবে আপনি একান্তই আগ্রহী হইলে ওপেন পোস্ট দিয়া দেন। দেখবেন বাড়ির সামনে লাইন পইড়া গেছে আমার পটেনশিয়ালিটি নিয়া যেই মানপত্র দিলেন, প্রিন্ট আউট কইরা বড় ফন্টে দেয়ালে লাগানোর সিদ্ধান্ত নিছি। পরে একসময় আপনারে ফোন কইরা নামটার উপর সাক্ষর নিয়া আসুমনে।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
আপনিই না অভিরুচি বদলের প্রসঙ্গ তুললেন। এখন আমাকে আগ্রহী বলে কাট মারেন? পারেনও আপনারা ভাই। প্লিজ! স্বাক্ষর দিতে আমার আপত্তি নাই। আর আমার স্বাক্ষর থাকলে আপনার বুদ্ধি নিয়ে আগামী কয়েক বছর আর বিশেষ পরীক্ষা দিতে হবে না। বাজারদরে এই ওজনটুকু আমার আছে মনে হয়। :-)
তবে আমার সন্দেহ আছে যে বেনিকাব হবার সাহস আপনার আছে কিনা। আই মীন ব্লগে তো অবশ্যই "সিংহপুরুষ" একেক জন। গর্জনে মূর্চ্ছা যাবার যোগাড়! বাইরে কী তা তো জানি না। :-)
ফেলুদা বলেছেন:
তা ঠিক দাদা। বেনিকাব হবার সমস্যা আছে। তখন রূপমুগ্ধ হয়ে পড়লে পড়ব আরেক সমস্যায়। যে ইঙ্গিত দিলেন তাতে বিশেষ ভরসা পাচ্ছি না। আর ব্লগে দাদা সিংহের গর্জন ছাড়তে কি বিশেষ কাবিলিয়াতি লাগে নিকি। শিল্প-সাহিত্য-নৃত্য ইত্যাদি নিয়ে অনেক বাকোয়াজই এখানে করে যায় লোকে- মেইনস্ট্রিম এখানে আসে না বিশেষ তাই। সো সব কিছু দুই ইঞ্চি বাড়াইয়া বললেও কেউ ধরতে পারবে না। অল দ্য বেস্ট
রাসেল ( ........) বলেছেন:
মানস একটু শইলে আব্রু কইরা কথা কন মিয়া- পাব্লিক কেনো কোনো আন্দোলনে নিশ্চুপ থাকে কিংবা কেনো থাকে না এইটা নিয়া আপ্নের একটা নৃতাত্বিক বিশ্লেষণ থাকাটা অবশ্যসম্ভাবি- এইটাই আপ্নের পেশা- তয় একটা সত্যও আছে এইগুলার সাথে যেইটা আপ্নে চামে আড়াল কইরা যাইতেছেন- ক্ষমতাসীনেরা কি চাইতেছে কি চাইতেছে না এইটার চেয়ে বড় হইলো সাধারণ মানুষ কি চাইতেছিলো- কিংবা কি চাইছিলো কিংবা কি চাইছে-যদিও আউট অফ কনটেক্সট মনে হইতে পারে এর পরেও কই সবচেয়ে বড় বিচারের রায় হইলো জনতার রায়- পাবলিক অপিনিয়নের একটা গুরুত্ব আছে- রাইসু যেইটারে কইছে জনতার রায় মাঝে মাঝে ভীষণ রকম অনৈতিক অভব্য হইতে পারে সেই জায়গাতে দাঁড়ায়া- আমি এই নেতিকে স্বীকার কইরাও কই- গণপিটুনি কিংবা গণরোষ সব সময় জনতার মতামত না- এইটা একটা তাৎক্ষণিক মত্ততা- কয়দিন আগে এক ধর্ষিতারে দোররা মারবার সিদ্ধান্ত এবং এর প্রতিবাদ এবং এ সংক্রান্ত সকল ঘটনাই সব সময় জনতার মতের প্রতিফলনের জায়গা হইতে পারে- যদি দোররা মারাটাকে জনতার রায় বলি তাইলে এর বিরোধিতার জায়গাটাকেও জনতার মতই কইতে হয়-
তবে সম্মিলিত ভাবে জনতা যখন একটা বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করে তখন সেটাকে আদালতের রায়ের চেয়ে বড় বিষয় মানতে হবে- মেলোড্রামাটিক ইভেন্টের মতো আদ্ভুত ঘটনার সন্নিবেশ ঘটায়া এইটারে অহেতুক রং চাড়ানোর আদত বাদ দিলে আলোচনার সুবিধাটা হয়-
তাই কইতে চাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে প্রথম সমাবেশ এবং গণ অনশন হইছে ২৩ শে ফেব্রুয়ারী ১৯৭২- সেই সময় জনগন এইটারে যৌক্তিক ভাবছিলো-
রাষ্ট্রনীতি - পররাষ্ট্রনীতি- দাতাগোষ্ঠী বন্ধু দেশ এইসব আন্তর্জাতিক এবং আভ্যন্তরীণ বিষয় বাদ দিয়ে দিলে জনতার রায়টা কি পরিস্কার হয়?
জনতার রায় পরিস্কার না হইলে আবারও বলা যায় এই নিয়ে আন্দোলন, ৭৫ এর পরের আওয়ামী নেতাদের সুবিধাবাদী অবস্থান এবং কৌশলে ধর্মীয় রাজনীতির পুনরুদ্ধারের গল্পের সাথে ক্ষমতার যোগাযোগ ছিলো- এইখানে জনতার অংশগ্রহন কি ছিলো?
জনতা অনুপস্থিত এইটার মানে এই না যে জনগণ সমর্থন করছে, মৌন সমর্থন দিয়া গেছে- মুখ বাইন্ধা ধর্ষণ কইরা যদি কন ধর্ষিতা কোনো ভাবেই অসম্মতি জানায় নাই তাইলে অবশ্য এইটা সত্য- কারণ আদতেই ধর্ষিতা কোনো অসম্মতি জানায় নাই আর তাই এই ধর্ষণ আসলে ধর্ষণ নয় বরং তাতে মেয়েটার মৌন সম্মতি ছিলো-
আপ্নের জন্য আরও একটু তথ্য যোগ করি- ঘাদানিকের আন্দোলনে সব সময় অংশগ্রহন করা এবং ঢাকার বিশাল সমাবেশে সার্বিক ঝুঁকি নিয়া সমাজের কাছে নিগৃহীত হইবো বুইঝাও যেই ৪ ধর্ষিতা মহিলা যারা সুখে শান্তিতে ঘর সংসার করতেছিলো তারা সেই সংসার এবং তাদের কন্যা এবং পুত্রদের সংসার ভাংবার সমস্ত ঝুঁকি নিয়াই সেই সময় নিজেদের উপরে করা অত্যাচারের বিবরণ দিয়াছে- দোষিদের শাস্তির দাবি জানাইছে- মহিলাগুলা ছিলো বগুড়ার বাসিন্দা- চাইলে অবশ্য সেই সময়ের পেপার খুইল্যা পড়তে পারেন- এইটা হইতাছে জনতার দাবি- জনতা যা চায় আর জনতা যা চাইছে সব সময়-
এখন মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীতা কিংবা মুক্তিযোদ্ধার বিরোধিতা কিংবা মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের বিরোধিতা- (আপ্নে উর্ধাঙ্গ অনাবৃত জোকার ) যদি এই আদর্শটাও বুঝতে চান তাইলে সেই প্রবাসী সরকারের শপথের আগে পঠিত বানিটা পইড়া লন- এবং এই দাবিগুলারে আত্তীকরণ কইরাই সংবিধানের উৎপত্তি আর এই সংবিধানের দাবি লইয়াই এখন বাক স্বাধীনতা- নাগরিক অধিকারের নানান কীর্তন চলতাছে-
আপনের সুশীল হোগা দিয়া নানাবিধ বাক্য রচিত হইতাছে- নানাবিধ যুক্তিবোধ- আর ঘটনা এবং দুর্ঘটনার পূর্বাভাষ আইতাছে এই ব্লগমুল্লুকে-
যাউক গা রাইসু যে প্রশ্নটা উঠাইছে আর আপ্নে যে প্রশ্নটা তুলছেন সেইটার বিপরীতে আমি কইতে পারি- ওয়ামীরে ব্যান করছে যেই ধারায় সেই ধারাটা আসলে প্রয়োগযোগ্য কি না এইটা আমি বুঝি নাই- মুক্তিযোদ্ধাদের কুকুর বলাটা আসলে তেমন অন্যায় বিবেচিত হইতে পারে কি? আপ্নে মহান মানুষ আপ্নে বিবেচনা কইরা কন- আমরা আবেগে চলি- আবেগে ছিনতাইকারী পুড়াইয়া মাইরা ফেলি- আমাগোর বিবেচনায় অনেক অবিচারই হওন সম্ভব-
তয় সামগ্রীক মূল্যবোধ আর মানসিক অভিঘাতের একটা ধারাও আছে এইখানে ঐটাও পইড়া নিয়েন- আপ্নেরা যেই বালটা ছিড়তে পারেন আর কি- ভিন্ন পাঠ দিয়া দেখতে পারেন-
আমার মতে এই সব ছুড়ি কাঁচি থাকবার কোনো দরকার নাই- কিন্তু রাইসু ভাবে এইটা থাকা দরকার- এইটা নিয়া আমি আর রাইসু ভিন্নবাসী তবে রাইসুর এই প্রশ্নরে আমার তেমন আবঝাব লাগে নাই- রাইসুর এই বিতর্ক উত্থাপন এবং বিতর্ক অনুসন্ধানের প্রচেষ্টারে সাধুবাদ জানাই-
দূরন্ত বলেছেন:
মানস চৌধুরী বলেছেন: ...নাসিরুদ্দিন হোজ্জা একবার যুদ্ধের জোশে এক সৈনিকের পা কেটে নিয়েছিলেন। তবে ঘটনাচক্রে সৈনিকটা অলরেডি মরা ছিল। এখন জামাত-বিরোধী জোশ পরিতৃপ্ত করার জন্য আপনাকে (আর মাহবুব মোর্শেদ-কে) রেডিমেইড "জামাতী" হিসেবে যে সবাই আবিষ্কার করছেন তা দেখে কৌতুক বোধ করছি।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
জনাব রাসেল, আপনার বলাবলি থেকে আমার কাছে অনেক স্পষ্ট না যে আপনার আর আমার পজিশনের বৈপরীত্য কোথায়। দুইটা জিনিস বুঝলাম। একটা হলো: আমরা যে বাল পারি না সেই বাল জনতা পারেন এবং আপনি সেই কাতারে। তো আমি এত আবাল না যে জনতার বাল, বা তার মধ্যকার একজনের, উপেক্ষা করি। আপনি আমার পজিশন আরেকবার দেখলেই বুঝবেন। আমি ফাল-পেরে আম-জনতার দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে মন্তব্যকারদের নিয়ে সতর্ক মাত্র। :-) দ্বিতীয় হলো: আপনার ধারণা আমি হোগা দিয়ে লিখি বা বলি। ঘটনাচক্রে সেটা আমি এখনও রপ্ত করি নাই। আপনার জানা থাকলে বলবেন। অন্ততঃ রুটি-রুজির স্বার্থে লেখালেখির উৎপাদন দ্বিগুণ করতে দুই খাতে চালু করে দিতে পারি।
আপনার "সুশীল"
- মানস
রাসেল ( ........) বলেছেন:
এই যে স্পষ্ট না হওন এইটা হইলো আপ্নের বুদ্ধিবৃত্তিক সমস্যা- আপ্নের মতটাই এইরম ভাবে আইছে যে জনগন আদতে কিছু করে নাই- যদি করতো তাইলে মগবাজারে অনেক কিছুই হয়্যা যাইতো- তা হয় নাই -তাই নিয়মিত সিদ্ধান্তে আইতে হয় জনগনের সমর্থন আছে-আর অন্য যেই জায়গাটাতে বক্তব্য ঘুরপাক খায় সেইটা হইলো- জনগন সক্রিয় আন্দোলনে না গিয়া কিবোর্ড চাইপা রাজাকার নিধন করতেছে- এই ভঙ্গি- তাই রাইসু যখন এই কথা লিখছে তখন রাইসুর সহজলভ্যতা আর তার রাজনৈতিক ক্ষমতাহীনতা তাকে করুণ শিকার কইরা ফেলবো- এই বক্তব্য যদি আপ্নের মন্তব্যের ভেতরে না থাকে তাইলে ঐটা হইলো আপ্নের নিজের অক্ষমতা- টেক্সট যখন নিজেই নিজের অর্থটা ধারণ করে তখন অযোগ্য লেখক তার নিজস্ব ভাবনাকে পরিস্কার খুঁজে পায় না সেই টেক্সটে- আপ্নের এই সমস্যা থাকলেও ক্ষতি নাই--
আপ্নের যেই গিমিকবাজি দরকার সেইটা আপ্নে কইরাই যাইবেন- প্রয়োজনে রাস্তায় ছালা গায়ে দিয়ে বইয়া থাকবেন পহেল বৈশাখে- যদি সেইটাতে আপ্নের ভিন্নতা প্রকাশ পায়- আইডেন্টিটি ক্রাইসিসের করুণ এবং নির্মম একটা উদাহরণ হইতে পার আপ্নের নিজস্ব ভাবনা আর রাজনীতির জায়গাটা।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
এখন পর্যন্ত দেখা যাইতাছে, ৭২০ বার পঠিত, ৮৬টা মন্তব্য। ১২ জনে +, ৪১ জনে -। তাইলে এই পর্বে যারাই এ্যাকটিভ তারা সকলেই বুদ্ধিজীবী, আচ্ছা। রাইসুর উপস্থাপিত প্রশ্নের জন্য অভিনন্দন । কিন্তু সুশীল ট্যাগিং এর পন্থা নিয়া অনেকের সাথে দ্বিমত আছে। যার যা ছাপ মারণের ইচ্ছা মারেন আমারে। আমার যেইটা প্রশ্ন সেইটা হইল,
১. ব্লগীয় নীতিমালা কতদূর পর্যন্ত জনসমর্থন মাইনা চলবো?
২. এই নীতিমালার প্রভাবক হিসেবে নিজেগো এত ক্ষমতাবান ভাবার ভিত্তি কি?
৩. জনসমর্থনরে মৌলিক কারক ও উৎস ভাবনের সরল প্রক্রিয়া ঝুকিপূর্ণ খোদ জনগনের লাইগাই।
মন্তব্য: আমি মাকু/ রাসেল/রাইসু/ফেলু/কৌশিক/তীরন্দাজ/রাজাকার একই বিষয়রে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখতাছেন বইলাই মনে হইতাছে। খুব গভীর কিছু ভিন্নতা স্বত্ত্বেও অনেক মিলের জায়গাতেও আছে।
আমার প্রিয় পোষ্টে রাখলাম।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
হা হা হা আপনার এই ক্রোধ আর অসহিষ্ণুতার উপলক্ষ শেষে আমি হইলাম। আমার আইডেন্টি নিয়ে আপনি চিন্তিত হওয়ায় নিজেকে স্বজন-পরিবেষ্টিত মনে হচ্ছে। তবে ঘটনাচক্রে পহেলা বৈশাখে আপনিই যান বরং। বহু বছর আমার উৎসাহ হয় না। আপনি গেলে এইবার টিভির সামনে বসে আপনাকে খুঁজতে রাজি আছি। তবে আপনি যে এবার কথা বলতে গিয়ে বালমুক্ত হলেন, সেটাকে আমাদের দুজনের সম্পর্কের অগ্রগতিই বলতে হবে। ঠিক কিনা?
আর আমার বক্তব্য প্রায় ঠিকই ধরেছেন। কী-বোর্ড চাইপা রাজাকার নিধন! বাহ! তবে কিনা কী-বোর্ড চাপনেওয়ালাদের আমি জনগণ ভাবি নাই। তাঁদেরকে আমি ভেবেছি কথায় কথায় "জনগণের দায়িত্ব কান্ধে নেয়া" ব্লগবাজ। এই মুহূর্তে আপনি ও আমি উভয়েই ব্লগবাজ। তফাৎ এই যে আপনি "জনগণ"। আর আমি জানি আমি টাইপিস্ট মাত্র। :-)
নেমেসিস বলেছেন:
বুঝে শুনে দেখে মাইনাস।
নেমেসিস বলেছেন:
এবং ঘেন্না
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
তীরন্দাজের পর রাজাকার হইব না আমার ভুল হইছে। আরিফ জেবতিক এবং এরপর মিরাজ হইব। এবং সতর্ক ভাবে মনে রাখা দরকার তাদের কেউই রাজাকার এর সমার্থকও নন। দু:খিত অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য। এখন পর্যন্ত ৭২৭ বার পঠিত/৮৮টা মন্তব্য/। আমি এই পোষ্টে প্লাস দিসি।
রাসেল ( ........) বলেছেন:
আপ্নের বুদ্ধিবৃত্তিক স্বমেহন চলতে থাকবে এইটাতে কোনো বাধা পড়বো না- তয় আপ্নের বক্তব্যের সাথে আমার সেই জায়গাটাতে মিলমিশ নাই-, আবাল হইয়া যাওনের পরে খেয়াল হইলো এইটা, এইখানে যারা এইসব ঘৃণা বর্ষণ আর রাজাকার নিধনের বড় বড় আওয়াজ তুলতেছে- যারা এইখানে কিবোর্ডযোদ্ধা তাদের প্রায় সবারই ব্যক্তিগত জীবনের অভিমত একই রকম- আপ্নের আত্মরতিপ্রবনতা না থাকলে হয়তো এইটা বুঝা যাইতো ভালো কৈরা- এইখানে যাদের প্রোএকটিভ দেখা যাইতেছে তাদের অনেকেই পলিটিক্যালি একটিভ ছিলো ৯২এ- পলিটিক্যালি একটিভ আছে এইখানে এবং সাধারণ জীবনে-তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে রাজা উজির মারা জনগণের দায়িত্ব কান্ধে তুইলা নেওয়া সিন্দাবাদ ভাবনের কাজটা আপ্নে করতে থাকবেন- তয় আমার দেখা যতটুকু বলে এরা নিজেদের তাগিদে এই কথা বলে আর যদি অরাজনৈতিক কোনো প্লাটফর্ম হয় তাইলে সেইখানে এই মাথা- হাত- পা- গলা- কণ্ঠ সবকিছুই পাওয়া যাবে-
গণের কাছ থেইক্যা বিচ্ছিন্নতা এবং নিজেরে কোথাও স্থাপন করতে না পারনের সমস্যাটা এই ধরণের ক্লিনিক্যাল কেসে থাকেই-
রাসেল ( ........) বলেছেন:
যাউকগা আসলে এইখানে এই আলোচনায় সমাপ্তি কইয়া কিছু আইবো না- তারপর একটা চড়ুই ফুরুৎ, একটা চড়ুই ফুরুৎ চলতেই থাকবো- আপনের কি বোর্ড ভিজতে থাকবো আত্মরতির বীর্যে- তাই আর কোনো অগ্রগতির সম্ভাবনা নাই- এইটা পোষ্টের বিষয়বস্তু থেইকা বাইরে কোন এক দিকে রওনা দিতাছে-
এইখানে আমার আর পাওনের কিছু নাই- আপ্নের কাছ থেকে আসলে তেমন কিছু আশাও করি না বাগাড়ম্বর ছাড়া- এইটা অনেক শুনতেছি তাই লিখায় পড়তে আগ্রহ পাইতাছি না।
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
মানস চৌধুরি, গ্যানি লুকজন আপ্নারে সম্মান কৈরা কথা কয়, দেইখা মনে করছিলাম, আপনি বোধহয় গ্যানী লুক।
তো, যা বুজলাম, আপনি আসলেই হোগা দিয়া কথা কন। আপ্নের মতোন সাড়ে চাইর আনার বুদ্ধিজীবীরে আমগো ব্লগের সাধারণ মানুষ পুছিও না। আজিজমারকেটে দেখাইয়েন এইগুলান সুশীল রংঢং।
আমগো দুই পয়সার ব্লগে আপনাগো মতোন বুদ্ধিজীবীর দরকার নাই।
তয়, কগু বইলা আমগো ব্লগে এক ক্যারেক্টার আছে, হ্যায় পুলা মাইনষ্যাক ভালো পায়। সে আইসা পড়লে, আপনার ফটুক দেইখা চুক চুক করবো।
হ্যায় না আসা পর্যন্ত গা খোলা রাখেন।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
আপনার কাছ থেকেও তো বাগাড়ম্বর পেলাম ভাই রাসেল। বরং বলাবলির শুরুতেই বালাবালি চালিয়ে আপনার বীররসের প্রমাণ দিয়ে নিলেন যাতে আপনার প্রতিপক্ষ আপনার ভাষাসামর্থ্যে গোড়াতেই কলিজা শুকায়ে মারা যায় আর কি! আর আপনার কী বোর্ড অন্য কোনো রসে ভিজসে সেই ভরসা পেলাম না রাসেল। স্যরি। আর আছেন সামহোয়ার রাজ্যে। আমার কাছে আশা করেনই বা কেন? রাজার কাছেই আশা করেন না কেন!
আমার চরিত্র বিশ্লেষণ করতে থাকেন সমস্যা নেই। পেশা হিসেবে মনোবিদ্যা এখন অত খারাপও না। আপনার চরিত্র বিচারে আমার আলাদা করে বসা লাগবে না। যতই স্বমেহন করি না কেন, ৯২'র সহযোদ্ধা বলে কথা। থ্যাংকু কমরেড! ;-)
মানস চৌধুরী বলেছেন:
নির্বাক সুশীল, আমার দাম সাড়ে চাইর আনার থেকেও কম। দুই আনা হবে কিনা সন্দেহ। আমি "গ্যানি লুক" না। বুদ্ধিজীবী তো নাই-ই। নেহায়েৎ মাস্টারি করে খাই। চাকরি। কিন্তু আজিজ মার্কেটে যাওয়া হয় না। হোগা সবারই আছে। ওটার নির্দিষ্ট কাজও আছে। কিন্তু এইসব খিস্তি মুখোশের আড়ালে জনাব, এগুলো খুব পুরান ধান্দা। আলাপ করতে হলে স্বনামে ও পরিচয়ে আসেন। ধন্যবাদ।
আকাশচুরি বলেছেন:
মুক্তি=ওয়ামী
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
রাসেল: যারা এইখানে কিবোর্ডযোদ্ধা তাদের প্রায় সবারই ব্যক্তিগত জীবনের অভিমত একই রকম- আপ্নের আত্মরতিপ্রবনতা না থাকলে হয়তো এইটা বুঝা যাইতো ভালো কৈরা- এইখানে যাদের প্রোএকটিভ দেখা যাইতেছে তাদের অনেকেই পলিটিক্যালি একটিভ ছিলো ৯২এ- পলিটিক্যালি একটিভ আছে এইখানে এবং সাধারণ জীবনে-মাকু: বরং বলাবলির শুরুতেই বালাবালি চালিয়ে আপনার বীররসের প্রমাণ দিয়ে নিলেন যাতে আপনার প্রতিপক্ষ আপনার ভাষাসামর্থ্যে গোড়াতেই কলিজা শুকায়ে মারা যায় আর কি! ................
