স্বেচ্ছাচার না করা গেলে তারে স্বাধীনতা বলে না। স্বাধীনতা মানেই স্বেচ্ছাচারের অধিকার।

প্রথম আলো ব্লগ শুরু করলে কী কী ঘটতে পারে?

২৪ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:১৫

শেয়ারঃ
0 2 0

প্রথম আলো পত্রিকাটি তার অল্প জ্ঞান ও অধিক রুচিবোধ দিয়া মধ্যবিত্ত নাগরিক সমাজের বারোটা বাজাইয়া আসতেছে, অনেক দিন হইল। এখন যখন তারা ব্লগে নামছে ধারণা করা যায় সেই অল্প জ্ঞান (জ্ঞানীদের মত করে তথ্যের বিতরণ) ও অধিক রুচিবোধ বহাল রাখবে। তাতে দুই তিনটা কাণ্ড ঘটবে আশঙ্কা করি।

১. সামহোয়ার ইন ব্লগ পরিশীলনের মাত্রা বাড়াইয়া সচলায়তনে পরিণত হবে।

২. সচলায়তন লেখকদের সূতিকাগার বা লেখা জমিয়ে রাখার লাইব্ররিতে পরিণত হবে।

৩. ব্লগ বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ে তদবির করার মারফতে পিআলো বন্ধুসভা উপযোগী ব্লগীয় কানুন প্রতিষ্ঠা করবে। যার জের টানতে হবে সকলের।

আর কী কী ঘটতে পারে আপনারা জানান।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: মিডিয়া  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২০
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: ৩ নং কারনটা একেবারে অনিবার্য।
+
২. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২৫
মাঠশালা বলেছেন: ব্লগ বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ে তদবির করার মারফতে পিআলো বন্ধুসভা উপযোগী ব্লগীয় কানুন প্রতিষ্ঠা করবে। যার জের টানতে হবে সকলের।
৩. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২৮
কৌশিক বলেছেন: সামহোয়ারের অনেক স্পর্শকতার বিষয় রেফারেন্স হিসাবে উপস্থাপিত হওয়ায় সামহোয়ারের মার্কেট ও নিয়ন্ত্রণ সম্প্রসারিত হবে।
৪. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৩৬
রিফাত হাসান বলেছেন: বালাদেশ নামের ভয়াবহ রাষ্ট্রটা কেন দিনদিন অকার্যকর হয়ে যাচ্ছে, এবং পৃথিবীর মাতব্বরদের এদিকে কত শিঘ্রই নজর দেওয়া দরকার, প্রথম আলো প্রতিদিন আলো ফুটবার আগেই এই বিষয়ে সবাইকে জ্ঞান দান করবে।
৫. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৩৮
মাহফুজুল ইসলাম বলেছেন: পত্র-পত্রিকাগুলোর তথ্যগুলোকে অন্ধভাবে গ্রহণ করাকে আমাদের বর্জন করতে হবে।

প্রথম আলো পত্রিকা সম্পর্কে আমারো বেশ কিছু অভিযোগ আছে।
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৪২

লেখক বলেছেন: অভিযোগগুলা বলেন। তারপরে দুইজনে মিলা পিআলোতে চাকরি চাইতে যাব।

৬. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪৪
আমি বাঙ্গালি বলেছেন: আর যাহাই হোক ইহা যে বিডিনিউজের আর্টস পেজ হইবে না ইহা নিশ্চিত। আর জ্ঞান বিতরণের যাবতীয় দায়িত্ব বাংলা ভাষী সকলের পক্ষ হইতে ব্রাত্য রাইসুকে অর্পন করা হইবে।
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৪৪

লেখক বলেছেন: আমি সেই দায়িত্ব নিতে চাই, দেন।

৭. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৫২
ক্যামেরাম্যান বলেছেন:
বিডিনিউজেরও তো ব্লগ সাইট করার কথা শুনেছিলাম তার কি হলো ?
৮. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৪
দূরন্ত বলেছেন: যা কিছু ভালো তার সঙ্গে প্রথম আলো। অর্থাৎ বাকিরা খারাপ।

কিছুদিনের মধ্যেই প্রথম আলো ব্লগ ছাড়া অন্যগুলি খারাপ প্রমাণিত হবে।
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৪৯

লেখক বলেছেন: প্রথম আলো খারাপ প্রমাণিত করবে তা মনে না। ওনারা নিজেরাই প্রথম আলোর পদাংক অনুসরণে খাড়া।

৯. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৩
সাগর নীল বলেছেন: ঐ ব্লগ টি হবে একটি একঘেয়ে , কন্ট্রোল্ড, শুশিলীয় ও তথাকথিত কুলীনদের ব্লগ।
১০. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:০৪
আরিফ জেবতিক বলেছেন: ব্লগাররা কিছুদিনের মাঝেই " মাদককে না বলুন " শিরোনামে রবীন্দ্র গর্তে ( ঐযে ধানমন্ডির লেকের পারে যেটা ) কনসার্ট আয়োজন করবেন ।





অফটপিক :
আমি পিআলোর ব্লগে লিখার জন্য বড়োই আগ্রহী । দেখা যাক , কী দাড়ায় ।
১১. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:০৫
তারিক টুকু বলেছেন:
উনারা ব্লগ শুরু করছেন কেন, উদ্দেশ্য কী?

মিডিয়ার সমস্ত উয়িং- এ নিজেদের যে তারা ঢোকাতে চাচ্ছেন, তাতে তাদের আগ্রাসী আচরণটা আমাদের কাছে স্পস্ট কী না।

আমি যতদূর জানি, প্রথম আলো একটা জিনিসই বোঝে। লাভ। ইন্টারনেটে তাদের প্রথম স্টেপ হিশেবে তারা বোধহয় প্রথম আলো জব্স -এর একটা সাইট খুলেছিলো। এবার ব্লগ। ইনটেনশনটা বোঝা যায়।

এই লাভের জন্য তারা প্রয়োজনে সুশীল যেমন সাজতে পারে, তেমনি এমন বহু কিছুই করতে পারে যা 'যা কিছু ভালো, তার সঙ্গে প্রথম আলো'-র সাথে যায় না।

রাইসু ভাই, সামহোয়ার পরিশীলনের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে-- এই আশংকা করেছেন। সাথে ব্লগ বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ে তদবির করার মারফতে পিআলো বন্ধুসভা উপযোগী ব্লগীয় কানুন প্রতিষ্ঠা করবে। যার জের টানতে হবে সকলের।--এই মন্তব্যও করেছেন। আমার মনে হয় এই অভিমত খুব গুরুত্বপূর্ণ। মিডিওক্রিটির যে ধারা তৈরী করতে পেরেছে প্রথম আলো, এবার ব্লগ করে ব্লগারদের মধ্যেও সেই ধারা গড়ে তুলতে চাইবে। এ ক্ষেত্রে মাহবুব মোর্শেদ যেহেতু তাঁদের পিক, সেহেতু বোঝা যায়, ব্লগ গরম রাখার জন্য বা একে ব্যবসা সফল করার জন্য তাঁরা বেশ পোক্ত হয়েই মাঠে নেমেছেন।

এবং সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, এতকিছু জানার পরও আমরা তাদের ব্লগীয় কানুন হেট মাথায় গ্রহন করে, তাদের রূচিমতো নিজেদের লেখা সেখানে লিখে , তাদের ব্যবসা সফল করে দিয়ে আসবো।
১২. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:১৭
শাওন বলেছেন: মুক্তচিন্তা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ব্লগ-বুদ্ধিজীবিদের সংখ্যা বেড়ে যাবে ।

পোস্টে প্লাস ।
১৩. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:২৪
প্রশ্ন কত বলেছেন: দৈনিক কমেটের ব্লগে রেজিষ্ট্রেশন করেছিলাম ,ফিরতি মেইল পায়নি । যাই হোক দৈনিক অন্ধকারের ব্লগে মন্তব্য করার আশা রাখি ।
১৪. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:২৭
আরিফ জেবতিক বলেছেন: তারিক টুকু ,
পিআলো বন্ধুসভা উপযোগী কোন আইনকানুন তৈরী করেও সেটাকে স্টাবলিশ রাখতে পারবে বলে মনে হয় না ।

ব্লগিংয়ের জন্য অপশন অবারিত ।

তবে আপনার শেষ কথার ভিত্তিতে কিছু কথা বলতে চাই ।

--------------------------------

একজন লেখক হয়তো আশা করতে পারেন যে তার লেখা বেশি পাঠকের কাছে যাক ।
সেক্ষেত্রে সহজ মাধ্যম হিসেবে আপনি ব্লগকে পাচ্ছেন যেখানে কারো সম্পাদনা ছাড়াই আপনার লেখাটি প্রকাশ সম্ভব ।

এই জায়গায় সামহোয়্যারের ব্যর্থতা হচ্ছে তাদের অন্তর্মূখীতা , সামহোয়্যারের প্রচার ও প্রসারে তাদের কোন উৎসাহ নেই ।
দুই বছরের মাথায় সামহোয়্যারে সবসময়ই কমপক্ষে হাজার হিট থাকা উচিত , সেখানে এই কয়েকমাসে স্থায়ী ভাবে একশ পেরিয়েছে ।

সচলায়তনের অবস্থানটা তো পরিষ্কারই । সেখানে সবাইকে লিখতে দেয়া হয় না ,সেটা একটা ক্লোজ গ্রুপ । সেটাকে হিসেবের বাইরে রাখলাম ।

সাংগঠনিক দক্ষতার অভাবে পেচালি তো দাড়াতেই পারে নি ।



কিন্তু পিআলো যদি ব্লগ করে সেখানে হিট বেশি হবে । পিআলোর নেট ভার্সনের পাঠক দুনিয়া জুড়ে , সেই হিট অনেক বেশি । সেই পাঠকদের অনেকেই তখন ব্লগিং শুরু করবে ।

"পিআলো'র ইন্টারনেট সংস্করনে লেখি " এই ধরনের ভার্চুয়াল বুদ্ধিজীবি তখন পাওয়া যাবে অনেক । সুশীল সমাজে ঢোকার একটি রাস্তা হতে পারে তাদের ব্লগ ।

যেহেতু পাঠক বেশি হতে পারে বলে মনে করছি , তাই সেখানে লেখার ব্যাপারে লেখকদেরও উৎসাহ থাকবে বেশি ।

তবে সেখানে পলিটিক্যাল বিষয়ে কিংবা অন্য কোন সেনসেটিভ বিষয়ে কতোটুকু লেখা যাবে সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে আমার ।


পিআলো জবস টা কিন্তু আদি ও অকৃত্রিম জব সাইট " বিডিজবস"কে পেছনে ফেলতে পারে নি , জব সাইট বললে এখনও আমি বিডিজবসকেই বুঝি ।

দূ:খের বিষয় সামহোয়্যার বাংলা ব্লগিংয়ের জনপ্রিয়তার পথিকৃৎ হওয়ার পরেও শুধু তাদের খামখেয়ালির কারনেই এটাকে পুরো ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারে নি ।

বিডিজবস যদিও পিআলো জবস কে সহজেই টেক্কা দিয়েছে , সামহোয়্যারের পক্ষে সেটা হয়তো সহজ হবে না ।
তারপরও সামহোয়্যার তার জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে পারবে বলে আমি মনে করি ।





১৫. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৫০
মাহবুব সুমন বলেছেন: প্রথম আলোর ব্লগ ধারনাটিকে স্বাগত জানাই। এটা আমাদের দেশে নতুন বলেই হয়তো অনেকের মনে সংশয় জাগছে। কিন্তু পৃথিবীর অনেক দেশেই বিভিন্ন পত্রিকায় ধরনের ব্লগের অস্তিত্ব আছে। ওয়াশিংটন পোস্টের ব্লগ টিকে একটু চোখ বুলানো যায়।

