যৌন হয়রানি বৃহ্নি রোধের চেষ্টায় ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের ৪টি কলেজের কর্তৃপক্ষ শিক্ষাঙ্গনে ছাত্রীদের জিন্স এবং অন্যান্য পাশ্চাত্য রুচীর পোশাক পরিধানের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর শুরু হয়েছে ১০ জুন বুধবার থেকে।
নিষেধাজ্ঞার হ্নপক্ষে যুক্তি তুলে ধরে উত্তর প্রদেশের কানপুর শহরের দয়ানন্দ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষবলক্ষ্মৌ (ভারত) থেকে ইসলাম অনলাইন : যৌন হয়রানি বৃহ্নি রোধের চেষ্টায় ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের ৪টি কলেজের কর্তৃপক্ষ শিক্ষাঙ্গনে ছাত্রীদের জিন্স এবং অন্যান্য পাশ্চাত্য রুচীর পোশাক পরিধানের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর শুরু হয়েছে ১০ জুন বুধবার থেকে।
নিষেধাজ্ঞার হ্নপক্ষে যুক্তি তুলে ধরে উত্তর প্রদেশের কানপুর শহরের দয়ানন্দ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মিতা জামাল বার্তা সংন্সা এএফপিকে বলেন, ��নারীদের বিরুহ্নে অপরাধ বন্ধ করার এটাই একমাত্র পথ। কানপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত আরো তিনটি কলেজও ক্যাম্পাসে জিন্সের পোশাক নিষিহ্ন করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলেছে, ইদানিং মেয়েদের উপর �ইভ-টিজিং' নামে পরিচিত যৌন হয়রানি ভারতে মারাত্মকভাবে বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে এ সিহ্নাশ্চ নেয়া হয়েছে। দেখা গেছে, যেসব মেয়ে আটসাঁট জিন্স টাইট ব্লাউজ এবং মিনিস্কাট পরে তারাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যৌন হয়রানির শিকার হয়।
অধ্যক্ষ মিতা জামাল বলেন, ��কলেজ ছুটির সময় বখাটে ছেলের দল গেটে ভীর জমায়। তারা প্রায় সময় মেয়েদের সাথে আপত্তিকর অশোভন ও অশালীন আচরণ করে। তবে তাদের ঐ বাজে আচরণের শিকার হয় ঐসব মেয়ে যারা জিন্স ও শরীরের সাথে লেপ্টে থাকা টাইট পোশাক পরিধান করে। এ ধরনের ঘটনা এখন নিয়মিত ঘটে চলেছে। কলেজ গেটের বাইরেই এ ধরনের ইভটিজিং-এর একের পর এক অভিযোগ আসতে থাকার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দ্রক্তত পদক্ষেপ নেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। তিনি বলেন, এরপর আমরা ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের জিন্স পরার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার সিহ্নাশ্চ নিয়েছি। সাম্প্রতিক সময়ে ইভটিজিং ঠেকাতে উত্তর প্রদেশের বহুসংখ্যক কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের জিন্স, শর্ট টাইট ব্লাউজ এবং মিনিস্কার্ট পরিধান নিষিহ্ন করেছে। ইদানিং কলেজ পড়ুয়া মেয়েরা প্রতিনিয়ত বখাটে ছেলেদের নিপীড়নের শিকার হচ্ছে। তবে নিপীড়নের শিকার অনেক কলেজ ছাত্রী মনে করছে এ সিহ্নাশ্চের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে না। শেহতা চিত্রাবেদী নামের এক কলেজছাত্রী সংবাদসংন্সা আইএএনএস কে বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষের এ সিহ্নাশ্চ অযৌক্তিক। তিনি বলেন কর্তৃপক্ষ যদি সত্যিই ইভটিজিং বন্ধ করতে চায় তাহলে তাদের পুলিশের সাহায্যে নেয়া উচিৎ।
ছাত্রীরা এ সিহ্নাশ্চকে তাদের জন্য শাস্তি হিসেবে মনে করছে। আরেক ছাত্রী রিচা শর্মা বলছেন, কলেজ ছাত্রীদের জিন্স পরিধান করা একটি হ্নাভাবিক ব্যাপার। তিনি বলেন, মিনিস্কাট ও শট টপস, ব্লাউজের উপর নিষেধাজ্ঞার কারণটা আমি উপলব্ধি করি। কিন্তু জিন্স কেন নিষেধ করা হচ্ছে? পুরো ভারত জুড়ে অনেক কলেজ জিন্স পরার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। কিন্তু এর প্রতিবাদ করছে ছাত্রীরা। তারা বলছে তাদেরকে জোরপূর্বক পোশাক নির্ধারিত করে দেয়া হচ্ছে। কিন্তু উত্তর প্রদেশের কলেজ কর্তৃপক্ষ মনে করছে ইভ-টিজিং এর সমস্যা সমাধানের এটাই যৌক্তিক পথ। মিতা জামাল বলেন, ��খুব শীঘ্রই তারা কলেজের ছাত্রীদের জন্য নির্ধারিত পোশাক পরিধানের বিধান চালু করতে যাচ্ছেন। এখন থেকে যারা কলেজে জিন্সের পোশাক পরে আসবে তাদের বহিষ্কার করা হোক। ��নারীদের