আপনার চরিত্র বিচারে আমার আলাদা করে বসা লাগবে না। যতই স্বমেহন করি না কেন, ৯২'র সহযোদ্ধা বলে কথা। থ্যাংকু কমরেড! ;-)
মনে হইতাছে দুই সহযোদ্ধার ভাষিক বিশ্লেষণ প্রতিভার স্বাক্ষর। কখনো কখনো এই দুইটাই বাগাড়ম্বর হইয়া যাইতে পারে কিন্তুক।
কৌশিক বলেছেন:
কিছু টর্পেডো ও মিসাইলের মধ্যে মনে হলো - আবেগ নামক খোলসের বাইরে যাবার অনীহা ও প্রয়োজনীয়তা একই সাথে অনুভূত হয়েছে। মানস চৌধুরীকে এখন আমি পুরোপুরি ব্লগার বলতে পারি। তবে রাসেলের বালাবালিতে সেটা পোক্ত হয়েছে নির্ঘাত।
লাল মিয়া বলেছেন:
@রাইসুআপনে যা কইছেন ঠিক কইছেন। গত আড়াই বছরের ব্লগিতিহাসে আপনার যেই ভুমিকা সেইটাই বজায় রাখছেন। আপনে গ্রেট।
@মানস চৌধুরী
আপনারে একসময় হিরো ওয়রশিপ করতাম। সে অনেক আগের কথা। আপনে যেইসব মিছিলের সামনে থাকতেন মাথায় লাল তারা মার্কা টুপি পইড়া, আমি তার পিছে বা মাঝামাঝি থাকতাম। তবে আমি ম্যাঙ্গো জনতা হওয়ায় শুধুমাত্র জনস্রোতের অংশ ছিলাম। ঐভাবেই রাস্তায় নামছি। বহুতবার নামছি।
ভার্চুয়াল জগতে ছদ্মনাম ব্যবহার করা একটা সাধারণ অনুশীলন। কোন প্লাটফর্মে বা ফোরামে যদি কর্তারা চায় তাইলে তারা সেইটা আটকাইতে পারে। পৃথিবীর আমার চেনা পরিচিতের সীমার মধ্যে এমন কোন ব্লগিং প্লাটফর্ম নাই যেইখানে ছদ্মনাম ব্যবহার নিষিদ্ধ। ভার্চুয়াল জগতে বিষয়টা প্রায় অসম্ভব। অসম্ভব হওয়ার একটা ভালো দিক হইলো যারা ব্যক্তিগত জীবনে লেখক বইলা পরিচিত না কোনদিন লেখার কথা ভাবেও নাই তাগো অনেকের হাতদিয়া খুব শক্তিশালী গদ্যপদ্য সমালোচনা বাইর হইয়া আসা। বাস্তবে প্রিন্ট মিডিয়াতে গলায় পাড়া দেওয়া হইছে এমন খবর প্রকাশের জন্যও ভার্চুয়াল জগতে ছদ্মনাম ব্যবহার জরুরি। আরো জরুরি হইলো মধ্যবিত্তের পেশাগত সীমাবদ্ধতায় যারা অনেককিছু বলার থাকলেও বাস্তবে বলতে পারে না সেইটা তারা ভার্চুয়াল জগত গলা উচা কইরা কয়।
প্রশ্ন হইলো তাতে কি হয়? তাতে "কথা"টা শেষ পর্যন্ত "বলা" হয়। এই বলাটা খুব জরুরি। কে কইলো কোন নামে কইলো তার চাইতে জরুরি হইল কথাটা কওয়া হইলো নাকি। গত দশবারো বছরে ভার্চুয়াল জগত বড় হইতে হইতে প্রচন্ড শক্তিশালী মিডিয়াতে পরিণত হইছে। আমাগো দেশের রাজনীতিতে জামাতশিবিররে জায়গা বানাইয়া দিছে নেতারা। কিন্তু রাস্তায় জামাত পিটানো কিন্তু একবার দুইবার হয় নাই। আর যখন হইছে সেইটা জনগণ স্বত:স্ফুর্তভাবে খুশী মনেই করছে। জাহাঙ্গীরনগর বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থিকা যখন শিবির খেদানো হইছে তখন কিন্তু শিবির নিজে ছাড়া আর কেউ তারে অবিচার কয় নাই। বরং অন্য ক্যাম্পাসগুলা থিকা শিবিররে ক্যান খেদানো যায় না সেই নিয়া গবেষণা হইছে। আমি রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগের জামাত তোষনরে রাজনৈতিক অপরাধ আর ঢাবি-জাবি থিকা শিবির খেদানোরে রাজনৈতিকভাবে সঠিক বইলাই ধরি। সেই যুক্তিতেই বাংলাভাষার প্রথম কমিউনিটি ব্লগিং প্লাটফর্মে আইসাই যখন দেখলাম জামাত গলা উচা কইরা কথা কয় তখন তারে বরদাস্ত না করারেই কর্তব্য মনে করছি। এতে যেই কাজটা হয় তা হৈল আরো একটা জায়গা থিকা জামাত উৎখাত হয়। আমি কিংবা আমার মতো আর যারা যারা এই ব্লগে জামাতবিরোধী হার্ডলাইনার তারা ঠিক এই উদ্দেশ্যেই জামাতীপোস্টের লেখকদের উপর চড়াও হই। এই জায়গাটা যেহেতু লেখার জায়গা এইখানে প্রতিবাদ প্রতিরোধ সবকিছু কীবোর্ড দিয়াই হয়। সেইটাই হইতেছে। এইটারে আমি ব্যক্তিগতভাবে অ্যাক্টিভিজমই মনে করি। রাজনৈতিক সক্রিয়তা যে সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের ভোটের রাজনীতির স্বার্থের বাইরেও হয় সেইটা আপনারে মনে করাইয়া দেওনের ধৃষ্টতা করুম না।
ওয়ামী সেদিন কামরুজ্জামানরে ধাওয়াকারীগো কুত্তা কইছে। কামরুজ্জামান তার বাপ, তারে কেউ ধাওয়া দিলে তার ভালো লাগবোনা এইটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেই শোকে সে পাবলিকের সামনে আইসা মুক্তিযোদ্ধাগো কুত্তা কইবো আর পাবলিকে তারে ছাইড়া দিবো এই আবদার তো সে করতে পারে না। সে যে শেরপুরের কসাইএর ঘরে জন্মাইছে তার জন্য নিজের কপাল ছাড়া আর কিছুরে দায়ী করতে পারে না। আর তার সেই অভিশপ্ত জীবনের কষ্ট শেয়ার করারও কারো ঠেকা নাই। পাবলিকের দৃষ্টিতে কামরুজ্জামান আলবদর। তারে প্রেসক্লাবে মুক্তিযোদ্ধারা ধাওয়াইছে। তাতে যারা উল্লসিত তারা সংখ্যালঘিষ্ট না। এইটা মানস চৌধুরী খুব ভালো জানেন। অন্তত সামহোয়ারইন ব্লগের ব্যবহার কারীরা উল্লসিত। সেই অবস্থায় সেই রাজাকারের পোলা আইসা মুক্তিযোদ্ধাগো গাইল দিলে তার প্রতিবাদ কইরা তারে খেদানো ছাড়া আর কি কি করা যাইতো বইলা আপনে মনে করেন জানলে ভালো লাগতো।
জামাত বিরোধীতার কথা তুললেই আওয়ামী লীগের প্রসঙ্গ যারা তোলে তারা আসলে জামাতরে নানান কায়দায় বাঁচাইয়াই দেয়। এই মধ্যস্থতার কাম যারা করে তারাও শেষ পর্যন্ত রাজাকার বইলাই চিহ্নিত হয়। গত আড়াই বছর ধইরা জামাত বাংলা ব্লগ প্লাটফর্ম দখলের নানান কিসিমের চেষ্টা চালাইয়া যাইতাছে। ওদের সহাবস্থানের দাবী হইল তার প্রাথমিক স্তর। এই কাজে তাগো জাইনা বা না জাইনা যারা যারা সহায়তা করতাছে আপনার বন্ধু ব্রাত্য রাইসু তাগো নেতৃস্থানীয়। তার লগে ফেউ হিসাবে আছে রাইসুর চামচা মাহবুব মোর্শেদ। সামহোয়ারইন ব্লগে আমরা সুশীল বলতে ব্রাত্য-মামো আর তাগো সমগোত্রীয়গোরই বুঝি।
আমার বেয়াদবী ক্ষমা কইরেন। তয় যারা রাস্তায় নাইমা জামাত খেদায় তারাই আবার ভার্চুয়াল জগতে জামাতের লগে সহাবস্থানের প্যাকনা ধরে এইটা আমি বুঝি না। আমার মাথাটা ছোট।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
শরৎ এখানে মজার পয়েন্ট তুলেছেন। কিন্তু আপনার (ও রাসেলের) প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি আমার কয়েকটা টীকা আছে।১। বাই ডিফল্ট, ব্লগ বাগাড়ম্বরের জায়গায় পর্যবসিত হতে সমর্থ।
২। রাসেল ও আমার ভাষা সামর্থ্যের মধ্যে রাসেল গোড়াতেই দ্বৈতনীতি নিয়েছেন। যেমন: রাইসু বা "জামাত-বন্ধু" (এক্ষেত্রে দেখা যায় আমিও)দের হেনস্তা করার জন্য তিনি "নর্ম" মেনে এগিয়েছেন -- সেটা হলো "জনতার রায়"। পক্ষান্তরে আমাকে ঘায়েল করতে তিনি তমিজের "নর্ম" লঙ্ঘন করেছেন -- হোগা, বাল কিংবা স্বমেহন। আমি কিন্তু রুচির প্রশ্ন তুলছি না। কেননা সেটা এখানে প্রসঙ্গ নয়। আমি তুলছি নর্ম মানার ক্ষেত্রে দ্বৈতনীতির প্রসঙ্গ। ফলে আমাদের দুজনের বাগাড়ম্বর এক জায়গায় নেই।
৩। আবার, আমার বলবার জায়গা রাসেলের চিন্তা/বুদ্ধিবৃত্তিক অক্ষমতা বা সক্ষমতা নিয়ে নয়। আমার ক্ষেত্রে রাসেলের সেইটা মৌলিক চর্চা। খুবই পুরাতন ঢঙ যদিও কিন্তু বিষয়টা ভাবার মতো।
৪। পলেমিক ক্ষেত্রে পরিচয় পাবলিকীকৃত না হলে আলাপ এমনিতেই মুস্কিল। আপনারা হয়তো চেনেন, কিন্তু আমি রাসেলের প্রফাইলে গিয়েও এক "রহস্যময়" কবি ছাড়া আর কিছুই বুঝি না। অনুমান করি তিনি আমাকে অপেক্ষাকৃত বেশি চেনেন। এটা এক বিষম পরিস্থিতি।
৫। আপনার পজিশন বরং পুনর্ভাবনা করুন। রাইসুর পোস্টের প্রতি ও সঙ্গে আমার চিঠি এবং সেখানে রাসেলের আগমণ -- কীভাবে তিনি প্রাসঙ্গিক ছিলেন? এখানে গোড়াতেই তো রাইসু "আমাদের পক্ষে নাই, ফলে পরিত্যাজ্য" এই ভাবনা থেকে তিনি আগিয়েছেন।
যাহোক আমার নিশ্চিত করবার আছে যে ভাষিক-লড়াই ভঙ্গিসর্বস্ব হয়ে পড়লে সেটা থেকে আমি দূরে থাকি। ভঙ্গির অমিত গুরুত্ব। কিন্তু কেবল যখন পজিশনকে জোরারোপ করে। ভঙ্গি যখন অস্ত্র তখন আমি নিরস্ত। :-)
--
কৌশিক, আমি আমার রুটি-রুজির কাজে মন দিতে পারছি না। বা আলসেমি করছি। ফলে ব্লগাব্লগিতে বেশি সময়। কমে যাবে বোধহয় চাপ বাড়লে।
অমিত বলেছেন:
আইচ্ছা মানস চৌধুরি, এই ব্লগ কমিউনিটি থেকে জামাত খেদানোয় আপনার কি মতামত ? যেই পদ্ধতিই হোক। জামাত বাংলাদেশে রাজনীতি করছে, এটা বাস্তব, ঠিক একইরকম বাস্তব মানবদেহের ক্যানসার।এখন ক্যানসারকে আমরা যেভাবে পারি দূর করতে চাই। আপনের কি মনে হয় না, আমাদের উচিত জামাতের বিরুদ্ধে একই পন্থা নেয়া, যে যেভাবে পারি।
ইয়র্কার বলেছেন:
ব্লগে নতুন মাল পাইলাম। ভরা মজলিশে নিজের বগোলের বাল, তলপেটের চর্বি বা কাইল্যা মাই দেখাইলে কিছু হয় না, হোগা বা বাল শুনলেই তমিজ নাপাক হয়া যায়।
গুড ফর নাথিং বলেছেন:
গদাম লাথি। বাম পায়ের
মানস চৌধুরী বলেছেন:
লালমিয়া। আপনার পোস্টটি অনেক চিন্তাপ্রসূত। আমার সালাম জানবেন। ব্লগ পরিচয় নিয়ে আপনার বক্তব্যের আমি বিরোধী নই। কিন্তু গল্প কবিতা মেমোয়ের ভাবনা লেখা এক কথা আর বিতর্ক আরেক জিনিস। আধুনিক বিতর্ক/পলেমিক্স-এ আড়াল থাকার সুবিধাটা নিয়ে যখন কেউ অন্যকে সজ্ঞান অমর্যাদা করতে পারেন তখন বিতর্কটা তার জমিন হারায়। মর্যাদার লড়াইয়ে পরিণত হয়। এখন আমি স্বনামে থাকি বা বেনামে প্রচলিত মানদণ্ডে এধরনের মর্যাদার নিশানা আমার টার্গেট নয়। কিন্তু অন্যদের ক্ষেত্রে হরহামেশাই যখন এটা ঘটে তখন আলাপটা দুরূহ। আশা করি আমার অবস্থান স্পষ্ট হলো। আমি আপনার সঙ্গে দ্বিমত করি। প্রথমতঃ মাহবুব মোর্শেদকে আমি রাইসুর চামচা মনে করি না আপনারা সিনিয়র ব্লগাররা যাই বলুন না কেন। তাছাড়া ক্যারিয়ারের কথা ভাবলে, মা.মো. এত নির্বোধ হবার কোনো কারণ নেই যে কর্পোরেট গ্রুপের কোনো "বান্ধা" সম্পাদকের চামচামি না-করে রাইসুর মতো চাকরিতে রিস্ক-গ্রুপ একজনের চামচামি করবে। পেট তো বড় চিন্তা নাকি? এটা একেবারে আপনাদের অপছন্দ করার একটা ভঙ্গি মাত্র। মাফ করবেন আমাকে।
দ্বিতীয়ত, আমার একবারও মনে হয় নাই যে রাইসু জামাতের প্রতি সদয় যদিও রাজনৈতিকভাবে সেই অধিকার তাঁর আছে (যে কারোরই আছে)। একটা রাজনৈতিক দল আছে আর সেটাকে সমর্থন করা যাবে না এটা হলো মামা বাড়ির আব্দার। কিন্তু বিষয় হলো রাইসু যে সেটা করেন না তা না বোঝা বিস্ময়কর। জামাত রাস্তা দখল করলে যে কয়জনার কল্লা আগে নেবে বিশ্বাস করেন তাতে রাইসু আপনার থেকে এগিয়ে থাকবেন। নানান কারণ আছে এর। এটা আপনারা বুঝতে পারলে ভাল। না বুঝতে পারলে ফি আমানিল্লাহ। তাঁর পয়েন্টটা ছিল অন্যত্র। কিন্তু বলতে দ্বিধা নেই আলাপ-আলোচনা ও সেন্টিমেন্ট সততঃই বিরুদ্ধগামী। আমার ধারণা সঙ্কটটা এই যে রাইসু সেন্টিমেন্ট দিয়ে জগৎ দেখেন না।
এগুলো আমার ধারণা মাত্র। আপনারা ভিন্ন ফয়সালায় পৌঁছাতে পারেন। এবং চাইলে আমাকেও জামাতের-বন্ধু এই অভীধায় বরণ করে নিতে পারেন। আমার কপালে এই অভীধা জুটেছিল অন্ততঃ ৬ বছর আগে -- ঠিক যখন আপনি আমার মিছিল-অংশগ্রহণ বললেন। পরিহাস হলো শিবিরের কাছ থেকে আমি মুত্য-পরোয়ানা খাবার অভিজ্ঞতাও আমার আছে। বিষয় হলো যখন লোকে সাদা আর কালো নিয়ে মল্লযুদ্ধ করে তখন একটা অপশন হলো ধূসর নিয়ে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করা, আরেকটা অপশন হলো বাড়িতে গিয়ে বসে থাকা।
রাইসু দ্বিতীয়টা করলে নিশ্চয়ই আপনাদের ব্লগ-প্রতিপক্ষ কমে যেত।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
অমিত, আপনি কি ব্লগ থেকে জামাত খেদানো বলছেন নাকি সংসদ থেকে? আমি জামাতের রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক সকল প্রকার নিষিদ্ধকরণের পক্ষে। এবং এদের নেতাদের বিচারের প্রক্রিয়ায় আনার পক্ষে (তবে সামরিক, আমি মীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেখেই যাদের মনে এসেছে কথাটা তাদের বিশ্বাস করি না)। আর ব্লগে আরেকটু মস্তিষ্কপ্রসূত আলাপ-আলোচনার পক্ষে। :-)
ইয়র্কার বলেছেন:
অশ, খ্যাপলা ক্যান? হোগা শুনলেই হোগা চুলকায়?
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
না খেপি নাই ইর্কার....হুদাই কারণে অকারণে বিশেষ মাসে/কালে খেইপা উঠনের কুত্তা প্রজাতির এই গুনটা আমার মধ্যে নাই। হোগা নিয়াও তাই মাথা ব্যাথা নাই।
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
প্রতি মানস চৌধুরী,
এক্টা কথা কৈ শোনেন । সবকিছু বাদ্দিয়া ১টা মাস শুধু ব্লগটা পড়েন । আপ্নের ব্লগেস্ফিয়ার নিয়া কিছু ধারনার কমতি আছে বলে মনে হয় । এইখানকার কিছু বিষয় আপনের বুঝতে হবে । একটা লিস্টি দেই । পড়েন ।
১. ব্লগটা আজিজ মার্কেটের চিপা না সেইটা প্রথমে বুঝতে হবে । তারপর আরো বুঝতে হবে এইখানে তালেবরি ফলায়া লাভ নাই । (খিয়াল কৈরা, আমি কিন্তু আপ্নে তালেবরি ফলাইতেছেন সেইটা বলি নাই, তালেবরির প্রসঙ্গ বাই দ্য বাই বলা ।)
২. নিজের পরিচয় আড়াল কৈরা ভিন্ন নিকে লেখালেখি এইখানে যায়েজ । যেমনটা যায়েজ ব্রাত্য রাইসু নাম নিয়া কবিতা লেখা । আমার নাম যে হাসিব সেইটা প্রমান কর্তে ওয়ার্ড কমিশনার বা চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নের দরকার পড়ে না ।
৩. পত্রিকায় সুশীল সমাজ কথাটা যেই অর্থে ব্যবহার হয় সেইটা এইখানে, মানে এই ব্লগ দুইয়ায়, অচল । সুশীলের অর্থ কি সেইটা নিয়া মা.মো.র সাথে আলাপে বসতে পারেন । এইটা নিয়া তার একটা অভিসন্দর্ভ আছে । যেইখানে তিনি এই মতবাদের দার্শনিক হিসাবে আমারে মানছেন ।
......
জ্বরজারিতে কাহিল অবস্থা । শুমু এক্টু । পরে কথা হবেনে ।
আর শরৎ/কৌশিক, তেল ভালো হৈছে । এইবার দর্কার জোরসে মালিশ ।
ইয়র্কার বলেছেন:
অশ, গুড। তুমি সঙ্গদোষে এই অবস্থানে, সময়ে পূর্বের অবস্থানে ফিরবা - এই বিশ্বাস আছে। তয় আমার বিশ্বাসে তোমার কিছু যাওয়া আসার কথা না। এ নিয়ে কথা না বাড়াই। রাজাকারের কামে ব্যবহৃত না হওয়া কাউরে দৌড়ানি দেই না।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
ধন্যবাদ হাসিব। জ্বরের মধ্যেও কষ্ট করে আমার যে উপকার করলেন।১। কিন্তু আমি তো আজিজচিপার লোক না, কী মুস্কিল! আপনিও তো লেখা খেয়াল করেন না দেখি।
২। নিকের আড়ালে লেখা নিয়ে আমার সমস্যা নাই তো। কিন্তু বেনিকাব অবস্থায় বলবেন না এমন কথাবার্তা যদি কেউ নিকের আড়ালে বলেন তখন বিতর্কে অসুবিধা হয় মনে করেছি। আপনি বুজুর্গ মানুষ। আপনিই বলেন কারো বাড়িতে রাত্রিবেলা প্যাকেটে করে গু মেরে আসা আর প্রকাশ্য দিবালোকে উঠানে গিয়ে হেগে আসা এক হলো?
৩। ব্লগীয় সুশীল বিষয়ে আমার ধারণা বাড়িয়ে নেব। কিন্তু সবকিছু বাদ দিলে তো না-খেয়ে মারা যাব। প্রথম সমস্যা হলো আমি কোনো ডেস্কজব করি না।
কিন্তু আপনাকে ধন্যবাদ। এই প্রথম আমাকে কেউ ব্লগীয় রীতিমালায় এডুকেট করলেন। তবে আপনি না চাইলেও এতে আমার তালেবরি বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা।
একান্ত -
ভার্চুয়াল বলেছেন:
মানস বলেছেন @ জামাত রাস্তা দখল করলে যে কয়জনার কল্লা আগে নেবে বিশ্বাস করেন তাতে রাইসু আপনার থেকে এগিয়ে থাকবেন।
-----------------------------
এই যে এইটা আপনি বুইঝা ফালাইলেন, এইটা আমরাও বুঝতাম। আর এখন এইটা আরো ভালোভাবে রাইসু বুঝে।
তাইতেই এমন পোস্ট নাজিল হয়।
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
* আপনিই বলেন কারো বাড়িতে রাত্রিবেলা প্যাকেটে করে গু মেরে আসা আর প্রকাশ্য দিবালোকে উঠানে গিয়ে হেগে আসা এক হলো?
- অবশ্যই দুইটা হাগা এক না । তয় গোল বাধে তখনই যখন কেউ প্যাকেট গুরে "এইটা গু না" কয়া সেইটা এড়াইতে চায় ।
* প্রথম সমস্যা হলো আমি কোনো ডেস্কজব করি না।
- ডেস্কজব করেন না ভালো কথা । তয় কিছু করার আগে সামান্য হোমওয়ার্ক কৈরা নিলে কাজে কামে সুবিধা এইটা নিশ্চয়ই স্বীকার যাবেন । আমি সেইটাই কৈতে চাইছিলাম ।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
হা হা হা। ভার্চুয়াল, দারুণ ব্যাখ্যা। আমার তো এখন মনে হচ্ছে এজন্যই বোধহয় আমি রাইসুর দলে গিয়ে পড়লাম। ..তাহলে অন্ততঃ স্বীকার করছি আমরা যে জামাত দখল করার মতো শক্তিমান। মুস্কিল হচ্ছে কিছু কাগুজে বাঘের হালুমে জামাতী রাজনীতির মূল নেটওয়ার্কটা আড়াল হয়ে যায়। পিকেটিং খুব উত্তেজনাকর কাজ। কিন্তু ধরা যাক, এরশাদ যে পিকেটিংয়ের চোটে পড়ে যায় নাই, এটা বোঝা জরুরি। আমার আগ্রহ না-দেখা দিকগুলো নিয়ে বোঝা। যাহোক, রাইসু ভাল বলতে পারবেন যে সম্ভাব্য জামাত উত্থানের পর পিঠ বাঁচাতে তিনি ব্লগের নীতিমালা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কিনা। কিন্তু তিনি যে একাধিকবার জামাতীদের সর্বাত্মক ব্যানের জন্য সভার আহ্বান করছেন, সেটার কী হবে?!!!??
