স্বেচ্ছাচার না করা গেলে তারে স্বাধীনতা বলে না। স্বাধীনতা মানেই স্বেচ্ছাচারের অধিকার।

হে ভাস্কর্য, তুমি কি মূর্তি?
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৩
![]()
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, 'যারা বাউল ভাস্কর্য ভেঙেছে, তারা সেটিকে মূর্তি হিসেবে উল্লেখ করেছে। কিন্তু একে মূর্তি হিসেবে উল্লেখ করে শিল্পকে অপমান করা হয়েছে।' (পি আলো)
হাঃ হাঃ হাঃ। (হাসলাম একটু) ![]()
কওমী মাদ্রাসার চালাক ছাত্ররা আবার এইটারে "ভাস্কর্য" বলতেছে না, বলতেছে "মূর্তি"। হোয়াই।
কারণ, এই দেশে অন্ধকারাচ্ছন্ন (সিইচৌ কথিত) ও আলোকিত (আআসা আবিষ্কৃত) উভয় পক্ষই মূর্তি নির্মাণে অনাগ্রহী। বহু বছর হয় "ভাস্কর্য" নাম দিয়াই "মূর্তি" নির্মাণ চলতেছে।
সময় হইছে মূর্তি নির্মাণের ব্যাপারে সরব হওয়ার। ভাস্কর্যের ব্যাপারেও ধর্মে মূর্তি মোতাবেক নিষেধই আছে। ধর্ম পালন করবেন আবার মূর্তিও বানাইবেন এ চলে না।
তবে মজার ব্যাপার, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এবং কওমী ছাত্র দুই পক্ষই মূর্তির বিরোধী।
আমি খুশি, কুৎসিত ভাস্কর্য তথা মূর্তি দেখার হাত থিকা আর্ট-এর সমঝদার কওমী মাদ্রাসার ছাত্ররা আমাদের মুক্তি দিতে চলেছেন।
নাগরিকদের সম্মতি ছাড়াই যত্রতত্র ভাস্কর্য/মূর্তি নির্মাণের অধিকার আপনেগো কে দিছে! উন্মুক্ত রাস্তায় আমার দৃষ্টিকে কী পীড়া দিবে না দিবে তা জরুরি বিষয়। মূর্তি ভাইঙ্গা মাদ্রাসা ছাত্ররা তাদের ধর্ম রক্ষার আন্দোলন করতেছে। তাতে আমার সায় নাই। কিন্তু সরকারের উচিত নাগরিকদের সম্মতি লইয়া ফালতু ভাস্কর্য ভাইঙ্গা ভালো ভালো মূর্তি নির্মাণ করা। টেকা খাইয়া বিবিধ মন্ত্রণালয়ের লোকরা খারাপ আর্টিস্টদের যে কাজ দেয় তারও তদন্ত হওয়ার দরকার।
দুইটা ভাস্কর্য তো এই মুহূর্তেই ভাঙা দরকার, বাংলা একাডেমী ভাস্কর্যটা আর বিশ্ববিদ্যালয়ে শামীম শিকদারের আখাম্বা মরার ভাস্কর্য!
ধর্ম নিয়া কিন্তু প্রগতিশীলরা একটা কথাও কয় না। ডরায় বোধহয়।
হক মাওলা। ফিরা আসুক আবার মূর্তির দিন! আবার ধর্মহীনতার দিন!!
প্রকাশ করা হয়েছে: শিক্ষামূলক! বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:২০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
দূরন্ত বলেছেন:
হক মাওলা।
প্রজ্ঞা তাসনুভা রূবাইয়াৎ বলেছেন:
ব্রাত্য রাইসুর সাথে একমত। কিছু শিল্পকর্ম দেখলে আসলেই রাস্তা-ঘাটে কাণ্ণা পায়। ......ঐগূলারে শিল্প বলতেও ইন ফ্যাক্ট লজ্জা হয়...। ঃ-(
লেখক বলেছেন: থ্যাকংস। আমার হাসি পায়।
কখনও মানব কখনও দানব বলেছেন:
কি বলিলেন বা লিখিবার চাইছেন হেইডা কি নিজের বুঝে আছে?
লেখক বলেছেন: এইটা শিক্ষামূলক পোস্ট। আস্তে আস্তে বোঝা যাবে।
রাফা বলেছেন:
কিযে বোঝাতে চাইলেন কিছুই বুজলাম না।
লেখক বলেছেন: ঐ।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
এও আরেক ধরনের মডারেট চিন্তাভাবনা দেখি - এদিকও তাল দিলাম, ওদিকও....কিনবা আমার বোঝার ভুল হতে পারে...হয়ত এটি উচ্চমার্গের চিন্তাভাবনা...মূর্তি/ভাস্কর্য যে নামেই বলি না কেন...এ ব্যাপারগুলো ছাড়া দৈনন্দিন জীবনে আরো অনেক অনেক কার্যকলাপ, আচার-অনুষ্ঠান আমরা খুব স্বাভাবিক ভাবেই পালন করি....ধর্ম তো তাতেও যাওয়ার কথা ...তাহলে আদৌ কি আমরা কোন ধর্ম বহন করছি !!!!!!!!!!!!!!!!
যততত্র ময়লা-আবর্জনা পরে থাকে, বৃষ্টি হলে হাঁটু পানি, রাস্তাঘাট ধুলোবালিতে পূর্ণ..... দৃষ্টিপীড়াদায়ক দৃশ্য হওয়া উচিত এগুলো....
লেখক বলেছেন: ময়লা আবর্জনা সে কারণেই সরাইয়া ফেলা হয়।
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
আইরিন সুলতানা, এইটা হইলো ভন্ড সুশীলদের আসল চেহারা। এরাই চিরকাল ইস্যুর মূল বক্তব্যরে ডাইভার্ট কইরা আমাদের দেশে মৌলবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করসে।
লেখক বলেছেন: আসল বক্তব্যটা কী জনাব?
মাঠশালা বলেছেন:
হক মাওলা। ভালো পয়েন্টে কথা কইছেন। আমি মূর্তি আর ভাষ্কর্য নিয়া একটু কইছিলাম যে মূর্তি বানাইতেও আমার আপত্তি নাই। যাক আমার নাতিদীর্ঘপোষ্টখানিই এখন কপি পেস্ট মাইরা দিলাম:
ঘটনা যা ঘটার তাতো ঘটলোই। এইটা শুরু। সামনে....
প্রথম যখন ভাস্কর্য ভাঙার আবেদন মিছিল ও ওদের পুরানা জঙ্গীপনা(যা রাস্ট্র কখনোই বাধা দেয় না)য় আতঙ্ক এবং ক্ষোভ নিয়ে কয়েকটা বন্ধুর সাথে কথা বললাম। সবারই এক অবস্থা। তাইলে তো ভাস্কর্যটা রক্ষা করতে নামতে হয়! কিন্তু এইবেলা সবাই এমন কি আমার ভেতরও একটা খচখচানি শুরু হইলো। কারন আর কিছুনা মৃণাল হক সয়ং। এই লোক সারা ঢাকায় বিভিন্ন জায়গায় দৃস্টি নন্দনের নামে যে পরিমান দূষন তৈরী করছেন যোগাযোগ ও নানান ফিকিরে তা গত সংখ্যার আর্টবিট পত্রিকায় বিস্তারিত আছে।আর এই সেই মৃণাল হক যে- ছাত্রাবস্থায় ঘুমন্ত শিশির ভট্টাচার্যের উপর চড়াও হয়ে তার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিল। এ হেন লোকের তো ভাস্কর্য তো দূরের কথা মূর্তি নির্মানেরই যোগ্যতা নাই। অথচ দিনের পর দিন এই একটা লোকই সারা ঢাকায় একটার পর একটা .......