প্রথম আলোর ব্লগ ধারনাটিকে কিছুদিনের মধ্যেই অন্য পত্রিকাগুলো লুফে নিবে বলে মনে হচ্ছে আমার কাছে।

প্রথম আলো দান ছত্র খুলে বসে নাই, এরা ব্যবসা করার জন্যই এসেছে। পূঁজিবাদী সমাজে বাস করে যারা ভাবেন লাভ না করে তথাকথিত জনসেবা করে যাবে তারা কি ভাবেন, যারা সেখানে কাজ করেন তাদের বেতন কিভাবে হবে সেটা মনে হয় অনেকেই ভেবে দেখেন না। এটা বাংলাদেশ কম্যুনিস্ট পার্টির একতা না যে লাভের মুখ না দেখে পার্টির আদর্শ দেখবে ( অবশ্য সেই রাবন ( সোভিয়েত ইউনিয়ন ) ও নেই যে ভর্তুকি আসবে ! ))

কে টিকবে আর কি টিকবে না সেটা সময়েই বলে দেবে।
সামহোয়্যার ইনের এ ব্লগ সাইটটিও এক ধরনের ব্যবসার উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছে যদিও তারা সমাজের প্রতি দ্বায়বদ্ধতার কথা বলেন (! ?)
বাকি যে সব ব্লগ সাইট হয়েছে তাদের আকার এতোই ছোটো যে তা মহা সমুদ্রে বালিকনা মাত্র। সেটা কাজিপাড়া ফোরাম বা ছাগু ব্লগ সাইট হোক বা সামোহোয়্যার হোক।
১৬. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:০০
মুজিব মেহদী বলেছেন: প্রথম আলো সত্যি সত্যি ব্লগ শুরু করছে কি না, এই পোস্ট সে বাপারে নিশ্চিত করছে না। মনে হচ্ছে 'যদি করে তাহলে কী হবে?'-ধরনের কথাবার্তাই এখানে বলতে চাওয়া হচ্ছে। আবার কিছু কমেন্ট থেকে বোঝা যাচ্ছে, তারা ব্লগ করতে যাচ্ছে এবং ইতোমধ্যে সামহোয়্যারখ্যাত (সুখ্যাত না কুখ্যাত?) একজন ব্লগারকে তারা নিয়োগও দিয়েছে বা দিতে যাচ্ছে। সুতরাং আপাতত ধরে নেই যে ওরা ব্লগ শুরু করছে। আমি এ সংবাদে আনন্দিতও না, বিরক্তও না।

আগামী দিনে বাংলাদেশে ওয়েবসাইটের ইউজার যেমন বাড়বে, তেমনি সেখানে বাংলায় লেখা ও পড়ার হারও বাড়বে। সুতরাং দিনে দিনে আরো আরো ব্লগিংয়ের অপশন তৈরি হবে এটাই স্বাভাবিক। এটা প্রথম আলো না করলেও বিডিনিউজ করবে বা অন্য কেউ। অথবা আরো অনেকই করবে। আগামী ১০ বছরে বাংলা ব্লগ কম করেও আরো ২০টা হবে। এই সম্ভাবনাকে মাথায় নিয়ে বলা যায় প্রথম আলোর জন্য উচিত ছিল এখনই আরেকটা ব্লগ ওপেন না করে যে সমস্ত বাংলা ব্লগ এখন চালু আছে সেগুলোকে অচল করে দেয়া বা কিনে ফেলা ; তাঁরা যাতে আর কখনো বাংলা ব্লগ চালু করতে না পারে সেরকম চুক্তি সম্পাদন করা ; বাংলা ব্লগিং ব্যাপারটাকে প্যাটেন্ট করা এবং তারপর শুরু করা। তাহলে ব্যবসাটা মনোপলি হতো এবং 'যা কিছু ভালো তার সঙ্গে প্রথম আলো' কথাটার কোনো বিরুদ্ধ কথা বাংলা ব্লগে লিখিত হতো না। তবে যাই হোক, প্রথম আলো ব্লগ শুরু করলে সেখানে লেখকের অভাব হবে না এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়।

যাই হোক, ব্রাত্য রাইসু মন্তব্য চেয়েছেন কী কী হতে পারে সে বিষয়ে। এখন সেদিকে মনোযোগ দেয়া যাক। পোস্টে কথিত তাঁর ৩ নম্বর আশঙ্কাটার সাথে আমি পুরোপুরি একমত। অন্য দুটোর (১ ও ২)সাথে একমত নই। এছাড়া আর যা যা ঘটতে পারে, সেগুলো হলো--

১. ব্রাত্য রাইসু প্রথম আলো ব্লগে কাজের অফার নাও পেতে পারেন।

২. তিনি প্রায়ই সামহোয়্যারে সচলায়তন ও প্রথম আলো ব্লগের নিন্দামন্দ করে পোস্টাতে পারেন।

৩. এসব নিন্দামন্দ সামাল দিতে প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ একসময়কার তাঁর সহকারীর সহকারী হিসেবে কাজের অফার দিতে পারেন এবং ব্রাত্য রাইসু সেই অফার উপেক্ষা করতে পারেন।

৪. মাহবুব মোর্শেদ মনে নাও রাখতে পারেন যে একসময় সে ব্রাত্য রাইসুর সহকারী ছিল।

৫. মাহবুব মোর্শেদ তখন উগ্র নীল শার্ট বাদ দিয়ে মডারেটর হিসেবে হালকা রঙের শার্ট পরা ছবি প্রোফাইলে ব্যবহার করতে পারেন।

৬. বিচারপতি মুহম্মদ হাবিবুর রহমান, ড. আনিসুজ্জামান, যতীন সরকারসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ব্লগিং শুরু করতে পারেন।

৭. ব্লগ মডারেশনে খুব কড়াকড়ি থাকতে পারে। তবে মাহবুব মোর্শেদ চাইলেও তাঁদের কমেন্ট কখনোই মডারেট করতে পারবেন না, যদিও সে তাঁদের, বিশেষ করে ড. আনিসুজ্জামানকে খুব ছোট মাপের বুদ্ধিজীবী মনে করে। অথবা তখন সে আনিসুজ্জামানকে দেশের শীর্ষস্থানীয় বুদ্ধিজীবী মনে করতে বাধ্য হতে পারে।

৮. মাহবুব মোর্শেদের সাথে দেখা করতে চাইলে এক সপ্তাহ আগে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হতে পারে।

৯. আনন্দবাজার মাহবুব মোর্শেদের বই ছাপবার অফার দিতে পারে এবং সে রাজিও হতে পারে।

১০. ব্লগার পুরস্কার প্রবর্তিত হতে পারে (আদর্শ ব্লগার, বছরের সেরা ব্লগার, সেরা প্রবীণ ব্লগার, সেরা নারী ব্লগার প্রভৃতি)। এ পুরস্কার কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রাত্য রাইসু আমন্ত্রিত হতে পারেন। তবে তিনি এটি লুফে নেবেন কি নেবেন না সেটা নির্ভর করবে সে সময় তাঁর সাথে কর্তৃপক্ষের সম্পর্ক কেমন থাকবে না থাকবে তার উপর।

১১. ব্লগের বাছাই লেখা নিয়ে প্রথম আলো প্রকাশনী থেকে মোটাসোটা বই বের হতে পারে।

১২. 'কীভাবে ভালো ব্লগার হবেন?'-এরকম নসিহত ব্লগ ও মুদ্রণ উভয় মাধ্যমেই ওরা প্রচার করতে পারে।

১৩. অভিজ্ঞ ব্লগারদের কেউ কেউ ফিসের বিনিময়ে ব্লগিং শিক্ষণ স্কুল খুলে বসতে পারেন। সেখানে অতিথি বক্তা হিসেবে ব্রাত্য রাইসু, মাহবুব মোর্শেদ প্রমুখ আমন্ত্রিত হতে পারেন।

১৪. ব্লগে প্রথম আলোর সকল প্রকল্পের লিংক থাকতে পারে। এই ব্লগ ব্লগারদের ফ্লাশ প্লেয়ারে প্রথম আলো প্রকাশনীর সকল বইয়ের বিজ্ঞাপন হজম করতে বাধ্য করতে পারে।

১৫. মুজিব মেহদী যেহেতু প্রথম আলোসহ কোনো দৈনিকেই লিখে না, সেহেতু সে প্রথম আলো ব্লগেও না লিখতে পারে। তবে প্রথম আলোর ব্লগারদের সামাজিক মর্যাদা, হম্বিতম্বি দেখে মনে মনে কষ্টও পেতে পারে।
১৭. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:১০
কৌশিক বলেছেন: মুজিব ভাই, আমার নামাটাও কাইন্ডলী ১৬ তে......
১৮. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:০২
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মুজিব মেহদীকে বিশিষ্ট ব্লগ গবেষক উপাধীতে ভূষিত করার দাবি করছি। ব্লগ বিষয়ে ওনার দর্শনের গভীরতা ও মহানুভবতায় মুগ্ধতা হেতু তাকে নোবেল পুরস্কার দেয়ার প্রস্তাব করছি। তাকে নোবেল দেয়ার আবেদন সম্বলিত এই চিঠি অনুবাদ করে সুইডিশ একাডেমিতে পাঠানোর জন্য একজন ইংরেজকে ভাড়া করা হউক।
১৯. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:১৪
অচেনা বাঙালি বলেছেন: আমার বুঝে আসে না মেহদী নামের সবাই কবি ও জিনিয়াস হয় ক্যান? :P
২০. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:১৮
কাঙাল বলেছেন: আ...রে ছাগলেরা......

প্রথমআলো ব্লগ শুরু করবো তো তোদের কী হইলো? তোদের এত মাথাব্যথার কারণ কি?

তাছাড়া সামহোয়ারইন ব্লগ আর প্রথমআলো ব্লগের চরিত্র তো আর এক হইবে না। প্রথমআলোরটা হয়তো হবে নিউজ ভিত্তিক। তাদের পত্রিকাতে প্রকাশিত নিউজের উপর কমেন্ট ভিত্তিক। যে সকল পত্রিকা ব্লগিং শুরু করেছে তাদেরটা দেখলেই বোঝা যাবে প্রথমআলো কী কী করতে পারে।
২১. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:২১
মনিটর বলেছেন: মুজিব মেহেদিকে উত্তম জাঝা দেয়া হইল ।
২২. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:২৩
কাঙাল বলেছেন: কবিগুরু মুজিব মেহেদী। আপনাকে সেলাম দিই ১০ বার। যা লিকেচেন না........
২৩. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৩২
মানুষ বলেছেন: কিছুই হবে না। দেশে কয়জন আর ব্লগায়?