অমিত বলেছেন:
।মানস চৌধুরী বলেছেন: অমিত, আপনি কি ব্লগ থেকে জামাত খেদানো বলছেন নাকি সংসদ থেকে? আমি জামাতের রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক সকল প্রকার নিষিদ্ধকরণের পক্ষে। এবং এদের নেতাদের বিচারের প্রক্রিয়ায় আনার পক্ষে (তবে সামরিক, আমি মীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেখেই যাদের মনে এসেছে কথাটা তাদের বিশ্বাস করি না)। ।১০০% সহমত।
। ।আর ব্লগে আরেকটু মস্তিষ্কপ্রসূত আলাপ-আলোচনার পক্ষে। ।
এই যে কথাটা বললেন, এই কথাটা ২ বছর আগে বললে মাথা পেতে নিতাম। কিন্তু এই ২ বছরে জামাতি প্রপাগান্ডা সূক্ষ্মভাবে প্রচার করা কিছু "সাধারণ" ট্যাগড ব্লগার, জামাত পেইড কিছু "সুশীল" ট্যাগড ব্লগার এবং পরোক্ষভাবে মৌলবাদীদের দ্বারা ব্যবহৃত কিছু "স্বআখ্যায়িত বুদ্ধিজীবি" যেভাবে বুদ্ধিযুক্তিকে হোগা মেরে হাসিমুখে মুক্তচিন্তার চুইংগাম খেয়ে গেছেন, যে তাদের সেই চিবানো বস্তুটিকে মস্তিষ্কপ্রসূত না বলে পোঁদপ্রসূত বলতে ইচ্ছা করে।
আপনাকে এখন সেটা বললাম না, ২ বছরের গ্যাপটার জন্য।
নাহলে আজকে এটা বলেই ফেলতাম।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
থ্যাংকু হাসিব। উহু, আমি প্যাকেট গু কে না-গু বলি নাই। বরং নিকের আড়ালে প্যাকেট ছোঁড়ার অভ্যাসে বিচলিত বোধ করেছি। দুর্বলচিত্ত মানুষ! গুয়ে ভয় আছেই। হোমওয়ার্কের ব্যাপারে আমি একমত। কিন্তু বিশ্বাস করেন, মাস্টারি করে খাই, ব্লগীয় ভাষামালায় আসল সুশীল যাতে ধামাচাপা না পড়ে সেটা খেয়াল করাতে চেয়েছিলাম। সুশীলদের কাছে আমার ক্যারিয়ার বৃদ্ধির চান্স নাই। অন্ততঃ কুশীলদের কাছে থাকতে চাই। প্রসঙ্গতঃ আমি লক্ষ্য করেছিলাম এখানে সু-শীল শব্দে শীলটাই মুখ্য। তাও আমি আমার ঈমান রাখলাম মাত্র।
ইয়র্কার বলেছেন:
মানস চৌধুরী বলেছেন: যাহোক, রাইসু ভাল বলতে পারবেন যে সম্ভাব্য জামাত উত্থানের পর পিঠ বাঁচাতে তিনি ব্লগের নীতিমালা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কিনা। কিন্তু তিনি যে একাধিকবার জামাতীদের সর্বাত্মক ব্যানের জন্য সভার আহ্বান করছেন, সেটার কী হবে?!!!??সেটার কিছু হয় নাই বইলাই লাইন চেঞ্জ কইরা। বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীজীবীদের আহ্বানে কিছু যায় আসে না। ওয়ামি মুক্তিযোদ্ধাদের কুকুর বললে সেটার প্রতিরোধ কোনো বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীজীবী কখনোই করবে না, পাবলিক পাবলিকেরটা ভালো বুঝে। এজন্যই কোনো বু.প্র.জীবী রাজাকারের পোলারে ব্যান করার কারণ জিগায় তখন, পাবলিকেই তারে লাথি মারে। অতএব, সাধু সাবধান। বুদ্ধিগীরী দেখাতে আসলে পাবলিকে হোগা মেরে দিবে।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
অমিত, না ভাই চাইলে বলে ফেলতে পারেন। কিন্তু জামাতের কাছথেকে পেইড বুদ্ধিজীবী বললে কী বুঝব? রাইসু বা মাহবুব? এগুলো তো না-হক কথা। বিশ্বাস করেন নাকি তর্ক করার জন্যই বলছেন? যাহোক, ২০০১ সালে এই ধরনের কথা আমারও শুনতে হয়েছে, হিন্দুর ছেলে হয়েও। কিন্তু বিষয় হলো একটা পয়সাও জামাত দেয়নি কোনোদিন কিংবা সেরকম কিছু চুক্তিও নাই আমাদের। টাকাটা পেলে বরং আমার উপকারই হতো। জামাত আমাকে যা দিয়েছে তা হলো একটা হুমকি-চিরকূট আর ওদের পত্রিকাগুলোতে বেশ কয়েকটা কলাম আমার ইয়ে উদ্ধার করে। এগুলো আজ থেকে ১০ বছর আগেকার কথা। যাহোক, ব্লগ যে জামাতীরা আরও ঠাণ্ডা মাথায় দক্ষভাবে ব্যবহার করেন সেটাতে আপনার সঙ্গে আমি একমত।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
ইয়র্কার আমিও তো তাই বললাম। বীরপুঙ্গব পাবলিক -- মানে আপনারা। সামনে পেলে যা-ইচ্ছা করে দিতে পারেন। সেলাম জানাই। রাইসুকে আমি এই বলেই সতর্ক করলাম না, বলেন?
অমিত বলেছেন:
কিন্তু জামাতের কাছথেকে পেইড বুদ্ধিজীবী বললে কী বুঝব? রাইসু বা মাহবুব? এগুলো তো না-হক কথা। বিশ্বাস করেন নাকি তর্ক করার জন্যই বলছেন? ----এই বৃত্তের মধ্যে উনারা পড়েন না। আর উপরের দুইজনকে এক বৃত্তের মধ্যে রাখতে আমার যথেষ্ট আপত্তি আছে। বুদ্ধি বিদ্যার কিছুটা সম্মান করতেই হয়।
আলম ভাই বলেছেন:
মানস ভাই, আপ্নে ব্লগোস্ফেয়াররে বাস্তব জগত থাইকা যত বিচ্ছিন্ন ভাবতাছেন সেইটা মনে হয় বর্তমান যুগ সমন্দে আপ্নার ধারনার ওভাবের ফল৷ এখন এবং ওদুর ভবিষ্যতেই ইন্টারনেটই হইবো মুল যুদ্দক্ষেত্তর, এরশাদি আমলের মাঠময়দান না, এমনকি বাংলাদেশেও৷ এই যেমন আপ্নে এত দিনে বল্গে সক্রিয় হইছেন, কাম্রুর পোলারা (উয়ালি উয়ামি), হেগো বন্দু বান্দবরা কিন্তুক আরো আড়াই বচ্ছর ধইরা এইখানে আছে৷ জগতটা সাম্নে আগাইয়া যাইতাছে, আপ্নে বইসা বইসা তরোয়াল চালানি শিখ্লে কোনো লাব নাই, ডেস্কে বইয়া, কিবোর্ড দিয়াই নেক্সট যুদ্দ হইবো৷ কিছুদিন সময় কাটান এই বল্গে, রাইসুরে গুরু না মানলেও হইবো, স্রেফ কবিতা লিখেন, নাইলে গল্পো লিখেন, হোয়াটেভার, আস্তে আস্তে ধর্তে পার্বেন৷ দুনিয়াটা এই জগতে ঢুইকা গেছে, আপ্নে লেট কর্লে সেইটা আপ্নের প্রোব্লেম
মানস চৌধুরী বলেছেন:
হা হা হা আলম ভাই। এই বয়সে ব্লগে আসলাম বলে আমাকে শিশুজ্ঞান করছেন বলে দুঃখের হাসি হাসলাম। এখন তো নবুয়ত পাবার বয়স রাইসুকে বা কাউকেই আর গুরু মানার দরকার নেই। তবে আপনাদের আড়াই বছরের কিছু আগেই বোধহয় পেন্টাগন মেন্টাগনও এই জগতে ঢুকে গেছে। বিপ্লবীরাও। কিন্তু তাই বলে গোলাবারুদের কাজ বন্ধ হয়ে যায় নাই। প্রকৃতার্থে সেগুলোর উৎপাদন বেড়েছে। আমি ওটাই বলতে চেয়েছি। কিন্তু দুনিয়ার সঙ্গে আপনিও যদি এই জগতে ঢুকে যান-- আমার আপত্তি নাই।
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
লগঅফ কৈরাও আবার লগইন কর্লাম । মানস চৌ. বলতেছেন -
*/ মুস্কিল হচ্ছে কিছু কাগুজে বাঘের হালুমে জামাতী রাজনীতির মূল নেটওয়ার্কটা আড়াল হয়ে যায়। পিকেটিং খুব উত্তেজনাকর কাজ। কিন্তু ধরা যাক, এরশাদ যে পিকেটিংয়ের চোটে পড়ে যায় নাই, এটা বোঝা জরুরি। */
আমি ঠিক বুঝলাম না আপনি কি বলতে চাইলেন । প্রথমতঃ এই কাগুজে বাঘ কারা ? যারা জামাতিগো বিরুদ্ধে চিল্লাইতেছে এইখানে তারা ? নাকি যারা সুশীলতার নান্দনিক চর্চা করতেছেন যারা তারা ? এই সুশীলরাই তো গালাগালির বিরুদ্ধে কিবোর্ডে ধুলা উড়াইয়া জামাতি নেটওয়ার্কের ক্ষতবিক্ষত রাস্তায় মলম মাখে বৈলা জানি ।
তার পরের লাইনে পিকেটিং নিয়া কি বললেন সেইটা একদম বুঝি নাই । (শরৎ কৌশিক কিছু হিন্টস দিতারেন এই বিষয়ে, উনারা আপ্নের বিষয়ে অত্যন্ত বুঝদার মনে হৈতেছে) শরমিন্দা এইজন্য আমি । আমার প্রশ্ন হৈলো এরশাদ পিকেটিঙের জোরে যদি না পৈড়া থাকে তাইলে কি বুদ্ধিজীবিগো মানববন্ধনের তোড়ে হ্যায় ক্ষমতা থিকা নামছিলো ? তাইলে কি ম্যাঙ্গো পিপলরা এখন থিকা আন্দোলন সংগ্রাম বাদ্দিয়া শুকনা মুখে প্রেস কেলাবের সামনে খাড়ায়া হাতে হাত ধৈরা নাপছন্দের সরকাররে ক্ষমতা থিকা নামাইবো ?
আলম ভাই বলেছেন:
মানস ভাই, হ ঠিকই কইছেন পঞ্চভুজ ত্রিভুজ সবাই এই জগতে ঢুইকা গেছে৷ আপ্নেই ত উদাহরন দিলেন, পেকেট গু এর৷ বিশ্বাস কর্বেন কি না জানি না, তয় লুংগি উচা কইরা হাগনের দিন আর নাই৷ পেকেট গু মোর প্রোডাক্টিভ, বাড়ি বাড়ি হাইগা আপ্নে কয়জনরে তাড়াইবেন?
মানস চৌধুরী বলেছেন:
হ্যাঁ হাসিব অনেক কিছুই আপনি বোঝেন নাই। মানে আমার অক্ষমতা। আমিও শরমিন্দা। শুভকামনা জানাই ব্লগে আপনার তৎপরতাকে। কিন্তু শরৎ কিংবা কৌশিক হিন্ট না দিলেও কিছু মনে করেন না। আমি উপেক্ষাযোগ্য লোক। নেহায়েৎ ওদের সঙ্গে পরিচয় আছে মাত্র।
আলম ভাই বলেছেন:
ওনেস্টলি কইতাছি মানস ভাই, আপ্নেরে আমার ভালই লাগে৷ ড়াইষু আপ্নের বন্দু বইলা হয়তো এক্টু পক্ষপাতিত্বে পর্ছেন৷ আবারও কইতাছি বল্গে কিছুদিন সময় দেন, যেমন ডেলি ২/৩ ঘন্টা কইরা একমাস বড়জুর, তারপর শত্রু মিত্র ক্লিয়ার হইবো
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
লেখক বলেছেন: সোজা সাপ্টা মত জানতে চাইলে আমি নাই। আমার বুঝতে পারাটা আপনার মত সরাসুরি ঘটে না। ওইটা আমার পড়াশুনা জানাশোনা ও বুদ্ধিমত্তার বিষয়। এই পো্স্টের সার্বিক মর্মটা এই বিশেষ উক্তিতেই নিহিত। তবে এইক্ষেত্রে পড়াশোনা ও বুদ্ধিমত্তার বিষয়টা উহ্য আছে। লেখকের বিষয়ভিত্তিক পড়াশুনার অভাব আছে, হইতে পারে মুক্তিযুদ্ধ তার কাছে ঢিসুম ঢুসুম গোলাগুলির চেয়ে বেশী কিছু না। আর বাদ পড়ছে বুদ্ধিমত্তা যা আসলে বুদ্ধিপ্রবঞ্চনাই বলবো। আগের পোস্টে আলোচনা না চালাইয় এই পোস্ট দেয়ায় মনে হইতেছে আসলে উনি বিশেষ কাউরে (এইক্ষেত্রে ওয়ামী ভিন্ন আর কাউরে বিবেচনার সুযোগ নাই) খুশী করার চেষ্টা নিছেন। এই নাটকে মুক্তি ও সুশীল নামের দুই কুশীলবের ঠান্ডা মাথায় অংশগ্রহন কিংবা বাঙাল যুবকের 'আমিও ছিলাম কিন্তু ভাই' জাতীয় উপস্থিতিতে আরেকটু স্ফিতোদর হইছে এই ফরমায়েশী প্রতিবাদ। ফরমায়েশী প্রসঙ্গে আলোচ্য উক্তির জানাশোনা অংশটি প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে। মাঝখানে মানস কেনো নিজেকে পেতে দিলেন, এটাই শুধু অবোধ্য রয়ে গেলো
মানস চৌধুরী বলেছেন:
আলম ভাই, আমাকে যদি আপনার খারাপও লাগত তাও আপনার কথা আমি সিরিয়াসলি নিতাম। কিন্তু রাইসুকে ড়াইষু লেখা কেন? রাইসুকে অসম্মান করার জন্য? কাউকে অসম্মান করলে কীভাবে জামাতের বিরুদ্ধে আপনাদের যুদ্ধে উপকার হবে? যাহোক ভাই, ব্লগে কিছু সময় আমি আগেও কাটিয়েছি, এবং পাঠক হিসেবে। এটুকু হোমওয়ার্ক (হাসিব যেমনটা বললেন) আমার করার কথাই, আসার আগে। আপনাদের রাইসুকে জামাত-সাফাইকারী মনে হয়। আমার হয় না। আর রাইসু আমার একান্ত শত্রু। এ ব্যাপারে ওনার সঙ্গে আমার পুরান ফয়সালা হয়েই আছে। বন্ধু হবার সম্ভাবনা ক্ষীণ। রাইসু মাস্টার এবং বামপন্থী দুইটাই অপছন্দ করেন।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
প্রিয় পিয়াল, ভাল আছেন আশা করি। আমার নিজেকে পেতে দেবার অন্ততঃ তিনটা কারণ থাকতে পারে।
১। আমিও হয়তো মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক পড়ালেখা করি নাই। অথবা মুক্তিযুদ্ধকে ইতিহাস বইয়ের বাইরে বুঝতে চেয়েছি।
২। ব্লগের বিদ্যমান চর্চার (সকল পক্ষের নির্বিচার গালাগাল সমেত) মধ্যে সেন্টিমেন্টাশ্রয়ী প্রবণতার বাইরে থাকতে চেয়েছি।
৩। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি "জামাত-শিবির"এর বাইরের মানুষকেও কীরূপ ক্রোধে ভস্মীভূত করতে পারে তার নিরীক্ষা করতে চাইছি।
আমার জন্য প্রত্যেকটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমি অবোধ্য, এমনকি অবাধ্যও কখনো কখনো, কিন্তু আপনি আশা করি এতে ক্ষুণ্ন হন নাই।
একান্ত
-মানস
আলম ভাই বলেছেন:
মানস ভাই, সোজা কথায় আসি ভাষার বাগাড়ম্বর বাদ্দিয়া৷ বল্গে এবং বাইরেও, জামাত, মৌলবাদ এরা টিক্কা থাকে মধ্যপন্তি সুবিধাবাদের আশ্রয়ে৷ আপ্নে যদি এইসব মিডলমেনগো (প্রচলিত ভাষায় সুশিল) সরাইতে পারেন, জামাত পানি না খায়া মারা যাইবো৷ ড়াইষু (আদরার্থে)ভাই ঐতোহাসিকভাবে বল্গে সেই দালালির কাজটা কইরা আইতাছেন৷ এইখানে ক্রোধে কাউরে ভস্মিভুত করার চেষ্টা করা হইতাছে না৷ বল্গ ওপেন প্ল্যাটফর্ম, রিয়েল লাইফের চাইতে এইখানে দুইনম্বরি কইরা পার পাওন ওনেক কঠিন৷
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
সুশীল[=সবুজ মিয়া
এস্কিমো বলেছেন:
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৩৬ লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জেবতিক। কিন্তু ব্যান করাটা নীতিমালা মাফিক হইছে মানতে হবে।
- তাইলো তো হইলো। এখন আবার কি?
রাজাকার-পুত্রের ব্যানের পর এই ধরনের সুশীল আলোচনার জন্যে মাইনাস দিয়ে সন্মানতি করা হলো।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
আলম ভাই, অনেক পরিষ্কার। আর এই আড়াই বছর আগে জামাত যে পানি না-খায়া মারা গেল না সেইখানে কে কে মিডলমেনগিরি করলেন যদি বুঝিয়ে বলতেন প্লিজ ...
বোঘদাদি হেকিম বলেছেন:
মানস চৌদুরি কি পানি খান ভদকার বদলে যে এ সব এলিমেনটারি ব্যাফার বুজান লাগে
মানস চৌধুরী বলেছেন:
হা হা হা বোঘদাদি হেকিম। দারুণ! হ্যাঁ ভাই, পানিই খাই। আগে জল খেতাম। তারপর সেক্যুলার বন্ধুরা জল শুনে কেমন ঘোলা চোখে তাকায় বলে পানি খাওয়া শুরু করেছি। ভদকা? আপনি আমার ইনকামটা জানেন? না খেয়ে মরার বুদ্ধি দিচ্ছেন তো দেখি!
আলম ভাই বলেছেন:
এইখানে সমস্ত পুরানা বল্গ পড়ার সুবিদা আছে৷ এই বল্গেই মাসুদা ভাট্টি মৌলবাদ বিরুদি এক্টা লেখা দেওয়ায় ২ বছর আগে তারে হেনস্তা করা হইছিলো৷ এই বল্গেই উয়ালি উয়ামি ওনেক আস্ফালন কর্তো, হালে তাদের ইন্দুরের দশা বইলা পাব্লিকে বুজতে পারে না এইখানে তারা কেম্নে রাজত্ব কর্ছে৷ এগিলি কর্তে আম্গো সময় লাগ্ছে, বেশি লাগ্ছে সুশিলগো লাইগা৷ আম্গো সাথে সাথে সাদারন বল্গারগো অংশগ্রহনেই রাজাকার বিরুধি নীতিমালা সংযুজন হইছে৷ আপ্নে বছর দেড়েক আগে এই বল্গে ঘুর্তে আইলে সেইটা ভাবতেও পার্তেন না৷ রাইসুদা সহ সুশিল সাহেবরা সচরাচর ডুব দিয়া থাক্লেও রেজাকারগো গায়ে আচড় লাগ্লেই কবর থিকা উইঠা আসেন৷ যেইটা রাইসু এইবারও কর্লো৷ এল্লিগাই আপ্নেরে চোখ কান আর নাক খুইলা বল্গে ঘুরাঘুরি কর্তে কইতাছি৷ রাইসু বাস্তুবে কিরম লুক আমি জানি না, তয় এইখানে সে ভালা লুক না৷ ধান্দা করে খালি৷ আর ভেজাইল্যা কথাবার্তা লিখে৷ আরেক্টা জিনিশ মনে রাইখেন বল্গে সবাই সমবয়সি, যুদিও বাস্তুব বয়েস হিসাব কর্লে ১২ বছরি তাইজুল থিকা ৬২ বছরি কাল্লুও বল্গায়৷
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
প্রিয় মানস। জ্বি, ভালো আছি। নাহ, ক্ষুন্ন হইনি। ইনফ্যাক্ট অনেকের মাঝেই ক্ষুন্নিবৃত্তির জন্য এই ধরনের দ্বিচারিতা প্রকট। তবুও আমি ক্ষুন্ন হওয়ার কারণ পাই না। আপনার ব্যাখ্যা জানলাম, যদিও শুরুর মন্তব্যটার সঙ্গে তা মেলাতে একটু কষ্ট হয়েছে বৈকি। সুশীল বিষয়ে আমার একটা নিজস্ব উক্তি আছে : শীল মানে নাপিত, সুশীল মানে ভালো নাপিত, এত ভালো যে তার নাপতালি দেইখ্যা আমরা সখেদে বলি যে দেশে এত বড় নাপিত থাকতে দাদায় মরলো বাল লইয়া।
ব্লগে এই নর্মটা কারা পূরন করেন সেটা বুঝতে হলে ব্লগ রাজনীতিও বুঝতে হবে। এর আগে লালমিয়ার মুখে শুনেছেনই অনেকটা। সামহোয়ারে আমরা শুরু থেকেই মুখোমুখি হয়েছি একটা স্পষ্ট রাজনৈতিক মতবাদের- সেটা জামাতের। ইসলামী উর্দি চাপিয়ে তারা মওদুদী মতবাদই প্রচার করে ক্ষান্ত হয়নি, সমানে চালিয়ে গেছে তাদের নেতাদের পক্ষে সাফাই। আর সেটা করতে গিয়েই সমানে তারা সম্ভ্রমহানি করে গেছে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার এর অর্জনগুলোর। প্রতিরোধ হয়েছে সঙ্গে সঙ্গেই। এবং সেটা রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে। একটু লেখালেখি করতে আসা এই ব্লগে, সেই লেখার বিষয়টাই পাল্টে দিয়েছে তারা। আর সেই পাল্টানোটা আমরা পাল্টেছি নিজের তাগিদেই। যেই সেন্টিমেন্টটা আপনি বা রাইসু অস্বীকার করেন সেটার তাগিদেই। সহজ এক সেন্টিমেন্টরে ভাই, ৭১ ছাড়া আমাদের গর্ব করার মতো কিছুই নেই। এই দলে আমার মতো মুক্তিযুদ্ধের আচ পাওয়ারা আছেন, শহীদের স্বজনরা আছেন, আছেন স্বাধীন বাংলাদেশে নব্য রাজাকারদের অস্তিত্বের লড়াইয়ে জড়িয়ে পরারাও। এখানে শিবিরের গুলির দাগ শরীর বয়ে নিয়ে বেড়ানো ব্লগারও আছেন, গোলাম আযমকে হত্যা পরিকল্পনায় ব্যর্থ হয়ে নিহত বন্ধুর লাশ নিয়ে ফেরারি হওয়া ব্লগারও আছেন। সেন্টিমেন্ট একটাই, এখানে এসব চলবে না। আমরা যা দেখেছি যার শিকার, তার পক্ষে সাফাই চলবে না। ভার্চুয়াল লড়াইটা চলে নানা কৌশলৈ, থাকলে নিজেও শিখে যাবেন। তো সুশীল পক্ষ হচ্ছে তারাই যারা এই লড়াইয়ে জামাতিদের সুবিধা দেয়ার জন্য তৎপর থাকে। আপনার স্নেহভাজন মা.মো তাদেরই একজন। উনি প্রাযই আমাদের মতো ব্লগারদের ভার্চুয়াল গুন্ডা সম্বোধন করেন, মাঝে মাঝে আমাদের সিভিও দেখতে চান। সেটা দেখার যোগ্যতা তার নেই বলেই মানি, কারণ বখে যাওয়া বামদের কে পোছে?
গালিগালাজ তখনই হয়, যখন যুক্তি দিয়ে বোঝানোর পথ বন্ধ হয়। আর ওয়ামীর মতো চিহ্নিত স্বাধীনতাবিরোধীর ছেলের ধৃষ্টতামূলক কাজের পক্ষে সাফাই গাইতে এলে ভার্চুয়াল গণধোলাই তো চলবেই। অতিথি হিসেবে আপনাকে হেনস্থা হতে হলো এ জন্য লজ্জা পেলাম।
অনেক বকলাম মনে হচ্ছে, ধন্যবাদ আপনাকে।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
থ্যাংকু আলম ভাই। বয়স নিয়ে কথাটা খামকা বললেন। আমি কেবল বললাম আমি ব্লগ নিয়ে নাদান নই। এটুকুই। আপনারা ব্লগকে রাজাকারমুক্ত করাতে অভিনন্দন জানাই। তবে কিনা ব্লগের বাইরের দুনিয়াটা ... আপনি তো আবার রাইগা যাবেন। কী আর করা! বিষয় হলো আপনাদের এই ব্লগের প্রায় ১০ বছর আগে বাংলাদেশের সম্ভবত পয়লা পার্টি হিসেবে দক্ষ এবং ইন্টারয্যাক্টিভ ওয়েবসাইট খুলেছিল জামাত। আমার কাজ বাড়ল আর কি! নানান জায়গায় ঘুরে জামাতের কাজ বুঝতে হবে। আর রাইসুকে জিজ্ঞেস করলেও চলে! মিডলম্যান যখন, আমাকে জামাত বিষয়ে ভিতরকার খবর ওর কাছ থেকে বের করার চেষ্টা করি বরং।
ভার্চুয়াল বলেছেন:
আহারে মানস ভাইয়া। মনে করছিলেন একটু ঢুঁ মাইরা যাই, বন্ধুরে/প্রীতিভাজনরে সাপুট দিই। এখন তো সবার উত্তর দিতে দিতে আপনার তো দেহি কাহিল অবস্থা।
কাইলকা আপ্নের ক্লাস নাই? ঘুমাইবেন না?