বিরুহ্নে অপরাধ বন্ধ করার এটাই একমাত্র পথ। কানপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত আরো তিনটি কলেজও ক্যাম্পাসে জিন্সের পোশাক নিষিহ্ন করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলেছে, ইদানিং মেয়েদের উপর �ইভ-টিজিং' নামে পরিচিত যৌন হয়রানি ভারতে মারাত্মকভাবে বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে এ সিহ্নাশ্চ নেয়া হয়েছে। দেখা গেছে, যেসব মেয়ে আটসাঁট জিন্স টাইট ব্লাউজ এবং মিনিস্কাট পরে তারাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যৌন হয়রানির শিকার হয়।
অধ্যক্ষ মিতা জামাল বলেন, ��কলেজ ছুটির সময় বখাটে ছেলের দল গেটে ভীর জমায়। তারা প্রায় সময় মেয়েদের সাথে আপত্তিকর অশোভন ও অশালীন আচরণ করে। তবে তাদের ঐ বাজে আচরণের শিকার হয় ঐসব মেয়ে যারা জিন্স ও শরীরের সাথে লেপ্টে থাকা টাইট পোশাক পরিধান করে। এ ধরনের ঘটনা এখন নিয়মিত ঘটে চলেছে। কলেজ গেটের বাইরেই এ ধরনের ইভটিজিং-এর একের পর এক অভিযোগ আসতে থাকার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। তিনি বলেন, এরপর আমরা ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের জিন্স পরার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সাম্প্রতিক সময়ে ইভটিজিং ঠেকাতে উত্তর প্রদেশের বহুসংখ্যক কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের জিন্স, শর্ট টাইট ব্লাউজ এবং মিনিস্কার্ট পরিধান নিষিহ্ন করেছে। ইদানিং কলেজ পড়ুয়া মেয়েরা প্রতিনিয়ত বখাটে ছেলেদের নিপীড়নের শিকার হচ্ছে। তবে নিপীড়নের শিকার অনেক কলেজ ছাত্রী মনে করছে এ সিহ্নাশ্চের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে না। শেহতা চিত্রাবেদী নামের এক কলেজছাত্রী সংবাদসংন্সা আইএএনএস কে বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষের এ সিহ্নাশ্চ অযৌক্তিক। তিনি বলেন কর্তৃপক্ষ যদি সত্যিই ইভটিজিং বন্ধ করতে চায় তাহলে তাদের পুলিশের সাহায্যে নেয়া উচিৎ।
ছাত্রীরা এ সিহ্নাশ্চকে তাদের জন্য শাস্তি হিসেবে মনে করছে। আরেক ছাত্রী রিচা শর্মা বলছেন, কলেজ ছাত্রীদের জিন্স পরিধান করা একটি হ্নাভাবিক ব্যাপার। তিনি বলেন, মিনিস্কাট ও শট টপস, ব্লাউজের উপর নিষেধাজ্ঞার কারণটা আমি উপলব্ধি করি। কিন্তু জিন্স কেন নিষেধ করা হচ্ছে? পুরো ভারত জুড়ে অনেক কলেজ জিন্স পরার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। কিশ্চু এর প্রতিবাদ করছে ছাত্রীরা। তারা বলছে তাদেরকে জোরপূর্বক পোশাক নির্ধারিত করে দেয়া হচ্ছে। কিশ্চু উত্তর প্রদেশের কলেজ কর্তৃপক্ষ মনে করছে ইভ-টিজিং এর সমস্যা সমাধানের এটাই যৌক্তিক পথ। মিতা জামাল বলেন, ��খুব শীঘ্রই তারা কলেজের ছাত্রীদের জন্য নির্ধারিত পোশাক পরিধানের বিধান চালু করতে যাচ্ছেন। এখন থেকে যারা কলেজে জিন্সের পোশাক পরে আসবে তাদের বহিষ্কার করা হোক। ব্যপারটি দেরীতে হলেও ভারতীয়দের টনক নড়েছে। কিন্তু বাংলাদেশেও এর ব্যপক প্রসার ঘটার ফলে আমাদেরও কি এরকম পথ একসময় গ্রহন করতে হবেনা?
ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে কলেজে মেয়েদের জিন্স প্যান্ট পরা নিষিদ্ধ করা হল। উদ্দেশ্য ইভ টিজিং কমানো!
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
১৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন
বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার
বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?
কর্মসংস্থান? না।
বিনিয়োগ? না।
ডলার সংকট? না।
গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।
ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।
সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
পণ্ডশ্রম

এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,
চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।
কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,
আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।
দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।