বেশি করে দেশীয় ব্লগ তৈরী হলে দেশে ব্লগ সংক্রান্ত নিতিমালা আসার একটা চান্স আছে। আফসোস সেই সময় আর গুলমে আজমের জুতা খাওয়ার ছবি চাইলেই পোষ্টাইতে পারবো না।

তবে আশার কথা আমাদের দেশের নীতি নির্ধারক রাজনীতিক এবং আমলা গণের কম্পু জ্ঞান প্রায় শূণ্য। সূতরাং আরো দশ বছর নাকে তৈল দিয়ে ঘুমানো যেতে পারে।
২৪. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:০৮
তীরন্দাজ বলেছেন: সাবাশ মুজিব মেহদী!
২৫. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:১৩
মুজিব মেহদী বলেছেন: মাহবুব মোর্শেদ, আপনার ভাগ্যে আগে প্রথম আলো, আনন্দবাজার প্রভৃতি পুরস্কারের শিক্কা ছিঁড়ুক, তারপর আবেদন পাঠান। আপনার নামের সাথে এসব পুরস্কারের কথা লেখা থাকলে আবেদনটা প্রস্তাবক হিসেবে গুরুত্ব পেতে পারে। কথা দিচ্ছি, পুরস্কারটা আমি আপনার নামেই উৎসর্গ করব।

এখন আবেদন পাঠালে আমার নোবেল পাবার সম্ভাবনাটাই নস্যাৎ হয়ে যাবে।
২৬. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৩২
মুক্তির কথা বলেছেন: ভাই আগে বানাক একটা ব্লগ , তারপর না হ্য় দেখা যাবে কে বেশি পপুলার হয়। তবে একটা কথা সবার মনে রাখা উচিৎ, যে পথ দেখায় সে কিন্তু সবার আগেই থাকে। সে ক্ষেত্রে সামহয়ারইন অনেক এগিয়ে আছে।
২৭. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৩২
আরিফ জেবতিক বলেছেন: মুজিব মেহদী কে পরবর্তীতে দেখা হওয়া মাত্র এবং উনি চাহিবা মাত্র এককাপ গরম চা , কোহিনূরের দুইটি সিঙারা এবং একটি বেনসন খাওয়াইতে বাধ্য থাকিব ।

বহুদিন পরে ব্লগে একটা রসালো কমেন্ট পড়লাম ।
২৮. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৩
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: ব্রাত্য রাইসু,
আপনার ৩ নং (ব্লগ বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ে তদবির করার মারফতে পিআলো বন্ধুসভা উপযোগী ব্লগীয় কানুন প্রতিষ্ঠা করবে। যার জের টানতে হবে সকলের।) মন্তব্যের সাথে সম্পূর্ণ একমত।

কমতো আর দেখিনি ! ৯৮ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত আস্টেপৃষ্টে ছিলাম প্রআলোর সাথে। কত শত কিছুর সাক্ষী এই অধম......!!!!?????
২৯. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৭
সুমন বলেছেন: প্রথম আলোর আগে মনে হয় আরো ব্লগ সাইট আসবে। যাদের আন্তরিকতা আছে, সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করবে তারা ঠিকে থাকবে।

প্রথম আলো ঠিকে থাকবে, তবে তা হবে টুটি ধরে মুক্তচিন্তা করানো টাইপের ব্লগ। আর ব্লগার বাড়লে হয়ত নিবন্ধন ফি ও নিতে পারে।

দেখা যাক।
৩০. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৪৮
ভার্চুয়াল বলেছেন:

মুজিব মেহদী @ নেক্সট টাইম আপনার সঙ্গে দেখা হলে যা খেতে চান তাই খাওয়াব।

অন্যকিছু না, অনেকদিন পর বড্ড হাসালেন রে ভাই।
৩১. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:২০
নেমেসিস বলেছেন: আগে দেখা যাক কেমন ব্লগ করে এরা ।
৩২. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:০৯
মুজিব মেহদী বলেছেন: কথাবার্তা অল্পবিস্তর রসালো (রস+আলো) হলে দেখা যাচ্ছে অনেক লাভ। পথেঘাটে খাওয়াখাদ্যি একদম ফ্রি!!!
এতদিনে মালুম হচ্ছে, প্রথম আলো কেন তাদের রম্য ম্যাগাজিনের নাম রস+আলো দিয়েছে।

আচ্ছা কেউ কি জানেন, প্রথম আলোর ব্লগের নাম কী হচ্ছে? আমার ধারণা নিচের চারটার একটা হতে পারে।

১. ব্লগালো (ব্লগ+আলো)
২. আলোনামচা
৩. লাইটব্লগ
৪. ওয়েবালো (ওয়েব+আলো)

বলা তো যায় না, এখনো যদি নাম নিয়ে কর্তৃপক্ষ কোনো সিদ্ধান্তে না পৌঁছে থাকেন তাহলে এই পোস্ট থেকেও তাঁরা একটা পিক করতে পারেন। সেক্ষেত্রে বড়ো ধরনের পুরস্কারের সম্ভাবনাও নাকচ করে দেয়া যায় না।

আমরা আরো নাম প্রস্তাব করতে পারি।
৩৩. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩৩
মানস চৌধুরী বলেছেন: মুজিব ... জিনিয়াস রে ভাই! আমাকে টাকা দিয়েও কেউ এর অর্ধেক লেখাতে পারত না। হিংসায় পেট পুড়ে যাচ্ছে। এবং রাইসু, বেড়ে একটা পোস্টালেন। আর মাহবুব মোর্শেদ থাকা আর না-থাকার গুণগত পার্থক্য আছে ... যেহেতু এটা এখনো অসমর্থিত তথ্য।

কিন্তু প্রথম আলোর ব্লগের নাম এগুলো কেন হবে? তারা চাইলেই তো (মুজিবের পয়লা প্রস্তাবের আরও শক্তিশালী সংস্কারসমেত) "প্রথম ব্লগালো" নাম নিতে পারে। তাহলে তো পথিকৃৎ-এর তর্কটা আর থাকে না। নাম থেকেই সবাই বুঝে যাবে যে কারা ব্লগে প্রথম।

আরিফের বক্তব্য নিয়ে আমার কোনোই সন্দেহ নেই। গর্তের ধারে কনসার্টটা একদম অতিঅবশ্য।

যাহোক, এই খবরে সবচেয়ে দুঃখ পাবার কথা আমার। পেলাম। এই এদ্দিন ব্লগজীবন শুরু না করে বসে ছিলাম। এখন আর কয়টা দিন অপেক্ষা করলেই কিন্তু প্রথম ব্লগালো দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করতে পারতাম। সাফল্য নিশ্চিত ছিল। প্রিন্ট-মাধ্যমে টিকতে না-পারার দুঃখটা দূর হতো। কপাল! :-(
৩৪. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩৯
সাইদুর রাহমান বলেছেন: মুজিব মেহেদির কমেন্টটা হলো "কমেন্ট অব দ্যা ইয়ার"
৩৫. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৫৪
কোবরেজ বলেছেন:
মুজিব মেহেদিকে উত্তম জাঝা দেয়া হইল।
দেখা হইলেই গোল্ডলিফ সিগারেট আর চা ফিরি।

হা হা প গে
৩৬. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:২৩
বোঘদাদি হেকিম বলেছেন: ড়াইসু তোমার চুল উস্কো খুসকো আর দাড়ী ট্রিম করা। তোমার এ খোমা কি কেয়ারফুল মেকাপের ফসল?
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৪১

লেখক বলেছেন: তুমি কইরা কন যে! আমারে আপনের ভালো লাগছে মনে হয়।

৩৭. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৩২
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন: আমি যখন অস্ট্রেলিয়া থিকা আইসা প্রথম আলোতে চাকরি ফিরা পাওনের তদবির করতে ছিলাম তখন মতি ভাই সময় নিতে ছিলেন। এই সময়ে মুজিব মেহদী নামের একজন আমারে একটা চিঠি দিলেন, যার মর্ম হইতেছে আমি যেন রাশেদের চাকরিটা না খাই। হইতে পারে তিনি অন্য মুজিব। অন্য মেহেদী। আমি তাতে কর্ণপাত করি নাই। মিডল ক্লাস সেন্টিমেন্ট দিয়া আমি চলি না। কিন্তু যে কারণেই হউক পিআলোর চাকরি করা আমার হয় নাই। সে নিয়া প্রথম আলোর দুঃখ থাকতে পারে। মুজিব বা আমার নাই।

তখন চাইলে মুজিব রাশেদের সহকারী হিসাবে চাকরির অফার আমারে দিতে পারতেন। আমি যে কারো উপরে বা নিচে চাকরি করতে রাজি আছি। যোগ্যতা অনুসারে কর্ম। কিন্তু প্রথম আলো তেমনটি করবে বইলা মনে হয় না। আর রাশেদ বা মাহবুবও তাতে রাজি হবেন মনে হয় না। মুজিব বরং সহকারী রাখতে পারেন আমারে। অবশ্য আমি আপনাদের তিন জনেরই সহকারীর কাজ করতে রাজি আছি। আপনাদের যোগ্যতার ব্যাপারে আমার কোনো সন্দেহ নাই।

৩৮. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৪৪
কোবরেজ বলেছেন:
এগুলা হইলো শুসীল।

ভাব দেখাইবো অগোছালো।
অথচ ফাফ এন আওয়ার ধইরা গুছায়া ছবি তুইলা, ফটোশপে কেরামতি কইরা আতেল সাজে।

মুজীব মেহেদী কতৃক রাইসুর কাছা খুইলা দেওনের তীব্র প্রতিবাদ।
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৪০

লেখক বলেছেন: আমার সৌন্দর্যের ব্যাপারে আপনার এই ধারণা তাইলে! আমি ভাব দেখাইলে আপনার মন খারাপ হয়?

৩৯. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৫০
নিঃশব্দ শিশির! বলেছেন: কার কার কোথায় চাকরী হবে তা নিয়েই সবাই ব্যাস্ত!
সত্যি সত্যি প্রথম আলো ব্লগ শুরু করছে নাকি! তাহলে হয়ত শোনা যাবে
বিশ্বের সর্ব বৃহত পন্ডিত্যের অধিকারী প্রথম আলো!
৪০. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৫২
আলফা ওয়ান বলেছেন: মাহবুব মোর্শেদ কি পিআলো ব্লগের দায়িত্ব সত্যিই নিছেন, রাইসু ভাই? আপনার বন্ধু বইলা জিগাইলাম। মাইন্ড কইরেন না।
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৩৮

লেখক বলেছেন: নিছেন। তবে উনি আমার বন্ধু না। বন্ধুস্থানীয়। অবশ্য আপনি অনুরোধ করলে আমরা বন্ধু হয়ে যাবো।

৪১. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:২৪
ত্রিভুজ বলেছেন:

৩নং টা একদম খাঁটি কথা....

৪২. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:২৬
পথিক!!!!!!! বলেছেন: ব্লগ বারুক না .......সামহ্য়্যারকে সমুনন্ত আর উচ্চ আসনে রাখার দায়িত্ব তো আমাদের ...


কিন্তু সেটা হবেনা।
দেশটাকে স্বাধীন সার্বভৌম , সুন্দর রাখার দায়িত্ব আমাদেরই , কিন্তু
আমরা রাখিনা।
তাই আমার ভয় পাই অন্য দেশ.. অন্য জাতির কথাকেও....

সামহয়্যার তার এই সমস্যার কারনেই হয়তে নিজে না হলেও তার চিন্তাশীল ব্লগার( জনগণেরা) ভয় পাচ্ছে....

কিন্তু বাস্তবতা ...কিস তা বলে ...প্রথম আলো বা শেষ আলো যে কেউই ব্লগ খূলতেই পারে.....

যার জোর বেশী সে টিকে থাকবে।

মুক্ত চিন্তা কি আসলেই শত্রু বা মিত্রর অপেক্ষা করে বসে থাকে। ...