আলম ভাই বলেছেন:
জামাত আগে আগে অয়েবসাইট বানাইছে কথা সত্য৷ সেরম এই বল্গটা ২০০৫ এ খুলার পর পরই হেরা দখল লয়া লাইছিলো৷ জামাত কিন্তুক পার্টি হিসাবেও পুরানা, অথচ ভুট নাকি এখন ৪-৫% (সুত্র নাজিম কাম্রান)৷ বল্গেও সেইটা হইছে, আগে আগে শুরু কর্ছে ঠিকই, হেগো পেট্রোডলারের টেকাও ঢালছে, ওস্টেলিয়া নিবাসি ঢাবির এগ্জন প্রাক্তন শিক্ষকও বৌ পোলাপান লইয়া এইখানে আছে, কিন্তুক শেষমেশ কাম হইলো না৷ বর্তমানে বেবসা গুটানি চলতাছে৷ উন্নত দেশের মতন বাংলাদেশেও বল্গ অতি শিঘ্রই মেইনস্ট্রিম মিডিয়ারে প্রভাবিত কর্তে শুরু করব৷ আর মেইনস্ট্রিম মিডিয়া প্রভাবিত করবো বল্গের বাইরের মানুষরে৷ হয়তো আপ্নের ওবিশ্বাস হইতাছে, ২/৩ বচ্ছর ওয়েট কইরা দেখেন৷ আগ্রহি হইলে আসেন এগ্দিন আলুচনা করি, জামাত নিধনের উপায়গুলা নিয়া৷
মানস চৌধুরী বলেছেন:
পিয়াল, ধন্যবাদ। যেহেতু আমি এখন ৫দিনের ব্লগার, আর অতিথি নাই। ফলে আমার হেনস্থা হওয়া নিয়ে আপনার খারাপ লাগার দরকার নেই। তাছাড়া কথা বলতে গিয়ে গালাগাল শোনার অভিজ্ঞতা ভোকাল হিসেবে আছে আমার। তফাৎ এই যে ব্লগের বাইরে সেটা আড়ালে ঘটে; ব্লগে সেটা আড়ালে ঘটে না, নিকের আড়ালে ঘটে। ক্ষুন্নিবৃত্তি জনিত দ্বিচারণ নিয়ে আপনার কটাক্ষটা ওখানেই থাক। পেশাগত নিরাপত্তা কিংবা গুষ্টির সম্পদগত নিরাপত্তা কার কী আছে আসলে আমরা কেউই জানি না। কিন্তু আশা করি মানবেন যে এই কথাটা যে এখানে অপ্রাসঙ্গিক সেটা আপনি লেখার আগেও জানতেন। যেমন আমার এখানকার পজিশন যে আমাকে টাকা এনে দেয়নি - জানতেন তো!? এই অহেতু কথা লিখে অন্যের অপদস্থকরণ প্রবণতাটা আমার আগ্রহের জায়গা। এমনকি সেটা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি করলেও। আমি জাত হিন্দু এবং গরিব হিন্দু। ফলে মুক্তিযুদ্ধের আঁচ নিতে সামহোয়্যার পর্যন্ত আসতে হয়নি।
এখন ধরুন আমি শীল সম্প্রদায়ের (ঘটনাচক্রে আমি নই)। তো আপনাদের এই নামপ্রদানের বালরহস্য উদ্ঘাটন করে আমি যদি বলতাম এটা ডেরোগেটিভ/অবমাননাকর নিশ্চয়ই আমাকেও ওয়ামীপক্ষীয় ভাবতেন। অথবা আপনি চক্ষুলজ্জার খাতিরে না ভাবলেও ব্লগের "মুক্তিযুদ্ধ-স্বপক্ষীয়"রা ভাবতেন। এবং মাশাল্লাহ গালাগাল তো এখানে সাধারণ উপহার (নিকের অধীনে মেইনলি)।
এই প্রবণতা নিয়ে আপনারা ভাবলেই মঙ্গল। ব্লগের তো বটেই, দেশেরও। 'মুক্তিযুদ্ধের চেতনা' এত রেটরিক হয়ে গেলে মুস্কিল। কিছু চর্চার জায়গা থাকা দরকার। ক্রিটিক্যাল জাজমেন্ট আর সেন্টিমেন্ট রাজনীতির জন্য কোনটা বেশি জরুরি সেটা আপনি দীর্ঘকালের অভিজ্ঞতা থেকে জানেন। আমার ধারণা আপনারা রাইসু বা মাহবুবকে (বা অন্য কাউকে) 'দালাল' বা 'সুশীল' এর থেকে গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে পারলে আখেরে সেটা কাজে আসত।
এটা একেবারেই আমার পজিশন মানবেন প্লিজ। ফলে অপজিশন থাকতেই পারে আপনার। তবে সেটাকে আমার ক্ষুন্নিবৃত্তির সঙ্গে না মেলালেও সেটা আমি বুঝতে পারব বলে আমার ধারণা।
নেমেসিস বলেছেন:
কোন টেস্ট ম্যাচ চলতেসে এখানে ?
মানস চৌধুরী বলেছেন:
আলম ভাই, আপনার জামাত-নিধন জিয়াফৎ পেয়ে আপনার ব্লগে ঢুকলাম। আমার ঈমান শক্ত। সামনে পেলে জামাত আপনি পিটিয়ে তক্তা বানাতে পারবেন সেই ব্যাপারে আমার কোনো সন্দেহ নাই। কিন্তু আপনার সাহিত্যপাঠ করে মৈত্রী অনুভব করি না। মাফ করবেন আমাকে। আপনি বরং আমার গৃহে আসেন একদিন। জামাত এবং অজামাত দুই বিষয়েই আলাপ করা যাবে। ভার্চুয়াল, ব্লগের স্বাধীনতা তো আপনারা জানেনই। না লিখতে চাইলে তো আর ঠেঙিয়ে লেখাতে পারবেন না। কাল ক্লাস নাই। থাকলেও আমি খুব কম ঘুমাই। ধন্যবাদ।
বোঘদাদি হেকিম বলেছেন:
বালের আবার ছাল। যাও বাচ্চা শো রাহো
আলম ভাই বলেছেন:
খ্যালা শেষ পর্যায়ে, লাস্ট উইকেট চলতাছে৷ কে জানি কইলো ড়াইষু নাকি দর্শকের সারিত গেছে গা
সাধক শঙ্কু বলেছেন:
কেউ যেইটা খেয়াল করে নাই সেইটা হইলো রাইসুর হিট কাউন্ট বাইড়া আসমানে উঠছে। রাইসু আসলেই গ্রেট।মানস চৌধুরীরে ব্লগে স্বাগতম। ভাও বুঝেন। বুইঝা কি করবেন আপনার ব্যাপার। আমি তো নিরিহ গাঞ্জাখোর। আমি আর কি কমু। রাসেল, লালু , হাসিব, পিয়াল ভাইরা কইছে।
জামাত একটা ফ্যাসিস্ট দল। আম্লীগবিএম্পিও ফ্যাসিস্ট। কিন্তু জামাতের কাম মানুষ জবাই। এইটা তারা আগেও করছে এখনো করতাছে। তাদের মার্ডার আম্লীগবিএম্পির চান্দাভাগাভাগির মার্ডার না সেগুলা টার্গেটেড মার্ডার। তারা হারাম ছিল। বন্দুক দিয়া সংবিধান বদলাইয়া তাগো হালাল করা হইছে। যতটুক চড় থাপ্পড় তারা খাইছে সবই পাবলিকের হাতে। এই ধাপকিটুকই স্বাধীনতার ৩৭ বছর পরে জামাতের বিরুদ্ধে পুঁজি। পাবলিক ফোরামে তাগো আসোরে বসোরে কইরা জাগা বানাইয়া দেওনের পিছে কোন ক্রিটিক্যাল জাজমেন্ট আছে আমি জানিনা।
ভালো থাকেন।
ভবদীয়
সাধক শঙ্কু
এস্কিমো বলেছেন:
সুশীল মানে ভাল নাপিত। বড়ই প্রয়োজনীয় পেশা। টরন্টোতে ঘন্টায় ৫০-৭০ ডলার আয় হতে পারে।
বোঘদাদি হেকিম বলেছেন:
শালার ব্লগ ভরিয়া গেলো হরিদাস পালে আর হরিদাস পালগো দালালে।
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
৫. প্রিন্টেড সাহিত্যে ছদ্মনাম নেয়া চলে । ব্লগেও ছদ্মনিক চলে । প্রিন্টেড সাহিত্যে ছদ্মনিক একটাই থাকে সাধারনত । কিন্তু ব্লগে সেইটা থাকে না । শতের ওপরেও নিক থাকা এখানে সম্ভব । এবং সেইটা নীতির লড়াই চালানোর জন্যই । যেকোন একটা নিকের পোস্ট দেখে মৈত্রির সন্ধান মিসলিডিং ।
(উদাহরন - বোঘদাদি হেকিম, আলম ভাই)
সমালোচনাকারী বলেছেন:
টেস্ট ম্যাচ চলতাচে!!!
আলম ভাই বলেছেন:
মানস ভাই, যুদিও কইতাছেন উনি প্রস্তুতি লইয়াই আইছেন, তবুও নতুন লুক হিসাবে উনার লিখা আর মন্তব্যগুলা পইড়া দেখুম৷ উনি আসলেই যা কইতাছেন পুরাটা বুইজা কইতাছেন না কি বল্গিয় আবহ না বুঝায় যে কোন এগ্দিক ধইরা বসছেন
বোঘদাদি হেকিম বলেছেন:
আলম সাহেব আপনে বড় ভালা এঝ আপনার মাইনদ ওপেনআমার তো মনে হয় এ মানস চৌধুরি হরিদাস পাল।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
আলম ভাই, নামলেন তো পাক্কা ১৯ জনের (বেশি নাকি?) দল নিয়ে। এরই মধ্যে লাস্ট উইকেট?! সাধক শঙ্কু, থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু। জামাতের বিরুদ্ধে পুঁজিটা নিয়ে আমি সন্দেহ করি না। তবে ৭৫-এর বেনেফিশিয়ারিদের না চিনে কাজটা কঠিন হবে। আচ্ছা আপনার কি মনে হয়ে যে "সাধারণ ক্ষমা"টা হঠাৎ খামখেয়ালি। নাকি আওয়ামী লীগের মধ্যে ঘাপটি মারা নেগোশিয়েটর ছিল (অবশ্যই রাইসু এটা করে নাই, আমার বিশ্বাস)?! এখন এরা স্যুট-টাই কর্পোরেট হয়ে গেল। আপনার সামনে পড়ে গেল টুপি-পড়া একদল। যদি ভালমত যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হয় তাহলে ওই স্যুট-টাই মেটামরফসিসওয়ালাদের চেনাটা দরকার। ...বাংলাদেশে জামাত প্রপঞ্চ বুঝতে চাইলে ৭০দশকের আম্রিকান লবি দিয়ে বুঝতে হবে। রাজি থাকলে আছি। নাহলে সামহোয়্যারের গালাগাল গলায় মেখে নেব। :-( ... ভাও বুঝতে বলার জন্য ধন্যবাদ।
এস্কিমো, জামাতী কিংবা জামাতবিরোধী যেকোনো ধরনের ধাওয়া খেয়ে আমি টরন্টোতে যেতে ইচ্ছুক আছি। আপনারা ব্যবস্থা করলে রাইসু এবং মাহবুবকেও রাজি করাতে চেষ্টা করতে পারি।
ইয়র্কার বলেছেন:
মানস স্যার কোন বিষয় পড়ান?বাংলাদেশের ইতিহাস পড়াইতে গেলে বিপদে পড়বেন। পুলাপাইন কিন্তু শিবিরের গন্ধ কেমনে কেমনে পাইয়া যায়।
মিরাজ বলেছেন:
মানস চৌধুরী, আপনার চিন্তাভাবনার ধরণটা পছন্দ হলো । আপনার সর্বশেষ মন্তব্যের
"'মুক্তিযুদ্ধের চেতনা' এত রেটরিক হয়ে গেলে মুস্কিল। কিছু চর্চার জায়গা থাকা দরকার। ক্রিটিক্যাল জাজমেন্ট আর সেন্টিমেন্ট রাজনীতির জন্য কোনটা বেশি জরুরি সেটা আপনি দীর্ঘকালের অভিজ্ঞতা থেকে জানেন। আমার ধারণা আপনারা রাইসু বা মাহবুবকে (বা অন্য কাউকে) 'দালাল' বা 'সুশীল' এর থেকে গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে পারলে আখেরে সেটা কাজে আসত।"
এই অংশটি ব্লগের একটা প্রধান সমস্যা । আপনি একটি নির্দিষ্ট ধাচের মধ্যে চিন্তা না করলে আপনার চিন্তাকে স্বাধীনতার পক্ষ শক্তির চিন্তা হিসাবে মানতে রাজী নন অনেক ব্লগার । আপনার চিন্তাভাবনার স্বকীয়তা বিসর্জন দিতে পারলে এবং একটি ছাচের মধ্যে চিন্তাভাবনাকে রাখলে দেখবেন আপনি নিকের আড়াল বা প্রকাশ্যে আছেন অনেকের কাছেই অনেক বেশী আদরণীয় হবেন ।
কিন্তু প্রো-ফর্মা অনুযায়ীতো স্বাধীন চিন্তা চলেনা... এই সহজ সত্যটি জ্ঞানে বা অজ্ঞানে অনেকে অস্বীকার করেন । আর সে কারণেই সংঘাত সৃষ্টি হয় । প্রকৃত প্রস্তাবে এর সাথে স্বাধীনতার চেতনা বা পক্ষ শক্তির সম্পর্ক খুবই সামান্য । আর সে কারণেই মাহবুব মোর্শেদকে নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, আমি খুব সামান্য একজন ব্লগার হলেও আমাকে নিয়েও ওঠে । এখন আপনাকে নিয়ে উঠছে ।
যাহোক ব্লগে আপনার উপস্থিতি ভাল লাগলো । আশা করি থাকবেন ।
ধন্যবাদ ।
সমালোচনাকারী বলেছেন:
দেশের কিরটিকাল সিচুয়েশনে এইরম শুশীলই দরকার!!
ডোরাকাটা বলেছেন:
লজ্জা শরম কম হওয়াটা প্রতিষ্ঠিত দালাল হওয়ার এক নম্বর পূর্বশর্ত। কি বলেন রাইসু সাহেব, ঠিক বলি নাই?
মানস চৌধুরী বলেছেন:
হাসিব আপনি দেখি বেসিক তালিম দেয়া শুরু করলেন। ছদ্মনিক মানা করার আমি কে? কিন্তু ছদ্মনিকের মালিকের সঙ্গে রাজনৈতিক আঁতাত করব -- তাও মুরগি নিধন না জামাত নিধন -- বুঝেশুনে করব না? আশ্চর্য!
ডোরাকাটা বলেছেন:
মাইনাস মারতে ভুলে গেসিলাম।
ইয়র্কার বলেছেন:
মিরাজকে জানতে হলে এই পোষ্ট পড়তে হবে।জামাত-শিবিরের মতাদর্শধারী আর যুদ্ধাপরাধী কিন্ত এক জিনিস নয়। - আল-মিরাজ
এস্কিমো বলেছেন:
নেমেসিস বলেছেন: ভালো সুশীলদেরই কেন যেন নিজেদের চুল দাড়িগুলা বড় বড় থাকে?
- কারন ওরা উচ্চমূল্যে অন্যের সেবায় ব্যস্ত থাকে বিধায় নিজের সেবা করিতে পারে না।
সাধক শঙ্কু বলেছেন:
আবার সাধারণ ক্ষমার কাহিনি। প্রসঙ্গ ছিল এই প্লাটফর্মে তাগো সহাবস্থান মানি না মানি না। আমি মানি নার দলে। সেই দলে থাকার শাস্তি ভোগ করতাছি গত আট মাস ধইরা। তারপরেও মাঝে মধ্যে উকি মারি। কিসের টানে আসি জানি না। প্রথম পাতায় ব্যান মানে আমি এইখানে অবাঞ্ছিত। তারপরেও আইসা মনে হয় আমি আরেক্টা লাত্থি মারলে হয়তো কাজে দিবো।জামাত বিষয়ে তত্ত্বালোচনা অন্য পোস্টে হবে স্যার। এইখানে ইস্যু আলাদা। কথা সোজা সহজ।
ভার্চুয়াল বলেছেন:
মানস ভাইয়া আশাও করেন নাই এত্তো এত্তো টাইপ করতে হবে। তাই না? রাইসু বোধহয় এটা বলে দেয়নি।
অমিত বলেছেন:
।মানস চৌধুরী বলেছেন: অমিত, আপনি কি ব্লগ থেকে জামাত খেদানো বলছেন নাকি সংসদ থেকে? আমি জামাতের রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক সকল প্রকার নিষিদ্ধকরণের পক্ষে।মিরাজ, উপরের বক্তব্যের শেষ লাইনটার সংগে কি আপনি সহমত পোষণ করেন ?
মিরাজ বলেছেন:
আরে ইয়র্কার এত সস্তা মিথ্যায় লেখা পোষ্ট তাও আবার মাঝ খান থেকে একলাইন তুলে দেয়া পোষ্ট দিয়ে মিরাজকে চেনানোর চেষ্টা করছেন!! করেন, অসুবিধা নাই । মিরাজকে চেনাতে পারলে জানাইয়েন । আপনার সফলতা কামনা করি । আর এই পোষ্টটাও একটু সময় করে পইরে আইসেন । এটা আপনার এই নিক নেয়ার আগের ঘটনা কিনা!!
একটি প্রোপাগান্ডা, বিকৃতি এবং আমার কিছু কথা
ইয়র্কার বলেছেন:
অমিতের প্রশ্নে বিপ্লব। মিরাজের উত্তর আশা কর্ছি।
যদিও আগের ব্লগেই ব্যাপারটা ক্লীয়ার হওয়ার কথা ছিল। শুধু পানি ঘোলা করার চেষ্টা !!
ডোরাকাটা বলেছেন:
@ড়াষূ, হঠাত দেখলাম জেলখানা থেকে মুক্ত। এনিওয়ে,পরে কথা হবেনে। লগ আউট করতেসি।
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
আমি তো ভাই কৈ নাই আপনি নিক নিয়া বিলা কর্তেছেন । আপনে আলম ভাইয়ের ব্লগে উকি মাইরা দেইখা তার সাথে মৈত্রি করবেন না বৈলা সিদ্ধান্তে আসলেন । এসো নিজে করি - ৫এ আমি এই পদ্ধতিটারে মিসলিডিং কৈছি ।
আর ছদ্মনিকে কেউ থাকলেও অল্প একটু কেপি টেস্ট করেই বোঝা যায় কে কার কেমনে কি । এই যে দেখেন ইয়র্কার, সমালোচনাকারি, ডোরাকাটা কাউরেই আমি চিনি না । কিন্তু তাগো নিয়া আমার বিন্দুমাত্র সন্দেহ হয় না । তাগো আমি আমার রাস্তার কমরেডই ভাবি । রাজনৈতিক আঁতাত কর্তে গেলে এই একই রাস্তার কমরেড হওয়ার বেশী কিছু থাকার দরকার নাই ।
আবার অন্য দিকে এই সুশীল মিরাজরে আমি শুরু থিকাই সন্দেহ করি । সে তার সত্যি পরিচয় দিয়ে ব্লগাইলেও সেই সন্দেহ যায় না আমার ।
ইয়র্কার বলেছেন:
মিরাজ,আপনে সংস্থাপকের ওখানে গিয়ে নিজেকে ডিফেন্ড করতে পারেন নাই। প্রোপাগান্ডা বলে উড়িয়ে দিতে চেয়েছেন। ধান্দাবাজি ছাড়েন। অমিতের প্রশ্নের উত্তর দেন, ফায়সালা এখনই হইয়া যাইবো।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
ইয়র্কার, আপনার মনে হঠাৎ ভক্তিরস দেখে মন আর্দ্র হয়ে গেল। এখনো দেশে আই মীন ব্লগে তাহলে "সম্মান" টম্মান চলে! শিবিরের গন্ধ না-পেয়ে থাকলে আপনি দিয়ে দিতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে বিশেষ কাজে দেবে না। আওয়ামী পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। বিএনপি দুয়েকটা কলেজে শিবির পেটালেও এটাতে ওদের দ্বিধা কাজ করে। আর আওয়ামী এলে আপনার শিবিরগন্ধের ঝামেলাও নেই। শুধু মনে করিয়ে দিলেই হবে যে ১৯৯৮-এর ধর্ষণ (ছাত্রলীগ নেতা কর্তৃক) বিরোধী আন্দোলন ... ব্যস, কাজ হয়ে যাবে। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে মনে করিযে দিতে হবে অন্যকিছু -- শিবির দিয়ে হবে না। ১৯৯১ সালে ওদের ক্যাম্পাস নির্বাচনী ইতিহাস। সবচেয়ে সহজ হলো খোদ শিবির দিযে ... ওরা আরও বেশি উৎসাহী আমার ব্যাপারে ... :-) ১৯৮৯ থেকেই একটানা। এর বাইরে রাস্তা হলো সামরিক, থুড়ি তত্ত্বাবধায়ক, সরকার ... হুমম সেটার উপায় আরও সোজা .. কিন্তু এই অস্ত্রটা প্রকাশ্যে আপনার হাতে তুলে না দিই। ডর লাগে। শুভেচ্ছা।
হট্টগোল বলেছেন:
মিরাজ উত্তর দিতাচে না ক্যা ?
মানস চৌধুরী বলেছেন: অমিত, আপনি কি ব্লগ থেকে জামাত খেদানো বলছেন নাকি সংসদ থেকে? আমি জামাতের রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক সকল প্রকার নিষিদ্ধকরণের পক্ষ
মিরাজ কি কয় জানবার চাই।
মিরাজ বলেছেন:
সংস্থাপক অত কাচা কাজ করেন নাই । আমাকে ব্লক করে তারপরই পোষ্ট দিয়েছেন । এইগুলা পুরান আলাপ । আবার শুরু করার ইচ্ছা নাই । আর যেকোন প্রোপাগান্ডার জবাব নিজের ব্লগে দিতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি । ব্লগের অবস্থা সম্পর্কে কিন্চিৎ ধারণা আছে কিনা । আপনার সাথে আর এই বিষয়ে আলাপ করতে চাইনা ।
ইয়র্কার বলেছেন:
হ্যা মানস স্যার, কোন বিষয় পড়ান সেটাতো বললেন না। ইতিহাস পড়ান নাকি?
মানস চৌধুরী বলেছেন:
হাসিব, আপনার কমরেড নির্বাচন পদ্ধতি আর আমারটা আলাদা হতে পারে এটা মানেন তো। আলম ভাই আমাকে দাওয়াত দিয়েছেন, ঐ নিকের অন্য দেহ তো আমি দেখি নাই। আমি আলম ভাই নিকের উৎপাদন/কন্টেন্ট দেখে তার দাওয়াৎ প্রত্যাখ্যান করেছি। মৈত্রী বোধ করি নাই। এতে আপনার সমস্যা কী?
ভার্চুয়াল বলেছেন:
এবার মিরাজ ভাইয়াকে নিয়ে পড়ল দেখি। ভালোই - মানস ভাইয়ার সুবিধে হচ্ছে।
ব্লগ/ব্লগার চিনবেন উনি।
ইয়র্কার বলেছেন:
হ্যা, মানস স্যারের সম্মানে আসুন একজন জামাতি বুদ্ধিজীবী মিরাজ স্যারকে চিনি।
ইয়র্কার বলেছেন:
অমিত বলেছেন: ।মানস চৌধুরী বলেছেন: অমিত, আপনি কি ব্লগ থেকে জামাত খেদানো বলছেন নাকি সংসদ থেকে? আমি জামাতের রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক সকল প্রকার নিষিদ্ধকরণের পক্ষে।মিরাজ, উপরের বক্তব্যের শেষ লাইনটার সংগে কি আপনি সহমত পোষণ করেন ?