কথা বললে ওনেক কথা চলে আসে। আমার মনে হয় আমাদের শিল্পী সমাজের একটা ধারাবাহিক নিস্কৃয়তায় এইসব উজবুক রাস্ট্রের কাছে নিজেরে িশল্পী ভাস্কর বানায়া শেষ পর্যন্ত যার ক্ষতি করে তা হইলো শিল্পর। আরো আগে থেকে যদি এরে চিহ্নিত করা যাইত তাইলে বর্তমান ঢাকায় ভাস্কর্যর নামে যা ায স্থাপনা আছে তার এতটা দূরাবসবথা হইতো না আর আমরাও আমাদের সেরা ভাস্করদের কাজগুলার প্রকৃত পোষকতা করতে পারতাম। যাউগগা এবার কইতে চাই আরেকটা কথা, কোন একটা পয়েন্টে একটা ভাস্কর্য হবে এইটা কে কিভাবে প্রয়োজন মনে করলেন এবং পরে করা কারা সেইটা কর্যকর করলেন অর্থ্যাৎ প্লানিং কমিশন বা ঐ জাতিয় কিছু যারা এইসব করে থাকে তারা মনে হয় না শিল্পসংশ্লিস্ট কেউ বা ওদের মধ্যে অন্তত কেউ একজন আছেন যার যথার্থ শিল্পবোধ রয়েছে। মৃনাল যা বানাইছে তার ছবি দেখছি তো সেইটারে ভাস্কর্যতো দূরের কথা নেহায়েৎ দূর্বল মূর্তি (কেউযদি মূর্তি বানাইতে চান তাতে আমার আপত্তি নাই, মূর্তি তৈরীর প্রচীন ঐতিয্যে আমি বরাবরই গুনাগ্রাহী) বইলাও মাইনা নিতে হয়। এখন একে ভাস্কর্য কইয়া যারা সৌন্দর্য তৈয়ার করতে চান তাগো তো......
এখন যে ঘটনা ঘটল তার প্রভাবতো অনেক দুর পর্যন্ত বিস্তৃত।
কারে কমু আর কিকরুম এহন।
এ হেন পরিস্থিতিতে মৌলবাদী আক্রমন প্রতিহত যেমন জরুরী তেমনি মৃণাল হকের মত কৃমিনালদেরও ভাস্কর হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে যাবার একটা সম্ভাবনা থেকে আমি তার প্রসঙ্গ টেনেছি।
পুতুল, মূর্তী, প্রতিকৃতি, ভাস্কর্য এসবের মধ্যে পার্থক্যতো বুঝিয়ে বলার প্রয়োজন দেখিনা। কিন্তু ওরা সব কিছুকেই মুর্তির দাড়িপাল্লায় ফেলে অন্যায্য ও মধ্যযুগীয় মূল্যবোধ দিয়ে আমাদের নন্দনতত্বের বিরোধীতা করছে। সেটা অনেক ব্যপক, সরাসরি আর প্রাচীন ফাইট। ওদের সাথে আমাদের। যারা শিল্পের নানান ফ্রন্টে সক্রিয় আছি।
"মোল্লারা ভাষ্কর্যের বিরুদ্ধে দাড়িয়েছে , ভাষ্করের বিরুদ্ধে নয় ।"
আর রাস্ট্রের ভূমিকা নিয়েও আমি কিছু কথা বলার ব্যার্থ্য চেস্টা করেছিলাম আমার প্রথম দিকটাতে। তাছাড়া এই মুহূর্তে মাথায় আরেকটা ব্যাপার ঘুরপাক খাচ্ছে- ধরেন লীগ/বিএনপির শাসনামলে মুজিব/জিয়ার প্রতিকৃতি স্থাপন করা হলে যে গোস্ঠিটি এখন বিরোধীতা করছৈ"মুর্তি" স্থাপনার তারা তখন কি করত বা রাস্ট্রের ভুমিকাইবা কিহত তখন। কিন্তু এখন ওরা কেই ক্ষমতায় নেই আর প্রতিকৃতি হয়েছে লালনের। এই লালনের সাথেতো ধর্মান্ধদের বাহাসের প্রাচীন ইতিহাস আপনি জানেনই। পরে হয়ত বিস্তারিত বলার কোশেষ রাখি।
ধর্মান্ধতা আর রাস্ট্রীয় পশ্চাদপদতা এক সাথে অগ্রসর হচ্ছে নানান রকম চেহারায় সর্তর্ক ও সক্রীয়তার আলাদা ফ্রন্ট দরকার, পুরানা ছাউনিগুলাতে আর আস্থা নাই।
লেখক বলেছেন: মূর্তি ভাস্কর্যের তফাৎটা আসলে কী? আপনার বাকি কথা ভালো লাগল।
আমার জন্য লেখা বলেছেন:
"কিন্তু সরকারের উচিত নাগরিকদের সম্মতি লইয়া ফালতু ***ভাস্কর্য*** ভাইঙ্গা ভালো ভালো ***মূর্তি*** নির্মাণ করা।"মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: আপনার বক্তব্য সুস্পষ্ট নয়...........অতএব.........মাইনাচ
নিঃশব্দ শিশির! বলেছেন:
দাদাআপনার সাথে একমত!
যারা এসব করে তারা একদিন হয়ত বলবে। বাংলাদেশ নয় আবার পাকিস্তানে যেতে চাই!
কারণ এই দেশে মুর্তিতে ভর্তি!
বকুল০৮ বলেছেন:
সহমত
দস্যু বনহুর বলেছেন:
সুশীল পোস্টে যথারীতি মাইনাস। তবে দুইটা বিষয়ে একমত - ১.ভার্স্কযকে মুর্ত্তি কইলে কোন সমুস্যা থাকার কথা না যতক্ষন পর্যন্ত না সেইটারে ওয়ারশিপ করা হয়।
২. জগন্নাথ হলের কাছে শামীম শিকদারের বঙ্গবন্ধু এলবিডাব্লিউ ভাস্কর্যখানা চরম এলার্জিটিক।
সুমন রহমান বলেছেন:
হক মওলা আলেকচান। প্লাসাইলাম।+
রিপঅন বলেছেন:
আপনার মানসিকতায় কষ্ট পেলাম, এই মানসিকতা আপনার নতুন নয় সব ইসূতে পেচিয়ে সাধারন মানুষকে বিভ্রান্ত করা(পেটে গু থাকলেই জিলাপি বানায়া হাগা যায় আপনের আছে আপনি হাগতে পারেন) । আমাদের বুদ্ধি কম বুঝিও কম ।তবে আপনার কাছে একটা প্রশ্ন দৃষ্টিকটু ভাস্কর্য গুলি সন্পর্কে আগে কখন ও কি কিছু বলেছেন??
