এটা কুমার বিশ্বজিতের ক্যারিয়ারের একদম শুরুর দিকের গান। খুব সম্ভব ৮২-৮৩ সালের দিকের হবে। সেই সময়টা ছিল এরকম যখন এই ভারতীয় উপমহাদেশে কিশোর কুমার জনপ্রিয় সঙ্গীত ধারায় প্রায় ভগবানের আসনে অধিষ্ঠিত। সচেতনে-অবচেতনে অনেকেই তার গায়কী অনুসরন করার চেষ্টা করতেন। এই গানে কিশোর কুমার স্কুল অফ সিঙ্গিংয়ের প্রভাব স্পষ্ট। বিশ্বজিৎ তার নিজের গলাকে একটু ভারী করে গাওয়ার চেষ্টা করেছেন।
এই গান সম্বন্ধে আর দুটো তথ্য যোগ করতে চাই। এক, সম্প্রতি বিশ্বজিৎ এই গানের একটা রিমিক্স ভার্সনও বের করেছেন। যেহেতু আমি গানটার অরিজিনাল ভার্সন ছোটবেলা প্রচুর শুনেছি, স্বভাবতই আমার কাছে রিমিক্সটা ভাল লাগেনি। অরিজিনালে অ্যাকুয়েস্টিক যন্ত্রের ব্যবহারে যে পিউরিটি ছিল, সেটা রিমিক্সে বাজনার আধিক্যে নষ্ট হয়ে গেছে। এবার অবশ্য বিশ্বজিৎ কিশোর কুমার স্টাইল থেকে বের হয়ে নিজের গলায়ই গানটা গেয়েছেন। যারা প্রথম রিমিক্সটা শুনবেন, তাদের কাছে হয়ত আবার মূলটা পানসে মনে হতে পারে।
দুই, ৯১-৯২ সালের দিকে ইত্যাদিতে এই গানের একটা প্যারোডি করেন - বিআরটিসিতে চড়ে দেখ ওই যুবক যায়.................
গানের গীতিকার বা সুরকারের নাম এতদিন পর আর মনে করতে পারছি না। দুঃখিত।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
চতুর্দোলাতে চড়ে দেখ ওই বধু যায়
স্বপ্নসুখে তার চোখ দুটো যে উছলায়।
আম কাঁঠালের গাছে উঠে যে মেয়েটি হাসতো
পুকুর ধারে সাঁতার কেটে সারাটিদিন ভাসতো
পরের ঘরে বধু সেজে যাবে সে তো ভাবে নাই
স্বপ্নসুখে তার চোখ দুটো যে উছলায়।
কতদিন সে ফুলে ফুলে আপনমনে সেজেছে
আলতা পায়ে নুপুর যে তার কতই সুরে বেজেছে
সবকিছু আজ পিছু ফেলে চলেছে সে আরেক গাঁয়
স্বপ্নসুখে তার চোখ দুটো যে উছলায়।
চতুর্দোলা
চতুর্দোলা (রিমিক্স)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