অমিত বলেছেন:
মানস চৌধুরী, আপনেরে আরেকটা কথা কই। ব্লগে রাজনৈতিক প্রপাগান্ডা কিন্তু জামাত বাদে আর কেউ চালায় না (এহহামিদাও চালায়, কিন্তু একজন উদাহরণ হৈতে পারেনা)। জামাত বিরোধী কিছু কৈতে গেলে সেটারে লীগের ট্যাগ দ্যায় খোদ জামাতের লোকজন আর কিছু হোগা ভাড়া দেয়া সুশীল।এই ভুলটা কৈরেন না।
ভালোবাসি বাংলাদেশ বলেছেন:
মানস চৌধুরী বলেছেন: অমিত, আপনি কি ব্লগ থেকে জামাত খেদানো বলছেন নাকি সংসদ থেকে? আমি জামাতের রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক সকল প্রকার নিষিদ্ধকরণের পক্ষমিরাজ কি কয় জানবার চাই।
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
মা.চৌ.
কমরেড নির্বাচন পদ্ধতি আমার মতো হৈতে হবে এই দাবি আমি কোথাও করি না । এই যেমন, ওয়ালিরে আমি আমার রাস্তায় হেদায়েত হৈতে বলি না । কৈ, যা ভাগ এখান থিকা ।
যার যার দর্শন তার তার কাছে । সেই অনুযায়ী সে ঝাজা ভোগ করবে ।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
ইয়র্কার আমি পাকাপাকি নৃবিজ্ঞান পড়াই তবে অ-পাকাপাকি আরো কিছু বিভাগে পড়ানো হয়েছে। ধন্যবাদ আপনার কৌতূহলের জন্য। [স্বগতোক্তিঃ এই প্রশ্নের উত্তর দেয়াতে আমার হোগা কি বিপদমুক্ত হলো কিনা বুঝতে পারছি না।]
অমিত বলেছেন:
মানস চৌধুরী, মিত্র বাছাই করতে টাইম ন্যান, সমস্যা নাই। আলম সাহেব নিকটা কততম নিক সেটা একটু যাচাই বাছাই করে নিয়েন আর হেকিম তো ১৫০+ হবে।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
অমিত আমি জানি। থ্যাঙ্কু! কিন্তু আপনাদের হোগাসর্বস্ব আলাপ টায়ারিং। বিশ্বাস করেন। যাহোক আপনি আমার উপকার করলেন, ফলে আবারো ধন্যবাদ।
হট্টগোল বলেছেন:
মিরাজের পিছলামো একটু টের পাইচে মনে লয় মানসে।
জাউরা পুলাপানেরা কয় হেয় নাকি ... পিচলামি দলের সমর্তক। কি কয় কিচু বুঝি না।
ভালোবাসি বাংলাদেশ বলেছেন:
বুঝতাছি না, মানস মিয়া লুইচ্চা রাইসুর উকিলাতি কইরা কেন পুমা খাইতাছে!
হট্টগোল বলেছেন:
কিন্তু আমি তো জানি এটিম মানে হইল একটি টিম যারা জামাত পোন্দায়।
মিরাজে অহনও উত্তর দিচে না।
যাইগা আইজকা।
মিরাজ বলেছেন:
বাহ! বেশ ভালো । আপনাদের এই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার পদ্ধতিটা আমি খুব উপভোগ করি । নিজেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় । অনেকে উত্তর শোনার আশা করতেছেন আর মনে হচ্ছে আমার উত্তর পেলে অনেক কিছুর সমাধান হয় । আমার ব্যাপারে আপনাদের সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয় । আপনাদের এইরকম অনেক প্রশ্নের আগেও উত্তর দিয়েছি... বুঝতে পারি ভবিষ্যতেও দিতে হবে । আপনারাই আবার এই ব্লগের প্রশ্ন করার মালিক কিনা!!!মানস চৌধুরী তার মত করে মত প্রকাশ করেছেন । আমারটা তার চেয়ে কিছুটা ভিন্ন হতে পারে, নাকি সেইটা হতে পারবেনা? চাইলে সেইটাও বলে দিতে পারেন।
আমি ব্যক্তিগতভাবে সকল প্রকার ধর্ম-নির্ভর রাজনীতির বিপক্ষে ।
তবে সেই অবস্থান কাজের মাধ্যমে বোঝানোতে বিশ্বাস করি, ব্যক্তি জীবনে এবং ভার্চূয়াল জীবনে দুই জায়গাতেই । ভার্চূয়াল দুনিয়ায় কি-বোর্ডে ঝড় তুলে বা গালাগালির তুবড়ি ছোটানোর চেয়ে সেটাকেই অধিক গ্রহণযোগ্য পন্থা বলেই মনে করি ।
এস্কিমো বলেছেন:
সমালোচনাকারী বলেছেন: ব্লগের ৪ শুশীল১।ড়াইসু
২।মামো
৩।মেরাজ
৪।মাচো
কথা ছিলো শেষ উইকেট, এখন দেখি আরেক সুশীল প্যাড পইড়া নামলো!
বাফড়া বলেছেন:
রাইসু মামু চালু মাল। আলাপ উঠায়া দিয়া ভাগছে বোমশংকরে টান দিতে। কে জানে ক্যদিন পরে আরেকটারে ব্যান করলে ভাইসা উঠব।ইঝি-পিঝি পাবলিক আমি। গূঢ় তত্বালোচনা বেশী বুঝিনা। সোজা কথা হইল গালি দিছে ব্যান খাইচে। এখন তত্বালোচনা চলতে থাকুক। এই আলোচনা আমিও পছন্দ করি' কিন্তু প্রবলেম হয় যখন তত্ব করতে করতে প্রয়োগের ব্যাপারটাই দূরে সরে যায়।
যাউগ্গা অহন আমি একটা পুরান কিন্তু সরেস মাল ছাড়ি- ''দূর্জন বিদ্বান হইলেও পরিতাজ্য''। অহন ডিসাইড কইরা লন কোথায় কোন দুর্জনের উপর এইটা প্রয়ুগ কইরা পরিত্যাগ কইরা দূরে সইরা যাইবেন
ইয়র্কার বলেছেন:
মানস স্যার, ধন্যবাদ। দেখেন, আপনেরে খাছ দিলে একখান কথা কই। ব্লগে আসছেন, কয়েকদিন চরে টরে ভাও বুঝেন। জুতা খাওয়া রাজাকারের পুলার দালাল রাইসু আপনেরে যে বিপদে ফেলে ভাগছে, তা এতক্ষণে বুঝতে পারছেন বোধ হয়।আপনি কদ্দূর জ্ঞানী মানুষ, কদ্দূর বুদ্ধি খাটো - এইটা সম্পর্কে পূর্বধারণা নিয়া ব্লগিং করতে আইলে বিপদ। নিজেকে এইখানে উন্মুক্ত কইরা দেন। মানির মান পাবলিক বুঝবো। শুধু একটা কামই কইরেন না, এমুন কুনু স্টেপ নিয়েন না, যাতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জামাত উপকৃত হয়। বুদ্ধির প্যাচ চর্চার প্রচুর জায়গা আছে, পাবলিক কিন্তু সোজাসাপটা জিনিস বেশি বুঝে।
যাউকগা, এগুলা আপনেরে জ্ঞান দিতাছি না, অনুরোধ করতাছি। মানা না মানা, আপনের ইচ্ছা।
ভার্চুয়াল বলেছেন:
মানস ভাইয়া কি অফ গেলেন।
ইয়র্কার কিন্তু খারাপ কিছু কয় নাই।
রাইসু আসলেই আপনেরে বিপদে ফালাইল দেখি।
অমিত বলেছেন:
মিরাজ সাহেব, খুব সহজ একটা প্রশ্ন ছিল।সেটার উত্তর একটা শব্দেই দেয়া সম্ভব। মানস চৌধুরীর উত্তর দিতে ১৬ মিনিটের বেশি লাগে নাই, তার মাঝখানে তাকে আরও কয়েকজনের উত্তর দিতে হয়েছে।আপনি এত ভেটেরান ব্লগার হয়ে এই সামান্য জিনিসটা পারছেন না?\
আমি আপনাকে রাজনীতির মত বা পথ নিয়া জানতে চাই নাই। আমি আপনাকে জামাতে ইসলামি দলটা সম্পর্কে প্রশ্ন করেছি।
ধরেন ইংল্যান্ড খেলে পাওয়ার ফুটবল আর ব্রাজিল খেলে শৈল্পিক।এখন আমি জানতে চাইলাম আপনে কি ইংল্যান্ডকে সাপোর্ট করেন নাকি, আর আপনে কৈলেন পাওয়ার ফুটবল খেলা খারাপ। কেম্নে কি ?
আপনি যদি জামাতের প্রতি সহমর্মী হয়ে থাকেন, সেটাই বলুন । নাকি লজ্জা লাগে ?
ইয়র্কার বলেছেন:
মিরাজ যা ভেবেছিলাম সরাসরি কোনো উত্তর দিবে না। জামাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ ধর্ম রাজনীতি না, প্রধান অভিযোগ স্বাধীনতার বিরোধিতা করার।সহজ প্রশ্নে এইরম ঘুরানো প্যাচানো উত্তর একমাত্র জামাত ও জামাতের দালালেরা দেয়, আর কারো পক্ষে সম্ভব না।
এস্কিমো বলেছেন:
মিরাজ বলছেন:
আমি ব্যক্তিগতভাবে সকল প্রকার ধর্ম-নির্ভর রাজনীতির বিপক্ষে ।
তবে সেই অবস্থান কাজের মাধ্যমে বোঝানোতে বিশ্বাস করি, ব্যক্তি জীবনে এবং ভার্চূয়াল জীবনে দুই জায়গাতেই ।
- ব্যক্তিগত জীবনে কে কি করে সেটা বলা কঠিন। তবে ভার্চুয়াল জীবনে - বিশেষ করে ব্লগে কিন্তু আপনার সেই অবস্থানটা কেমন জানি ঘোলাটে। তবে রাজাকারপন্থী ব্লগাররা ঠিকই আপনেরে চিনছে। ওরা আপনার পোস্টে গিয়া "থ্যাঙ্কু" বলে আসে। সেইটা কি খেয়াল করছেন?
সুশীল সমাজ বলেছেন:
একটু ঢু মাইরা গেলাম। সময় মতো আইতাছি আবার। মানস ছু এক কাজ করেন। গানজুইট্টা রাইসু ফোন কইরা ঘুম থাইক্কা তুলেন।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
কিন্তু ভার্চুয়াল, আপনার গালাগাল এখনো খাই নাই, দিতে পারেন, মিরাজকে বা কাউকে এইরকম জেরা করার অধিকার আপনাকে বা কাউকে কে দিয়েছে? পিয়ালকে আমি এই য়্যারোগ্যান্সটাই লক্ষ্য করতে বলেছিলাম। নিক নিয়ে নিয়ে "মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষীয়" খিস্তি ছুটানো মহত্তর -- এই জ্ঞান দিয়া আমার চলবে না ভাই।
ভালোবাসি বাংলাদেশের লেখা পড়ে বাংলাদেশের প্রতি তার ভালোবাসা বোঝা গেল। আমার প্রতি না দেখালেও চলবে।
ইয়র্কার বলেছেন:
মিরাজ একবার ওয়ামিরে কইছিলো, আপনেগো দল থাইকা যুদ্ধাপরাধীগো বাদ দিয়া দেন!!! হালায় রসিকতারও এক্টা লিমিট থাকা উচিত।
ভার্চুয়াল বলেছেন:
হায় হায় মানস ভাইয়া আপনাকে গালি দিতে চাই সেরম কোনো ইচ্ছা কি ব্যক্ত করেছি? আর ব্লগে প্রশ্নোত্তর পর্ব তো চলবেই। কাউকে কিছু জিজ্ঞাসা করা মাত্রই যদি আপনি ভেবে বলে বসেন, আমার সে অধিকার আছে কিনা? তাইলে কেমনে কি?
আমারে প্রশ্ন করার অধিকার আপনাকে কে দিয়েছে - এই টাইপ কথা তো প্রতিটি প্রশ্নের ক্সেত্রেই বলা যেতে পারে। তাইলে কথা চলবে কেমনে?
ব্লগ অপেন ফোরাম। মাইক সবসময় খোলা। প্রশ্ন কিংবা জেরা যার যা ইচ্ছা করতে পারবে। জবাব না চাইলে দিতে পারেন। কিন্তু প্রশ্ন করার জন্য আসলেই ব্লগে কোনো অধিকার লাগে না।
আপনে স্যার মানুষ। এতো করে বোঝাতে হয় বুঝি ....
মানস চৌধুরী বলেছেন:
মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষীয়দের এখানেও বিজয় হলো ঘোষণা করা যায়। ফজরের আজান পড়েছে। আমি জামাতীদের পক্ষ থেকে পরাজয় বরণ করে নিলাম। ট্রফিটা কার বাসায় আছে আমি ঠিক জানি না। রাইসুর কাছে থাকলে নিয়ে নিয়েন। জামাতীপক্ষে এখানে ওনাকেই চিনি কেবল। এবং সিনিয়র ব্লগারদের একজন।
ভার্চুয়াল বলেছেন:
পড়তে হবে ---- জবাব চাইলে না দিতে পারেন।
মিরাজ বলেছেন:
এতদিনেও আমার ব্লগ পড়েও জামাতের রাজনীতির ব্যাপারে আমার অবস্থান নিয়ে আপনাদের ধারণা হয়না.. আমাকে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়, সেটাও আমাকে অবাক করে বৈকি!!আমি সহজ করে উত্তর দিলেও আপনাদের কাছে ঘুরানো প্যাচানো লাগে । যতদুর রাজনীতি জানি তাতে জামাতও একটি ধর্ম-নির্ভর রাজনৈতিক দল । তাই আমার আগের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আমি যে জামাতের রাজনীতির বিপক্ষে সেটা বুঝতে আপনাদের এতটা কষ্ট হয় কেন বুঝতে পারিনা ।
জামাত যে যুদ্ধাপরাধী আশ্রয়দানকারী একটি রাজনৈতিক দল এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে এদের অবস্থান কি ছিলো সেটা নিয়ে আমাকে জ্ঞানদান না করলেও চলবে । এ নিয়ে বেশ অনেক গুলি পোষ্ট দিয়েছি, এখনও একটা পোষ্ট ষ্টিকি আছে ।
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
৬. কেপি টেস্ট মানে হলো কাঠাল পাতা টেস্ট । ছাগু নির্নয়ে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় । পরিসংখ্যান বলে এই টেস্টের সাফল্য এখনো পর্যন্ত ১০০% । মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে পোস্ট দিয়ে সিউডো মুক্তিযোদ্ধা সাজলেও এই কেপি টেস্ট দিয়ে বোঝা সম্ভব কে কি করে কেমনে ছাগু ।
ইয়র্কার বলেছেন:
জ্ঞানদান কে দেয়? জ্ঞানপাপীর ছলনাটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো আর কি। জামাতের বিরোধিতার প্রধান পয়েন্ট ধর্মনির্ভর রাজনীতি না, তাদের 'দলগত' ভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা।জামাতকে সরাসরি না বলার সাহস নাই, আবার মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে পোস্টান। এমন মেরুদন্ডহীন ধান্দাবাজের প্রতি ঘৃনা করতেও ঘৃনার অপচয় মনে হয়। শুধুই করুনা।
মিরাজ বলেছেন:
ইয়র্কার অপচয় কইরেননা । যত্ন করে কাছে রাখেন । এই জিনিস আপনার জন্য বড়ই দরকারি । যা বুঝতে পারি তাতে এই জিনিস আপনাকে সবাই উদারভাবেই দেয় । আপনার পছন্দনীয় জিনিস... সেটা মনে হয় সবাই বোঝে ।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
ভার্চুয়াল কাকে বললেন পড়তে হবে? আমাকে? আমি পড়ব কিনা সেটা তো আমি ঠিক করব। ধন্যবাদ।
বাফড়া বলেছেন:
মিরাজ ভাইয়ের পোস্টে জামাতীরা ঠ্যন্কু দিলে খারাপ লাগে থিকই। কিন্তু সেটা কি মিরাজ ভাইয়ের দোষ হবে? - @এস্কিমোআর আমি মিরাজ ভাইয়ের অবস্হানে কোন ঘোলাটে কিছু দেখিনা। এত কিছুর পরও মিরাজ ভাইয়ের কথায় ঘোলাভাব পেলে কিছু করার দেখিনা।
আপনি যদি নীতই বা তত্ব ঠিক রেখ চলতে যাই তবে অবশ্যই আপনাকে র্যাডিকেল/এক্সট্রিম পথ এভয়েড করতে হবে যেটা মিরাজ ভাই করছেন। আপনি নীতি মানলে আপনাকে একটা প্রসেসের মাঝ দিয়ে এগুতে হবে যেটা আামকে করতে হয়না।
আমি আমার হ্রদয়কে গুরুত্ব দিচ্ছি তাই আমাকে ঝট করে বলতে গিয়ে বাধা পেতে হয়না আর জামাতীরাও আমাকে থ্যান্কু দেয়না। কিন্তু মিরাজ ভাইআকে তার প্রসেস / নীতি ফলো করতে হয় তাই তার পক্ষে আসলেই সম্ভব না আামর মত আবেগপ্রবণ হওয়া। এইসবের ফাকে তার অবস্হান ঘোলাটে হয়ে যায় বলে আামর মনে হয় না।
আর মনে হয়না একজন শিক্ষকের উচিত হবে আমাদের মত আচরন করা। উনি যা করছেন তা ঠিকই করছেন
আলম ভাই বলেছেন:
মানস ভাই গেলো গা নাকি? দুইটা কথা ছিলো৷ ইশ্শ ওল্পের লাইগা মিছ হয়া গেলো রে
সমালোচনাকারী বলেছেন:
এই মেরাজি শুশীলগো বদৌলতেই এককালের কাডালপাতা ভুজি জামাত একন হাজির বিরানী খায়!!!
বাফড়া বলেছেন:
ইয়র্কার- আপনারটা আসলেই ইয়র্কার। যেই স্ক্রীনশট দেছ তাতে কোন ঐকমত্য দেহিনা
অমিত বলেছেন:
অমিত বলেছেন:
বাফড়া, মানুষ যখন নিজের মতামত দেয়ার আগে দেশবাসীরটা জানতে চায়, তখন একটু সন্দেহ লাগে এই যা...
এস্কিমো বলেছেন:
হ বাফড়া। আপনে ঠিকই বলেছেন। আমারই বুঝের ভুল হয়তো। যেমন ধরেন এই লাইনটা - "জামাত যে যুদ্ধাপরাধী আশ্রয়দানকারী একটি রাজনৈতিক দল"
জামাত যুদ্ধাপরাধীদের দল নাকি আশ্রয়দানকারী। তাইলে বিএনপি আর আওয়ামীলীগওতো একই কাজ করেছে। তাইলে জামাতের আর দোষ কি? ওদের কয়জন বেশী আছে - আর অন্যদলের কম - এই যা। নাকি ভুল বললাম।
১৯৭১ সাল থেকে জামাতই একটা বাংলাদেশের জন্মের বিরোধীতা করেছে, দলীয়ভাবে রাজাকার-আলবদর তৈরী করে যুদ্ধাপরাধ করেছে। তারা ১০৭৫ সাল পর্যণ্ত দেশের বাইরে থেকে বাংলাদেশের বিরোধীতা করেছে। এবং বাংলাদেশের বিপক্ষের সংগঠিত শক্তিগুলোর মধ্যে ওরাই এখনও সক্রিয়।
এখন যদি বলি ওরা শুধু যুদ্ধাপরাধীদের আশ্রয় দিয়েছে - তাইলে কেমন জানি একটু হালকা মনে হয় না।
আর লক্ষ্য করবেন - ব্লগে আরো শিক্ষক আছে।
এস্কিমো বলেছেন:
১০৭৫ = ১৯৭৫
মানস চৌধুরী বলেছেন:
আলম ভাই। না আছি কম্প্যুটারেই আছি। রুটি রুজির কাজ করছি এখন। বলেন প্লিজ। মিরাজ, ইয়র্কারের পোস্ট থেকে বোঝা গোল আপনি ওয়ামিকে আপনি-আজ্ঞে করেছেন বলেই আপনাকে জামাত বলে ভ্রম করেন তাঁরা। নিয়মটাতো পরিষ্কার! আপনি চোর মন্ত্রীকে সালাম দিবেন আর পাঁউরুটি চোরকে কষে পেটাবেন। রিকশাওয়ালাদের আপনি বলি বলে আমার শিক্ষার্থীরা কেউ কেউ খুব নিন্দা করতেন আমার। এখন আর করেন না।
এখন তো আমিও সুশীল। হিন্দুর ছেলে বলে হয়তো এই ৪ সুশীলের নেতাও আমাকে বানিয়ে দেবেন এঁরা। এঁরা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষীয় হলেও ধর্মভেদাভেদ খুব প্রখর। দেখেন না বেছে বেছে একটা হিন্দু কাস্টই বের করল রাইসুর জন্য। খন্দকার মুশতাকও তো নাম দিতে পারত রাইসুর। খন্দকার যে! উচ্চবংশ!
এস্কিমো বলেছেন:
মানস চৌধুরী বলেছেন: আলম ভাই। না আছি কম্প্যুটারেই আছি। রুটি রুজির কাজ করছি এখন। বলেন প্লিজ। মিরাজ, ইয়র্কারের পোস্ট থেকে বোঝা গোল আপনি ওয়ামিকে আপনি-আজ্ঞে করেছেন বলেই আপনাকে জামাত বলে ভ্রম করেন তাঁরা।
- এতক্ষন পর্যণ্ত ভালই ছিলেন। এখন মনে হয় আপনি শর্টকার্ট রান নেবার চেষ্টা করছেন। বিষয়টা এতো সহজ না। একটু ব্লগ পড়েটরে কথা বললে ভাল হয় না।
আর ওরা আর তারা ভাগ করার দরকার নেই । এখানে কেউ দল করে আসে না। সবাই নিজের দায়িত্বে এসেই বিতর্ক করে।
আলম ভাই বলেছেন:
স্যার মানস, ঝড়্গা কর্তে চাইলে ওনেক করা যায়৷ বেশি কথায় আমি আবার রেন্ডোমাইয হয়া যাই৷ জামাতরে যারা প্রটেকশন দেয়, ঘাতক বল্তে দিধা করে, সময়ে জামাতিগো বন্ধু হয়, হেগো প্রসংগে আপ্নে কি আম্গো লাইগা ৩ লাইনে সরল, সত এবঙ প্রচলিত বাংলা কথ্য ভাষার শব্দ বেবোহার করে অনধিক ৩০ শব্দের এক্টা বক্তব্য দিতে পার্বেন? আদারওয়াইজ আপ্নের কমেন্টগুলা পইড়া আমার মাথাঘুইড়া ধান্ধা লাইগা যাইতাছে
অমিত বলেছেন:
মানস চৌধুরী, সারারত ধরে এতকিছু ঘটনার পর, আপনে এই সিদ্ধান্তে আসলেন ?
মিরাজ বলেছেন:
মানস চৌধুরী, শেষ পর্যন্ত আপনিও সুশীলদের অন্তর্ভূক্ত হলেন দেখে ভালই লাগলো । সুশীলদের সংখ্যা তাহলে বাড়ছে!! আপনার নেতৃত্বে আমার আস্থার কথা আগেভাগেই জানিয়ে রাখি । ব্লগে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষীয়রা আপনাকে সুশীলদের নেতৃত্ব দিলে তাদেরকে হতাশ করবেননা । তাদেরকে হতাশ করাটা তাদের পছন্দনীয় নাও হতে পারে, সে ক্ষেত্রে আপনাকে অনেক জেরার সম্মুখীন হতে পারে । আর প্রশ্নোত্তর পর্বের প্রো-ফর্মা আশা করি কয়েকদিনের মধ্যেই পেয়ে যাবেন ।
এখন যাই । কিছুক্ষণ ঘুমাবার চেষ্টা করি । আমার এখানকার সময় রাত সাড়ে ৩টা থেকে বাংলাদেশের ক্রিকেট খেলা ।
ভালো থাকবেন ।
ভার্চুয়াল বলেছেন:
মানস ভাইয়াবুঝলেন না - নাকি প্যাচালেন সেটা আমি বুঝলাম না।
আমার আগের কমেন্টে লিখেছিলাম যে... জবাব না চাইলে দিতে পারেন।
সেটা ঠিক করে লিখলাম যে ওই জায়গায় পড়তে হবে - জবাব না চাইলে দিতে পারেন।
..... দুই লাইন বেশি বুঝলেন দাদা ....