বিপ্লব রহমান বলেছেন:
একমত@ পোস্ট।ঢাবির যত্রতত্র গড়ে ওঠা ভাস্কর্য দেখে মনে হয়, সিমেন্টের কী মারাত্নক আপচয়!...
এগুলো গুড়িয়ে ফেলা উচিৎ।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
ভাল লাগলো।রাস্তায় ভাস্কর্য দেখলে কান্না আসে।
আমি মনে মনে কান্দি আর ভাবি, কতটা ধান্দাবাজ হইলে খারাপ শিল্পীরা এই ধরনের কাজ পায়। আর কতটা নির্লজ্জ হইলে সেই ভাস্কর্য সবার সামনে টাঙাইয়া রাখে।
ভাল লাগতেছে, এই ভাইবা যে চারুকলার ছাত্ররা এখন খারাপ ভাস্কর্যের পক্ষে আন্দোলন করতেছে। মোল্লাদের বিরুদ্ধে করতেছে মনে হইতেছে। কিন্তু খারাপ ভাস্কর্য নিয়া তাদের চুপচাপ অবস্থা দেইখা বুঝা যায়, ভাস্কর্য হইলেই তারা সেইটার পক্ষে দাঁড়ানোর জন্য এক পায়ে খাড়া।
মূর্তি আর ভাস্কর্যের যে পার্থক্য সিরাজুল ইসলাম নির্ধারণ করছেন সেইটা শুইনা মনে হইলো, এইরাম সংহতি সমাবেশ থিকা ওনার অবসর নেওয়ার সময় হইছে।
স্টিংরে বলেছেন:
আপনি তো তিঙ্কোণারে জিগাইলে জানতে পারবনে। আপনার বিডি আর্টস না কোথায় যেন দেখলাম ছাগ প্যাড লাগাইছেন।
রঞ্জন রাব্বানী আপনেরে সালাম এবং সাধুবাদ জানাইছে...
লেখক বলেছেন: রঞ্জন রাব্বানীকেও সাধুবাদ। সাধু সাধু!
রাসেল ( ........) বলেছেন:
নান্দনিক উৎপীড়নের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহনের দাবিটা ঠিক এই সময়ের উপযুক্ত দাবি নয়।মাদ্রাসার ছাত্ররা বাউলমুর্তি ভাঙলো, সেটার নান্দনিকতা নিয়ে আলোচনা চলতে পারে, স্বোপার্জিত স্বাধীনতা, সলিমুল্লাহ হলের সামনের বিশাল চত্ত্বরের উৎকট ভাস্কর্যপীড়ন নিয়ে সোচ্চার হওয়ার সুযোগ আছে।
দৈনিক বাংলার সামনের একটা কিছু আছে সেটাকে মুর্তির কাতারেও রাখা যায় না,
অনেক রকম নান্দনিক উৎপীড়ন ঢাকা শহরে ছড়িয়ে আছে, জেলা শহরেও এমন অনেক ভাস্কর্য আছে, কাঁচা হাতের কাজ, মসৃনতা নেই, রাজু স্মারক ভাস্কর্যের দৃঢ়তা ও প্রতিরোধ সেখানে নেই। মিলনের স্মৃতিতে রক্ষিত নিঝুম স্থাপত্য বিষয়েও এমন কথা বলা চলে।
এই নান্দনিকতার লড়াইয়ে দৃষ্টিকটুত্ব হয়তো একটা প্যারামিটার হতে পারে, তবে মুর্তি নির্মূল আন্দোলনের সময়ে নান্দনিক হয়ে উঠার অবস্থানে এসে যদি বলেন অসুন্দরের বিরুদ্ধে লড়াই এটা। মাদ্রাসার ছাত্রদের বাউল মুর্তি ভেঙে ফেলা যেমন একটা কুৎসিত আচরণ, অনানন্দিক আচরণ, ঠিক একই পর্যায়ে স্থাপন করা যায় যত্রতত্র ভাস্কর্যের নামে উৎকট দৃষ্টিপীড়নকে, তবে আমার অবস্থান ঠিক এই মুহূর্তেই আপনার বিপক্ষে।
উৎস বিবেচনা করলে এবং প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করলে মুর্তি ভাঙা ও মুর্তি নির্মূলের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং জনমত গড়ে তুলবার কাজটা বর্তমানের প্রয়োজন। আমি নিজে এটাকে যতটা সাম্প্রদায়িক বিবেচিত হচ্ছে ততটা সাম্প্রদায়িক মনে করি না, রাজনৈতিক ইসলামের স্পর্শ্বকাতরতা ব্যবহার করে একটা অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা হিসেবে দেখি। সেখানে নির্বোধ মাদ্রাসার ছাত্রগুলো দাবার ঘুটি, এই আন্দোলনের নেপথ্যে থাকা রাজনৈতিক নেতৃত্বগুলোর লক্ষ্য আলাদা।
সেটাকে প্রতিরোধ করা উচিত
ঠিক এই মুহূর্তে বিষয়টা নেহায়েত বিতর্কিত হয়ে উঠবার প্রচেষ্টায় দিয়ে দেওয়ার রাজনীতি বুঝতে ব্যর্থ হলাম।
বিশেষ বিশেষ উপলক্ষ্যে এমন বিপরীত অবস্থান গ্রহনের আগ্রহ ঠিক কোন কারণে উদ্ভুত হয় এটা সব সময়ের মতোই একটা প্রশ্ন।
লেখক বলেছেন: বিপরীত অবস্থান আমারটা হইলে আপনেরটা সঠিক অবস্থান হয়। তো কী কারণে আপনের অবস্থানরে মানতে হবে আমার? মাদ্রাসা ছাত্ররা আন্দোলন করলেই তার বিরুদ্দে দাঁড়াইতে হবে কেন? আমি তো আপনেরে আর মাদ্রাসা ছাত্রদেরে আলাদা কইরা দেখতে পারি না। নিজেদের অবস্থানই সঠিক অবস্থান বইলা দাবি আপনাগোর। আমি তো আমার অবস্থান প্রকাশ করি নাই। অন্যের অবস্থানের ফাঁক দেখাইলাম। চক্ষু বন কইরা রাখেন।
শামীম রিয়াজ বলেছেন:
রাসেল(.........)বলেছেনঃবিশেষ বিশেষ উপলক্ষ্যে এমন বিপরীত অবস্থান গ্রহনের আগ্রহ ঠিক কোন কারণে উদ্ভুত হয় এটা সব সময়ের মতোই একটা প্রশ্ন।একমত এবং মাইনাচ
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
আপনি কি নিশ্চিত যে এইটা কুৎসিৎ কিছু হচ্ছিল? মৃণাল হককে তো ভালো ভাস্কর হিসেবেই জানতাম। তবে আপনার মূল বক্তব্যে সায় আছে। তবে এই সময়ে তা খানিকটা অপ্রয়োজনীয়।
শেষ লাইনের আহ্বানে হাত তুলছি। হক মওলা।
লেখক বলেছেন: আপনার কণ্ঠের "এই সময়" নিঃসন্দেহে আপনারে একটিভিস্টের মর্যাদায় ভূষিত করে।
কিন্তু একটা প্রশ্নের জবাব দেন: আপনি কি মসজিদের পাশে কোনো মনুষ্যমূর্তি বসানোরে হঠকারীতা মনে করবেন কিনা? যদি তাই হয় হজ্ব ক্যাম্প থেকে বেরুনোর পথে তা বসানোরে এত আর্টের বেদনা মনে করতেছেন কেন? এই সময়ে কী হইছে?