অল্প জ্ঞান ও অধিক রুচিবোধ ---ব্রাত্য ভাইজানের এই বিশ্লেষন টা চমৎকার লেগেছে
৪৪. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৪৬
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ব্রাত্য রাইসু,
আপনার ৩ নং (ব্লগ বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ে তদবির করার মারফতে পিআলো বন্ধুসভা উপযোগী ব্লগীয় কানুন প্রতিষ্ঠা করবে। যার জের টানতে হবে সকলের।) মন্তব্যের সাথে সম্পূর্ণ একমত।

কমতো আর দেখিনি ! ৯৮ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত আস্টেপৃষ্টে ছিলাম প্রআলোর সাথে। কত শত কিছুর সাক্ষী এই অধম......!!!!?????
৪৫. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৪৯
মুজিব মেহদী বলেছেন: ব্রাত্য রাইসুর সঙ্গে আমার রাশেদ (জাফর আহমদ রাশেদ) বিষয়ে পত্রালাপ হয়েছিল কি না, এটা স্মৃতি হাতড়ে ঠিক উদ্ধার করতে পারছি না। আবার অস্বীকারও করতে পারছি না, কারণ চিঠি বলে কথা, কোনোভাবে ওটা কোথাও রক্ষিতও থেকে যেতে পারে।

রাশেদ আমার বন্ধুজন, তদুপরি জ্ঞানী ও যোগ্য মানুষ। ওর কোনো ক্ষতি হোক সেটা আমি আগে যেমন চাইনি, চাই না এখনো। আপনার কাছে লেখা কোনো পত্রে আমি যদি ওর কল্যাণে আসে এমন কোনো বাক্য লিখেই থাকি তো তা আমাকে আজ আনন্দিতই করছে।

আপনি যে-কারো সহকারী হিসেবে কাজ করতে পারেন এটা সবারই জানা থাকল। যাঁদের অন্যের খোঁয়াড়ে কাজ করেই খেতে হয়, তাঁদের এরকম যোগ্যতা থাকা খুবই প্লাস পয়েন্ট। আমার এ যোগ্যতা খুব একটা নেই।

'মুজিব বরং সহকারী রাখতে পারেন আমারে।' এবং 'চাইলে মুজিব রাশেদের সহকারী হিসাবে চাকরির অফার আমারে দিতে পারতেন।'-- আপনার এই বাক্যদ্বয় আমাকে ভীষণ অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছে। আমার কমেন্টে আপনি যথেষ্টই নাখোশ হয়েছেন, বাক্য দুটি তারই প্রমাণ সরবরাহ করছে হয়ত। কারণ আপনি ঠিকই জানেন, আপনার বস হবার বা রাশেদের সহকারী হিসেবে প্রথম আলোর পক্ষে আপনাকে চাকরি অফার করার যোগ্যতা আমার কখনো ছিল না, এখনো নেই। (তদুপরি এই তথ্যটা এখানে দিয়ে রাখা যায় যে, আমার সহকারী হিসেবে আপনি আমার নাপছন্দের তালিকায়। সহকারী হিসেবে আমার চেয়ে কম জ্ঞানী গণতন্ত্রমনাদের‌ই আমি পছন্দ করি ও করব।)


মানস চৌধুরীর দুর্ভাগ্যে খুবই কষ্ট হচ্ছে আমার। ব্রাত্য রাইসু যেখানে আগে থেকেই জানতেন যে ব্লগালো (মানস চৌধুরীর কথায় 'প্রথম ব্লগালো') শুরু হচ্ছে, সেখানে আপনাকে ফুসলিয়ে শেষ সময়ে তিনি সামহোয়্যারে ইন করিয়ে না দিলেও পারতেন। ওরকম একটা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করতে পারলে আপনার ব্লগ জীবন ধন্য হতে পারত। আপনি বন্ধু রাইসুর বিরুদ্ধে এজন্যে রীতিমতো চক্রান্তের অভিযোগ আনতে পারেন।
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৩০

লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্ট অবশ্যই আমার ভালো লাগে নাই। সেইটা আপনি করছেন বইলা। যাদের আমি চিনি না, বা যারা ছদ্ম নামে এই রকম অমর্যাদাকর বা অবজ্ঞামূলক কমেন্ট করে তাদেরকে তো আমি চিনি না। আপনারে চিনি। আমি যদি জানি এই লোক আমার সম্পর্কে এমন সম্মানহানিকর কথা ফোরামে ছড়ায় তার ব্যাপারে আমার কী করার আছে? আমি কি এই খুনসুটির খেলায় অংশগ্রহণ করব? অবশ্যই না।

এই ফোরামে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ইস্যুতে আমি পোস্ট দেই। যার অধিকাংশই অনেকের কাছে ভালো লাগে না। কিন্তু তারা সেসবের বিরুদ্ধে অনেক সময়ই কোনো যুক্তি পায় না। তখন আমার অন্য কী কী দোষ আছে, আমি রাজাকার কিনা এইসব খোঁজে। এরই একটা ফর্দ হইল আমারে নিয়া কাল্পনিক সিচু্যয়েশন তৈরি করা। ডট ডট রাসেল একদা অনেক করছেন এইসব। সেগুলি আমার গায়ে লাগে নাই। কারণ তিনি আমার বন্ধুস্থানীয় লোক ছিলেন না। আপনি দেখা হইলে হাইসা কথা বলেন। সে কারণে আপনার রস সাহিত্য আমার ভালো লাগে নাই। এখন আমারে যা যা বলছেন তা নিয়া নিজের নিজের উপরে অ্যাপ্লাই কইরা দেখেন কাজে খাটে কিনা। রুচিশীলতার প্রশ্নে আপনার মীননেস আমার ভালো লাগে নাই।

আর মানসরে আমি ফুসলায়ে এইখানে আনব কেন? ফুসলানো ঠেকানো ম্যানিপুলেশন এগুলা আমার নাই। আমি ছোটকাগজ করি নাই তো কোনোদিন।

গণতন্ত্র চর্চা আপনার মধ্যে নাই। থাকলে বন্ধুর চাকরি রক্ষার্থে আমারে চিঠি দিয়া নিজের বন্ধুরে আমার কাছে ছোট করতে পারতেন না। গণতান্ত্রিক হইল যোগ্যতা অনুসারে কাজের সুযোগে বিশ্বাস করা। গোপন তদবির না।

৪৬. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৫:৩০
আজহার ফরহাদ বলেছেন: মুজিব ভাই, কবি হিসেবে জানতাম আপনাকে কিন্তু সুরসিক ও ভালো সমালোচক হয়ে এ প্রথম দেখলাম। আপনার মতো ব্লগার দরকার সকল ব্লগে। মামোরে নিয়া আপনার প্রেডিকশানে মজা পাইলাম। বড় অদ্ভুত সব মজার মজার পূর্বাভাষ বলে গেলেন- হাসিতে পেট ভরে গেল আমার। আজকে এই ভোরবেলা অনেকদিন পর একটা আসল ঘুম দিতে পারমু বলে মনে হচ্ছে।

মনটা ভালো করে দিলেন।
৪৭. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৫:৩৩
আজহার ফরহাদ বলেছেন: মুজিব ভাই, আপনারে একদিন বাসায় নিয়া আমার হাতের রান্না করা কাঁকড়ার ঝোল খাওয়াইতে ইচ্ছা রাখি। যদি আপনে অনুমতি দেন।
৪৮. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৩৯
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: প্রথম আলোর ব্লগ কি গতানুগতিক হবে ?
নাকি নিউজ সাইটের ব্লগের মত কেবল সংবাদ ও সমাজের উপর বিশ্লেষণ ভিত্তিক হবে ?
৪৯. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৫৫
নির্বাক সুশীল বলেছেন: "এই ফোরামে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ইস্যুতে আমি পোস্ট দেই। যার অধিকাংশই অনেকের কাছে ভালো লাগে না। কিন্তু তারা সেসবের বিরুদ্ধে অনেক সময়ই কোনো যুক্তি পায় না। তখন আমার অন্য কী কী দোষ আছে, আমি রাজাকার কিনা এইসব খোঁজে।"

--
রাইসু, আস্তে কও।
তিনকোণা ঢ়ামছাগোলটাও হাইসা ফালাইবো। তুমি পুরা অরে কপি করছো।
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:১৩

লেখক বলেছেন: বলেন তো কোন যুক্তিটা দিছেন আপনেরা? রামছাগলে হাসলে আমার সমস্যা নাই। আমিও ওনার সঙ্গে হাসব। একটা তর্কের উদ্ধৃতি দেন, যেইটায় আমার কথার বিরুদ্ধে আপনেরা কোনো যুক্তি দিছেন।

৫০. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:১৭
ইয়র্কার বলেছেন: নির্বাক সুশীল এক্কেরে যায়গামতো দিছেন। ত্রিভুজের পরে রাইসুদাই দ্বিতীয় ব্যক্তি যার কথার বিরুদ্ধে ব্লগাররা কোন যুক্তি খুঁজে পায় না।
৫১. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:১৮
কেএসআমীন বলেছেন: সামহোয়ারইন ব্লগ আর প্রথমআলো ব্লগের চরিত্র তো আর এক হইবে না। প্রথমআলোরটা হয়তো হবে নিউজ ভিত্তিক। তাদের পত্রিকাতে প্রকাশিত নিউজের উপর কমেন্ট ভিত্তিক। যে সকল পত্রিকা ব্লগিং শুরু করেছে তাদেরটা দেখলেই বোঝা যাবে প্রথমআলো কী কী করতে পারে।
৫২. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:২৯
মানস চৌধুরী বলেছেন: আমার ব্যাখ্যা দেবার দরকার পড়ছে। ২৫শে মার্চ রাত্রির মন্তব্যের শেষভাগে মুজিব মেহদী বলছেন:
"মানস চৌধুরীর দুর্ভাগ্যে খুবই কষ্ট হচ্ছে আমার। ব্রাত্য রাইসু যেখানে আগে থেকেই জানতেন যে ব্লগালো (মানস চৌধুরীর কথায় 'প্রথম ব্লগালো') শুরু হচ্ছে, সেখানে আপনাকে ফুসলিয়ে শেষ সময়ে তিনি সামহোয়্যারে ইন করিয়ে না দিলেও পারতেন। ওরকম একটা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করতে পারলে আপনার ব্লগ জীবন ধন্য হতে পারত। আপনি বন্ধু রাইসুর বিরুদ্ধে এজন্যে রীতিমতো চক্রান্তের অভিযোগ আনতে পারেন।"

রাইসু আমাকে ব্লগিং করতে ফুঁসলাননি। এমনকি বিশেষ কখনো পরামর্শও দেননি। তাঁর নিমন্ত্রণে একটা ফোরামেই কেবল আমার অংশ নেয়া হয়েছিল -- কবিসভা। সেটাতে অন্য আরও শ' চারেক লোকও ছিলেন বটে।

আমি যখন 'দুর্ভাগ্য' নিয়ে লিখি তখন সাম্প্রতিক ব্লগাব্লগির নবীন অভিজ্ঞতা সমেত একটা রসিকতা ছিল মাত্র। কিন্তু যেকোনো দু'জন পূর্বপরিচিত (চাক্ষুষ অর্থে হোক আর একটা বিচারমূলক অবস্থান থাকা অর্থে হোক) মানুষের ব্লগ-যোগাযোগ এর পূর্ব-প্রেক্ষিতের সাপেক্ষিকভাবে হয়ে থাকে। অন্ততঃ পেশাদারভাবে তা পরিহার না করলে তাই হবার কথা।

ফলে মুজিব ও রাইসুর যোগাযোগের ইতিহাস ও পরিপ্রেক্ষিত বিচারে আমার ব্লগিং নিয়ে রসিকতাটি কর্তব্যবিভ্রাটে পড়তে বাধ্য।
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:১৮

লেখক বলেছেন: এখন মানস, এই যে আপনি ফুসলাইলেন না অথচ মুজিব কইল ফুসলাইছেন এই রকম একজনের লগে আপনের যোগাযোগের পদ্ধতিটা কী হইব? এই যে পিয়াল মিছা কথা কইল ব্লগে আইসা আমার ব্যাপারে...পরে চুপ... তো এই রকম জাতকদের সঙ্গে ভালোবাসার বাইরে সামাজিক যোগাযোগটা কেমন হইতে পারে? আপনি মানহানিকারীদিগের ব্যাপারে কী বলেন? যারা অল্প বোঝে, ভুল বোঝে...দেখাইয়া দিলে স্বীকার না কইরা যেন কোথাও কিছু ঘটে নাই এমন নিরবতায় অদৃশ্য হইয়া যায়...তাদের সঙ্গে আপনের সম্পর্কের পদ্ধতিটা কী?