ইয়র্কার বলেছেন:
মানস স্যার, মিরাজকে জামাত বলে ভ্রম করি না। তিনি নিশ্চিতভাবেই জামাতি।তার মন্তব্যটি অত্যন্ত সাদামাটা মনে হবে, কিন্তু খেয়াল করলেই নমুনাগুলো স্পষ্ট বুঝা যাবে:
১। জামাত 'অ্যাজ এ পলিটিক্যাল পার্টি' স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে। মিরাজ জামতকে 'সব দলেই যুদ্ধাপরাধী আছে' ফতোয়ায় ফেলতে চান। এটা অজ্ঞানতা নয়, জামাতি জ্ঞানপাপ। এজন্যই মিরাজ স্পষ্ট করে বলতে পারলো না, সে জামাতের ব্যান চায়।
২। মিরাজের ব্লগ পড়লে বুঝবেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার দলিলের সে মোটামুটি টাইটানিক। সে কি জানে না, কামারুজ্জামান কে? তার ছেলে ওয়ামীকে সে দল থেকে যুদ্ধাপরাধী মুক্ত করতে বলে। দিজ ইমপ্লাইস, সে কামারুজ্জামানকে যুদ্ধাপরাধী মনে করে না।
৩। এই পোষ্টের মন্তব্যে মিরাজ বলেছে, ইনফ্যাক্ট ঘুরিয়ে পেচিয়ে হলেও বলতে বাধ্য হয়েছে, "আমি যে জামাতের রাজনীতির বিপক্ষে সেটা বুঝতে আপনাদের এতটা কষ্ট হয় কেন বুঝতে পারিনা । " আমার দেয়া স্ক্রীনশট কিন্তু প্রমাণ করে সে জামাতের রাজনীতির বিপক্ষে না। জনগনের হাতে সিদ্ধান্ত ছেড়ে দিতে চায়।
৪।
ক)ধর্মাশ্রয়ী রাজনীতি বললে জামাতের সাথে আরো কয়েকটি দলকে টানা যায়, ধর্মে রাজনীতি আছে কি নেই, তা নিয়ে ক্যাচাল করা যায়।
খ) সব দলে যুদ্ধাপরাধী আছে বললে, আমলীগ বিএনপি ব্যান না হলে জামাত ব্যান হবে না ফতোয়া দেয়া যায়।
গ) আগে ৩৭ বছরের দুর্নীতির বিচার চাই, তারপরে ৭১এর রাজাকারের বিচার, এটা বলে পাবলিককে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা যায়।
কাজগুলো কারা করে মানস স্যার? জামাতিরা। মিরাজ যখন একই কাজ করেন, তখন তাকে জামাতি বলে সন্দেহের অবকাশ থাকে না। সে নিশ্চিতভাবেই জামাতী।
_____________
আপনার এই লাইন গুলো লেখা উচিত হয় নাই।
আলম ভাই বলেছেন:
আমার সন্দেহ আচে মানস আর মিরাজ একই রকম সুশিল কি না৷ মানস ভাই যদ্দুর মনে হয় ভুল ধারনার শিকার৷ উনার সাথে ফাহমিদুল ভাইর মিল বেশি৷ হয়তো ২/৪ দিনেই বল্গের হাওয়া বাতাস ধর্তে পার্বেন কে জানে৷ তয় এডিকশন না হয়া গেলেই হইলো৷ বল্গে কয়েক্রকম বাজে এডিক্শন আচে, কমেন্ট পাওনের, রেটিং পাওনের ইত্যাদি যেগিলিতে রিয়াল সুশিলরা ভিষনবাভে আক্রান্ত
এস্কিমো বলেছেন:
মানস স্যাররে একটা শেষ কথা কইয়া ডিনারে যামুগা। ৎ"অধিকার বিষয়ে ব্লগের বুদ্ধিজীবীরা কী বলেন?"
এই পোস্টাইতো পুরা ফালতু আর রাজাকারপুত্রের স্বপক্ষে দেওয়া।
কারনটা কি?
ব্লগের আইন কানুন বিষয়টা নিয়ে যদি পোস্ট দিতো উনি আরো অনেক আগে এই ধরনের পোস্ট দিতো পারতো।
এক আইজুদ্দিন ১৫০+টা নিক ব্যান খাইছে। আর আলম ভাই ২য় হবে।
মাঝে মাঝে দলে দলে নিক ব্যন খায়। তখন রাইসু মিয়া নাকে তেল দিয়া ঘুমায়। এখন দোস্ত ব্যন খাইছে - তাই ব্লগে সুশীলগীরি করতে আইছে। এর আগেও এই রাজাকারপুত্রের পক্ষে পোস্টাইছে। একটু লক্ষ্য করলেই দেখতে পাবেন।
এই সোজা কথাটা আপনে ছাড়া মনে হয় ব্লগের সবাই ধরতে পারছে। আর যদি ধরতে পাইরাও তর্ক করেন তবে আপনার নামবও সসন্মানে "সুশীল" লিস্টে পাঠানো ছাড়া পথ থাকবে না।
ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
ভাই এস্কিমো, শর্টকাট রান নেই না। সারাজীবন খেলে ১২ রান করেছিলাম। ধুর! আমি তো জামাতের পক্ষ থেকে আপনাদের বিজয়ী ঘোষণা করে চলেই গেলাম। এবং আলম সাহেবের দুইটা কথা শুনে, নেহায়েৎ ব্লগীয় ভব্যতা (সুশীলতা) চর্চার চেষ্টা করে আবার আওয়াজ দিলাম। মিরাজ সাহেব যে আপনাদের মতো গালাগালি রপ্ত করতে পারেন নাই সেই সহমর্মিতায় তাঁর দিকে দুটি কথা বললাম। আবার বেচারা আর্মি বা কোর্ট জেরার উত্তরে হ্যাঁ-নাও বলতে শেখেন নাই। কেন যে আপনারা একটা শর্টকোর্সের ব্যবস্থা করেন না! "তুখোর ব্লগার হইবার কোর্স" @ সাইফুর।
কিছু মনে করবেন না। ওরা-তারা ভাগ করার দরকার নেই? বলেন কী? সুশীল বিষয়ে আপনারা ঐকমত্য নিজ দায়িত্ব নিয়ে এসেই তো করেছেন। আমরা সুশীল ৪ জন সেটা হলাম "আমরা"। আর আপনারা ২৭ জনের ক্রিকেট টিম আপনারা "আপনারা" নন? প্রকৃত একক ব্যক্তি? এ কেমন ধরনের ইনসাফ? তখন তো কিছু বললেন না যে "না ভাই হিন্দুর ছেলেকে সুশীল বলে ক্যাটেগরি করলে ডাইরেস্ট কম্যুনালিজম হয়ে যায়। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষীয় শক্তি আমরা, আমাদের অসাম্প্রদায়িকতা সমুন্নত রাখতে হবে।" গলা খাঁকারি দিয়ে বললে তো খেয়াল পড়ত। এই কেলেংকারিটা হতো না।
আমিও নিজ দায়িত্বেই এসেছি, আপনার মতোই। শুভরাত্রি, বা সুপ্রভাত।
অমিত বলেছেন:
মানস চৌধূরী, এজন্য বলি এত সহজে সিদ্ধান্তে আইসেন না। দ্যাখেন আপনের শেষ কমেন্ট দেখলে কেউ বলতেই পারে যে আপনি কেবলমাত্র ধর্মের কারণে জামাতের বিরোধীতা করছেন। কিন্তু ঘটনা সেটা নয়। সময় ন্যান। ব্লগ পড়ে দ্যাখেন।দয়া করে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ, কোনভাবেই ফান্ডামেন্টালিস্ট দ্বারা ব্যবহৃত হয়েন না।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
জ্বি এস্কিমো আপনার কমরেডরা ইতোমধ্যেই 'সুশীল' ঘোষণা দিয়েছেন। আপনি আমার পোস্টটা পড়ে ডিনারে যান। অলরেডি অনেক দেরি করে ফেলেছেন খেতে। শুভেচ্ছা।
ভার্চুয়াল বলেছেন:
মানস বলেছেন : মিরাজ সাহেব যে আপনাদের মতো গালাগালি রপ্ত করতে পারেন নাই সেই সহমর্মিতায় তাঁর দিকে দুটি কথা বললাম।
=====================
আমরা গালাগালির করি? তাই নাকি? কেমতে জানলেন?
ভার্চুয়াল বলেছেন:
মানস বলেছেন : মিরাজ সাহেব যে আপনাদের মতো গালাগালি রপ্ত করতে পারেন নাই সেই সহমর্মিতায় তাঁর দিকে দুটি কথা বললাম।
=====================
আমরা গালাগালির করি? তাই নাকি? কেমতে জানলেন?
মানস চৌধুরী বলেছেন:
হাসিব ও সু-শান্ত আপনাদের ধমকে আমি "প্রতিক্রিয়াশীল ও সাম্প্রদায়িক" আর কাস্ট ধরে প্রতিপক্ষ ব্লগার গালাগাল কী ভাই? শুরু করল কারা? আপনাদের ডাবল স্ট্যান্ডার্ডের গুণ দেখে জামাতবিরোধী রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত আছি। বাদ দেন। ঘণ্টাখানেক আগেই ব্লগে জামাতীদের পক্ষ থেকে আপনাদের বিজয়ী ঘোষণা দিয়ে আমি বিদায় নিয়েছিলাম। নেহায়েৎ আলম ভাইয়ের ফলস ডাক শুনে আমার আবার আসা। আপনারা বিজয়ী। আমরা (মানে জামাতীরা) পরাস্ত। এর জন্য ৩৭ টি বছর আপনাদের ...ত্যাগস্বীকার করতে হলো। ২৬শে মার্চের প্রাক্কালে আপনাদের প্রভাত শুরু হোক স্বাধীন মন ও মননে।
(ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ...)
আলম ভাই আরেকবার পিছুডাক দিয়ে আমাকে প্রতিক্রিয়াশীল বানিয়েন না প্লিজ। এটা ব্যক্তিগত রিকোয়েস্ট আপনার কাছে। হাজার হলেও আপনি আমাকে ফাহমিদের জাতি ধরতে পেরেছেন।
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
ধমক শব্দটা ব্যবহার করে ম্যানিপুলেশনের দরকার দেখি না । আপনি খামোখা এ ব্যাপারটার মধ্যে ধর্ম ব্যাপারটা টেনে আনলেন । পিঠ বাঁচানোর এই প্রক্রিয়া দেখে খারাপই লাগলো ।
এখন ঘুম দেন একটা । আমি ঘুম দিতে বললাম বলে আবার রাগ করে বসে থাইকেন না । ঘুম থিকা উইঠা আবার নিজে কি লিখছেন সেইটা পৈড়েন ।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
হাসিব আমি আমার অন্য কাজ করে চলেছি। আপনার চিন্তা না করলেও চলবে। আপনি বরং আমার জিজ্ঞাসাটা পড়েন। একটা কাস্ট দিয়ে "বাল কাটার" ক্যাটেগরি বানানোর বিষয়টা কী? প্রতিবাদ করেছিলেন কখনো? কেন করেননি? নাকি এরকম (পার্টিকুলার কাস্ট) অবমাননা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অনুমোদন করে? আপনার ধারণা আছে শীল সম্প্রদায়ের কত লোক দক্ষিণ বঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে মারা গেছিল? কিংবা পাকিস্তান আর্মির বন্দুকের মুখে চুল দাঁড়ি কামানো হয়ে গেলে তাদেরই বন্দুকে মরতে হয়েছিল? ব্লগটা আপনাদের মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযুদ্ধ খেলাধুলা, কেমন? শীল দিয়ে প্রতিপক্ষ ঘায়েল সাম্প্রদায়িকতা না? আজব বিচার আপনাদের দুনিয়ায় ভাই।
আর পিঠ বাঁচানোর মানে কী? সত্যি সত্যি মারতে চান নাকি? আমি তো অমি রহমান পিয়ালকে যে বার্তা লিখি সেখানে আপনাদের এই হিংস্রতা নিয়েই উল্লেখ করি। বাপস্। আপনাদের মন মতো কথা না হলো ...মারা থেকে শুরু পিঠ বাঁচানো পর্যন্ত ভাষা। জোশ কাকে বলে?!!
শ্রীমরম বলেছেন:
ভাতিজা ড়াইচু বেশ কিছুদিন অসটিলিয়ায় ছিল।ওয়ামির লগে কানেকশন টা হেইখানেই হইচে।
হায় রাম -----
অমিত বলেছেন:
সুশীল বইলতে কি এখানে কোন সম্প্রদায়কে বোঝানো হয়েছে ?
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
খুব ইন্টারেস্টিং ইন্টারপ্রিটেশন যাই হোক । সুশীল শব্দটা প্রথমে সুশীলই ছিলো । পরে এইটা ব্যঙ্গ করে সু শীল বানানো হয় । এইটা দিয়া যে কাউরে অবমাননা করা হৈতেছে সেইটা এই পোস্টে প্রথম জানলাম । শীল নামে একটা পদবি আছে জানতাম । কেউ একজন বলছিলো শীল মানে নাকি নাপিত । সুশীলদের ব্যঙ্গ করতেই ধারনা করি এই নাপিত নামকরন । সেইটার মধ্যে ধর্ম বা কোন ধর্মীয় বিশ্বাসের লোকজনরে ইঙ্গিত কেউ করে নাই । এই ইঙ্গিত কেউ করছে সেটা মনে করলে আমি বলবো আপনি পরিস্কার ভুল করতেছেন ।
এই ব্লগে সংখ্যালঘুদের অপমান করে কেউ পার পায় নাই । আশরাফের মতো সাম্প্রদায়িক লোকজনদের আমরাই তাড়াইছি এখান থিকা । নতুন কোন আশরাফ আসলেও তার জন্য একই ট্রিটমেন্ট । আশরাফগো সাফাই গায়া কেউ পোস্ট দিলেও তার ব্লগিং ভবিতব্যও ঠিক হয়ে যাবে । খুউউউব খিয়াল কৈরা ।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
বিশাল আলোচনা দেখছি!! হুমমমিরাজ কেউ জামাতি বানিয়ে দিলো কিছু দুই দিনের বৈরাগী !!
মায়ের চাইতে মাসির দরদ বেশী দেখা যাচ্ছে!
হায় রে মানুষ।
আগে জানতাম কাঁঠাল পাতা খাইলে মানুষের আই কিউ কম হয়, এখন দেখি কিছু বৈরাগী ঘাসও খায়, আচ্ছা ঘাসে কি আইকিউ বারে না কমে ?
আলেকজান্ডার ডেনড্রাইট বলেছেন:
মুক্তিযোদ্ধারে গালি দিলে কেউরে যদি ব্যান করা হয় এবং অ-মুক্তিযোদ্ধারে গালি দিলে ব্যান করা না হয় সেইটা স্পষ্ট পক্ষপাতিত্ব মূলক অবস্থান। ......হবেই কারণ সাধারণ জনতার সহিত সূর্য-চন্দ্র-অগ্নি সন্তানদের এক করা বোকামি। দেশের ভিআইপিদের জন্য এক আইন, পথের ফকিরদের জন্য আরেক আইন...ইহার নামই ন্যায়বিচার আর সমানাধিকার।
হিটলারের দেশে জাতীয়তাবাদ কায়েম কেমনে হইছিল বোঝা যাইতেছে। ...সহমত
দাদা আমি কিন্তু আপনার আলোকিত মুক্ত চিন্তার গোড়া সমর্থক। আজ্ঞে প্রোফাইলের ছবিটা কি আপনার?
ভার্চুয়াল বলেছেন:
মানস ভাইয়া।
হঠাৎ করে ধর্ম টেনে বয়ানটা আপনাকে যতোটুকু বুঝতাম তার সঙ্গে একেবারেই গেল না।
তর্কের শেষের দিকে এসে আপনি কথার বাঁকা অর্থ তৈরি করতে শুরু করলেন।
স্যার মানুষদের এমন করতে নেই যে
সমালোচনাকারী বলেছেন:
এই যে এত কতা হৈতাছে সবের মুলে কিন্তু ওয়ামির ব্যান।এখানে ওয়ামির জন্য রিদয়ের মৈদ্যে খানে কিনকিন /পিন পিন কৈরা যারা বেথা অনুভব কোরতাছে (নানা কারনে সেটা হৈতে পারে) তাদেরকে গুরুদক্ষিনা দেওয়া হৈতাছে। পয়তিরিশ বছর ধৈরা শুশীলদের খুদ্র খুদ্র ভালোবাসা কুড়াইয়াই মোহিরুহ জামাতি সত্বার বরতোমান রুপ। ষাধু নং সাবধানং!!!!
আলম ভাই বলেছেন:
মানস্দা, আপ্নে রিকোয়েস্ট করায় কমেন্ট কর্তাছিলাম না, কিন্তুক আপ্নে যেম্নে সুশিলরে পেচইয়া ধর্ম টাইনা আইনলেন, কামডা বেশি খারাপ হয়া গেলো৷ আরেক্টা কথা এই দেখেন আলেকজান্ডার ডেন্ড্রাইট নামে চরম মৌলবাদি বল্গারটা কেম্নে আপ্নেগো সুবিদা লয়া লইলো৷ এইটাই হয়, এইটাই হইয়া আসতেছে, এবং ড়াইষু এগ্জন ঘোড়েল বল্গার হিসেবে সেইটাই চায়৷ যাউগ্গা আশা করি ভালামত ঘুমায়া বল্গে ঘুরাঘুরি কর্বেন, স্বজাতি চিনবেন, একসময়ে ভালাই লাগ্বো
মানস চৌধুরী বলেছেন:
পাদটীকা ১। ভার্চুয়াল ভাইয়া, তর্কটা লম্বা হয়েছে। এবং সন্দেহ নেই বেশ জটিলও বটে। আমি হঠাৎ বাঁকা রাস্তা ধরেছি তা নয়। বরং বেশ আগেই আমি "মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ" শক্তিকে বিজয়ী ঘোষণা করেছিলাম। আমি যে বাঁকা রাস্তা নিই নাই তা বুঝতে আলাপপ্রবাহটা আপনার টানা পড়তে হবে। সেটা কষ্টসাপেক্ষ। চাইলে না-করতে পারেন। আর আমার পেশাটা আপনি জানেন। তাই বলে কথায় কথায় আমাকে আমার জব ডেস্ক্রিপশন মনে করিয়ে দেবেন? ওটা তো আমি জানি ভাই।পাদটীকা ২। আলম ভাই, আপনারা বিজয়ী দল। আলেক্জান্ডারকে আমি চিনি না। হয়তো আপনাদের হাতে "হেনস্থা" হতে দেখে ওনার মনে করুণ রসের উদয় হয়েছে। "মৌলবাদী" বলে কি মানুষ না? এই যে শীল সম্প্রদায় নিয়ে এত মস্করা করলেন আপনারা। প্রকৃত শীলের হাতে পড়লে তো গলা কাটার কথা আপনাদের। কিন্তু বাস্তবে কাটবে না। শুধু চুলই কেটে দেবে। অবশ্য আপনারা হয়তো কাচের দোকানে গিয়ে চুল কাটেন। বা পারসোনায়। কে জানে! ;-)
কৃষ্ণচূড়া বলেছেন:
ব্রাত্য রাইসু সাহেবের ওয়ামী প্রীতি নিন্দনীয়।....... তবে মানস চৌধুরী একাই যুক্তির যুদ্ধে সবাইকে হারিয়ে দিলেন।মাহবুব সুমনকে বলছি............দালালী করবেন না। দুই দিনের বৈরাগীরাই রাজাকারদের বিরুদ্ধে এই ব্লগে যুদ্ধ জয় করেছে এবং ভবিষ্রতেও করবে। বিশেষ সমস্যা না থাকলে ব্লগ থেকে রিটায়ার করুন। না পারলে চুপ থাকেন।
অমিত বলেছেন:
মাহবুব সুমন বলেছেন: আচ্ছা ঘাসে কি আইকিউ বারে না কমে ?
অস্ট্রেলিয়ার ঘাসে বোধ হৈতেছে কমে। ঐদিক থেকে যেরম সব সাপ্লাই আসে।
নেমেসিস বলেছেন:
নোটিশবোর্ডের পোস্টে আমার শেষ কমেন্টটা আবারও এখানে দিলাম ঃ
রাজাকার পুত্রের জন্য যারা কস্ট পাচ্ছে তাদের জন্য ঘৃনা ।
ভার্চুয়াল বলেছেন:
মানস ভাইয়া
আপনিই যতো বাঁকা অর্থ তৈরি করছেন এখন।
জ্ঞাতার্থে ১। আমি বলেছিলাম, তর্কের শেষে এসে লাব লাব লাব ....আপনি আমাকে বললনে শুরু থেকে আলাপপ্রবাহ পড়ে আসতে। এখন আপনিই বলেন, প্রথম থেকে পড়া শুরু না করলে আমি কিভাবে আপনাকে তর্কের শেষের কথাটা বলতে পারি?
জ্ঞাতার্থে ২। আমার একটা কমেন্টের লাইনের সংশোধনী করে 'পড়তে হবে' বলে ঠিক করলাম পরের কমেন্টে। আপনি সেটার একটা ঠেসমার্কা কমেন্টত্তর দিলেন।
জ্ঞাতার্থে ৩। ধর্ম সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে কেউই আগাচ্ছিল না। কাউকেই ধর্মের নাগপাশে কেউ বাঁধছিল না। সুশীল ব্যাঙ্গার্থে ভালো নাপিত বিষয়টিকে আপনি ভিন্নভাবে ধর্মীয় প্রলেপ দিলেন।
জ্ঞাতার্থে ৪। তর্কের কোথাও নাই যে কেউ বিজয়ী হওয়ার জন্য লিখছে। আপনি নিজেই বিচারক হয়ে নিজেই সব ফায়সালা করলেন। কেমনে কি?
থাক, এখন বিরক্ত লাগছে। আপনাকে কিছু বললে তো এখন বলতে পারেন, আপনি বললেই হবে, আপনার ইচ্ছা তো করতে হবে।
তারপরও বলি, আপনি বরং কিছুদিন চুপচাপ ব্লগ ঘুরে, পড়ে দেখুন। আলেকজান্ডার ডেনড্রাইটসহ আরো অনেককে চিনতে পারবেন।
আর দয়া করে এই কমেন্টের কোনো বাঁকা অর্থ দাড় করাবেন না। ধর্ম নিয়ে তো নইই। এই একটা জিনিস (ধর্ম) কে আমি কখনোই বিবেচনায় আনি না।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
হাহাহা সেইরকম।আম্রিকায় কি অবস্থা? ঠান্ডায় ঘাস কি আছে না সব গেছে !
রাইসুর পোস্টে কমেন্ট পড়ে বুঝবার চেস্টা করছি কিছু কিছু জিনিস।
লেখা পড়লে মানুষ চেনা যায় !
ভার্চুয়াল বলেছেন:
আপনি বললেই হবে, আপনার ইচ্ছা তো করতে হবে------এর স্থলে পড়তে হবে ---------- আপনি বললেই হবে, আমার তো ইচ্ছা ।করতে হবে।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
@ কৃষ্ণচূড়া আপনারেতো কোনদিন ব্লগে দেখি নাই, ব্লগে অনেক কিছুইতো হইলো, কত বৈরাগী আইলো আর গেলো আপনারেতো দেখি নাই ভাইটু। রাজাকার-জামাতি ছাগু তাড়ানিতেআপনারে দেখচি বলে মনে হয় না ! হঠাৎ শরীর গরম হয়ে গেলো নাকি !! নিজের পাতে ঝোল টাইনা নিলেন মনে হয় ? ভালো ভালো।
মুখোশ পড়া নয়া আদমদের লগে আলাপ করি না।
দালাল কইলেন, মাগার কার ? ভাগ্য ভালো রাজাকার কন নাই
আমি আমার মতো চলি
অমিত বলেছেন:
অবস্থা ভাল না। পারলে কিছু সাপ্লাই দিয়েন। আর ভাইজান, আপনে তো পুরান পাবলিক। এতদিন পর যদি নতুন করে চিনা পরিচয় দেয়া লাগে, তাইলে কেম্নি কি ?আর কমেন্টের কথা বাদ দ্যান। পোস্ট পড়ে কি বুঝলেন ?