এই দেশের চিকিৎসা এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে জামাত অলরেডি সব দখল কইরা নিছে। ওনাদের পার্টি ফাণ্ডে টাকার পরিমাণ (শোনা কথা) ১৪ হাজার কোটি টাকা। "এই সময়" জিনিসটা কি ভাস্কর্য সরানোর পর থিকা শুরু হইল। জয় একটিভিজম!
রাসেল ( ........) বলেছেন:
মাদ্রাসার ছাত্ররা আন্দোলন করতেছে বলেই আপনেরে ওগোর বিরোধিতা করতে কই নাই, মন্তব্যটা পুনরায় পইড়া দেখলে কথাটা পরিস্কার বুঝা যাইতো। আমার অবস্থান সঠিক এমন দাবিও করতেছি না, কইতেছি নান্দনিক উৎপীড়নের বিরোধিতা করার জন্য সময়টা সঠিক না। এইটা আমার বিবেচনা,
আপনের অবস্থান নান্দনিক উৎপীড়ন উচ্ছেদের পক্ষে- অন্তত স্বোপার্জিত স্বাধীনতা আর বাংলা একাডেমির ভাস্কর্য/মুর্তি উচ্ছেদের দাবিটা আপনার লেখায় আসছে।
আমার বক্তব্যের সারসংক্ষেপ হইলো, মাদ্রাসার ছাত্রদের দাবার ঘুটি বানায়া যেই খেলা চলতেছে সেই খেলার পেছনে যারা আছে তাদের লক্ষ্য মুর্তিবিনাশী, পৌত্তলিকতাবিহীন বাংলাদেশ নির্মান না, বরং এইটা প্রথম থেইকা শেষ পর্যন্ত অন্য একটা রাজনৈতিক ইস্যুর এক্সটেনশন। যারা এই খেলাটা খেলতেছে তাগোরে প্রতিরোধ করা প্রয়োজন,
আপনের নান্দনিকতাবিচ্যুত হওয়া ভাস্কর্য/মুর্তিবিনাশী আন্দোলন, টেকা খাইয়া যারে তারে মুর্তি/ভাস্কর্য নির্মানের অধিকার দিয়া দেওয়া, এইটার জন্য পাব্লিক মতামত না নেওয়া, এইসব আওয়াজের সঠিক সময়টা এখন না।
লেখক বলেছেন: মাদ্রাসা ছাত্ররা কেন দাবার ঘুটি হবে। ওনাদের কি ধর্মবোধ লুপ্ত হইছে নাকি আপনাগো মত? আপনারা ইসলাম মানবেন আবার ইসলামের কানুন মানবেন না। মাদ্রাসা ছাত্ররা ইসলামরে সঠিক ভাবে মানে।
অর্থাৎ আপনারা যারা ধর্ম মানেন তাদেরই অগ্রসর বাহিনী হচ্ছেন মাদ্রাসা ছাত্ররা। তাদের কাজে ও বিশ্বাসে মিল আছে। আপনাদের নাই। ওনারা তাই ধর্মপ্রাণদের পথ দেখান।
আমি ধর্ম মানি না। আর্টের ফ্যাসিবাদও মানি না। তাই আমার কথারে আপনার নেহায়েত বিতর্ক মনে হইতে পারে।
আপনারা যারা অত্যন্ত প্রগতিশীল তারাও ঘরের মধ্যে কাউরে কবর দিবেন না। প্রত্যেকটা জিনিস পরিবেশ রাজনীতি ইত্যাদি ভেদে একেক রকম হয়। মোল্লাদের লেজে পারা দিয়া আর্টের স্বায়ত্ত্বশাসন কায়েম করতে চাইলে হবে। হ্জক্যাম্পের সামনে থিকা সরাইয়া অন্য জায়গায় বসাইলে লালন শাহ বেজার হবে না। বাউলরা স্থাপনার পক্ষে বইলা কখনো মনে হয় নাই আমার।
ভিন্ন মতরে ভিন্ন মত আকারে গ্রহণ করার সামর্থ অর্জন করেন। কেন কে কী বলে ওইটায় কি কিছু যায় আসে। আপনি যে আধো যুক্তি (এইটা প্রথম থেইকা শেষ পর্যন্ত অন্য একটা রাজনৈতিক ইস্যুর এক্সটেনশন।-রাসেল) আধো আবেগের (এইসব আওয়াজের সঠিক সময়টা এখন না। - রাসেল) বন্দোবস্ত করছেন লেখায় আমি কি জানতে চাইছি কেন আপনি এই রকম করেন?
শাওন বলেছেন:
হরিবল !
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
এখন সময় হচ্ছে ভাস্কর্য শিল্পের বিরুদ্ধে দাড়ানো মৌলবাদী আস্ফালনের প্রতিবাদ করা ।স্পেসিফিক নন্দনতত্ব বিতর্ক হয়তো মূল জায়গাটিকে হালকা করে দেবে ।
তবে শামীম শিকদারের ভাষ্কর্যটা ভাঙার যেকোন আন্দোলনে আমি পয়লা কাতারে থাকতে ইচ্ছুক । আগে ওটা দেখলে ক্রোধ জমত , একন কান্না পায় ।
এই কারনেই কেবল আবেগের প্রগতিশীলতা না দেখাইয়া যৌক্তিকতায় থাকনের প্রয়োজন পরে ইতিহাসে। পিটাপিটি করনের কথা ভাবনের আগে ভাবতে হয় আসল শত্রুটা কে...মৌলবাদের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন কোন ক্ষণস্থায়ী আন্দোলন না এইটা হলফ কইরা কইতে পারি...দীর্ঘমেয়াদী আন্দোলনে সকল দিকই বিবেচনায় রাখতে হয় একটা আন্দোলনে, রাজনৈতিক আন্দোলনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়া সেইটাই জানছি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
হক মাওলা। ফিরা আসুক আবার মূর্তির দিন! আবার ধর্মহীনতার দিন!একই লাইনে দুই জাতের কথা!
কাহিনী কি?
