"মুরদই লাখ বুড়া চাহে তো কেয়া হোতা হ্যায়
ওই হোতা হ্যায় যো মঞ্জুরে খোদা হোতা হ্যায়।"
(শত্রুরা আমার যতই অনিষ্ট কামনা করুক তাতে কিছুই হবে না।ঈশ্বর যা মঞ্জুর করবেন তা-ই হবে আমার ভাগ্যলিপি।)
চারিপাশে হাজার হাজার মেয়ে কিন্তু বিয়ে করতে গেলে মেঁয়ে খুজে পাওয়া যায় না।কোনও মেয়ে কালো,কোনটা খাঁটো।কোনটার চুল ছোট,আবার কারো কারো বয়স বেশি।ছেলের পছন্দ হলে,মায়ের পছন্দ হয় না।মায়ের পছন্দ হলে ছেলের পছন্দ হয় না।মেয়েদের বেলায়ও নানান বাহানা আছে- ছেলেটা বেশী মোটা,ছেলের টার মাথায় টাক,ছেলেটা সরকারী চাকরী করে।ছেলেটার আগে একটা মেয়ের সাথে প্রেম ছিল।এই রকম ব্যাপার গুলোতে আমার খুব হাসি পায়।
মানুষের জীবনের মূল লক্ষ্য হলো ধর্ম।জীবন ধর্ম থেকেই তার একটি রুপ পরিগ্রহ করে।ধর্মকে আশ্রয় করেই আমরা মর্ত্তলোকে অবর্তীন হয়েছি এবং আমাদের জীবন খেলা শেষ হবার পর আমরা ধর্মের মধ্যে আশ্রয় নিই,আমাদের সুপ্রাচীন আর্য সভ্যতার পরিকাঠামো রচিত হয়েছিল ধর্মের উপরে।প্রজাপতি ব্রহ্মা যখন মানুষ সৃষ্টি করেছিলেন তখন তাদের সুনিয়ন্ত্রিত জীবন ধারনের উদ্দেশ্যে তিনি একটি শাস্ত্র রচনা করেন এক লক্ষ শ্লোকের মাধ্যমে।যে কোন জীবনের তিনটি অবস্থা আছে- সৃষ্টি,স্থিতি এবং লয়।যেহেতু আমাদের জীবন অনিত্য এবং সময় প্রবহমান ধারায় মতো এগিয়ে চলে।তাই একজন সৎ পুরুষের উচিত,জীবনের প্রতিটি মুহুর্তের সার্বিক অনুশীলনে প্রবৃত্ত থাকা।
প্রতিদিন গভীর রাতে একটা সিগারেট ধরাবার মনে হয়,আমি কে?অকারনে মন খারাপ হয়ে যায়।বারবার মনে হয় আমি কি যেন একটা অপরাধ করে ফেলেছি।আমি ক্রিকেট খেলোয়ার নই।কোনও আঞ্চলিক কমিটির সাধারন সদস্যও নই।আজকাল সব কিছুই সহজ ভাবে নিতে অস্বস্তি হয়।আমার মিথ্যে আবেগের কারনেই- এখন আমি দিশেহারা।এখন পেছনের দিকে তাকালেই শুধু হতাশা,নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসে।সব সময় মন টা বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকে।এইসব কারনে প্রিয় মানূষের সাথে খারাপ ব্যবহার করে ফেলি পরে মনটা আরো বেশি খারাপ হয়ে যায়।এখন আমি খুব অনুভব করতে পারি আমার পৃথিবী অনেক পালটে গেছে।কোথাও আর একটু সৌন্দর্য নেই,লাবন্য নেই,আনন্দ নেই।বুঝতে পারছি কিছু একটা করতে হবে এবং খুব শ্রীঘ্রই।সবার জানবার ও বুঝবার আগে।
না,আমি বিয়ে করবো না কখনও।তার অনেক গুলো কারণ আছে।একটা কারণ ওই ঘিন ঘিনে শরীরি সম্পর্ক।আর একটা কারণ হলো- বউ আমাকে সব সময় লক্ষ্য করবে।আমার উদাসহীনতা,আমার একা একা কথা বলা।ব্যালকনিতে গিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকা।বিড়ালের সাথে কথা।গভীর রাতে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকা।আমি চাই না কেউ আমার এসবের সাক্ষী থাকুক।তাছাড়া দীর্ঘদিন কেউ আমাকে সহ্য করতে পারে না।
" যদি কোনোদিন যাই মেঘের ওপারে
তোমাকেও নেওয়া যেতে পারে।
তার পরে পথ নেই।
ফুটে আছে ফুলের প্রদীপ।"
হিমি কবিতা খুব পছন্দ করে।সেদিন দুপুরে আমি বাসে করে মিরপুর যাচ্ছিলাম।বাসে একগাধা মানূষ।আমি বাসের হেন্ডেল ধরে দাঁড়িয়ে আছি।আমার শার্ট ঘামে ভিজে গেছে।হঠাৎ হিমির ফোন,একটা কবিতা শুনিয়ে বলল,এই কবিতা টা কে লিখেছে বলতো?আমার রাগে শরীর জ্বলছিল।আমি চিৎকার করে বললাম ফোন রাখ ফাজিল।সময় অসময় নাই যখন তখন ফোন।বদের বদ ফোন রাখ।আর কোনদিন তুই আমাকে ফোন করবি না।আর একবার ফোন করলে খুন করে ফেলব।এই বলে আমি ফোন কেটে দেই।তার কিছুক্ষন পরে আমার নিজেরই খারাপ লাগতে শুরু করে।শুধু শুধু মেয়েটার সাথে খারাপ ব্যবহার করলাম।
"তবু মনে রেখ যদি দূরে যাই চলে।
যদি পুরাতন প্রেম ঢাকা পড়ে যায়-
নব প্রেম জ্বালে।
যদি থাকি কাছাকাছি,
দেখিতে না পাও ছায়ার মতন আছি না আছি।
তবু মনে রেখ।"

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