মানস চৌধুরী বলেছেন:
ভার্চুয়াল আচ্ছা আমি পুনর্বিবেচনা করছি কিছু ঠেস দেয়া। এবং এবারে বাঁকা উত্তর করছি না। কিন্তু প্রতিজ্ঞাতার্থে একমাত্র ভিন্নমত:
আপনি ধর্মকে কখনোই বিবেচনায় আনেন না এতে আপনার উদারতা প্রকাশ পায় বটে কিন্তু এর থেকে কিছুই বোঝা যায় না। বাংলাদেশে শত্রু সম্পত্তি আইন কত বছরের পুরনো? স্বাধীনতার কত বছর হলো? এটা একজনের মানা না-মানার বিষয় নয়; একটা ব্যবস্থা। তারপরও আপনি কতটা মানেন বা মানেন না সেটা বোঝার জন্য অন্ততঃ আপনার পরিবারের একজনের অন্যধর্মের (সংখ্যালঘু) সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠতে হবে। বিশ্বাস করুন, ব্যক্তিগতভাবে আপনাদের পরিবারে কোনো অশান্তি আমি চাই না। কিন্তু এরকম কিছু ঘটলে আপনি কী অবস্থান নেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ হবে। আমার কিন্তু প্রতি সপ্তাহে একবার করে খেয়াল করতে হয় যে আমি হিন্দু। এটা আমার "মনের উদারতা" দ্বারা নিরাময়যোগ্য না। একটা রাষ্ট্রীক ব্যবস্থাপনার বিষয়।
কৃষ্ণচূড়া বলেছেন:
মাহবুব সুমনকে বলছি............. বোগদাদী হেকিমকে একমাস আগে ব্লগে কেউ দেখেছিল? আলম ভাইকে? স্করপিয়ন্সকে? ইয়র্কারকে? স্ট্যানলি কুব্রিককে? কেউ দেখেন নাই।............কিন্তু নেপত্থ্যের মানুষগুলো কি ছিলেন না ব্লগে? দেখার জন্য চোখ লাগে। সেই চোখ আপনার নাই। ধান্ধাবাতির রান্না তো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকরই...........
মাহবুব সুমন বলেছেন:
পোস্ট পইড়া বুঝলাম ক্যান এবং কাগো লাইগা আমাগো দেশে এত বছর পরও জামাতিরা রাজাকারী কইরাও বুক ফুলাইয়া গর্ব কইরা বলে " যুদ্ধাপোরাধী কি জিনিস ! একাত্তরে যা করছি ভালো করছি !"বুঝাইতে পারলাম? ইন্টেলেকচুয়াল মকারি বইলা জিনিস আছে সেইটা হাড়ে হাড়ে টের পাইলাম, সুবিধাবাদী শুচিল কাহাকে বলে সেটাও বুঝলাম।
এরাতো টাকার জন্য নিজের বোনের ধর্ষনকারীর সামনে পশ্চাৎদেশ পাতিয়ে দেবে।
আর এইটাও বুঝলাম, কিছু কিছু মানুষের বিচার-বিবেচনায় সীমাবদ্ধতা আছে। চিন্তা-চেতনায় সামান্য ভেদাভেদ ও কর্মপন্থায় ভেদাভেদের কারনে রাজাকার তকমা লাগিয়ে দেয়া হয়, যেটা মিরাজ ভাইয়ের ক্ষেত্রে হয়েছে।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
মহোদয় কৃষ্ণচূড়া,আপনি যাহাদের নাম বলিলেন তাহাদের সবার সাথে সাক্ষাত পরিচয় না থাকিলেও অন্তর্জালে কিছু কিছু জনের সাথে হালকা মোলাকাত আছে, উহাদের পরিচয় জানা ও উদ্দেশ্যও জানা, পথও এক, হয়তো তরিকায় সামান্য ভেদাভেদ আছে। হারা নিক পরিবর্তন করিতে বাধ্য হোন, এজন্য নিক পরিবর্তন করিলেও উনাদের আমি চিনি, সেহেতু সমস্যা নাই।
কিন্তু, কৃষ্ণচূড়া নামে কাহাকেও চিনি বলিয়া মনে পড়িতেছে না। আমাদের দলের মাঝে বনচোরা টিকটিকি নাকি আপনি হে মহোদয় "কৃষ্ণচূড়া"?
যাই হোক, ব্যক্তিগত বিষয়ে আলাপ করিতে ইচ্ছক নই আমি, বিশেষ করে বর্নচোরা নয়া বৈরাগীর সহিত।
ভার্চুয়াল বলেছেন:
আপনার কথাগুলো মানছি।
রাষ্ট্রীক ব্যবস্থাগুলো (ধর্মসংক্রান্ত) মানা বা না মানার জন্য আমার পরিবারের কারোর বা আমার নিজেরই অন্য ধর্মাবলম্বী কারো সঙ্গে সম্পর্ক সৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হলে আমি কি এবং কতোটুকু আচরণ করতাম সেটা আসলে বলার কিছু নাই। তবে আমি বিশ্বাস করি তাতে কোনো সমস্যা তৈরি হতো না। যাগগে ...
আপনাকে প্রতি সপ্তাহে একবার হিন্দু হিসেবে নিজেকে খেয়াল করতে হচ্ছে সেটা আমি বুঝতে পারি এবং এজন্য আসলেই সরি। এবং এ বিষয় (ধর্মসংক্রান্ত রাষ্ট্রিক ব্যবস্থা) নিয়ে আলাদা ভাবে আলোচনার তাতপর্য রয়েছে।
তাই বলে আপনিই হুটহাট ধর্মকে এখানে টেনে আনবেন? আচ্ছা বলেন তো এই পোস্টের কোথাও কি কেউ আপনার আগে ধর্মকে ইংগিত দিয়ে কথা বলেছে। করেনি।
আপনিই প্রথম হুট করে ধর্মকে ঢাল বানালেন। আপনার যা ব্যক্তিত্ব তাতে বিষয়টা নোংরামির মতো লেগেছে। আপনার হয়তো মাথা গরম হয়ে গেছিল।
নেমেসিস বলেছেন:
চিন্তা-চেতনায় সামান্য ভেদাভেদ ও কর্মপন্থায় ভেদাভেদের কারনে রাজাকার তকমা লাগিয়ে দেয়া হয়, যেটা মিরাজ ভাইয়ের ক্ষেত্রে হয়েছে।
--- কৈ দেখলেন রাজাকার তকমা লাগাইতে এই পোস্টটে ?? এই পোস্টটার টেস্ট কৃকেট ম্যাচ অবজার্ভ করতেসি পুরা রাত ধৈরা । কৈ আমি তো এমন কিছু দেখাম নাহ । অযথা এককাঠি বাড়ালেন কেন কথা ? @ মাহবুব সুমন
কৃষ্ণচূড়া বলেছেন:
আপনি এমন কোন্ পন্ডিত যে.... আমার নিক আপনাকে চিনতে হবে?? বরং আপনাকেই বর্ণচোরা ভাবার বহু উপাদান রয়েছে। ছাগু ও ড়াজাকারদের পর এবার দল সম্পূর্ণভাবে পরিস্কার করার সময় এসে গেছে। আর আমারও কোন বুইড়া ভামের সাথে আলোচনার ইচ্ছা নাই। তবে যেখানেই দালালী দেখা যাবে.... দুই দিনের বৈরাগীরা সেখানেই.....।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
@নেমেসিস,আপনার কাছে কৈফিয়ত দিতে বাধ্য না হলেও বলার ইচ্ছে হচ্ছে বলেই বলছি।
ইয়র্কার নামক একজন মিরাজভাইকে জামাতি বলছে এবং সেটাতে সে নাকি সন্দেহমুক্ত। আমি একজন জামাতিকে রাজাকারের সমতুল্যই মনে করি। অবশ্য এটা অতীতেও করা হয়েছে, অনেকেই তাকে জামাতি বলে ঘোষনা দিয়েছিলো।
যাইহোক সেটা পুরোনো কথা, ইয়র্কারের কমেন্ট কে এককাঠি-দুইকাঠি বাড়ানোর কথা অবশ্য আপনি বলেন নাই, যদিও সারা রাত পোস্ট অভজার্ভ করছেন আপনি !
মাহবুব সুমন বলেছেন:
কৃষ্ণচূড়া চেস্টা চালান, শুভকামনা আপনার জন্য।মুখোশধারী ভদ্রলোক হতে দূরে থাকি ভাইটু, ভালো থাইকেন।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
ভার্চুয়াল, আপনার বক্তব্যে মেরিট আছে। অন্য কারো কথা জানি না। আমার প্রায় কোনো প্রশ্নেই, কখনোই, মাথা গরম হয় না। এটা বহুদিনের অভ্যাস। কিন্তু আপনি একটু ভেবে দেখুন তো! জসিমউদ্দীন-এর সংগৃহীত গল্পে, ওই কালে ও প্রেক্ষাপটে. "জোলা" এক জিনিস। আর পশ্চিমবঙ্গীয় ঠাট্টা রসিকতায় যদি "জোলা" বলা হয় সেটার মধ্যে ধর্ম/সম্প্রদায়-গত দিকটাকে আপনি কী দিয়ে ঢাকবেন?
আমি যখন, এই আলোচনায় "সুশীল" এর কিতাবী/এনজিওগত অর্থ নিয়ে আগাতে চাইলাম অমি সমেত একাধিক জন আমাকে নসীহৎ করলেন যে এই ব্লগে সুশীল মানে আলাদা। সাব্বাশ! আপনার কি মনে হয় আমি এই ব্লগীয় মানেটা উদ্ধার করতে না-পেরেই কথা বলেছি? এখন ব্লগীয় সুশীল শব্দটা সনাতনী নাপিত সম্প্রদায়ের জন্য ডিরোগেটিভ। আপনি বাসায় কাউকে বরিশাইল্যা/নোয়াখাইল্যা বলে ঠাট্টা করেন এক কথা ... এটাতো ফোরাম। এই প্রেক্ষাপটে আমি সুশীল হিসেবে চিহ্নিত হলাম। তাহলে আমি এর অন্তর্গত অর্থ সামনে আনব না কেন? শীলের সম্প্রদায়/ধর্মীয় পরিচয়টা তো ব্লগের ঠাট্টায় এত মাস ধরে আপনারা বজায় রেখেছিলেন। আমি বড়জোর সেইটা উন্মোচন করেছি। আমার মনে হয় এভাবে ভাবা যায় বিয়ষটাকে।
অমিত বলেছেন:
মিরাজ সম্পর্কে আপনার কনক্লুশন নিয়ে আমার কোন মন্তব্য নাই। হয়ত আপনি আমার থেকে মিরাজকে ভালভাবে চেনেন। কিন্তু ব্যাপারটা কি জানেন, আপনি- আমি যেভাবে জামাত বা রাজাকার নিয়া কথাগুলি বলি, কেউ কেউ সরাসরি সেটা বলে না। নৈর্ব্যক্তিকভাবে নিজের অবস্থান জানায়। অতীতের অভিজ্ঞতা বলে এই যে নৈর্ব্যক্তিক অবস্থান, এটা খুব একটা সুবিধার ব্যাপার না।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
অমিত, আপনার সাথে আমি একমত, নৈর্ব্যক্তিক অবস্থান মানুষের চরিত্র ও অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, যেটা মিরাজের ক্ষেত্রে হয়েছে অনেক ক্ষেত্রে। তবে সবারই এক এক ধরনের চিন্তাধারা বা কর্মধারা রয়েছে, হয়তো মননে ঠিক। কেউবা আলোচনায় , কেউবা চরমপন্থায়। এই আর কি।
এইটাই বাঙালী কোনদিন বুঝেনাই।
এইটা যত তাড়াতাড়ি বুঝবা, ততই মঙ্গল।
আপনাগোর এইসব বোকামী দেইখা যারপরনাই বিরক্ত!!!!
নেমেসিস বলেছেন:
মাহবুব সুমন বলেছেন: আমি একজন জামাতিকে রাজাকারের সমতুল্যই মনে করি।
আপনার অনেক কমেন্টের সাথে এইটা কেমন জানি কন্ট্রাডিকটরি লাগতেসে । চিন্তা কৈরেন অবসর টাইমে ।
বাই দ্য ওয়ে আমি কিন্তু নিজের গলা দিয়াই কথা কই । এবং নিজের প্রয়োজনেই এই ব্লগ অবজার্ভ করতেছি আজকে টানা এক বছর ধৈরা ।
আর হ্যা আমি এখানে নানা নিকএ লিখলেও আপনার গা জ্বালা করা সেরম মুখোসধারী নই । ব্লগ পিকনিকে টানা ৭ ঘন্টা স্বীয় চেহারায় সবার সামনে ছিলাম ।অন্য নামে লিখি ব্যাক্তিগত কারনে
মাহবুব সুমন বলেছেন:
নেমেসিস,আমার বুদ্ধি-সুদ্ধি একটু কম, আমারেই একটু বুঝাইয়া কন ক্যামনে কন্ট্রাডকটরি মনে হইলো আপনের। আমার বোঝা দরকার।
কই কুন জায়গায় আমি কি বলছিলাম সেইটা বুঝতে পারছি না।
আপনে ১ বছর ধরে ব্লগ অবজার্ভ করছেন সেইটা খুবই ভালো, কিন্তু আপনে আগের কমেন্ট বলছিলেন আপনে ঐ পোস্ট টেস্ট ক্রিকেটের মতো সারা রাত ধইরা দেখতাছেন ! সেইজন্য আপনার অবজার্ভ করনের কথাটাই বলছিলাম আমি।
ভাইটু, বিভিন্ন নিক নিয়া জ্বালা আর বিভিন্ন নিক নিয়া একেক নিকে এক একেক রকম কথা কওনটা কি এক?
আমার জ্বালা সেই খানে যখন এক নিকে মানুষ মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে, আরেক নিকে জামাতিদের পা চাটে, এক নিকে মানবতার কথা কয়, আরেক নিকে হত্যার কথা।
ব্লগে এই রকম কিছু আছে। ১ বছর যখন আছেন তখন সেইটা আশা করি জানেন। জ্বালাটা বুঝতে পারছেন ?
আমার মন মেজাজ ভালো না, ভালো থাইকেন।
ভার্চুয়াল বলেছেন:
মানস বলেছেন : আলোচনায় "সুশীল" এর কিতাবী/এনজিওগত অর্থ নিয়ে আগাতে চাইলাম অমি সমেত একাধিক জন আমাকে নসীহৎ করলেন যে এই ব্লগে সুশীল মানে আলাদা।
-----------------------
কিছুটা আলাদাই। বাস্তবের সুশীল সাদামাটাভাবে বললে তারাই যারা তাদের স্বার্থের জন্য কলাম লেখেন, বক্তৃতা দেন, এনজিও-সংগঠন করে বেড়ান, বিশাল বিশাল ফর্দ দেন। সামহোয়ার যেহেতু প্রথমদিকে রাজাকারদের স্থান ছিল (এখন কিছুটা মুক্ত), তথাপি এখানেও কিছু কিছু নিক আছে যারা সেইসব জামাতী কিংবা রাজাকার-নিওরাজাকাদের আশ্রয় প্রশয় দিয়ে মিনমিনে গলায় তাদের পূর্বপুরুষ এবং জামাতীদের কার্যক্রমকে জায়েজ করার চেষ্টা চালায়, পোস্ট লেখে। বাস্তবের সুশীলদের সঙ্গে একটু হালকা মিল পাওয়া যায় বলে তাদেরকেও ব্লগে সুশীল নামকরণ করা হয়েছে। কেউ কেউ ব্যাঙ্গার্থৈ 'সু-শীল' বলে। কিন্তু বিশ্বাস করুন এতে মোটাদাগের মজা ছাড়া আর কিছু নাই। হয়তো এতে নাপতিশ্রেণীর কর্মকে কিছুটা ব্যঙ্গ করা হলো, কিন্তু সেই ব্যঙ্গের অন্তরালে ধর্মীয় অথবা নাপিত শ্রেণীটি কোন ধর্মজাত এই আবিষ্কার, সত্যি বলছি আপনিই প্রথম করলেন। ব্লগে নাপিত শ্রেণীকে কর্মকে আক্রমণ এবং ব্যঙ্গ করার জন্য আপনি বরং 'শ্রমের মর্যাদা' টাইপ কোনো রচনা মনে করিয়ে দিতে পারতেন।
'সুশীল' শব্দটাকে যেহেতু 'সু-শীল' লেখা যাচ্ছে এবং পড়ে একটা ভিন্ন অর্থ বের করা যাচ্ছে, তাই নাপিতরা ব্লগে এসে গেছেন। একজন নাপিত যতো সুন্দর করে আপনাকে কাটছাট করে সুশ্রী এবং গ্রহণযোগ্য করা তোলার চেষ্টা করে, ব্লগের কিছু কিছু নিক নিওরাজাকার ও জামাতী মতবাদকারীদের তেমনই সেবা দিয়ে আসছে।
বিয়ষটি বরং এভাবে ভাবতে পারেন। কোনোরূপ ধর্মের গন্ধ ছাড়াই।
কাজ করে খাই বলেছেন:
ঠিক বলেছেন।আপনার রাজাকারপুত্র বন্ধুর অধিকার রক্ষার জন্য বিরতিহীন সংগ্রামে আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। =সহমত= যতসব মোটা কথার মাথা!
নেমেসিস বলেছেন:
@ মাহবুব সুমন দুঃখিত । আপনার দুঃসংবাদটা পড়লাম । আপনি রেস্ট নিন । আরেকদিন আলাপ হবে । ভালো থাকবেন।
বাফড়া বলেছেন:
অ্যায় বরাদরে আযীযে মন মানস চৌধুরী চলেন আমরা সুশীল শব্দের ব্লগীয় ভার্সনের পিছের কাহিনী জানার চেষ্টা করি। ব্লগে যখন ঝামেলা শুরু হইল তখ একদল লোক পাওয়া গেল যারা কিছু না কইরা বরং কি করলে এই পরিস্হিতি হইত না, কিভাবে সামাল দেয়া যেতে পারে ইত্যাদি আলোচনায় চলে গেল। এসব আালোচনার দরকার অবশ্যই আচে, কিণ্টউ ঐসব পরিস্হিতিতে এইষব আলোচনার কোন দরকার ছিল না; দরকার ছিল অন্য কিছুর।াহোক তখন উতপত্তি ঘটে সুশীল শব্দটির। ামাগো সুশীল সমাজরে তো চিনেনই। বিভিন্ন প্রয়োজনে তারা পত্রিকায় অর্থহীন বিব্রিতি দেন। ব্লগের পাবলিকদের কামটা ছিল এদের মতই। তাই ব্লগীয় পাবলিকরা ভালোবেসে তাদের নাম দেয় সুশীল। পরে মাঝে কয়েকদিন এইটারে সু শীল কয়া পাচানো হলেও পরে এইটা আবার অরিজিনাল সুশীল বানান এবং ব্যভারটা ফিরত পায়। তবে পাবলিক এখনো মাঝে মাঝে সু শীল বানানটা ইউঝ করে।
দয়া কইরা এইখানে ''অন্তর্গত'' মিনিংটা খুঝবেন না। ব্লগীয় পাবলিকরা রাইসুর মত এত অডেল সময় নিয়া ঘুরে না যে তারা অন্তর্গত মিনিং নিয়া এই শব্দ ইউঝঃ করব। তারা ঐ ''সুশীল সমাজ'' অর্থেই এইটা ব্যাভার করেন। ঐ যা বললাম মাঝে মাঝে ইশপের গল্প বলার মত কইরা সুশসীলরে সু শীল ব্যাভার............।
উদাহরন : কে যেন মরকুব খোরশেদ সু শীল এই টাইপ চরিত্র নিয়া পোস্ট দিছিল
মনিটর বলেছেন:
রাতব্যাপী উপর্যপুরি পিএম (পোস্ট মর্ডানিজম না) খাওয়ার পরেও মাচৌ ভাল পারফর্ম করে গেছে। গুরু ড়ইসু কোন চিপায় বসে মজা লুটতেছিল কে জানে।ইয়াহু গু-রুপে কোবিশবা নাকি কি একটা আছে - ঠিক একি ইস্টালে মাচৌ তেনা পেঁচাইলো।গাছেরটা খাবে নাকি তলারটা কুড়াবে সেটা সময় বলবে-আপাতত গুড়ু ড়ইশু হয়ত বিডিআর্টস পাতায় আরও কিছু গপ্প ঝুলাইতে পারে।
ক্যাচালটা হুদা মিছা বাড়ছে।আলবদরপুত্র উয়ামি মুক্তিযুদ্ধাদের কুকুর বলছে এই জন্য ব্যান খাইছে।এখন ড়ইশুর ফোশকার জ্বালা করলে তো পাবলিক গদাম লাত্থি দিবেই দিবে। সাথে মাচৌ'র রাতব্যাপী ওভারটাইমটা তার বুদ্ধিবৃত্তিক দালালীর তরিকা।
মনে হৈলো - ব্লগের ইসলামি উগ্রবাদী জামাতি (বিজলীর খড়ি/ফজু /আশু)র সাথে মানস চৌধুরীর পার্থক্য নাই। কারন, মাচৌ কৌশলে তার ধর্ম পরিচয়রে নিয়া আসছে সামনে,তারপরে ম্যানিপুলেট করছে।
মাচৌ ব্লগীয় উস্কানি ও বিনোদনে নূতন ডাইমেনশন ।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
প্রতি ভার্চুয়াল: হুমম। আপনার প্রস্তাবে রাজি হওয়া যায়। ডেরোগেটিভ হলেও এটাকে মোটাদাগের মজা হিসেবে মেনে নেয়া এবং সুশ্রিতা এনে দেয়ার হাতসাফাই হিসেবে। তাহলে তো ৪জন সুশীলের হিসেব ঠিকই আছে। কে যেন দিলেন হিসেব মধ্যরাত্রিতে -- রাইসু, মাহবুব, মিরাজ এবং আমি। আমার নিজের সুশীল না হয়ে বরং এরকম কারো সেবা নিলে আরও ভাল হয়। আমার চেহারার যে ছিরি! কিন্তু তাও পশ্চিমবঙ্গে "জোলা" বিষয়টা প্লিজ ভাববেন একবার। প্রতি বাফড়া: আপনার প্রস্তাবেও রাজি হওয়া যায়। তাতে দাঁড়ায় সুশীল-এর পূর্বতন অর্থে নিবিষ্ট থাকা। আমার তো সেটাই আগ্রহ। সেই হিসেবে রাইসু কিংবা মাহবুব, দুজনকেই যেহেতু জ্যান্ত চিনি, সুশীল থাকেন কীভাবে? এরা তো এক চাকরিই বেশিদিন রাখতে পারেন না। আমার তো মনে হয় এই ব্লগে বহুত বান্দা আছেন যাঁরা নিজ নিজ চাকুরিদাতার কাছে অত্যন্ত পেয়ারে-বান্দা। তাইলে তাঁরা বেশি সুশীল হবেন না? ...তবে রাইসুর অঢেল সময় জানতে পেরে আমার খুবই সুবিধা হলো। চোখে চোখে রাখতে চেষ্টা করব। নিশ্চয়ই ফাঁক পেলে মগবাজার দৌড়ায়। ছি! রাইসু!