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
আপনি বলেছেন, "আপনি কি মসজিদের পাশে কোনো মনুষ্যমূর্তি বসানোরে হঠকারীতা মনে করবেন কিনা? যদি তাই হয় হজ্ব ক্যাম্প থেকে বেরুনোর পথে তা বসানোরে এত আর্টের বেদনা মনে করতেছেন কেন? এই সময়ে কী হইছে?"সেইরকম সমতার সমাজে কমন দেয়ালে মন্দির ও মসজিদ পাশাপাশি হইতে পারে, উভয়েরই একটা দেয়ালের খরচ তাতে বাঁচতো। বিদ্যমান সমাজে মসজিদের পাশে মনুষ্যমূর্তি হঠকারিতাই।
কিন্তু আমাকে জানতে হবে মূর্তি/ভাস্কর্যটি কি হজ্জ্বক্যাম্পের সামনে হচ্ছিল না এয়ারপোর্টের সামনে নির্মিত হচ্ছিল? এয়ারপোর্টে ভাস্কর্য/মূর্তি নির্মাণ একটা সেকুলার বিষয়, পৃথিবীর সব এয়ারপোর্টেই এইটা হইতে পারে। এরমধ্যে হাজীক্যাম্পের দোহাই আসছে। দাঁড়ানো মূর্তি নামানো হইছে। আমার দাবি শোয়ানো মূর্তি আবার দাঁড় করাতে হবে। এয়ারপোর্টের মতো সেকুলার জায়গায় মূর্তি থাকতে হবে। হাজীরা বছরে একবার জমায়েত হয়, দেশবিদেশের ননহাজীরা ২৪ ঘন্টা আসে যায়।
লোকে বলছে ওইসব কিছু না, 'পলাতক মুজাহিদ'কে নিয়ে এত কাণ্ড। পলাতক মুজাহিদ ইস্যুটা সমসাময়িক, আর মূর্তি নামানোর ঘটনাটা ইস্যু হিসেবে তাহলে উটকো। 'এই সময়'টা এজন্য গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে পুনঃস্থাপনের দাবিটি তাহলে কিন্তু উটকো বা আচমকা নয়, যেহেতু মুজাহিদকে আমরা ১৯৭১ থেকে চিনে আসছি।
আপাতত আমার আর্টের বেদনা নাই। চলমান ব্লগের ধারাবাহিকের শিরোনামে দেখবেন আমি মূর্তি শব্দটাই ব্যবহার করেছি।
অন্যমনস্ক শরৎ বলছিলেন এক্টিভিস্ট হিসেবে মানস ও আপনাকে আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত রাখা উচিত। এক্টিভিজম বিষয়ক আপনার বিদ্রূপ দেখে মনে হচ্ছে তার দাবিটি অহেতুক ছিল।
লেখক বলেছেন: এয়ারপোর্টের সামনের রাস্তায় এবং হাজী ক্যাম্পের সামনের রাস্তায় অন্য মূর্তি ভাইঙ্গা মানুষের মূর্তি বসানো হইছে। এইটা যেহেতু সেক্যুলার দেশ না ফলে স্পর্শকাতরতা আগে বিবেচ্য।
পৃথিবীর সব এয়ারপোর্টে মানুষের মূর্তি বসানো যায় না। ইসলামী দেশগুলির "সেক্যুলার" এয়ারপোর্টে এই রকম হয় না। হাজী ক্যাম্পের দোহাইরে গণ্য করবেন না কেন? তা যদি নাই করেন হাজী ক্যাম্প ওঠাইয়া দিলেই তো হয়। নাগরিক প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষা সরকারের দায়িত্ব। স্কুলের বা হাসপাতালের সামনে মদের দোকান বা বেশ্যালয় বসাইতে দিবেন? যার যাতে সমস্যা হয় তা এড়ানো ভালো। সারা দেশে কম মূর্তি আছে? তা নিয়া তো সমস্যা হয় নাই।
এক্টিভিজম অতি অবশ্যই বিদ্রূপযোগ্য বিষয়। তা অন্যত্র কখনো লিখব। ভাগ্য ভালো আপনার তালিকার বাইরে রাখছেন। নাইলে বোঝাইতে গিয়া কষ্ট পাইতাম।
. . . এখনো খুঁজি বলেছেন:
যেদিন আপনার পেয়ারের তালেবান কমরেডরা চুলের মুঠি ধরে ধরে বলবে "বাউলদের মত চুল লম্বা ক্যান” সেদিন থেকে বুঝবেন কোন বেদনা বেশি - আর্টের বেদনা, এক্টিভিজমের বেদনা নাকি আঁতলামির বেদনা।
১৪ হাজার কোটি টাকা তো মেলা টাকা। ওরা নিশ্চয় কিছু না কিছু এদিক ওদিক ছড়াবে। যোগাযোগ রেখেন।
লেখক বলেছেন: সে কারণে কি তালেবানদের সবই খারাপ বলতে হবে আমাকে? আমারে তালেবানরা মারতে আসলে আমিও তাদের মারতে যাব। কিন্তু তার মানে আমার যারা শত্রু তাদের সকলই পরিহারযোগ্য এমন চিন্তা করতে হবে আমার?
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
আপনি বলেছেন, "পৃথিবীর সব এয়ারপোর্টে মানুষের মূর্তি বসানো যায় না। ইসলামী দেশগুলির "সেক্যুলার" এয়ারপোর্টে এই রকম হয় না। হাজী ক্যাম্পের দোহাইরে গণ্য করবেন না কেন? তা যদি নাই করেন হাজী ক্যাম্প ওঠাইয়া দিলেই তো হয়। নাগরিক প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষা সরকারের দায়িত্ব। স্কুলের বা হাসপাতালের সামনে মদের দোকান বা বেশ্যালয় বসাইতে দিবেন?"বাংলাদেশ সেকুলার দেশ না, ইসলামী দেশওনা। মূর্তি বানানোর চল এদেশে আছে। বাংলাদেশের এয়ারপোর্টেও মূর্তি বানানো চলে। মূর্তি বানানোর সিদ্ধান্ত যখন নেয়া হয়, তখন পুরোপুরি এয়ারপোর্টের কথাই মাথায় ছিল সরকারবাহাদুরের, এটা কেবল আমি না, আমার ধারণা আপনিও নিশ্চিত। মূর্তি স্থাপিত হয়েছে মূলত এয়ারপোর্টের সামনে, হাজীক্যাম্পের সামনেও, তবে তা গৌন বিষয়। এই মূর্তি হাজীদের অবমাননা করবে, এইটা মাথায় না আসার কারণ হতে পারে হজক্যাম্প একটা মৌসুমী ব্যাপার।
অপরাজেয় বাংলাও ভাংতে চেয়েছিল মোল্লারা, সম্ভবত ৭৬ কি ৭৭ সালে, পারেনি। লাল দরজার ব্লগে গেলে তার ছবিও দেখবেন। এখন মোল্লারা বলছে শিখা অনির্বান নেভাবে অমুক তমুক ভাঙ্গবে। তাহলে অন্য মূর্তির বিষয়েও তারা সমান স্পর্শকাতর। তবে এই ঘটনার পেছনে যেহেতু অন্য মূল ইস্যু ছিল, হজক্যাম্পীয় নৈতিকতাকে আমলে আনার সুযোগ ক্যাম্প।