৫৩. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৫০
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: হেঁ হেঁ, মতিরে সুশীলরা যতই গালাক, প্রথমআলোর রুজিরে দেহি সবাই গোপনে ভালই পেয়ার করে।
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:২৭

লেখক বলেছেন: হাঃ হাঃ দ্বিতীয় নাম, আপনে বুঝি চাকরি বাকরি ছাড়াই আছেন? নাকি আপনিও চাকরি দেন? কোন আলোর রুজির প্রতি আপনের পেয়ার? আপনের তো নামই গোপন, ফলে আলোটা প্রকাশ করতে পারেন।

৫৪. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৮
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: ব্রাত্য রাইসু, মানস চৌধুরী, মুজিব মেহদী, প্রমুখদের কমেন্টগুলো পিআলো অনেক কমদামে কিনা নিতে পারে এবং সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষণ করিয়া সেগুলানের একটা বই বাইর কইরা বিভিন্নখানে লবিং কইরা বেস্ট ক্রিটিকাল রাইটিং এওয়ার্ড দেওয়াইতে পারে। এবং এর পরই প্রথম আলো সমালোচনা পুরুষ্কার নামে একটা নতুন ট্রেইন্ড চালু কইরা দিতে পারে। সেই সময় মাহবুব মোর্শেদ সেই কমিটির সমন্বয়ক পদে উন্নিত হইবেন এবং শেষ পর্যন্ত তিনি আর চাকরী করবেন কি করবেন না সেইটা আল্লা মাবুদই জানেন।

এর মধ্যে সামইন ৩০ হাজারের হিটের উপরের লোকজনরে নিজের ব্লগে এ্যাড দিয়া টাকা কামাইতে দিব এবং সচলায়তন নতুন কর্পরেট পূজিঁ বিনিয়োগকারীগো জন্য দেশে বিদেশে চেষ্টা চালাইবো।
সবগুলাই মহৎ কাজ। কারণ বেঁচে থাকার চাইতে মহত্ত্বম আর কিছুই হইতে পারেনা।
৫৫. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:২৯
নিঃশব্দ শিশির! বলেছেন: দাদা আপনাদের কোন কথাই ভালো বুঝতে পারছিনা!
একবার বলছেন পিআলো ব্লগ যদি চালু করে!
আবার বলছেন মাহবুব মোর্শেদ দায়িত্ব নিছে!
দাদা একটু কি আমাকে জানাবেন বিষয়টি কি!
খুউব দরকার!
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: প্রথম আলো পত্রিকা ব্লগ চালু করতে যাইতেছে। মাহবুব মোর্শেদ এই ব্লগের দায়িত্বে থাকতেছেন। সামহোয়ারের ভীতু মালিকরা প্রথম আলোর দেখাদেখি যাতে নিজের বারান্দা সাফ করতে না লাইগা যায় সেই জন্য ইগো তৈরির চেষ্টা করতেছি আমি এইখানে।

৫৬. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭
সুতরাং বলেছেন: কথা শুরু হইলো প্রথম আলোর ব্লগ নিয়া। আর কথা গড়াচ্ছে কোন্ দিকে! তবে আমরা যারা সাধারণ পাঠক- তারা খুব মজা পাচ্ছি।
৫৭. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৫০
মুক্তি বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধ এবং রাজাকারীয় চেতনার উত্তরউত্তর উন্নতী ঘটিবে।
৫৮. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪
মুজিব মেহদী বলেছেন: আমারও আবার ব্যাখ্যা দেবার দরকার পড়ল।

ব্রাত্য রাইসুর উদ্দেশে--

০. দুঃখিত। আমি 'কোথাও কিছু ঘটে নাই এমন নিরবতায় অদৃশ্য হইয়া' যাই নি। ব্লগিং ছাড়া আপনার মতো আমারও রুটিরুজির কাজ করতে হয়।

১. চিনলে একরকম না চিনলে অন্যরকম কিংবা ছদ্মনিকে একরকম তো আসল নামে অন্যরকম কমেন্ট করা আমি শিখি নি। এই বিদ্যা এমন এক বিদ্যা, যার মাথায় ভর করে সে সকালে এক তো বিকালে আরেক। এরা গিরিগিটির মতো রঙ বদলায়। আমি ওসব পারি না, দুঃখিত।

২. এরপরেও আপনার সাথে দেখা হলে আমি হেসেই কথা বলতে চাই। ব্লগ আমাদের ব্যক্তিগত জীবনের হাসিকান্নায় প্রভাব ফেলুক সেটা আমি চাই না। দেখা হলে আপনি না-চেনার ভান করলে আমার জন্যে অস্বস্তির কারণ হতে পারে। সেটা দয়া করে করবেন না।

৩. সামহোয়্যারইনে মানস চৌধুরীর প্রথম পোস্ট 'এই মহৌষধ আমি কীরূপে পাইলাম'-এ টম-বটমে স্পেস দিয়ে দৃষ্টিগ্রাহ্যরূপে বলা আছে 'উসিলা তাহমিমা আনাম .. অমিতাভ ঘোষ .. আসলে রাইসু।' আর প্রসঙ্গ তাঁর ব্লগে আসা। আরো কোথাও কোনো কমেন্টে তিনি একাধবার এরকম কথা বলে থাকবেন বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু এ মুহূর্তে সূত্র দিতে পারছি না। এছাড়া আপনার পোস্টে তাঁর প্রথম কমেন্টের শেষ প্যারা মিলিয়ে এরকম কথা বললে তাতে সত্যের খুব হানি হয় বলে মনে হয় না আমার। তাঁর শেষ প্যারায় যেমন রস ছিল আমিও রস করতে গিয়েই ফুসলানো শব্দটা ব্যবহার করেছি। কিন্তু আপনি এবং মানস চৌধুরী দুজনই এখানে এসে সিরিয়াস হয়ে গেলেন। অবশ্য এখন আমিও সিরিয়াস।

৪. আপনি এর সঙ্গে ছোটকাগজকে কেন জড়ালেন বুঝলাম না। ফুসলিয়ে কাউকে ছোটকাগজে এনে বিশেষ লাভ হয় না। কাজেই এ কাজ আমি করি না। তবে ছোটকাগজ থেকে ফুসলিয়ে মূলধারায় নেয়ায় হয়ত লাভ আছে, যেজন্য আপনি তা কিছু ক্ষেত্রে করেছেন। আপনি ভুলে গেলেও আপনাকে মনে করিয়ে দেয়া দায়িত্ব মনে করছি যে আপনি একসময় ছোটকাগজের মানুষই ছিলেন। আপনিই প্রথম প্রয়াত কবি-সম্পাদক আনওয়ার আহমদ সম্পাদিত 'কিছুধ্বনি'র একটা সংখ্যার গায়ে নির্বাহী সম্পাদকত্বের ক্ষমতাবলে 'এটি একটি লিটলম্যাগ' ট্যাগ লাগিয়ে দিয়েছিলেন। এসময়ে আপনি মঈন চৌধুরী সম্পাদিত 'প্রান্ত'-এর একটি বা দুটি সংখ্যার লেখা সংগ্রহ থেকে ছাপা তক দায়িত্ব নির্বাহ করেছিলেন। পরে আপনি যখন বাংলাবাজারে সাহিত্য পাতায় সহকারীর দায়িত্ব নেন, তখন ওখানে বেশ কজন লিটল ম্যাগারের গুচ্ছ কবিতা ছাপিয়ে তাদের মূলধারায় খৎনা দিয়েছিলেন। তো কী দাঁড়াল? 'আমি ছোটকাগজ করি নাই তো কোনোদিন।'-- আমি এই কথাটা ডাহা মিথ্যা।


৫. আপনি কি দাবি করছেন যে, রাশেদ প্রথম আলোয় বহাল আছে কোনোভাবে আপনার করুণায়? এটা মনে রাখলে ভালো যে, জাফর ওখানে তাঁর যোগ্যতার বলেই আছে, আর আপনি যোগ্যতার অভাবে নেই।
আমি বন্ধুর জন্য আপনার কাছে কথাপ্রসঙ্গে ওরকম একটা প্রসঙ্গ ওঠাতেই পারি। কিন্তু সেটাকে সিরিয়াস ম্যাটার ভাববার কোনো কারণ তো দেখছি না। কারণ এটুকু গিলু আমার মাথায় তখনও ছিল যে, যার নিজেরই ওই হাউজে কাজ নেই, সে অন্যের কাজের নিশ্চয়তা দিতে পারে না। পাগলও বোঝে যে তদবির করলে করতে হয় ক্ষমতাসীনের কাছে। সে প্রয়োজনে আমি হয়ত শ্রদ্ধেয় সাজ্জাদ শরিফকেই অনুরোধ করতাম। তো যাই হোক, এটি কীভাবে অগণতান্ত্রিক আচরণ, আমার ঠিক মালুম হচ্ছে না।


মানস চৌধুরীর উদ্দেশে--

১. সামহোয়্যারে আপনার প্রথম পোস্ট শুরু হচ্ছে এভাবে-- 'আমাকে ব্লগাব্লগি করতে পরামর্শ দেবার লোক আশপাশে প্রায় হালিখানেক হয়ে গেছেন এখন। এদের মধ্যে নিপাট ব্লগার আছেন। আবার আছেন যাঁরা প্রাক-ব্লগ যুগেই লেখক/কবি হিসেবে লোকজনের মধ্যে হিংসাত্মক, আই মীন হিংসুটে মনোভাব আনতে-সক্ষম লোক।' এর মধ্যে কি রাইসু নেই? তো, 'রাইসু আমাকে ব্লগিং করতে ফুঁসলাননি। এমনকি বিশেষ কখনো পরামর্শও দেননি।'-- এ বাক্য দিয়ে তো এবার উলটোটাই বলছেন? কোনটাকে সত্য বলে ভাবব? এ সহজ সত্যটি নির্ধারণে কি এ বাক্যটিও সাক্ষ্য দিচ্ছে না? 'উসিলা তাহমিমা আনাম .. অমিতাভ ঘোষ .. আসলে রাইসু।' আপনিই জানেন আসলে কোনটা কী।

২. "আমি যখন 'দুর্ভাগ্য' নিয়ে লিখি তখন সাম্প্রতিক ব্লগাব্লগির নবীন অভিজ্ঞতা সমেত একটা রসিকতা ছিল মাত্র।" আপনার উদ্দেশে করা আমার ওই প্যারাটাতেও কি রসিকতার চেয়ে বেশি কিছু ছিল আদৌ? ছিল না। কাজেই আপনার সম্পাদিত কর্তব্যটা কোনোভাবেই বিভ্রাটে পড়ে নি।
২৬ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৪২

লেখক বলেছেন: আপনি যদি জাফরের যোগ্যতায় বিশ্বাসীই হন তাইলে যেন জয়েন না করি এই মর্মে কাদুনি গাইছিলেন কেন চিঠিতে? আর তো সব মনে আছে...এইটাই নাই দেখতেছি।

ওই সময়ে প্রথম আলোর অনেকেই সাধের চাকরি ছাইড়া যায়যায়দিনে চইলা গেছিল...প্রথম আলোই যোগ্য ছিল না তাদের ধইরা রাখার ক্ষেত্রে। আমিও প্রথম আলোতে চাকরি না নিয়া যায়যায়দিনে জয়েন করি। আপনার শ্রদ্ধেয় (!) সাজ্জাদ শরিফরে জিগাইয়া দেইখেন। এখন যেমন মাহবুবরে ধইরা রাখার যোগ্যতা নাই যায়যায়দিনের। আপনাকে তৈলাক্ত শ্রদ্ধা।

