আমাদের পুলিশের সুখ-দুখ এবং জনগণের চাওয়া-পাওয়া মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত নাকি পুলিশের প্রয়োজন হয়। কিন্তু এমন গুরুত্বপূর্ণ পেশার সদস্যগণ কেমন আছেন, তাদের দায়িত্ব পালনের মান কেমন? গণতান্ত্রিক সমাজের পুলিশ উৎপীড়ক হবে না, হবে মানুষের বন্ধু- এমনটাই আশা করে মানুষ। মানুষ আরো মনে করে, দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনই পুলিশের দায়িত্ব। কিন্তু মানুষের এই যে আশা বা ধারণা, তার সাথে বাস্তবতার মিল কতটুকু? আসলে যে সমাজ ব্যবস্থায় আমরা বসবাস করে আসছি তাতে না মানুষ খুশি, না খুশি পুলিশ। সবারই রয়েছে নানা অভিযোগ।
পুলিশকে ঢেলে সাজানো এবং আধুনিকায়নের কথা বলা হলেও তা আজ পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হয়নি। পুলিশ বাহিনীর নীতিনির্ধারণী কমিটির এই বৈঠকে কর্মকর্তারা ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা নিজের এলাকায় পছন্দের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও এসআই নিয়োগ ও বদলির জন্য পদস্থ কর্মকর্তাদের অতিষ্ঠ করে তুলেছেন। উক্ত বৈঠকের পর পুলিশের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা ?প্রথম আলো'কে বলেন, একজন মন্ত্রী তার এলাকার একটি থানায় পছন্দের ওসি নিয়োগের জন্য পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে পাঁচবার ফোন করেন। পরে পুলিশ কর্মকর্তা খোঁজ নিয়ে জানেন যে, মন্ত্রীর লোকজন ওই ওসির কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন। এছাড়া কেউ কেউ মামলা থেকে আসামীর নাম বাদ দেয়ার জন্য তদবির করছেন। অনেকে নানা অনৈতিক প্রস্তাব দিচ্ছেন। ফলে অনেক কর্মকর্তা এখন ভয়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের ফোন না ধরে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। এই যদি হয় অবস্থা, তা হলে পুলিশ এখন দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন করবেন কেমন করে? একদিকে মন্ত্রী পছন্দের ওসি চাইছেন, অপরদিকে ওসি পছন্দের থানা চাইছেন ঘুষের বিনিময়ে। মেলবন্ধনটা বেশ ভালই। এই যদি হয় দিন বদলের চিত্র তাহলে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ভোগান্তিই শুধু বাড়বে। কারণ দুর্নীতিপুষ্ট এমন মেলবন্ধনে মন্ত্রী, এমপি ও তাদের লোকদের সন্ত্রাস ও দাপট চলবে। সাধারণ মানুষ তার অধিকার হারাবে, উৎপীড়ন-নিপীড়নের শিকার হবে। কিন্তু মেলবন্ধনের ওসি ও এসআইরা তাদের পাশে দাঁড়াবে না, বরং উল্টো আচরণ করবে, প্রয়োজনবোধ করলে ঠ্যাঙাবে, হাজতে পুরবে, জেল খাটাবে। দিন বদলের সরকারের শুরুতেই যেসব আলামত লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তাতে আশাহত হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে।
পুলিশ বাহিনীর যেসব কর্মকর্তা ও সদস্য এখনো পেশাগত দায়িত্ব পালনের প্রতি আন্তরিক, তাদের জন্যও তেমন ভাল খবর নেই। প্রশ্রয় পেয়ে পেয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এখন এতটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে, তারা পুলিশের কাজে শুধু বাধা দেয়া নয়, অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পুলিশকে মারধর করে দলীয় কার্যালয়ে আটকে রাখার দুঃসাহসও দেখিয়েছে। গত ২ মে এমন ঘটনা ঘটেছে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার বক্তাবলী বাজার এলাকায়। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বাজারে বিএনপির অফিস দখল, বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা এবং দোকান লুটপাট ও ভাংচুর চালালে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের এই কর্তব্য পালনে রুষ্ট হয় সরকারি দল। ফলে তারা সন্ত্রাসী তৎপরতা বন্ধ না করে উল্টো হামলা চালায় পুলিশের ওপরও। এতে চার পুলিশসহ আহত হয় ২০ জন। সরকারি দলের এমন উদাহরণ নিশ্চয়ই পুলিশকে উৎসাহিত করবে না কর্তব্যকার্য সম্পাদনে।
আসলেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ফ্যাসিবাদী ও সন্ত্রাসী আচরণে হতোদ্যম হয়ে পড়েছে পুলিশ বাহিনীর অনেক সদস্যই। এ কারণেই গত ২৮ এপ্রিল রাজধানীর সূত্রাপুরের অর্ধশত বছরের পুরানো শিবমন্দিরটি আওয়ামী লীগ কর্মী-সমর্থকরা ভেঙে ফেললেও পুলিশ ছিল নির্বিকার। এ সময় মন্দিরের আশেপাশের লোকজনকে বেধড়ক মারধর করে তারা। থানার পেছনেই এসব ঘটনা ঘটলেও পুলিশ এগিয়ে আসেনি দায়িত্ব পালনে। উল্টো সন্ত্রাসীদের মদদ দিয়েছে পুলিশ- এমন অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী লীগ তো সেক্যুলার রাজনীতির কথা বলে, দিন বদলের এমন দৃশ্যে এলাকার মানুষ হতবাক!
আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির যখন অবনতি ঘটে, তখন চাঁদাবাজির তান্ডব ঘুম কেড়ে নেয় নাগরিকদের। শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, দোকান মালিক, ঠিকাদার, বাড়ির মালিক, এমনকি খেটে খাওয়া মানুষও এখন চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। শীর্ষ সন্ত্রাসী থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার ছিঁচকে মাস্তানরাও এখন মেতে উঠেছে চাঁদাবাজিতে। পুলিশ এদের নিয়ন্ত্রণে তেমন কোনো অবদান রাখতে পারছে না। অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী দলীয় নিয়ন্ত্রণে থাকার কারণে স্থানীয় দুর্বৃত্তসহ অন্যদের দমনে তারা কার্যকর কোনো ভূমিকা পালনে সমর্থ হচ্ছে না। আবার আইন-শৃক্মখলা বাহিনীর কিছু কিছু সদস্য স্থানীয় দুর্বৃত্তদের সমর্থন করায় সাধারণ মানুষ আইনী সহায়তা নিতেও ভয় পাচ্ছে।
দেশের আইন-শৃক্মখলা রক্ষার মহান দায়িত্ব পুলিশ বাহিনীর। কিন্তু এই পুলিশ যখন অকার্যকর হয়ে পড়ে কিংবা তাদের নৈতিক পদস্খলন হয়ে পড়ে কিংবা তাদের নৈতিক পদস্খলন ঘটে, তখন শুধু জনগণের জানমালই হুমকির মুখে পড়ে না, হুমকির মুখে পড়ে তাদের সম্ভ্রমও। তাই এখন প্রতিনিয়তই লক্ষ্য করা যাচ্ছে শাসকদলের মাস্তানদের হাতে নারীদের সম্ভ্রম ও শ্লীলতাহানির ঘটনা। সম্প্রতি নাটোরের সিংড়ায় স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে বিবস্ত্র করে ছবি তোলার ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কাশিনাথ দাসের ভাতিজা আওয়ামী লীগ ক্যাডার নিরঞ্জনদাস ভুলু ও তার সঙ্গীরা গত রোববার সকালে সিংড়া বাজার থেকে শাকিলা নামের ঐ কিশোরীকে তুলে নিয়ে একটি দোকানে আটকে রাখে। পরে ভুলু তার সঙ্গীসহ ঐ কিশোরীকে বিবস্ত্র করে ছবি তুলতে থাকলে কিশোরীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে সিংড়া থানা পুলিশ নিজেরা কোন আইনী ব্যবস্থা না নিয়ে পরিস্থিতি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের অবহিত করে। এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি থানায় মামলা করার উদ্যোগ নেয়। কিন্তু থানায় যাওয়ার পথে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কেএমজি ফারুক বুলুর নেতৃত্বে পরিবারটিকে আটক করে মামলা না করার জন্য চাপ দেয়া হয়। বিষয়টি পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলামকে জানানো হলে তিনিও থাকেন নির্লিপ্ত। এসব ঘটনায় এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে দাবি জানাতে থাকলে অবশেষে রাতে পুলিশ মামলা নিতে বাধ্য হয়। মামলা দায়েরের পর স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা মীমাংসার নামে চাপ দিয়ে যাচ্ছে পরিবারটির ওপর। উল্লেখ্য যে, জোড়মলিফা গ্রামের দরিদ্র পরিবারের এই মেয়েটি স্থানীয় স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়তো। বাড়ির গাভীর দুধ বিক্রি করে সে নিজের পড়াশোনা ও সংসারের খরচ চালাতো। কিন্তু এই ঘটনার পর শাকিলার পড়াশোনার বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তারা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। পুলিশের ভূমিকা দেখে স্থানীয় জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে, পুলিশ কি শিষ্টের বদলে দুষ্টের পালন করে যাবে? সরকারের প্রশ্রয় এবং পুলিশের নতজানু ভূমিকায় সরকারি দলের ক্যাডাররা এখন দেশের বিভিন্ন স্থানে নারীদের ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানির ঘটনা সংঘটিত করে যাচ্ছে। গত শনিবার ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ঢাকার কেরানীগঞ্জের শুভাড্যায়। স্থানীয় যুবলীগ ক্যাডার আবুল ও রাসেলের নেতৃত্বে গোলামবাজার এলাকা থেকে এক গৃহবধূকে অপহরণ করে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে আটকে রেখে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। এ ব্যাপারে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় ৬-৫-০৯ মামলা করা হয়েছে।
এতো গেল যুবলীগ ক্যাডারদের জনসেবার নমুনা। ছাত্রলীগ ক্যাডারদের দেশসেবার নমুনাতো প্রতিনিয়তই পাওয়া যাচ্ছে। গত পহেলা মে বেনাপোলে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা স্থানীয় বন্দরের শ্রমিক ইউনিয়ন অফিস ভাংচুর করে এবং শ্রমিক নেতাদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় ২ মে থেকে বেনাপোল বন্দরে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেয় বন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন। শ্রমিকরা বন্দরে সব ধরনের মালামাল খালাস প্রক্রিয়া বন্ধ করে দিয়েছে অনির্দিষ্টকালের জন্য। ছাত্রলীগ কর্মীদের আটক ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে শ্রমিকরা আরও বড় ধরনের আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। দেশের অর্থনীতিতে স্থলবন্দরের গুরুত্ব নতুন করে বলার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু ছাত্রলীগের দাপট ও সন্ত্রাসের কারণে বন্দরের মালামাল খালাস প্রক্রিয়া আপাতত বন্ধ হয়ে গেল। ছাত্রলীগের এ ধরনের দেশ সেবার আদৌ কোন প্রয়োজন আছে কি? আরও দুর্ভাবনার বিষয় হলো, শ্রমিক ইউনিয়নের মে দিবসের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে যখন ছাত্রলীগ হামলা চালায়, তখন তা পোর্ট থানার ওসিকে অবহিত করা হয়েছিল। ওসি তখন সাফ জানিয়ে দেন যে, ফোর্স পাঠানো আমার পক্ষে সম্ভব নয়। অবস্থা যদি এমন হয় যে, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ ক্যাডাররা দেশব্যাপী জনগণের জানমাল ও ইজ্জতের ওপর হামলা চালিয়ে যাবে; আর পুলিশ তা দেখে যাবে এবং ক্যাডারদের সহযোগিতা করবে- তাহলে জনগণের এমন পুলিশ বাহিনীর কোন প্রয়োজন আছে কি? অথচ বর্তমান সরকার দিনবদলের ওয়াদা করে ক্ষমতায় এসেছিল, পুলিশও দিনবদলের অভিযাত্রায় কাঙ্ক্ষিত সেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এই কি দিনবদল ও জনসেবার নমুনা?