শোয়ানো মূর্তি দাঁড় করাতে হবে, এই আমার দাবি। সেকুলার জায়গা থেকে ননসেকুলার হাজীক্যাম্প সরানোই দরকার। মূর্তির নন্দন সেকেন্ডারি, মূর্তির মূর্তরূপ থাকা দরকার, অন্তঃত এক্ষেত্রে।
আপনার কি মোল্লাদের চাইতে সেকুলারদের ওপর রাগ বেশি? সেকুলাররা আপনাকে বড়োজোর গালি দেবে, আর সঙ্কটকালে মোল্লারা ঝুঁটি কাটবে।
এক্টিভিজম বিষয়ক লেখাটা নামলে খবর দিয়েন।
লেখক বলেছেন: সরকারের মাথায় এয়ারপোর্ট থাকলেও আশপাশের স্থাপনা সম্পর্কে যে কিছু ছিল না, সেই না থাকাটা যে ঠিক ছিল না সেইটাই বলতে চাইতেছি। অদক্ষ সরকারের মাথার ব্যাপারে আপনার সন্তুষ্টি শান্তিদায়ী। আমি তাতে সন্তুষ্ট না। আর এখন যেহেতু আপনার একটিভিটি হজ্বক্যাম্প সরানোর দিকে... আমি মূর্তির আলাপে আর আগাইতে চাই না।
আমি রাগ থিকা লেখি না। আপনি যে লেখেন তার ইঙ্গিত দিলেন।
আপনি লিখছেন, "সেকুলাররা আপনাকে বড়োজোর গালি দেবে, আর সঙ্কটকালে মোল্লারা ঝুঁটি কাটবে।" ভিন্ন মতাবলম্বীরা শক্তিমান হয়ে উঠতে পারে সুতরাং তাদের সমূলে বিনাশ করো! এই কি আপনার অবস্থান? আপনার বাক্যে ফ্যাসিবাদের গন্ধ পাওয়া যাইতেছে।
মোল্লারা আমারে মাইরা ফেলতে পারে সেই ভয়ে তাদের সব দাবির ব্যাপারে চোখ কান বন্ধ রাখতে চাই না আমি।
ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন:
লেখাটি পড়ে নিজেতো বিভ্রান্ত হলামই,লেখককেও বিভ্রান্ত মনে হল। যুক্তি দিয়ে এই সব অযৌক্তিক লেখা লিখিবার কোন মানে হয়না। এই সব লেখা পড়ে স্বাস্থ্যের সমুহ ক্ষতি হইবার সম্ভাবনা থেকে যায়। এই যেমন মাথায় যন্ত্রণা, চোখে সমস্যা...(আরো প্রায় ২৫ টি সমস্যা)।ব্রাত্য রাইসুকে প্রগতিবাদী বলেই জানতাম। কিন্তু এই লেখা পড়ে বিভ্রান্তিতে পড়ে গেলাম।
আশা করব, ব্রাত্য তার ভাবমুর্তি বা ভাবভাস্কর্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করিবেন।।।
লেখক বলেছেন: অবস্থান না থাকলে মানুষ বিভ্রান্ত হয়। অবস্থান থাকলে বিরুদ্ধে যাইতে পারতেন অন্তত। আর মানুষ যখন নিজে বিভ্রান্ত অন্যদেরও বিভ্রান্ত মনে হবে। স্বাভাবিক। সাইরা উঠবে আস্তে আস্তে।
প্রগতির গুষ্ঠি মারি!
প্রবর রিপন বলেছেন:
আমি একটা আধা- universal প্রস্তাবনা রাখতে চাইএই আধা খেচড়া সোসাটির কাছে
তাহলো
বিমানবন্দরের যে রাস্তা দিয়ে
সুন্দরী বিদেশীনিরা
তাদের ভ্যানিটি ব্যাগ হাতে
আমাদের পাজরের দিকে হেটে আসে
সেই পথের মাথায়
একখান নতুন ভাস্কর্য উঠানো হোক
যার বিষয় হবে
একজন ভিখিরি তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে
ওই রাস্তার পানে
্যার দেহর থেকে হাত অবশ্যই বড় হতে হবে।
কিন্তু সেটা জেন মৃণাল হক ধরণের
কাওউকে দিয়ে ্যেন না করানো হয়,
তাহলে বিদেশীনিদের কারপেট ডগ গুলা
আবার ফিরতি বিমানের দিকে জান প্রানে
দৌড়াতে থাকবে
যা এ দেশের আধা- universal সারবভৌম সত্তার জন্য
বিরাট ধরনের অপমান
এখনও গল্প লিখি বলেছেন:
ফালতু। যখন রোম পোড়ে উনি তখন বাঁশি বাজায়। বাই এনি চান্স আপনার শৈশব কি মাদ্রাসায় কাটিছল নাকি?এত সহানুভূতি কেন ওদের জন্য? পুরো ব্যাপারটির নিস্পত্তি হলে তখন আপনার এই মনোভাব ব্যক্ত কইরেন। নয়ত ..........ইসলামি কিতাব লেখা শুরু করেন। সৌদীর টাকা পাবেন।আমার বাসায় রাখা আপনার কবিতার বইয়ের বোধহয় প্রয়োজন ফুরালো
লেখক বলেছেন: রোম পুড়লে বাঁশি বাজাইলে রোমের জনসাধারণ ক্ষেপে, কিন্তু রোম যখন অন্য দেশ পোড়ায় তখন সকল রোমবাসী বাঁশি বাজায়। ফলে রোমের পোড়নে আপনের যত দহন আমার তত নাই।
ওদের বইলা কিছু নাই। মাদ্রাসা ব্যবস্থা ওঠাইয়া যদি না দেওয়া হয় তাইলে ওনাদেরও সমান সুযোগ দিতে হবে। এইটা নাগরিক অধিকারের প্রশ্ন।
মনজুরুল হক বলেছেন:
এই মাপের আরও একখান এনার্কি আছে এই ব্লগে।ওইভাষ্কর্য নিয়েই।বুঝতে ব্যর্থ হই যে কোন স্রোতধারার বিরুদ্ধাচারণ কে ই কি প্রগতি বলে ?প্রশ্ন যেখানে খুবই সরল সিধাঃ
একদল মতলববাজ মানুষ মানুষের প্রত্যহিক জীবনের,বাঁচা মরার,জীবন-যাপনের সাথে সম্পর্কহীন একটা বিষয় উষ্কে দিয়ে সরকারের বেকায়দা দশা এবং শেষ মুহূর্তের দুর্বলতার এবং প্রতিক্রিয়ার পক্ষে ধাকার সুযোগে ভাষ্কর্য ভাঙ্গল।এজেন্ডায় জয়ী হলো।বেশ এখন এনিয়ে যদি ভাঙ্গনের বিরুদ্ধে কেউ যুক্তি-তর্ক হাজির করে তাকে খন্ডানোর জন্য এই যে প্রতিক্রিয়ায় নিমজ্জন,এই যে নান্তনিকতার বায়বীয় বিষয়ের অবতারণা করে ঠারেঠোরে মুনুষ্য সমাজের কলঙ্ক মৌলবাদকে আপহোল্ড করণ ! এটাই কি রাইসুর পোস্ট মর্ডানাইজেশন?