২৬ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:০৮

লেখক বলেছেন: ছোটকাগজ আন্দোলন আর সাহিত্য পত্রিকা বাইর কইরা তাতে "ইহা লিটল ম্যাগ" সিল লাগানোর অর্থ ভিন্ন।

৫৯. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:০০
মুজিব মেহদী বলেছেন: আমার মন্তব্যের ৪ নম্বর পয়েন্টের শেষ বাক্যে 'আমি এই কথাটা ডাহা মিথ্যা।'-এর আমি বাদ দিয়ে পড়তে হবে।
৬০. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:০০
মাহবুব সুমন বলেছেন: মাহবুব মোর্শেদের খবরটিতে অনেকের মনেই জ্বালা ধরেছে বুঝতে পারছি ;)
৬১. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:১৬
মুজিব মেহদী বলেছেন: 'এখন মানস, এই যে আপনি ফুসলাইলেন না অথচ মুজিব কইল ফুসলাইছেন এই রকম একজনের লগে আপনের যোগাযোগের পদ্ধতিটা কী হইব? এই যে পিয়াল মিছা কথা কইল ব্লগে আইসা আমার ব্যাপারে...পরে চুপ... তো এই রকম জাতকদের সঙ্গে ভালোবাসার বাইরে সামাজিক যোগাযোগটা কেমন হইতে পারে? আপনি মানহানিকারীদিগের ব্যাপারে কী বলেন? যারা অল্প বোঝে, ভুল বোঝে...দেখাইয়া দিলে স্বীকার না কইরা যেন কোথাও কিছু ঘটে নাই এমন নিরবতায় অদৃশ্য হইয়া যায়...তাদের সঙ্গে আপনের সম্পর্কের পদ্ধতিটা কী?'

ব্রাত্য রাইসু,
মানস চৌধুরীর মন্তব্যটা পাশে রেখে আপনার এই জবাবি স্ক্যান করে প্রধান যে উপাদানটা পাওয়া গেল, ফুসলানো শব্দের নিহিতার্থটা ঠিক ওই উপাদান দিয়েই গড়া। আপনি এত বেশি বোঝেন তো এই বুঝটা আপনার এল না কেন যে ভালোবাসাও একটা যোগাযোগ পদ্ধতি? মানস চৌধুরী ও আপনার সাথে আমার ভালোবাসার যোগাযোগটা বহাল থাকলেই হলো। এর চেয়ে বড়ো যোগাযোগ আর কী হতে পারে ভবে? তাছাড়া এই যোগাযোগটা সামাজিক যোগাযোগের বাইরের কোনো ব্যাপারও নয় ধারণা করি।

যোগাযোগ বিষয়ে কাজ করেন এমনই অনেকেই আছেন এই ব্লগে, তাঁরা হয়ত বিষয়টির সুরাহা করবেন।
২৬ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৫৮

লেখক বলেছেন: "ভালোবাসার বাইরে সামাজিক যোগাযোগটা কেমন হইতে পারে" যখন বলা হয় তখন সেইখানে ভালোবাসাও যে একটা যোগাযোগ তা স্পষ্টই থাকে।

যারা তথ্য বানান বা বিকৃত করেন তাদের সঙ্গে মানস কী সামাজিক সম্পর্কে থাকেন/থাকবেন তা জানার জন্যই ওই প্রশ্নটা করা। মানসরে আপনার ভালোবাসার যোগাযোগের বাইরে নিয়া যাওয়ার ফুসলানি দেই নাই।

৬২. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:০৩
মানস চৌধুরী বলেছেন: @ রাইসুকে: আপনার প্রশ্নটাকে আমি এভাবে দেখি যে মুজিবের সঙ্গে আমার বিদ্যমান সম্পর্কে "ফুঁসলানো"র প্রসঙ্গের পর গুরুতর বদল আসবে কিনা। আসবে না। প্রতিক্রিয়াকে আমি দেখি ঘটনাসূত্রীয় হিসেবে। বিশেষতঃ, ব্লগের মতো এরকম নাঙ্গা পরিসরে বহুপ্রেক্ষিত পঠন নিমেষে ঘটে যায়। ধরা যাক, মুজিবের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ার পর রসিকতার মুডে থাকা আমার ক্ষেত্রে ঘটনাচক্রীয়। আপনার প্রতিক্রিয়া আমি লিখবার আগে আসলেই এই স্বর নির্বাচন আমার ঘটত না। আপনাদের দুজনার যোগাযোগের ইতিহাসের বাইরে (যা আমি অজ্ঞাত) মুজিবের রসপত্রকে রস হিসেবে গ্রহণ করতে আমার সংকট হয়নি।

@ মুজিব: এই একই প্রেক্ষিতে আমার সিরিয়াস হওয়া ছাড়া অনেক উপায় নেই। কিন্তু 'হালিখানেক' উৎসাহদাতার মধ্যে আসলেও রাইসু ছিলেন না। আমার মনে হয় না এখানে ওই হালিখানেকের নামোল্লেখ করা প্রাসঙ্গিক। তবে ৬ মাস আগে আমি একটা মন্তব্য করতে নিবন্ধন করি, যদ্দুর মনে পড়ে, মাহবুব মোর্শেদের পোস্টে।
২৬ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:০১

লেখক বলেছেন: উৎসাহদানকে কি আপনি "ফুঁসলানো" অর্থে নিতেছেন?

২৬ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: "কিন্তু 'হালিখানেক' উৎসাহদাতার মধ্যে আসলেও রাইসু ছিলেন না।" এইখানে আমারে অব্যাহতি দিতেছেন, কিন্তু যারা আপনারে উৎসাহ দিছিলেন তাদের প্রতি যে অবজ্ঞা প্রকাশ করলেন তাতে আমি ভয় পাইলাম। আমার মনে হয় না যাদেরকে 'হালিখানেক'-এ অবজ্ঞায়িত করা যায় তাদের নাম উচ্চারণ সম্ভব। তবে প্রাসঙ্গিক তো অবশ্যই।

৬৩. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:০৮
ইরতেজা বলেছেন: মুজিব মেহদীর মন্তব্যে বিপ্লব
৬৪. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:২৪
ফয়সল নোই বলেছেন: ওই ব্লগের লেখকদের কার্টুনিস্ট আরিফের মতো জেলে যেতে হতে পারে!:)
৬৫. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৩২
অমিত বলেছেন: ওরে আমার দোরা কাউয়া, দোরা কাউয়া রে,
পেয়ারা গাছে পেয়ারা গাছের পাতা ঝরে রে
৬৬. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৫১
এস্কিমো বলেছেন: প্রথম আলো ব্লগ শুরু করলে কী কী ঘটতে পারে?


সেখানো মামোর মতো নীল শার্ট পড়া মানুষ মডারেটর হইলে অনেকে প্রথম আলো পড়া ছেড়ে দিতে পারে।

( এইটা আমার কথা না। মামো নিজের কথা। সে বলছে তার নীল শার্ট পড়া ছবি দেইখা আওয়অমীলীগারা হিংসা করছে)
৬৭. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:০০
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:



পোস্টে প্লাস



মুজিব মেহেদী ভাইয়ের মন্তব্যগুলো অসংখ্য প্লাস :)


৬৮. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৫০
মাহমুদ রহমান বলেছেন: সুন্দর রস+আলো হয়েছে....
৬৯. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:০৩
মুজিব মেহদী বলেছেন: ১. জাফর ও চিঠি ব্যাপারটায় আপনি এতই ত্যানা প্যাচাচ্ছেন যে, এখন আমি বলতে বাধ্য, আপনি প্রমাণ সামনে এনে কথা বলেন। আমি আগেও বলেছি, আবারো বলছি ওরকম চিঠির কথা আমার মনে পড়ে না।
আপনি তথ্য বানাচ্ছেন।

২. যারা তেল মেরে অভ্যস্ত, তাদের হাত সবসময় তেল-স্যাঁতসেঁতে থাকে। ফলে তাদের যেকোনো শ্রদ্ধাই তৈলাক্ত হতে বাধ্য। এজন্য আমি কিছু মনে করি নি। তবে আমাকে 'তৈলাক্ত শ্রদ্ধা' দিয়ে আপনার নগদ কোনো লাভ নেই। ব্লগালোতে আপনার নিয়োগকে প্রভাবিত করা আমার সাধ্যাতীত। আপনি 'আর্টস'-এই থাকেন। এই হাউজও ব্লগ করবে বলে শোনা যাচ্ছে।

৩. 'ছোটকাগজ আন্দোলন আর সাহিত্য পত্রিকা বাইর কইরা তাতে "ইহা লিটল ম্যাগ" সিল লাগানোর অর্থ ভিন্ন।'

হ্যাঁ, ভিন্ন তো বটেই। আপনি যে ছোটকাগজ কর্মীর মুখোশ পরে ছোটকাগজ আন্দোলনে নানারকম কলূষ ছড়িয়ে এসেছেন এটা তারই একটি প্রমাণ। এই অভিযোগের আরো প্রমাণ পরবর্তী সময়ের খৎনার ঘটনাগুলোও।
২৬ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: ওইটার প্রমাণ খোঁজার ধৈর্য্য নাই আপাতত। আপনি স্বীকার করলে সেইটা প্রমাণ হিসাবে চালানো যায়।

আপনারে তৈলাক্ত শ্রদ্ধা দিয়া ব্লগালোতে ঢুকব কেন। মতি ভাই আছেন না? আমি বলব আপনারে, আপনি বলবেন রাশেদরে, রাশেদ বলবে আপনের শ্রদ্ধেয় সাজ্জাদ ভাইরে, সাজ্জাদ ভাই বলবেন মতি ভাইরে; তখন মতি ভাই বলবেন তোমারে তো দিতামই খালি মুজিবের রেফারেন্স-এ আসছো বইলা দিলাম না। তারচেয়ে ওই শ্রদ্ধাটুকু যে চাকরি চাওনের জন্য না সেইটা আপনের ভাবতে হবে। নিজের চাকরি নিয়া বা বন্ধুর চাকরি রক্ষায় তটস্থ থাকন আমার ধর্ম না। আমি সচরাচর চাকরি ছাইড়া দিয়া অভ্যস্ত। আপনি কয়টা ছাড়ছেন?