দায়িত্ব পালনে সক্ষম না হলেও আমাদের পুলিশ বাহিনীর কোনো কোনো সদস্য এখন মেলোড্রামায় বেশ পারঙ্গম হয়ে উঠেছেন। বর্তমান সরকারের পছন্দের কাজে এরা এখন যেকোনো মাত্রায় মেলোড্রামা করতে কুণ্ঠিত নয়। সম্প্রতি মেলোড্রামার এক ঘটনা ঘটেছে ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে। পুলিশ তো জানে যে, বর্তমান সরকারের বিশেষ পছন্দের কাজের একটি হলো জঙ্গি দমনের প্রপাগান্ডা। এ অবস্থায় গানপাউডার উদ্ধারের তৎপরতা চালাতে পারলে তো মন্দ হয় না। এমন এক তৎপরতা চালানো হলো যাত্রাবাড়ীর রসুলপুরের সোবহান সরদারের দোকানে। গানপাউডার বিক্রির অপরাধে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করলো। সোবহান সরদার এখন জেলে। এ ঘটনা নাটককেও হার মানায়। প্রকৃত ব্যাপার হলো, সোবহান সরদার মশার কয়েল তৈরির কাঁচামাল গাম-পাউডার (চকের গুঁড়া) বিক্রি করতেন। এই পাউডারের কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। অথচ এই গাম-পাউডারই পুলিশের চোখে ভয়াবহ বিস্ফোরক গান-পাউডারের মর্যাদা পেল। আর যায় কোথায়, সাধারণ গাম-পাউডার বিক্রেতা পুলিশের কল্যাণে এখন জেলে। বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেফতার দেখিয়ে মামলা রুজু করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। পুলিশের কথিত গান-পাউডার উদ্ধার অভিযান নিয়ে এলাকায় বেশ তোলপাড়ও চলছে। এদিকে পুলিশের এই মেলোড্রামায় এলাকার জনমনে একই সাথে ক্ষোভ ও হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য যে, সোবহান সরদার দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ঐ এলাকায় মশার কয়েলের ব্যবসা করে আসছেন। পুলিশের আইজি নূর মোহাম্মদের সাথে একমত যে, মানুষের জন্মের পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত পুলিশের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু এই কি সেই পুলিশ- যে পুলিশের বয়ান আমরা এতক্ষণ করলাম নিশ্চয়ই নয়। আমরা চাই সেই পুলিশ- যারা দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন করবেন। আমাদের বর্তমান পুলিশ বাহিনীতেও তেমন পুলিশ আছেন। তবে ক্রমেই তারা সংখ্যালঘু কিংবা ব্যতিক্রমী সদস্য হয়ে উঠছেন। এ অবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন। আইজি নূর মোহাম্মদ সঙ্গতভাবেই বলেছেন যে, পুলিশের কাছ থেকে ভালো সেবা পেতে হলে তাদের সুযোগ-সুবিধা এবং মান-মর্যাদা বাড়াতে হবে। এ কথার সাথে কারো দ্বিমত পোষণ করার কোনো কারণ নেই। তবে এখানে আর একটি সত্য উচ্চারণ করা প্রয়োজন যে, শুধু সুযোগ-সুবিধা বাড়ালেই কিন্তু পুলিশের মান-মর্যাদা আপনাতেই বেড়ে যাবে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