কৌশিক বলেছেন:
এমন একটা ভাবনা বিদ্যমান - রাজাকাররা কোনভাবে সুযোগ পেয়ে যায় এমন কোন মুক্ত আলোচনা পরিহারযোগ্য। রাজাকার নিধন লক্ষ্য হলেও এর কৌশল নিয়ে মতদ্বৈততা থাকতে পারে - এটা বরঞ্চ আলোচিত হওয়া দরকার, যদি আরো কোন কৌশল ডিভাইস করা যায় সত্যসত্যিই। এক্ষেত্রে উগ্রবাদী গ্রুপের সাথে এই তথাকথিত সুশীল গ্রুপের সন্বন্ধ হওয়া জরুরী - নিজেদের গু চাটকাচাটকি না করে। ঘুরে ফিরে আপনারা সবাই একই কথাই বলছেন, আক্রমণের লক্ষ্যও এক, শুধু পদ্ধতি নিয়ে ভিন্নতায় ভিন্ন পথকে খারিজ করার খাসলতটা ছাড়তে হবে।
কৌশিক বলেছেন:
বাই দ্যা ওয়ে, মানস দা, আমি ঘুমের আগে দেখলাম আপনি কমেন্টান। ঘুমালাম সাড়ে ছ'ঘন্টা।
অফিসে এলাম ঘন্টা খানেক।
এখনও কমেন্টান।
হসপিটালে যাবার ইচ্ছে আছে নাকি আবার?
মানস চৌধুরী বলেছেন:
বিচারকবৃন্দ অচেনা বাঙালি ও মনিটর! এই পোস্ট মডার্নিজম উৎসবে আপনার কই ছিলেন? আপোষহীন মনিটর যে নিজ চেহারায় কথা বলেন সেইটা দেখতে আরামের। আশা করি আপনাদের ড়ইশু আমার ওভারটাইমে আরেকটা গল্প ছাপবে (লাভ নাই তো, পয়সা দেয় না আর্টস-এ)। আপনার অন্য কোনো পত্রিকার খবর জানা থাকলে বলবেন প্লিজ।
বাঙালি অচেনা হলেও বাঙালি। জোশ!
আর আমার উগ্রতা আর আপনাদের ব্যগ্রতা দুইটাই আমার পরিচিত। আপনার বড়ভাইরা এগুলো নিয়ে বহু আগেই কথাবার্তা বলেছিল। "পোঙ্গামারা" ছাড়া এই আলাপে আপনাদের নতুন কোনো কন্ট্রুবিশন নাই। তবে ঠিকই আমি বড় হয়েছি উত্তরবঙ্গের দিকে -- ওখানে হোগা বলার মুক্তিযুদ্ধ স্বপক্ষীয় কোনো ট্র্যাডিশন নেই। পোঙ্গাই।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
কৌশিক আমি দুঃখিত। একমত নই। ও না.. রাত জাগছি একটা কাজের জন্য। এটা বাড়তি। কাজটা একটু পিছিয়ে গেলো। তা নতুন আমদানি বোঝেনই তো। আবার হাইবারনেশনে চলে যাব। কিন্তু হাসপাতাল আর না। একমত না এই বিষয়ে না। সেটা হলো আপনি মিলের জায়গা কার সঙ্গে কার দেখলেন বুঝলাম না। কালকে রাতের কথা যদি বলেন তাইলে গুণে গুণে মিরাজ আর আমি। মিরাজ তো বেশিক্ষণ থাকতেও পারেননি। তাহলে দুইটা দল বলতে... একটু অতিরঞ্জন হয়ে গেল না?!তার থেকেও বড় কথা আলাপ হয়েছে ২/৩ জনের সঙ্গেই বড়জোর। বাকিরা তো সব "হোগা" আর "পোঙ্গা"পন্থী। আপনার সঙ্গে চেনা পরিচয় আছে এই ভরসায় বলি -- আগে আপনারা "অটুট ঐক্যের" লোকজন ঠিক করে নেন যে "মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ" শক্তিতে আপনারা সবাই একত্রে আছেন কিনা -- সেন্টুমেন্টু পন্থী, ভাঙারেকর্ড বক্তৃতা পন্থী, ধাওয়াপন্থী, হোগা/পোঙ্গাপন্থী। যদি সবাই "মুক্তিযুদ্ধে"র "চেতনা"র চোটে এক ক্যাম্পেই থাকতে পারেন, তাহলে এই ঐক্যে আমাকে শামিল না করলেও চলবে। আমি সিরিয়াস।
এবারে বিদায় নিই। জানাবেন কিন্তু।
মিরাজ বলেছেন:
যাক!!! এতদিনে তাহলে মিরাজকে অফিসিয়ালি জামাত ঘোষণা দেওয়া গেলো!!! ইয়র্কার আপনি আমার অভিনন্দন গ্রহণ করুন । মিরাজের মুখোশ উম্মোচনে আপনার এই অসামান্য ভূমিকা এই ব্লগজনতা আজীবন মনে রাখবে । সেই সাথে স্মরণ রাখবে হাসিব সহ আপনার অন্যান্য সহযোদ্ধাদের এই অভিযানে সংগ্রামী অংশগ্রহণের কথা ।
মিরাজ তোমার সকল জারিজুরি খতম!!! বেচারা!! এইবার মানে মানে কেটে পড়ো ।
" মানস চৌধুরী বলেছেন: বিচারকবৃন্দ অচেনা বাঙালি ও মনিটর! এই পোস্ট মডার্নিজম উৎসবে আপনার কই ছিলেন? "
অত্যন্ত দুঃখের বিষয় রাতের বেলা আমি নেটে থাকিনা। সেজন্য এই পোস্ট মডার্নিজম মচ্ছবে আংশ গ্রহন করতে পারি নাই।
" মানস চৌধুরী বলেছেন: বাঙালি অচেনা হলেও বাঙালি। জোশ! "
ধন্যবাদ।
" মানস চৌধুরী বলেছেন: আর আমার উগ্রতা আর আপনাদের ব্যগ্রতা দুইটাই আমার পরিচিত। আপনার বড়ভাইরা এগুলো নিয়ে বহু আগেই কথাবার্তা বলেছিল। "পোঙ্গামারা" ছাড়া এই আলাপে আপনাদের নতুন কোনো কন্ট্রুবিশন নাই। তবে ঠিকই আমি বড় হয়েছি উত্তরবঙ্গের দিকে -- ওখানে হোগা বলার মুক্তিযুদ্ধ স্বপক্ষীয় কোনো ট্র্যাডিশন নেই। পোঙ্গাই। "
হা হা হা! আমি ঢাকার পোলা। আমাদের এইখানে আবার একেবারে কাঁচা বাংলায় বলে। তাই "পোঙ্গামারা" রে একটু ছুছিলীয় মনে কর বলছিলাম আরকি।
এইখানে এই পর্যন্তই । অন্য কোন পোস্টে আপনার সাথে অন্য বিষয়ে আলোচনা হবে আশাকরি।
কৌশিক বলেছেন:
বস এদের নিয়েই তো আন্দোলন চলছে। এদের মধ্যে আরো কতগুলো পন্থি আছে দেখলে মোটামুটি মুক্তিযুদ্ধ চেতনা দাত কামড়ে থাকবে! ১. যেকোন পদ্ধতিবাদী - যেমন অসংখ্য নিক, ডায়রিয়াদুষ্ট মন্তব্য, মানে একজন মন্তব্য করলো তো দশজন সেটাকে কাটপেস্ট করে দশনিকে মেরে দিল; মনে হবে বুলেট, সংখ্যাধিক্যে লক্ষ্য ঘায়েল, ভাবটা এমন এক গুলিতে হলো না বা মরলো তো পরে আরো কিছু একস্ট্রা ট্রিগার দাবানো। ঠিক যুক্তিটা আপনি ধরতে পারবেন না - আবার যুক্তির মত কিছু একটা থাকবে; এবং সবশেষে সেসব বাদ দিয়ে, নো টক, জাস্ট ফুট!
২. ধর্মউহ্যবাদীঃ ইসলামকে সরিয়ে রাখা। মানে ধর্মকে। কারণ এদের বেশীর ভাগই জামাতের রাজনীতির প্রধান অবলম্বন যে ইসলাম/ধর্ম; এ উৎস যে এমন রাজনীতির সুযোগ দেয় - সেটা বুঝতে বা আক্রমণের লক্ষ্য করতে অপরাগ। ধর্ম তখন পুরোপুরি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে এবং তখন তারা ইহাকে আন্দোলনের জন্য নেতিবাচক মনে করে। ভাবটা এমন উৎস সন্ধান না করে আপাত মলটুকু পরিষ্কার করে নিলেই হলো। এরপরে যে হিজবুত তাহরির সহ আরো অনেক মোল্লাতন্ত্র রয়েছে সেগুলো সামলানোর মত সমিল/শক্তিশালী মতাদর্শ তৈরী করতে অনাগ্রহী।
৩. রাজনীতিবিমুখতাবাদীঃ এসব কর্মতৎপড়তার পরেও এদের পদ্ধতিকে রাজনৈতিকনিরপেক্ষ ভাবার তাগাদা আছে। মানে এটা হচ্ছে সর্বদলের রাজাকার বিরোধী অবস্থান। এবং কোন দলের প্রতি অনাস্থাশীলতা; কিন্তু এই তৎপড়তায় রাজনৈতিক কোন প্লাটফর্মের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে চড়মভাবে অনুৎসাহীতা। অথচ একটা তৎপড়তা যার পেছনে কোন মতাদর্শিক বিশ্লেষণ নেই, আবেগী ভাবালুলতা রয়েছে যা গতিপথ হারাতে বাধ্য, আমি এরকম ভাবি।
৪. আনন্দবাদীঃ স্রেফ মজা করার জন্য। আফটার অল ইটস এ্যা আইডেন্টিভরশূন্য জোন। কিছুটা বিনোদন হলো রাজাকারদের গালাগালি করে - মুক্ত থাকলো খানিক, আত্মপ্রসাদে বগল দাবানো গেল। এরপরে কোথায় টাইম, "কথা" বলা হলো, মানে হল দখল হলো, "অদৃশ্যনিকধারী"রাও ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকলো। তকমা লাগানো গেল।
৫. গ্রুপবাদীঃ এদের নিজস্ব পছন্দ/অপছন্দ/বিরাগ/অনুরাগ রাজাকার বিরোধীতায় স্পষ্টভাবে পরিষ্ফুট হয়; আন্দোলনের মতাদর্শে কিছু নির্মিত/নির্মিয়মান সম্পর্কের প্রভাবদুষ্টতা- একটা ভার্চুয়ালী ওপেননেসে সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে হেনস্তাকরণ। কারো ব্যক্তিগত জীবনের নানাবিধ জটিলতাকে পুঁজি করেও আক্রমণের দাঁতে শান দেয়া হয়।
সুতরাং তারা যে অটুট নয় - এটা ন্যাচারাল।
তারপরেও তাহারা এই আন্দোলনের প্রধান সৈনিক। এদেরকে আম জনতার ছিটেফোঁটা রিফ্লেক্টিভ মডেল হিশেবে ভেবে এইখানে এটাকে তদ্রুপ গণবিকারগ্রস্থতা ভাবার পক্ষপাতী নই - কারণ সেটা পার্থক্যটাকে আরো ব্যাপক করে লক্ষ্য পূরণ পিছিয়ে দেবে। এটা একটা অর্জন বটে যে সে অর্থে রাজাকারদের কেবল ইসলামভাবাপন্নতা আর গালিবিরোধী একটা ক্ষুদ্র জনসচেতনা ছাড়া আর কোন পলিটিক্যাল পোস্টের যৌক্তিক বিজয় হয় নি। সখ্যাতও দেয় নি কেউ। বরঞ্চ আলোচনার ক্ষেত্রটা সম্প্রসারিত করেছে রাজাকারবিরোধী অবস্থানের কেউ কেউ। এই ধারাটাকেই আমার ইতিবাচক মনে হয়েছে। এখন এখানে মতাদর্শ নির্মিত হয় বা সে অর্থে এই অটুট ঐক্যের কিছু ভিত্তি তৈরী হতে পারে - কারণ রাজাকার বিরোধী আন্দোলন একদমই স্বতস্ফূর্ত হয়েছে, এতই স্বতস্ফূর্ত যে এটার পেছনে কোন সংগঠিত শক্তিই ছিল না। কখনও কখনও ওয়ান ম্যান'স ইনিশিয়েটিভ।
এখন এটার প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দরকার। আমি সেই অর্থে শামিল হওয়ার পদ্ধতি আবিষ্কারে আশাবাদী। যে ভাবেই হোক, এক্ষেত্রে ঐক্য তৈরী লক্ষ্য হওয়া উচিত।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
ব্লগে এত বুদ্ধীজীবি।!!!! বাহ!!!!জামাত তাড়ানির পক্ষে, তর্ক তাড়ানির বিপক্ষে।
হাসিব ভাইটু আমার তেল প্রতিভায় অনেক প্রীত মনে হইল, আমি তার ট্যাগিং প্রতিভায় মুগ্ধ। আমার উপর ইয়র্কার এখনো আশাবাদ রাখছেন জাইনা ভালো লাগল।
শুধু মানসের একটা মন্তব্য খচখচ করতাসে, (হাসিবের ট্যাগিংরে জোরদার করণের লাইগা না, তবে তিনি ও আরো অনেকেই তা মনে করতেই পারেন, তাগে অভিরূচি)।
আপনারা বিজয়ী। আমরা (মানে জামাতীরা) পরাস্ত। এর জন্য ৩৭ টি বছর আপনাদের ...ত্যাগস্বীকার করতে হলো। ২৬শে মার্চের প্রাক্কালে আপনাদের প্রভাত শুরু হোক স্বাধীন মন ও মননে।
(ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ...)। খুব খিয়াল কইরা বসেরা।!!!!!!।
মনিটর: মনে হৈলো - ব্লগের ইসলামি উগ্রবাদী জামাতি (বিজলীর খড়ি/ফজু /আশু)র সাথে মানস চৌধুরীর পার্থক্য নাই। কারন, মাচৌ কৌশলে তার ধর্ম পরিচয়রে নিয়া আসছে সামনে,তারপরে ম্যানিপুলেট করছে।
মাচৌ ব্লগীয় উস্কানি ও বিনোদনে নূতন ডাইমেনশন ।
যাও মাখায়া মুড়ি খাও গিয়া। আরেক আবাল।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
জামাতী সেলিব্রেটির খেদানিতে সুশীল সেলিব্রেটিগো মনকষ্ট হইছে।
এই আলোচনাটার অনেক দরকার ছিলো।
এখানে অনেক কিছুই পরিস্কার হলো।
শুধুমাত্র নামের মিল থাকার কারণে (নিপু) আমাকে যেভাবে আক্রমণ করা হয়েছিলো তার যের আমাকে এখনো দেখতে হয় মাঝে মাঝে!
থ্যাংকস মানস, মিরাজ এবং ব্রাত্য ভাইদেরকে।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
আসলে মুক্তিযুদ্ধের একাধিক পোস্ট দীর্ঘদিন ধইরা স্টিকি হইয়া থাকা আর নির্বাচিত সব মুক্তিযুদ্ধের পোস্টসহ ওয়ামীর পাছায় লাত্থি দেইখ্যা হিংসুক সুশীলসহ জামাতীরা একেবারে আওলাইয়া গ্যাছে।
সবুজমিয়া বলেছেন:
বাংলাদেশে আমি ঠিকমতোই চলাফেরা করছি, কাজ করছি,
আমার অধিকার নিয়ে আমাকে খুববেশি ভাবতে হয়নি।
অন্যান্য সকল বাংলাদেশীর মতোই সমান অধিকার ভোগ করছি।
বাস্তব জীবনে আমাদেরকে প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে হয়।
এই ব্লগেও আমি সেটাই বলব। এখানেও আমি যদি আমার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ করি আমাকে এখানেও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে হবে।
বাংলাদেশে যারা জামাতবিরোধিতা করেন, তাদের কোন একক ঐক্যবদ্ধ ধারা নেই। এইটা বুঝার জন্য বিরাট জ্ঞানীগুনি হতে হয়না।
প্রথমত: যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চান, কিন্তু জামাতকে পুরোপুরিভাবে রাজনীতি থেকে বাদ দেয়া সম্ভব নয়, সেইটা তারা বুঝেন, বাংলাদেশ থেকে জামাত শিবির নির্মূল করার কোন দাবীও তারা তুলেননা।
দ্বিতীয়ত: কিছু লোক গলাবাজি, বক্তৃতা বিবৃতি দেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতে হবে, সাথে সাথে জামাতশিবিরকে চিরতরে নির্মূল করতে হবে।
আমার এই লেখাগুলা দ্বিতীয় ধারাটির জন্য।
যারা জামাতশিবিরকে বাংলাদেশ থেকে চিরতরে নির্মূল করতে চান, তাদের মধ্যেও আবার বিভিন্ন দল আছে।
একটা দল আছে, যারা ভালমত জানেন, জামাতকে বাংলাদেশ থেকে নির্মূল করা সম্ভব নয়, তারপরও তারা এই দাবী করেন, কারন তারা মাঠ গরম করার জন্য, মাঝে মাঝে এসব বলে থাকেন।
আরেকদল আছে, উনারা, জামাত শিবিরের কাছে মাইর খাইছেন। জামাত পুরোপুরি নির্মূল হলে এরাও খুশি, কিন্তু কি কারনে উনারা জামাত শিবিরের মাইর খেয়েছেন, সেইটা ভেবে দেখতে হবে।
আক্রমনকারী ছাড়া কোন নিরীহ লোককে জামাতশিবির পিটাইছে এমন উদাহরন নেই।
আরেকদল আছে, যারা ইউরোপ আমেরিকায় থাকেন, বাংলাদেশের সাথে যাদের যোগাযোগ কেবল টেলিফোন আর ইন্টারনেট, বাংলাদেশের রাস্তা দিয়ে না হাটলে যেমন, বাংলাদেশের প্রকৃত অবস্থা বুঝা যায়না, তেমনি উনারাও বাংলাদেশের প্রকৃত অবস্থা না বুঝেই, জামাতশিবির নির্মূলের দাবী তোলেন। বৃহৎ প্রবাসীর মধ্যে মাত্র কিছুসংখ্যক প্রবাসী এইটা করেন। এই দাবীপূরনের জন্য বাংলাদেশ ধ্বংস হয়ে গেলেও উনাদের আপত্তি নেই, কারন উনাদের সন্তানদের জন্য ঐ দেশেই স্থায়ী ঠিকানা হয়ে গেছে, বাংলাদেশে ধ্বংস হলেও উনাদের কিছু যায় আসেনা।
আরেকদলে আছে, যাদের সংসার চলে বিদেশী শক্তির টাকায়। যাদের কাজ হলো, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অসত্য প্রচারনা চালানো। তারাও জামাত চিরতরে নির্মূলের পক্ষে।
এখন যারা এই দাবী করেন, তারা সবসময় ঢাবির উদাহরন দেন।
শুধু ঢাবির উদাহরন দিয়ে লাভ নেই। চবি, রাবিতে কিভাবে শিবির নির্মূল করতে চান সেইটা বলেন।
যারা জামাত শিবির করেন এরা সবকিছু জেনে, সবকিছু বুঝেশুনেই জামাত শিবিরে যোগ দেন, ভদ্রভাষায় বলেন বা সাহিত্যের ভাষায় বলেন বা গালিগালাজ করেন, জামাতশিবির ছেড়ে দিয়ে অন্য দলে তারা যাবেনা।
তাহলে জামাত শিবির নির্মূলের কি উপায়? তাদের সবাইকে হত্যা করতে হবে। কয় লাখ বাংলাদেশীকে হত্যা করতে হবে? তাহলে বলতে পারি যারা পুরোপুরি জামাত শিবির নির্মূল করতে চায়, তারা দেশে একটি গৃহযুদ্ধ চান। বর্তমানে বাংলাদেশে একটি গৃহযুদ্ধ হলে কাদের সবচাইতে বেশি লাভ হয়?
বর্তমানে প্রতিদিন বাংলাদেশ ঘটে যাওয়া চুরি, ডাকাতি, খুন
ও অন্যান্য অপরাধের সাথে জামাত শিবিরের কোন সম্পৃক্ততা আছে কি? জামাত শিবির নির্মূল হলে বাংলাদেশ চিরশান্তির দেশে পরিনত হবে, এইটা ভাবার কোন কারন আছে কি?
আবার যারা বলেন, এই ব্লগকে অন্তত জামাত শিবির মুক্ত রাখা হোক। তারা বোকার স্বর্গে বাস করে। আপনারা জামাত শিবিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচারমূলক পোসট দিবেন, আর কেউ সেটার জবাব দিবেনা,
সেটা ভাবেন কিভাবে?
বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন:
নতুন থ্রেড দেন কেউ। রাইসুর হিট আসমান ফুটা কৈরালাইছে
আজহার ফরহাদ বলেছেন:
অধিক প্রয়োজনীয় নয় এমন আলোচনায় পাকা খেলোয়াড়ের মতো দায়িত্ব পালন করে যাওয়াটা কী মানস স্যারের জন্যে খুব প্রয়োজনীয় ছিল । ব্লগার হিসেবে যদি দায়িত্বটা পালন করতে হয় তো ঠিক আছে কিন্তু তিনি কোন সুখে নিশ্চুপ ও নির্বাক রাইসুর পোস্টের জের টানলেন না ঘুমিয়ে ৬ ঘন্টা? আলোচনাটি বিষয়ের চেয়ে ইঙ্গিতপ্রবণ হয়ে যাবার পরও তার টিকে থাকার প্রবণতাই প্রমাণ করে তর্ক করার বহুদিনের লালিত অভ্যাসটি বেঁচে আছে বহাল তবিয়তে- চাই সেটা কু-তর্কই না হোক। কু-তর্কই মানে খারাপ তা নয়, মাঝে মাঝে অপ্রয়োজনীয় এই ধরনের অনেক তর্কই খারাপ হয়ে ওঠে। স্যারের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, আলোচনার সূত্রপাত ঘটিয়ে রাইসু যখন বোবা তখন নির্বাক সময়ের কোন চলচ্চিত্রটি বানাবার জন্য আপনি এত পরিশ্রম করে গেলেন! আমিতো এইসব কথাকাটাকাটি হতে বাকচাতুর্য ভিন্ন আর কোন উপহারই খুঁজে পাচ্ছি না।
রাইসু ভাই কাগজের প্লেন বানিয়ে যে পোস্টটি ছুঁড়েছিলেন তা আপনারও কি অনুরূপ ছুঁড়ে ফেলার প্রয়োজন ছিলো না? অধিক সময় ধরে আপনারা এই হাওয়াই তর্কের গোলক ধাঁধাঁয় ঘুরে মরলেন।
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
বুদ্ধিজীবীদের আগমন দেখলাম না তেমন একটা। সাধারণ লোকই বেশি ।
রাগিব বলেছেন:
"ভালোচনা" ও সুদীর্ঘ কমেন্টের ক্ষেত্রে এই পোস্টটি সম্ভবত সামহয়ারইনব্লগে রেকর্ড স্থাপন করেছে!
অমিত বলেছেন:
১৭ জন এসেছিলেন।
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন:
নাম বলেন।
অমিত বলেছেন:
ক্যান ?
দেশপ্রেমিক বলেছেন:
আফসোস ... রাইসুর জামাতরে ব্লগ থেকে খেদানোর দাবীটা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিও কোন এক আশ্চর্য কারনে সমর্থন করেনাই। এর মানে কী?
দেশপ্রেমিক বলেছেন:
পোস্টটা ৫৬ জনের ভালো না লাগার বিভিন্ন কারণের মধ্যে jealousy অন্যতম।
ডাক্যাইত বলেছেন:
লেখক বলেছেন: পিটার গ্রিনওয়ের সিনেমায় দেখছিলাম, এক মাইয়া তার শিশু সন্তানরে খুন করায় তারে সকলে ধর্ষণ করবে এই রায় হয়। শহরের সব লোক ওই মাইয়ারে ধর্ষণের জন্য লাইনে খাড়ায়। জনমত এমনই।হাহাহা ... রাইসু দেখি মুক্তিযোদ্ধাদের ধর্ষকামীগো লগে তুলনা কর্লেন! প্রেসক্লাবের ঘটনার লগে মিলাইলে সেরমই লাগে
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
দেশপ্রেমিক দেখি চামে চিকনে এইখানকার লুকেরা জেলাস এই কথা কয়া গেলো ।আজহা র ফরহাদও এই একই কথা কৈলো । হরিদাস পালের দল সব ।
আলিফ দেওয়ান বলেছেন:
উরে না....এই এক পুস্ট পড়তে ৩ ঘন্টা গেলগা
নীতিশ বৈরাগী বলেছেন:
পোস্ট হাস্যকর। মন্তব্যগুলা গরম
হাসিব বলেছেন:
সেরাম পুস্ট আছিলো
কঁাকন বলেছেন:
মাশাল্লাহ......
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















