somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আসুন বদলে যাই। এই ঈদে ভারতীয় আভরণে নিজেদেরকে সাজাই। জয় ভারত মাতা কি!

০৫ ই আগস্ট, ২০১১ সকাল ১১:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ওমা! অমন তেড়ে কেনো এই পোস্টে ঢুকলেন? এটা কি আমার কথা নাকি? আজকের প্রথম আলো দেখেন নি বুঝি। সব কিছু বদলে দেবার ধ্বজাধারী আজ আমাদের ঈদের কেনাকাটা বদলে দেবার প্রয়াসে নেমেছেন।

সকালে ঘুম ভেঙ্গে পেপারটা হাতে নিয়ে ১০ নম্বর পাতায় চোখ দিতেই চোক্ষু চড়কগাছ। পুরোটা পাতা জুড়ে বিশাল এক বিজ্ঞাপন। না! কোন মোবাইল অপারেটরের বিজ্ঞাপন নয়। ঈদ উপলক্ষে নামি দামি কোন ফ্যাশন হাউজের বিজ্ঞাপন ও নয়। বিজ্ঞাপনটা sreeleathers বলে কোন এক ভারতীয় জুতার দোকানের। জী হ্যাঁ! ঠিক ই পড়েছেন। ওরা কিন্তু বাংলাদেশে নতুন কোন শাখা খুলেনি। কোন ছাড় ও দিচ্ছে না। শুধুই ওদের কলকাতার ঠিকানাটার বিজ্ঞাপন দিয়েছে। ওরা তো ধরেই নিয়েছে এই গরিব দেশের ধনিদের ঈদের শপিং ভারতে হবে না তো কোথায় হবে। তাই উনারা আমাদের ভালর কথা ভেবে এত্ত বড় করে নিজেদের ঠিকানাটা দিয়ে দিয়েছেন।

ভাবছেন যেখানে ভারতে বাংলাদেশের চ্যানেলগুলো প্রচার করা হয় না। বাংলায় লেখা বই বা ম্যাগাজিনগুলো যেতে পারে না। সেই ভারতের এক জুতার দোকান কি করে বাংলাদেশের 'সরবাধিক প্রচারিত দৈনিকে' নিজেদের এত্ত বড় বিজ্ঞাপন দেয়? আরে ভাই, আপনার ভাবনা চিন্তা আপনার কাছেই রাখুন। এতো সব ভাবলে কি আর পেপার চালানো যায়? নাকি সরকারের উমেদার হওয়া যায়? দেশ গোল্লায় যাচ্ছে তো কি হলো? আমাদের প্রথম আলো ধিরে ধিরে আমাদের ব্রেইন ওয়াশ করতে থাকবে। এক সময় আমরা নিজেদেরকে ভারতের প্রদেশ ভাবা শুরু করবো। বাংলার পাশাপাশি কে জানে হয়তো তখন প্রথম আলো বাংলাদেশিদের জন্যই হিন্দি সংস্করণ বের করবে। কারন ভারত তো আর পাগল হয়ে যায়নি যে বাংলাদেশি পত্রিকাকে তাদের দেশে ঢোকার অবাধ স্বাধীনতা দেবে।



ঈদ আমাদের বলা চলে একটা জাতীয় উৎসব। সেই উতসবে কই আমরা আমাদের দেশের তাতিদের কাপড় পরে তাদের চাকা সচল রাখবো, আমাদের ফ্যাশন হাউজগুলোকে আমরা প্রমোট করবো। তা না আমরা আমাদের দ্বার খুলে দিচ্ছি ভারতীয় দের জন্য। ওদের পুজা পারবনে তো একটা বাংলাদেশি পণ্য আমরা তাদের কাছে বেচতে পারিনা। ওদের উৎসবে ও ওরা বেবসা করে। আর আমাদের ঈদ ও ওদের কাছে মুনাফা নিয়ে আসে। আমাদের লাভটা তবেঁ কখন করবো আমরা? আমাদের জাতীয় সত্তা বলে কি কিছুই থাকবে না। আমরা কি ভুলে যাবো কিছু দিন আগে মাত্র দেখা ফেলানির লাশের কথা! বিবেকটাকে কি আমরা কবর চাপা দিয়ে দিয়েছি?

কে জানে, এভাবেই হয়তো আমরা আরও 'গ্লোবাল পিপল' হব। globalization এর জুগে আমি হয়তো অনেক খ্যাতের মত কথা বলছি। তাইনা! হবে হয়তো। আমি কিন্তু আজিবন এমন খ্যাতই থাকতে চাই।
২৫টি মন্তব্য ২৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×