লেখক বলেছেন: ভাইয়া, আমার ব্ক্তব্যে কোথায় গলতি আছে দেখাইয়া দেন। কিন্তু কেন আমি এই রকম লিখলাম, সেইটা কাদের পক্ষে গেল তা নিয়া কথা যদি বলেন তাইলে তো কথা আর বলা যাবে না। কারণ সত্য মিথ্যা সবই মৌলবাদীদের পক্ষে যাইতে পারে।
যারা যারা বড় বড় ভাস্কর্য আন্দোলন শুরু করছেন তারা কি মিথুন মূর্তি রাস্তায় বসাইতে পারবেন এই দেশে? নগ্ন মূর্তি? পারবেন না। সেই একই কারণে মসজিদের সামনে কি হ্জক্যাম্পের সামনেও যখন মানুষের মূর্তি বসানো হয় ওইটা হঠকারী আচরণ। ওইখানে বিমূর্ত মূর্তি স্থাপন করলে আর্ট সমাজের কী এমন ক্ষয়ক্ষতি হইয়া যাবে?
কোনো স্থাপনাই রাজনীতির বাইরে না।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
আমি নামানো মূর্তি দাঁড় করার দাবি করেছি, এটাই আমার এক্টিভিজম। এতে মৌসুমী হাজীদের সমস্যা হতেই পারে, তবে তাদের এটাও বুঝতে হবে যে তাদের ধর্মবিপর্যয়ের চাইতে সেকুলার জায়গায় সেকুলার মূর্তি বসানোর প্রক্রিয়াটি কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। হাজীক্যাম্প সরানোর প্রসঙ্গ আপনিই তুলে ফ্যাসিবাদি প্রসঙ্গ শুরু করেছিলেন। আমি সমর্থন দিয়েছি মাত্র। আদর্শকে আদর্শ দিয়েই মোকাবেলা করতে হবে, মোল্লাদের নির্মূলের দাবিমূলক একটা অক্ষরও লিখি নাই।
মোটের ওপরে এইসব মূর্তি টানাটানির মূল ভিন্ন রাজনীতি আছে। সেইটা আমলে আনা জরুরি। হাজীদের সম্ভাব্য ধর্মবিপর্যয়ের অজুহাতটি তাই গুরুত্ব হারায়।
ওপরের একটা মন্তব্যের বিপরীতে আপনার জবাব দেখে অপ্রাসঙ্গিক হলেও বলছি, নাটোরের গণভবন গেলে আপনি গেলে সেখানে আপনি প্রকাশ্য-বাগানে অনেকগুলো নগ্ন নারীমূর্তির দেখা পাবেন। এখন নতুন করে বসানো যাবে কিনা, সেইটা নিয়ে অবশ্য সন্দেহ আছে।
কারণ এখন মূর্তি নামানো সম্ভব।
লেখক বলেছেন: আমি বলছিলাম "হাজী ক্যাম্পের দোহাইরে গণ্য করবেন না কেন? তা যদি নাই করেন হাজী ক্যাম্প ওঠাইয়া দিলেই তো হয়।" এইখানে ফ্যাসীবাদ কেমনে পাইলেন?
মূর্তি টানাটানির ভিন্ন রাজনীতি থাকলে সেইটা নিয়া পড়তেছেন না কেন?
আমি বলছিলাম, "যারা যারা বড় বড় ভাস্কর্য আন্দোলন শুরু করছেন তারা কি মিথুন মূর্তি রাস্তায় বসাইতে পারবেন এই দেশে? নগ্ন মূর্তি? পারবেন না। " আপনি বলছেন, "নাটোরের গণভবন গেলে আপনি গেলে সেখানে আপনি প্রকাশ্য-বাগানে অনেকগুলো নগ্ন নারীমূর্তির দেখা পাবেন।" আমি রাস্তা বললে আপনি বাগান বলতেছেন। দুইটার তফাত আছে, থাকুক। আমি রাস্তা বললে আপনি বাগান ধইরা নিতে পারেন।
"মূর্তি টানাটানির মূলে ভিন্ন রাজনীতি আছে।" থাকুক। রাজনীতিকরা তাদের সুযোগ কাজে না লাগাইয়া বইসা থাকবে নাকি? কোনো ইসু্যরে রাজনীতিকরা ব্যবহার করলেই সেই ইস্যুর আপন আবেদন হারায় না। গাধা সরকার হজ্বক্যাম্পের সামনে মূর্তি বসাইছে, এখন সেই গাধা সরকারই মূর্তি গিলতে বাধ্য হইছে। সরকারের পয়সার নিয়মমাফিক অপচয়। আর্টের সমঝদাররা সরকারের কর্মকাণ্ডের সাফাই গাইতে শুরু করছে, এইটা কেমন শিল্পকলার দিন আসলো এই বঙ্গে!
আপনার আগের কমেন্টের উত্তরে বলি, শিখা অনির্বাণও নিবাইয়া ফেলানো উচিত। গ্যাসপূজার বা অগ্নি উপাসনার কাম সরকারের না। যে কোনো কৌম সেইটা করতে পারে। বিপুল গ্যাস অপচয় কইরা গভমেন্ট পাবিলকরে বলে রান্নার পরে গ্যাসের চুলা বন্ধ রাখুন। আশ্চর্য!
মূর্তি ভঙ্গ বা গ্যাসের শিখা নিবাইয়া ফেলানোর ব্যাপারে যে প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায় তা একান্তই পৌত্তলিক। আমারে বলেন শিখা অনির্বাণ জ্বালাইয়া রাখনের মাজেজাটা কী? কী প্রতীক সার্ভ করে এইটা? যে এত এত অপচয়ের মধ্য দিয়া এই ধিকি ধিকি অগ্নি প্রজ্বলিত রাখতে হবে? আমি ধর্মপ্রাণ না, পৌত্তলিকও না। আমার কাছে এইটার কোনো শিল্প সত্তা নাই। হুদাই। বরং এগুলি নিয়া নিয়া কথা বলতে গেলে যে বাধো বাধো ঠেকে ওইটাই আমার পৌত্তলিক অবশেষ। এবং সেইটা আমার ধর্মীয় অবশেষের মতই গোলমালের।
তবে অন্তত প্রশ্ন যে করতে পারি তা কম কী? আপনারা তো তাও পারেন না।
রাসেল ( ........) বলেছেন:
মাদ্রাসা ছাত্ররা কেন দাবার ঘুটি হবে। ওনাদের কি ধর্মবোধ লুপ্ত হইছে নাকি আপনাগো মত? আপনারা ইসলাম মানবেন আবার ইসলামের কানুন মানবেন না। মাদ্রাসা ছাত্ররা ইসলামরে সঠিক ভাবে মানে। --------------------------------
ভিন্ন মতরে ভিন্ন মত আকারে গ্রহণ করার সামর্থ অর্জন করেন। কেন কে কী বলে ওইটায় কি কিছু যায় আসে। আপনি যে আধো যুক্তি (এইটা প্রথম থেইকা শেষ পর্যন্ত অন্য একটা রাজনৈতিক ইস্যুর এক্সটেনশন।-রাসেল) আধো আবেগের (এইসব আওয়াজের সঠিক সময়টা এখন না। - রাসেল) বন্দোবস্ত করছেন লেখায় আমি কি জানতে চাইছি কেন আপনি এই রকম করেন?