আপনেরে তৈলাক্ত শ্রদ্ধা দিলাম সাজ্জাদ ভাইরে শ্রদ্ধেয় বলার কারণে। যাতে আপনের তেলের ভাণ্ড ভরিপুর থাকে। শেষ হইলে আবারো শ্রদ্ধা জানামুনে।

২. আপনেরে কথা কইলে কোনো লাভ নাই। ছোটকাগজ কর্মী আমি কোনোদিনই ছিলাম না। রেফারেন্স দিয়েন কোন ছোটকাগজের কোন কর্মীর লগে আমার আন্দোলন বিষয়ে একমত হইয়া দুইটা কথা কইছি। আমি কখনোই কারো লগে একমত হই না। ওইটা আমার ধাঁচে নাই। ছোটকাগজের কর্মী হওনের মুখোশ পরা তো দূরের কথা।

কোনো একটা সাহিত্য পত্রিকায় 'ইহা লিটল ম্যাগ' সিল লাগানোর দার্শনিক মাজেজা আপনি বুঝতে পারেন নাই দেখতেছি। হাঃ হাঃ, আন্‌ওয়ার আহমদ এই কাণ্ড দেইখা আমারে বলছিলেন, দূর মিয়া তুমি আমারে লিটল ম্যাগ বানাইয়া ফেললা। এখন আমারে সবাই কী ভাববে।

পশ্চিমবাংলার সাংস্কৃতিক নাটুকেপনার দেশী সম্প্রচারক হওনের খায়েশ আমার নাই। আমি মুক্ত বাণিজ্যে বিশ্বাস করি। ছোট সাইজের পত্রিকার স্বত্বাধিকার কেউ লিটল ম্যাগ গোষ্ঠি বা ছোটকাগজ আন্দোলনকারীদের দিয়া দেয় নাই। আর লিটল ম্যাগ শব্দেরে আপনি কোন মহিমায় ওঠাইবেন নামাইবেন তারও অধিকার কোনো গোষ্ঠীর হাতে নাই।

বড় পত্রিকারে গালাগালি যখন দেয়া হয় সেইটা কলুষ ছড়ায় না? খতনার কোনো ঘটনা নাই। আপনের কাছে লেখা চাইছি আপনি দেন নাই, যারা মন চাইছে দিছে। খতনা পূর্ববতী বালক হিসাবে তাদেরকে আপনি দেখতে পারেন, আমি পূর্ণ লেখক হিসাবে সকল লেখকেরে দেখি।

২৬ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:০৫

লেখক বলেছেন: আপনার সঙ্গে কথা বলতে আমার ভালো লাগতে শুরু করছে। একটা অনুরোধ, নাটকীয় দৃশ্য নির্মাণের পাশাপাশি সিরিয়াস বিষয়গুলাতে সিরিয়াসলি থাইকেন। সব সময় না, মাঝে মাঝে। আপনার যুক্তির পদ্ধতি ভালো, কিন্তু মূল যুক্তিটা ফালতু থাকে। হয়ত অধিক দিবাস্বপ্ন, কল্পনা, সন্দেহপ্রবণতা এইগুলার কারণে এই রকম ঘটে।

৭০. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৫৪
রাসেল ( ........) বলেছেন: রাইসু আমার রসিকতা আপনের গায়ে লাগলেও আমার কিছু যায় আসে না , না লাগলেও কিছু যায় আসে না। তবে আমাকে টাইন্যা আনার কারণটা বুঝি নাই। রসিকতার ধর্ম পুরণ করতে ব্যর্থ হইছে সেইসব? পইড়া আপনি মজা পান নাই ? তাইলে আপনের রসবোধের সাথে আমার রসবোধের জায়গাটাতে একটু ফারাক আছে।

তবে বিষয় হইলো যুক্তির খাতিরে যুক্তি আসা, নিজেরে যুক্তিবাদী কইয়া ফেললে আসলে আলোচনার কিছুই থাকে না, যুক্তির বিপরীত যুক্তি থাকে, তবে আমার মনে হয় না আপনের নামের কাছাকাছি যেসব রসিকতা আমার আছে সেইখানে রাইসু, ব্যার্থ কিংবা রইস মিয়া হইলেও সেইখানে সেই চরিত্রই আছে- ব্যক্তিগত পরিচয় থাকলে আরও অনেক অসামঞ্জস্য আনতে পারতাম- সেইটা আনতে পারি নাই- পরিচয়বিহিনতায় একটা লাভ হইছে আমার ব্যার্থ রাইসু ঠিক কবিসভা রাইসু হইতে পারে নাই।

তবে এই যে উত্থাপন এইটাতে একটা সন্দেহের অবকাশ থাকে, আপনের লগে তর্ক যুদ্ধে পরাস্ত হইয়া আমি রসিকতা শুরু করছিলাম-

আপনের উচ্চমন্যতা কিংবা আমার হীনমন্যতা- এইটারে কোন বিচারে ফেলবো? আমার হীনমন্যতার দিকেই ইঙ্গিত যায় তবে ঐ যে শেষ পর্যন্ত গুতাগুতিটা ব্যক্তিগত রেষারেষির পর্যায়ে নিয়া যাইতে আমার আপত্তি আছে- আপনে আমার কাছে দুই পয়সা লাভ করতে পারবেন না, আমারও আপনার লগে ২ পয়সার সোহাগের সম্পর্ক রাইখ্যা লাভ নাই-
আপনের হোগা মারলেও আমারে কেউ ৫ পয়সা দিবো না , আর আমি না মারলেও আপনি আমারে ৫ পয়সা দিবেন না- আমার মনের আনন্দ যদি আসে- নিজের আনন্দের জন্য এই কাজ করতে আমার আপত্তি নাই-

মূল কথা হইলো মজা পাওয়া- এখন আর মজা পাইতাছি না, আর তেমন কবিতাও পাইতাছি না যে প্যারোডী করুম- এখনও তেমন কবিতা পাইলাম না ৪টা যেইটারে ৫ স্টার দেওয়া যায়-
২৬ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাসেল। আপনি হোগা মারেন বা না মারেন ৫ পয়সা দেওয়া যাবে। আমার একজন বন্ধু আছে হোস্টেলে হোগামারা দিয়া বেড়ায় পয়সার বিনিময়ে। আপনের লগে পরিচয় করাইয়া দিমু নে। শাহবাগ দিয়া যায় দেখি মাঝে মাঝে।

ব্যক্তিগত রেষারেষির পর্যায়ে নিয়া যাইতে আপনের আপত্তির কারণটা জানাইবেন কি। আপনি কি ব্লগের লেখার ব্ক্তব্য আর সামনাসামনির মুখনিঃসৃত বক্তব্যের মইধ্যে ভেদজ্ঞান করেন। মানে ব্লগে হোগা মারলে কি নিন্দা-মন্দ করলে সেইটা ব্যক্তিগত রেষারেষি হয় না? সামনা-সামনি হয় করলে হয়? ব্লগরে কি আপনের রোজকার জীবনের বাইরের কোনো স্বর্গীয় এনটিটি জ্ঞান করতেছেন। এত প্রশ্ন কইরা ফেললাম। দেখা হইলে ৫ টেকা দিয়া দিমু।

৭১. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:০১
কোবরেজ বলেছেন:
মুজিব মেহদীর কোটায় আরও দুটো সমুচা।
৭২. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৪৫
রাসেল ( ........) বলেছেন: ব্লগ ব্লগই, এইটা আমার জীবনের এমন বড় কোনো ইস্যু না- এইটা না থাকলে ডাইরিতে লিখতাম-
এইখানে লিখি ডাইরি কিনার পয়সা নাই তাই-
এই যোগাযোগ হওয়া আর না হওয়াটাও তেমন কিছুই- লেখার ভেতরে আদর্শিক কোনো সংঘাত থাকলে সেইখানে একটা অবস্থান নেওয়া যায়, কিন্তু এই আদর্শিক অবস্থানের জন্য আপনেরে রাস্তায় দেখা হইলে চটকানা মারা কিংবা মীমাংসিত কোনো ইস্যু নিয়ে যেইটা ব্লগেই শেষ হইয়া গেছে সেইটারে সামনাসামনি নিয়া কচলাকচলিতে আমার আপত্তি আছে-

এই কাজের জন্য ব্লগ আছে- এইখানে সেইসব করাই যায়- ব্যক্তিগত যোগাযোগে এই গালাগালি যদি হয় তাইলে ঐটা তখনকার কোনো ইস্যুতে হইবো, এইখানে কবে কোন ইস্যুতে গালাগালি হইছে সেইটার জন্য আবার গালাগালি কইরা সময় নষ্টের কোনো কাম নাই।

হোগা মারা খাইয়াও লোকজন পয়সা দেয় এইটা ভালো- আপনের এই লাইনে অনেক পয়সা খোয়ানোর সম্ভবনা আছে-
যদি হোগামারা খাওনের জন্য প্রতিবারে ২০ টাকা লইতেন তাইলে এতদিনে ফোর্বসে নাম উইঠ্যা যাইতে পারতো।
ধন্যবাদ জনাব রাইসু।
২৬ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: আপনের জীবনে তাইলে বড় কিছু ইস্যু আছে দেখতেছি। আমার জীবনের কথা আপনারে বলি। যেহেতু আমার হোগামারা খাওয়ার সাক্ষী আপনি। এমনকি আপনের লগেও যখন কথা বলি সেইটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ইস্যু। আমি ব্লগ আর সামনাসামনি আলাপে গুরুত্বমূলক ভেদাভেদ করি না। সুবিধার দিক থিকা করি।

সামনা-সামনি আপনারে বা মুজিবরে হয়ত আমার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ তেমন দিতাম না বা দেই না। এইখানে সেইটা দেই। সো বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে কথা বলার প্লাটফর্ম হিসাবে আমার দিনানুদৈনিক ফালতু বন্ধুবান্ধবদের চেয়ে ব্লগের আপনারা আমার জন্যে অনেক জরুরি মানুষ। আমি এক অর্থে আপনাদের ভালোই বাসি। মুজিবরে কম।

৭৩. ২৭ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:০৩
রাসেল ( ........) বলেছেন: আপনে মহান, আপনে যে আমারে কথা কওনের সুযোগ দেন এইটাতেই আমি ধইন্য- আপনার ল্যাঞ্জের তলায় পইড়া থাকি, আপনার ল্যাঞ্জের ছায়ায় বাইড়া উঠতাছি- এইটাই বড় পাওয়া জীবনের।
সামনা সামনি কথা না কৈয়া এই যে এইখানে হোগামারামারি করতে পারি এইটাই বড় কথা, সামনা সামনি হোগামারামারি করলে এইটা আমার জন্য তেমন আনন্দদায়ক না ও হতে পারতো- জানি না আসলে, কোথায় কি সম্পদ লুকানো আছে-
২৭ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৩:২৪

লেখক বলেছেন: আমি আপনার বক্তব্যরে প্রাণের কথা ধইরা নিলাম।

আমার ল্যাঞ্জের তথা হোগার তলায় আপনার আনন্দ-সঞ্চরণ..., আমার ছায়ায় আপনের বাইড়া ওঠা..., আপনার বাকস্ফূর্তি..., যাতে একই সঙ্গে আমারে আপনের ব্যাপারে যেন আপনি আছেন কি নাই এই রকম অতটস্থ রাখে, মাই ফ্রেন্ড।

৭৪. ২৭ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:১৯
মুজিব মেহদী বলেছেন: ১. সাজ্জাদ শরিফকে তেলালে আমার ইহলৌকিক-পারলৌকিক কোনো লাভের সম্ভাবনাই নেই আপনি জানেন। ইহলোকে নেই কারণ আমি মিডিয়ায় কাজ করি না এবং ভবিষ্যতে করব বলেও ভাবি না, লেখা ছাপবার জন্য কখনো বড়ো মিডিয়ার দ্বারস্থ হই না, আমার বইয়ের আলোচনা করবার জন্যে সাহিত্য সম্পাদকের দফতরে কোনো বইও পাঠাই না। আমার বর্তমান রুটিরুজির প্রশ্নেও সাজ্জাদ ভাইয়ের সঙ্গে আমার কোনো যোগ নেই বা আমার বসের সঙ্গেও তাঁর কোনো দহরম-মহরম নেই।
পরলোকে নেই কারণ আমি পরলোকে আস্থাশীল কেউ নই। আস্থাশীল হলেও এ কাজে তাঁর শরণ নিতাম না কারণ তিনি কোনো পীর নন।
সুতরাং তাঁকে শ্রদ্ধেয় বলায় কী যুক্তিতে আপনি ওরকম একটা ইঙ্গিত আমার প্রতি করতে পারেন তা আমি ভেবে পাই না।
সাজ্জাদ শরিফকে আমি শ্রদ্ধা করি স্রেফ তিনি একজন কবি বলে, মিডিয়াপীর হিসেবে নয়। তাঁর কবিতা আমার ভালো লাগে। 'ছুরিচিকিৎসা' নামে তাঁর একটামাত্রই কৃশতনু গ্রন্থ। কবি হিসেবে তিনি ওই কৃশতনু গ্রন্থ দিয়েই অনেকের মতো আমার মন জয় করতে পেরেছেন। এখন আর তিনি কবিতা লিখেন না, হয়ত আর লিখবেনও না বা লিখতে পারবেনও না। তা কোনো ঘটনা নয়। তিনি যা লিখেছেন, তা আমার বিচারে কবিতাই লিখেছেন। আপনার মতো দোরা কাউয়ার চুদাচুদির ডকুমেন্টেশন করে শব্দদূষণ তৈরি করেন নি। সুতরাং একটু বুঝেশুনে কথা বাড়ান।