-----------------------------------
রাজনৈতিক নিশ্চেতনতা এবং রাজনৈতিক নিস্ক্রিয়তার সমস্যা অনেক। হুটহাট একটা সিদ্ধান্তমূলক বক্তব্য প্রদান এবং দায়বদ্ধতাহীনতার প্রকটতা এটার একটা প্রতিফলন হয়ে উঠে।
রাজনৈতিক নির্বোধের সাথে আলোচনায় রাজনৈতিক ঋদ্ধি ঘটে না, ফাঁপা মানুষের সাথে বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় সব সময়।
বিষয়টা আমার অভিমত, এর আগে যেই দুটো বক্তব্য ছিলো তা আমার অবস্থাননির্ণায়ক, তবে এখন যা বললাম এবং এরপরে যা বলবো এটা আমার অভিমত।
মাদ্রাসার ছাত্রেরা রাজনৈতিক সচেতন অস্তিত্ব, এবং তারা নিজস্ব অবস্থান সচেতন, তারা হঠাৎ একদিন নিজের হীনতা এবং নিষ্পেষণ উপলব্ধি করে সামাজিক ঐসলামিক বিপ্লব সংগঠিত করে ফেলবে- এমন বিশ্বাস অবলম্বন করা মানুষের সাথে আলোচনা করতে গেলে আলোচনা রাজনীতির অ আ ক খ পাঠ দেওয়ার মতো হয়ে যায়। তবে আপনার ঘটে সামান্য কিছু সারবস্তু থাকলে সে পাঠ দেওয়ার আগ্রহ হয়তো থাকতো।
ধর্মবোধ আর রাজনৈতিক আচরণের ভেতরের তফাত যেই নির্বোধ উপলব্ধি করে না তার সাথে ধর্মতত্ত্ব কিংবা রাজনীতি, কোনো আলোচনাই করা উচিত হবে না। এই যে একটা সিদ্ধান্ত প্রদান- মাদ্রাসার ছাত্ররা ইসলাম সঠিক ভাবে মানে- তাতে নিজেরে ইসলামবোদ্ধাপাব্লিক হিসেবে উপস্থাপনের কিঞ্চিৎ খায়েশটাও লক্ষ্যণীয়। তবে পোমোবাজীর অহেতুক নিশ্চেতনতায় এই আলোচনাটা সময়ের অপচয় হয়ে যাবে, আপনার কাছে ইসলামসম্পর্কিত জ্ঞানগ্রহন করে যদি নিজের অবস্থানের উন্নতি হতো তবে নির্বোধের ধর্মপাঠ শুনতে আগ্রহী হতাম।
আপনের ভিন্নমত- যেইটারে আপনি মত হিসেবে অবহিত করে নিজের বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচু নির্মাণের প্রচেষ্টা করেছেন, সেটা আমার গ্রহন কিংবা বর্জনের কিছু নেই। মানুষ গাছবেকুব হলেও সে নিজের মতো একটা বিশ্লেষণ খাঁড়া করে সমাজকে দেখে। সেই দেখা ভুল বলা যায় না, অনভিজ্ঞতা প্রকট হলেও বিশ্ববীক্ষণে তার উপলব্ধি তার নিজস্ব জীবনের একটা অর্থ প্রদান করে, নিজের কাছে নিজের মূল্য বাড়িয়ে তুলে, সেই মূল্য নিয়ে বেঁচে থাকেন ভাই।
আবেগ, রাজনৈতিক অবস্থান এবং রাজনৈতিক কৌশলের ভেতরের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা না করে আসেন ভাই মিষ্টিমুখ করি, কোলাকুলি করা উচিত হবে।
আপনেরে ঈদ মোবারক।
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: "রাজনৈতিক নির্বোধের সাথে আলোচনায় রাজনৈতিক ঋদ্ধি ঘটে না, ফাঁপা মানুষের সাথে বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় সব সময়।"
-- দোয়া করি, সেই "সম্ভব নয় সব সময়" জিনিসটা যেন অন্তত মাঝে মাঝে ঘটে। মাঝে মাঝে যেন আপনি রাজনৈতিক নির্বোধের সঙ্গে আলাপে প্রবৃত্ত না হন!
আপনার বাংলা ফলো করতে পারি না সবটা, তাই যদি গুরুত্বপূর্ণ কিছু বইলা থাকেন তো মিস করছি।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর কথাতে আমার মনে পড়ে গেল, গুষ্টিবিচারে, আমি মূর্তিমান। তিনি মূর্তি আর ভাস্কর্যের মধ্যে ভাস্কর্যের উৎকর্ষ দেখিয়ে দেয়ার পর হয়তো মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ভাস্কর্যের সংজ্ঞা নিয়ে আরো মনোযোগী হতে অবকাশ পাবেন। এমনকি বাংলাদেশের পৌত্তলিক তথা হিন্দু সম্প্রদায়ও এ বিষয়ে বোদ্ধা হয়ে উঠবেন। আর তামাম বাংলাদেশের মূর্তির কারিগররাও ভাস্কর্য না-বানাবার অপমান সমেত জীবন কাটাবেন। মনে পড়ে গেল তিনিই চলচ্চিত্রে "অশ্লীলতা"র বিরুদ্ধে অভিযানে পোস্টারে ছাপা-হওয়া নায়িকাদের শরীরে আলকাতরা লাগানোর পৌরহিত্য করেছিলেন একদা। সংস্কৃতিবোধ বড়ই আজব মাল ... মোল্লা, মিলিটারি, মধ্যবর্তী সরকার আর মৃণাল হক -- ইস্যুগুলোকে বিচ্ছিন্ন করে দেখতে শুরু করেছেন আন্দোলনকারীরা। স্থূল সংস্কৃতিবোধ ছাড়া এই দুর্ঘট অসম্ভব।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
"তবে অন্তত প্রশ্ন যে করতে পারি তা কম কী? আপনারা তো তাও পারেন না।"এইবেলা পালাই এখান থেকে। দুনিয়া ছোট তাই হয়তো আবার দেখা হবে।
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
মানস্দারে দেইখা ভাল্লাগলো । স্থুলভাবে না দেইখা সুক্ষভাবে জিনিসপাতি দেখনের তরিকা নিয়া পুস্ট দেন এক্টা । আম্রা কিছু শিক্তে চাই সেখান থিকা ।
চারুকলার সবাই কিন্তু আপনার বক্তব্যের সাথে একমত। সবাই আসলে খারাপ ভাস্কর্য যাতে আর না হয় সেই আন্দলন করতেছে। কিন্তু এই বিষয়টা কেউ জানে না। আমি প্রতিটা মিটিং এ থাকতেছি। আপনার এই পোস্টট প্রিন্ট করে কালকে দিব। ধন্যবাদ। অনেক ভালো পোস্ট দিছেন।
নোবেলজয়ী বলেছেন:
মুর্তি সুর্তি উডায়া দিয়া রাস্তা গুলাইন বড় করঞ্চাই....হালায় গাড়ি রাহার যায়গা নাই হেতে মুর্তি বানায়া পাট লয়। যত্তসব...
মনজু মজুমদার বলেছেন:
ভালো হইসে
খোমেনী ইহসান বলেছেন:
হক মাওলা
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















আরেক ফ্যাসিবাদী চাঁদু আইসে। হ্যারা যে কোন ভাষায় কথা কয়!
হ্যাগো ভাষা বুঝার আশা দিয়াছি জলাঞ্জলি।