২. ঘন ঘন চাকুরি ছাড়া কোনো যোগ্যতা নয়। আমি যে কাজ করি, যেখানে করি, সেখানে আমি খুবই গুরুত্ব পাই। মালপানিও তারা আমাকে যথেষ্টই দেয়। ও দিয়েই আমার চলে, বলতে কি ভালোভাবেই চলে। যখন চলবে না, ওরা বাড়িয়ে দেবে। ফলে আপনি কতবার কাজ ছেড়েছেন, কতবার ধরেছেন এ হিসেবে দেখিয়ে আমার সঙ্গে আপনার প্রতিযোগিতা জমবে না। কারণ দুজনের ভালোমন্দ বোধই দুরকম।

৩. আপনি যে কখনোই কারো সঙ্গে একমত হন না, যুক্তিতে হেরে গেলেও একমত হওয়া ব্যাপারটা যে আপনার ধাঁচে নেই, এটা আপনি না বললেও এ ব্লগের সবাই এতদিনে জানে। এজন্যেই আমি আপনাকে আগের একটা মন্তব্যে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়েছিলাম। তখন সেটা আপনি স্বীকার না করে পালটা আমাকে অগণতান্ত্রিক বলেছেন। আপনি ভুল করেছেন। নোট রাখুন, এবার আপনি প্রকারান্তরে স্বীকার করলেন যে আপনি অগণতান্ত্রিক।

৪. রাসেল...এর মন্তব্যের জবাবে আপনি আবার আমাকে টানলেন দেখলাম। না টানলেও তো চলত। ওই মন্তব্য অনুযায়ী আপনি যদি সত্যিই দেখা হলে আমাকে কথা বলার সুযোগ কম দেন, কম ভালোবাসেন তাহলে আমি বাঁচব কী নিয়ে বলেন? আপনার ভালোবাসা পাওয়াটা আমার জন্যে খুব জরুরি। কারণ আপনাকে আমি খুব ভালোবাসি। কাজেই আগে ভালো না বাসলেও এখন বাসুন এবং এই অবস্থায়ই। দুঃখিত, আপনার গুরু বা শিষ্য কোনোটাই আমি হতে পারব না। শিষ্যত্ব ভাব আমার মধ্যে আসে না, গুরুভাবও না। ওরকম আশা করলে ভুল করবেন।
২৭ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: হিঃ হিঃ, ও আচ্ছা... আপনি আমার সাহিত্যিক দোষমঞ্জরিরে আপনের নিজের সাহিত্যের বাইরে অনত্র তুলনীয় করলেন। সাজ্জাদ শরিফরে শ্রদ্ধা করতে গিয়াই যে আমার প্রতি আপনের অশ্রদ্ধা জন্মালো তা জানলুম। দোরা কাউয়াদের চোদাচুদির বিপরীতে বাংলা সাহিত্যদের টিকে থাকার আকুতিকে আমি স্বাগত জানাই।

চাকরি ছাড়ার প্রসঙ্গ যোগ্যতা প্রমাণের জন্য আনি নাই। চাকরের যোগ্যতার বলিহারী যাই। চাকরি রক্ষায় যে কোশেশ তা যে আমার দরকার পড়ে না তাই বললুম। আপনার উপলব্ধি স্বর্গীয়: "কারণ দুজনের ভালোমন্দ বোধই দুরকম।" আমি ভাবছিলাম এইটা বোধহয় একই রকম। হায়!

যুক্তিতে হাইরা গেলে আমি স্বীকার করি যে হারছি। তার অর্থই একমত হওয়া কেন হবে? যুক্তিতে হারা একটা পর্যায়। তারও পরের পর্যায় একমত হওয়া। কেউ যুক্তিতে হারনের পরে একমত হইতে পারে (যুক্তিতে জিতনের পরেও কেউ হারু পার্টির লগে একমত হইতে পারে।) দুইটাই গণতান্ত্রিক হবে। তর্কের নিয়ম আমি মাইনা চলি। ব্যক্তিজীবনে আমি গণতান্ত্রিক না। সে ব্যাপারে আপনার ধারণার সঙ্গে আমি একমত। কিন্তু গণতান্ত্রিক যে হওয়া দরকার তেমন আবদারের সঙ্গে আমি দুই মত।

৭৫. ২৭ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৩:৪১
রাগিব বলেছেন: প্রথম আলোর ব্লগ কি সবার জন্য হবে নাকি বাছাই করা লেখকদের জন্য?? নিউ ইয়র্ক টাইমসেরও ব্লগ আছে , কিন্তু সেটা অনেকটা op-ed পাতার ধাচে, নিয়মিত নির্দিষ্ট কিছু ব্লগারেরা সেখানে লিখেন।
৭৬. ২৭ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৪:০৪
তারার হাসি বলেছেন: কি জানি !
এটাই এখনো ধরতে পারি নাই...।
৭৭. ২৭ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৮:৩৬
মুজিব মেহদী বলেছেন: এবার মনে হচ্ছে আমার দিক থেকে আর তর্ক না বাড়ালেও চলে। ফালতু একটা পোস্টে অনেক সময় দেয়া হয়ে গেছে। এবার ক্ষান্ত দিলাম।
বাই, দেখা হবে।
৭৮. ২৭ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৪
সাধক শঙ্কু বলেছেন: মাথা লাইনে রাখার কাজে মদ কখনোই গাঁজার জায়গা নিতে পারবো না।
৭৯. ২৭ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:০৭
নিঃশব্দ শিশির! বলেছেন: তাহলে দাড়ালো কি দাদা
মাহবুব মোর্শেদ পিআলো ব্লগের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে!

যাক এবার তাহলেবলতে পারব পিআলো বরবাবরের মতো আবারো ধার করলো!
৮০. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৩৭
আমজাদ সুজন বলেছেন: তাহলে কি বলতে হবে ন্যাড়া একবারই বেল তলায় যায়!
৮১. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩০
রবিউলকরিম বলেছেন: 'প্রথম আলো পত্রিকাটি তার অল্প জ্ঞান ও অধিক রুচিবোধ দিয়া মধ্যবিত্ত নাগরিক সমাজের বারোটা বাজাইয়া আসতেছে, অনেক দিন হইল। এখন যখন তারা ব্লগে নামছে ধারণা করা যায় সেই অল্প জ্ঞান (জ্ঞানীদের মত করে তথ্যের বিতরণ) ও অধিক রুচিবোধ বহাল রাখবে।...'

আমার কাছে তো মনে হয় রইসুর এই বাক্যগুলির মধ্যেই সব প্রশ্নের উত্তর দেয়া আছে। অযথা কুটপ্যাচাল চলছে। একেবারে ব্যক্তিগত পর্যায়ে চলে যাচ্ছে অনেকের কথাবার্তা। এটা কারো কাম্য হতে পারে না। ঝগড়া করার কিংবা পিরিত করার দরকার হলে একান্ত ব্যক্তিগতভাবে তা হওয়া উচিত। আমরা নিশ্চয়ই প্রকাশ্য কোনো স্থানে এরকম মন্তব্য করি না। তবে কেন আমাকে দেখা যাচ্ছে না বলে আমি যা খুশি বলব? এই সুযোগ নেয়াটা অন্যায়।
আমার কাছে এই পোস্টটির পেছনের কারণটি ভাবাচ্ছে। কেন রাইসু এধরনের পোস্ট দিলেন? তার উত্তর হতে পারে

১. যেহেতু রাইসু প্রথমআলো ছেড়ে চলে যাবার পর আবার বিদেশ থেকে ফিরে এসে সেখানে চাকুরি পান নি। সেহেতু প্রথমআলো একটা অল্প জ্ঞান ও ধড়িবাজ পত্রিকা এরকম প্রচারণা চালাচ্ছেন কেননা তার চাকুরীকরা কালীন এমত অভিমত আমরা পাই নি। তাই যখন প্রথমআলো ব্লগ করতে চাইছে তখন সে একরকম ঝাল ঝাড়তে চাইছে। পেছনের কারণ হতে পারে, রাইসু এবারও প্রথমআলোর ব্লগের চাকুরিটা চেয়ে পাননি। হয়ত ভাবতে পারেন যে, বিডিনিউজ-এর দায়িত্বশীল পদে থেকেও তার চাকুরিটা না পাওয়া অসম্মানজনক। তাই তিনি এ রকম পোস্ট দিয়েছেন।

২. এটা প্রথমআলোরই একধরনের প্রচারণা। যাতে করে তারা মার্কেটে আসার আগেই এই ফিল্ড সম্পর্কে একটা ধারনা পায়। যেহেতু ব্লগারের সংখ্যা খুব বেশি নয়। কতজন নেট এবং কম্পিউটার এর আওতায় থাকে? এরকম সব কোম্পানিরাই করে থাকে। রাইসু তাদের পুরাতন কর্মচারী। হয়ত তাকে এ ব্যাপারে এস্যাইন করা হয়ে থাকতে পারে।

৩. এটা রাইসুর একধরনের টপ্পা মন্তব্য। যেমনটা সে হরহামেশাই যে কোনো বিষয়ে করে থাকে। একধরনের মজা নেয়ার জন্য। অনেকক্ষেত্রেই এটা তার জন্য সুখকর হয়নি, হয় না। এটাও হয়নি।

এখন রইসুই বলতে পারবে সত্য কোনটি?

মাহবুব বিষয়ক জটিলতা তৈরি না করাই ভালো। কেননা সে চাকুরে। যায়যায়দিনও যা প্রথমআলো বা যুগান্তরও তা। তার মাসশেষে মাইনে দরকার। যে যা করে চাকুরীর জন্য করে।

রাইসু এবার আপনি ঝেড়ে কাশুন তো।
৮২. ০৩ রা জুন, ২০০৮ রাত ৮:৩৮
ফয়েজ রেজা বলেছেন: ব্লগাররা সুশীল সমাজের প্রাণী হিসেবে বলি হবে।
৮৩. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৫২
চাক্ষিক বলেছেন: অনেক অজানা কথা জানা হল।
৮৪. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৪০
মোঃ আশিকুর রহমান জিতু বলেছেন: তারিক টুকু : - সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, এতকিছু জানার পরও আমরা তাদের ব্লগীয় কানুন হেট মাথায় গ্রহন করে, তাদের রূচিমতো নিজেদের লেখা সেখানে লিখে , তাদের ব্যবসা সফল করে দিয়ে আসবো। তবে আপনিও ফিরবেন না খালি হাতে।
৮৫. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪১
লুৎফর রহমান নির্ঝর বলেছেন: অনকে কষ্ট করে এতো দিনে পড়লাম পোস্টটা। যদিও বাজারে প্র-আলো ব্লগ চলে এসেছে।
৮৬. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৯
সন্দীপন বসু মুন্না বলেছেন: ব্যাপক কাউ কাউ......
শেষ রাইতে মজা পাইলাম। ধইন্যা।
৮৭. ১৩ ই মে, ২০১১ রাত ১২:৪৯
কানা আজম বলেছেন: অপরিসিম আনন্দ পাইলাম।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১২৫১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস